Blog

  • নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রে*ফতার ৩

    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রে*ফতার ৩

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে//
    নড়াইলে মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত রতন শেখ (৩৮), কাশেম শেখ (৩৫) ও তরিকুল ইসলাম (৩৫) নামের তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত রতন শেখ (৩৮) লোহাগড়া থানাধীন ধোপাদহ গ্রামের মৃত লুৎফর শেখের ছেলে, কাশেম শেখ একই গ্রামের আতিয়ার শেখের ছেলে এবং তরিকুল ইসলাম কাশিপুর গ্রামের আব্দুল মান্নান খানের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, শনিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে দিকে লোহাগড়া থানাধীন ১২নং কাশিপুর ইউনিয়নের ধোপাদহ গ্রামস্থ ধৃত আসামি রতন শেখ (৩৮)র বসতবাড়ির দক্ষিণ পোতার উত্তরমুখী দোচালা টিনের দরজা খোলা ঘরের মধ্য থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ নাসির উদ্দিন এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মোঃ মাকফুর রহমান, এএসআই (নিঃ) মোঃ শাহাবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে রতন শেখ (৩৮), কাশেম শেখ (৩৫) ও তরিকুল ইসলাম (৩৫) দেরকে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামীদের নিকট থেকে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে লোহাগড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • গলাচিপায় অসহায় বৃদ্ধা ও প্রতিবন্ধীকে ১ মাসের বাজার করে দিলো নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন

    গলাচিপায় অসহায় বৃদ্ধা ও প্রতিবন্ধীকে ১ মাসের বাজার করে দিলো নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন

    গলাচিপা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

    পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বাঁশবাড়িয়া গ্রামের অসহায় বৃদ্ধা আছিয়া বেগম (৬২) ও মেয়ে মমতাজ (৩০)।আছিয়া এখন বয়োবৃদ্ধ, কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন,শেষ বয়সে স্বামী হারিয়েছেন,পাশে নেই একমাত্র রাজপুত্র।৫ মেয়ে ও ১ ছেলের মধ্যে ভরনপোষণ দেন কালেভদ্রে কিছু সময়। বৃদ্ধা আছিয়া বেগমের বসবাস তার শারিরীক প্রতিবন্ধী মেয়ে মমতাজ কে নিয়ে।দুই মা ও মেয়ের মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন দীর্ঘদিন। যাদের আয় বানিজ্য নেই, নেই দেখভাল করার মতন কেউ।এমতাবস্থায় অসহায় বৃদ্ধা দারস্থ হন নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের।অবশেষে তাদের ১ মাসের বাজার করে দিয়েছে “নবজাগরন ইয়ুথ ফাউন্ডেশন ”। ৩ ডিসেম্বর বেলা ১০ টার সময় তার পরিবারের মাঝে এ বাজার হস্তান্তর করা হয়। বাজারের উপকরণের মধ্যে চাল ২৫ কেজি-৩ কেজি আলু-১কেজি পিয়াজ- ৫০০গ্রাম রোশন-১লিটার সয়াবিন-১ কেজি ডাল-৫০০গ্রাম (হলুদ+মরিচ)-১কেজি লবন-মশলা-২টা সাবান-১কেজি মুড়ি-১প্যাকেট চানাচুর তাদের মাঝে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. হুজ্জাতুল ইসলাম, গলাচিপা উপজেলা শাখার সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) এম এইচ মেহেদী, সহ সভাপতি হাওলাদার ফারজানা, সাধারণ সম্পাদক সুমাইয়া খাঁন নিসা,সাংগঠনিক সম্পাদক উদয় সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারিয়াম আক্তার, সজীব মাহমুদ, জান্নাতুল ফেরদৌস,প্রচার সম্পাদক আদনান সাকিব, পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক বাইজীদ মাহমুদ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক নিরব সিকদার, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইমরান খাঁন, সমাজসবা বিষয়ক সম্পাদক রাব্বি খাঁন।

