Blog

  • নড়াইলে সদর থানা পুলিশের অ*ভিযানে চো*রাই ভ্যানসহ গ্রে*ফতার ৩

    নড়াইলে সদর থানা পুলিশের অ*ভিযানে চো*রাই ভ্যানসহ গ্রে*ফতার ৩

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে চোরাই ভ্যানসহ তিন চোরকে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান বলেন, ইজিভ্যান চোর চক্রের তিন সদস্য হলো মোঃ নুরুন্নবী শেখ (৩২), মোঃ হুসাইন মোল্লা (১৯) ও মোঃ আনোয়ার মোল্লার কাছ থেকে আটককৃতদের হেফাজত হতে চোরাই ইজি ভ্যানটি উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মোঃ নূরনবী শেখ নড়াইল সদর থানাধীন কোমখালী পূর্বপাড়া গ্রামের মোঃ চাঁন মিয়ার ছেলে। মোঃ হোসেন মোল্লা একই গ্রামের মোঃ জিয়া মোল্লার ছেলে। মোঃ আনোয়ার মোল্লা কোমখালী চরপাড়া গ্রামের মোঃ আহাদ মোল্লার ছেলে।
    ওসি জানান, (১১-৯) তারিখে বেলা অনুমান ১১টার সময় জনৈক ভ্যানচালক ভ্যান নিয়ে মাইজপাড়া বাজারে অবস্থানকালে একজন ভ্যানচোর তাড়াশী গ্রাম থেকে কাঠ আনার কথা বলে ১০০ টাকায় ভ্যান ভাড়া করে। ভ্যানচোর ভ্যান চালককে নিয়ে প্রথমে তাড়াশী গ্রাম, তারপর মাইজপাড়া ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রাম, নড়াইল পৌরসভাধীন বরাশুলা গ্রাম, তুলারামপুর বাজার এভাবে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ভুল বুঝিয়ে কৌশলে ভ্যান চুরি করে চম্পট দেয়। পরবর্তীতে নড়াইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে মামলা রুজু হয়।
    এরই পরিপ্রেক্ষিতে এসআই মোঃ শফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স সহ ভোররাতে আসামিদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সদর থানার ওসি আরো জানান, নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান সার্বিক তত্ত্বাবধানে জেলা পুলিশ মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় সর্বদা তৎপর রয়েছে।

  • রাজশাহীর গোদাগাড়ীসহ উত্তরাঞ্চলে ফ্লাশ লাইট পদ্ধতি ব্যবহার করে বড় হচ্ছে  ড্রাগন ফুল ফল

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীসহ উত্তরাঞ্চলে ফ্লাশ লাইট পদ্ধতি ব্যবহার করে বড় হচ্ছে ড্রাগন ফুল ফল

    রাজশাহী থেকে হায়দার আলী : বছর দশেক আগেও বিদেশি ড্রাগন ফল সম্পর্কে দেশের মানুষের তেমন ধারণা ছিল না। সুপারশপে হঠাৎ মিলতো ২০০-২৫০ গ্রাম ওজনের বেশ দামি ফলটি। ২০১০ সালের দিকে ব্যক্তি উদ্যোগে ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড থেকে কিছু চারা এনে বাংলাদেশে এই ফলের চাষ শুরু হয়। গত ১২ বছরে দেশে ড্রাগন ফলের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৪০ গুণ। রাজশাহীর গোদাগাড়ী, তানোর, পবা, চারঘাট, বাঘা, পুঠিয়া, চাঁপাই নবাবগঞ্জসহ উত্তরাঞ্চলে ব্যাপকহারে ড্রাগন ফল চাষ করা হচ্ছে।

    প্রথম দিকে ফলের আকার ছোট দেখা গেলেও এখন একেকটির ওজন মাপলে দেখা যায় ৭০০-৮০০ গ্রাম হচ্ছে, সুপারশপ থেকে শুরু করে ছোট-বড় বাজার, গলির মুখের ফলের দোকান এমনকি ভ্যান, ভ্রাম্যমাণ দোকানিদের কাছেও মিলছে ড্রাগন ফল। ফ্লাস লাইট পদ্ধতি ব্যবহার করে ড্রাগনচাষিরা ভাল ফল পাচ্ছে, অসময়ে ফুল বেশী হচ্ছে, ফলের সাইজও বড় হচ্ছে।

