Blog

  • টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক-১

    টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক-১

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন নয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ
    এক মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাব-১৫ এর সদস্যরা।

    আটককৃত মাদক কারবারী হলেন, টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড
    কান্জর পাড়া (লুৎফর রহমানের বাড়ী) এর মৃত শাহাবুদ্দীনের ছেলে মোঃ আরিফুল ইসলাম (২০)।

    কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া)
    মোঃ আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান,শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) ৫ টার দিকে র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ থানাধীন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় কতিপয় ব্যক্তি অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয় অথবা অন্যত্র প্রেরণের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
    এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, সিপিসি-২ হোয়াইক্যং ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কৌশলে পালানোর চেষ্টাকালে আরিফ নামে এক মাদক কারবারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত মাদক কারবারীর দেহ ও সাথে থাকা শপিং ব্যাগ তল্লাশী করে তার হেফাজত থেকে সর্বমোট ৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আরিফ দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত এবং অদ্য মাদক বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বর্ণিত এলাকায় অবস্থান করছিল। সে আর্থিক লাভের জন্য সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য ইয়াবা সংগ্রহ করে এবং টেকনাফসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে অন্যান্য মাদক কারবারী ও মাদক সেবনকারীদের নিকট বেশী দামে ইয়াবাগুলো বিক্রয় করে থাকে বলে জানায়।

    তিনি আরো জানান, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ আটককৃত মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • সুন্দরগঞ্জে ইনসাফ আলী সরকার আদর্শ মডেল স্কুল এণ্ড মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ

    সুন্দরগঞ্জে ইনসাফ আলী সরকার আদর্শ মডেল স্কুল এণ্ড মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ

    গাইবান্ধা থেকেঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ডোমেরহাট ইনসাফ আলী সরকার আদর্শ মডেল স্কুল এণ্ড মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে এ উপলক্ষে উক্ত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ রওশন আলম সরকার সন্জুর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, সুন্দরগঞ্জ ডিড রাইটার সরকারি কলেজের প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান পাভেল, আব্দুর রউফ, সাংবাদিক আনিসুর রহমান আগুন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রেজাউল করিম সরকার মন্জু, উপাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান মিজান, শিক্ষক মাসুদ রানা, আলমগীর হোসেন খাঁন প্রমূখ। আলোচনা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন নয়া কাজী।

  • বাবার কবর জিয়ারতের মধ্যদিয়ে দলীয়  নেতা কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করলেন সুনামগঞ্জ প্রার্থী হিমেল

    বাবার কবর জিয়ারতের মধ্যদিয়ে দলীয়  নেতা কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করলেন সুনামগঞ্জ প্রার্থী হিমেল

    হারুন অর রশিদ,

    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় বাবার কবর জিয়ারতের মধ্যদিয়ে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে মত বিনিময় করলেন সুনামগঞ্জ ৫ ছাতক দোয়ারাবাজার আসনের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী এডভোকেট নাজমুল হুদা হিমেল।

    শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) জুম্মা নামাজের পর দোয়ারাবাজার মুরাদপুর কবর স্থানে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মজিদ মাস্টারের কবর জিয়ারত করেন তিনি। এই সময় সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় জাতীয় পাটির মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট নাজমুল হুদা হিমেল বলেন, ১৯৯১ সালে আমার বাবা মরহুম এডভোকেট আব্দুল মজিদকে ছাতক দোয়ারাবাজার থেকে আপনারা নির্বাচিত করেছেন। আমিও আমার বাবার মতো আপনাদের ভালো বাসা চাই আশা করি আপনারা আমাকে ভালো বাসা থেকে বঞ্চিত করবেন না, আমি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হলে আমার বাবার অসমাপ্ত কাজ গুলো সম্পুর্ন করার জন্য আপনাদের সহযোগিতা চাই। এসয় উপস্হিত ছিলেন দোয়ারাবাজার উপজেলা  জাতীয় পাটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক নুর হোসেন মোঃ আব্দুল্লাহ, উপজেলা জাপা নেতা আবুল কালাম, সিরাজ মিয়া, মুজিবুর রহমান, একলাছ মিয়া, আব্দুল জলিল, মোহাম্মদ আলী মিলন, সফিক মিয়া, আমির হোসেন, ইকবাল হোসেন বুলু, জামাল উদ্দিন, আমজত আলী, 