  • লালমনিরহাটে বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি আটক দুই

    লালমনিরহাটে বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি আটক দুই

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।লালমনিরহাট ডিবির অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিরুল ইসলাম,নেতৃত্বে ডিবি,পুলিশের একটি টিম সদর থানাধীন পুলিশ লাইন্স সংলগ্ন ট্রাফিক বক্স সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর থেকে ১৪০ বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সহ দুই জন মাদক কারবারি কে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি হলো, ফাসতেকুল ইসলাম দুলু(২৫)ও মোঃ দুলাল হেসেন(২৮),এ সংক্রান্তে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি মামলা হয়। মামলা নং- ০২ ধারাঃ ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬( ১) সারণীর ১৩(গ)/৪১ রুজু করা হইয়াছে। লালমনিরহাট ডিবির অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিরুল ইসলাম,জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে থানাধীন পুলিশ লাইন্স সংলগ্ন ট্রাফিক বক্স সংলগ্ন পাঁকা রাস্তার উপর হতে ১৪০ বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সহ দুই জন আসামি করেন।

    হাসমত উল্লাহ।

  • নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আদালতে গোলাপ

    নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আদালতে গোলাপ

    রতন দে, মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ মাদারীপুর-৩ আসনে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় রবিবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে আদালতে হাজিরা দিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ। এর আগে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘনের অভিযোগে আওয়ামীলীগ প্রার্থীকে আদালতের স্ব শরীরে হাজির হতে বলা হয়েছিল।

    উল্লেখঃ ৩০ নভেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আবদুস সোবহান গোলাপ ঢাকঢোল বাজিয়ে ও প্রভাব বিস্তার করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বলে রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ২জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই ঘটনায় নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির প্রধান যুগ্ম জেলা জজ আদালতের বিচারক মো. শরিফুল হক অভিযোগকারী এবং অভিযুক্তদের সশরীরে হাজির হয়ে ৩ ডিসেম্বর জবাব দিতে বলেন। মহামান্য আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ রবিবার সকালে অভিযোগকারী দুই জন স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপিকা তাহমিনা সিদ্দিকী ও তৌফিকুজ্জামান শাহিন এবং অভিযুক্ত আ.লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবদুস সোবহান গোলাপ হাজির হয়ে তাদের বক্তব্য পেশ করেন।
    এ ব্যাপারে যুগ্ম জেলা জজ আদালতের পেশকার মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, দুই পক্ষের যুক্তি তর্ক শেষ হয়েছে, আদালত এখনও কোন সিদ্ধান্ত দেয়নি। এবিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে তাৎক্ষনিক সাংবাদিকদের জানান।
    আাদালত থেকে বের হয়ে অভিযোগকারী স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপিকা তাহমিনা সিদ্দিকী বলেন,আমরা নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছি,তার তথ্য প্রমান পেশ করেছি।
    অভিযুক্তকারী আবদুস সোবহান গোলাপ বলেন, আদালতকে জানিয়েছি,আমি যখন মনোনয়ন পত্র দাখিল করতে যাই, ইউএনও অফিসের সামনে দেখি প্রায় চল্লিশ জনের মত সাংবাদিক উপস্থিত ছিল। ইউএনও অফিস রুমটি বেশ ছোট,ওখানে সাংবাদিকরা হাজির ছিল। আমার সাথে শুধু প্রস্তাবকারী,সমর্থনকারী এবং ল’ইয়ার ছিল।

  • ময়মনসিংহ-৭ আসনে  স্বতন্ত্রপ্রার্থী আনিছের  ম‌নোনয়ন বৈধ

    ময়মনসিংহ-৭ আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী আনিছের ম‌নোনয়ন বৈধ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনপ্রিয় স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি, ত্রিশাল পৌরসভার সাবেক ৩বারের জনপ্রিয় মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ এর ম‌নোনয়‌ন পত্রটি বৈধতা পে‌য়ে‌ছেন।

    রবিবার (৩রা ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত যাচাই বাছাই অনুষ্ঠানে রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজার রহমান যাচাইবাছাই শেষে তার মনোনয়ন পত্রটি বৈধ ঘোষণা করেন।

    তিনি ব‌লেন, ময়মনসিংহ-৭ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রাপ্ত আলহাজ্ব রুহুল আমিন মাদানী, জাতীয় পার্টির মনোনীত আব্দুল মজিদসহ মোট এগারোজন প্রার্থী সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন। তার মাঝে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ৫জন।

