Blog

  • দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনে ১২জন এমপি প্রার্থী-বাকিটা ইতিহাস

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনে ১২জন এমপি প্রার্থী-বাকিটা ইতিহাস

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশে আগামী (৭ জানুয়ারি ২০২৪ইং) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন, ঢাকা-১৯ আসনে ১২জন এমপি প্রার্থী হিসেবে গত বৃহস্পতিবার সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন প্রার্থীরা।

    প্রার্থীরা হলেন, গনফ্রন্ট এর নুরুল আমীন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ডাঃ এনামুর রহমান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মোঃ ইসরাফিল হোসেন সাভারী, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মোঃ জুলহাস, স্বতন্ত্র মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, তৃনমুল বিএনপি’র মাহাবুবুল হাসান, জাকের পার্টির মোঃ শামসুদ্দিন আহমেদ, স্বতন্ত্র তালুকদার মোঃ তৌহিদ জং (মুরাদ), বিএনএম মোঃ সাইফুল ইসলাম মেম্বার, জাতীয় পার্টির মোঃ আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় পার্টির আরো একজন মোঃ বাহাদুর ইসলাম এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মহিলা এমপি প্রার্থী আইরীন পারভীন।

    সূত্র জানায়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকার মাঝি ডাঃ এনামুর রহমান, তিনি দুইবার নির্বাচিত এমপি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী, তৃতীয় বারের মতো আবারও আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নৌকা মার্কা পেয়েছেন কিন্তু এই আসনে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিএনপি নির্বাচনে আসেনি, সাবেক এমপি তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছেন এবং আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছেন, এদিকে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার মোঃ সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া বিএনএম থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তাহলে একজন মেম্বার ও চেয়ারম্যান এই আসনটিতে ভোটের লড়াই করবেন নৌকা মার্কার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে। সেই সাথে আরো একজন সাবেক এমপি তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ একসময়ের আলোচিত এমপি, তিনি এক চুমুতে রানা প্লাজার মালিক রানার বিষয়ে বিতর্কিত হন। রানা প্লাজা ট্রাজেডিতে এনাম মেডিকেল কলেজের মালিক ডাঃ এনামুর রহমানকে এরপর ঢাকা-১৯ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত এমপি প্রার্থী করা হয়, এরপর দুইবার নৌকা মার্কায় বিজয়ী হয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী হোন। এরপর তৃতীয় বারের মতো আবারও আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার মাঝি করা হয়েছে তাকে।

    এদিকে বিএনপি নির্বাচনে না আসায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আর ডামি প্রার্থী হয় আওয়ামী লীগের অনেক নেতা। তবে এটাও বলা হচ্ছে স্বতন্ত্র আর ডামি এক জিনিস নয়, প্রার্থিতা প্রত্যাহারে দেওয়া হবে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দলের নির্দেশনা না মানলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফ্রিস্টাইল হবে না।

    স্বতন্ত্র বা ডামি প্রার্থীদের দলের পক্ষ থেকে উৎসাহিত করার কথা বলা হলেও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব ওবায়দুল কাদের বলেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফ্রিস্টাইল হবে না।

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, যথাসময়ে নির্বাচন হবে। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন অপপ্রচার চলাচ্ছে একটি মহল, প্রার্থীরা অনেকেই আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছেন, উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।