     জেলা জাতীয় পাটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ জাহির আলী, জেলা জাতীয় পাটির প্রচার সম্পাদক গোলাম হোসেন অভি, জেলা ছাত্র সমাজের সাবেক সভাপতি এমদাদুল হক দিলরব, এডভোকেট শাহ আলম  তুলিপ,জেলা ছাত্র সমাজের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম, বিশ্বম্ভপুর  নেতা ফরিদ আহমেদ প্রমুখ।

  • কোম্পানিগঞ্জে রুচিসম্মত আঙ্গিকে আল সৌদিয়া রেস্তোরাঁর শুভ উদ্বোধন

    কোম্পানিগঞ্জে রুচিসম্মত আঙ্গিকে আল সৌদিয়া রেস্তোরাঁর শুভ উদ্বোধন

    কুমিল্লা থেকে, মোঃ তরিকুল ইসলাম তরুন,

    কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানিগঞ্জ বাস স্টেন্ড সংলগ্ন
    আনন্দ মুখর পরিবেশে রুচিসম্মত খাবারের আঙ্গিকে আল সৌদিয়া রেস্তোরাঁর নতুনত্ব খাবার পরিবেশনের অঙ্গিকারে শুক্রবার সকাল ১০ টায় স্থানীয় চেয়ারম্যান ভিপি জাকির হোসেন প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে শুভ উদ্বোধন করেন।
    এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী আবুল খায়ের, বনিক সমিতির সভাপতি বাবু চন্দন বনিক,সমাজ সেবক সেলিম মেম্বার, খোরশেদ আলম,সংবাদ কর্মী আবু ইউনুস মিয়া,ভোরের ক্গজের প্রতিনিধি রায় চৌধুরী, ব্যাবসায়ী মামুন মিয়া, এসময় বক্তব্য রাখেন

    আল সৌদিয়া রেস্তোরাঁর স্বাধিকার মোঃ ফরিদ উদ্দিন ও তার ছেলে মোঃ জালাল উদ্দীন, ফারুকুল ইসলাম ।

    উপস্থিত ছিলেন স্বত্বাধিকার
    মোঃজালাল উদ্দীনের ভাই মোঃ আক্তার হোসেন,আশিকুর রহমান, মোঃহেলাল উদ্দিন সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ।

    ফিতা কাটার পূর্বে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত, মিলাদ ও দোয়া শেষে উপস্থিত মেহমান দের মাঝে তাবারক বিতরন হয়।
    অনুষ্ঠানে স্বত্বাধিকার জালাল উদ্দীন বলেন কোম্পানিগঞ্জে হোটেল ব্যাবসায় আরো একধাপ এগিয়ে আল সৌদিয়া রেস্তোরাঁ নিয়ে এলো কাস্টমার দের জন্য বিভিন্ন নিত্যু নতুন রেসিপির খানা,পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও মানসম্মত রুচিশীল খানা।বাসি নয় তাজাই আমাদের দৈনন্দিন রান্না এই আঙ্গিকে চলবে হোটেল সেবা।

  • ডিসেম্বরের শুরুর কৌশল: বিশ্ব জানুক মুক্তিবাহিনী যুদ্ধ করেছে-এমপি দুদু

    ডিসেম্বরের শুরুর কৌশল: বিশ্ব জানুক মুক্তিবাহিনী যুদ্ধ করেছে-এমপি দুদু

    নিরেন দাস। ।
    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত জয়পুুরহাট-১ আসনের টানা তিনবারের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাড. সামছুল আলম দুদু-এমপি তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে মহান মুক্তিযোদ্ধার ইতিহাস তুলেধরে বলেছেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালো রাতের পর থেকে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, ডিসেম্বরে তা নতুন মাত্রা লাভ করে।

