আল আমিন শোভন
স্টাফ রিপোটার :-
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা ভেটেরিনারী রিপ্রেজেন্টটিভ এশোসিয়েশন(ভেরিয়া) কর্মরত ৫০জন সদস্যদের সম্মতিক্রমে এগ্রোসল বাংলাদেশ কোম্পানীর টাঙ্গাইল এরিয়া ম্যানেজার উত্তম কুমার আর্য্য কে সভাপতি,এসকেএল টাঙ্গাইল এরিয়া ম্যানেজার মোঃ মনসুর আহমেদ কে সাধারণ সম্পাদক করে আলোচনার মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হয়েছে।(২৫নভেম্বর) শনিবার রাত ৮টায় পৌর এলাকায় অবস্থিত ডাঃ নির্মল কৈরীর অফিস রুমে এ কমিটি গঠন করা হয়।প্রথমে কোরআন থেকে তেলয়াত করেন ইন্টার এগ্রো ঘাটাইল দায়িত্বে মোঃ লুৎফর রহমান। কমিটি গঠনে নির্বাচকের দায়িত্ব ছিলেন তেজারত এগ্রোভেটে ঘাটাইল প্রতিনিধি মোঃ তোফাজ্জল হোসেন।অন্যান্য সহ সভাপতি আল মদিনার মোঃ মিজানুর রহমান,যুগ্মসাধারণ এডোভা এগ্রাভেটে এরিয়া ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম মুন্না, জেন্টি ফার্মাসিউটিকেল প্রতিনিধি মোঃ নাসিম হাসান সহ ৭ সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটি গঠন করা হয়।
Blog
-

ঘাটাইল ভেরিয়া সভাপতি উত্তম সম্পাদক মনসুর
-

বেনাপোলে বিদেশি মদ সহ এক যুবক গ্রেপ্তার
আজিজুল ইসলামঃ
যশােরের বেনাপোলে অভিযান চালিয়ে ২২ বোতল বিদেশি মদসহ আব্দুল বারিক (২০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে যশোর ডিবি পুলিশ সদস্যরা।সোমবার (২৭ নভেম্বর) রাতে বেনাপোল পোর্ট থানার বড় আঁচড়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত বারিক শার্শা থানার অগ্রভুলট গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। তিনি একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী।
ডিবি পুলিশ জানায়, তাদের কাছে গোপন খবর আসে বেনাপোলের বড় আঁচড়া গ্রামের সেলিম এর বাড়ির বাঁশ বাগানের কাছে মদের একটি বড় চালান নিয়ে এক মাদক ব্যবসায়ী সেখানে অবস্থান করছে। এমন ধরনের খবরে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস টিম সেখানে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী বারিককে গ্রেপ্তার করেন। এসময় পুলিশের কাছে তিনি স্বীকার করেন পাশের বাঁশ বাগানে মদের একটি চালান লুকিয়ে রেখেছেন। পরে সেখান থেকে ২২ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।
যশোর ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুপন কুমার জানান, গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে তাকে থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
-

টেকনাফে র্যাবের অ*ভিযানে বিদেশী মদসহ আ*টক-১
কে এম নুর মোহাম্মদ
কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিকক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন খারাংখালী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬৩ বোতল অবৈধ বিদেশী মদসহ এক মাদক কারবারীকে আটক করেছে র্যাব-১৫ এর সদস্যরা
আটককৃত মাদক কারবারী হলেন, টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড
হোয়াইক্যং বিজিবি চেকপোষ্টের পাশে আয়ুব আলীর ছেলে মোঃ নূর (১৮)।কক্সবাজার র্যাব-১৫, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও
সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া)
মোঃ আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান,রবিবার (২৬ নভেম্বর) রাতে
র্যাব-১৫, কক্সবাজার এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ থানাধীন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী বাজার এলাকায় কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৫, সিপিসি-২ হোয়াইক্যং ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে একজন ব্যক্তি একটি প্লাষ্টিকের বস্তা ফেলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে মোঃ নূর নামে একজন মাদক কারবারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত মাদক কারবারীর হেফাজত হতে সর্বমোট ৬৩ বোতল বিদেশী মদের বোতল ২২টি বোতলের গায়ে ইংরেজীতে GRAND ROYAL Signature INTERNATIONAL QUALITY AWARD WINNING BLENDED WHISKY PRODUCT OF MYANMAR 40% ALC এবং ৪১বোতলের গায়ে ইংরেজীতে GLAN MASTER FINEST BLENDED WHISKY INTERNATIONAL QUALITY AWARD WINNING WHISKY PRODUCT OF MYANMAR 43% VOL লেখা আছে) উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত নূর দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকদ্রব্য বিদেশী মদ টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সংগ্রহ করে থাকে এবং নিজের হেফাজতে বিভিন্ন স্থানে মজুদ করে। পরবর্তীতে অধিক মুনাফার জন্য মজুদকৃত মাদকদ্রব্য টেকনাফসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারী দরে বিক্রয় করে থাকে বলে জানায়।
তিনি আরো জানান,উদ্ধারকৃত মাদকসহ বর্ণিত মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। -

