Blog

  • ১১৪ পটুয়াখালী-৪ আসনে নৌকার মাঝি হতে চান ২০ জন

    ১১৪ পটুয়াখালী-৪ আসনে নৌকার মাঝি হতে চান ২০ জন

    রফিকুল ইসলাম ঃ
    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১৪পটুয়াখালী-৪ আসনে নৌকার মনোননয়ন চেয়ে ২০জন প্রার্থী আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। বুধবার (২১ নভেম্বর) পর্যন্ত প্রার্থীরা এসব মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

    পটুয়াখালী ৪ আসন থেকে যে ২০জন দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন তারা হলেন বর্তমান এমপি অধ্যক্ষ মো. মহিব্বুর রহমান,আব্দুল্লাহ আল ইসলাম লিটন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুবুর রহমান, তাঁর ছোট ভাই বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মোঃ হাবিবুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ সৈয়দ নাসির উদ্দীন, বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম রাকিবুল আহসান, বর্তমান পৌরসভা মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, তাঁর পুত্র কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য বিকাশ চন্দ্র হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব তালুকদার, বর্তমান সাংসদ’র স্ত্রী উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক অধ্যক্ষ ফাতেমা আক্তার রেখা, আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক নীহার রঞ্জন সরকার মিল্টন, যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ, জেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিষ্টার জুনায়েদ হাসিব, আওয়ামীলীগ নেতা সৈয়দ আখতারুজামান কোক্কা, তাঁর পুত্র যুবলীগ নেতা সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নাসির উদ্দিন, শহিদুল্লাহ ওসমানী, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাবুল, মোঃ বাশেদ সিমন, গৌতম চন্দ্র হাওলাদার প্রমূখ।

    প্রসঙ্গত,এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০২৪ এর ৭ জানুয়ারি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর।

  • দোয়ারাবাজারে বিয়ের দাবীতে কথিত সাংবাদিক মুন্নার বাড়িতে পরকিয়া প্রেমিকার অনশন

    দোয়ারাবাজারে বিয়ের দাবীতে কথিত সাংবাদিক মুন্নার বাড়িতে পরকিয়া প্রেমিকার অনশন

    হারুন অর রশিদ,

    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে দীর্ঘ ৫ বছর পরকীয়ার পর বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন এক সন্তানের জননী আছমা বেগম (২৬)। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর ) সকাল থেকে উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের মহব্বতপুর গ্রামের রহমত আলীর পুত্র ও কথিত সাংবাদিক, তিন সন্তানের পিতা এনামুল কবীর মুন্নার বাড়িতে অবস্থান নেন ওই মহিলা । তিনি একই ইউনিয়নের টিলাগাঁও গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী ও লক্ষীপুর ইউনিয়নের চকবাজার গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে।

    দীর্ঘ ৫ বছর পরকিয়ার পর আছমা বেগম বিয়ের দাবিতে বাড়িতে প্রবেশ করার পর এনামুল কবীর মুন্নার বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়, পরে মুন্নার স্ত্রী ও মা তার উপর চড়াও হয়ে তাকে বেধড়ক মারপিট করে। অবস্থা বেগতিক হলে স্থানীয়রা এসে মহিলাকে এক ঘন্টার মধ্যে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার বাড়ি থেকে সুরমা ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ এর ছোট ভাই আব্দুর রশীদের বাজারের বাসায় জিম্মায় নিয়ে আসেন।

    জিম্মাদার আব্দুর রশীদ ও স্থানীয় সালিশ ব্যক্তিত্ব আব্দুল কুদ্দুস (মামুন শাহ) বলেন, মহিলাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে এনামুল কবীর মুন্না’ তার সাথে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত রয়েছে। সম্প্রতি সে ওই মহিলাকে তার স্বামীকে ডিভোর্স দিতে বললে মহিলা স্বামীকে ডিভোর্সও দেয়। পরে মুন্না মহিলার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিলে ওই মহিলা বৃহষ্পতিবার সকালে বিয়ের দাবিতে তার বাড়ি চলে আসে। এসময় পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে গেলে আমরা জিম্মায় নিয়ে আসি।

