Blog

  • বিএমএসএফ’র খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি গঠন

    বিএমএসএফ’র খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি গঠন

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-বিএমএসএফ’র রেজি: নং ০৬/২০২২ খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ২৩ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাত সাড়ে ৮ ঘটিকায় দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে ও আবদুল জলিলের সঞ্চালনায় ভার্চুয়ালী এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান শেষে সংগঠনটির খাগড়াছড়ি জেলা শাখা কমিটির ঘোষণা দেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বিএমএসএফ’র প্রতিষ্ঠাতা, ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও নির্বাহী কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।

    সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আজকের দর্পনের জেলা প্রতিনিধি দিদারুল আলমকে সভাপতি, দৈনিক বাংলা ও নিউজ বাংলার জেলা প্রতিনিধি আবদুল জলিলকে সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা ক্যানভাসের জেলা প্রতিনিধি মিঠুন সাহাকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়৷

    কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শাহজাহান কবির সাজু (কালেরকন্ঠ), মো. চাঁন মিয়া (দিগন্ত আপডেট) ও আলমগীর হোসেন (দৈনিক বর্তমান)।
    যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন (বাংলা পোর্টাল) ও ফারুক হোসেন (এশিয়ান টিভি),সহ সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক (ভোরের পাতা ও পার্বত্য নিউজ) ও মো. জহিরুল ইসলাম (প্রতিদিনের কাগজ)।

    দপ্তর সম্পাদক মোকতাদের হোসেন (ভোরের কাগজ), প্রচার সম্পাদক এম ইদ্রিছ আলী (সময়ের কাগজ), প্রকাশনা সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন(দৈনিক সমকাল) অর্থ সম্পাদক আলমগীর হোসেন (পাহাড় প্রতিদিন), সমাজকল্যাণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম (মানবাধিকার বার্তা), তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সোহাগ মিয়া (প্রতিদিনের কাগজ), আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহেদ হোসেন রানা (বাংলাদেশ টুডে), স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. দিদারুল ইসলাম (সকালের সময়) মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফারহানা আক্তার, (সরেজমিন বার্তা), শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মান্না মুৎসুদ্দী (একুশের বাণী),ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ওমর ফারুক আকাশ (দৈনিক পরিবর্তন), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. আফজাল হোসেন (বাংলাদেশ সমাচার)।

    কার্যনির্বাহী সদস্য মো. ইসমাইল হোসেন (দৈনিক পার্বত্য চট্টগ্রাম), আল আমিন রনি(দৈনিক আমাদের কন্ঠ) ও দুর্জয় বড়ুয়া, চট্টবাংলা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহমেদ আবু জাফর বলেন, নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ বিএমএসএফ ঘোষিত ১৪ দফা দাবি আদায়ে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ,সুশীল সমাজ নেতৃবৃন্দের সাথে সমন্বয় রাখবেন। বিএমএসএফ’র সদস্যরা সামাজিক দায়বদ্ধ থেকে সাংবাদিকতা করার প্রতিশ্রুতি জ্ঞাপন করে সাংবাদিকদের স্বার্থ, অধিকার এবং মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট থাকবে।

