Blog

  • ঝিনাইদহে একদিকে আনন্দ অন্যদিকে বে*দনাহত পরিবেশ

    ঝিনাইদহে একদিকে আনন্দ অন্যদিকে বে*দনাহত পরিবেশ

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    একদিকে আনন্দের বন্যা আর উচ্ছাস, অন্যদিকে বেদনাহত পরিবেশ এমনটি লক্ষ্য করা গেছে রোববার বিকালে ঝিনাইদহে। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থিতা ঘোষনার পর বিকালে আনন্দ মিছিল বের করে মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকরা। ঝিনাইদহ, হরিণাকুন্ডু, শৈলকুপা ও কালীগঞ্জ শহরে আনন্দ মিছিলের ঢেও আছড়ে পড়ে। তবে ব্যাতিক্রম ছিল কেবল মহেশপুর কোটচাদপুর এলাকায়। ঝিনাইদহ-৩ আসন হিসেবে পরিচিত মহেশপুরে নতুন প্রার্থী ঘোষনা করা হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল সালাউদ্দীন মিয়াজিকে দলীয় প্রর্থী হিসাবে ঘোষনা করা হয়। ফলে বর্তমান সংসদ সদস্য শফিকুল আজম খান চঞ্চলের সমর্থকদের মধ্যে পিন পতন নীরবতা বিরাজ করে। অন্যদিকে ঝিনাইদহ-২ আসনে দলের হেভিওয়েট প্রার্থী সাইদুল করিম মিন্টুর নাম বাদ পড়ায় তার সমর্থকদের মধ্যে নীরবতা বিরাজ করে। এই আসনে তাহজীব আলম সিদ্দিী সমি পুরনায় মনোনয়ন পাওয়ায় তার সমর্থকরা রং নিয়ে হলি খেলায় মেতে ওঠে। আনন্দ মিছিল করে শহরবাসীকে শুভেচ্ছা জানায়। একই ভাবে শৈলকুপা এলাকায় দলের বর্ষিয়ান নেতা আব্দুল হাই ও কালীগঞ্জ এলাকায় আনোয়ারুল আজিম আনারের সমর্থখরা উল্লাস প্রকাশ করেন। এদিকে ঝিনাইদহ-৩ আসনে নৌকা প্রতিক পাওয়া সালাউদ্দীন মিয়াজি স্থানীয় আওয়ামীলীগের কোন পদ নেই। তবে তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য বলে জানিয়েছেন দলের সাধারন সম্পাদক মীর সুলতানুজ্জামান লিটন। সাধারন সম্পাদক মি. লিটন তার মনোনয়ন পাওয়া সম্পর্কে বলেন, দলের প্রতিক যে যে পাবে আমরা তার নির্বাচন করবো। নৌকা যার দল তার বলে যোগ করেন সাধারন সম্পাদক। এছাড়া জেলার বাকি তিনটি আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন ঝিনাইদ-১ শৈলকুপা) আসনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুল হাই, ঝিনাইদহ-২ (ঝিনাইদহ সদর ও হরিণাকুন্ডু উপজেলা) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি ও ঝিনাইদহ-৪ ( কালীগঞ্জ উপজেলা ও সদরের আংশিক) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান ।

  • পাখি শিকারে ফাঁ*দ পাততে গিয়ে বৃদ্ধের মৃ*ত্যু

    পাখি শিকারে ফাঁ*দ পাততে গিয়ে বৃদ্ধের মৃ*ত্যু

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় , পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে করতোয়া নদী থেকে আব্দুস সামাদ (৬৭) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    শনিবার (২৫ নভেম্বর) সকালে দেবীগঞ্জ পৌরসভার বোডিং পাড়ার ময়নামতি চরের কাছে করতোয়া নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আব্দুস সামাদ বোডিং পাড়া এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুস সামাদ পেশায় একজন গাছের চারা বিক্রেতা। তার নার্সারী রয়েছে। তবে তিনি নিয়মিত নদীতে পাখি শিকার করতেন। আজ ভোরে পাখি শিকার করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে নদীর উদ্দেশ্য রওনা দেন। চরে কাজ করতে যাওয়া কৃষকেরা নদীতে পেতে রাখা ফাঁদের কাছে হাটু পানিতে পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। পরিবার এবং এলাকাবাসী জানায়, সামাদ দীর্ঘ দিন ধরে হার্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্ট্রোক করে মারা গেছেন তিনি।

