পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে ৬২২ মেট্রিকটন আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান মঙ্গলবার সকালে খাদ্য গুদাম চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসিবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহজাহান আলী, গুদাম কর্মকর্তা শেখ হাবিবুর রহমান, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক জয়ন্ত কুমার ঘোষ, প্যানেল চেয়ারম্যান শংকর বিশ্বাস, প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম মিথুন ও ডিলার বিশ্বনাথ দাশ। উল্লেখ্য বিগত বছরের ন্যায় এবছর ও ৩০ টাকা কেজি দরে ১২’শ টাকা মন হিসেবে আগামী ২৮ ফ্রেব্রুয়ারী পর্যন্ত সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে আমন ধান সংগ্রহ করা হবে।
Blog
-

পাইকগাছায় আমন ধান সংগ্রহের উদ্বোধন ; ৬২২ মেট্রিকটন লক্ষ্যমাত্রা
-

পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা -০৬( পাইকগাছা-কয়রা) আসনে আওয়ামী মনোনীত প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামান কে বিজয়ী করার লক্ষ্যে বিশেষ এ বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও সাবেক এমপি এডভোকেট সোহরাব আলী সানা। যুগ্ম সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি সমীরণ সাধু, সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা খায়রুল ইসলাম, আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম, শেখ আনিসুর রহমান মুক্ত, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ, কওছার আলী জোয়ার্দার, রিপন কুমার মন্ডল, কাজল কান্তি বিশ্বাস, কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন, আব্দুল মান্নান গাজী, শাহাজাদা আবু ইলিয়াস, শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ গোলদার, রুহুল আমিন বিশ্বাস, আলহাজ্ব মুনছুর আলী গাজী, আওয়ামী লীগ নেতা হেমেশ চন্দ্র মন্ডল, নির্মল মন্ডল, সরদার মহাসিনুর রহমান, নির্মল অধিকারী, বেনজির আহমেদ বাচ্চু, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, এসএম রেজাউল হক, জি এম ইকরামুল ইসলাম, শেখ ইকবাল হোসেন খোকন, ডাঃ শংকর দেবনাথ, বিভূতি ভূষণ সানা, মাসুমা বেগম, কৃষ্ণপদ মন্ডল, ময়না বেগম, এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, যুবলীগ নেতা জগদীশ চন্দ্র রায়, সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, শ্রমিক লীগ নেতা শাহজাহান কবির, প্রভাষক আব্দুল ওহাব বাবলু, ছাত্রলীগ নেতা মৃণাল কান্তি বাছাড় ও পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী। সভায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল দ্বিধা দ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় মনোনীত প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামান এর বিজয় নিশ্চিত করতে সবাই এক সঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সবাই পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন দলীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। -

তানোরে আওয়ামী লীগের কর্মীসভা
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) আওয়ামী লীগের কর্মীসভা আয়োজন করা হয়েছে। এদিকে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কর্মীসভা জনসভায রুপান্তরিত হয়।
জানা গেছে,৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ইউপির হাপানিয়া স্কুল মাঠে ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার ও ইউপি আওয়ামী লীগ সম্পাদক রবিউল ইসলাম মাস্টারপ্রমুখ।