কালীগঞ্জে রবি মৌসুমে বোরো ধানের বীজ বিতরণ
মো.হাসমত উল্লাহ, লালমনিরহাট।।
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা। গ্রাম বাংলার কৃষকরা ভালো ফলনের আশায়। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচীর রবি মৌসুমে বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধির জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে হাইব্রিড বীজ বিতারণ করেন।কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর
আয়োজনে বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন, এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহির ইমাম।আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কৃষি অফিসার তুষার কান্তি রায়,কৃষি সম্পশারন অফিসার মোজাক্কের নোমান, ও প্রান্তিক কৃষক সহ আরো অনেক। ৩২০৩ জন কৃষক কৃষি অফিস থেকে ২কেজি করে ধানের বীজ সংগ্রহ করেন। ভোটমারী ২৬৫,মদাতী ৩৯৫, তুষভান্ডা ৪০৫, দলগ্রাম ৫৪০, চন্দ্রপুর ৪০০, গোড়ল ৩৫০, চলবলা ৪২০, কাকিনা ইউনিয়নে ৪২৮, জন কৃষক। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন,বলেন ভালো বীজে ভালো ফলন হয়। এবং রোগ বালাই কম হয়।ভালো জায়গাতে বীজ বপন করেন। অনুকূল আবহাওয়া থাকালে এবং নিবিড় পরিচর্যাসহ যথা সময়ে জমিতে সার কীটনাশক ও সেচ দিলে এবার লক্ষ মাত্রা পূরন হবে বলে আশা করছি। বীজ সংগ্রহ কারি এক কৃষক এর সাথে কথা বল্লে তিনি বলে গত বছর অফিসের বীজ নিয়ে যে ফলন হয়েছে এবার অনুকূল আবহাওয়া থাকালে এবারো ভালো ফলনের আশকরছি। তাই সকল কৃষক ভাইদের বলি সবাই ভালো বীজ দিয়ে কৃষি আবাদ করবেন।হাসমত উল্লাহ ।
-

লালমনিরহাট ৩টি আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেলেন যারা
মো.হাসমত উল্রাহ,লালমনিরহাট।।।।
লালমনিরহাট দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ৩টি সংসদীয় আসনের আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে মনোনয়ন অনেকে সংগ্রহ করে জমা দিলেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পেলেন – যে ৩ জন। গত (২৬ নভেম্বর)২০২ইং রবিবার বিকালে আওয়ামীলীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে একযোগে সারাদেশের ৩০০ আসনের মনোনয়ন প্রাপ্তদের তালিকা ঘোষনা করে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। নৌকা প্রতিকে মনোনয়ন প্রাপ্তরা হলেন -লালমনিরহাট -১ পাটগ্রাম – হাতীবান্ধা আসনে
আলহাজ্ব মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট -২ কালীগঞ্জ-আদিতমারী আসনে আলহাজ্ব নুরুজ্জামান আহম্মেদ, লালমনিরহাট -৩ লালমনিরহাট সদর এডভোকেট মতিয়ার রহমান। এদিকে দলীয় মনোনয়ন ঘোষনা হওয়ার সাথে সাথে জেলার প্রত্যেকটি আসনে নিজ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ায় মিষ্টি খাওয়া এবং আনন্দ -উল্লাস করেছে প্রার্থীর কর্মী- সমর্থকরা।হাসমত উল্লাহ ।
-