    এবিষয়ে দেবীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রঞ্জু আহমেদ জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোন ধরনের অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • নড়াইলে ডোবা থেকে শিশুর লা*শ উদ্ধার

    নড়াইলে ডোবা থেকে শিশুর লা*শ উদ্ধার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর ডোবা থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার নড়াইল সদর উপজেলায় নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর আরাফ নামে দুই মাসের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (২৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার লস্করপুর গ্রামে ওই শিশুর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নড়াইল সদর থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) জামিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শিশু আরাফ সদর উপজেলার লস্কারপুর গ্রামের মিলনের ছেলে।
    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রোববার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার লস্কারপুর গ্রামের মিলনের ছেলে দুই মাসের শিশু আরাফ নিখোঁজ হয়। পরে ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে সদর থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা গভীর রাত পর্যন্ত খোঁজাখুজি করলেও তার সন্ধান মেলেনি। পরে সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ির সামনে একটি ডোবায় ওই শিশুটিকে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে শিশুটির মা সুমি বেগম এসে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
    পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) জামিল কবীর, উজ্জ্বল রারকে বলেন, শিশুটির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরে বিস্তারিত জানা যাবে।

  • মহেশপুর সীমান্ত থেকে বাংলাদেশী  যুবকের র*ক্তাক্ত লা*শ উদ্ধার

    মহেশপুর সীমান্ত থেকে বাংলাদেশী যুবকের র*ক্তাক্ত লা*শ উদ্ধার

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার চাপাতলা সীমান্তে রকিবুল ইসলাম (৩২) নামে এক বাংলাদেশী যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। গ্রামবাসি ধারণা করছে গুলিতে তিনি নিহত হতে পারেন। তবে এ নিয়ে বিজিবি ও পুলিশ কেউ মুখ খুলছে না। খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে মহেশপুর ৫৮-বিজিবি বাংলাদেশী যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত রকিবুল মহেশপুরের স্বরুপপুর ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের মোমিনুর রহমানের ছেলে। সোমবার সকালে চাপাতলা গ্রামের ইছামতি নদীর ধারে (৬১/৯আরএস নং পিলারের কাজ থেকে) রকিবুলের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ ও বিজিবিকে খবর দেয় গ্রামবাসি। প্রত্যাক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, রকিবুলের সারা শরীর পানিতে ভেজা ছিল। লুঙি ফোল্ডিং করে বাধা। শরীরের জামাকাপড় ধস্তাধস্তিতে ছেড়া। লাশ নদী থেকে তুলে ডাঙ্গায় ফেলে গেছে। স্বরুপপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমান জানান, গত ২৫ নভেম্বর থেকে রকিবুল নিখোঁজ ছিলেন। সোমবার সকালে ইছামতি নদীর পাড়ে তার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখে বিজিবিকে খবর দেয়া হয়। তিনি আরো জানান রকিবুল চাপাতলা গ্রামে খালুর বাড়িতে জমি কিনে মায়ের সঙ্গে বসবাস করতেন। পেশায় রাজমিস্ত্রী রকিবুল অন্যদের সাথে ভারত অভ্যন্তরে গিয়েছিলো বলে ইউপি সদস্য হাফিজুর জানান। পরে সে আর বাড়িতে ফেরেনি। রকিবুলের ডানে হাতের ফুটো চিহ্ন দেখে ধারণা করা হচ্ছে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি জানান, বিএসএফ না অন্য কেউ তাকে হত্যা করেছে তা বলা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল মাসুদ পারভেজ রানা জানান, বাংলাদেশ অভ্যন্তরে একটি লাশ পাওয়া গেছে। তবে তাকে কে বা কারা কিভাবে হত্যা করেছে তা জানা যায়নি। তার ডান হাতে একটি ক্ষত চিহ্ন আছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পুলিশের কাছে হস্তাস্তর করা হয়েছে। কোটঁচাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মুন্না বিশ্বাস জানান, তার ডান হাতে ফুটো চিহ্ন আছে। মহেশপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • ঝিনাইদহে স্ত্রী ও সন্তান হ*ত্যায় দায়ে  একজনকে মৃ*ত্যুদন্ডের রায়