  • ময়মনসিংহ-৬ আসনে পরিবর্তনের আভাস, আলোচনায় নতুন মুখ সালমা

    ময়মনসিংহ-৬ আসনে পরিবর্তনের আভাস, আলোচনায় নতুন মুখ সালমা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন পত্র জমা আর যাচাই-বাছাই এর মধ্য দিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দামামা বেজে উঠেছে। নির্বাচন বানচালে দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্রের মধ্যে তফসিল ঘোষণা, মনোনয়ন পত্র জমা আর যাচাই-বাছাই এ আনন্দের জোয়ার বইছে আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির দলগুলোর মধ্যে। এরই ধারাবাহিকতায়, ঘোষিত তফসিলে যাচাই-বাছাই এর পরেই দেশের অন্য সংসদীয় আসনের মতো ময়মনসিংহ-৬(ফুলবাড়িয়া) আসনেও জমে উঠছে নির্বাচনী রাজনীতি। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত বর্তমান সংসদ সদস্য মোসলেম উদ্দিন এরই মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন। চালাচ্ছেন জোর প্রচার প্রচারণা। আসনটি অনেক দিন ধরে এক হাতে শাসন করেছেন বর্তমান এমপি মোসলেম উদ্দিন। কিন্তু গত দিনগুলোতে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দল প্রকাশ্য রূপ নেয়। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা জানান,বিগত দিনের কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার দলের তৃণমূল নেতাদের আস্থা হারিয়েছেন এমপি মোসলেম উদ্দিন। এসব ঘটনা এবং দলে বিএনপি-জামায়াত অনুপ্রবেশের কারণে ভাটা পড়েছে সংসদ সদস্য মোসলেম উদ্দিনের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তায়। দলে তৈরি হয়েছে তাঁর শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। এবার এই আসনটি পরিবর্তন হতে পারে। আসবে নতুন মুখ। এমনটাই ধারণা তৃণমূল নেতাকর্মীদের এবং স্থানীয় আওয়ামী কর্মী সমর্থকদের। ফুলবাড়িয়ার একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবার হেভিয়েট প্রার্থীর মধ্যে রয়েছে আসনটি বর্তমান এমপি মোসলেম উদ্দিন ছাড়া তারই কন্যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিমা বেগম সালমা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মালেক সরকার,বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আব্দুল মান্নান আকন্দ। তবে এমপি মোসলেম উদ্দিনের সাথে তার মেয়ে সেলিমা বেগম সালমার প্রতিদ্বন্দ্বীতাই উপজেলায় আলোচনার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। একই পরিবারে বাবা-মেয়ের প্রার্থীতার প্রভাব পড়তে পারে ভোটের মাঠে। সুত্র জানিয়েছে-এমপি মোসলেম উদ্দিনের মেয়ে প্রবাসী সেলিমা বেগম সালমা এর আগের নির্বাচনগুলোতে বাবার বিজয়ে বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা করেছেন। এবারের নির্বাচনে সালমা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে না পেয়ে তিনি নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। ফলে উপজেলার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নেতারা ধরেই নিয়েছেন কপাল পুড়তে পারে মোসলেম উদ্দিনের। উপজেলা পৌর শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত সর্বত্রই আলোচনায় রয়েছে মেয়ে সেলিমা বেগম সালমা। উপজেলার বেশ কয়েকজন নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, ময়মনসিংহ-৬ আসনটিতে পরিবর্তন হতে পারে। শক্ত এবং জনপ্রিয় ব্যক্তিকে চায় নেতাকর্মীরা। তবে সব কিছুই নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভানেত্রীর সিদ্ধান্তের উপর। জানা গেছে, উপজেলায় ব্যাপক আলোচনায় থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমা বেগম সালমা ব্যক্তিগতভাবে গীরব অসহায় ব্যক্তিদের প্রতিমাসে আর্থিক অনুদানসহ বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তিনি কয়েক হাজার বেকারের কর্মসংস্থান করেছেন। নিজের নির্বাচনি এলাকার নিন্ম বৃত্ত ও শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়াও মসজিদ মাদ্রাসা ও স্কুল কলেজে আর্থিক অনুদান দিয়েছেন এবং দিচ্ছেন।যে সকল শিক্ষার্থীরা অর্থের অভাবে পড়াশোনা ছাড়তে বসেছিলেন তাদের পড়াশোনার দায়িত্ব নিজে কাঁধে নিয়েছেন। ফলে দল মত নির্বিশেষে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপকভাবে আলোচিত তিনি।