ঢাকা জেলায় আবারও শ্রেষ্ঠ করদাতার সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রোমান ভুঁইয়া
হেলাল শেখঃ সচেতন নাগরিক ঢকা জেলা পর পর ৬ষ্ঠ বার শ্রেষ্ঠ করদাতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া, তিনি আবারও ঢাকা জেলা শেষ্ঠ করদাতা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা পাইতে যাচ্ছেন বলে সূত্র জানায়।
সূত্রে জানা গেছে, গত ডিসেম্বর ২০২৩ইং ঢাকা জেলায় ৬ষ্ঠ বারের মতো শ্রেষ্ঠ করদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া। গত (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় ঢাকা অফিসার্স ক্লাবে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়াকে শ্রেষ্ঠ করদাতা হিসেবে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালের পক্ষে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম। সে সময় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় শিল্প মন্ত্রী নূরুল মজিদ মামুদ হুমায়ুন (এমপি) এবং অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতেমা ইয়াসমিন।
ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জামগড়া এলাকার ভুঁইয়া বাড়ির আলহাজ্ব মোঃ ছফিল উদ্দিন ভুঁইয়া ও তছিমন্নেছা দম্পতি’র ছোট ছেলে জনাব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া। এই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া (বন্ধন ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড সাপ্লাইয়ার, নায়ফা ট্রেড বিডি ও গ্লোরী ডিস্ট্রিবিটিং কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী) সহ বিভিন্ন বৈধ ব্যবসার মালিক তিনি, এই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিভিন্ন ব্যবসা বাণিজ্যের সাথে জড়িত আছেন।
মানবতার ফেরিওয়ালা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া বলেন, আমি করদাতা হিসেবে সরকারকে কখনো করফাঁকি দেইনি, আমি সততার সাথে ব্যবসা করি, শুরু থেকে পর্যায়ক্রমে ব্যবসা যখন বড় হচ্ছে-কখনো কর ফাঁকি দেওয়ার চিন্তা মাথায় ঢোকেনি আমার, ব্যবসা শুরু করার পরের বছর থেকেই আমি আয়করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করি। তিনি আরো বলেন, আমার ব্যবসা যত এগিয়েছে, কর দেওয়া ততটাই বাড়িয়েছি। ২০১৬ইং সালে ঢাকা জেলার প্রথম সেরা করদাতা হিসেবে সম্মাননা স্মারক পাই, এরপর ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯, ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালেও আবারও ঢাকা জেলা সেরা করদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সম্মান অর্জন করেছি। আমি মনে করি রাষ্ট্রের সঙ্গে কখনই বেঈমানি করা উচিৎ না। ব্যবসায়ীদের কখনো সম্পদের হিসাব বা তথ্য গোপন রাখা উচিৎ নয়। তিনি আরো বলেন, শ্রমিক ও মালিক আমরা সবাই সবার জন্য সহযোগিতা করবো এতে আমাদের ব্যবসার উন্নতি হবে আর দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত, আমি যেন দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে পারি এর জন্য সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা রইলো, জয় হোক জনতার, জয় হোক মেহনতী মানুষের। মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, আমরা কেউ যেন কারো ক্ষতি না করি, কারো মনে কষ্ট না দেই। তিনি সকল শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে দোয়া কামনা করেছেন। -