কর্মীসভায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তাগণ বলেন, ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের বিকল্প নাই। তারা বলেন, আওয়ামী লীগের উন্নয়ন ও অর্জনের চিত্র তুলে ধরে প্রতিটি ভোটারের দোরগোড়ায় গিয়ে ভোট প্রার্থনা করতে হবে এবং মনে রাখতে হবে নৌকা যার আমরা তার, নৌকা যার আওয়ামী লীগের ভোট তার। আগাতিতে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে নিয়ে আমাদের সবাইকে ভোট যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে নৌকার নিরঙ্কুশ বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।# -

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মৌ মৌ গন্ধে ফসলী মাঠে পাকা ধান, বন্যার আ*তংকে কৃষক
এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট :বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে চলতি আমন মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন ফসলী মাঠ জুড়ে সবত্রই পাকা ধানে মৌ মৌ গন্ধে মাতোয়ারা কৃষক। তবে, ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ বন্যার আতংকে রয়েছে সাধারণ কৃষকরা।
সরেজমিন ও উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে, চলতি বছওে এ উপজেলায় ২০ হাজার ৫শ’ ৩৫ হেক্টর জমিতে দেশী আমন ধান ফসল ও উচ্চ ফলনশীল জাতের উফশী ধান ৫ হাজার ৮শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে উৎপাদন করেছে কৃষক। ১৬টি ইউনিয়নসহ পৌরসভায় আগাম জাতের ধান কর্তন শুরু হয়েছে। সেই মুর্হুতে বঙ্গপসারে সৃষ্টি লঘ চাপে ঘূর্নিঝড় মিউজাউন আতংকে পড়েছে কৃষক।
বলইবুনিয়া ইউনিয়নে ১১শ’ ৮০ হেক্টর জমিতে আমন ফসলের মধ্যে ১ হাজার ৮০ হেক্টর উচ্চ ফলনশীল জাতের এবং ১০০ হেক্টর জমিতে দেশী আমন ফলন হয়েছে। এর মধ্যে ২০% জমির ধান কর্তন করে ঘরে তুলতে পেরেছে কৃষক। বাকি ধান মাঠে থাকায় দুশ্চিন্তায় কৃষক। ২০/২৫ দিনের মধ্যে ধান কাটা শেষ হবে।
কালিকাবাড়ি গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর আলম, গফফার শেখ, দোনা গ্রামের আজিজুল হাকিম, আমবাড়িয়া গ্রামের কৃষক পাইক, দৈবজ্ঞহাটী ইউনিয়নের গাজিরঘাট গ্রামের বাদশা খান, সাইফুল তালুকদার, নিখিল ডাকুয়া একাধিক কৃষকরা বলেন, এ বছরে তাদের জমিতে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু ধান ঘরে তুলতে পেরেছে। আর মাত্র ৩ সপ্তাহ সময় পেলে সব ধান কর্তন করতে পারব। হঠাৎ বন্যার খবর পেয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছি। কয়েকদিন আগে বন্যায় ধান হেলে পড়ে অনেক ক্ষতি হয়েছে। আবারও যদি বন্যা হয় বছরের খোরাক ঘরে তোলা যাবে না। গরুর গো-খাদ্যও সংকটে পড়বে।এ বিষয়ে বলইবুনিয়া ইউনিয়ন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা ও দৈবজ্ঞহাটী কৃষি কর্মকতা মিজানুর রহমান ও মশিউর রহমান বলেন, তাদের এলাকায় উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান উৎপাদন করেছে বেশীরভাগ কৃষক। দেশী আমনের চাষ করেছে কম। যে কারনে আগাম ধান কর্তন করতে পারছে কৃষক। ইতোমধ্যে কৃষকদেরকে বন্যার বার্তা দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেজবুক ও হোয়াটসপে অবহিত করা হয়েছে।
এ সর্ম্পকে মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আকাশ বৈরাগী বলেন, এ উপজেলায় ৪৯ টি ব্øকে কৃষকদেরকে ইউনিয়ন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যেমে আবহাওয়ার পূবার্ভাস বার্তা ও করনীয় সর্ম্পকে অবহিত করা হয়েছে। ৮০ ভাগ পাকা ধান কর্তন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামি এক মাসের মধ্যে দেশী আমন ধান কর্তন করে কৃষক ঘরে তুলতে পারবে। উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান বেশীরভাগ কেটে ফেলছেন কৃষক। বন্যা হলেও তেমন একটা ক্ষতির প্রভাব পড়বে না।