  • খাগড়াছড়িতে বিপুল পরিমাণ সিগারেটসহ ট্রাক জব্দ-আটক-২

    খাগড়াছড়িতে বিপুল পরিমাণ সিগারেটসহ ট্রাক জব্দ-আটক-২

    খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা

    খাগড়াছড়ি সদরস্থ চেঙ্গী স্কোয়ার থেকে শুল্ক ফাঁকি দেওয়া ১ হাজার ৯’শ কার্টুন বিদেশী সিগারেট ও বহণকৃত ট্রাক অর্ধ কোটি টাকার মালামাল জব্দসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার মুক্তা ধর জেলার অভ্যন্তরীন আইন শৃংঙ্খলা পরিস্থিতি অক্ষুন্ন রাখতে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা এবং বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। এই নীতি বাস্তবায়নে জেলা
    পুলিশের প্রতিটি ইউনিট নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    এই ধারাবাহিকতায় খাগড়াছড়ি জেলা গোয়েন্দা শাখা কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ( ২৩ নভেম্বর) সকাল ৮টায় খাগড়াছড়ি সদর থানাধীন চেঙ্গি স্কয়ার সংলগ্ন পার্বতী কুলিং কর্ণার এন্ড কনফেকশনারি দোকানের সামনে রাস্তার উপর থেকে সন্দেহযুক্ত চট্ট-মেট্রো-শ ১১-৩২০০, ড্রাম ট্রাকটিকে থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশি করে গাড়ি থেকে সর্বমোট ১হাজার ৯’শ কার্টুন ORIS SILVER ব্র্যান্ডের বিদেশী সিগারেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ১হাজার ৯’শ কার্টুন ORIS SILVER ব্র্যান্ডের বিদেশী সিগারেটগুলো উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জব্দতালিকা মূলে জব্দ করা হয়েছে এবং ১টি ট্রাক গাড়ী জব্দসহ চট্টগ্রাম জেলা’র সাতকানিয়া থানার আবুল কাশেম’র ছেলে ট্রাকচালক মোঃ জামাল (৩৮) ও উভয় জেলার মৃত নুর নবী এর ছেলে হেলপার মোঃ ইয়াসিন (৩১)-কে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত সিগারেটের বাজার মূল্য অনুমানিক ২৮লক্ষ ৫০হাজার টাকা।

    এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেন,সিগারেটগুলি তারা চট্টগ্রাম শহরে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবৈধ উপায়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। মাদকমুক্ত খাগড়াছড়ি গড়ার জন্য আমাদের পুলিশ বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রত্যেককে নিজ নিজ জায়গা থেকে মাদক প্রতিরোধের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এ জেলায় নিরাপদে মাদকমুক্তসহ এবং আমাদের তরুণ সমাজ যারা আছেন তারা যেন ভয়াবহ মাদকের ছুবলের মধ্যে না পড়ে।করার জন্য সে জন্য আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এ ঘটনায় মামলা রুজুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

  • পূর্ব ইছাখালীতে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে হ*ত্যা চেষ্টার অভিযোগ

    পূর্ব ইছাখালীতে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে হ*ত্যা চেষ্টার অভিযোগ

    মো.কাওসার উদ্দিন শরীফ
    ইদগাঁও প্রতিনিধি।

    কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় যুবকের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে হত্যা চেষ্টা চালিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর ও লুটপাটের ঘটনায় আইনী পদক্ষেপ চেয়ে এজাহার দায়েরের ২ দিন পার হলেও মামলা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।

    এজাহার সুত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সোহেল পিতা মৃত ইলিয়াস সাং পূর্ব ইছাখালি, পোকখালী কক্সবাজার গত ২১ নভেম্বর মঙ্গলবার তার সঙ্গী রিদুয়ানের মোটরসাইকেলে করে বাড়ি থেকে ঈদগাঁও বাজার যাওয়ার পথে মোহাম্মদ সেলিম উল্লাহ খোকন পিতা আবদুল মজিদ,শাহাব উদ্দিন পিতা বদিউল আলম ও রিদোয়ানুল হক পিতা মৃত আব্দুর রশিদের নেতৃত্বে আরো ৪/৫ জন অজ্ঞাত নামা আসামীরা বাইকের গতিরোধ করে বাইক থেকে জোরপূর্বক নামিয়ে দা,কিরিচ, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করে। এ-সময় রিদুয়ানের সাথে থাকা এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা ও ভিভো ভি-২৫ মডেলের মোবাইল ফোন এবং বাদীর কাছে থাকা বাটন নকিয়া ফোনসেটটি লুট করে নিয়ে যায়৷

    আসামীরা ঘটনাস্থল ত্যাগের পূর্বমুহুর্তে বাদী ও তার সঙ্গী রিদুয়ানের মৃত্যু নিশ্চিত করতে পুনরায় এলোপাতাড়ি মারধর করে একপর্যায়ে তাদের মুমূর্ষু অবস্থায় পার্শ্ববর্তী তাজ ব্রীক ফিল্ডের পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়৷

    এঘটনায় মামলা করলে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বাদীর দাবি, আসামীদের যোগসাজশে মামলা রেকর্ড না হওয়ায় হামলায় আইনী প্রতিকার পেতে বেগ পেতে হচ্ছে।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম কবিরের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও বক্তব্য পাওয়া যায়নি৷

    সচেতনমহলের দাবী অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা না হলে যেকোনো মূহুর্তে অপ্রতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন ।

  • হরতাল ও অবরোধের বি*রুদ্ধে বানারীপাড়া জাতীয় শ্রমিক লীগে’র  প্র*তিবাদ ও বিক্ষো*ভ