    আছমা বেগম বলেন, আগে থেকেই আমার স্বামীর সঙ্গে বনিবনা ছিল না। এরই মধ্যে এনামুল কবীর মুন্না সাংবাদিক পরিচয়ে আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে সে আমাকে বিয়ের প্রলোভনে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। শেষমেশ সে আমাকে স্বামী ত্যাগ করতে বললে আমি তার কথা মত আদালতে গিয়ে স্বামীকে ডিভোর্স দেই। ডিভোর্সের পর সে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আমি কোনো উপায়ান্তর না পেয়ে তার বাড়িতে চলে আসি। আমার মান সম্মান সব শেষ এখন সে আমাকে বিয়ে না করলে আমাকে আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

    স্থানীয়রা জানান, এনামুল কবীর মুন্না এলাকায় গ্লোবাল টিভির প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন ওয়েব পোর্টালের সাংবাদিক পরিচয়ে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজিসহ লোকজনকে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এ নিয়ে একাধিক সালিশ বিচারও হয়েছে। সাংবাদিক পরিচয়ে সে প্রকাশ্যে থানার দালালি করে পুলিশ ও প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তি আইন, বখাটেপনাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় প্রায় ৭/৮ টি মামলার রয়েছে। একটি মামলায় তার ৬ মাসের সাজাও হয়েছিল।

    এনামুল কবির মুন্নার বাবা রহমত আলী শালীশীদের কাছে বলেন, এসব বিষয়ে আমি কিছু জানিনা তবে আমার ছেলে যদি অপরাধী হয় তাহলে ঐ মহিলার সাথে যদি তার সম্পর্ক থাকে তাহলে সে বিয়ে করতে হবে।

  • কমিউনিটি স্কোর কার্ড বাস্তবায়ন সংক্রান্ত জেলা পর্যায়ে দ্বি-বার্ষিক পরামর্শ সভা

    কমিউনিটি স্কোর কার্ড বাস্তবায়ন সংক্রান্ত জেলা পর্যায়ে দ্বি-বার্ষিক পরামর্শ সভা

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বরগুনা প্রতিনিধি

    কমিউনিটি বেজড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (সিবিডিপি)’র ব্যবস্থাপনায় নলটোনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের সেবার মানোন্নয়নে কমিউনিটি স্কোর কার্ড বাস্তবায়ন সংক্রান্ত জেলা পর্যায়ে দ্বি-বার্ষিক পরামর্শ সভা ২৩ নভেম্বর বরগুনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

    সিবিডিপির সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক চিত্তরঞ্জন শীলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাহমুদুল হক আজাদ। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিবিডিপির নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মিরাজ, বরগুনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাফর হোসেন হাওলাদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মোঃ সালেহ, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মাযহারুল ইসলাম প্রমুখ।

    কমিউনিটি বেজড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (সিবিডিপি), প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ২০২০ ইং সাল থেকে বরগুনা জেলার ৬টি উপজেলা এবং বরগুনা সদর উপজেলার অন্তর্গত দুর্যোগ কবলিত নলটোনা ইউনিয়নে শিশু এবং যুবদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে Y- Moves প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে। এ প্রকল্পের অধীন বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে একটি হলো স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সেবা সম্পর্কে সেবা দাতা এবং সেবা গ্রহীতার মতামত গ্রহণ করা। নির্দিষ্ট স্কোর কার্ড ফরমের মাধ্যমে বছরে দুবার এ মতামত সংগ্রহের কাজটি করা হয়। এরই ধারাবহিকতায় গত ১৬ নভেম্বর, ২০২৩ ইং তারিখে নলটোনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের সেবার মান যাচাইকরণে কমিউনিটি স্কোর কার্ড বাস্তবায়ন করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় সেবাদাতা হিসেবে নলটোনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক এবং পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা অংশগ্রহণ করেন। উক্ত প্রক্রিয়ায় সেবগ্রহীতা হিসেবে অংশগগ্রহণ করেন ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী ১০ জন শিশু যার মধ্যে ৫ জন ছেলে এবং ৫ জন মেয়ে শিশু। মূলত কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে নলটোনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের বর্তমান সেবার মান সম্পর্কে সেবা দাতা এবং সেবা গ্রহীতার মতামত সংগ্রহ করাই এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।