এস এম সাইফুল ইসলাম কবির বাগেরহাট প্রতিনিধি
-

৬ ডিসেম্বর হানাদারমুক্ত হয় ঝিনাইদহ বাংলার আকাশে ওড়ে লাল সবুজের স্বাধীন পতাকা
আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
আজ বুধবার ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ হানাদারমুক্ত হয়। বাংলার আকাশে ওড়ে লাল সবুজের স্বাধীন পতাকা। চালু হয় ঝিনাইদহে অসামরিক প্রশাসন। স্বাধীনতা যুদ্ধে জেলায় প্রথম সম্মুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিষয়খালীতে। এছাড়া শৈলকুৃপা থানা আক্রমন, কামান্না, আলফাপুর ও আবাইপুরের যুদ্ধ আজও স্মৃুতিতে অ¤øান। ঝিনাইদহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার মকবুল হোসেন জানান, ১৯৭১ সালের ১ এপ্রিল যশোর ক্যান্টোনমেন্ট থেকে ভারী অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পাকিস্থানি হানাদার বাহিনী ঝিনাইদহ দখলের উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসতে থাকলে বিষয়খালী ব্রীজের এপার থেকে মুক্তিযোদ্ধারা তাদেরকে প্রবাল বাধা দেয়। প্রায় তিন ঘন্টা যুদ্ধের পর তারা পিছু হঠে যায়। ১৬ এপ্রিল হানাদার বাহিনী আবারো বিষয়খালী বেগবতী নদীর তীরে এসে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল বাধার সম্মুখিন হয়। এখানে প্রায় ৬ ঘন্টা তুমুল যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধে ৩৫ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ব্রীজের পাশেই তাদের গণ কবর দেওয়া হয়। এ থেকেই জেলায় ছড়িয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধ। বিভিন্ন স্থানে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে। সে সময় উল্লেখযোগ্য যুদ্ধের মধ্যে ছিল বিষয়খালী যুদ্ধ, গাড়াগঞ্জ যুদ্ধ, শৈলকুৃপা থানা আক্রমন, কামান্না, আলফাপুর ও আবাইপুরের যুদ্ধ। ঝিনাইদহে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সুত্রে জানা গেছে, পহেলা থেকে ষোল এপ্রিল বিষয়খালী যুদ্ধে ৩৫ জন, ১৪ অক্টোবর আবাইপুর যুদ্ধে ৪১ জন, ২৬ নভেম্বর কামান্না যুদ্ধে ২৭ জনসহ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝিনাইদহ জেলায় ২৭৬ জন মুক্তিযুদ্ধা শহীদ হন। এর মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে এই জেলায় দুই জন। তাঁরা হলেন খোর্দখালিশপুরের বীর শ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ও সাগান্না গ্রামের বীর প্রতিক সিরাজুল ইসলাম। শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আনেককে বিভিন্ন স্থানে গণকবর দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে আনেকের নাম ঠিকানা আজও মেলেনি। ৬ ডিসেম্বরের আগে ৩ ডিসেম্বর মহেশপুর, ৪ ডিসেম্বর কোটচাঁদপুর, ৫ ডিসেম্বর কালীগঞ্জ এবং সর্বশেষ ১১ ডিসেম্বর শৈলকুপা উপজেলা শত্রæমুক্ত হয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন ঝিনাইদহ আওয়ামী সেচ্ছাসেবক বাহিনীর জেলা কমান্ডার প্রয়াত আমির হোসেন মালিতা তার লেখা গ্রস্থে উল্লেখ করেন, “৫ ডিসেম্বর মধ্যরাতে মিত্র বাহিনী ঝিনাইদহের হলিধানী বাজারে এসে খবরা খবর নিতে আসেন। তারপর তারা ৬ ডিসম্বর ভোরে ঝিনাইদহ শহরে প্রবেশ করেন। মিত্র বাহীনির নেতৃত্বে ছিলেন, কর্ণেল বাহেলে ও লেঃ কর্ণেল পিকে দাস গুপ্ত। ৬ ডিসেম্বর সকাল ৭টায় ঝিনাইদহের ইউনিট কমান্ডার হিসেবে তিনিসহ ইউনিয়ন কমান্ডার রজব আলী, বাকুয়া গ্রামের মরহুম মনিরুল ইসলাম, নারিকেল বাড়িয়ার বুলু মিয়া, গাবলা গ্রামের মকছেদ আলীসহ অনেকে মিত্র বাহিনীকে স্বাগত জানিয়ে দ্রæত ঝিনাইদহে বেসামরিক প্রশাসন চালু করার প্রস্তাব দেন। তখনও সারা দেশে শামরিক শাসন চলছে। বাংলাদেশের প্রথম ঝিনাইদহ জেলায় বেসামরিক প্রশাসন চালুর ফলে পাকিমুক্ত হয় ঝিনাইদহ”। এদিকে আজ হানাদারমুক্ত দিবস পালন উপলক্ষ্যে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বিস্তারিত কর্মসুচি গ্রহন করেছে।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান -

রাজশাহী-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার
আলিফ হোসেন, তানোরঃ
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী, বিলাস ও প্রচার বিমূখ, সৎ রাজনৈতিকের প্রতিকৃতি, কর্মী-
জনবান্ধব, আদর্শিক এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশস্ত নেতৃত্ব আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীর বিরুদ্ধে আবারো অপপ্রচার শুরু করেছে চেনামুখের সেই একই গোষ্ঠী। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই এরা বলে আসছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফারুক চৌধুরী দলীয় মনোনয়ন পাবেন না এটা শতভাগ নিশ্চিত। কিন্ত্ত সব-জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারো নৌকার টিকিট পান ফারুক চৌধুরী। এবারো তার বিজয় প্রায় নিশ্চিত।
অথচ সেই গোষ্ঠী এবার ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অপপ্রচার শুরু করেছেন। কিন্ত্ত এসব অভিযোগ ফারুক চৌধুরীর নামের সঙ্গে মানায় না। কারণ ফারুক চৌধুরী জমিদার পরিবারের সন্তান। রাজনীতিতে আশার অনেক আগেই তিনি সিআইপি মর্যাদা অর্জন করেছেন। হয়েছেন রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও রাজশাহীর সর্বোচ্চ স্বচ্ছ আয়করদাতা। তিন বারের সাংসদ একবার প্রতিমন্ত্রী। এছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সভাপতি ও সম্পাদক হয়েছেন। এসব তথ্য কি বলে তিনি হঠাৎ করেই সম্পদের মালিক হয়েছেন ? তাহলে যারা দু’দশক আগেও বাইসাইকেল নিয়ে রাজনীতি করেছেন এবং কোনো ব্যবসা-বাণিজ্যে ছাড়াই কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন তাদের হাতে কি আলাদীনের চেরাগ রয়েছে। তাদের আয়ের উৎস কি ? এদের নিয়ে তো কোনো খবর হচ্ছে না। বার বার কেনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্য ব্যতিত ফারুক চৌধুরীকে নিয়ে চেনা মুখের একই গোষ্ঠী অপপ্রচার করছে। দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে এসব অপপ্রচার ছড়িয়ে দলের নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে কার স্বার্থে। যারা করছে এরা কারা ? এদের উদ্দেশ্যে কি ? এছাড়াও ফারুক চৌধুরীর বিভিন্ন পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগদানের ঘটনাকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে অপপ্রচার করা হচ্ছে।
তৃণমূলের অভিমত, জামায়াত-বিএনপির আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় আওয়ামী লীগের কিছু বিপদগামী,বিতর্কিত ও জনবিচ্ছিন্ন বগী নেতার সমন্বয়ে গড়ে উঠা একই মুখের একটি চিহ্নিত গোষ্ঠি এমপি
ফারুকের বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচার
করছে। তাদের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ সরকারে থাক তবে ফারুক চৌধুরীর মতো আদর্শিক নেতৃত্ব যেনো এমপি না হয়। ফারুক চৌধুরীর মতো নেতৃত্ব এমপি না থাকলে পদ বাণিজ্যে ও দলের নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধ অর্থ আহরণ করতে তাদের সুবিধা হবে। এদিকে জননন্দিত ও গণমানুষের নেতা এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে আবারো অপপ্রচারের খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এই জনপদের মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