    নভেম্বরের প্রথম দিকে বিবিসি’র এক খবরে বলা হয়েছিল—ঢাকা শহর ঘিরে রেখেছে আট হাজার মুক্তিবাহিনী। তারা বিচ্ছিন্ন ভাবে ঘেরাও তৎপরতা চালাচ্ছে। কিন্তু যেকোনও সময় একসঙ্গে শহরের প্রবেশ করবে। গেরিলা নীতিতে বেছে নিতে হয় শত্রুর দুর্বলতম অংশ। সে ক্ষেত্রে শত্রুর সবচেয়ে বড় ঘাঁটি রাজধানী শেষ লক্ষ্যস্থল হওয়ার কথা। কিন্তু ঢাকা শহরে যেসব আক্রমণ চালানো হয়—তার উদ্দেশ্য সামরিক কৌশলগত আধিপত্য ছিল না, উদ্দেশ্যটা ছিল মূলত বিশ্বকে জানিয়ে দেওয়া, মুক্তিবাহিনী যুদ্ধ করছে এবং সহজেই আঘাত হানছে।

    ১৯৭২ সালে তৎকালীন দৈনিক বাংলা পত্রিকায় মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত চৌধুরীর লেখা কলামে এসব তথ্য উঠে আসে। তিনি লিখেছেন, ‘এ সম্পর্কে খুব স্পষ্ট করে বলেছিলেন অধিনায়ক। শহরে যুদ্ধের প্রয়োজন নেই। শত্রুকে শুধু জানিয়ে দাও—তোমরা আছো। দুই নম্বর সেক্টর এবং কে ফোর্সের অধিনায়ক কর্নেল খালেদ মোশাররফ সবসময় বলতেন গেরিলাদের উদ্দেশ্য নিয়ে। একাত্তরের সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে ঢাকার কয়েকটি দুঃসাহসিক গেরিলা প্লাটুনকে প্রত্যাহার করা হয়। কারণ, এদের কিছু যোদ্ধা ধরা পড়েন শত্রুর হাতে। তখন কর্নেল খালেদ বলেছিলেন, কাউ-বয় অ্যাডভেঞ্চার গেরিলা যুদ্ধ নয়, গেরিলা যুদ্ধ দেখাবার জন্য নয়।’

    আবার এসেছে সেই বিজয়ের মাস। বাংলাদেশের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ ঘটনা হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং তার মাধ্যমে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বপ্ন পূরণ হয় এ মাসে। ৩০ লাখ শহীদ আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার স্বাক্ষর বিজয়ের মাস নানান অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে।

    ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের শুরু থেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণ, আর ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর জল-স্থল আর আকাশপথে সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের সংবাদ চারদিক থেকে আসতে থাকে।

    ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। সেখানেই পরাজয়ের দলিলে সই করেন পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজী। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।

    মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, কীভাবে তারা সেই সময় মনোবল ধরে রেখেছিলেন এবং যুদ্ধের গতি বলছিল—আর বেশি দিন নেই, জয় সুনিশ্চিত। আসলেই কি তেমন ছিল পরিস্থিতি? জানতে চাইলে তারা বলছেন, ততদিনে স্পষ্ট যে ভারত যুক্ত হতে চলেছে। আমরা খোঁজ পাচ্ছিলাম। যুদ্ধের সময়জুড়ে বাংলাদেশকে ভারতের স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে যে আলাপ, সেটি এই মাসে এসে পূরণ হতে যাচ্ছে—সেই আভাসও ছিল বাতাসে। একইসঙ্গে বর্তমান সংকট নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা হতে পারে, এমন কথা বলছিলেন বিশ্বনেতারা।