    রোববার (২৬ নভেম্বর) রাজশাহী ও চাঁপাই নবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন ফলের বাজারে এই ফল বিক্রি হচ্ছে ফলভেদে বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা কেজি।

    প্রথম শ্রেণীর ড্রাগন চাষী, গুনিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরিফুল ইসলামের দাবি, অসাধু ড্রাগন চাষিরা ফুলে ‘ড্রাগন টনিক’ নামের একটি রাসায়নিক স্প্রে করে। এ কারণে ফল বেশ বড় হয় এবং একপাশে লাল থাকলেও আরেক পাশে থাকে সবুজ। বড় বলে দাম বেশী পেলেও আর জৈব সার দিয়ে পরিচর্যা করা বিষমুক্ত ড্রাগন ফল তুলনামূলকভাবে ছোট হয়। বাজারে দামও পাওয়া যায় খুব কম। এ অবৈধ কারবার চলতে থাকলে এক সময় টমেটোর গোদাগাড়িতে ড্রাগন ফ্লপ হবে আজ অথবা কাল। আমরা বাগানে ফ্লাস লাইট পদ্ধতি ব্যবহার করে ভাল ফুল, ফল পাচ্ছি, ফলের সাইজ বড় হচ্ছে।

    কৃষি বিভাগের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ দফতরের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের সাড়ে আট মাসে দেশে ড্রাগন ফল আমদানি হয়েছে ৩২৫ টন। ২০২২ সালে আমদানি হয়েছে এক হাজার ১৩০ টন।

    পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশে মাত্র ৩৮ হেক্টর জমিতে ২৭৭ টন ড্রাগন ফল উৎপাদন হয়। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৫৪ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয় ৪৩১ টন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১০৮ হেক্টর জমিতে ৮১৫ টন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২২৭ হেক্টর জমিতে ২ হাজার ৮০২ টন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩৪১ হেক্টর জমিতে ৩ হাজার ৪৬৪ টন, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৬৯৫ হেক্টর জমিতে ৮ হাজার ৬৫৯ টন, ২০২১-২২ অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছে প্রায় কোটি কেজি।

    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, বাংলাদেশে সাধারণত বাউ ড্রাগন-১, বাউ ড্রাগন-২, বারি ড্রাগন-১, পিংক ড্রাগন, ভেলভেট ড্রাগন ও ইয়োলো ড্রাগন ফলের চাষ হয়ে থাকে। বাউ ড্রাগন-১ এর ভেতরের অংশ সাদা আর ওপরের অংশ লাল রঙের হয়। বাউ ড্রাগন-২ ও বারি ড্রাগন-১-এর বাইরে ও ভেতরে লাল। গোলাপি ড্রাগনের ভেতরে ও বাইরে গোলাপি। ভেলভেট ড্রাগনের ভেতরে ও বাইরে গাঢ় লাল হয় এবং হলুদ ড্রাগনের ভেতরে সাদা আর বাইরে হলুদ। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চাষ হয় গোলাপি ড্রাগন ও বাউ ড্রাগন-২।

    ড্রাগন ফলে প্রচুর পটাশিয়াম, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন বি, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকায় রোগীদের ফলের তালিকায় উঠে এসেছে এটি। সাধারণত মে থেকে নভেম্বর পর্যন্ত গাছে ফল আসে। বছরে ছয় থেকে সাতবার পাকা ড্রাগন সংগ্রহ করা যায়।

    ২০১৭ সাল থেকে চট্টগ্রামের খুলশী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এএসএম হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. গোলাম আজম ও এসএম কামরুল হাসান চৌধুরীর সমন্বয়ে একদল গবেষক চার বছর চেষ্টার পর শীতকালে গ্রীষ্মকালীন ফলটি ফলাতে সক্ষম হন। ফ্লাশ লাইট, বিভিন্ন পাওয়ারের এলইডি লাইট এবং ৬-১০ ঘন্টা লাইটের আলোয় চাষ করা হয়েছিল বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত বারি ড্রাগন ফল-১। এই পদ্ধতি উদ্যোক্তা কৃষকদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে কয়েকজন আগ্রহীকে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। কিন্তু সে পথে এগোয়নি কেউ।