    ঝিনাইদহে স্ত্রী ও সন্তান হ*ত্যায় দায়ে একজনকে মৃ*ত্যুদন্ডের রায়

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যার ঘটনায় সুজন (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক আব্দুল মতিন এ রায় ঘোষনা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত সুজন শৈলকুপা উপজেলার দোহা-নাগিরাট গ্রামের মো বিশারত হোসেনের ছেলে। রায় সুত্রে জানা যায়, শৈলকুপা উপজেলার নোন্দীরগাতী গ্রামের সালেহা বেগমের কন্যা ইয়াসমিনের বিয়ে হয় সুজনের সাথে। পরে তাদের ঘরে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। এরপর থেকেই সুজনের পরকীয়া নিয়ে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকতো। এ ঘটনার জের ধরে সুজন তার স্ত্রী ও সন্তানকে শশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। কিছুদিন পরে সুজন অন্যদের সাথে নিয়ে স্ত্রী ও সন্তানের সাথে বিবাদে জড়াবেনা বলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়ি ফিরিয়ে আনার ১৫ দিন পর ২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রæয়ারি তাদের কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। সুজনের স্বজনদের কাছে ইয়াসমিনের পরিবার জানতে চাইলে তারা বলেন ওরা বেড়াতে গেছে। কিছুদিন পর সুজনের বাড়িতে গিয়ে কাউকেই পাওয়া যায়না। পরে ঝিনাইদহ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে ওই বছরেরই ২২ মার্চ তাদের পাওয়া যাচ্ছে না মর্মে অভিযোগ দায়ের করে ইয়াসমিন এর মা সালেহা বেগম। পরে আদালত সেটি এজাহার হিসাবে গণ্য করেন। আদালতের নির্দেশে শৈলকুপা থানা পুলিশ জানতে পারে সুজন শেখ ফরিদপুর জেলার সদরপুর থানার মৈজদ্দি-মাতব্বরকান্দি গ্রামে আতœগোপনে আছে। সেখানে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সুজন স্বীকার করে যে তার স্ত্রী ইয়াসমিনকে ফরিদপুর জেলার পদ্মানদীর তালুকের চরে শ^াসরোধ করে এবং ছেলে ইয়াসিনকে গলা টিপে হত্যা করে বালিচাপা দিয়ে রেখেছে। পরবর্তিতে পুলিশ ২০১৭ সালের পহেলা জানুয়ারী আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। সাক্ষ্য প্রমান শেষে বিজ্ঞ আদালত গতকাল সোমবার দুপুরে সুজন কে স্ত্রী ও সন্তান হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • ফারুক চৌধুরী আবারও নৌকার মাঝি হওয়ায় গোদাগাড়ীতে মিষ্টি বিতরণ

    ফারুক চৌধুরী আবারও নৌকার মাঝি হওয়ায় গোদাগাড়ীতে মিষ্টি বিতরণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : টানা পঞ্চমবারের মতো রাজশাহী-১ আসনের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়াই মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। রোববার বাদ মাগরিব গোদাগাড়ী উপজেলা সদর শহীদ ফিরোজ চত্ত্বরে মিষ্টি বিতরণ ও দলীয় নেতাকর্মীর মিষ্টি মুখ করেন।