    শাহাদাত চৌধুরী লেখেন, ‘নভেম্বর মাস থেকেই ঢাকাকে ঘিরে গেরিলারা তৎপরতা বৃদ্ধি করে। মানিক গ্রুপ সাভার অঞ্চলে আর এদিকে মানে ঢাকায় ক্র্যাকরা।’ তিনি পরিস্থিতির বিবরণ করতে গিয়ে লিখেছেন, ‘পুরো রূপগঞ্জ থানা তখন গেরিলা ক্যাম্পে পরিণত হয়েছে। শীতলক্ষ্যার পার ধরে মিলগুলো ছিল আর্মি বাংকার। তারা গেরিলা আক্রমণে আস্তে আস্তে কেটে পড়ে।’

    সে সময় লন্ডনে বসে যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ ও জনমত গঠনে কাজ করেছেন দেশের বেশ কিছু প্রগতিশীল অ্যাক্টিভিস্ট ও পেশাজীবী। তখন মূল কাজ ছিল বিশ্বকে জানিয়ে দেওয়া—কী ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধ চলছে বাংলাদেশে। এই জনমত গঠনের কাজে জড়িতদের অন্যতম ছিলেন বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। ডিসেম্বরের শুরুতে কী মনে হয়েছিল প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তখন বিশ্ব রাজনীতি স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। ১৯৭১ সালের নভেম্বরে ইন্দিরা গান্ধী গেলেন লন্ডনে। সেখানে ভারতীয় ও বাঙালি মিলে কয়েক হাজার লোকের একটি সমাবেশের আয়োজন হয়েছিল। আমরা দূরে ছিলাম বটে, কিন্তু ডিসেম্বরে এসে বিশ্ব ঐকমত্য গঠনের কাজটি অনেক জরুরি ছিল। বিশ্ব মিডিয়া টাইমস, টেলিগ্রাফ, হেরাল্ড ট্রিবিউন, বিবিসিতে প্রকাশিত তথ্যাদি নিশ্চিত করছিল—মুক্তিযোদ্ধারা দেশে ঢুকে পড়েছে, একটার পর একটা অঞ্চল শত্রুমুক্ত করতে শুরু করেছে।

    লেখক: আলহাজ্ব এ্যাড.সামছুল আলম দুদু এমপি, (জয়পুুরহাট-১ আসনের সাংসদ) রাজনীতিক ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য।

  • ট্রান্সফরমারসহ জয়পুুরহাটে ১৬ চোর আ*টক”অভিযান চলমান থাকবে

    ট্রান্সফরমারসহ জয়পুুরহাটে ১৬ চোর আ*টক”অভিযান চলমান থাকবে

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    জয়পুরহাটে চোরাই ট্রান্সফরমারসহ ১৬ চোরকে আটক করেছে জয়পুুরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবিপুলিশ)।
    বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে জয়পুরহাট পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সন্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নুরে আলম এ তথ্য জানান,এবং তিনি বলেন বেশ কিছুদিন যাবৎ জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাট সদর, পাঁচবিবি, আক্কেলপুর, কালাই, ক্ষেতলাল থানা এলাকার বিভিন্ন ডিপ টিউবয়েলের বৈদ্যুতিক মিটার ও ট্রান্সফর্মার চুরি করে উক্ত মিটার মালিকের নিকট ট্রান্সফরমার ফেরত দেওয়ার কথা বলে বিকাশ/ নগদ একাউন্টের মাধ্যমে টাকা দাবী করতো। টাকা পেলে চোরাই মিটার/ ট্রান্সফর্মার কৌশলে সংশ্লিষ্ট ডিপ টিউবয়েল এলাকার আশেপাশে রেখে দিয়ে মালিককে অবগত করত তারা।

    এরকম একাধিক অভিযোগে জয়পুরহাট জেলায় প্রতিটি থানায় মামলা রুজু হয়। মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশের টিম এবং ডিবি, জয়পুরহাট-এর একটি চৌকশ টিমসহ জয়পুরহাট, বগুড়া, গাইবান্ধা, দিনাজপুর সীমানায় তথ্য প্রযুক্তি ও সোর্সের দেওয়া তথ্যের সহায়তায় ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িতদের সনাক্তপূর্বক অভিযান পরিচালনা করে আসামীদের আটক করা হয়।

    আটককৃত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মিটার/ ট্রান্সফরমার চুরি, ছিনতাই, চুরিসহ একাধিক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

    আটককৃতরা হলেন, গাইবান্ধা জেলার ধাওয়াচিলা শাইলট্রি মৃত নছির উদ্দিনের ছেলে আঃ রশিদ (৪৪), জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বেড়াখাই গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে মাহফুজ (৪২), আটুল গ্রামের লোকমানের ছেলে লাভলু, কুয়াতপুর গ্রামের মোজাফ্ফর মন্ডলের ছেলে মোসাদ্দেক মন্ডল, একই গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে আহসান হাবিব,উচাই গ্রামের মৃত হুজুর আলীর ছেল খানু ফকির, সরাইল গ্রামের মোখছেদের ছেলে সাইদুর, পেয়ারা গ্রামের আমির হামজার ছেলে রাব্বি হাসান, ক্ষেতলাল উপজেলার রামপরা চৌধুরী পাড়ার মনির উদ্দিনের ছেলে তুহিন মন্ডল,আক্কেলপুর উপজেলার পারইল গ্রামের আসিদুলের ছেলে রায়হান কাজী, কালাই উপজেলার মহেষপুর গ্রামের আঃ করিম মন্ডলের ছেলে কাওসার রহমান, বেগুনগ্রামের সহিদুল ইসলাম এর ছেলে সোহাগ মন্ডল, আকলাপাড়া গ্রামের আঃ মন্ডলের ছেলে মেসবাউল ইসলাম, হাজিপুর সরকারপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে ছানোয়ার হোসেন, সিকটা মাদ্রাসাপাড়ার সেকেন্দার আলীর ছেলে খোরশেদ আলম ধলু ও নওগাঁ জেলার সদর উপজেলার নদীকুল চৌধুরী পাড়া এলাকার সাত্তার আলী দেওয়ানের ছেলে জালাল হোসেন।

    অনুষ্ঠিত সংবাদ সন্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মামুন খান চিশতি, জেলা গোয়েন্দা শাখা(ডিবিপুলিশের) অফিসার্স ইনচার্জ সাহেদ আল মামুন, উপপরিদর্শক জাহাঙ্গীর হোসেন, মিজানুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

    জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম সংবাদ সম্মেলনে আরও জানান, ট্রান্সফরমার চুরি একটা জঘন্য অপরাধ এর সাথে যারাই যুক্ত তাদের আটক করা হবে। তিনি বলেন,কৃষকদের কথা চিন্তা করেই পুলিশ ট্রান্সফরমার চোরদের ধরার বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিয়ে দিনরাত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে এমনকি এ অভিযান চলমান থাকবে।

  • নোয়াখালী ২ আসনে ১১ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র দাখিল

    নোয়াখালী ২ আসনে ১১ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র দাখিল

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিনে,সংসদীয় আসন ২৬৯,নোয়াখালী ২ (সেনবাগ -সোনাইমুড়ী, আংশিক) হইতে ৩০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১১ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।মনোনয়ন পত্র দাখিলকৃতরা হচ্ছেন,
    বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোরশেদ আলম,স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিক (সিআইপি), জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ সভাপতি আতাউর রহমান ভুঁইয়া মানিক,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক
    সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর টিপু,কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি শিহাব উদ্দিন শিহাব,সেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন বাবর ও আবদুস সাত্তার।অপরদিকে
    জাতীয় পার্টি হতে এম তালেবুজ্জামান,জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ ( ইনু’) র হতে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নাইমুল আহসান জুয়েল, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট মনোনীত আবুল কালাম আজাদ,কল্যান পার্টির কাজী সারোয়ার আলম।এদের মধ্যে আতাউর রহমান ভুঁইয়া মানিক, শিহাব উদ্দিন শিহাব ও আবুল কালাম আজাদ জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা দেওয়ান মাহবুবুর রহমানের কার্যালয়ে এবং বাকীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জিসান বিন মাজেদের কার্যালয়ে তাদের নিজ নিজ মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। উল্লেখ্য,আগামী ৩ ডিসেম্বর রবিবার,বিকাল ৩টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।