    হরতাল ও অবরোধের বি*রুদ্ধে বানারীপাড়া জাতীয় শ্রমিক লীগে’র প্র*তিবাদ ও বিক্ষো*ভ

    বানারীপাড়ায় উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগে’র উদ্যোগে বিএনপির হরতাল,অবরোধের,নৈরাজ্য,ককটেল বিস্ফোরন ও যানবাহনে আগুন দেয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বন্দর বাজার অতিক্রম করে বিক্ষোভ মিছিলটি দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগে’র সভাপতি মো.শাজাহাজান হাওলাদার।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগে’র সাধারন সম্পাদক মো.সুলতান হোসেন মীর,সহ সভাপতি খলিল বালী,সাহেব আলী মোল্লা,সহসভাপতি আব্দুর রহমান সুখা যুগ্ম সম্পাদক ফিরোজ হাওলাদার,সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান খলিফা,দপ্তর সম্পাদক শ্যামল,পৌর সভাপতি আবুল কালাম,সহসভাপতি জামাল খান,পৌর সম্পাদক আনোয়ার হোসেন,সদর ইউনিয়ন সভাপতি বাদশা মিয়া,বাইশারী ইউনিয়ন সহসভাপতি শাহজাহান ভান্ডারি,সদর ইউনিয়ন সাধারন সম্পাদক মো.মুন্না মাঝি,শ্রমিকলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • আশুলিয়ায় ২৪ নভেম্বর তাজরীন ট্রে*জেডি অ*গ্নিদ*গ্ধে মৃ*ত্যু শতাধিক শ্রমিক-এখনো সেই আ*তঙ্ক

    আশুলিয়ায় ২৪ নভেম্বর তাজরীন ট্রে*জেডি অ*গ্নিদ*গ্ধে মৃ*ত্যু শতাধিক শ্রমিক-এখনো সেই আ*তঙ্ক