    এর আগে গত ২৪ মে, ২০২৩ একই প্রক্রিয়ায় নলটোনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের বর্তমান অবস্থার কমিউনিটি স্কোর কার্ড বাস্তবায়ন করা হয়। উক্ত প্রক্রিয়া প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায় সেবা গ্রহীতার স্কোর ৫৭.৯% যা বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়ে ৬২.৮১% এ পৌঁছেছে। অর্থাৎ সেবা গ্রহীতার কাছে নলটোনা ইউনিয়ন স্বাস্থা ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের কৈশোর বান্ধব স্বাস্থ্য সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বর্তমান অবস্থায় দেখা যায় এ সেবার মান আরো উন্নত করতে কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
    সেবাদাতা এবং সেবা গ্রহীতাদের থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো নিম্নে তুলে ধরা হলো:

    স্কোর কার্ড অনুযায়ী নলটোনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের সেবা প্রদানকারীদের মতামতঃ
    নলটোনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ভবনটি জরাজীর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ। আইইসি (তথ্য, শিক্ষা ও যোগযোগ) সামগ্রীর স্বল্পতা। নিরাপদ খাবার পানির উৎস নেই।রেকর্ড কিপিং ব্যবস্থার মান উন্নয়ন প্রয়োজন অপেক্ষমান কক্ষে কিশোর কিশোরীদের আলাদা বসার ব্যবস্থা নেই।

    স্কোর কার্ড অনুযায়ী নলটোনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের শিশু সেবা গ্রহণকারীদের মতামত: নলটোনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ। আইইসি (তথ্য, শিক্ষা ও যোগযোগ) সামগ্রীর স্বল্পতা। নিরাপদ খাবার পানির উৎস নেই। অপেক্ষমান কক্ষে কিশোর কিশোরীদের আলাদা বসার ব্যবস্থা নেই। অপেক্ষমান কক্ষটিতে পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা নেই। সেবা কেন্দ্রের টয়লেট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন নয়।সময়সূচির কোনো চার্ট বা নিয়ম নেই। আইইসি (তথ্য, শিক্ষা ও যোগযোগ) সামগ্রী হিসেবে ডিজিটাল মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করলে ভালো হয়। কিশোর কিশোরীদের জন্য সিরিয়ালের ব্যবস্থা প্রয়োজন।চিকিৎসাপত্রে লেখার ধরন আরো পরিষ্কার করা।আলাদাভাবে একা একা গোপনীয় বিষয় আলোচনা করার সুযোগ প্রয়োজন। সেবা প্রদানকারী আচরণ আরো শিশুসুলভ করা।

  • জাতীয় সংসদ ও নির্বাচন’ভোটার তালিকাভুক্ত হতে হলে কি যোগ্যতা প্রয়োজন-বাকিটা ইতিহাস

    জাতীয় সংসদ ও নির্বাচন’ভোটার তালিকাভুক্ত হতে হলে কি যোগ্যতা প্রয়োজন-বাকিটা ইতিহাস