    সেলিমা বেগম সালমা বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন পরীক্ষিত কর্মী। দলের দুর্দিনে অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। দল ক্ষমতায় থাকাকালীন ফুলবাড়িয়ায় আওয়ামী লীগের অনেক ত্যাগী নেতাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে এবং তাদের ওপর মামলা-হামলাও হয়েছে। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে আমি আওয়ামী লীগ থেকে নৌকার মনোনয়ন চেয়েছি পাইনি। এসব ত্যাগী নির্যাতিত নেতাকর্মীদের দাবীর প্রেক্ষিতে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছি। আমি বিশ্বাস করি আমার ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের উপর ভিত্তি করে ভোটাররা আমাকে মূল্যায়ন করবেন। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আমি আওয়ামী নেতাকর্মীদের মধ্যে কোন কোন্দল দেখতে চাই না। আমাদের একটাই পরিচয় আমরা আওয়ামী লীগ এবং আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা।

  • পঞ্চগড়ে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রকৌশলী নি*হত, ইউএনওসহ আহত তিন

    পঞ্চগড়ে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রকৌশলী নি*হত, ইউএনওসহ আহত তিন

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ঃ

    পঞ্চগড় সদর উপজেলায় তেঁতুলিয়া থেকে পঞ্চগড় শহরে যাওয়ার পথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে সড়কের পাশে থাকে খাঁদে পড়ে আবু সাইদ নামে এক উপজেলা প্রকৌশলী নিহত হয়েছেন।

    ঘটনার পর আহত কর্মকর্তাদের দেখতে হাসপাতালসহ ঘটনাস্থলে ছুটে যান পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা ও পঞ্চগড় জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট।

    তেঁতুলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন মোল্লা বলেন, অতিরিক্ত গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আমরা প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছি। গাড়িটি তেঁতুলিয়া থেকে পঞ্চগড়ের দিকে যাচ্ছিল। তবে ইউএনও মহোদয় সুস্থ্য হলে আরও বিস্তারিত জানা যাবে

    শনিবার (২ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের চাওয়াই সেতু সংলগ্ন চেকরমারী এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। এসময় আহত হয়েছেন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ তিনজন।

    জানা যায়, নিহত আবু সাইদ ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী। আহতরা হলেন, তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল আমিন, সহকারী প্রোগ্রামার নবিউল করিম সরকার।

    স্থানীয় ও আহতরা জানান, তারা তেঁতুলিয়া বেড়াতে এসে রাতে তেঁতুলিয়া থেকে ইউএনও ফজলে রাব্বির সাথে তার সরকারি গাড়িতে করে পঞ্চগড়ে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে পঞ্চগড়-বাংলাবান্ধা মহাসড়কের চাওয়াই সেতুর আগে চেকরমারী বাকে পৌছালে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে রাস্তার নিচে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান আবু সাঈদ। অন্যদের স্থানীয়দের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতলে ভর্তি করে। এদের মধ্যে আল আমিনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজু হোসেন।

    তবে অতিরিক্ত গতির কারণেই এই দুর্ঘটনা হয়েছে বলে ধারণা করছে হাইওয়ে পুলিশ।

  • বরগুনায় এনসিটিএফ এর ত্রৈ-মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