জানা গেছে, দেশে সাধারণ নির্বাচনের মৌসুম আসলেই ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো নিয়মে পরিণত হয়ে উঠেছে। কিন্ত্ত কেনো বার বার তার বিরুদ্ধে মিথ্যা-ভিত্তিহীন-বানোয়াট এবং তার নামের সঙ্গে মানায় না এমন অভিযোগের পাহাড় দাঁড় করানো হচ্ছে এসব অভিযোগের হেতু কি ? আবার আমজনতা নয় চেনা মূখের চিহ্নিত একটি গোষ্ঠি বার বার এসব অভিযোগ উঙ্খাপন করছে। এমপি ফারুক চৌধূরী প্রায় দুই দশক যাবত বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপি-জামাতের দুর্গে আওয়ামী লীগকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার দীর্ঘ এই রাজনৈতিক জীবনে তার বিরুদ্ধে একজন সাধারণ মানুষেরও কোনো অবিযোগ নাই। অথচ নির্বাচনের মৌসুম আসলেই
চিহ্নিত একটি বির্তকিত গোষ্ঠী কোনো সুনিদ্রিস্ট তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই তার বিরুদ্ধে পাহাড়সম অভিযোগ উঙ্খাপন ও প্রোপাগান্ডা শুরু করে। তাহলে দুই দশক আওয়ামী লীগের এসব কথিত শুভাকাঙ্খিরা কোথায় ছিল বা তারা নেতৃত্ব দিয়ে আওয়ামী লীগকে কি এমন উপহার দিল। এই প্রশ্নের উত্তর কি তারা দিতে পারবেন। বিএনপি-জামাতের চোখ রাঙানিতে তারা তো কখানো প্রকাশ্যে কোনো কর্মসূচিই দিতে পারেনি। প্রশ্ন হলো এমপি ফারুক চৌধুরী আওয়ামী লীগকে যদি নেতুত্ব দিতে ব্যর্থ হন তাহলে তো তৃণমূল থেকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আশার কথা, সেটা না হয়ে বার বার
একই গোষ্ঠির অভিযোগ তাহলে কি আওয়ামী লীগ শুধু এরাই করে এরাই আওয়ামী লীগের ভাল চাই, আর কেউ নেই। যদি সেটা হয় তাহলে তো তারাই আওয়ামী লীগের বিরোধীতা করে বিভিন্ন নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নেন।আবার রাজশাহী বিভাগীয় একটি জেলা শহর এবং জামায়াত-বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত এখানে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিতে হলে নেতার রাজনৈতিক দূরদর্শীতা-আর্থিক স্বচ্ছলতা, সাহসীকতা-কর্মীবাহিনী, পারিবারিক ঐতিহ্য-সামাজিক মর্যাদা ইত্যাদি গুনের অধিকারী হতে হবে, যা কেবলমাত্র ফারুক চৌধূরীর রয়েছে। তিনি ব্যতিত তার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী গোষ্ঠির
কারো মধ্যে কি এসব গুন রয়েছে বা ফারুক চৌধূরীকে সরিয়ে তার শূণ্য স্থান পুরুণের মতো সক্ষমতা কি কারো মধ্যে রয়েছে, নিশ্চিত সেটা নাই তাহলে কেনো তারা বার বার তার বিরুদ্ধে এসব গায়েবী অভিযোগ উঙ্খাপন করছে তাদের
উদ্দেশ্যে কি ?
এমপি ফারুক চৌধূরী আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আশার পর দল সাংগঠনিকভাবে কি শক্তিশালী হয়েছে না দুর্বল হয়েছে, স্থানীয় নির্বাচনে তিনি কখানো কি নেতা, নেতৃত্ব ও দলের সঙ্গে বেঈমানী করে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন, তিনি কখানো কি দলের কোনো দায়িত্বশীল নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেছেন, তিনি কখানো কি দলীয় কর্মসূচির নামে চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, ভূমিদুস্যুতা-জবরদখল, সন্ত্রাসী-লুটপাট, পদবাণিজ্য বা স্থানীয় নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্য ইত্যাদি করেছেন করেন নাই।
রাজশাহী জামায়াত-বিএনপির দুর্গ তছনছ করে আওয়ামী লীগের বসতঘর
ফারুক চৌধূরীর নেতৃত্বে হয়েছে। যারা তার বিরুদ্ধে নানা ধরণের গায়েবী অভিযোগ উঙ্খাপন করছে আওয়ামী লীগে তাদের কি কোনো অবদান রয়েছে কেউ কি বলতে পারবে ?
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণের ভাষ্য, এমপি ফারুক চৌধূরীর বিরুদ্ধে তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই যত অভিযোগ উঙ্খাপন হয়েছে সবগুলোই একই মুখের চিহ্নিত গোষ্ঠির। এর মধ্যে দিয়ে এটাই প্রমাণ হয় এমপি ফারুকের পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজক্ষুন্ন ও সমাজে তাকে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতেই তার
বিরুদ্ধে এসব গায়েবী অভিযোগ। এদিকে জনপদের মানুষ দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, যারা তার মনোনিত
নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা-বানোয়াট অপপ্রচার ও প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে দল, নেতা ও নেতৃত্বের অবমাননা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী করেছেন।
স্থানীয়রা বলছে, যারা এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ উঙ্খাপন করেছেন তাদের মধ্যে নব্য কোটিপতি অনেকের বিরুদ্ধে রাজশাহী শহরে খাস জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ, টেন্ডারবাজী, দলীয় কর্মসূচির নামে চাঁদাবাজী, বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক,হাট- ঘাট-মাদক স্পট ও বালুমহাল ইত্যাদি থেকে চাঁদাবাজির কথা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচার বা আলোচনা রয়েছে।রাজশাহী-১ আসনের নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। -

নড়াইলে দুই বাসের মু*খোমুখি সং*ঘর্ষ আহত তিন
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইল সদর উপজেলায় মহাসড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বাসের ড্রাইভার ও শিশুসহ ৩-৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
জানান, মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে নড়াইল-যশোর মহাসড়কের নাকসী বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তুলরামপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী এক বাস যশোরের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে নড়াইল সদর উপজেলার নাকসী এলাকায় পৌঁছালে যশোর থেকে লোহাগড়ার দিকে আসা এক বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় বাসের ড্রাইভার ও শিশুসহ ৩-৪ জন আহত হন। আহতদের নড়াইল জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
তুলরামপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক মেহেদী হাসান, এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় ৩-৪ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। -

শ্রমজীবীদের ভাড়া করে জ্বালাও-পোড়াও করা হচ্ছে:ডিএমপি কমিশনার- হাবিব
স্টাফ রিপোর্টার: নিরেন দাস
রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও শ্রমজীবী মানুষদের ভাড়া করে জ্বালাও-পোড়াও এবং ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব।
সোমবার (৪ ডিসেম্বর) ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন,আসছে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জ্বালাও-পোড়াও এবং ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়গুলো একেবারে উপেক্ষা করা যাবে না। ইতোমধ্যে তদন্তে এসেছে তারা (রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী) নিজেরা এটি করেছে এবং শ্রমজীবী মানুষ ভাড়া করে এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে। এজন্য গোয়েন্দা সংস্থা ও ইউনিফর্মধারী পুলিশ আরও বেশি সতর্ক থেকে দায়িত্ব পালন করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে গত ১৮ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে, আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১২ তম সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকাসহ সারাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনায় স্ব-উদ্যোগে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) মহা. আশরাফুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার এবং উপ-পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তারা।