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশের জনগণের ভোটার তালিকাভুক্ত হতে হলে কি কি যোগ্যতা প্রয়োজন হবে? কম্পিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইড-১৫২ পাতার (ক) বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। (খ) বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। (গ) প্রয়োজন হলে অপ্রকৃতিস্থ নয় বলে আদালত কর্তৃক ঘোষিত হতে হবে। (ঘ) নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দা হতে হবে।
    সূত্রমতে, বাংলাদেশের প্রথম-প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন, বিচারপতি এম. ইদ্রিস। নির্বাচন কমিশনার এবং মহাহিসাব নিরীক্ষক কর্মাবসানের পর প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন পদে নিযুক্ত হবার যোগ্য হবেন না। নির্বাচন কমিশনার এবং মহাহিসাব নিরীক্ষক কর্মাবসানের পর প্রজাতন্ত্রের কর্মে অন্য কোন পদে নিযুক্ত হবার যোগ্য হবেন না। অবশ্য কেবল নির্বাচন কমিশনারগণ কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররুপে নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন।
    “জাতীয় সংসদ ও নির্বাচন” জাতীয় সংসদ কি? তা আমাদের জানা দরকার। বাংলাদেশের আইনসভা হল জাতীয় সংসদ, এটি এক কক্ষবিশিষ্ট এবং প্রজাতন্ত্রের সকল প্রকার আইন প্রণয়নের কেন্দ্র। জাতীয় সংসদের মেয়াদ কত বছর তা আমাদের জানা দরকার, মাত্র পাঁচ বছর। রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে না দিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হলে সংসদ আপনা-আপনি ভেঙ্গে যাবে। জাতীয় সংসদের গঠন কিরুপ?: সমগ্র দেশে থেকে নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়। তবে সংবিধানে মেয়াদী ৩০জন মহিলা সংসদ সদস্য রাখার বিধান রাখা হয়েছে। সংরক্ষিত আসন ব্যতীত মহিলা সদস্যগণ অন্যান্য সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। সূত্রমতে, জাতীয় সংসদের মোট সদস্য ৩৩০ জন। তা সংবিধান পরিবর্তন করা হলে এই সংখ্যা বাড়তে পারে। জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার জন্য কি যোগ্যতার প্রয়োজন? প্রথমত বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। দ্বিতীয়ত কমপক্ষে ২৫ বছর বয়স হতে হবে।
    বিশেষ করে কখন ও কিভাবে বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ গঠিত হয় তা সবার জানা দরকার, মহামান্য রাষ্ট্রপতি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি। এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। মোটামুটিভাবে ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে গন্য হয়। এ আদেশ অনুযায়ী ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান অংশ থেকে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সব সদস্য (৪৬৯জন= ১৬৯ জন=৩০০জন) নিয়ে এই পরিষদ গঠিত হয়। শেষ পর্যন্ত গণপরিষদের সদস্য সংখ্যা ৪০৪ জনে দাঁড়ায়। গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন-১০ এপ্রিল ১৯৭২। সেসময় গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ, দ্বিতীয় স্পীকার মোহাম্মদ উল্লাহ, গণপরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পীকার মোঃ রায়তুল্লাহ, গণপরিষদের নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশের শাসনতন্ত্রে কতজন সদস্য স্বাক্ষর করেন তা জানা প্রয়োজন, ১৪ ডিসেম্বর ৩৫০জন এবং ১৫ ডিসেম্বর ৪৭জন-৩৯৭ জন। ২০২৩ বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযুদ্ধা সাহাবুদ্দিন মহোদয়, ডিপুটি স্পীকার এ্যাডঃ শামসুল হক টুকু। ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন সংখ্যা ৩০০/ কিন্তু আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি প্রায় সাড়ে ৪হাজার (৪৫০০)। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া যেন বর্তমানে সোনার হরিণ বলে অভিমত প্রকাশ করেন অনেকেই। এবার আসি বাকি ইতিহাস কি বলে?
    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন আদর্শবান মানুষ ছিলেন, সেই বঙ্গবন্ধু’র আদর্শের সৈনিক ও ত্যাগী নেতা হওয়া এতো সহজ নয়। দেশের প্রকৃত ইতিহাস জানতে হলে সবাইকে বেশি বেশি বই পড়তে হবে। বিশেষ করে ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুভ জন্মদিন এবং ১৫ আগস্ট মৃত্যু বার্ষিকী তা অনেকেই জানেন। বর্তমানে কিছু অনুপ্রবেশকারী, তাদের মুখে নৌকা, অন্তরে ধানের শীষ। নৌকা মার্কার বিজয় নিশ্চিত করতে প্রকৃত আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। শক্রমুক্ত হোক দেশ, স্বাধীনতা সে আমার-স্বজন হারিয়ে পাওয়া একমাত্র স্বজন, স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রিয় মানুষগুলোর রক্তে কেনা অমূল্য ফসল লাল সবুজের পতাকা। একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতা। বাংলাদেশের স্থপ্রতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উচ্চারণ ও দেশের জন্য মরতে পারি প্রয়োজনে মহারণ, তবুও শক্রমুক্ত হোক বাংলাদেশ, এই কথাগুলো আমরা ভুলতে পারি না কারণ,যা শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, তা এখন বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের মানুষ জানেন, তা এখন ইতিহাস।