  • ঢাকা-১৯ থেকে (বিএনএম) এর এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সাইফুল ইসলাম

    ঢাকা-১৯ থেকে (বিএনএম) এর এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সাইফুল ইসলাম

    বিশেষ প্রতিনিধি-হেলাল শেখঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এর মনোনীত এমপি প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
    বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর ২০২৩ইং) দুপুর ২ টার দিকে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই মনোনয়পত্র জমা দেন মোঃ সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া। তিনি জাতীয় পার্টির সাভার উপজেলা কমিটির সাবেক সভাপতি ও আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার এবং বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।
    বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ঢাকা-১৯ আসনটিতে আমার জন্মস্থান। এই আসনে (বিএনএম) দল থেকে আমাকে এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছেন। এরই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে আমি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। গণতন্ত্র রক্ষা করতে নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, আমি বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী, আমি সেবক হিসেবে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চাই। তিনি দাবী করেন যে, আমি আগে থেকেই এলাকার জনগণের সেবায় কাজ করে আসছি, আমি সবার কাছে দোয়া চাই। উক্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যববসায়ী মোঃ মাজাহারুল ইসলাম, মোঃ সোলাইমান, সালাউদ্দিনসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।
    উক্ত ঢাকা-১৯ আসনের এমপি প্রার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জামগড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ভুঁইয়া’র সুযোগ্য সন্তান। তিনি আশুলিয়ার গাজিরচট হাই স্কুলের ম্যানিজিং কমিটির সদস্য, তিনি বাংলাদেশ কৃষকলীগের আশুলিয়া থানা শাখার সাবেক সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও ২০০০ সালের পূর্বে জাতীয় পার্টির সাভার উপজেলা কমিটির সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৬৭ সাল থেকে রাজনীতির সাথে সক্রিয় ভাবে রয়েছেন। তিনি আরো বিভিন্ন সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে মানুষকে সেবা করে আসছেন।

  • ময়মনসিংহে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন  বিএনপির সাবেক দুই এমপি

    ময়মনসিংহে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিএনপির সাবেক দুই এমপি

    ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

    ময়মনসিংহ: বহু জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বিএনপির ময়মনসিংহের সাবেক দুই সংসদ সদস্য (এমপি)। এ খবরে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।

    সাবেক ওই দুই সংসদ সদস্যরা হলেন, ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি দেলোয়ার হোসেন খান দুলু, আরেকজন ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) সংসদীয় আসনের সাবেক এমপি ও বিএনপির বর্তমান জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহ্ শহীদ সারোয়ার।

    বুধবার (২৯ নভেম্বর) রাতে সাংবাদিকদের কে এ তথ‍্য নিশ্চিত করেছেন দেলোয়ার হোসেন খান দুলু এবং শাহ্ শহীদ সারোয়ারের ছোট ভাই অ‍্যাডভোকেট ফরহাদ।

    এর আগে অতি গোপনীয়তায় এদিন বিকেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের সাবেক জনপ্রিয় সাংসদ দেলোয়ার হোসেন খান দুলু।

    অপরদিকে, ফুলপুর-তারাকান্দা আসনের সাবেক শাহ্ শহীদ সারোয়ারের পক্ষে বুধবার বিকেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন তার ব‍্যক্তিগত সহকারী মো. সুমন মিয়া।

    জানা গেছে, ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে ২০০১ সালে বিএনপির দলীয় এমপি হয়েছিলেন দেলোয়ার হোসেন খান দুলু। তার সময়ে ময়মনসিংহ-৪ আসনে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হওয়ায় সাধারণ মানুষ আজো তাকে স্মরণ রেখেছে। তবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য দুলু এক-এগারোর সংস্কারপন্থী হিসেবে দল থেকে ছিটকে পড়েন। এপর থেকে বিএনপিতে এই নেতার কোনো পদ নেই।