    গোদাগাড়ী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি রবিউল আলম ও সাধারণ সম্পাদক নাসিমুল হক নাসিমের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ ও মিষ্টি মুখ করেন। এসময় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উদ্দীপনা দেখা গেছে।

    পৌর যুবলীগের সভাপতি আব্দুল জাব্বার বলেন, সকলকে চমক লাগিয়ে আবারও শেখ হাসিনা আমাদের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীকে মনোনয়ন দিয়েছে। প্রকৃত অর্থে ফারুক চৌধুরী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন। আমরা সকলেই খুশি হয়ে আমি মিষ্টি বিতরণ করেছি এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মিষ্টি মুখ করিয়েছি। ইনশাআল্লাহ আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আবারও নৌকার বিজয় এনে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবো। এসময় পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের প্রথম মনোনয়ন পান। সেই সময় বিএনপির হেভি ওয়েট নেতা ও সাবেক মন্ত্রী প্রায়াত ব্যারিষ্টার আমিনুল হকের কাছে পরাজিত হন। এর পর ২০০৮ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই সময় ব্যারিষ্টার আমিনুল হক জঙ্গিমদদ দাতা ও বাংলাভায়ের উত্থানের অভিযোগে কারাদন্ড হয়ে বিদেশে পলাতক থাকায় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেননি। তার বড় ভাই বাংলাদেশ পুর্লিশের সাবেক আইজিপি ড. এনামুল হক বিএনপির টিকিট নিয়ে ধানের শীষ প্রতিকে নির্বাচন করে। ওই ভোট ওমর ফারুক চৌধুরী বিপুল ভোটে ড. এনামুল হককে পরাজিত করে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর পর ২০১৪ ও ২০১৮ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হয়ে টানা তিন বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদের মেয়াদের শেষ দিকে মন্ত্রী সভার রদবদল হলে তিনি শিল্প প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করে। ২০১৪ সালে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলে মন্ত্রী সভায় ঠাই না হলেও তিনি শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থানীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে।

    ২০০০ সালের দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি শুরু করার পর তিনি প্রথমে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এর পরে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিরও দায়িত্ব পালন করেছেন। ওমর ফারুক চৌধুরী জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের আপন ভাগ্নে।

    এদিকে টানা পঞ্চম বারের মতো আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী হওয়ায় গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • রাজশাহীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা ৪ আওয়ামী লীগ নেতার

    রাজশাহীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা ৪ আওয়ামী লীগ নেতার

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী।। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ভোটের লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মনোনয়ন বঞ্চিত আওয়ামী লীগের চার নেতা। সোমবার তারা এ ঘোষণা দেন।

    এরা হলেন, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান আখতার এবং তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মুন্ডুমালা পৌরসভা সাবেক মেয়র গোলাম রাব্বানী বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। নৌকার মনোনয়ন বঞ্চিত এই দুই আওয়ামী লীগ নেতা রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসন থেকে নির্বাচন করবেন। এ আসনে টানা ৪ র্থ বারের মতো নৌকার প্রার্থী হয়েছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি।

    এদের মধ্যে আখতারুজ্জামান আখতার গেলো রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হলে ভোট করেছিলেন। তবে সামান্য কিছু ভোটের ব্যবধানে তিনি নৌকার মনোনিত প্রার্থী মীর ইকবালের কাছে পরাজিত হন।

    এছাড়াও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক এমপি রায়হানুল হক রায়হান। তিনি রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসন থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সাথে ভোটে লড়তে চান এই প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা।
    অপরদিকে, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ এবার বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসন থেকে নির্বাচন করবেন। ওই আসনে এবার নৌকার প্রার্থী হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক দুইবারের এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা।

    সোমবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে এই চার নেতার সাথে যোগাযোগ করা হলে যোগাযোগ করা হলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    আখতারুজ্জামান আখতার ও গোলাম রাব্বানী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা গত রোববার (২৬ নভেম্বর) গণভবনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাতে মতবিনিময় করেছেন। সেখানে তিনি বিদ্রেহী প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিধি নিষেধ দেননি। বরং তিনি বলেছেন, এবার ভোটকে উৎসব মুখর করতে। তাই নির্বাচনে বেশী প্রার্থী হলে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দিপনা কাজ করবে ও ভোটকেন্দ্রে বেশী ভোটারদের উপস্থিতি বাড়বে। এছাড়াও বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দল থেকে কড়া কোন সিদ্ধান্তের কথাও বলেননি দলের সভাপতি।

    তারা বলেন, আমাদেরকে তৃণমুলের লোকজন চাইছে তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট করার জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়ন তুলবো। তাদের আশা নির্বাচনে জনমত নিজের পক্ষে থাকবেন বলে মনে করেন এই দুই নেতা।

    রায়হানুল হক রায়হান বলেন, তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছে ১৯৯৯ সালের উপ-নির্বাচনে রাজশাহী-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। চারঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন। তবে তিনি এক বারও দলীয় মনোনয়ন পাননি। এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে দল থেকে বাধা নেই। এছাড়াও জনগন চাইছেন আমি ভোটে আসি। তার রিটানিং কর্মকর্তার কাছ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করিছি।

    অপরদিকে, ফেসবুক লাইভে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আহসানুল হক মাসুদ। তিনি বলেন, রাজশাহী-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য যা যা প্রক্রিয়া করার দরকার সবই আমি করেছি। আর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই আমি নির্বাচন করতে প্রার্থী হয়েছি। কারণ ভোট হতে হবে প্রতিযোগিতামূলক এবং গ্রহণযোগ্যতামূলক। প্রার্থী যত বেশি হবে ভোটারও ভোট দিতে ভোট কেন্দ্রে আগ্রহের সাথে আসবে। তাই আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশনা ফলো করেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট করতেই প্রার্থীতা ঘোষণা করেছি। পুঠিয়া-দূর্গাপুরের জনগণ আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। আমি শতভাগ আশা করি জনগণের ভোটের মাধ্যমে আমি জয়লাভ করবো।

    রাজশাহীর ছয়টি আসনে এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ৪৭ জন। রোববার দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ। এতে রাজশাহীর ছয়টি আসনে দলীয় মনোনয়ন পান রাজশাহী-১ আসনে টানা তিনবারের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-২ নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, রাজশাহী-৩ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, রাজশাহী-৪ আসনে তাহেরপুর পৌরসভার তিনবারের মেয়র অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী-৫ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা এবং রাজশাহী-৬ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

    ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর, বাছাই ১-৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও শুনানি ৬-১৫ ডিসেম্বর এবং ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারী।

    মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী, রাজশাহী।

  • পাইকগাছায় শিবসার উপকূলে হাজারো পূণ্যার্থীদের আগমনে রাস উৎসব অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় শিবসার উপকূলে হাজারো পূণ্যার্থীদের আগমনে রাস উৎসব অনুষ্ঠিত