    বিশেষ করে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পতাকা বুকে নিয়ে মানুষ ঐক্যে সেদিন গোটা দেশ, একটি কথা একটি আশা শক্রমুক্ত হবে বাংলাদেশ। লাখো মায়ের আহাজারি, স্বাধীনতা তোমার লাগি ঝড়ছে পাহাড় পরিমাণ রক্ত, কত অশ্রুবারি হয়েছে বাংলার বুকে। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে গড়লো যারা নতুন দেশ, তারা জাতির শ্রেষ্ঠ বীর সন্তান, তাদের রক্তে আজ এই বাংলাদেশ স্বাধীন। আমরা পেয়েছি লাল সবুজের পতাকা। দেশ ও জাতির স্বার্থে যারা কাজ করেছেন, যারা স্বাধীনতার জন্য হাসি মুখে জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, যারা রাজনৈতিক ফায়দা নিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাংচুর করে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে যারা অপমান করে তাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা। বর্তমানে বাংলাদেশে নেতার অভাব নেই কিন্তু প্রকৃত ত্যাগী নেতা ও ভালো কর্মীর খুবই অভাব। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই নেতা ও সাংবাদিক বনে গেছেন, তারা বেশিরভাগ ব্যক্তি যা পায় তাই খায়, তারা দলের কিছু শীর্ষ নেতা ও কিছু পুলিশ অফিসারের সাথে ছবি তুলে সেই ছবি দেখিয়ে ফায়দা নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করে বিভিন্ন ফায়দা নিতে যারা চেষ্টা করছে, সঠিকভাবে তাদেরকে শনাক্ত করাসহ তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। সিন্ডিকেট করে যারা কোটি কোটি টাকার অবৈধ কারবার করছে তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে জাতীয় দিবসগুলো পালন করে আসছেন জাতি। সবাইকে বাংলাদেশের ইতিহাস জানা দরকার। বাংলাদেশের নাম লেখা হতো না, লাল সবুজের পতাকা উঁড়তো না, যদি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে এই দেশ স্বাধীন না হইতো। ইতিহাস পড়ুন, দেশ ও জাতির সম্পর্কে সবকিছু জানুন, শেখ মুজিবুর রহমানের কেমন নীতি ছিলো, কেমন আদর্শবান মানুষ ছিলেন তিনি। কোথায় প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে? ইতিহাস বলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায়, ২মার্চ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নায়ক হিসেবে বলা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
    বিশেষ করে ২৪তম বিসিএস ২০০৩ সালের ১২২ পাতায় কম্পিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইডের সুত্র: বাংলাদেশের মোট জমির পরিমাণ ৩ কোটি ৬৬ লক্ষ ৭০ হাজার একর। বাংলাদেশে মাথাপিছু আবাদী জমির পরিমাণ প্রায় ২৫একর (২৫শতাংশ)। বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তির কতভাগ লোক কৃষি কাজে নিয়োজিত, তা আমরা অনেকেই জানিনা। তথ্যমতে প্রায় ৬৬ভাগ মানুষ কৃষি কাজ করেন, কিন্তু আবাদী জমিতে বাড়ি, ঘর, ইটভাটা ও কল কারখানা হওয়ায় এখন ফসলি জমি কমে যাচ্ছে। প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে। এরপর ২০০২ সালে ৪র্থ কৃষি শুমারি হয় এরপর ২০২২ সালে। কৃষি জমি ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য ২০০০ সাল পর্যন্ত মহাপরিকল্পনা নেয়া হয় কিন্তু দেশের রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ বা সেতু নির্মাণ করছে সরকার-এতে তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না, এতে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হচ্ছে, শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হচ্ছে। তথ্যমতে কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে জনসংখ্যা ছিলো মাত্র ৭ কোটি, যা বর্তমান ২০২২-২৩ইং সালে প্রায় ১৮ কোটির মতো দাঁড়িয়েছে। মানুষের খাদ্য বস্ত্র ও চিকিৎসা সেবা সঠিকভাবে চলছে। বর্তমানে উন্নয়নমুখী সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের নেতাকর্মীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, এরজন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। ধন্যবাদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। লিখতে গিয়ে থামতে মন চায় না, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তোমাকে আমরা ভুলিনি আর কোনদিন ভুলবো না। আগামী ২০২৪ইং সাল হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, এই নির্বাচন বাঙালি জাতির কাছে একটি নতুন ইতিহাস রচনা হতে পারে বলে ধারণা করছেন সচেতন মহল।

