Blog

  • উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম সহ ৩ টি পদের নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন ; স্বচ্ছতা নিশ্চিত করায় প্রশংসিত

    উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম সহ ৩ টি পদের নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন ; স্বচ্ছতা নিশ্চিত করায় প্রশংসিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ইমাম সহ ৩টি গুরুত্বপূর্ণ পদের নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। বুধবার বিশিষ্ট ওলামায়েকেরামদের সহযোগিতা নিয়ে এ নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। প্রভাবমুক্ত স্বচ্ছ নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করায় নিয়োগ কমিটিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল। উল্লেখ্য উপজেলা পরিষদ এলাকার মধ্যেই নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। ইতোমধ্যে নবনির্মিত দৃষ্টিনন্দন মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক ভাবে শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মসজিদটি সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য মসজিদের পেশ ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এর মতো গুরুত্বপূর্ণ ৩টি পদের নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পেশ ইমাম পদে আবেদনকারী ২২ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৫ জন, মুয়াজ্জিন পদে আবেদনকারী ১০ জনের সকলেই এবং দুটি খাদেম পদে আবেদনকারী ৫ জনের মধ্যে ৪জন অংশ গ্রহণ করে। বিশেষ জ্ঞান সম্পন্ন জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের আলেমগনের সহযোগিতা নিয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে লিখিত ও মৌখিক ভাবে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন। এ কাজে সার্বিক সহযোগিতা করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। চুড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী পেশ ইমাম পদে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন উপজেলার উলুডাংগা গ্রামের মোকছেদ আলী মোড়লের ছেলে আশরাফুল ইসলাম, মুয়াজ্জিন পদে দাকোপ উপজেলার নলিয়ান গ্রামের জাহান আলী সানার ছেলে ওমর ফারুক, খাদেম পদে শ্রীকন্ঠপুর গ্রামের আনসার আলী সানার ছেলে সাইফুল ইসলাম ও খতিব মোড়লের ছেলে নাজমুল হাসান। এ ব্যাপারে নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন বলেন স্থানীয় এবং খুলনার বিশেষজ্ঞ আলেমগনের সহযোগিতা নিয়ে একটি স্বচ্ছ নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পেরেছি। পরীক্ষা শেষে একই দিন চুড়ান্ত ফলাফল ও প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চুড়ান্ত প্রার্থীদের নিয়োগ প্রদান করা হবে। প্রভাবমুক্ত স্বচ্ছ নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করতে যারা সহযোগিতা করেছেন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানান ইউএনও মুহাম্মদ আল-আমিন।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • বাগেরহাটের ফকিরহাটে পরিবার কল্যাণ সেবা প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষ্যে এ্যাডভোকেসি সভা

    বাগেরহাটের ফকিরহাটে পরিবার কল্যাণ সেবা প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষ্যে এ্যাডভোকেসি সভা

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট:“নিরাপদ মাতৃত্ব, পরিকল্পিত পরিবার-স্মার্ট বাংলাদেশ হোক আমাদের অঙ্গিকার” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ে ব্যপক জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে দেশব্যাপি কর্মসুচির অংশ হিসেবে বাগেরহাটের ফকিরহাটে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ-২০২৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে এ্যাডভোকেসি সভা আনুষ্ঠিত হয়েছে।

    উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আয়োজনে বৃৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনাবিভাগের মেডিকেল অফিসার (মা, শিশু স্বাস্থ্য) ডা. মো. শাহরিয়ার শামীম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ।

    এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাহিদ সুজা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এএসএম মফিদুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুল আলম, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মো. জাহিদুর রহমান প্রমূখ। এসময় বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও গনমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির
    বাগেরহাট প্রতিনিধি