    হেলাল শেখঃ দেশের ইতিহাসে পোশাক শিল্পের দ্বিতীয় বিভীষিকায় কালো অধ্যায়ের এক নাম তাজরীন ট্রেজেডি। ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর তাজরীন পোশাক কারখানায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান ১১৩ জন শ্রমিক। উক্ত ঘটনায় আহত হন আরও প্রায় ৩শতাধিক শ্রমিক। সেই দিনের ভয়ংকর স্মৃতি মনে হলে আজও আতঙ্কে আঁতকে ওঠে অনেকেই। ওই দিনে মানুষ পোড়া গন্ধ এখনো ভুলতে পারেনা হাজারও শ্রমিকসহ এলাকার লোকজন।
    ঢাকা জেলার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় স্থাপিত সেই তাজরীন ফ্যাশনের পোড়া অবস্থায় আজও দাঁড়িয়ে আছে ভবনটি। ১১৩জন শ্রমিকের প্রাণখেকো ভবনটি দেখে অনেক মানুষ এখনো ভয় পান। জরাজীর্ণ ভবনটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্টরা।
    বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর ২০২৩ইং) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তাজরীন ট্রাজেডির ভবনটির সামনে মনে হয় তাজা প্রাণ কান্না করছে, নিরবতা সুনসান শব্দ, পুরো ভবনজুড়ে যেন দগদগ করছে সেই ২৪ নভেম্বরের ক্ষত স্মৃতি। সেসময় ঘটনার দিন দেখা যায়, আগুনের প্রচণ্ড তাপে বেঁকে যাওয়া জানালার গ্রিলগুলো চোখে ভাসিয়ে তুলছে সেই দিনের ভয়াবহতা। বরাবরই তাজরীন ফ্যাশন ট্র্যাজেডির বর্ষপূর্তিতে এসে কারখানার ফটকটি ভেতর থেকে বন্ধ পাওয়া যায়। সেখানে ওই ভবনটিতে দেখভাল করার জন্য মালিকপক্ষের একজন লোক সবসময় ভেতরে থাকেন। গণমাধ্যম কর্মী, সাংবাদিক দেখলেই লোকটি দ্রুত ওই ভবনের গেটটি আটকে বন্ধ করে দেন, তিনি কারো সাথে কথা বলেন না।
    বিশেষ করে একপাশে ভাঙা সীমানা প্রাচীর দিয়ে ওই ভবনের ভেতরটা কিছু অংশ দেখা যায়, পিলারগুলোর বেশিরভাগের প্লাস্তারা খসে পড়ছে। দেখা যায়, কিছু পিলার মেরামতও করা হয়েছে। সিঁড়িঁ ঘরে আগুনের লেলিহান শিখার সেদিনের ভয়াবহতা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, কালচে দাগের দেয়ালগুলো যেন সবকিছুই বলে দিচ্ছে সেই দিনের ভয়ংকর ঘটনার কথা। ভবনের ছাদের বাইরের অংশেরও পলেস্তার খসে পড়েছে।
    উক্ত তাজরীন ভবনের পাশের বাড়ির মালিক আকবর মীর ও খোরশেদ সাহেব এবং স্থানীয় সালাউদ্দিন সরকার গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, এই ভবনটি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায় ৮০ফুট উঁচু এই বিল্ডিং যদি ধইসা পড়ে তাইলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হইবো। দেখা যায়, ওই বিল্ডিংয়ের সামনের রাস্তা দিয়া অনেক মানুষ চলাচল করেন, ভবনটি ভাঙলে রাস্তার উপর আইসা পড়তে পারে। স্থানীয়রা জানান, এই বিল্ডিংয়ের চারদিকে কমপক্ষে শতাধিক বাসা বাড়ি আছে, তারা অনেকেই বলেন, আমরা সবাই আতঙ্কের মধ্যে থাকি। স্থানীয়দের দাবি-এই পোড়া মানুষের আর্তনাদের ভবনটি তারা কেউ আর দেখতে চান না।
    শ্রমিক নেতারা গণমাধ্যমকে বলেন, তোবা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান তাজরীন ফ্যাশনের মালিক দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সুপরিকল্পিত ভাবে কারখানায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। এ ঘটনায় ১১৩জন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনার সাথে জড়িত কারো কোনো শাস্তি হয়নি বলে অনেকেই দাবি করেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরাসহ এলাকাবাসীদেরকে অভিযোগ দিতে হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানান। তারা বলেন, অভিযোগ দিলে তখন আমরা পদক্ষেপ নিতে পারবো। উপজেলা প্রশাসনকে বললে ইউএনও মহোদয় মার্ক করে দিলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে টিম পাঠানো হবে।
    শ্রমিক নেতা বাকের ও তুহিন বলেন, তাজরীন পোশাক কারখানার অনেক শ্রমিক কোথাও চাকরি না পেয়ে চায়ের দোকান দিয়ে কোনো রকম সংসার চালাচ্ছেন। উক্ত অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারের খবর কেউ রাখেন না, প্রায় এক যুগ ১২বছর কিভাবে এই পরিবারগুলো চলছে তা বলে বুঝানো কঠিন। সংশ্লিষ্টদের অনেকের সাথে এ ব্যাপারে আলোচনা করা হলেও তারা তেমন গুরুত্ব দিচ্ছেন না, আমরা সামান্য কিছু শ্রমিকদের সহযোগিতা করলেও অনেকেই অবহেলিত শ্রমিক, সবার কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, আহত শ্রমিকদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করুন আর এই অগ্নিকাণ্ডের যেসকল শ্রমিক নিহত ও আহত হয়েছিলো সেসকল শ্রমিক এবং তাদের পরিবারকে এই মালিকের নতুন কোনো কারখানা অথবা ভবন বানিয়ে তাদেরকে পূর্ণবাসন করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানান শ্রমিক নেতারা, মালিক পক্ষ যদি তা না করেন তাহলে এই মালিক পক্ষকে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন শ্রমিক নেতাসহ এলাকাবাসী।

  • নড়াইলে রেলপথের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে উৎফুল্ল এলাকাবাসী

    নড়াইলে রেলপথের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে উৎফুল্ল এলাকাবাসী

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলবাসীর রেলপথের কাজ দ্রুত হওয়ায় উৎফুল্ল এলাকাবাসী। পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-ভাঙ্গা-যশোর রেল লাইনের নড়াইল-লোহাগড়া অংশের কাজ প্রায় ৮০ ভাগ শেষের পথে। কাজ শেষের দিকে হওয়ায় ভীষণ খুশি এলাকাবাসী। প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে এই এলাকায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে কয়েক হাজার লোকের। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হলে দেশের বৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল, বাণিজ্যিক শহর নওয়াপাড়া ও শিল্পাঞ্চল খুলনাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগে, এমনকি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে যাতায়াতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে নড়াইল-লোহাগড়া রেল লাইন। শুধু যাত্রী নয়, পণ্য পরিবহন খরচও অনেকটাই কমে যাবে। সময়ও লাগবে কম। এতে বদলে যাবে এলাকার আর্থসামাজিক চিত্র।
    নড়াইলের দুর্গাপুরের মুন্না কাজী বলেন, ঘর থেকে বের হয়ে দেখি আমার ঘরের পাশ দিয়ে রেল লাইনের কাজ করার ট্রেন যাচ্ছে। ট্রেনের হুইসেল মাঝে মাঝে ঘরের ভিতর থেকে শুনতে পাই এযে কি আনন্দ কি অনুভূতি বলার ভাষা নেই।
    লোহাগড়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. ইবাদ শিকদার বলেন, রেল লাইন চালু হলে বেশি উপকৃত হবেন ব্যবসায়ীরা। ঢাকা ও যশোরের বেনাপোলসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অল্প খরচে সহজেই বিভিন্ন পণ্য পরিবহন করতে পারবেন তারা। নড়াইর-লোহাগড়ার কয়েক হাজার ব্যবসায়ী উপকৃত হবেন। লোহাগড়ার সঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর এবং কলকাতায় যাতায়াত সহজ হয়ে যাবে।

    নড়াইল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, নড়াইলবাসীর রেলপথের কাজ দ্রুত হওয়ায় উৎফুল্ল এলাকাবাসী নড়াইলবাসীর রেলপথের কাজ দ্রুত হওয়ায় উৎফুল্ল এলাকাবাসী। পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-ভাঙ্গা-যশোর রেল লাইনের নড়াইল-লোহাগড়া অংশের কাজ প্রায় ৮০ ভাগ শেষের পথে। কাজ শেষের দিকে হওয়ায় ভীষণ খুশি এলাকাবাসী। প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে এই এলাকায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে কয়েক হাজার লোকের। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হলে দেশের বৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল, বাণিজ্যিক শহর নওয়াপাড়া ও শিল্পাঞ্চল খুলনাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগে, এমনকি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে যাতায়াতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে নড়াইল-লোহাগড়া রেল লাইন। শুধু যাত্রী নয়, পণ্য পরিবহন খরচও অনেকটাই কমে যাবে। সময়ও লাগবে কম। এতে বদলে যাবে এলাকার আর্থসামাজিক চিত্র।
    নড়াইলের দুর্গাপুরের মুন্না কাজী এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, ঘর থেকে বের হয়ে দেখি আমার ঘরের পাশ দিয়ে রেল লাইনের কাজ করার ট্রেন যাচ্ছে। ট্রেনের হুইসেল মাঝে মাঝে ঘরের ভিতর থেকে শুনতে পাই এযে কি আনন্দ কি অনুভূতি বলার ভাষা নেই।
    লোহাগড়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. ইবাদ শিকদার বলেন, রেল লাইন চালু হলে বেশি উপকৃত হবেন ব্যবসায়ীরা। ঢাকা ও যশোরের বেনাপোলসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অল্প খরচে সহজেই বিভিন্ন পণ্য পরিবহন করতে পারবেন তারা। নড়াইর-লোহাগড়ার কয়েক হাজার ব্যবসায়ী উপকৃত হবেন। লোহাগড়ার সঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর এবং কলকাতায় যাতায়াত সহজ হয়ে যাবে।
    নড়াইল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, রেল লাইন নির্মাণকাজের জন্য জেলায় ৪০৬ দশমিক ৭১ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্পের আওতায় নড়াইল-লোহাগড়া অংশের কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে। এটি ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের একটি উপরুট।
    প্রসঙ্গত, ঢাকা থেকে যশোর ১৭২ কিলোমিটার-জুড়ে চলছে রেল লাইন নির্মাণ কাজ। এই কাজ শেষ হবে ২০২৪ সালের জুন মাসে। রেল স্টেশন হবে ২০টি। ৯টি জেলার ওপর দিয়ে যাবে এই রেল লাইন। ব্রডগেজ এই রেললাইনে থাকবে ৬৬টি বড় সেতু, ২৪৪টি ছোট সেতু ও ৩০টি লেভেল ক্রসিং গেট। ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ভাঙ্গা-নগরকান্দা-মুকসুদপুর- মহেশপুর-কাশিয়ানী-লোহাগড়া-নড়াইল ও জামদিয়া হয়ে যশোরের রুপদিয়ায় গিয়ে মিলবে এই রেল লাইন। রেল লাইন নির্মাণকাজের জন্য জেলায় ৪০৬ দশমিক ৭১ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্পের আওতায় নড়াইল-লোহাগড়া অংশের কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে। এটি ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের একটি উপরুট।
    প্রসঙ্গত, ঢাকা থেকে যশোর ১৭২ কিলোমিটার-জুড়ে চলছে রেল লাইন নির্মাণ কাজ। এই কাজ শেষ হবে ২০২৪ সালের জুন মাসে। রেল স্টেশন হবে ২০টি। ৯টি জেলার ওপর দিয়ে যাবে এই রেল লাইন। ব্রডগেজ এই রেললাইনে থাকবে ৬৬টি বড় সেতু, ২৪৪টি ছোট সেতু ও ৩০টি লেভেল ক্রসিং গেট। ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ভাঙ্গা-নগরকান্দা-মুকসুদপুর- মহেশপুর-কাশিয়ানী-লোহাগড়া-নড়াইল ও জামদিয়া হয়ে যশোরের রুপদিয়ায় গিয়ে মিলবে এই রেল লাইন।

  • নড়াইলে জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে কমিউনিটি ডায়ালগ

    নড়াইলে জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে কমিউনিটি ডায়ালগ

    উজ্জ্বল রায়. জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে;

    নড়াইলে বাল্যবিবাহ অবসান ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অনুষ্ঠিত হয়েছে কমিউনিটি ডায়ালগ। উজ্জ্বল রায়. জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, (২৩ নভেম্বর) জেলা তথ্য অফিস, নড়াইলের উদ্যোগে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলায় বাল্যবিবাহ অবসান ও শিশুরা প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে নানামুখী প্রচারণা কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৷
    ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসব্যাপী এ প্রচারণার অংশ হিসেবে লোহাগড়া উপজেলার ২০ টি স্থানে এলাকার জনপ্রতিনিধি ও জনসাধারণ নিয়ে বাল্যবিবাহ অবসান এবং শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে এ কমিউনিটি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷
    ইউনিসেফ বাংলাদেশ এর আর্থিক সহযোগিতায় এবং জেলা তথ্য অফিস, নড়াইলে আয়োজনে এ যৌথ উদ্যোগী প্রচারণা নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউপি সদস্যের বাড়ির উঠোনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷
    বাল্যবিবাহের অবসান এবং শিশুর প্রতি সকল ধরণের সহিংসতা রোধের লক্ষ্য নিয়ে উক্ত বিষয়ের উপর উপস্থিত জনপ্রতিনিধি এবং জনসাধারণের সাথে পারষ্পরিক মতবিনিময় এবং আলোচনা করা হয় ৷
    কমিউনিটি ডায়ালগে উপস্থিত সকলে বাল্যবিবাহ অবসান এবং শিশুর প্রতি যেকোন সহিংসতা বন্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে শপথ গ্রহণ করেন ৷

  • স্বরূপকাঠি পিরোজপুর সড়ক যেন স্থানীয়দের  উঠান বাড়ি, প্রতি নয়ত ঘটছে দু*র্ঘটনা।

    স্বরূপকাঠি পিরোজপুর সড়ক যেন স্থানীয়দের উঠান বাড়ি, প্রতি নয়ত ঘটছে দু*র্ঘটনা।

    আনোয়ার হোসেন,
    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)প্রতিনিধি:

    নেছারাবাদ উপজেলার স্বরূপকাঠি পিরোজপুর সড়কে সুপারি ছোবড়া শুকাতে দিয়ে ক্রমেই যেন সড়ক দখল ফেলছেন স্থানীয় লোকেরা। এভাবে অবাধে সড়কে সুপারির কাচা ছোবড়া শুকাতে দেয়ায় ঝুকিপূর্ন হয়ে উঠছে গুরুপ্তপূর্ন এ সড়কটি। এতে যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় কোন দুর্ঘটনা বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন অবাধে সড়কে এভাবে সুপারির ছোবড়া শুকানো বন্ধ না হলে দুর্ঘটনার কবলে পড়বে পথচারি সহ যানবাহন।

    সরেজমিনে দেখা গেছে উপজেলার ঘনমান মোল্লাবাড়ী এলাকা সংলগ্ন সড়কটি থেকে দক্ষিন কামারকাঠি সড়ক পর্যন্ত রাস্তা জুড়ে দুই পাশে সুপারির ছোবড়ায় পরিপূর্ন। শেহাংগল এলাকায় সড়কের পাশ জুড়ে থাকে গরু মহিষ বাধা। স্থানীয় বেশ কিছু লোক সড়কটি যেন নিজেদের উঠান বাড়ীর মত ব্যবহার করছেন। এছাড়াও প্রতিনিয়ত ঘনমান এলাকা থেকে দক্ষিন কামারকাঠি ৪৭নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার সড়কের দুইপাশে থাকে সুপারির ছোবড়ায় পরিপূর্ন। রাস্তায় এভাবে অবাধে সুপারির ছোবড়া শুকানোর ব্যাপারে স্থানীয় কেহ নিষেধ করলেও তারা মানছেনা। দেখাগেছে, ওই সড়ক থেকে প্রতিনিয়ত পিরোজপুর স্বরূপকাঠি সড়কের বাস চলাচল সহ চলাচল করে বড় ছোট চার শতাধিক যানবাহন। রাস্তার কোন কোন জায়গা থেকে এমনভাবে ছোবড়া, লাকড়ি, গাছের ডালপালা শুকাতে দেয়া হয় এতে সংকুচিত হচ্ছে মুল সড়ক। এ কারনে রাস্তা থেকে একটি বড় গাড়ী চলাচলের সময় পাশ দিয়ে সুপারির ছোবড়া,লাকড়ি মাড়িয়ে ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে মটর সাইকেল,সাইকেল অটোগাড়ী। এতে ক্রমেই শংকা বাড়ছে দুর্ঘটনার।

    স্থানীয় স্বাধীন আইচ সরকার নামে একজনে বলেন, রাস্তা দখল করে সুপারির ছোবড়া,লাকড়ি শুকাতে দেয়া হয় এই গুরুপ্তপূর্ন সড়কে। এতে মানুষের চলাচল করতে খুবই কষ্ট হয়। এভাবে সড়ক দখল করে এসব জিনিস শুকাতে দেয়ায় দুর্ঘটনা বাড়ছে রাস্তায়।

    স্থানীয় মো: ফরাদ হোসেন বলেন, এভাবে গুরুপ্তপূর্ন এ সড়কে সুপারির ছোবড়া,লাকরি ডালপালা শুকাতে দেয়ায় যান চলাচল সহ মানুষজনের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। সড়ক দখল করে এভাবে সুপারির ছোবড়া শুকানোয় ২০১৯ সালে এক প্রাইমারি শিক্ষক নিহত হয়েছেন। তিনি সড়কের একটি যাত্রীবাহি গাড়ী সাইড দিতে গিয়ে সুপারির ছোবড়ার উপর মটরসাইকেল উঠিয়ে দেন। একারনে মটর সাইকেল স্লিপ করে তিনি সড়কে পড়ে গাড়ীর চাকায় পিস্ট হয়ে মারা যান।

    কামারকাঠি গ্রামের ইউপি সদস্য মো: নুরুল আমীন বলেন, সড়কে এভাবে সুপারির ছোবড়া,লাকড়ি শুকানো খুবই অন্যায়। এতে যান চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। শংকা বাড়ছে বড় কোন দুর্ঘটনার। তিনি বলেন আমি সড়কে ছোবড়া শুকানো এসব লোকদের ডেকে নিষেধ করব।

    নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার জানান, আমি সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের ডেকে এলাকার মানুষের মধ্য সচেতনতা সৃস্টি করতে বলব। তাতেও যদি কাজ না হয় তাহলে শ্রীগ্রই এ ব্যাপারে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ,পিরোজপুর ।

  • টুরিস্ট পুলিশ ও হোটেল হলিডে ইন এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

    টুরিস্ট পুলিশ ও হোটেল হলিডে ইন এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    টুরিস্ট পুলিশ ঢাকা রিজিয়ন এবং Hotel Holiday Inn (Dhaka City Centre) এর মধ্যে পারস্পরিক সেবা-সহযোগিতা ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত এক Memorandum of Understanding (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। উক্ত চুক্তিপত্রে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।টুরিস্ট পুলিশ বাংলাদেশ এর পক্ষে উক্ত Signing অনুষ্ঠানে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর প্রদান করেন মোঃ নাইমুল হক পিপিএম পুলিশ সুপার, ঢাকা রিজিয়ন এবং Hotel Holiday Inn (Dhaka City Centre) এর পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন Ms Norizan Binti Yaacob জেনারেল ম্যানেজার (জিএম)। এছাড়াও উক্ত সাইনিং অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মোমেনা খাতুন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, টুরিস্ট পুলিশ ঢাকা রিজিয়ন, মোঃ রাকিবুল ইসলাম, ইন্সপেক্টর,জোন ইনচার্জ, ঢাকা জোন,ধীরাজ রায় ডিরেক্টার অফ সেলস,শাহিদুস সাদেক তালুকদার ডিরেক্টার অফ অপারেশন্স, পান্না চৌধুরী সিকিউরিটি ম্যানেজার হোটেল হলিডে ইন সহ টুরিস্ট পুলিশ এবং Hotel Holiday Inn (Dhaka City Centre) এর বিভিন্ন কর্মকর্তা বৃন্দ।এ সময় মোঃ নাইমুল হক পিপিএম পুলিশ সুপার,ঢাকা রিজিয়ন বলেন, “হোটেল হলিডে ইন দীর্ঘদিন যাবত অত্যন্ত সুনামের সাথে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন দর্শনার্থী এবং পর্যটকদের বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছে। এখন থেকে তারা দর্শনার্থী এবং দেশ-বিদেশের পর্যটকদের যে কোন প্রয়োজনে টুরিস্ট পুলিশকে সব সময় পাশে পাবে। টুরিস্ট পুলিশের হেল্প লাইন নম্বরে ২৪ ঘন্টাই দর্শনার্থী ও পর্যটকদের বিভিন্ন পুলিশি সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে ।”এসময় তিনি হোটেল হলিডে ইন কর্তৃপক্ষকে পর্যটকদের সেবার মান আরো বাড়ানো ও দেশের পর্যটন খাতকে পর্যটকদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান।উল্লেখ্য যে উক্ত অনুষ্ঠানে হোটেল হলিডে ইন এর পক্ষ থেকে রুম রেন্ট এবং ফুডের উপর বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যদের জন্য আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট অফার ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের যেকোন সদস্য তার আইডি কার্ড প্রদর্শন করে উক্ত ডিসকাউন্ট অফার যেকোনো সময় পরিবারের সাথে উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি উক্ত হোটেলে আগত এবং অবস্থানরত সকল দর্শনার্থী এবং পর্যটক বৃন্দ টুরিস্ট পুলিশের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অল্প সময়ের ভেতর বিভিন্ন ধরনের পুলিশি সেবা পেয়ে থাকবেন। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার মোঃ নাইমুল হক পিপিএম হোটেল কর্তৃপক্ষকে টুরিস্ট পুলিশের হেল্পলাইন নাম্বার সম্বলিত কাট আউট এক্স ব্যানার এবং ইনফরমেশন ডেস্ক প্রদান করেন।

  • মধুপুরে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে  জমি লিখে নেওয়ার অ*ভিযোগ

    মধুপুরে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে জমি লিখে নেওয়ার অ*ভিযোগ

    মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে মেয়ে এবং মেয়ের জামাই সাদা কাগজে টিপসই নিয়ে জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ৭৬ বছর বয়সী বৃদ্ধা আয়েশা বেগম।
    বরাবরই শুনে আসছি, ছেলের বৌয়ের সাথে শাশুড়ীর একটুআধটু ঝগড়া বিবাদ হয়ে থাকে কিন্তু এবারের বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক এবং বেদনাদায়ক।
    স্বার্থলোভী মেয়ে সেলিনা মায়ের সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য তার স্বামী আলমকে নিয়ে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নাটক সাজিয়ে সুকৌশলে জমির দলিলে টিপসই নিয়েছে।
    বৃদ্ধা আয়েশা বেগম উপজেলার কুড়ালিয়া গ্রামের মৃত আক্তার হোসেনের মেয়ে।
    তিনি জানান, আমি কোথাও গিয়ে তাদেরকে জমি দলিল করে দেই নাই। তারা প্রতারণা করে আমার জমি লিখে নিয়ে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে।
    এ বিষয়ে তিনি মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনও অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানকে বিষয়টি সমাধানের দায়িত্ব দেন কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও চেয়ারম্যান এর কোন সুষ্ঠু সমাধান দিতে পারেননি।
    ন্যায় বিচারের আশায় বৃদ্ধা আয়েশা বেগম মানুষের ধারে ধারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। নিজের ঘরবাড়ি হারিয়ে আজ তাকে অন্যের বাড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। তিনি এই প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।