  • কুড়িগ্রাম ০২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন জে এস বাপ্পি

    কুড়িগ্রাম ০২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন জে এস বাপ্পি

    রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : তারিখ:২২-১১-২০২৩ইং।আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর ২৬/০২ আসনের মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন রাজারহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জননন্দিত জননেতা জাহিদ ইকবাল সোহরাওয়ার্দী বাপ্পি।গতকাল ২১ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন তিনি।স্বাধীন বাংলাদেশের পবিত্র সংবিধান প্রনয়ণ কমিটির অন্যতম সদস্য,বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর,রাজারহাট উপজেলা আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাবেক গণ পরিষদ সদস্য চাকিরপশার ইউপি নিবাসী,বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আবদুল্লাহ সোহরাওয়ার্দী কনিষ্ঠ জাহিদ ইকবাল সোহরাওয়ার্দী বাপ্পি।রাজনৈতিক জীবনে জেএস বাপ্পি রংপুর জেলা ছাত্রলীগ এর সাবেক সফল সভাপতি,রংপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগ এর যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগ এর মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক এবং রাজারহাট উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ আহবায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্যের দায়িত্ব কর্তব্য নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর রাজনীতিতে বাবা আব্দুল্লাহ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু ও ভাই জাভিদ সোহরাওয়ার্দী অপুর অকাল মৃত্যু শোকাহত পরিবারটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকাকালীন সময়ে একাধিকবার উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব প্রদান করেন অধ্যক্ষ আসিফ সোহরাওয়ার্দী রাজন। জেএস বাপ্পি বিগত সময়ে চাকিরপশার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কয়েকবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।পরবর্তীতে তিনি রাজারহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে বিশাল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সর্বসাধারণের নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।জাতীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী জাহিদ ইকবাল সোহরাওয়ার্দী বাপ্পি বলেন, রাজারহাট উপজেলাকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা, দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প বাস্তবায়নে আধুনিক, মডেল ও স্মার্ট রাজারহাট বিনির্মানের লক্ষ্যে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২৬কুড়িগ্রাম, রাজারহাট-ফুলবাড়ী ২ আসনের মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করলাম। আমি রাজারহাট-বাসীর নিকট দোয়া ও শুভ কামনা প্রত্যাশী।