    ড. এএসএম হারুনুর রশিদ আরও জানান, সাধারণত অফ সিজনে ড্রাগন ফল পাওয়া যায় না। কিছু সুপারশপে পাওয়া যায়। প্রতি কেজি এক হাজার টাকারও বেশি। আর সিজনে এর দাম থাকে ২৫০-৩০০ টাকা। এই পদ্ধতিতে চাষ করা গেলে সারা বছর বিষমুক্ত ড্রাগন ফল সহজলভ্য হবে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃষিবিদ জীবন রায় এর একটি পোস্ট সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, ‘২০১১-১২ সালে বাংলাদেশের উপযোগী করে ড্রাগন চাষের বিজ্ঞানসম্মত উপায় নিয়ে গবেষণা শুরু করেন আমাদের প্রফেসররা। তখনও এতো বড় ড্রাগন দেখা যায়নি। এমনকি থাইল্যান্ড কিংবা চীন থেকে যে ড্রাগন আসে, সেগুলোও এতো বড় নয়’।
    ‘প্রচুর পরিমাণ বিষ আছে এগুলোতে।

    রাজশাহী জেলার উপ-পরিচালক মোঃ মোজদার হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা এক ইঞ্চি জমি ফাঁকা ( পতিত) রাখা যাবে না। এ ঘোষনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য,স্মার্ট কৃষি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে। ড্রাগন চাষ তারই একটি অংশ, এ ড্রাগন চাষে ড্রাগন টনিক নামে যে রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে সেটা আমার জানা নেই। এটা ক্ষতিকারক কি না সেটা দেখা হবে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এব্যপারে সর্তক থাকার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এধরনের কাজ হলে ফল বড় হলে প্রকৃত স্বাদ পাওয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন, শীতকালে গ্রীষ্মকালীন ফলটি ফলাতে সক্ষম হলে ফ্লাশ লাইট, বিভিন্ন পাওয়ারের এলইডি লাইট এবং ৬-১০ ঘন্টা লাইটের আলোয় চাষ করা হয়েছিল বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত বারি ড্রাগন ফল-১। এই পদ্ধতি উদ্যোক্তা কৃষকদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ায় বেশ কয়েকজন আগ্রহীকে কৃষক কাজটি করছেন ভাল ফলও পাচ্ছেন।

    গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসাঃ মরিয়ম আহম্মেদ এ প্রতিবেদককে জানান, ড্রাগনটনিক নামে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের যে নিউজ প্রকাশ হয়েছে তা গোদাগাড়ীর জন্য সঠিক নয় গোদাগাড়ীর কৃষকগণ ড্রাগনটনিক ব্যবহারের বিষয়টি জানেন না। এখানকার কৃষকদের বেশী বেশী জৈবসার ব্যবহার পরামার্শ দেয়া হচ্ছে, এসার করায় ফুল, ফল বড় হচ্ছে, বেশী বা ঘন ফুল ফল সরানোর ফলে ফলও বড় হচ্ছে। ড্রাগনচাষ বেশী হওয়ায় একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে। টমেটোর মত গোদাগাড়ীর বাজার নষ্ট করার জন্য।

    গোদাগাড়ীর আর্দশ কৃষক, বঙ্গবন্ধু পদক প্রদকপ্রাপ্ত ড্রাগনচাষি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ড্রাগনটলিক ব্যবহারের বিষয়টি সামগ্রিক ব্যপার ড্রাগনটনিক একটি টেমিক্যাল এটা ইন্ডিয়ান প্রডাক্ট, সীমান্তদিয়ে আসলো কি করে, এটা আমাদের দেশে সীমান্ত দিয়ে আসলো কিভাবে, ব্যবহার করার বিষয়টি জানালো কে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার। তবে আমার ড্রাগনের বাগানে এ কেমিক্যাল ব্যবহার করি না। যারা করে তাদেরকে সর্তক করতে হবে সচেতেনতা সৃষ্টি করতে হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী

  • নড়াইলে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মূল্যায়ন পরীক্ষায় ফী আদায়ের অ*ভিযোগ