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা।।
    পাইকগাছা উপজেলা সদরে শিবসার অববাহিকায় শিববাটিস্থ রাস মন্দিরে হাজারো পূণ্যার্থীদের আগমনে ” শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণের রাস যাত্রা রাস পূর্ণিমার পূণ্য স্নান ” অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে শিববাটি রাস মন্দির অঙ্গণে পাইকগাছা পৌরসভাস্থ উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা মন্দির সরল কালীবাড়ী, বাতিখালী হরিতলা পূজা মন্দির, বাজার সার্বজনীন পূজা মন্দির, শিববাটি পূজা মন্দির, শিববাটি পূর্বপাড়া পূজা মন্দির ও সরল গোপালপুর দাশপাড়া পূজা মন্দিরের যৌথ উদ্যোগে শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণের রাস যাত্রা রাস পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে রাস মেলা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সন্তোষ কুমার সরদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আরিফুজ্জামান। উদ্বোধক ছিলেন,
    বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উপজেলা সভাপতি সমীরণ কুমার সাধু।
    বিশেষ অতিথি ছিলেন, হিন্দু বৌদ্ধ ও খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ খুলনা জেলা শাখার সহ-সভাপতি এ্যাড.অজিত কুমার মন্ডল, প্যানেল মেয়র শেখ মাহবুবর রহমান রঞ্জু, এস এম তৈয়বুর রহমান ও কবিতা রাণী দাশ, কাউন্সিলর আসমা আহম্মেদ‌।
    রাসমেলা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিরেন্দ্রনাথ সানা ও জেলা পূজা পরিষদের সদস্য মৃত্যুঞ্জয় সরদার এর সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন, উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা মন্দির সরল কালীবাড়ির সভাপতি সুরঞ্জন চক্রবর্তী, হরিতলা মন্দিরের সেক্রেটারি প্রমথ সানা, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি মোসলেম উদ্দিন, রামকৃষ্ণ মিশনের সেক্রেটারি মৃনাল কান্তি সানা,
    অখিল মন্ডল, সুভাষ মন্ডল, সুজন কুমার সানা, জগদীশ রায়, প্রধান শিক্ষক অনিতা মন্ডল, মুকন্দবিহারী মন্ডল, নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল, অজিত মন্ডল,
    কোমল মন্ডল, মৃনাল সানা, দিপক সরদার, বিভূতি সানা, উজ্জ্বল বিশ্বাস,
    প্রশান্ত মন্ডল, তরুণ মন্ডল, শ্যামসুন্দর মন্ডল, বিরাজ সানা, রঞ্জন মন্ডল, উদয় মন্ডল, দিপক সরদার, দিলীপ মন্ডল, বিক্রম সানা, বিপ্লব রায় প্রমুখ। শ্যামসুন্দর মূখার্জী ও সুব্রত ব্যানার্জী পৌরোহিত্যে সকাল ৭ টায় শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণেরর পূজা, ৮ টায় অঞ্জলি, সাড়ে ৯ টায় শিববাটি মন্দির সম্মুখস্থ শিবসা নদীর উপকূলে পূণ্যস্নান এবং স্নানান্তে প্রসাদ বিতরণেরর মধ্য দিয়ে রাস উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। এছাড়া কপিলমুনি, লতা, দেলুটি, সোলাদানা ও লস্কর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে রাস উৎসবের আয়োজন করা হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • রাজশাহী ৩টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হবার ঘোষণা চার নেতার

    রাজশাহী ৩টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হবার ঘোষণা চার নেতার

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ

    রাজশাহীতে মনোনয়ন বঞ্চিত আওয়ামী লীগের চার নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হবার ঘোষণা দিয়েছেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ভোটের মাঠে লড়ার ঘোষণা দেয়া নেতারা হলেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক এমপি রায়হানুল হক রায়হান। তিনি রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসন থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সাথে ভোটে লড়তে চান এই প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা। এছাড়াও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান আখতার এবং তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম রাব্বানী বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। নৌকার মনোনয়ন বঞ্চিত এই দুই আওয়ামী লীগ নেতা রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসন থেকে নির্বাচন করবেন। এ আসনে টানা পঞ্চম বারের মতো নৌকার প্রার্থী হয়েছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি। এদের মধ্যে আখতারুজ্জামান আখতার গেলো রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ভোট করেছিলেন। তবে সামান্য কিছু ভোটের ব্যবধানে তিনি নৌকার মনোনিত প্রার্থী মীর ইকবালের কাছে পরাজিত হন।

    অপরদিকে, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ এবার বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসন থেকে নির্বাচন করবেন। ওই আসনে এবার নৌকার প্রার্থী হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা। গত ২৭ নভেম্বর সোমবার এই চার নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    আখতারুজ্জামান আখতার এবং গোলাম রাব্বানী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা গত ২৬ নভেম্বর রোববার গণভবনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। সেখানে তিনি বিদ্রেহী প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিধি নিষেধ দেননি। বরং তিনি বলেছেন, এবার ভোটকে উৎসব মুখর করতে। তাই নির্বাচনে বেশী প্রার্থী হলে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দিপনা কাজ করবে ও ভোটকেন্দ্রে বেশী ভোটারদের উপস্থিতি বাড়বে। এছাড়াও বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দল থেকে কড়া কোন সিদ্ধান্তের কথাও বলেননি দলের সভাপতি।

    তারা বলেন, তাদেরকে তৃণমুলের লোকজন চাইছে তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট করার জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে তারা মনোনয়ন তুলবেন। তাদের আশা নির্বাচনে জনমত তাদের নিজের পক্ষে থাকবে বলে মনে করেন এই দুই নেতা।এদিকে রায়হানুল হক রায়হান বলেন, তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছে ১৯৯৯ সালের উপ-নির্বাচনে রাজশাহী-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। চারঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন। তবে তিনি এক বারও দলীয় মনোনয়ন পাননি। এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে দল থেকে বাধা নেই। এছাড়াও জনগন চাইছেন তিনি যেনো ভোটে আসেন। তাই রিটানিং কর্মকর্তার কাছ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

    অপরদিকে, ফেসবুক লাইভে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আহসানুল হক মাসুদ। তিনি বলেন, রাজশাহী-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য যা যা প্রক্রিয়া করার দরকার সবই তিনি করেছেন। আর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই তিনি নির্বাচন করতে প্রার্থী হয়েছেন। কারণ ভোট হতে হবে প্রতিযোগিতামূলক এবং গ্রহণযোগ্যতামূলক। প্রার্থী যত বেশি হবে ভোটারও ভোট দিতে ভোট কেন্দ্রে আগ্রহের সঙ্গে আসবে। তাই তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশনা ফলো করেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট করতেই প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন। পুঠিয়া-দূর্গাপুরের জনগণ তাকে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন। তিনি শতভাগ আশা করেন জনগণের ভোটের মাধ্যমে তিনি জয়লাভ করবেন।

    রাজশাহীর ছয়টি আসনে এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ৪৭ জন। রোববার দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ। এতে রাজশাহীর ছয়টি আসনে দলীয় মনোনয়ন পান রাজশাহী-১ আসনে টানা তিনবারের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-২ নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, রাজশাহী-৩ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, রাজশাহী-৪ আসনে তাহেরপুর পৌরসভার তিনবারের মেয়র অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী-৫ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা এবং রাজশাহী-৬ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর, বাছাই ১-৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও শুনানি ৬-১৫ ডিসেম্বর এবং ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারী।

    এদিকে স্থানীয় নেতা, কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজশাহী-১ আসনে কর্মী-জনবান্ধব, আদর্শিক ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর পক্ষে যেই জনসমর্থন ও প্রবল জনশ্রোত রয়েছে। সেই জনশ্রোতের বিপরীতে স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করার মতো সামর্থ্যে নাই স্থানীয় কোনো নেতৃত্বের। #

  • গৌরনদীতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ

    গৌরনদীতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল ১ আসন গৌরনদী–আগৈলঝাড়া আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র পক্ষে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু আবদুল্লাহ খান এর কাছ থেকে সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মোঃ হারিছুর রহমান হারিছ।এসময় উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বরিশাল জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী,গৌরনদী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এইচ এম জয়নাল আবেদীন,গৌরনদী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নুরুজ্জামান ফরহাদ মুন্সি,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ মনির হোসেন মিয়া, সাধারন সম্পাদক আতিকুর রহমান শামিম, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মোঃ আনিসুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি জুবায়ের ইসলাম সান্টু ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক ও গৌরনদী প্রেসক্লাব সভাপতি লুৎফর রহমান দ্বিপ সহ উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।