Blog

  • পাবনা-২ আসনে নৌকার প্রার্থী আহমেদ ফিরোজ কবিরের মনোনয়নপত্র দাখিল

    পাবনা-২ আসনে নৌকার প্রার্থী আহমেদ ফিরোজ কবিরের মনোনয়নপত্র দাখিল

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনা-২(সুজানগর উপজেলা-বেড়া আংশিক) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবিরের পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে । বৃহস্পতিবার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের নিকট আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আহমেদ ফিরোজ কবিরের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাদারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন। এ সময় এ্যাডভোকেট শাহজাহান আলী খান, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। মনোনয়নপত্র দাখিল পরবর্তীতে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আহমেদ ফিরোজ কবির সাংবাদিকদের জানান, আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে পুনরায় দলীয় মনোনয়ন প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রী ও দলের প্রতি কৃতজ্ঞ। বিগত ৫ বছর সংসদ সদস্য হিসেবে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নকরাসহ অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি। মনোনয়ন নিয়ে আসার পরে পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার জনগণ আমাকে যে ভালবাসা দিয়েছে এতে আমি শতভাগ আশাবাদী বিপুল ভোটের মাধ্যমে জয়লভ করবো ইনশআল্লাহ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি।।

  • পাবনা-২ আসনে তরিকত ফেডারেশন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

    পাবনা-২ আসনে তরিকত ফেডারেশন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনা-২(সুজানগর উপজেলা-বেড়া আংশিক) আসনে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন মনোনীত প্রার্থী মো.মমিনুল ইসলাম মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বৃহস্পতিবার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের নিকট তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এ সময় জেলার যুগ্ন সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। মনোনয়নপত্র দাখিল পরবর্তীতে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন মনোনীত প্রার্থী মো.মমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ ভোট হলে এ এলাকার জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে জয়লভ করাবে ইনশআল্লাহ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি ।

  • ঝিনাইদহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নিরংকুশ বিজয়

    ঝিনাইদহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নিরংকুশ বিজয়

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ নিরংকুশ বিজয় অর্জন করেছে। ১৭টি পদের মধ্যে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪টি পদে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ জয়ী হয়েছেন। সদস্য পদের ৩টিতে কেবল বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) বার ভবনে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিএনপি ও আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের দুইটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দিতা করেন। বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে ভোট গনণা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রমোদ কুমার বিশ্বাস ফলাফল ঘোষনা করেন। নির্বাচনে ১৫৩ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের এ্যাড ইসমাইল হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বিএনপি সমির্থত প্যানেলের কাজী মোঃ একরামুল হক আলম পেয়েছেন ১২৪ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম ১৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের মোঃ আব্দুর রশিদ বিম্বাস-৪ পেয়েছেন ১৩০ ভোট। এছাড়া সহ-সভাপতি পদে আব্দুল খালেক-১, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে নজরুল ইসলাম-৩, হিসাব নিরীক্ষক পদে শাহিনুল ইসলাম, তথ্য প্রযুক্তি পদে জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, প্রমোদ সম্পাদক পদে আ.ম সোহানুর জোয়ারর্দ্দার ও ধর্মীয় সম্পাদক পদে আব্দুল মান্না-২ জয়ী হন। সদস্য পদে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের মোঃ দবির হোসেন, মোঃ রাশিদুল হাসান জাহাঙ্গীর, মোঃ শামছুজ্জামান লাকী, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের হাবিবুল্লাহ বাহার, আব্দুল মতিন, মীর আক্কাছ আলী, আসাদুজ্জামান বাবু, ওবাইদুর রহমান মিলন ও কামাল হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রমোদ কুমার বিশ্বাস শুক্রবার দুপুরে জানান, নির্বাচনে মোট ২৮৭ জন ভোটারের মধ্যে ২৮৫ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ নিরংকুশ বিজয় অর্জন করায় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ নবনির্বাচিত নির্বাহী পরিষদকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান ।।