    নড়াইলে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মূল্যায়ন পরীক্ষায় ফী আদায়ের অ*ভিযোগ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
    নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের সরসপুর মধুমতি আদর্শ বিদ্যালয়ে ২০২৩ সালের ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর মূল্যায়ন পরীক্ষায় ৪০০ টাকা ফী নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মূল্যায়ন পরীক্ষায় ফী নেওয়ার সরকারী নির্দেশনা না থাকলেও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো.মনিরুজ্জামান পান্নার বিরুদ্ধে এ ফী আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সরেজমিনে জানা যায়, ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ৭১ জন ও ৭ম শ্রেণীতে ৫০ জন শিক্ষার্থী মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। ৭ম শ্রেণীতে বাৎসরিক ২হাজার ৫০০ টাকা ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ২জাজার ৪৪০ টাকা নেওয়া হয়,তন্মধ্যে মাসিক বেতন যথাক্রমে ৬০ ও ৫৫টাকা, সেশন চার্জ ৭০০ টাকা,অর্ধ বার্ষিকী পরীক্ষার ফী ৪০০টাকা, স্কুল নীতিমালা ফী ১০০ টাকাও মূল্যায়ন পরীক্ষার ফী ৪০০ টাকা বলে জানান স্কুলের সহকারী শিক্ষক মিলটন শরীফ।
    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এশাধিক অভিভাবক জানান, দ্রব্যমূল্যেও উর্ধ্বগতির পাশাপাশি স্কুলে যেভাবে টাকা নেওয়া শুরু করেছে তাতে না খেয়ে মরার উপক্রম হয়েছে। ছেলে মেয়েদের পড়াশুনা হয়তো বন্ধ করে দিতে হবে। সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া বন্ধের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান তারা।
    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান পান্না ও সহকারী শিক্ষক মিলটন শরীফ বলেন, মূল্যায়ন পরীক্ষায় ফী নেওয়া যাবেনা এমন নির্দেশনা আমরা পায়নি।তবে অতিরিক্ত টাকা না নেওয়ার নির্দেশনা তারা পেয়েছেন। মূল্যায়নপরীক্ষায় আনুষঙ্গীক কিছু খরচ থাকায় এ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
    এ বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ক্যাপ্টেন মোস্তাক আলী বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। যদি এটা অনিয়মতান্ত্রিক হয়ে থাকে, তবে সব টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
    এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • নড়াইল জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে বাবা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    নড়াইল জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে বাবা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইল জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে বাল্যবিবাহ অবসান ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাবা সমাবেশ
    রবিবার (২৬ নভেম্বর) জেলা তথ্য অফিস, নড়াইলের উদ্যোগে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলায় বাল্যবিবাহ অবসান ও শিশুরা প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে নানামুখী প্রচারণা কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৷ উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, (২০২৩) সালের নভেম্বর মাসব্যাপী এ প্রচারণার অংশ হিসেবে লোহাগড়া উপজেলার ৮০ টি স্থানে এলাকার জনপ্রতিনিধি ও জনসাধারণ নিয়ে বাল্যবিবাহ অবসান, শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ এবং শিশুর সুস্থতা বা মঙ্গলের লক্ষ্যে বাবা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷
    ইউনিসেফ বাংলাদেশ এর আর্থিক সহযোগিতায় এবং জেলা তথ্য অফিস, নড়াইলে আয়োজনে এ যৌথ উদ্যোগী প্রচারণা নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউপি সদস্যের বাড়ির উঠোনে এবং হাট-বাজার-মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷
    বাল্যবিবাহের অবসান, শিশুর প্রতি সকল ধরণের সহিংসতা রোধ এবং শিশুর সুস্থ ভবিষ্যতে নিশ্চিতকরণের লক্ষ্য নিয়ে উক্ত বিষয়ের উপর উপস্থিত জনপ্রতিনিধি এবং জনসাধারণের সাথে পারষ্পরিক মতবিনিময় এবং আলোচনা করা হয় ৷
    বাবা সমাবেশে উপস্থিত সকলে বাল্যবিবাহ অবসান, শিশুর প্রতি যেকোন সহিংসতা বন্ধ এবং শিশুর মঙ্গলময় জীবন নিশ্চিত করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে শপথ গ্রহণ করেন ৷