  • উপজেলা আইনশৃঙ্খলা ও মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    উপজেলা আইনশৃঙ্খলা ও মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা ও মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পৃথক সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, সহকারী কমিশনার ভূমি আরিফুজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নিতীশ চন্দ্র গোলদার, ওসি তদন্ত তুষার কান্তি দাশ, অধ্যক্ষ সমরেশ রায়, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ, কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন, রিপন কুমার মন্ডল, কাজল কান্তি বিশ্বাস, শাহজাদা আবু ইলিয়াস, প্যানেল মেয়র শেখ মাহবুবর রহমান রনজু, প্যানেল চেয়ারম্যান শংকর বিশ্বাস, প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ দে, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিষ্ণুপদ বিশ্বাস, কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসীম কুমার দাশ, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন সোয়েব, সমাজসেবা অফিসার অনাথ কুমার বিশ্বাস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসিবুর রহমান, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রাজিবুল হাসান, বন কর্মকর্তা প্রেমানন্দ রায়, দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা বিপ্লব কান্তি বৈদ্য, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মৌলুদা খাতুন, সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জি এম বাবলুর রহমান, সহকারী সমবায় কর্মকর্তা তোরাব আলী, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া বানু ডলি, শিক্ষক প্রদীপ শীল, প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি তৃপ্তি রঞ্জন সেন, মোঃ আব্দুল আজিজ ও সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দিন আহমেদ। সভায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, উপজেলা মডেল মসজিদের ৩টি পদে স্বচ্ছ নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন, নদীর চর ভরাটি জমি জবরদখল, যানজট নিরসন, সরকারি খাল উদ্ধার, কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরি ও মাদকের ব্যবহার বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় নবাগত সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ আরিফুজ্জামান কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

  • রাজশাহী-১ আসনে ফের নৌকার মাঝি ফারুক চৌধুরী

    রাজশাহী-১ আসনে ফের নৌকার মাঝি ফারুক চৌধুরী

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১ ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে এবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেছেন সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীসহ প্রায় ডজন খানেক নেতা। এদের মধ্যে রয়েছে
    সংরক্ষিত আসনের সংসদ-সদস্য আদিবা তানজুম মিতা, জেলা আওয়ামী লীগের সংগঠনিক সম্পাদক একেএম আসাদুজ্জামান আসাদ, আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম রাব্বানী,আখতারুজ্জামান আক্তার, জেলা কৃষক লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ তাজবুল ইসলাম,আয়শা আখতার ডালিয়া ও এ্যাডঃ আবুল কাশেমপ্রমুখ। এই আসনে আবারো আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে দলের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীদের মূখে শোনা যাচ্ছে। প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা, সামাজিক মর্যাদা, পারিবারিক ঐতিহ্য, রাজনৈতিক দুরদর্শিতা ও অভিজ্ঞতা, আর্থিক স্বচ্ছলতা, কর্মী বাহিনী, নেতাকর্মীদের মতামত ও ভোটারদের মানসিকতা বিচার-বিশ্লেষণ করে ফারুক চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বলে স্থানীয়
    একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
    এদিকে ফারুক চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয়ার মধ্যদিয়ে এই অঞ্চলের গণমানুষের আকাঙ্খা বা স্বপ্ন পুরুণ হয়েছে বলে মনে করছেন আমজনতা। অন্যদিকে এবার তাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করে সরকারের মন্ত্রীসভায় দেখার আকাঙ্খায় আমজনতা একট্টা হয়েছে।
    খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, দলের ভিতর এবং বাইরের নানা ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, প্রতিহিংসা ও গুজবের বহু অন্ধকার গলিতেও তিনি পথ হারাননি এবং গতানুগতিক রাজনীতির স্রোতে গা ভাসিয়ে দেননি।নিজস্ব, স্বকীয়তা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন অমায়িক ব্যবহার ও প্রচণ্ড সাহসী নেতৃত্বের লৌহমানব এই মানুষটি ছাত্র রাজনীতির সীমানা অতিক্রম করে ধীরে ধীরে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার পুরুষে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার প্রতি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ তাতে তিনি না চাইলেও তানোর-গোদাগাড়ীর মানুষ তাকেই তাদের নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে, এখানে তার কোনো বিকল্প নাই। কারণ সাধারণ মানুষের নিখাদ ভালবাসার চেয়ে বড় কোন শক্তি নাই। তার মনোনয়ন নিশ্চিত হবার মধ্যদিয়ে সেটা আবারো প্রমাণ হয়েছে।
    অনুসন্ধানে জানা গেছে, এমপি ফারুক চৌধুরী তার দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের রাজনৈতিক জীবনে তানোর-গোদাগাড়ী থেকে তিনি প্রতিদিন যদি ৫ জন মানুষের উপকার করে থাকেন, তাহলে ৩৬৫ দিনে ১৮২৫ জন এবং ২০ বছরে ৩৬ হাজার ৫০০ জন মানুষের সরাসরি উপকার করেছেন। তাহলে উপকারভোগী এই মানুষগুলো তো এখানো এমপির পক্ষে মাঠে রয়েছে। এমপির জন্য জীবন বাজি রেখে তারা কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে। এসব বিবেচনায় পরিক্ষিত ও আদর্শিক নেতৃত্ব ফারুক চৌধুরীকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বলে স্থানীয়
    একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।#