    বরগুনায় এনসিটিএফ এর ত্রৈ-মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

    খাইরুল ইসলাম মুন্না

    বরগুনায় শিশু সংগঠন ন্যশনাল চিলড্রেন টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ) বরগুনা জেলার অন্তর্গত ছয়টি উপজেলা এবং দুর্যোগ কবলিত নলটোন ইউনিয়ন কমিটির সদস্যদের নিয়ে ত্রৈ-মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আজ (০২ ডিসেম্বর) সকাল ১০ ঘটিকায় বরগুনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ও সিবিডিপি ওয়াই মুভস প্রজেক্ট, বরগুনার বাস্তবায়নে বেতাগী, বামনা, পাথরঘাটা, বরগুনা সদর, আমতলী, তালতলী এনসিটিএফ ছয় উপজেলা ও দুর্যোগ কবলিত অঞ্চল নলটোনা ইউনিয়ন কমিটির সদস্যদের নিয়ে ত্রৈ-মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বরগুনা সদর উপজেলা এনসিটিএফ এর সভাপতি উম্মে হাবিবা রূপার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিবিডিপির নির্বাহী কমিটির সভাপতি চিত্ত রঞ্জন শীল।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরগুনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও লোকবেতার পরিচালক মনির হোসেন কামাল, সিবিডিপি নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মিরাজ, বরগুনা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মালেক মিঠু, জনতা ব্যাংক এর সাবেক মহাব্যবস্থাপক মোঃ মাহবুবুর রহমান, সিবিডিপি ওয়াই মুভস প্রজেক্ট অফিসার আবু ইউসুফ সাঈদ, বেতাগী এনসিটিএফ সভাপতি মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না, আমতলী এনসিটিএফ সভাপতি মোঃ আরিফ, নলটোনা এনসিটিএফ সভাপতি সাইফুর নাহার ফিহা, পাথরঘাটা এনসিটিএফ সহ সভাপতি তাইয়েবা ইসলাম নিঝুম, বামনা এনসিটিএফ শিশু সাংসদ সদস্য শাকিরা ইসলাম প্রমুখ।
    সভায় এনসিটিএফ সদস্যরা তাদের নিজ নিজ এলাকায় বাস্তবায়িত কার্যক্রমগুলো তুলে ধরেন। পাশাপাশি পরবর্তী তিন মাসে কী কী কাজ করা হবে সে সম্পর্কেও আলোচনা করেন।

  • খাগড়াছড়িতে আগুনে ভস্মীভূত ১০টি দোকান,কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    খাগড়াছড়িতে আগুনে ভস্মীভূত ১০টি দোকান,কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    নুরুল ইসলাম ( টুকু) সদর উপজেলা প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি

    খাগড়াছড়ির জেলার সদর উপজেলার পুরাতন জিপ স্টেশন শহীদ কাদের রোড এলাকায় আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ১০টি দোকান।প্রায় কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক সূত্রে জানা যায়।

    রবিবার বার (৩ ডিসেম্বর) ভোর ৪টায় সময় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া দোকানের মধ্যে ৫-৭ টি কাঠের দোকান, দরজার দোকান রয়েছে, এছাড়া অন্যান্য দোকান রয়েছে। এতে প্রায় কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক সূত্রে জানা যায়।এত বড় ক্ষতিতে ব্যবসায়ীরা মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছে কারণ অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লোনের টাকা দিয়ে পরিচালনা করেছে।

    ফায়ার সার্ভিস জানায়, ভোর ৪টার দিকে পুরাতন জিপ স্টেশনের দোকানগুলোতে আগুন লাগে।সে আগুন মুহূর্তেই তা আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পরে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    তবে কীভাবে আগুনে সূত্রপাত হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।