ঢাকা-১৯ আসনে ডাঃ এনামুর রহমানকে ৩য় বারের মতো নৌকা মাঝি করায় অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমানকে তৃতীয় বারের মতো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী করায় আওয়ামী লীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন।
রবিবার (২৬ নভেম্বর ২০২৩ইং) বিকেলে আওয়ামী লীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাহেব আওয়ামী লীগের মনোনয়ন-নাম ঘোষণা করেছেন, এসময় ঢাকা-১৯ আসনের নৌকার মাঝি হিসেবে ডাঃ এনামুর রহমানের নাম ঘোষণা করেছেন তিনি। এই নাম ঘোষণার পর সাভার ও আশুলিয়ায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা তাদের প্রিয় নেতা ডাঃ এনামুর রহমানের পক্ষে আনন্দ মিছিল করেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
ঢাকা জেলার সাভার ও আশুলিয়ার নির্বাচনী এলাকার আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমানকে ঢাকা-১৯ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা মার্কা মনোনয়ন দেওয়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ, অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও “আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাব” এর সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ)। তিনি বলেন, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমান একজন ভালো মানুষ, তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তিনি একজন এমবিবিএস ডাঃ। তার পেশা চিকিৎসা ও ব্যবসা। দুইবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত এমপি। সাভার ও আশুলিয়ায় ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান প্রথম। তিনি দেশের ৬৪ জেলার প্রায় ১৮ কোটি মানুষের দুঃসময়ের কান্ডারী, গরীবের বন্ধু, মানবতার ফেরিওয়ালা, সাদা মনের মানুষ, সারা বিশ্ববাসী তাকে এক নামে চিনেছেন যে, বাংলাদেশের সাভারে এনাম মেডিকেল কলেজের মালিক ডাঃ এনামুর রহমান। তাই তার কর্মফলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে আবারও নৌকার মাঝি করেছেন। নৌকা মার্কার জয় হবে ইনশাআল্লাহ। -

পাবনা-২ আসনে পুনরায় নৌকার হাল ধরলেন ফিরোজ কবির
এম এ আলিম রিপনঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৯ পাবনা-২ আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পেলেন বতর্মান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আহমেদ ফিরোজ কবির। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আহমেদ তফিজ উদ্দিনের সন্তান। রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় থেকে বি.কম অনার্স এবং ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে এম. কম সম্পন্ন করা আহমেদ ফিরোজ কবির এর আগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাজশাহী কলেজ শাখার সদস্য (১৯৭৮-১৯৮০ইং), সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য(১৯৯৮-২০১৩ইং), উপজেলা পরিষদের চেয়রম্যান(১৯৯৮-২০১৪ইং), পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (২০১৬-২০২১ইং) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বর্তমানে জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নৌকার মনোনয়ন দেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে আহমেদ ফিরোজ কবির উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগকে আবারও বিজয়ী করতে উন্নয়নের প্রতীক নৌকায় ভোট দেবার আহ্বান জানান সকলকে । তিনি জানান,পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছি। পুনরায় বিজয়ী হলে তিনি তার সকল যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে নির্বাচনী এলাকার অবহেলিত জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অতীত এবং বর্তমানের ন্যায় কাজ করে যাবেন । সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন জানান, পাবনা-২ আসনের সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক আহমেদ ফিরোজ কবির। নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন,সমাজ সেবা, ও ক্রীড়া ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে তিনি নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে চলেছেন। ফলে নির্বাচনী এলাকা জুড়ে আ.লীগের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তার একটা পরিচ্ছন্ন ও নিজস্ব ব্যক্তি ইমেজ রয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা যোগ্য ব্যক্তিকেই নৌকার মনোনয়ন দিয়েছেন । উল্লেখ্য,সুজানগর পৌরসভাসহ উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানার ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ৬৯ পাবনা-২ সংসদীয় আসন । দেশ স্বাধীনের পর থেকে এ পর্যন্ত আসনটি থেকে ৬ বার আওয়ামী লীগ, ৪ বার বিএনপির এবং একবার জাতীয় পার্টি দলীয় প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৭৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আহমেদ তফিজ উদ্দিন মাস্টার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী মির্জা আব্দুর রশিদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মির্জা আব্দুর রশিদ সংসদ সদস্য থাকাকালে ১৯৮২ সালে আবার রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়। ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে জাতীয় পার্টি প্রার্থী মকবুল হোসেন সন্টু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জাতীয় পার্টি দীর্ঘ ৯ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি দলীয় হ্যাবিওয়েট প্রার্থী ওসমান গনি খান (ওজি খান) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬ সালে দুই দফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফা ১৫ ফেব্রুয়ারী এবং দ্বিতীয় দফা ১২ জুন। প্রথম দফা অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী একেএম সেলিম রেজা হাবিব এবং দ্বিতীয় দফা অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী আহমেদ তফিজ উদ্দিন মাস্টার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে তফিজ উদ্দিন মাস্টার নির্বাচিত হওয়ার দুই বছর পর মারা গেলে ১৯৯৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অবঃ) একে খন্দকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী একেএম সেলিম রেজা হাবিব সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে এয়ার ভাইস মার্শাল (অবঃ) একে খন্দকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপি বর্জন করলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী খন্দকার আজিজুল হক আরজু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০১৮ সালের নির্বাচনে আহমেদ ফিরোজ কবির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এবং এবারে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৯ পাবনা-২ আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পেলেন বতর্মান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আহমেদ ফিরোজ কবির । এদিকে মনোনয়ন পাওয়ার পরপরই রবিবার বিকেলে সুজানগরে আনন্দ মিছিল বের করে দলীয় নেতাকর্মীরা।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি। -

এইচএসসির ফলাফলে উপজেলার শ্রেষ্ঠ সুজানগর মহিলা কলেজ
এম এ আলিম রিপনঃ এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সরকারি ডাঃ জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজ কে পেছনে ফেলে উপজেলার শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজ। ৯৮% পাশের হার এবং ১৫ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫পাওয়ায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ হওয়ার গৌরব অর্জন করে সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজ নামক এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। রবিবার প্রকাশিত ফলাফলে দেখাযায়, সুজানগরের একমাত্র সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ডাঃ জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজ ৭৩.৫১% পাশের হার এবং জিপিএ-৫ পান ৯ জন পরীক্ষার্থী। এছাড়া সুজানগর নিজাম উদ্দিন আজগর আলী ডিগ্রি কলেজে পাশের হার ৭৯% এবং জিপিএ-৫ পায় ২২জন পরীক্ষার্থী, সাতবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের পাশের হার ৮৯%,জিপিএ-৫ পায় ২জন পরীক্ষার্থী। এদিকে ভাল ফলাফল অর্জনে কলেজের শিক্ষকদের সঠিকভাবে পাঠদান, শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার নিয়মিত খোঁজখবর রাখা,নিজেদের চেষ্টা এবং পিতা-মাতার অবদানের কথা তুলে ধরেন সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের পাশকৃত শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী মন্ডল জানান, অত্র প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম স্যারের নির্দেশনা অনুয়ায়ী আমরা চেষ্টা করেছি শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে পাঠদানের। অতীত এবং বর্তমানের ন্যায় আগামীতেও যেন উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ অর্জন ধরে রাখতে পারি এ জন্য তিনি সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি । -

নড়াইলে ডেঙ্গু জ্বরে আ*ক্রান্ত হয়ে ময়না বেগমের মৃ*ত্যু
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ময়না বেগম (২৭) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৫নভেম্বর) সকালে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই গৃহবধূ মৃত্যুবরণ করেন। ময়না বেগম উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের তালবাড়িয়া গ্রামের দিদার শেখের স্ত্রী। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক এস এম মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতের পরিবারের লোকজন জাগো নিউজকে জানান, গত শুক্রবার রাতে প্রচন্ড জ্বরে আক্রান্ত হয় ময়না বেগম। ময়নার অবস্থা রাতে অবনতি হলে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে ভর্তি করি।
পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষা করলে তার ডেঙ্গুজ্বর ধরা পড়ে। পরে তার শারীরিক অবস্থার ব্যপক অবনতি হয় এবং শনিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ব্যাপারে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক এস এম মাসুদ জাগো নিউজকে বলেন, শুক্রবার রাতে জ্বর নিয়ে ময়না বেগম ভর্তি হন। এসম তার ডেঙ্গুজ্বর ধরা পড়ে। এরপর শনিবার সকালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।