  • যশোরের ছয়টি আসনে পূর্বের চারটি ও দুইটি নতুন মূখ নৌকার পেলেন

    যশোরের ছয়টি আসনে পূর্বের চারটি ও দুইটি নতুন মূখ নৌকার পেলেন

    মোঃ জাকির হোসেন, কেশবপুর
    যশোরের ছয়টি আসনের চারটিতেই পূর্বের নৌকার মাঝিদের রাখা হয়েছে। পরিবর্তন করা হয়েছে দুইজনকে। তারা হলেন যশোর-২ ডা: নাসির উদ্দিনের পরিবর্তে ডাঃ তৌহিদুজ্জামান তুহিন ও যশোর-৪ আসনে রনজিত রায়ের পরিবর্তে এনামুল হক বাবুল । এছাড়া যশোর ১ আসনে শেখ আফিল উদ্দিন, যশোর-০৩ আসনে কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-০৫ আসনে স্বপন ভট্টাচার্য ও যশোর ০৬ আসনে শাহীন চাকলাদারকেই নৌকার মাঝি হিসেবে রাখা হয়েছে।

    ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দলীয় প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করছে। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ রোববার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে এ নাম ঘোষনা করেন ঘোষণা শুরু করেছেন। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগে আজ সকাল ১০টার পর গণভবনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সভায় শেখ হাসিনা মনোনয়প্রত্যাশীদের বলেন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেউ পাস করে আসতে পারবেন না। প্রত্যেক প্রার্থীকেই একজন করে দলীয় ডামি প্রার্থী রাখতে হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রার্থী জানান, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেউ যদি কোনো আসনে জয়ী হন, তাহলে বিজয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দলীয় প্রধান জানিয়েছেন। দলীয় প্রতীকের প্রার্থীর পাশাপাশি দলের যে কোনো নেতা বা যে কোনো ব্যক্তি স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারবে বলেও নির্দেশনা দিয়েছেন।

    জাতীয় নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। তফসিল অনুযায়ী ৩০ নভেম্বর মধ্যে কমিশনে দল মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম জমা দিতে হবে। চলতি বছর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ৩ হাজার ৩৬২ জন। সর্বশেষ গত ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তার আগের সংসদের ৫৬ জন এমপি দলীয় মনোনয়ন পাননি। আবার ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার আগের সংসদের ৪৯ জনকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি।

  • রাজশাহী ১ আসনে আবারো নৌকার মাঝি হলেন ওমর ফারুক চৌধুরী

    রাজশাহী ১ আসনে আবারো নৌকার মাঝি হলেন ওমর ফারুক চৌধুরী

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। রোববার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নাম ঘোষণা করছেন তিনি। এবার রাজশাহীতে মনোনয়নে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বেশ কিছু এমপি বাদ পড়েছেন।

    রাজশাহী ১ আসনে ( নির্বাচনী এলাকা গোদাগাড়ী – তানোর) নৌকার মাঝি হয়েছেন ৩ বারের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী

    গত ১৮ নভেম্বর থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু হয়। ২১ নভেম্বর সন্ধ্যায় মনোনয়নপত্র সংগ্রহের শেষ দিনে দলটির দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া জানান, ৩ হাজার ৩শ ৬২টি মনোনয়নপত্র বিক্রি করেছে আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে রাজশাহীর ছয়টি আসন থেকে ৪৭ জন দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দেন।
    গত ২৩, ২৪ ও ২৫ নভেম্বর আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়। দলটির সভাপতি ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বোর্ডের সভায় বাকি মনোনয়নপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
    এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করার নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কোনো অবস্থাতেই বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাকেই নৌকার মনোনয়ন দেয়া হবে তার জন্যই সবাইকে কাজ করতে হবে। রোববার (২৬ নভেম্বর) সকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে শেখ হাসিনা বিএনপি- জামায়াতের নাশকতা প্রতিরোধ ও অপপ্রচার বন্ধে রাজপথে থাকারও নির্দেশনা দেন নেতাদের।
    চলতি মাসের ১৫ তারিখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হবিবুল আউয়াল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম দাখিলের শেষ দিন ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, মনোনয়নের আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর, নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত এবং ভোটগ্রহণ ৭ জানুয়ারি।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • যশোর -৬ (কেশবপুর) আসনে দ্বিতীয় বারের মতো নৌকার মাঝি হলেন শাহীন চাকলাদার