    ময়মনসিংহ-৭ আসনে প্রার্থীতার বৈধতা পেয়ে আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ বলেন, গত বৃহস্পতিবার (৩০নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্ণিং কর্মকর্তা ও উপজোলা নির্বাহী অফিসার এর নিকট মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলাম। আজ ৩রা ডিসেম্বর (রবিবার) সেই মনোনয়ন পত্রটির যাচাই বাছাই শুনানি ছিল। শুনানির পর আমার প্রার্থীতার বৈধতা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন-এই বৈধতা ত্রিশালের উন্নয়নের বৈধতা। আগামী ১৮তারিখ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক নিয়ে জনগণের বাড়ী-বাড়ী গিয়ে ভোট চাইবো। আশাকরি ত্রিশালের জনগণ আমাকে উন্নয়ন করার সুযোগ দিবেন।

  • ২৬ কুড়িগ্রাম০২ আসনে ৬ মনোনয়নপত্র বাতিল ও বৈধ ৫

    ২৬ কুড়িগ্রাম০২ আসনে ৬ মনোনয়নপত্র বাতিল ও বৈধ ৫

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ২৬ কুড়িগ্রাম০২ আসনে ১১জন প্রার্থীর দাখিলকৃত মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাই শেষে ৫জনের বৈধতা ও ৬ জনের বাতিল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার।আগামী ৭জানুয়ারি রোববার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।আজ ৩ ডিসেম্বর রোবরার দিনব্যাপী কুড়িগ্রাম জেলার ৪টি আসনে বৈধ ও বাতিল প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ।ঘোষণায় কুড়িগ্রাম০২ আসনে বৈধ প্রার্থী হলেন,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্ব জাফর আলী,জাতীয় পার্টি আলহাজ্ব পনির উদ্দিন আহমেদ,ন্যাশনাল পিপলস পার্টি মোঃ আব্দুস সালাম, ওয়ার্কার্স পার্টি মোঃ সোহরাব হোসেন, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টি মকবুল হোসেন।বাতিলকৃত প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪ জন এবং অপর দুইজন জাকের পার্টি ও বাংলাদেশ বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি (বিএসপি)থর প্রার্থী ছিলেন।বাতিলকৃতরা হচ্ছেন, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি (বিএসপি)এর মোছা: শেফালী বেগম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবু সুফিয়ান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নাজমুল হুদা, জাকের পার্টির মো.মশিউর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শফিউজ্জামান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা: হামিদুল হক খন্দকার।দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনি তফসিল মোতাবেক,রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপীল দায়ের ও নিষ্পত্তি হবে ৬ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নির্বাচন থেকে প্রার্থী প্রত্যাহারের শেষ দিন আগামী ১৭ ডিসেম্বর ও প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর এবং নির্বাচন প্রচারণা চালাতে পাবে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত।কুড়িগ্রাম০২ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫লাখ ৬৬হাজার ১৮২জন ভোটারের মধ্যে ২লাখ ৮০হাজার ২৩১জন পুরুষ ও ২লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৮জন নারী এবং ৩জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন।#

  • বেতাগীতে এইচএসসি পরিক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে আলোচনায় অর্পা

    বেতাগীতে এইচএসসি পরিক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে আলোচনায় অর্পা

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী +বরগুনা) প্রতিনিধি

    যারা টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারে না তাদের জন্য সর্বক্ষণ পীড়া দেয়’-এমনই একজন শিক্ষার্থী যার স্বপ্ন চিকিৎসক হওয়ার ২০২৩ সালে এবারে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত জারিন তাহসিন (অর্পা)।

    মানুষের স্বপ্ন বড় বিচিত্র। কেউ স্বপ্ন দেখে বিলাসী জীবনের আর কেউ স্বপ্ন দেখে, মানবতার সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করে কাটিয়ে দেবে সারাজীবন সেরকমেরই একজন অর্পা।

    মানব সেবার তাড়না মানুষকে যুগে যুগে করেছে মহৎ। মানব সেবার জন্য অনেকেই চিকিৎসক হতে চায়। এমন স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে উচ্চ মাধ্যমিকের গন্ডি পেরিয়ে আরও উচ্চ শিখরে পা রাখতে যাওয়া মফস্বলের মেয়ে জারিন তাহসিন (অর্পা)। সে এবারে এইচএসসি পরীক্ষায় বরগুনার বেতাগী উপজেলার বেতাগী সরকারি কলেজ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে।

    শুধু তাই নয়, এবারে এইচএসসি পরীক্ষায় বেতাগী সরকারি কলেজ ফলাফলের দিক দিয়ে চরম বিপর্যয়ের মুখে। সরকারি এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৭৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও এরমধ্যে অনেকেই ফেল করে এবং বিজ্ঞান ও বানিজ্যে বিভাগে ১টি করে মানবিকে ৪ টি মোট ৬টি জিপিএ-৫ পায়। যা বিগত বছরগুলোর তুলনায় সবচেয়ে তলানীতে। কিন্ত এর ভেতরেও ঐ প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান বিভাগে একমাত্র জিপিএ-৫ প্রাপ্ত হয়ে সাফল্যের ধারা অক্ষুন্ন রেখে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সকলের মাঝে স্থান করে নিয়েছে এই কিশোরী।

    দুই ভাই বোনের মধ্যে অর্পা সবার ছোট। বাবা আব্দুল হাই সাবেক পোস্টমাস্টার ও পৌর শহরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ.কে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আর মা জেসমিন নাহার বেতাগী উপজেলা সমাজ সেবা বিভাগে সমাজ কর্মি হিসেবে কর্মরত। ছোটবেলা থেকেই পড়াশুনায় অত্যন্ত মনোযোগী অর্পা। সে এর আগে বেতাগী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সিতেও জিপিএ-৫ ও একই প্রতিষ্ঠানে ৮ম শ্রণিতে এবং বেতাগী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫ম শ্রণিতে এ গ্রেডে বৃত্তি পান। এসএসসিসহ বরাবরেরমত এইচ.এসসিতেও এবারে সেরা রেজাল্ট করবে এটা ছিলো তার লক্ষ্য। এইচ.এসসিতে তার এ ফলাফল নিয়ে কলেজের শিক্ষকরাও বেশ আশাবাদী ছিলেন বলে জানান পদার্থ বিজ্ঞানের প্রভাষক মাহাতাব হোসেন।

    জারিন তাহসিন (অর্পা)‘র শিক্ষা জীবনের মধ্যে যদিও সেই সময় ছিলো মহমারী করোণা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, অবরোধ, হরতাল ও নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তারপরও থেমে ছিলো না অর্পা। প্রতিদিন ১০ থেকে ১১ ঘণ্টা পড়াশুনা করে সে। সময় ও তারিখের রদবদল হয়েছে বারবার। এতে অর্পার মনে অশান্তি থাকলেও তবুও হাল ছাড়েনি। গন্তব্যে অনেক দুর হলেও অবেশেষে অগ্রসর হয়েছে শিক্ষা জীবনের আরও একধাপে। বর্তমানেও সে অবরোধের মধ্যে বরিশালে থেকে চিকিৎসক হতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    মা, বড় ভাই, বন্ধু, শিক্ষকসহ অনেকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেও এই প্রত্যাশিত রেজাল্টের পেছনে কারিগর হিসেবে তার বাবাকেই অনুভব করে অর্পা। পবিত্র কোরআন শরীফ শুনতে ও পড়তে পছন্দ করে এই কিশোরী। তাছাড়াও অনেকের মতোই তার প্রিয় অবসরে বই পড়া। ফাস্ট ফুড অর্পার কাছে খুব প্রিয় খাবার। পড়াশুনার বিষয় হিসেবে জীব বিজ্ঞান তার কাছে বেশি প্রিয়। সে পাঠ্য বইয়ের বাইরে পত্রিকা নিয়মিত পড়ে। ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী অর্পা ধর্মকর্ম পালনেও অনেক সচেতন।

    অর্পার স্বপ্নের গাড়ি এখন পথ চলতে শুরু করেছে। নিজের প্রতি রয়েছে তার অগাধ আস্থা আর বিশ্বাস। একদিন সে স্বপ্ন চূড়ায় বাসা বাঁধবে। চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করবে।

    চিকিৎসক হওয়ার বিষয় জানতে চাইলে অর্পার বলেন, ‘যারা টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারে না আমি তাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেবো। কঠিন, জটিল রোগীর মুখে হাসি ফোটাবো।’ তার যুক্তি হল, অন্য সব পেশার চেয়ে মানব সেবার সুযোগ চিকিৎসা খাতেই বেশি। অনেকে স্বপ্ন পুরণ করতে রাজধানীতে পাড়ি জমালেও অর্পা তার স্বপ্ন পুরণে বরিশাল শেরই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পড়তে আগ্রহী।

    আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন একদিন বাস্তবে রূপ নেবে, প্রতিটি মুহূর্ত মানুষের কল্যাণে ব্যয় করবে- এটাই কৃতি শিক্ষার্থী জারিন তাহসিন (অর্পা)‘র লক্ষ্য। পাশাপাশি বাবা মায়ের উৎসাহ-প্রেরণা আর নিজের ইচ্ছাই তার চলার পথের শক্তি। বাবা আব্দুল হাই বলেন,‘ মেয়ের এ স্বপ্নে আমরাও খুশি। এ এজন্যে সে সকলের দোয়া চাই।’

  • শাজাহানপুরে পুলিশ দেখে দৌড় হার্ট অ্যাটাকে যুবদলনেতার  মৃ*ত্যু

    শাজাহানপুরে পুলিশ দেখে দৌড় হার্ট অ্যাটাকে যুবদলনেতার মৃ*ত্যু

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    বগুড়ার শাজাহানপুরে পুলিশের টহল দেখেই পালাতে গিয়ে হার্ট এ্যাটাকে ফোরকান আলী (৩৫) নামের এক যুবদল নেতার মৃত্যু হয়েছে।
    নিহত ফোরকান আলী, উপজেলার ঘাষিড়া সুফি পাড়া গ্রামের মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসের বড় ছেলে। এবং খোট্টাপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক।

    রবিবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে সাজাপুর ফকিরপাড়া এলাকায় বিএনপি-জামায়াতের অবরোধ কর্মসূচি পালনকালে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

    এসময় পুলিশ, বিজিবি, র্যবের টহল দল ওই এলাকায় উপস্থিত হলে ফোরকানসহ অন্যান্যরা দৌড়ে পালাতে গিয়ে ফোরকান পড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করে।

    ঘটনা সম্পর্কে জানতে চেয়ে শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপি ও যুবদলের নেতাদের মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করেও কাউকে পাওয়া যায়নি।
    এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) শহীদুল ইসলামের বলেন , ফোরকানের পারিবারিক সুত্রে জানান
    হয়েছে হার্ট এ্যাটাকে সে মারা গেছে। তবে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পালাতে গিয়ে সে হার্ট এ্যাটাক হয়েছে কি না আমার জানা নেই।

  • উজিরপুরে বাসের ধাক্কায় প্রবাসী নি*হত

    উজিরপুরে বাসের ধাক্কায় প্রবাসী নি*হত

    উজিরপুর বরিশাল প্রতিনিধিঃ

    বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার ঢাকা -বরিশাল মহাসড়কের নতুন শিকারপুরের মুন্সিবাড়ির দরজা নামক স্থানে রাস্তা পারাপারের সময় ( ৫৫) বছরের এক প্রবাসীকে বাস ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে নিহত হন ।

    ৩ ডিসেম্বর রবিবার সন্ধা ৬.০০ সমায় শিকারপুর ইউনিয়নের মণ্ডপাশা গ্রামের মৃত করিম মুন্সির পুত্র মোঃ আলতাফ মুন্সী(৫৫) শিকারপুর হাট থেকে বাজার নিয়ে বাড়িতে আসার পথে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পুর্বপাশ হতে পশ্চিম পাশে যাওয়ার সময় ঢাকা গামী একটি যাত্রী বাহী বাস স্বজোরে ধাক্কা দিলে তিনি ঘটনাস্থলে নিহত হন। বাসটি দ্রুত পালিয়ে যায়। নিহত আলতাফ মুন্সির ভাতিজা মাসুম মুন্সী বিষয়টি নিশ্চিত করেন । এ ঘটনায় উজিরপুর উপজেলা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার ভূমি কে এম ইসমাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। উজিরপুর মডেল থানার এস আই ওসমান জানান, দুর্ঘটনার সময় স্থানীয় লোকজন মাগরিব এর নামাজ আদায় করতে ছিলেন বলে ঘাতক বাসটি চিহ্নিত করতে পারেনি। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার্ ইনচার্জ তদন্ত, মোঃ তৌহিদুজ্জামান সোহাগ জানান, ঘাতক বাসটি পরিচয় নিশ্চিত করে আটক করার প্রক্রিয়া চলছে।

  • প্রেমের সস্পর্কে বাংলাদেশে এসে যুবককে বিয়ে করলেন ইউরোপের তরুণী, খুশি পরিবার

    প্রেমের সস্পর্কে বাংলাদেশে এসে যুবককে বিয়ে করলেন ইউরোপের তরুণী, খুশি পরিবার

    হেলাল শেখ

    ৫ বছরের প্রণয়কে বিয়েতে রূপ দিতে সূদুর ইউরোপ থেকে বাংলাদেশে ছুঁটে এসেছেন সাভারের যুবক শামীম আহমেদের সাথে সাইপ্রাসের নাগরিক আন্থি তেলেবান্থু তরুণী। কয়েক হাজার মাইলের দুই দেশের দূরত্ব যেন ভালোবাসার টানে সাতসমুদ্র পারি দিয়ে অবশেষে বিবাবহ-বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এরই মধ্যে শ্বশুড়বাড়ি, আত্মীয়স্বজন আর প্রতিবেশীদের মন জয় করে নিয়েছেন ভিনদেশী এই নারী। পরদেশী এলাকার বউ পেয়ে দারুন খুশি শামীমের পরিবারও।

    রবিবার (৩ডিসেম্বর) সকালে আশুলিয়ার গাজীরচট আয়নাল মার্কেট এলাকায় মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান শামীমের স্ত্রীকে ঘিরে চলছে উৎসব। আত্মীয়স্বজন আর পাড়াপ্রতিবেশীরা ছুঁটে আসছেন ভীনদেশী বউকে একবার দেখতে।

    জানা যায়,গত ২৭ নভেম্বর আশুলিয়ায় শামীমের বাড়িতে ছুঁটে আসেন সাইপ্রাসের তরুণী আন্থি তেলেবান্থু। ৩০ নভেম্বর ঢাকা জজকোর্টে বাংলাদেশের আইন অনুসারে বিয়ে করেন আন্থি ও শামীম। স্টুন্ডেন্ট ভিসায় ২০১৫ সালে সাইপ্রাসে চলে যায়। সেখানে সিডিএ কলেজে ভর্তি হওয়ার পর লেখাপড়ার পাশাপাশি একটি প্রতিষ্ঠানে পার্টটাইম চাকরি নেই শামীম। একই প্রতিষ্ঠানে কাজের সুবাদে আন্থির সাথে পরিচয় হয় তাদের দুজনের। একসময় দুইজনের সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে।

    আন্থির সাথে তার পরিচয় ও প্রণয়ের বিষয়ে শামীম আহমেদ বলেন, সাইপ্রাসের লিমাসোল শহরে আন্থির বাসায় আমার যাওয়া-আসা শুরু হয়।। ওর পরিবারের সাথেও আমার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। এরপর ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে আসলে আমি দেশে ফিরে আসি। তারপরও আন্থি এবং আমার মধ্যে অনলাইনে যোগাযোগ হতো। আমার পরিবারের সাথে ভিডিও কলে কথা বলতো। অনেক আগে থেকেই সে বাংলাদেশে আমার বাড়িতে আসার জন্য উদগ্রীব থাকতো। এরপর গত ২৭ নভেম্বর সে বাংলাদেশে চলে আসে। উভয় পরিবারের সম্মতিতে আমরা দুজন গতকাল ঢাকা জজকোর্টে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হই। আমার পরিবারের সাথে আন্থি নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে। আটদশটা বাঙ্গালী বউদের মতোই সবার সাথে মিশতেছে। তার কথায় বাঙ্গালী বউ হওয়ার ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। পরিবার ও আত্মীয়স্বজন সবাইকে মাতিয়ে রাখছে সে। 

    এব্যাপারে সাইপ্রাসের তরুণী আন্থি তেলেবান্থু বলেন,আমরা দুজন একসাথে কাজ করেছি। তারপর বন্ধু হয়েছি এবং আমি তাকে ব্যক্তিগত ভাবে একজন ভালো চরিত্রের মানুষ হিসেবেই জানি। সে অসহায় মানুষদের সাহায্য করতে পছন্দ করে। এসব থেকেই আস্তে আস্তে আমি তার প্রেমে পড়ে যাই। আমার পরিবার শামীমকে অনেক পছন্দ করে। তারাও আমাদের এই সম্পর্ককে মেনে নিয়েছে। আমি বাংলাদেশের মানুষের আতিথীয়তায় মুগ্ধ।

    শামীমের চাচা ফরিদ উদ্দিন বলেন, বিদেশী মেয়ে হলেও ওর সাথে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক হয়ে গেছে। গত তিন দিন ধরে যখনই সে আমার সামনে আসছে ঘোমটা পরে আসছে, বাঙ্গালি মেয়েদের মতো। সে আমাদের মতোই শাকসবজি, তরকারি খাচ্ছে। পূত্রবধূকে নিয়ে কোন সমস্যা পরিবারে নাই।