-

আদিতমারীতে ১৯২ বোতল ফেন্সিডিলসহ বাংটু গ্রে*ফতার
মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।
লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, এর দিক-নির্দেশনায় আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোজাম্মেল হক এর নেতৃত্বে এসআই/ আমিনুল ইসলাম, ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ০৮ নং মহিষখোচা ইউপির বারঘড়িয়া মৌজাস্থ জনৈক গোলাম রব্বানী এর বাড়ীর সামনে পাঁকা রাস্তার পার্শ্বে বাঁশঝাড় হতে পঞ্চা চন্দ্র রায় @ বাংটু (৪৫), পিতা-মৃত শচীন্দ্র নাথ, সাং-কিসামত বড়াইবাড়ী, থানা আদিতমারী, এর হেফাজত হতে ১৯২ বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও ৪৮ বোতল কোডিনযুক্ত স্কাফ সিরাফ উদ্ধার করা হয়। সেই সময় আসামী সুলতান মিয়া (৩৫), পিতা-মোঃ নবাব আলী, সাং-কিসামত বড়াইবাড়ী, থানা- আদিতমারী, আসাদুল হক (৫০), পিতা-জমশের আলী, সাং- নিথক (ঢাকাইয়াটারী), থানা- কালীগঞ্জ, উভয় জেলা –লালমনিরহাটদ্বয় সু কৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ধৃত ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে আদিতমারী থানায় একটি মামলা নং-০৫, ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) সারণির ১৪(গ)/৪১ রুজু করা হয়। আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোজাম্মেল হক,জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ০৮ নং মহিষখোচা ইউপির বারঘড়িয়া মৌজাস্থ জনৈক গোলাম রব্বানী এর বাড়ীর সামনে পাঁকা রাস্তার পার্শ্বে বাঁশঝাড় হতে ১৯২ বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও ৪৮ বোতল কোডিনযুক্ত স্কাফ সিরাফ উদ্ধার এক জনকে গ্রেফতার করেন পুলিশ।হাসমত উল্লাহ ।
-

লালমনিরহাটে রবি মৌসুমে বোরো বীজ ও সার বিতরণ
মো.হাসমত উল্লাহ, লালমনিরহাট।।
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা। গ্রাম বাংলার কৃষকরা ভালো ফলনের আশায়। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে উপশী কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচীর রবি মৌসুমে উপশী বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধির জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে হাইব্রিড বীজ ও সার বিতারণ করেন। গত ৫ই ডিসেম্বর ২০২৩ইং মঙ্গলবার কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর আয়োজনে বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন, এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহির ইমাম।আরো উপস্থিত ছিলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার ফেরদৌস আহমেদ, অতিরিক্ত উপজেলা কৃষি অফিসার তুষার কান্তি রায়,কৃষি সম্পশারন অফিসার মোজাক্কের নোমান, অফিস সহকারী আলতাফ হোসেন, ও প্রান্তিক কৃষক সহ আরো অনেক। ২৪০০জন কৃষক এ কর্মসচীর আওতায় ১ জন কৃষক ১ বিষা জমির জন্য হাইব্রিড উফশী ধানের বীজ ৫ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ১০ কেজি সভায়তা দেওয়া হবে। ভোটমারী ১১০,মদাতী ২৮০, তুষভান্ডা ৪৫০, দলগ্রাম২৫০, চন্দ্রপুর ২৬০, গোড়ল ৩৯০, চলবলা ৪০০, কাকিনা ইউনিয়নে ২৬০, জন কৃষক। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন,বলেন ভালো বীজে ভালো ফলন হয়। এবং রোগ বালাই কম হয়।ভালো জায়গাতে বীজ বপন করেন। অনুকূল আবহাওয়া থাকালে এবং নিবিড় পরিচর্যাসহ যথা সময়ে জমিতে সার কীটনাশক ও সেচ দিলে এবার লক্ষ মাত্রা পূরন হবে বলে আশা করছি। বীজ সংগ্রহ কারি এক কৃষক এর সাথে কথা বল্লে তিনি বলে গত বছর অফিসের বীজ নিয়ে যে ফলন হয়েছে এবার অনুকূল আবহাওয়া থাকালে এবারো ভালো ফলনের আশকরছি। তাই সকল কৃষক ভাইদের বলি সবাই ভালো বীজ দিয়ে কৃষি আবাদ করবেন।
হাসমত উল্লাহ ।