  • মোংলা বন্দরে ৭৬১ গাড়ী নিয়ে বিদেশী জাহাজ

    মোংলা বন্দরে ৭৬১ গাড়ী নিয়ে বিদেশী জাহাজ

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট: সিঙ্গাপুর থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রিকন্ডিশন গাড়ী নিয়ে মোংলা বন্দরে নঙ্গর করেছে বৃহত্তম মালশিয়া পতাকাবাহী বানিজ্যিক জাহাজ “এমভি মালশিয়ান স্টার”। জাহাজটি একই সাথে মোট এক হাজার ১৮০টি গাড়ী নিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে সরাসরী বাংলাদেশে প্রবেশ করে। সেখান থেকে প্রথমে চট্ট্রগ্রাম বন্দরে নঙ্গর করে ৪১৯টি গাড়ী খালাস শেষে ২২ নভেম্বর রাতে ছেড়ে এসে মোংলা বন্দরের উদ্দোশ্যে। এবারের চালানে ৭৬১টি গাড়ী মোংলা বন্দরে খালাস করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে বন্দরের ৫ নাম্বর জেটিতে এসে ভিরে জাহাজটি। ব্যাবসায়ীরা বলছে, গাড়ী আমদানীর মধ্য দিয়ে এ বন্দরের মাধ্যমে একটি বড় রাজস্ব আয় হয় সরকারের।

    বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, মোংলা বন্দরে খালাস করা হচ্ছে একের পর এক গাড়ীবাহী জাহাজ। চলতি অর্থ বছরের এই ৫ মাসে ১০ টি জাহাজে মোট ৯ হাজার ৫১৪ টি গাড়ী খালাস হলো এ বন্দর দিয়ে। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) ৭৬১টি গাড়ী খালাস করা হচ্ছে মোংলা বন্দরে। এর মধ্যে এক্সিও, প্রিমিও, এলিয়ন, অ্যাকোয়া, নোয়া, মিনিবাস ও এ্যাম্বুলেন্স সহ একাধিক ব্র্যান্ডের রিকন্ডিশন গাড়ী রয়েছে। গাড়ীগুলো প্রথমে জাপানের নাগোয়া, ইউকোহামা ও ওসাকা বন্দর থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রিকন্ডিশন গাড়ী এনে সিঙ্গাপুরে রাখা হয়। বাংলাদেশী ব্যাবসায়ীদের আমদানী করা এসব গাড়ী সিঙ্গাপুর থেকে মালেশিয়া পতাকাবাহী বানিজ্যিক জাহাজ “এমভি মালশিয়ান স্টার” নামের জাহাজ বোঝাই করে নৌপথ পাড়ি দিয়ে মোংলা বন্দরে এসে নঙ্গর করে । গত (১৬ নভেম্বর) জাপান থেকে আসা সিঙ্গাপুর বন্দর থেকে এক হাজার ১৮০টি গাড়ী বোঝাই করে বানিজ্যিক জাহাজটি। প্রথমে চট্ট্রগ্রাম বন্দরে খালাসের পর ২৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ১১টার দিকে বন্দরের ৫নম্বর জেটিতে এসে জাহাজটি ভিড়ে। আর নঙ্গরের পর পরই জাহাজ থেকে গাড়ী খালাস কাজ শুরু করে খালাশকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স খুলনা ট্রেডার্স লি: এর প্রতিনিধিরা।

    জাহাজটির শিপিং এজেন্ট মেসার্স এনশিয়েন্ট ষ্টিমশিপ লিঃ কর্তৃপক্ষ জানায়, মোংলা বন্দর জেটিতে গাড়ীগুলো খালাস করতে ১৪/১৬ ঘন্টা সময় লাগবে, পরে আমদানী করা গাড়ীগুলো খালাস শেষ করে তা বন্দর জেটির ইয়ার্ড ও সেডে সারীবদ্ধ করে রাখা হবে। দেশে গাড়ী আমদানী থেকেই একটি বড় আকারের রাজস্ব আয় করে কাস্টমস ও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর আগে গত ৭ নভেম্বর ১ হাজার ২৬৬টি গাড়ী নিয়ে মোংলা বন্দরে খালাস করেছিল একই জাহাজ “এমভি মালেশিয়া স্টার”।