  • ময়মনসিংহে পুলিশের সহায়তার অটোরিক্সা পেয়ে খুশী অসহায় লতিফ

    ময়মনসিংহে পুলিশের সহায়তার অটোরিক্সা পেয়ে খুশী অসহায় লতিফ

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    বাহিনীকে জনবান্ধব করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ। পুলিশের ঊর্ধ্বতনসহ সংশ্লিষ্টরা বরাবরই বলছেন, ‘পুলিশ জনগণের বন্ধু’। বর্তমান পুলিশ ও অতীতের পুলিশ এক নয়। বর্তমান পুলিশ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস মোকাবিলা করছে, সহযোগিতার দুয়ার খোলে সাধারণ মানুষের পাশেও দাড়াচ্ছেন । কিন্তু পুলিশ কতটুকু জনবান্ধব হতে পেরেছে, তা নির্ভর করবে জনগণ পুলিশ সম্পর্কে কী ভাবছে ও তাদেরকে কতটা সহজভাবে গ্রহণ করছে, তার ওপরে। যেদিন জনগণ নিজে থেকে বলবে, ‘পুলিশ আমাদের বন্ধু’ সেদিনই বলা যাবে— বাংলাদেশ পুলিশ, জনবান্ধব পুলিশ। আর সেই লক্ষ নিয়েই কাজ করছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞার নেতৃত্বে ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ। থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ এর নেতৃত্বে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের পাশাপাশি গরীব অসহায় মানুষের মাঝে বিভিন্ন সহযোগীতা দেওয়া ছাড়াও আর বিভিন্ন সামাজিক কাজে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছেন কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

    সেই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহ নগরীর চরকালিবাড়ী এলাকার অসহায় আব্দুল লতিফের পাশে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে আরেক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ।

    চরকালীবাড়ী এলাকার জোবেদ আলীর ছেলে
    হতদরিদ্র মোঃ আব্দুল লতিফ (৫০)। দারিদ্রতার কারণে কষ্টের সীমা ছিলোনা,অনাহারে থাকতে হতো তাকো। পরিবারটির উপার্জনে সহযোগিতা করতে অসহায় হতদরিদ্র মোঃ আব্দুল লতিফ (৫০) পিতা জোবেদ আলি গ্রাম চরকালিবাড়ী থানা কোতোয়ালী জেলা ময়মনসিংহকে তাঁর পরিবারের উপার্জনের জন্য একটি অটোরিক্সা দিলেন পুলিশ সুপার মাছুম আহমদ ভূঞা।

    শনিবার সন্ধ্যা রাতে কোতোয়ালী থানার অফিসার সাথে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে কোতোয়ালী থানা পুলিশের সকলের সহায়তায় পুলিশ সুপারের মানবিকতায় একটি পরিবারকে আয়ের উৎস হিসেবে সংসারিক উপার্জনের চলার পথ করে দিতে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ পিপিএম (বার) সর্বাধিক সহযোগিতা করেছেন বলে জানা যায়।

    উল্লেখ্য দরিদ্র মোঃ আব্দুল লতিফ এর রিক্সাটি কিছুদিন পূর্বে কে বা কাহারবা নিয়ে যায় এর পর থেকে তিনি অনাহারে দিনাতিপাত করছিলেন এ সংবাদ ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানতে পেরে পুলিশ সুপারের মানবিক নির্দেশনায় অসহায় হতদরিদ্র মোঃ আব্দুল লতিফ এর পরিবারের খোঁজ খবর নিয়ে খেয়ে পড়ে বেচেঁ থাকার জন্য থানা পুলিশের সকলের সহায়তায় এ অটোরিক্সা তুলে দেওয়া হয়। বিপদের দিনে বন্ধুর এমন উপহার খুশীতে আব্দুল লতিফ পুলিশের প্রশংসা করেন।

  • জাতীয় পার্টির সাবেক মহা-সচিব রাঙ্গার মনোনয়ন স্থগিত

    জাতীয় পার্টির সাবেক মহা-সচিব রাঙ্গার মনোনয়ন স্থগিত

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব এবং রংপুর-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গার মনোনয়ন স্থগিত করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা। শনিবার রংপুর জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে তার মনোনয়ন স্থগিত করা হয়। এ সময় বিকেল ৪টার মধ্যে মামলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র দেখে মনোনয়নের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এবারের সংসদ নির্বাচনে মসিউর রহমান রাঙ্গাকে মনোনয়ন দেয়নি জাতীয় পার্টি (জাপা)। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। জাপা মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নু ২৮৯ আসনে দলের মনোনয়ন পাওয়া ব্যক্তিদের যে নাম ঘোষণা করেছেন সেই তালিকায় নেই রাঙ্গার নাম। রাঙ্গাকে মনোনয়ন না দেয়ার ব্যাখ্যায় চুন্নু বলেন, তাকে দলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এজন্য তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও দল থেকে বহিষ্কৃত মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গার নির্বাচনী আসন রংপুর-১। এবার সেখানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের ভাতিজা আসিফ শাহরিয়ারকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