    যশোর -৬ (কেশবপুর) আসনে দ্বিতীয় বারের মতো নৌকার মাঝি হলেন শাহীন চাকলাদার

    মোঃ জাকির হোসেন, কেশবপুর ঃ
    যশোর -৬ (কেশবপুর) আসনে দ্বিতীয় বারের মতো নৌকার মাঝি হলেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কেশবপুর আসনের সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদার এমপি।
    ২৬নভেম্বর বিকালে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০০ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের নামের তালিকা ঘোষণা করেন। যশোর- ৬ আসনে নৌকার প্রার্থী হিসেবে শাহীন চাকলাদার এর ঘোষণা করার সাথে সাথে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করে।

    ২০০৪ সাল থেকে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ২০০৯ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত যশোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ২১ জানুয়ারি ২০২০ সালে সংসদ সদস্য ও সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যুর পর যশোর-৬ শূন্য আসনটির ১৪ জুলাই ২০২০ তারিখের উপনির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

  • রাজশাহীর তিন এমপির কপাল পু*ড়লো

    রাজশাহীর তিন এমপির কপাল পু*ড়লো

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ

    রাজশাহীর আওয়ামী লীগ দলীয় তিন এমপি এবার দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ২৬ নভেম্বর রোববার বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নাম ঘোষণা করছেন তিনি। রাজশাহীতে এবার মনোনয়নে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। রাজশাহীর তিনজন এমপি এবার বাদ পড়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন থেকে।এরা হলেন- রাজশাহী-৩ আসনের দুইবারের এমপি আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৪ আসনের তিনবারের এমপি এনামুল হক ও রাজশাহী-৫ আসনের এমপি ডা. মনসুর রহমান।এদের মধ্যে আয়েন উদ্দিন ২০১৪ সালে প্রথম দলীয় মনোনয়ন পেয়ে এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালেও তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে দ্বিতীয় বারের মত এমপি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতা। আর রাজশাহী-৪ আসনের এমপি এনামুল হক ২০০৮ সালে প্রথম দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর পর তিনি ২০১৪ ও ২০১৮ সালে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে টানা তিনবার এমপি নির্বাচিত হন।

    অপরদিকে, রাজশাহী-৫ আসনে ২০১৮ সালে প্রথম দলীয় মনোনয়ন পেয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছে চমক দেন ডা. মনসুর রহমান। সেবার বাদ পড়েন দুইবারের এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা। এবার দলীয় মনোনয়নে ছিটকে পড়েন ডা. মনসুর।

    এবার রাজশাহীর ছয়টি আসনের মধ্যে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে তিনবারের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-২ (সদর) আসনে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে তাহেরপুর পৌরসভার তিনবারের মেয়র অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) চতুর্থবারের মত নৌকার টিকিট পেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এদের মধ্যে মোহাম্মাদ আলী কামাল, আসাদুজ্জামান আসাদ ও আবুল কালাম আজাদ প্রথম বারের মত দলীয় মনোনয়ন পেলেন।

    এবার রাজশাহীর ছয়টি আসন থেকে ৪৭ জন দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দেন। গত ২৩ নভেম্বর আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা প্রার্থী চুড়ান্ত করা হয়। রোববার গণভবনে ডেকে নিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করার নির্দেশনা দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কোনো অবস্থাতেই বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাকেই নৌকার মনোনয়ন দেয়া হবে তার জন্যই সবাইকে কাজ করতে হবে।চলতি মাসের ১৫ তারিখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হবিবুল আউয়াল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম দাখিলের শেষ দিন ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, মনোনয়নের আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর, নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত এবং ভোটগ্রহণ ৭ জানুয়ারি।#

  • বরিশাল ২ আসনে নৌকার প্রার্থী অ্যাড তালুকদার মোঃ ইউনুস

    বরিশাল ২ আসনে নৌকার প্রার্থী অ্যাড তালুকদার মোঃ ইউনুস

    আব্দুল আউয়াল,
    আগামী ৭ জানুয়ারী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১২০ বরিশাল- ২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুই বারের সাবেক সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস।

    রোববার ( ২৬ নভেম্বর) সকালে গণভবনে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে এই দলীয় মনোনয়ন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি , প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপি।

    রোববার বিকেলে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার চিঠির বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন অ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস।

    এসময় তালুকদার মোঃ ইউনুস বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। আমাকে আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বরিশাল ২ আসন থেকে মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আল্লাহর রহমতে বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং দক্ষিনাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপির প্রতি। পাশাপাশি কৃতজ্ঞতা জানাই দলের সাধারণ সম্পাদক,সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি সহ সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সকল সম্মানিত সদস্যদের প্রতি।

    এছাড়াও কৃতজ্ঞতা জানাই উজিরপুর ও বানারীপাড়া উপজেলা দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি।যারা আমাকে মনোনয়নের আবেদন পত্র সংগ্রহ থেকে শুরু করে জমা দেয়া এবং চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণা প্রর্যন্ত উজিরপুর-বানারীপাড়া থেকে ঢাকায় কস্ট করে এসে সময় দিয়েছেন। যারা ঢাকায় আসতে না পেরে দোয়া কামনা ও প্রার্থণা করেছেন তাদের প্রতিও ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা জানাই।

    তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি আমার ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন। সেই আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা বিজয়ের লক্ষ্যে সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবো। কেননা নৌকা বিজয় মানেই স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগের বিজয়,গনতন্ত্রের বিজয়, উন্নয়নের বিজয়। তাই প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে
    সারাদেশে অব্যাহত ধারাবাহিক উন্নয়নের ধারায় বরিশাল ২ আসনের উজিরপুর – বানারীপাড়া উপজেলাকেও উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে উজিরপুর ও বানারীপাড়া উপজেলার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলীয় মনোনয়নের আবেদন পত্র ক্রয় করেন এবং আবেদনপত্রটি পুরণ করে আবার ২০ নভেম্বর বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে জমা দেন তালুকদার মোঃ ইউনুস।

    পড়ে ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর তেজগাঁও এর ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উল্লেখ্য, বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল ১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী ) এবং ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল ২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি উজিরপুর পৌরসভার উজিরপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ( হোল্ডিং নাম্বার ৭৭৩) এবং ভোটার।

  • সিংড়ায় ইউনিয়ন গনগ্রন্থাগার উদ্যোগে সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

    সিংড়ায় ইউনিয়ন গনগ্রন্থাগার উদ্যোগে সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

    সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
    নাটোরের সিংড়ায় হাতিয়ান্দহ ইউনিয়ন গন গ্রন্থগার উদ্দ্যোগে সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে
    গতকাল সন্ধায় কবি লেখক,সাহিত্য অনুরাগীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে কবি মাহাবুব মান্নান এর তাকে হত্যার পর, কবি আব্দুল মতিন এর লেখা ‘শান্ত নদ’ এবং সুনিল কুমার সরকার এর লেখা ‘অ আ স্বীকার’ বই হতে কবিতা পাট করা হয়।
    হাতিয়ান্দহ ইউনিয়ন গন- গ্রন্থাগারের সভাপতি আব্দুল মতিনের সভাপত্বিতে আলোচনা সভায় বক্ত্যব রাখেন সিংড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি মোঃ এমরান আলী রানা, কবি খলিল মাহমুদ,এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আলিফ বিন রেজা, কাবিল উদ্দিন কাফি সহ স্থানীয় সাহিত্য সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিবর্গ। আলোচনা শেষে কবিরা তাদের প্রকাশিত বই উপস্থিত সবার মাঝে বিতারন করেন।
    এসময় হাতিয়ান্দহ গনগন্থাগারের সৌজন্যে রানা প্রকাশনির চয়েন বার্তার সৌজন্য কপি উপহার দেন সম্পাদক এমরান আলী রানা।

    মোঃ এমরান আলী রানা
    নাটোর প্রতিনিধি ।