  • পাইকগাছায় নিরাপদ সড়ক চাই এর ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    পাইকগাছায় নিরাপদ সড়ক চাই এর ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই এর সংগ্রাম সাফল্য ও গৌরবের ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সংগঠনের উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলার বাণিজ্যিক শহর কপিলমুনিতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। শুক্রবার বিকেলে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে কপিলমুনি বাজার সড়ক চত্বরে সংগঠনের উপজেলা সভাপতি এইচ এম শফিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা এস,এম,মোস্তাফিজুর রহমান পারভেজ, সিনিয়র সহ সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আব্দুল আজিজ, সিরাজুল ইসলাম, সাংবাদিক মহানন্দ অধিকারী মিন্টু,শংকর সাধু,মনিরুজ্জামান,সবুর আলআমিন, মোসলেম উদ্দিন দয়াল ,হাফিজুর রহমান,সেলিম খান,পার্থ হালদার,ইউনুস গাজী,তাহারুল ইসলাম ও মিনারুল ইসলাম। সমাবেশের শরুতেই মরহুমা জাহানারা কাঞ্চন এর রুহের মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। সমাবেশে বক্তারা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নের দাবি জানান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • রাজশাহী-১ অপ্রতিদন্দী ফারুকের প্রতিপক্ষ দুর্বল ১০ প্রার্থী

    রাজশাহী-১ অপ্রতিদন্দী ফারুকের প্রতিপক্ষ দুর্বল ১০ প্রার্থী

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ

    রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে এবার লড়বেন তিন নারীসহ ১০ প্রার্থী। এদের সবাই নতুন মুখ। এদের মধ্যে চারজন স্বতন্ত্র ও বাকিরা দলীয় প্রার্থী। চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থীই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হিসেবে ভোটের মাঠে নামছেন।

    রাজশাহী-১ ভিআইপি সংসদীয় আসন নামে পরিচিত এবার এখানে ভোটে লড়তে চান তিনবারের এমপি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুজ্জামান আখতার, গোলাম রাব্বানী, আয়েশা আখতার জাহান ডালিয়া, চিত্রনায়িকা শারমিন আক্তার নিপা মাহিয়া, বিএনএফ দলের প্রার্থী আল-সাআদ, তৃণমূল বিএনপি থেকে জামাল খান দুদু, এনপিপির প্রার্থী নুরুন্নেসা, বাংলাদেশ সাংস্কৃতি মুক্তিজোট প্রার্থী বশির আহমেদ, জাতীয় পার্টি থেকে শামসুদ্দীন মন্ডল ও বিএনএম’র প্রার্থী শামসুজ্জোহা বাবু। এদের মধ্যে আখতারুজ্জামান আখতার, গোলাম রাব্বানী, আয়েশা আখতার জাহান ডালিয়া ও চিত্রনায়িকা শারমিন আক্তার নিপা মাহিয়া মাহী স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তারা চারজনই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ও গুরুত্বপুর্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    রাজশাহী-১ ভিআইপি আসন থেকে বিএনপি-জামায়াত থেকে হেভিওয়েট প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর আগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী হেভিওয়েট নেতা প্রায়াত ব্যারিষ্টার আমিনুল হক, আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্ত্ত প্রয়াত ব্যারিষ্টার আমিনুল হক সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক থাকায় তার বড় ভাই পুলিশের সাবেক আইজিপি ড. এনামুল হক নির্বাচনে অংশ নিয়ে ওমর ফারুক চৌধুরীর কাছে পরাজিত হয়। ব্যারিষ্টার আমিনুল হক মৃত্যুর পর তার ছোট ভাই বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল (অব:) শরিফ উদ্দীন এবার নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে মাঠে অনেকটা সরব ছিলেন। এছাড়াও জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এই আসন থেকে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে থাকেন।

    তবে এবার আওয়ামী লীগ থেকে ওমর ফারুক চৌধুরী দলীয় মনোনয়ন পেলেও নিজ দলের চারজন বিদ্রোহী প্রার্থীসহ বিভিন্ন দলের ৬ জন প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। যারা সবাই নতুন মুখ হিসেবে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন।

    এদিকে

    আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আখতারুজ্জ্মান আখতার। তিনি গেলো রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনেও বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ভোট করে পরাজিত হন। এছাড়াও তিনি গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপড়া ইউনিয়ন (ইউপি) নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। অন্যদিকে গোলাম রাব্বানী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নে দুবার নির্বাচন করে দুবারই বিএনপির দুর্বল প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন। এসব বিবেচনায় এখন দেখার বিষয় এই দুজন হেভিওয়েট প্রার্থী ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে কতটা প্রতিদন্দিতা করতে পারেন।

    ওদিকে আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য আয়েশা আখতার জাহান ডালিয়াও এবার নতুন মুখ। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে এবার লড়বেন ওমর ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে। কিছুদিন আগে থেকে এলাকায় নানা ধরণের সামাজিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে নিজের অবস্থান তৈরীর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। নির্বাচনী এলাকায় এখানো তার তেমন কোনো জনপ্রিয়তা সৃষ্টি হয়নি। এমনকি দুই উপজেলার আওয়ামী লীগ বা সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল কোনো নেতাকর্মীকেও তার সঙ্গে দেখা যায়নি। ফলে তাকে ফারুক চৌধুরীর প্রতিদন্দী ভাবতেই নারাজ তৃণমূলের নেতাকর্মীগণ।

    অপরদিকে, দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শারমিন আক্তার নিপা ওরফে মাহিয়া মাহীর বাড়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা। তবে তার নানার বাড়ী তানোরের মুন্ডমালা পৌরসভার পাঁচন্দর। নানার বাড়িতেই তিনি বেড়ে উঠেছেন। ছোট বেলা থেকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশ নেয়ার কারণে এলাকায় তিনি আগে থেকেই কিছুটা পরিচিত। তাই তিনি এ এলাকাকেই বেছে নিয়েছেন ভোটে লড়তে। কিন্ত্ত এমপি নির্বাচন করতে যে রাজনৈতিক দুরদর্শিতা, পারিবারিক ঐতিহ্য, কর্মী বাহিনী ও সাংগঠনিক দক্ষতা ইত্যাদি প্রয়োজন তা তার নাই।এছাড়াও এক প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তার অশ্লীল অডিও বার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে তাকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়। উঠে সমালোচনার ঝড় ও মুখরুচোক নানা গুঞ্জন। এসব বিবেচনায় হেভিওয়েট প্রার্থী ফারুক চৌধুরীর প্রতিদন্দি হিসেবে মাহীকে আলোচনাতেই রাখতে নারাজ তৃণমুল। কারণ আয়তনের দিক দিয়ে এটি দেশের অষ্টম বড় নির্বাচনী এলাকা। বরেন্দ্র অঞ্চলের বিশাল আয়তনের দুর্গম পল্লী বেষ্টিত এই নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে নতুন কারো পরিচিত হতেই ১০ বছর সময় পেরিয়ে যাবে। ফলে নতুন কারো পক্ষে এখানে বিজয়ী তো দুরের কথা প্রতিদন্দিতা করার সক্ষমতা নাই।

    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, প্রার্থীর জনপ্রিয়তা, সামাজিক মর্যাদা, পারিবারিক ঐতিহ্য, রাজনৈতিক দুরদর্শিতা ও অভিজ্ঞতা, আর্থিক স্বচ্ছলতা, কর্মী বাহিনী, নেতাকর্মীদের মতামত ও ভোটারদের মানসিকতা বিবেচনায় নির্বাচনে বিজয়ী হবার দৌড়ে ফারুক চৌধুরী অন্যদের থেকে যোজন যোজন দুরুত্বে এগিয়ে রয়েছেন। এবিষয়ে তানোর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, গণমানুষের নেতা আদর্শিক ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয়ার মধ্যদিয়ে এই অঞ্চলের গণমানুষের আকাঙ্খা বা স্বপ্ন পুরুণ হয়েছে। তিনি বলেন, এবার তাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করে সরকারের মন্ত্রীসভায় দেখার আকাঙ্খায় আমজনতা একট্টা হয়েছে। তিনি বলেন, এখানে এমপি মহোদয়ের কোনো বিকল্প নাই।#

  • বহুরূপী মানুষ

    বহুরূপী মানুষ

    হেলাল শেখঃ আদম হাওয়া থেকে শুরু করে এখন চলমান ঘটনা-মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য কিন্তু অর্থ ও স্বার্থের জন্য সবকিছুই করতে পারেন।