    দেলোয়ার হোসেন খান দুলু বলেন, সংস্কারপন্থী হিসেবে গত ১৫ বছর বিএনপি আমাকে দলে রাখেনি। কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য থাকলেও ২০০৯ সালে সেখান থেকে বাদ দেওয়া হয়। বর্তমানে দলের কোনো সদস্য পদেও নেই। সাধারণ মানুষ যারা আমাকে পছন্দ করেন, তাদের ওপর নির্ভর করে প্রার্থী হয়েছি। সঠিকভাবে ভোট হলে আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

    এদিকে, বিএনপি নেতা ও সাবেক এমপি সারোয়ার এদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নিজস্ব লোক পাঠিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থিতার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম সাজ্জাদুল হাসান।

    জানা যায়, শাহ্ শহীদ সারোয়ার বিএনপির দলীয় প্রতীক নিয়ে ২০০১ সালে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর ২০০৮ ও ২০১৮ সালেও দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। প্রার্থী হওয়ার বিষয় নিয়ে শাহ্ শহীদ সারোয়ারের মোবাইলফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়ায় কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    শাহ্ শহীদ সারোয়ার একসময় জাতীয় পার্টির (জাপা) রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

  • খুলনা-৬(পাইকগাছা-কয়রা) আসনে রশীদুজ্জামান মনোনয়ন পাওয়ায় পাইকগাছা কয়রার গনমানুষের ভালোবাসায় সিক্ত

    খুলনা-৬(পাইকগাছা-কয়রা) আসনে রশীদুজ্জামান মনোনয়ন পাওয়ায় পাইকগাছা কয়রার গনমানুষের ভালোবাসায় সিক্ত

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা(খুলনা)॥
    খুলনা-৬ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাওয়ায় মোঃ রশীদুজ্জামানকে পাইকগাছ-কয়রার গনমানুষের পক্ষ থেকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। সংসদীয় এ আসনের প্রবেশদ্বার পাইকগাছা শাপলা চত্বরে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার হাজার হাজার নেতাকর্মী তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। এসময় সেখানে নৌকা মার্কার এ প্রার্থীর পক্ষে এক ঐতিহাসিক গণ জাগরণ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত নেতাকর্মীদের ভিড়ে সেখানে এক উৎসব মূখর পরিবেশ তৈরী হয়। সেখান থেকে কপিলমুনি জাফর আওলীয়া মাজার ও কালী মন্দিরে গিয়ে দোয়া প্রার্থনা করেন।পরে শত শত নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মটর সাইকেল শোভাযাত্রা করেন। এ সময় পথে পথে, মোড়ে মোড়ে দলীয় নেতাকর্মী ও কর্মী সমর্থকদের পক্ষ থেকে রশীদুজ্জামানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।তিনি দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন । উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু’র স ালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সমীরণ সাধু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, জেলা আওয়ামী লীগনেতা খায়রুল আলম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, জেলা পরিষদ সদস্য নাহার আক্তার, ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাদা মোঃ আবু ইলিয়াস, কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন, কওছার আলী জোয়াদ্দার, আবুল কালাম আজাদ, কাজল কান্তি বিশ্বাস, রিপন কুমার মন্ডল, আব্দুল মান্নান গাজী, শেখ জিয়াদুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ গোলদার, নির্মল মন্ডল, আওয়ামী লীগনেতা হেমেশ চন্দ্র মন্ডল, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, বিজন বিহারী সরকার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি পারভেজ হাওলাদার, অধ্যক্ষ শিমুল বিল্লাহ, জেলা ছাত্রলীগনেতা মৃণাল কান্তি বাছাড় ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পার্থ প্রতিম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।সভায় আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামান মোড়ল।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।