  • নীলফামারিতে ২২০ টি পরিবারের খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে স্বেচ্ছায় বৈদিক সনাতন ধর্ম গ্রহণ

    নীলফামারিতে ২২০ টি পরিবারের খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে স্বেচ্ছায় বৈদিক সনাতন ধর্ম গ্রহণ

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।

    নীলফামারীতে ২ ডিসেম্বর ২০২৩ দিনব্যাপী বৈদিক আর্য সমাজের বেদের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কালীর ডাঙা দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গণ,কিসামত ভুটিয়ান,পলাশবাড়ী,নীলফামারী সদর এলাকায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে টিকেন্দ্রজিৎ রায় মিরুর সভাপতিত্তে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডাঃমিঠুন দেবনাথ, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,ডাঃনিলয় আর্য,প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আচার্য্য সুশীল সত্যার্থী প্রমুখ ও বিভিন্ন অগ্নীবীর আর্য প্রতিনিধি গন।তবে অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ছিলেন প্রদীপ কুমার রায় উজ্জ্বল।

    জানা যায় বিশ্বের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ইতিহাস হয়ে রইলো উত্তর বঙ্গের নীলফামারী জেলায় একই দিনে ২২০ টি খ্রিস্টান পরিবার খ্রীষ্টধর্ম ছেড়ে সনাতন বৈদিক ধর্ম গ্রহণ করেন।এবং প্রতিটি পরিবার বেদ মন্ত্রের আলোকে সকল কুসংস্কার ত্যাগ করে বেদের আলোকে আলোকিত হন বৈদিক ধর্ম গ্রহণ করেন।

    এ বিষয়ে প্রধান আলোচক আচার্য্য সুশীল সত্যার্থীর সাথে কথা হলে তিনি সাংবাদিক গীতি গমন চন্দ্র রায়কে বলেন,অনেক মানুষকে প্রলোভনে ফেলে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন তারা আজ সত্যের পথে বেদের আলোকে বৈদিক সনাতন স্বধর্মে ফিরে আসেন।আমরা তাদের সর্বদায় শান্তি সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করি।

  • আদালতে মামলা সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ মৃ*ত মাদ্রাসা সুপারের সাক্ষর জা*ল করে ১২জন শিক্ষক নিয়োগ কোটি টাকার বানিজ্য

    আদালতে মামলা সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ মৃ*ত মাদ্রাসা সুপারের সাক্ষর জা*ল করে ১২জন শিক্ষক নিয়োগ কোটি টাকার বানিজ্য