    মানুষ সকল কাজের কাজী, কাজ ফুরাইলে সব সম্পর্ক শেষ। মানুষের জন্মের পর লেখা পড়া, চাকরি বা যেকোনো কর্ম করবে এটাই বাস্তবতা। “মানুষ বহুরূপী” মা, বাবা, ভাই বোন ও আত্মীয় স্বজনরাসহ কেউ কারো নয়, স্বার্থের জন্য সবাই পাল্টে যায়, কেউ কারো মনে রাখেনা, সহজ ভাষা কেউই বুঝতে চায়না, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে কেউ চলতে চাইলেও ধৈর্যসহকারে বুঝতে পারিনা কেউ।

    মানুষ মানেই স্বপ্ন, মানুষ মানেই গল্প কবিতা, মানুষ মানেই ইতিহাস, পৃথিবীতে সবাই প্রয়োজনে প্রিয়জন, সবাই বহুরূপী মানুষ। আমরা যে যেখান থেকেই আগমন করেছি, সবাই বিদায়ী যাত্রী, যাত্রাপথে কিছু সময় ব্যস্ততা শেষে থেমে যাবে গাড়ির চাকা, সাড়ে তিন হাত জমি আছে কিনা ভাগ্যে তা কেউ জানিনা। কি সঞ্চয় করেছি, তার কোনো হিসাব দিতে পারেন কেউ, আমরা নিজেরা নিজেকেই চিনতে পারছি না, অভিনয়ে বেশি কিছু চাইনা, বাস্তবে আমাকে কম দাও।

    জীবন যৌবন সবকিছু শেষ করে, অবশেষে কি আছে, মানুষের আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, আত্মা কারো তৈরি থাকে না, দেহগত আত্মা আর মানসিক আত্মা একরকম নয়, দেহগত আত্মা লোভী মানুষগুলোই সর্বপ্রথম বহুরূপী মানুষ হয়।

  • সকল যোগ্যতা থাকা সত্বেও এম পিও বঞ্চিত – বিন্নাকুড়ী উচ্চ বিদ্যালয়

    সকল যোগ্যতা থাকা সত্বেও এম পিও বঞ্চিত – বিন্নাকুড়ী উচ্চ বিদ্যালয়

    স্টাফ রিপোর্টের : ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার বিন্নাকুড়ী উচ্চ বিদ্যালয় যার EllN – 111907 আজো এম পিও ভূক্ত হয়নি – বড়ই আক্ষেপের সাথেএমনটাই জানিয়েছেন বিদ্যালয়টির বর্তমান ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল মালেক।

    তিনি এই প্রতিবেদককে জানান বিগত ২০০০ সালে বিদ্যালয়টি জুনিয়র হাইস্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই এলাকার শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু হয়। এরপর বিগত ২০০৭ সালে বিদ্যালয়টি একটি পূর্ণাঙ্গ উচ্চ বিদ্যালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা এস এস সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্ব দেখিয়ে আসছে।

    তিনি আরো বলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বিদ্যালয়টিকে এম পিও ভূক্ত করার আবেদন করলেও অদ্যবধি কোনো সাড়া না পাওয়ায় বিদ্যালের শিক্ষক – কর্মচারীগণ চরম হতাশায় ভুগছেন।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৬ ষ্ঠ হতে ১০ম শ্রেণিরতে বর্তমানে ৩২৬ জন ছেলে-মেয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে। ২০২৪ সালে এস এস সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৫৩ জন্য নির্ধারিত ফর্ম ফিলাপ করেছে।

    তিনি আরো জানান সরকারীভাবে বিদ্যালয়টির চারতলা ভবন নির্মান বিগত ৫ বছর পূর্বে শুরু হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অদ্যবদি ভবনের কাজ সম্পুর্ন করেনি এতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভবটিতে শিক্ষার্থীদের পাঠদনা করছেন শিক্ষকগণ। তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন এবিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে বার বার যোগাযোগ করেও কোনা সাড়া পাওয়া যায়নি।

    এদিকে দীর্ঘদিন যাবৎ বিদ্যালয়ে বিনা বেতনে ৮ জন পুরুষ এবং ২ জন মহিলা শিক্ষক, ৩য় শ্রেণির ১জন ও ৪র্থ শ্রেণির ২ জন কর্মচারী আর্থিক অনটনে তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অতিব মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

    বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মোঃ রুহুল কুদ্দুস এই প্রতিবেদকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর শুভদৃষ্টি কামনা করে বলেন – আমার জীবদ্দশায় একমাত্র ইচ্ছা বিন্নাকুড়ী উচ্চ বিদ্যায়টি যাতে এম পি ও ভূক্ত হয়।
    আমি যেনো জীবদ্দশায় এম পি ও ভূক্ত শিক্ষক হয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করতে পারি এটাই আমার জীবনের শেষ ইচ্ছে।

  • নলছিটিতে ইউএনও’র তৎপরতায় বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ

    নলছিটিতে ইউএনও’র তৎপরতায় বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও)’র তৎপরতায় বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ।

    জানা গেছে, শুক্রবার (১ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার পৌর এলাকার বৈচন্ডী গ্রামের বাসিন্দা বাদল আকনের মেয়ে নলছিটি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী মনিরা আক্তারের বিবাহের আয়োজন করা হয়।

    খবর পেয়ে নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো. নজরুল ইসলাম উপস্থিত হয়ে মেয়ের বিবাহের বয়স না হওয়ায় মেয়ের বাবাকে ২০ হাজার ও ছেলের বাবাকে ৫০ হাজার জরিমানা করেন।

    ছেলে মো. রহুল আমিন উপজেলার পৌর এলাকার মল্লিকপুরের বাসিন্দা। তার পিতার নাম নুর হোসেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বাল্যবিবাহ বন্ধে সরকার বদ্ধ পরিকর তাই বাল্যবিবাহ বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০০৭ এর ৮ ধারায় তাদের এ জরিমানা করা হয়েছে।

  • উজিরপুরে মোটরসাইকেল ধাক্কায়  একজনের মৃ*ত্যু

    উজিরপুরে মোটরসাইকেল ধাক্কায় একজনের মৃ*ত্যু

    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ

    বরিশালের উজিরপুরের ঢাকা -বরিশাল মহাসড়কের জয়শ্রী নামক স্থানে রাস্তা পারাপারের সময় ৭০ বছরের বয়স্ক এক মহিলার গুরুতর আহত হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

    ১ ডিসেম্বর শুক্রবার সন্ধা ৬.৩০ উজিরপুরের বাহের ঘাট থেকে জাহানারা বেগম(৭০) তার মেয়ে জামাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। এসময় বটতলা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পুর্বপাশ হতে পশ্চিম পাশে যাওয়ার সময় উজিরপুর হতে আগত একটি মোটরবাইক তাকে স্বজোরে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

    এসময় স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেন। শেবাচিমে নেয়ার পথে তিনি (জাহানারা বেগম ৭০) মৃত্যু বরন করেন। এই নিউজ লেখা পর্যন্ত ঘাতক মোটরসাইকেল চালককে আটক করা সম্ভব হয়নি।

  • টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মদ-বিয়ার জব্দ

    টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মদ-বিয়ার জব্দ

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফে কোস্টগার্ড সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৪০৩ ক্যান বিয়ার ও ১৭২ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) রাতে
    গোপন ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফ থানাধীন নাফনদী সংলগ্ন বরইতলী এলাকা দিয়ে মাদকদ্রব্য পাচার হবে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের অধিনস্থ বিসিজি স্টেশন টেকনাফ কোস্টগার্ডের সদস্যরা উক্ত এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন নাফনদী সংলগ্ন প্যারাবনের মধ্যে সন্দেহজনক কিছু ব্যক্তির আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। এ সময় কোস্টগার্ড সদস্যরা নদী থেকে তাদেরকে টর্চ লাইট এবং বাঁশির মাধ্যমে থামার সংকেত দেয়া হয়। কোস্টগার্ড সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজন ব্যাক্তিরা দ্রুত পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে কোস্টগার্ড সদস্যরা নদী সংলগ্ন প্যারাবনে অভিযান চালিয়ে ১২টি বস্তা উদ্ধার করে এবং বস্তাগুলো তল্লাশি করে ৪০৩ ক্যান আন্দামান গোল্ড বিয়ার এবং ১৭২ বোতল গ্র্যান্ড মাস্টার হুইস্কি জব্দ করতে সক্ষম হয়। উক্ত স্থানে কোন পাচারকারী না থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভর হয়নি।

    তিনি আরও জানান, জব্দকৃত বিয়ার এবং হুইস্কি পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।