Blog

  • ঝিনাইদহে চার আসনে আ’লীগের মনোনয়ন চান ৪৫ জন

    ঝিনাইদহে চার আসনে আ’লীগের মনোনয়ন চান ৪৫ জন

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে এখন মনোনয়ন ফরমের ছাড়াছড়ি। টাকা থাকুক আর না থাকুক বেশির ভাগ চোখ কান ফোটা নেতারা এমপি হতে চান। নব্বই দশকে যেখানে এমপি হওয়ার মতো পদকে দেখা হতো মর্যাদার সম্মানে। ছিল ভোটের লড়াইয়ে জিতে আসার ভয়। প্রার্থীর অর্থ না থাকলেও কর্মীর ভালোবাসা তাদের সঙ্গী ছিল। সেই যুগ পাল্টেছে। যোগ্যতা থাকুক আর না থাকুক এখন সবাই এমপি হতে চান। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসছে বছরের ৭ জানুয়ারি। বিএনপি ভোটে আসুক বা না আসুক তৃণমূল বিএনপির ব্যানারে ঝিনাইদহের অন্তত ৩টি আসন থেকে সাবেক বিএনপির এমপি ও নেতারা নির্বাচন করবেন বলে গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শৈলকুপা থেকে একাধিকবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল ওহাব ডিগবাজী দিয়েছেন। তিনি তৃনমুল বিএনপিতে যোগদান করে শৈলকুপা থেকে নির্বাচনের ঘোষনা দিয়েছেন। তার এই যোগদান ভোটার মাঠের লড়াইয়ে আ’লীগকে স্বস্তি দিলেও বিএনপিকে অস্তিতে ফেলেছে। অনেকেই মনে করছেন শেষ বয়সে আব্দুল ওহাব আরেক উলিত আব্দুস সাত্তার হতে চলেছেন। এদিকে আসন্ন নির্বাচনে ঝিনাইদহের ৪টি নির্বাচনী আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান ৪৫ জন। শৈলকুপা উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে ঝিনাইদহ-১ আসন। এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন ৮ জন। তারা হলেন, বর্তমান এমপি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই এমপি, আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম মেম্বার অধ্যক্ষ কামরুজ্জামানের কন্যা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পারভীন জামান কল্পনা, অধ্যক্ষ কামরুজ্জামানের ছেলে পারভেজ জামান, বিশ^াস বিল্ডার্সের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নজরুল ইসলাম দুলাল বিশ^াস, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নায়েব আলী জোয়ার্দ্দার, চিত্র নায়িকা সিমলা ও সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপি। তবে এই আসনে আরেকজন প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এম আব্দুল হাকিম মনোনয়ন উত্তোলন করেছেন বলে গুজব ছড়িয়েছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন, সদর পৌরসভা, হরিণাকুÐুর ৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে ঝিনাইদহ-২ আসন। এই আসনে মনোনয়ন উত্তোলন করেছেন ৮ জন। তারা হলেন, ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু, বর্তমান সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি, সাবেক সংসদ সদস্য সফিকুল ইসলাম অপু, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুল, ঝিনাইদহ-মাগুরা সংরক্ষিত আসনের সাংসদ খালেদা খানম, হরিণাকুÐু উপজেলার বিদ্রোহী চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন ও বাজার পাড়ার মোয়াজ্জেম হোসেন স্বপন। কোটচাঁদপুর উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন, একটি পৌরসভা, মহেশপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভাপ নিয়ে ঝিনাইদহ-৩ আসন। এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন উত্তোলন করেছেন ১৪ জন। তারা হলেন, বর্তমান সংসদ সদস্য শফিকুল আজম খান চঞ্চল, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সামরিক সচিব সালাহউদ্দিন মিয়াজি, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাড: আজিজুর রহমান, সাবেক এমপি যুবলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার নবী নেওয়াজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদ, সাধারণ সম্পাদক মীর সুলতানুজ্জামান লিটন, জেলা আওয়ামী লীগের গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আনিচুর রহমান টিপু, টিএম আজিবর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান ময়জদ্দীন হামিদ, সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাতুজ জুম্মা, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এম এম জামান মিল্লাত, কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শরিফুন্নেছা মিকি, বাশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টু ও মোহাম্মদ আলী। ঝিনাইদহ সদরের ৪টি ইউনিয়ন, কালীগঞ্জের ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসন। এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন উত্তোলন করেছেন ১৫ জন। তারা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু, সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইসরাইল হোসেন, বর্তমান এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়ুব হোসেন খান, জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বিজু, সাবেক এমপি প্রয়াত আব্দুল মান্নানের স্ত্রী শামীম আরা মান্নান, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান মতি, রাশেদ শমসের, আনোয়ার পারভেজ সাগর, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক কাজী নাসিম আল মমিন রুপক,বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জেল হোসেন, আলী হাসান মোঃ গোলাম কিবরিয়া, আব্দুর রশিদ খোকন, মীর আমিনুল ইসলাম ও শাতিল ইসলাম। আজ বৃহষ্পতিবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা শেষে কোন আসনে কে নৌকার মাঝি হচ্ছে তা জানাযাবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়–য়া। এই ৪৫ জনের মধ্যে এলাকার লোক চেনে না এমন অনেক প্রার্থী রয়েছেন। রয়েছেন বিদ্রোহী ভোট করা প্রার্থীও। কেউবা জীবনেও ছাত্রলীগের রাজনীতি করেননি এমন বসন্তের কোকিলও রয়েছেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • কেশবপুরে ফ্রি স্বাস্থ্য ক্যাম্প

    কেশবপুরে ফ্রি স্বাস্থ্য ক্যাম্প

    কেশবপুর প্রতিনিধিঃ কেশবপুরের পাঁজিয়া ইউনিয়নে ২২নভেম্বর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে সমাধান সমৃদ্ধি কর্মসুচির আওতায় পিকেএসএফ এর অর্থায়নে নাক,কান ও গলা বিষয়ক স্বাস্থ্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্যাম্পে ঢাকা হোসেন শহীদ সরোয়ারর্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক,কান ও গলা বিষয়ক কনসালটেন্ট ডাঃ মো. হাসনাত আনোয়ার ও ঢাকা স্কায়ার হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ দিপায়ন কুণ্ডু রোগিদের ফ্রি সেবা প্রদান করেন।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাধান সংস্থার উপ-পরিচালক, শফিউল ইসলাম, আঞ্জলিক সমন্ময়কারি মিজানুর রহমান, শাখা ব্যবস্থাপক কামরুজ্জামান ও জহুরুল ইসলাম, সমৃদ্ধি কর্মসূচির ইউনিয়ন সমন্বয়কারী মো. আশরাফুজ্জামান, গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুপ্রভাত বসু, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক অভিজিৎ বসু, ডাঃ ইদ্রিস আলী, ডাঃ রায়হান আহম্মদ শুভ, বিলাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম ও সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ। ক্যাম্পে ১৬৩ জন রোগিকে ফ্রি সেবা প্রদান করা হয়।

    মোঃ জাকির হোসেন
    কেশবপুর,যশোর

  • সেনবাগের দক্ষিণ শাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রহস্যময় চু*রি, থানায় অ*ভিযোগ দায়ের :

    সেনবাগের দক্ষিণ শাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রহস্যময় চু*রি, থানায় অ*ভিযোগ দায়ের :

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
    নোয়াখালীর সেনবাগে দক্ষিণ শাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মুল ভবন ও অফিস কক্ষের তালা ভেঙ্গে বিদ্যালয়ের ল্যাপটপ,প্রজেক্টর,জাতীয় পতাকাসহ অনান্য মুল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে অজ্ঞাত চোরের দল। এব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিনা আক্তার। ২১ নভেম্বর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার দক্ষিণ শাহাপুরস্থ কামারপুকুর পাড় সংলগ্ন বিদ্যালয়টিতে নৈশ প্রহরী বা পিয়ন না থাকায় অজ্ঞাত চোরেরা বিদ্যালয়ের একাধিক তালা ভেঙ্গে ২য় তলার অফিস কক্ষের আলমিরা হতে ল্যাপটপ,প্রজেক্টর এবং জাতীয় পতাকা নিয়ে যায়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিনা আক্তারসহ সহকারী শিক্ষিকাবৃন্দ গণমাধ্যমকে জানান, বুধবার সকাল ৯ টার দিকে আমরা প্রতিদিনের মতো বিদ্যালয়ে এসে মুলভবনের গেইট তালা ভাঙ্গা অবস্থায় খোলা দেখে দ্রুত উপরে উঠি।উপরে উঠে অফিস কক্ষের তালা ভাঙ্গাসহ ভিতরে সকল আলমিরা খোলা এবং সকল ফাইল পত্র এলোমেলো দেখতে পাই।পরবর্তীতে জিনিসপত্র চেক করলে অফিসের ল্যাপটপ,প্রজেক্টর ও জাতীয় পতাকা চুরি হতে দেখা যায়। এব্যপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা প্রশাসনকে অবহিত করি এবং থানায় সাধারণ ডায়েরি লিপিবদ্ধ করি।চুরির ঘটনায় আমরা বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে অত্যন্ত চিন্তিত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনে। পাশাপাশি বিদ্যালয়টিতে দ্রুত নৈশ প্রহরী নিয়োগ করেন।

  • কেশবপুরে ১২দিন বয়সের দুই যোমজ সন্তানকে হ*ত্যার অ*ভিযোগে মা আটক

    কেশবপুরে ১২দিন বয়সের দুই যোমজ সন্তানকে হ*ত্যার অ*ভিযোগে মা আটক

    মোঃ জাজির হোসেন,কেশবপুরঃ কেশবপুরে ১২ দিন বয়সের যোমজ দুই সন্তানকে হত্যার অভিযোগে তার মাকে আটক করেছে থানা পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সন্তান হত্যার কথা স্বীকার করেছে শিশু ২টির মা সুলতানা খাতুন(৩২)। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর স্বামী আবুবকর বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করছে। থানার অফিসার ইনচার্জ মামলার সত্যতা স্বীকার করেছন। ২২ নভেম্বর সকালে কেশবপুর পৌর শহরের সাহাপাড়ার নতুন মসজিদের পাশের ডোবা থেকে নিহত শিশু দুইটির লাশ উদ্ধার করার পর তার মাকে আটক করা হয়।
    থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায় কেশবপুর পৌর শহরের সাহাপাড়া নতুন মসজিদ এলাকার বাসিন্দা আবদুল লতিফ হাওলাদারের কন্যা সুলতানা খাতুন(৩২) গত ১০ নভেম্বর যোমজ দুইটি সন্তান প্রসব করে। এর মধ্যে ১টি ছেলে ও ১টি কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহণ করে। পারিবারিক কলহের জের ধরে ওই শিশু সন্তানের পিতা আবু বক্কর ও মা সুলতানার (স্বামী-স্ত্রীর) মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে ২১ নভেম্বর রাত ২টার দিকে শিশু সন্তান দুইটিকে তাদের বাড়ির পিছনের ডোবাই ফেলে তার মা হত্যা করে। এরপর পুলিশ খবর পেয়ে ২২নভেম্বর সকালে ওই ডোবা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। আবু বক্কর তার স্ত্রীকে নিয়ে তার শশুর বাড়ি আব্দুল লতিফ হাওলাদারের বাড়িতে বসবাস করত। থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জহিরুল আলম বলেন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আব্দুল লতিফের বাড়ির পিছনে থাকা ডোবা থেকে শিশু দুইটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার অভিযোগে তার মাকে আটক করা হয়েছে।
    এ ব্যাপারে কেশবপুর থানায় সাংবাদিকদের সাথে প্রেসব্রিফিংকালে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন জানান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার মা সুলতানা খাতুন তার দুই শিশু সন্তানকে হত্যার করার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কিনা খতিয়ে দেখা হবে।

  • নেছারাবাদে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    নেছারাবাদে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    আনোয়ার হোসেন,
    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)প্রতিনিধি:

    নেছারাবাদে শিক্ষা কর্মকর্তা মো: নাসির উদ্দীন খলিফার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ডেপুটেশন বানিজ্য,শিক্ষকদের সাথে দুর্ব্যবহার,পুরানো ফাইল গেটে ইচ্ছেমত ভুল ধরে উৎকোচ নেয়া যেন তার নিয়ম হয়ে দাড়িয়েছে। এ নিয়ে ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষক উপর মহলে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    শিক্ষকদের অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাছির উদ্দিন খলিফা এখানে যোগদান করেই শুরু করেন দুর্নীতি। তিনি বিভিন্ন স্কুল থেকে সদ্য যোগদানকৃত সহকারি শিক্ষক এবং পুরাতন সহকারি শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে করেন ডেপুটেশন। প্রতিটি ডেপুটেশনে তিনি নিয়েছেন ১৫-২০ হাজার টাকা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ শিক্ষা কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন খলিফা স্কুল ম্যানেজিং কমিটি এবং প্রধান শিক্ষকদের অনুরোধ উপেক্ষা করে ডেপুটেশন বানিজ্য করেছেন খেয়াল খুশিমত। তাদের অভিযোগ যে স্কুলে শিক্ষার্থী বেশি শিক্ষক কম সেখান থেকে শিক্ষক নিয়ে ঘুষদানকারিকে সুবিধাজনক স্কুলে দিয়েছেন। এতে পাঠদানে চরম ব্যাঘাত ঘটছে ওইসব স্কুলে।
    এসব বিষয়ে সংশ্লিস্ট বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক কিছু জানতে চাইলেও তাদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে এ শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

    পশ্চিম জৌসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নাজনিন আখতার অভিযোগ করেন, আমি পুরানো একজন শিক্ষক। আমি বিশেষ কারনে অত্র বিদ্যালয় থেকে বদলির জন্য আবেদন করি। বদলি নিয়ে বরিশালের একটি স্কুলে যোগদান করি। ওই স্কুলে যোগদান করার পূর্বে আমার পুরানো কর্মস্থল থেকে রিলিজপত্র নেয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে যাই। এ জন্য ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নমিতা রানি হালদার শিক্ষা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আমার কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করেন। আমি অনেক অনুনয় বিনয় করে তাকে দশ হাজার টাকা দিতে চাইলে তাতে তিনি রাজি হননি। এক পর্যায়ে শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে দশ হাজার টাকার বিনিময়ে আমাকে রিলিজপত্র দেন নমিতা রানি হালদার।

    কুহুদাসকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিখিল মন্ডল অভিযোগ করেন, আমার স্কুলে ৬০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এর বিপরিতে পাচজন শিক্ষক ছিল। তারমধ্য প্রধান শিক্ষক অসুস্থ জনিত কারনে বিদ্যালয়ে আসতে পারেনা। বাকি চারজন শিক্ষক থেকে শিক্ষা কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন খলিফা একজনকে ডেপুটেশনে নিয়ে গেছেন। বর্তমানে স্কুলে তিনজন শিক্ষক আছেন। তার অভিযোগ শিক্ষা কর্মকর্তা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এই ডেপুটেশন করিয়েছেন। যাহাতে আমাদের কোন সায় ছিলনা। বর্তমানে শিক্ষক সংকটে এ স্কুলে পাঠদানে চরম ব্যাঘাত ঘটছে।

    নাম না প্রকাশ শর্তে একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন, শিক্ষা কর্মকর্তা বেশকিছু বিদ্যালয়ে গিয়ে তিনি বিগত অর্থ বছরের ফাইল ঘেটে খেয়াল খুশিমত দোষ ধরছেন। তিনি উৎকোচ নেয়ার জন্য এসব ভুল ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবী করছেন। তার এসব অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে কেহ কোন প্রতিবাদ করলে তাকে হতে হচ্ছে নানান হয়রানি।

    এ সব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, সব মিথ্যা। আমার কাছ থেকে যারা কোন অনৈতিক সুবিধা নিতে পারছেনা তারা এসব মিথ্যা সংবাদ ছড়াচ্ছে।

  • দোয়ারাবাজারে খেলার মাঠ দখল মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন

    দোয়ারাবাজারে খেলার মাঠ দখল মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন

    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:: দোয়ারাবাজারে বাংলাবাজার খেলার মাঠ দখল মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে উপজেলার বাংলাবাজার হাসপাতাল মাঠে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তরা বলেন, দেশ স্বাধীনের আগে থেকে এই মাঠ খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। পরবর্তীতে মাঠ দখল হওয়ায় এখন খেলাধুলা করা যাচ্ছে না। মাঠের চতুর্দিকে গাছপালা লাগিয়ে এবং স্থাপনা তৈরি করে যে যার মতো মাঠ দখলে নিয়ে যাচ্ছে। দেখার কেউ নেই। অবিলম্বে মাঠ দখল মুক্ত করে খেলাধুলার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করার দাবি জানাই।

    বাংলাবাজার ইজারাদার আবুল হাশিম বলেন, বাংলাবাজার ইউনিয়নের একমাত্র খেলার মাঠটি এখন দখল হয়ে যাচ্ছে। চতুর্দিকে গাছপালা লাগিয়ে দখল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। খেলাধুলার সুবিধার্থে গাছের ঢাল কাটতে গেলে দখলদারেরা ছেলেদের মারধর করার ঘটনাও ঘটিয়েছে। অবিলম্বে মাঠ দখল মুক্ত করার দাবি জানাই।

    জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রব্বানী চৌধুরী বলেন, বাংলাবাজার খেলার মাঠটি দখল হচ্ছে এমন অভিযোগ পেয়েছি। সার্ভেয়ার কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার পর দখল মুক্ত করতে আইনী প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।

    মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জুবায়ের আহমদ, কামাল হোসেন, শামীম আহমদ, সোহেল মিয়া, মারুফ হোসেন, আব্দুছ ছোবহান, ফরিদ আহমদ, জামিন আহমদ, জাহিদ হাসান, তানভীর আহমদ, নিখাত , শরীফ আহমদ, মাছুম আহমদ, একরাম হোসেনকে, ইমরুল ইসলাম, হৃদয়, সজিব আহমদ, নাঈম আহমদ, মোজাম্মিল হোসেন প্রমুখ।

  • শ্রদ্ধা ভালোবাসায় মোংলাবাসী স্মরণ করলো কবি ড. হিমেল বরকত’কে

    শ্রদ্ধা ভালোবাসায় মোংলাবাসী স্মরণ করলো কবি ড. হিমেল বরকত’কে

    বায়জিদ হোসেন, মোংলা

    অকাল প্রয়াত কবি, গবেষক, প্রাবন্ধিক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. হিমেল বরকতের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (২২ নভেম্বর) রুদ্র স্মৃতি সংসদ মিঠাখালী, সস্মিলিত সাস্কৃতিক জোট মোংলা, সর্বদলীয় সম্প্রীতি উদ্যোগ, মিঠাখালী সিদ্দিক বাজার বণিক সমিতি সহ বিভিন্ন রাজনৈক দল ও বিভিন্ন সামাজিক এবং পেশাজীবি সংগঠনের যৌথ আয়োজনে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    বুধবার সকাল ৯টায় রুদ্র স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে সংসদ চত্বর থেকে শোভাযাত্রা সহকারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর হিমেলের বাড়িতে দোয়া অনুষ্ঠিত হয় এবং মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

    বেলা ১১টায় কবি হিমেল বরকতের বাড়িতে স্মরণানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রুদ্র স্মৃতি সংসদের সভাপতি সাংবাদিক সুমেল সারাফাত। বক্তব্য রাখেন শিরিয়া বেগম বালিকা বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক ওবায়দুল ইসলাম, কবি হিমেল’র বাল্য বন্ধু জানে আলম বাবু, বিশিষ্ট গীতিকার মোল্লা মামুন, মিঠাখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আবুল হোসেন, মো: ছাইফুল গোলদার, সহকারী শিক্ষক সফরুল ইসলাম, আফান শেখ, রুদ্র স্মৃতি সংসদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বায়জিদ হোসেন, মারুফ বিল্লাহ্, সহ অন্যান্যরা। আলোচনা শেষে হিমেল বরকতের লেখা গান পরিবেশন করে অন্তর বাজাও শিল্পী গোষ্ঠী।