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    মৃত মাদ্রাসা সভাপতির সাক্ষর জাল করে একটি মাদ্রাসায় ১২জন শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ দিয়ে প্রায় কোটি টাকার বানিজ্য করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসা সুপার মোঃ ইয়ারুল হকের বিরুদ্ধে আমলী আদালতে একাধিক মামলাও হয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলা করেছেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ও জমিদাতা মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে কনক মন্ডল। গত ২৩ নভেম্বর তিনি হরিণাকুন্ডু আমলী আদালতে মামলাটি করেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জেসমিন নাহার মামলাটি আমলে নিয়ে ঝিনাইদহ সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপারকে তদন্ত করে আগামী ২৮ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে মৃত মাদ্রাসা সভাপতির সাক্ষর জাল করে নিয়োগ জালিয়াতি নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ দানা বেঁধেছে। যে কোন সময় অপ্রীতিকর ঘটনার আশংকা করছে এলাকাবাসি। আদালতে দায়ের করা মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে হরিণাকুন্ডু উপজেলার পারফলসি গ্রামে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার (এমপিও) না হওয়ায় মাদ্রাসাটি কোন রকম খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছিল। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়মিত আসা যাওয়া ছিল না। স্টাফ প্যাটার্ন অনুযায়ী মাদ্রাসাটিতে ছিল না কোন পুর্ণাঙ্গ শিক্ষক নিয়োগ। প্রয়াত সভাপতি খলিলুর রহমান মাত্র ৬ জন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে যান। তিনি ২০০৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১১ সালে মারা যান। এমপিও না হওয়ার কারণে সুপারসহ অন্যান্য শিক্ষক মাদ্রাসা ছেড়ে চলে যান। ২০১২ সালে হরিণাকুন্ডু উপজেলার তৎকালীন নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান টুটুলকে ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে নিয়োগ দিলে তিনিও কয়েক মাস দায়িত্ব পালন করে অন্যত্র চলে যান। পারফলসি দাখিল মাদ্রাসাটিতে বৈধ কোন সুপার ছিল না। ২০২২ সালের ৬ জুলাই মাদ্রাসা এমপিও ভুক্ত হলে বর্তমান মাদ্রাসা সুপার ইয়ারুল হক হরিণাকুন্ডু সিদ্দিকীয়া আলিম মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকের দায়িত্ব ছেড়ে হঠাৎ আর্বিভুত হন সুপার হিসেবে। তিনিসহ ১২ জন শিক্ষক দাবী করে বসেন প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খলিলুর রহমান তাদের নিয়োগ দিয়ে গেছেন। এ নিয়ে এলাকায় শোরগোল শুরু হয়। লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে জালিয়াতির মাধ্যমে রাতারাতি মৃতপ্রায় মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে এলাকায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। সরজমিন মাদ্রাসায় সদ্য নিয়োগ পাওয়া জুনিয়র মৌলভী শিক্ষক রাফেজা খাতুন, সহকারী মৌলভী শিক্ষক বাবলুর রশিদ ও জিয়াউর রহমানের সঙ্গে কথা হয়। তারা নিজেদের নিয়োগ নিয়ে কোন তথ্য প্রমান দেখাতে পারেনি। কোন পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় প্রশ্ন করা হলে তারা আধুনালুপ্ত ‘দৈনিক আজকের কাগজ’ পত্রিকার কথা বলেন। বন্ধ পত্রিকায় কি ভাবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলো ? জিজ্ঞাসা করা হলে বিষয়টি মাদ্রাসা সুপার ইয়ারুল হক জানেন বলে তারা জানান। এছাড়া নিয়োগ বোর্ড কোথায় হয়েছিল বা নিয়োগ বোর্ডে সরকারী কোন কোন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন কিনা তাও তারা বলতে পারেননি। মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দপ্তরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মনজের আলী। তিনি জানান, ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল এই ১০ বছর পর্যন্ত বর্তমান সুপার ইয়ারুল হক ছিল না। এমপিও ভুক্ত হওয়ার পর তিনি রাতারাতি উড়ে এসে জুড়ে বসেন এবং প্রায় ৮০ লাখ টাকার নিয়োগ বানিজ্য করেন। ১৬ বছর ধরে মাদ্রাসাটিতে চাকরী করছেন বিপ্লব হোসাইন নামে এক শিক্ষক। এমপিও ভুক্তির পর তিনি নিয়োগ পেতে চারজন সাক্ষির উপস্থিতিতে মাদ্রাসা সুপার ইয়ারুল হকের কাছে ১০ লাখ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু তাকে চাকরী প্রদান করা হয়নি। টাকা নিয়েও চাকরী না দেয়ার কারণে তিনি ঝিনাইদহের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলার আরজিতে সুপার ইয়ারুল হককে একজন মিথ্যাবাদী, ঠকবাজ, বিশ^াস ভঙ্গকারী ও প্রতারক হিসেবে দাবী করা হয়। মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতির ছেলে ও আরেক মামলার বাদী কনক মন্ডল জানান, সুপার ইয়ারুল হক দাবী করছেন তিনি ২০০৪ সালে যোগদান করেছেন। তিনি যে কত বড় প্রতারক ও জালিয়াতি চক্রের হোতা তা শিক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশন কার্ডের সাক্ষর যাচাই করলে বোঝা যাবে। ২০০৭-২০০৮ শিক্ষাবর্ষে পারফরসি মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন আকরাম হোসেন নামে এক শিক্ষার্থী। তার রেজিষ্ট্রেশন কার্ডে মাদ্রাসা প্রধান হিসেবে সাক্ষর রয়েছে তৎকালীন সুপার মোস্তাফিজুর রহমান টুটুল। বর্তমান সুপার যদি ২০০৪ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করতেন তবে তো তার সাক্ষর থাকতো। এ বিষয়ে মাদ্রাসা সুপার সুপার ইয়ারুল হক জানান, তাদের নিয়োগ দিয়ে গেছেন সাবেক সভাপতি খলিলুর রহমান। কোথায় কবে নিয়োগ বোর্ড বসেছিল তা তার মনে নেই বলে জানান। বিষয়টি নিয়ে হরিণাকুন্ডু উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল বারী জানান, নিয়োগ নিয়ে মামলা হয়েছে। বিষয়টি সিআইডি তদন্ত করে যে রিপোর্ট প্রদান করবে তার ভিত্তিতে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে। হরিণাকুন্ডু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুস্মিতা সাহা জানান, নিয়োগের বিষয়ে কোন অভিযোগ থাকলে আমাকে লিখিত ভাবে জানালে আমি মাদ্রাসা বোর্ডকে অবহিত করতে পারতাম। তিনি বলেন, বিষয়টি যেহেতু আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে, সেহেতু এখন সেখানেই ফয়সালা হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • তানোরে এমপি ফারুক চৌধুরীর মতবিনিময়

    তানোরে এমপি ফারুক চৌধুরীর মতবিনিময়

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ

    রাজশাহীর তানোরে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেছেন সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণার অংশ হিসেবে এসব কর্মসূচি নয়। বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে তিনি বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে তিনি সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

    জানা গেছে, ২ ডিসেম্বর শনিবার দিনব্যাপী সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করে ব্যস্ত সময় পার করেছেন।এদিন তানোর পৌরসভার গোকুল মাদরাসা মাঠে, সিন্দুকাই গাইনপাড়া, গুবিরপাড়া, বুরুজ, কাশিমবাজার,আকচা ও ফকিরপাড়া মহল্লায় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আসলাম উদ্দিন, সম্পাদক আবুল বাসার সুজন, পৌর যুবলীগের সভাপতি ও কাউন্সিলর রোকনুজ্জামান জনি, কাউন্সিলর আরব আলী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্পাদক রামিল হাসান সুইট ও পৌর সভাপতি মনিরুজ্জামান শিবলনপ্রমুখ।এসময় তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও অর্জনের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, শিশুরা যেমন মাতৃ কোলে নিরাপদ, তেমনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে দেশ ও দেশের মানুষ নিরাপদ।

    তিনি বলেন, বাঙালী জাতির জনক ও মহান স্বাধীনতার স্থপত্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে থেকে আমরা কি পেয়েছি। তিনি বলেন, আমরা কেনো আওয়ামী লীগ করি, অন্যদলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের পার্থক্য কি, মানুষ কেনো আওয়ামী লীগকে ভালোবাসে ও সমর্থন করে-এসব বিষয়ে তৃণমুল পর্যায় থেকে শুরু করে সকল নেতাকর্মীদের মাঝে সুস্পষ্ট ধারণা তথা দিকনির্দেশনা থাকতে হবে। তাহলে তারা দলের প্রতি আরও নিবেদিত হয়ে কাজ করতে পারবেন। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে আকাশ ও সুমুদ্রসীমা জয় সবকিছু অর্জন হয়েছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে। তিনি আগামিতে সকলকে আওয়ামী লীগের ছায়াতলে আশার আহবান জানান।#