  • নড়াইলে গাঁ*জা ও সা*জাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রে*ফতার ৩

    নড়াইলে গাঁ*জা ও সা*জাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রে*ফতার ৩

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    :
    নড়াইলে গাঁজা ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেফতার তিনজন। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোঃ রানা শেখ (২৭) ও হাসান মোল্যা (১৯) নামের ২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখা। এক কেজি কাঁচা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার কৃতরা হলো মোঃ রানা শেখ (২৭) লোহাগড়া থানাধীন কোটাকোল গ্রামের মোঃ আবদুল শেখের ছেলে এবং হাসান মোল্যা (১৯) একই গ্রামের মোঃ মাহবুব মোল্যার ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (২২নভেম্বর) বিকাল ৪টার দিকে লোহাগড়া থানাধীন কোটাকোল গ্রামস্থ মোঃ রানা শেখ এর বসতঘরের পশ্চিম পাশের বাগানের মধ্য থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন এস আই (নিঃ) ফারুক হোসেন ও এএস আই (নিঃ) তরুণ কুমার মন্ডল সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ রানা শেখ (২৭) ও হাসান মোল্যা (১৯)কে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামী মোঃ রানা শেখ (২৭) নিকট হতে ৭০০ গ্রাম ও হাসান মোল্যা(১৯) এর নিকট থেকে ৩০০ গ্রাম মোট এক কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সংক্রান্তে লোহাগড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করে আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপরদিকে
    নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত এক জনকে গ্রেফতার। (২১ নভেম্বর) দিবাগত রাতে এনআই অ্যাক্টের মামলায় দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও ৬৬,৩০৩ টাকা জরিমানাপ্রাপ্ত আসামি মোঃ রুমান শেখকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার সদর থানা পুলিশ। সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোঃ রুমান শেখ নড়াইল জেলার সদর থানার বাগডাঁঙ্গা গ্রামের ওসমান শেখের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলার সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমানের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) শফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে রাতে তার নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার করে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় ওয়ারেন্ট তামিলে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।

  • খুলনা ৬ আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর

    খুলনা ৬ আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধ।।
    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (পাইকগাছা-কয়রা) খুলনা- ৬ ছয় আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও খুলনা জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর।
    মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এম হাদিউজ্জামান সহ-সভাপতি ফরহাদ আহমেদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • পাইকগাছায় আর আর এফ”র বিশেষ ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় আর আর এফ”র বিশেষ ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছায় আর আর এফ’র সমৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় বিশেষ চক্ষু ও সানি অপারেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার গদাইপুর সংস্থার কার্যালয়ে বুধবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পযন্ত এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
    ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন আর আর এফ এর চুকনগর জোনের আ লিক পরিচালক মোঃ মাহফুজুর রহমান। খুলনা শিরোমনি বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের দুজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ৪৫০ জনকে চিকিৎসা সেবা দেন। এর মধ্যে ৭০ জন রোগীকে ছানি অপারেশনের জন্য খুলনা বিএনএসবি হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয়। সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় ছিলেন সমৃদ্ধি কর্মসূচি সমন্বয়কারী তাপস সাধু, শেখ আরিফুর রহমান, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নাজরিন নাহার, প্রিতম সাহা ও তারক মজুমদার।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • জোনাকি গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে ইউএনও’র নিকট অ*ভিযোগ