    বারবিডা সাবেক সহ-সভাপতি ও (মেসার্স ট্রাস্ট অটো কার’র প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম সম্রাট বলেন, পদ্মা সেতু চালু আর সড়ক পথে অবকাঠামোগত দিগ ঠিক হওয়ায় ঢাকার সাথে মোংলা বন্দরের দুরত্ব কমেছে আগের তুলনায় অর্ধেক। এছাড়া আগে মোংলা বন্দর থেকে ঢাকায় পৌছাতে বেশী সময় লাগতো, এখন সেখানে মাত্র ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘন্টায় ঢাকায় পৌছানো যায়। তাই আমদানী-রপ্তানীকৃত ব্যাবসায়ীরা এখন মোংলা বন্দরকেই বেশী পছন্দর করছে। এ বন্দর ব্যাবহার করলে সময় এবং অর্থ দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে বলে জানায় এ ব্যাবসায়ী।

    ২০০৯ সালের ৩ জুন হক্স-বে অটোমোবাইল কোম্পানি প্রথম ২৫৫টি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানির মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দরে গাড়ি রাখার কার্যক্রম শুরু হয়।

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির
    বাগেরহাট প্রতিনিধি ।

  • উপকূলীয় মোরেলগঞ্জ  শরণখোলা বগী-গাবতলা ‘টেকসই’বেরিবাঁধ নির্মাণ হস্তান্তরের আগেই  বাঁধে ভাঙন

    উপকূলীয় মোরেলগঞ্জ শরণখোলা বগী-গাবতলা ‘টেকসই’বেরিবাঁধ নির্মাণ হস্তান্তরের আগেই বাঁধে ভাঙন

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট: বাগেরহাটে মোরেলগঞ্জ – শরণখোলা উপজেলা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে উপকূলীয় মানুষকে সুরক্ষা দিতে ‘টেকসই’বেরিবাঁধ নির্মাণ শুরু হয়েছে ২০১৫ সালে। ২৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পটিতে (সিইআইপি) অর্থায়ন করছে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্পের অধীনে মোরেলগঞ্জ থেকে শরণখোলা উপজেলার বগী-গাবতলা পর্যন্ত ৬২ কিলোমিটার বাঁধের ৯৫ শতাংশ কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরে পুরোপুরি কাজ শেষ হওয়ার কথা। তবে হস্তান্তরের আগেই বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় হওয়ায় চিন্তিত হয়ে পড়েছে উপকূলের মানুষ। যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, নদীশাসন প্রকল্প প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

    এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘৬২ কিলোমিটার বাঁধের ২০ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ। বলেশ্বর নদের গভীরতা ও স্রোত বেশি থাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীশাসনের একটি প্রকল্প প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে ভাঙনের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।’

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সুপার সাইক্লোন সিডরের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় বাগেরহাটসহ উপকূলীয় কয়েকটি জেলা। এরপর থেকে শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জের মানুষের দাবি ছিল ‘টেকসই’ বেড়িবাঁধ। সে দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে মোরেলগঞ্জ থেকে শরণখোলা উপজেলার বগী-গাবতলা পর্যন্ত ৬২ কিলোমিটার ‘টেকসই’ বাঁধ নির্মাণ শুরু হয়। তবে হস্তান্তরের আগেই শরণখোলা উপজেলার বগী, গাবতলা, মোরেলগঞ্জের আমতলা, ফাসিয়াতলা থেকে ভাঙন শুরু হয়েছে। প্রায় ৭০০ মিটার বাঁধের ব্লক ধসে বিলীন হচ্ছে বলেশ্বর নদে। ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে অন্তত ২০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ।

    শরণখোলা উপজেলার দক্ষিণ সাউথখালী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারেক বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বলেশ্বর নদের ভাঙনে আমরা প্রায় ১৫০ বিঘা জমি হারিয়েছি। সিডরে স্বজন হারিয়েছি। বাঁধ নির্মাণ শুরু হলে আশায় বুক বেঁধেছিলাম। মনে করেছিলাম ভাঙন ও দুর্যোগ থেকে মুক্তি পাব। সেই স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে। “‍টেকসই” বাঁধেই ভাঙন শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে বড় ধরনের ভাঙন শুরু হতে পারে। এখন মনে হচ্ছে বিপুল অর্থের এ বাঁধ আমাদের কোনো কাজে আসবে না।’

    গাবতলা এলাকার আব্দুর রশীদ বলেন, ‘বাঁধ নির্মাণের শুরুতেই আমরা নদীশাসনের দাবি করেছিলাম। এজন্য সভা, সমাবেশ, মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করেছিলাম। তার পরও নদীশাসন না করে বাঁধ নির্মাণ করেছে। এখন বাঁধে ভাঙন শুরু হয়েছে। আমাদের ফসলি জমি, গাছপালা, বসতঘর ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।’

    বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ তুলে দক্ষিণ সাউথখালী গ্রামের জামাল জমাদ্দার বলেন, ‘বাঁধের দুই পাশে মাটি দিয়ে মাঝখানে ১০-১২ ফুট উচ্চতায় বালি দেয়া হয়েছে। যেকোনো সময় ব্লক সরে গেলে, সব বালি নদে বিলীন হয়ে যাবে। তখন কয়েক কোটি টাকার এ বাঁধ কোনো কাজেই আসবে না।’

    ফসিয়াতলা এলাকার দেলোয়ার হাওলাদার বলেন, ‘প্রতিনিয়তই ভাঙনে ধসে পড়ছে ‘টেকসই’ বাঁধের ব্লকগুলো। পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করলেও কোনো কাজে আসছে না। নদে পানির গভীরতা ৫০-৬০ হাতের ওপর। সরকারের কোটি কোটি টাকা জলেই যাচ্ছে।’

    ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে কোনো কাজে আসছে না বলে জানিয়েছেন ঠিকাদারের প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গাবতলায় ভাঙন রোধে ২০০ মিটার এলাকায় ১৪ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। তার পরও ভাঙন রোধ হচ্ছে না। এখানে কংক্রিটের ব্লক ফেলানো জরুরি।’

    শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন শান্ত বলেন, ‘প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের দূরদর্শিতার বাঁধটি হুমকির মধ্যে পড়েছে। নদীশাসন না করেই বাঁধ নির্মাণের ফলে বিভিন্ন স্থানে ভাঙন ও ফাটল দেখা দিয়েছে।’ শিগগিরই নদী শাসন করে বাঁধটি ‘টেকসই’ করার দাবি জানান তিনি।

    এ প্রসঙ্গে সিইআইপি প্রকল্পের মাঠ প্রকৌশলী মো. রাকিবুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘বাঁধের ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরে হস্তান্তরের কথা। তবে বলেশ্বর নদের স্রোত তীব্র হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। প্রায় পাঁচ কিলোমিটারজুড়ে নদীশাসন জরুরি।

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির
    বাগেরহাট প্রতিনিধি

  • রাজশাহীতে বিশ্ব এন্টিবায়োটিক সচেতেনতা সপ্তাহ পালিত

    রাজশাহীতে বিশ্ব এন্টিবায়োটিক সচেতেনতা সপ্তাহ পালিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের আয়োজনে বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অডিটারিয়ামে
    বিশ্ব এন্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে দিবসটি উপলক্ষ্যে
    (১৮-২৪ নভেম্বর) র্র্যালি ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

    রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. জুলফিকার মোাঃ আখতার হোসেনের সভাপতিত্বে

    এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সুযোগ্য পরিচালক ডাঃ মোঃ আঃ হাই সরকার,
    উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন জেলা থেকে আগত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, ঔষধ প্রশাসন থেকে আগত নেতৃবৃন্দ, নিরাপদ খাদ্য বিভাগ রাজশাহী এর প্রতিনিধি, বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাবৃন্দ, ভেটেরিনারি সার্জনগন, মাঠ পর্যায়ের খামারীবৃন্দ এবং বিভিন্ন স্টেকহোল্তার বৃন্দ।

    সেমিনারে কি নোট উপস্থাপন করেন অধ্যাপক (মাইক্রাবয়োলজী) ড. কে,এম মোজাফর হোসেন, , এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, রাজশাহী এর সহকারী পরিচালক মখিতন তাবাসুম। সেমিনারে যত্রতত্র এন্টিবায়োটিক ব্যবহার এর কুফল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বরগুনা-১ এ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দৌড়ে কে এগিয়ে

    বরগুনা-১ এ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দৌড়ে কে এগিয়ে

    মংচিন থান তালতলী প্রতিনিধি।।
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা -১ (সদর-আমতলী-তালতলী) আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রার্থী হিসেবে ২২ জন মনোনয়ন ফরম ক্রয় করলেও টপ ফেভারিট হিসেবে আছেন বর্তমান সাংসদ,সাবেক মন্ত্রী,জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পাঁচ বারের সাংসদ এডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও স্হানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাবেক অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব,কর্মসংস্থান ব্যাংক এর সাবেক চেয়ারম্যান,বেসরকারি সংস্থা উদ্দীপন এর চেয়ারম্যান ডঃ মিহির কান্তি মজুমদার।

    বরগুনা,আমতলী ও তালতলী উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে,এ আসনের সর্বত্রই আলোচনা চলছে এডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও ডঃ মিহির কান্তি মজুমদার কে ঘিরে।তবে দলের হাইকমান্ড যাকেই মনোনয়ন দিবেন সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতা কর্মীরা তার পক্ষেই একনিষ্ঠ ভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

    বরগুনা-১ থেকে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারী অপর প্রার্থীরা হলেন,বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর কবির,সাবেক গ্রামীণ ব্যাংকের ডিজিএম,আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন বিশ্বাস, উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম সরোয়ার ফোরকান,বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ জেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বরগুনা সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি গোলাম সরোয়ার টুকু, ঢাকা বার এর সাবেক সভাপতি অ্যাড. গাজী শাহ আলম, বরগুনা পৌরসভা মেয়র অ্যাড. কামরুল আহসান মহারাজ, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তথ্য ও গবেষনা উপ-কমিটির সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম বাপ্পি, বরগুনা জেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম দেলোয়ার হোসেনের কন্যা ফারজানা সুমি, বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির,বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোতালেব মৃধা,বরগুনা পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাড. মোঃ শাহজাহান, বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান আব্বাস হোসেন মন্টু,বরগুনা জেলা যুবলীগ সহ-সভাপতি এলমান আহম্মেদ সুহাদ,জেলা আওয়ামীলীগ সাবেক সদস্য এসএম মশিউর রহমান শিহাব,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোঃ খলিলুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা হুমায়ুন কবির,প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান মনির,রোজিনা নাসরিন, মেহেরুন নেছা ও মোঃ ইদ্রিস আলী মোল্লা।

    দলীয় হাইকমান্ড চাইলে নতুন কোন চমকও আসতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষ সুত্র।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি

  • রাজশাহীর সব এমপিকে  মনোনয়নের জন্য লড়তে হচ্ছে

    রাজশাহীর সব এমপিকে মনোনয়নের জন্য লড়তে হচ্ছে

    নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী বিভাগের ৩৯ আসনে নৌকার টিকিট চান ৪০৯ আওয়ামী লীগ নেতা। তারা দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে রাজশাহী জেলার ছয়টি আসনের মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন ৪৪ নেতা। এদের মধ্যে পাঁচজন নারীও রয়েছেন। যাদের মধ্যে সংরক্ষিত আসনের এমপি আবিদা আঞ্জুম মিতা ও নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ডা. তবিবুর রহমানও দুইটি করে আসনে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

    এবার সবচেয়ে বেশী মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন রাজশাহী-৫ আসনে। এখান থেকে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন ১১ নেতা। এর পরের অবস্থানে আছে রাজশাহী-১ আসন। এ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন ১০ জন। ফলে এবারও রাজশাহী এমপিকে লড়তে হচ্ছে মনোনয়ন লাড়াইয়েও।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসন নৌকার টিকিট নিয়ে ভোটে লড়তে চান তিনবারের এমপি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী এবং সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আদিবা আঞ্জুম মিতা।
    তারা এছাড়াও এ আসন নৌকার টিকিট চেয়ে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন, মুন্ডুমালা পৌরসভার সাবেক মেয়র গোলাম রাব্বানী, আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুজ্জামান আখতার, আওয়ামী লীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটি সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সহধর্মীনি আয়েশা আখতার জাহান ডালিয়া, জেলা আওয়ামী লীগের সংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম আসাদুজ্জামান আসাদ।

    এছাড়াও জেলা কৃষকলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ তাজবুল ইসলাম, উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট প্রভাত টুডু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রনেতা এবং লেস ফুটওয়্যার বিডি কোম্পানির কর্নধার এরশাদ আলী আকাশ ও চিত্র নায়িকা মাহিয়া মাহী দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

    রাজশাহী-২ (সদর) আসন থেকে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন সংরক্ষিত আসনের এমপি আবিদা আঞ্জুম মিতা, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, ডা. তবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হক পিন্টু, মহানগর যুবলীগের সাবেক সভাপতি রমজান আলী।

    রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসন থেকে নৌকার টিকিট পেতে এবারও দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের এমপি আয়েন উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলী।

    এছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম শরিফ, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. তবিবুর রহমান, জেলা মহিলা লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রোকসানা মেহেবুব চপলা, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ওয়াজেদ আলী খান এবং প্রকৌশলী শামসুল আলম এবার নৌকা টিকিট চেয়ে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

    রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে এবারও নৌকার টিকিট চান তিনবারের সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। তিনি ছাড়াও এ আসন থেকে এবারও দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাকিরুল ইসলাম সান্টু, এ্যাডভোটেক ইব্রাহীম হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পিএম শফিকুল ইসলাম ও ডা. আ ফ ম জহুরুল হক।

    রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে এবারও নৌকার মনোনয়ন চেয়ে ফরম জমা দিয়েছেন সংসদ সদস্য প্রফেসর ডা. মুনসুর রহমান এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা।
    তারা এছাড়াও এ আসনে মনোনয়নে এবার নৌকার টিকিট চেয়ে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ, পুঠিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম বাচ্চু হিরা, দুর্গাপুর পৌরসভার মেয়র সাজেদুর রহমান মিঠু, সাবেক এমপি প্রয়াত তাজুল ইসলাম মো. ফারুকের মেয়ে তানজিমা শারমীন মুনি, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক প্রদ্যুৎ কুমার সরকার, রাজশাহী জেলা যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ওবাইদুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট গোলাম রাব্বানী, এ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম ও এ্যাডভোকেট রায়হান কাওসার।

    রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের জন্য নৌকা প্রতীক চেয়ে এবারও মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন তিনবারের এমপি ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি। তিনি এছাড়াও এ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন সাবেক এমপি রায়হানুল হক রায়হান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলু এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ আল তুহিন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • চোরাকারবারীর ফেলে যাওয়া পোটলা থেকে ৯০ হাজার ই*য়াবা ট্যাবলেট জ*ব্দ

    চোরাকারবারীর ফেলে যাওয়া পোটলা থেকে ৯০ হাজার ই*য়াবা ট্যাবলেট জ*ব্দ

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফের সাবরাং সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ মহিউদ্দীন আহমেদ (বিজিবিএমএস)
    গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, মঙ্গলবার ( ২২ নভেম্বর) রাতে গোপন তথ্যের ভিতিতে, টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়ন-এর অধীনস্থ সাবরাং বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ মহেষখালীর ঘের নামক এলাকা দিয়ে মাদকের একটি চালান মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সাবরাং বিওপি থেকে বিজিবি’র একটি আভিযানিকদল বর্ণিত এলাকায় গমন করে কয়েকটি উপদলে বিভক্ত হয়ে মাছের ঘেরের আইলের আঁড় নিয়ে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে। কিছুক্ষণ পর বিজিবি টহলদল ৩ জন ব্যক্তিকে একটি কাঠের নৌকাযোগে সীমান্তের শূন্যলাইন অতিক্রম করে বর্ণিত স্থানে নাফ নদীর কিনারায় কেওড়া বাগানের দিকে আসতে দেখে। নৌকার গতিবিধি সন্দেহজনক পরিলক্ষিত হওয়ায় টহলদল নৌকাটিকে চ্যালেঞ্জ করলে নৌকায় আরোহিত ব্যক্তিরা বিজিবি টহলদলের উপস্থিতি লক্ষ মাত্রই নৌকা থেকে নাফ নদীতে লাফিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি টহলদল উল্লেখিত স্থানে পৌঁছে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে নৌকার ভেতর থেকে কালো পলিথিন দিয়ে মোড়ানো ২টি পোটলা উদ্ধার করে তার ভেতর থেকে ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করতে সক্ষম হয়। অবৈধ মাদকদ্রব্য বহনের দায়ে কাঠের নৌকাটিও জব্দ করা হয়।

    তিনি আরো জানান, পরবর্তীতে বিজিবি টহলদল উক্ত এলাকায় গভীর রাত পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হলেও মাদক পাচারের সাথে জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদেরকে সনাক্ত করার জন্য অত্র ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।