    সভায় বক্তারা বলেন, হিমেল বরকত ছিলেন একাধারে অধ্যাপক, খ্যাতিমান কবি, প্রাবন্ধিক, গীতিকার ও সাহিত্য গবেষক। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই তিনি বাংলা সাহিত্যাংগনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। হিমেল বরকতের প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো- চোখে চৌদিকে (২০০১), দশ মাতৃক দৃশ্যাবলি (২০১৪), গবেষণাধর্মী গ্রন্থ প্রান্তস্বর ব্রাত্যভাবনা (২০১৭), সাহিত্য সমালোচক বুদ্ধদেব বসু গবেষণা গ্রন্থ (২০১৩), ছড়ায় ছড়ায় প্রকৃতির বিস্ময়, ছোট গল্প আয়না এবং পেনসিল ও রাবারের গল্প।

    প্রসঙ্গত, ড. হিমেল বরকত ১৯৭৭ সালের ২৭ জুলাই বাগেরহাট জেলার মোংলার মিঠেখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২০ সালের ২২ নভেম্বর ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হিমেল বরকত প্রয়াত কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ছোট ভাই। হিমেল বরকত ১৯৯৪ সালে মোংলার সেন্ট পলস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৯৬ সালে ঢাকার নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং পরবর্তী সময়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্স-মাস্টার্স ও ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন।

    ঢাকা সিটি কলেজে শিক্ষকতার মধ্য দিয়ে ২০০৫ সালে হিমেল বরকতের কর্মজীবন শুরু হয়। ২০০৬ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন এবং ২০১৮ সালের ৫ জুন অধ্যাপক হন। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত এখানেই তিনি কর্মরত ছিলেন।

    হিমেল বরকত সম্পাদিত গ্রন্থগুলো হলো রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ রচনাবলী (২০০৫), কবি ত্রিদিব দস্তিদারের কবিতা সমগ্র (২০০৫), চন্দ্রাবতীর রামায়ণ ও প্রাসঙ্গিক পাঠ (২০১২), রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর শ্রেষ্ঠ কবিতা (২০১২), বাংলাদেশের আদিবাসী কাব্যসংগ্রহ (২০১৩), রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ স্মারকগ্রন্থ (২০১৫) ও রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর প্রেমের কবিতা নিয়ে অনুকাব্য। এ ছাড়া অপ্রকাশিত রয়েছে হিমেলের বেশ কিছু কবিতার বই ও গান।

  • গোদাগাড়ীর মাঠে মাঠে সরিষার হলুদ ফুল, এ যেন প্রকৃতির হলুদে বিছানার চাদর

    গোদাগাড়ীর মাঠে মাঠে সরিষার হলুদ ফুল, এ যেন প্রকৃতির হলুদে বিছানার চাদর

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীর ফসলের মাঠ সরিষার হলুদ ফুলে ছেঁয়ে গেছে। অগ্রহায়ণের হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে হলুদ সরিষার ফুল। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত যেমন মাঠ, তেমনি বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষকেরা । এক সাথে ফোটা ফল গুলো রোদ ঝলমল আলোয় প্রকৃতির মাঝে অপরুপ সৌন্দর্যর শোভা ছড়াচ্ছে। আর তা দেখতে ভীড় করছেন প্রকৃতি প্রেমীরা ।

    কৃষকরা আগে এসব জমিতে শুধু ইরি-বোরো এক ফসলী আবাদ করে হাজার হাজার হেক্টর জমি পতিত রাখত। কালের বিবর্তনের সাথে সাথে এ অঞ্চলের কৃষকদেরও কৃষি ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটেছে।

    তারা বিগত দু, যুগ ধরে ইরি-বোরো, আমন, টমেটো করোলা. লাউ, পটল, শীম, ভূট্টা, তরমুজ আবাদের পাশাপাশি সরিষার আবাদেও ঝুঁকেছে। তাই এখন সরিষার হলুদ ফুলে ফুলে ঢাকা গোদাগাড়ীর বিস্তীর্ণ মাঠ। গোদাগাড়ীর চর আষাড়িয়াদহ বিল, বাসুদেবপুরের বিল চড়াইয়ের যে দিকেই তাকাই হলুদ ফুলে চোখ ঝলসে উঠে। ফুলের সাথে লক্ষ লক্ষ মৌমাছি গুঞ্জন কৃষককে মহিত করে তুলেছে। মৌমাছি সরিষার ফুল থেকে মধু আহরণে ব্যস্ত। মধু আরোহনকারীরা মধু আরহনে ব্যস্তসময় পার করছেন। শীতের শিশির ভেজা সকালে সরিষার ফুল ফল দুলছে তো দুলছে সে সাথে দুলছে কৃষকের মন।
    তাই তো তারা দিনের বেশী সময় সরিষার মাঠে সময় পার করছেন। এ বছর গোদাগাড়ীতে বাম্পার সরিষার ফলন আশা করছেন কৃষক।

    নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে শীত বাড়ার সাথে এসব সরিষা ক্ষেতে দেখা দিবে আরও ফুল । শীতের আমেজ বাড়ার সাথে বাড়ে সরিষার ফুলও । এ সময় প্রকৃতি সরিষার ফোটা ফুল ছড়ায় মুগ্ঘতা । দিগন্ত জোড়া হলুদ সরিষার ফসলের মাঠ। যতদুর চোঁখ যায় সরিষার ক্ষেত । অগ্রহায়ণের হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে এক সাথে ফোটা সরিষার ফুল গুলো।
    আর তা উপর থেকে দেখলে মনে হবে যেন হলুদ গালিচা । ফোটা সরিষা ফুলে ভ্রমর মধু খুঁজে ফিরছে ফুলে ফুলে । মধুমাখা ক্ষণে, প্রকৃতির সনে, সুবাসে মশগুল, সরষে ফুল । বিকেলের বেলাতে, মৌমাছির খেলাতে,গুনগুন তুলে রব,চারিদিকে সৌরভ, কবির লেখা কবিতার মতোই অসাধারণ এ চিত্রপট ফুটে উঠেছে রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বরেন্দ্রাঞ্চলের বিস্তির্ন মাঠে ।
    মাঠ জুড়ে প্রকৃতির অনাবিল সৌন্দর্য উপভোগ করতে দুর দরান্ত থেকে আসছেন তরুণ তরুণী সহ নানা বয়সী মানুষ । মাঠের চার পাশ ঘুরে দৃষ্টি নন্দন এমন পরিবেশ কে ক্যামেরা ফ্রেমে বন্দি করতে ব্যস্ত দর্শনার্থীরা

    কৃষি অফিসের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছেন। গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ – ২০২২ অর্থবছরে এ উপজেলায় মৌসুমে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২শ’ ৪০ হেক্টর। লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে সরিষার চাষ হয়েছিল।

    গোদাগাড়ী উপজেলায় ২০২০ – ২০২১ অর্থবছরে ৭ হাজর ২শ ১০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছিল। বারি সরিষা-১৪ জাত ২ হাজার ৮শ ৪৫ হেক্টর, বারি সরিষা-১৫ জাত ২ হাজার ৬শ ৯০হেক্টর, বারি সরিষা-১৭ জাত ২শ ৩৫ হেক্টর, এছাড়া বিনা সরিষা সহ স্থানীয় কিছু জাত চাষ হয়েছে।

    রাজশাহী জেলার উপ-পরিচালক মোঃ মোজদার হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা এক ইঞ্চি জমি ফাঁকা ( পতিত) রাখা যাবে না। এ ঘোষনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য,স্মার্ট কৃষি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কৃষিক্ষেত্রে বিভন্ন কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে আজ পর্যন্ত চাষে ও বিনা চাষে সরিষা বপন হয়েছে শুধু মাত্র গোদাগাড়ি উপজেলায় ১৯ হাজার ৫ শ ৪৩ হেক্টর। বিনা চাষে ৫ হাজার ১ শ ২৫ হেক্টর সরিষা চাষ হয়েছে। এখনও সরিষা বপন চলছে, আগামী ১৫ দিন পর্যন্ত বপন চলবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তাগন মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে কাজ করছেন, কৃষকদের পরামার্শ দিচ্ছেন। ইনসাল্লাহ সরিষার বাম্পার ফলন হবে।

    এছাড়া প্রতি সরিষা জমি থেকে বাড়তি আয় করতে অনেক বেকার যুবক এবং কৃষকগণ মৌবাক্স স্থাপন করেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গোদাগাড়ী সকল ধরনের কারিগরী সহযোগিতা করছে। কিছু কিছু জমিতে মধু আহরণের জন্য চাষীরা মধু সংগ্রহের বাক্স বসিয়েছেন। তেল বীজ, মধুর পাশাপাশি কৃষকরা সরিষা থেকে উন্নত গো-খাদ্যও তৈরী করতে পারবে বলে আশাবাদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

    সরিষা প্রধানত আবাদ হয় দোআঁশ ও বেলে-দোআঁশ মাটিতে, বিশেষ করে নদী বিধৌত এলাকায়। কার্তিক-অগ্রাহায়ণ মাসে দু-একটি চাষ বা বিনা চাষেই জমিতে ছিটিয়ে সরিষা বীজ বপন করা হয়। সরিষা চাষে সেচ ও সার লাগে কম। সরিষার পাতা একটি উৎকৃষ্ট জৈব সার হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। তেল নেয়ার পর অবশিষ্ট অংশ গরুর খৈল হিসেবে খাওয়ানো হয়। এতে প্রচুর পুষ্টি থাকে। জ্বালানী হিসেবে সরিষার গাছ ব্যবহার করা হয়।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গোদাগাড়ী উপজেলার বিলপাতিকলা, দূর্গাদহ বিল, রেলগেট বিল, সুশাডাং, বোগদামারি, কালিদিঘি, পিরিজপুর, প্রেমতলী, সিধনা বিল, গ্রোগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় বির্স্তীণ মাঠ সরিষার হলুদে ফুলে ছেঁয়ে গেছে। কৃষক আলাউদ্দিন বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে তেলের চাহিদা মিটাতে গোদাগাড়ী কৃষি বিভাগের পরামর্শে আমি সরিষা আবাদ করেছি। আশা করছি, সরিষা চাষে লাভবান হতে পারব।

    গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার অতনু সরকার বলেন, সোয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে তেলের চাহিদা মিটাতে কৃষকদের সরিষা চাষে সচেতন করা হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের সরিষা চাষে পরামার্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ। এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কৃষি বান্ধব সরকার তৈল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গোদাগাড়ী উপজেলায় মোট ১ হাজার ৬শ ৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার প্রদান করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রতি ইঞ্চি জমির ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। বিলের পানি নেমে যাওয়ার পর পরই সরিষার আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গোদাগাড়ী আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সব সময় কৃষকের পাশে থাকতে নিরন্তর ছুটে চলতে ভালোবাসি।

    গোদাগাড়ী এলাকার কৃষকরা জানান, কালের প্রেক্ষাপটে আমন ধানের বিকল্প হিসেবে গোদাগাড়ীতে কৃষকরা বোরো ধানের চাষে ঝুঁকে পড়ে। বিল চাড়ায়ের পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে মাঠের কৃষক কখনো সরিষার আবাদ করার কথা ভাবেনি। এখন থেকে ২০ বছর আগে এ বিলের কৃষক সমাজ ভাবতে পারেনি এ জমিতে সরিষা, মুসরি চাষ করার কথা। গত কয়েক বছর বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় এবিলের মাঠে মাঠে সরিষার আবাদ হয়েছে পুরোদমে। বর্তমানে সরিষার গাছে গাছে হলুদ ফুলের সমাহার। প্রায় ফুলেই মৌমাছি বসে মধূ আহরণ করছে। কৃষক আশা করছে কোন রোগ বালাই না হলে এবার গোদাগাড়ীতে সরিষার বাম্পার ফলন হবে।

    গোদাগাড়ী পৌর এলাকার কৃষক আব্দুল মাতিন জানান, এ বছর আমি ৩ বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ করেছি। প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হলে প্রতি বিঘা জমিতে ৬ থেকে ৭ মণ হারে সরিষার ফলন হবে। একই গ্রামের শামসুল আলম জানান, সরিষার আবাদের পরই জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা যায়। এতে জমিতে সার কম লাগে। সরিষার পাতা ও শিকড় সবুজ সারের কাজ করে এবং বোরো ধানের ফলনও বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়। অল্পসময়ের মধ্যে ২টি ফসল ঘরে তুলতে পারছে কৃষক।

    ভাজনপুর এলাকার কৃষক দুলুদেব বলেন, বর্তমানে মাঠে সরিষার, ভুট্টা, বিনাচাষে রসুন, ধনিয়া, গমের আবাদ হয়েছে। সরিষার চাষে লাভ বেশী খরচ কম। তাছাড়া সহজেই বিক্রয় করা যায়। সরিষার আবাদ ঘরে তোলার পর ওই জমিতেই সার ছাড়াই বোরো ধানের চাষ করা যায়। সরিষার আবাদ এ অঞ্চলের কৃষককে লাভের মুখ দেখাতে পেরেছে। সরিষার পাশাপাশি এবার ভুট্টার আবাদও হয়েছে ব্যাপক। মাত্র ২ থেকে আড়াই মাসের মধ্যে সরিষা জমি থেকে ঘরে তোলা যায়। সরিষার পাতা ও শিকড় জমিতে জৈব সারের কাজ করে। গাছগুলি জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা যায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ জানান, স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষককে একের অধিক ফসল ফলানোর জন্য নানাভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া উপসহকারী কৃষি অফিসারগণ সার্বক্ষণিক মাঠে কৃষকের সাথে কাজ করছেন। যাতে কৃষকের কোন প্রকার সমস্যার সৃষ্টি না হয়। আমি আশা করছি, প্রাকৃতিক কোন বিপর্যয় না ঘটলে এবার বিল চড়াইসহ গোদাগাড়ী সরিষা, গম, পিয়াজের রসুনের বাম্পার ফলনের আশায় স্থানীয় কৃষকদের চোখে মুখে হাসির ঝিলিক দেখা দিয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • পাবনা-২ আসনে এবার নৌকার হাল ধরতে চান আশিকুর রহমান খান সবুজ

    পাবনা-২ আসনে এবার নৌকার হাল ধরতে চান আশিকুর রহমান খান সবুজ

    এম এ আলিম রিপন ঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-২ আসনে নৌকার প্রর্থী হতে চান আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের কান্ডারি ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা আশিকুর রহমান খান সবুজ। ইতিমধ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন তিনি। সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি গণসংযোগ আর উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে নিজেকে রাজনৈতিক মাঠে বিকশিত রেখেছেন। ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে আপামর জনসাধারণের কাছে যেমন নিজেকে মেলে ধরেছেন তেমনি সবার মন জয় করে নিয়েছেন আ.লীগের এ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। তাকে ঘিরেই যেন পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার মানুষদের মাঝে নতুন প্রত্যাশার স ার হয়েছে। এর আগেও তিনি জনমত গড়তে এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সমর্থন আদায়ের জন্য নির্বাচনী এলাকা সুজানগর পৌরসভাসহ উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও আমিনপুর থানার ৫টি ইউনিয়নের নির্বাচনী মাঠঘাট ঘুরছেন। আশিকুর রহমান খান সবুজ বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্র জীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন, তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় শাখার সমাজ সেবা সম্পাদক, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সদস্য( জাহাঙ্গীর কবির নানক-মির্জা আজম কমিটি,২০০৩-২০০৯), আ.লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ সম্পাদক ও তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির সদস্যসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন । স্থানীয় নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আ.লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান খান জানান, নির্বাচনী এলাকার আ.লীগের নেতাকর্মীদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখাসহ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন,সমাজ সেবা ও ক্রীড়া এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে দীর্ঘদিন ধরে সবুজ নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে চলেছেন। ফলে নির্বাচনী এলাকা জুড়ে আ.লীগের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তার একটা পরিচ্ছন্ন ও নিজস্ব ব্যক্তি ইমেজ তৈরি হয়েছে। করোনাকালীন সময়ে অসহায় মানুষদের মাঝে বাড়িয়েছিলেন সহযোগিতার হাত । তাই নেত্রী সবুজকেই মনোনয়ন দেবেন বলে প্রত্যাশা রাখেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ও আ.লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে মনোনয়ন প্রত্যাশা রেখে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী আশিকুর রহমান খান সবুজ বলেন, দলের দুর্দিনে দলের জন্য কাজ করেছি। এলাকার গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছি। তাই আমার বিশ^াস প্রধানমন্ত্রী ও আ.লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার যথাযথ মূল্যায়ন করবেন এবং নৌকার মনোনয়ন দেবেন। আর মনোনয়ন পেলে বিজয়ী হবেন এবং তিনি তার সকল যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে নির্বাচনী এলাকার অবহেলিত জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করবেন । প্রসঙ্গত, রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যানে বি.এস.সি,এম.এস.সি সম্পন্ন করা সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের নওয়াগ্রামের মেধাবী কৃতি সন্তান আশিকুর রহমান খান সবুজের পিতা প্রয়াত সৈয়দ আলী খান নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন আ.লীগের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ছিলেন। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম জমিদান করাসহ এলাকায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করেন। আশিকুর রহমানের সেজ বোন জিন্নাত আরা রোজী কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সহ সভাপতি এবং এর আগে ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও সমাজ সেবা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ছোট বোন জেসমিন আরা মৌসুমী ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি।।

  • নড়াইলে পৃথক অ*ভিযানে গাঁজাসহ গ্রে*ফতার ৩

    নড়াইলে পৃথক অ*ভিযানে গাঁজাসহ গ্রে*ফতার ৩

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে ২৫০ গ্রাম গাজাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা মাদক ব্যবসাযার সাথে জড়িত উল্লেখ করে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচাজ মোঃ ছাব্বিরুল আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুটি পৃথক অভিযানে মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মুক্তার সরদার (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে ১৫০ গ্রাম এবং মোঃ টিটো খান (২৭) ও শাকিব খান (২৩) নামের দুজন ব্যক্তিকে ১০০ গ্রাম সর্বমোট ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখা। গ্রেফতারকৃত মুক্তার সরদার (২৬) নড়াইল সদর থানাধীন আগদিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের মোঃ মোশারেফ সরদারের ছেলে। তাকে নড়াইল সদর থানাধীন কলোড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত আগদিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের জনৈক রহিমা বেগম এর বসতবাড়ীর সামনে কাঁচা রাস্তার উপর হতে আটক করা হয়। মোঃ টিটো খান (২৭) লোহাগড়া থানাধীন নলিয়া গ্রামের হাফিজার খান এর ছেলে এবং সাকিব খান (২৩) একই গ্রামের মোঃ সবুর খানের ছেলে। ২১ নভেম্বর রাতে নড়াইল সদর থানাধীন হবখালী ইউনিয়নের হাড়িগড়া গ্রামস্থ জনৈক কামাল মোল্লা এর ধানী জমির দক্ষিণ দিকে নড়াইল-মাগুরাগামী পিচের রাস্তার উপর থেকে তাদের আটক করা হয়।
    অভিযান পরিচালনা করেন এসআই (নিঃ) জয়দেব কুমার বসু ও এসআই (নিঃ) অপু মিত্র সহ একাধিক পুলিশ। পৃথক অভিযান চালিয়ে আসামিদের নিকট থেকে মোট দুইশত পঞ্চাশ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান গোয়েন্দা শাখার অফিসার্স ইনচার্জ। তিনি আরো জানান নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।