    জোনাকি গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে ইউএনও’র নিকট অ*ভিযোগ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছার সরল বাজারস্থ জোনাকি গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি কর্তৃপক্ষ সদস্যরা এবার তাদের জমাকৃত টাকা ফেরত পেতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে। বুধবার দুপরে ৩শতাধিক সদস্যের স্বাক্ষরিত অভিযোগ ইউএনও মুহাম্মদ আল-আমিন বরাবর প্রদান করা হয়। এর আগে টাকা ফেরত পেতে শত শত ভুক্তভোগী সদস্যরা সমিতি কার্যালয় ঘেরাও ও ইউএনওর কার্যালয়ে সমবেত হয়। বর্তমানে সমিতির নিকট প্রায় ১হাজার গ্রাহকের ৫কোটি টাকা পাওনা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সদস্য বা গ্রাহকরা। উল্লেখ্য পৌরসভার সরল বাজারে অবস্থিত জোনাকি গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি তাদের গতিশীল কার্যক্রমে দ্রুত সময়ের মধ্যে এলাকার মানুষের কাছে জনপ্রিয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এর ফলে এলাকার শ্রমজীবি, দিনমজুর ও ব্যবসায়ী সহ সর্বস্তরের মানুষ জোনাকি গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতিতে তাদের কষ্টের উপার্জিত অর্থ জমা রাখে। অনেকেই সাধারণ স য়, কেউ কেউ ডিপিএস আবার একটু স্বচ্ছল ব্যক্তিরা এফডিআর হিসেবে সমিতিতে মোটা অংকের টাকা বিনিয়োগ কিংবা স য় হিসেবে জমা রাখে। ইতোমধ্যে বেশিরভাগ সদস্যের প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও তাদের টাকা ফেরত দিতে ব্যার্থ হয় সমিতি কতৃপক্ষ। এর ফলে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সমিতি কতৃপক্ষ টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন তাল বাহানা করতে থাকলে কয়েকশো গ্রাহক ৮মে সমিতি কার্যালয় ঘেরাও করে। এসময় সমিতির নির্বাহী পরিচালক কাউন্সিলর আলাউদ্দীন গাজী ও সভাপতি মোহাম্মদ আলী গাজী গ্রাহকদের নিকট থেকে ৬মাসের সময় নেয়। নিদৃষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা দিতে ব্যার্থ হওয়ায় পরবর্তীতে শত শত গ্রাহকরা ৯ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে সমবেত হয়ে টাকা ফেরত পেতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বুধবার পুনরায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য ইউএনও’র হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক ইসরাউল ইসলাম জানান সমিতির নিকট আমি ২লাখ ৬৩হাজার টাকা পাইবো। টাকা ফেরত না দেওয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে জীবনযাপন করছি। সমিতি কতৃপক্ষ সমিতি কার্যালয় তালাবদ্ধ রেখে গা ঢাকা দিয়েছে। অনেকটাই নিরুপায় হয়ে সদস্যদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। টাকা ফেরত পেলে অসহায় গ্রাহকরা অনেক উপকৃত হবে বলে জানান মৎস্য আড়ৎদারি সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন।

  • রাণীশংকৈলে নবাগত ইউএনও’র সাথে সাংবাদিকদের মত বিনিময়

    রাণীশংকৈলে নবাগত ইউএনও’র সাথে সাংবাদিকদের মত বিনিময়

    এস আর মানিক, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ
    ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা হলরুমে মঙ্গলবার ২১ নভেম্বর বিকেলে উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ইউএনও রকিবুল হাসান মতবিনিময় সভা করেন।
    সভায় রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব সভাপতি মোবারক আলী সাংবাদিক আনোয়ারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিপ্লব, সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ, হুমায়ুন কবির, আনিসুর রহমান বাকি, কুশমত আলী, সফিকুল ইসলাম শিল্পি, একে আজাদ প্রমুখ।বক্তারা তাদের বক্তব্যে প্রশাসনের কাছে উপজেলার সংবাদ পরিবেশনে তথ্য সরবরাহসহ সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। ইউএনও তার বক্তব্যে সাংবাদিকতাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করে বলেন, আমি এ উপজেলায় সম্প্রতি যোগদান করেছি। আপনাদের আবেদন ও উপদেশমূলক বক্তব্য অবশ্যই আমার কাছে গুরুত্ব পাবে। তিনি এ উপজেলাকে একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। সেইসাথে সাংবাদিকদেরকেও সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

    এস আর মানিক
    রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও