Blog

  • টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি সংক্রান্ত জেরে ৩জনকে গাছে বেঁধে নি*র্যাতনের অভিযোগ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি সংক্রান্ত জেরে ৩জনকে গাছে বেঁধে নি*র্যাতনের অভিযোগ

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে মা, দুই ছেলে ও এক ছেলের স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
    মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে মধুপুর পৌরসভা এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পুন্ডুরা গ্রামে এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
    নির্যাতনের শিকাররা হলেন- উক্ত গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী শাফিয়া বেগম (৫৫), বড় ছেলে আলমগীর হোসেন, ছোট ছেলে জুব্বার আলী ও আলমগীরের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আলমগীরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও শাশুড়ি শাফিয়া এবং ছেলে বউ জ্যোৎস্নাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
    স্থানীয়রা জানান, আলমগীর ও জুব্বারের সঙ্গে প্রতিবেশী মৃত আবু শেখের ছেলে কালু মিয়া শেখ ও তার ভাইদের সঙ্গে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছে। দু’পক্ষের মধ্যে মামলা-মোকদ্দমাও হয়েছে।
    দীর্ঘ ২৩ বছর বাটোয়ারা মামলা চলার পর চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি আদালত আলমগীর ও জুব্বারের পক্ষে রায় দেন। রায় পেয়ে জমির খাজনা খারিজ করেন তারা।
    মাঠ ও প্রিন্ট পর্চা তাদের নামেই রয়েছে। প্রতিপক্ষ কালু মিয়া শেখ, ভাই আজগর ও সামাদকে নিয়ে গত কয়েক মাস আগে উক্ত জমির মালিক দাবি করে আদালতে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে আবেদন করলে আদালত স্থানীয় সংশ্লিষ্ট বিভাগের তদন্ত রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। আলমগীর, জুব্বাররা কাগজপত্রের ভিত্তিতে ১৪৪ ধারার বিপরীতে জজ কোর্টে আপিল করেছেন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে দুই পরিবারে মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
    মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে কালু মিয়া গং ৬০ শতক জমিতে ঘর নির্মাণ শুরু করেন। এ সময় আলমগীর ও জুব্বার বাধা দিলে তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে রড ও লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকে প্রতিপক্ষরা। সে সময় তাদের মা শাফিয়া এগিয়ে এলে তাকেও গাছে বেঁধে ফেলা হয়। শাশুড়িকে রক্ষায় এগিয়ে আসেন ছেলের বউ জ্যোৎস্না বেগম। তখন ওই ছেলের বউকেও বাদ দেয়নি প্রতিপক্ষরা। তাকেও হাত-পা বেঁধে বসিয়ে রাখা হয় ওই জমিতে। এ অবস্থায় পুলিশকে ফোন দিয়ে জানানো হলেও পুলিশ না আসায় স্থানীয় এক ব্যক্তি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করেন। পরে মধুপুর থানা পুলিশ এসে তাদেরকে উদ্ধার করে।
    মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, জমি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে ধাক্কা-ধাক্কি হয়েছে। তবে গাছে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এ ধরনের কোনো ঘটনা হয়ে থাকলে এবং কেউ অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।

  • তেঁতুলিয়ায় নির্যাতন সইতে না পেরে গৃহবধূর আত্মহ*ত্যা

    তেঁতুলিয়ায় নির্যাতন সইতে না পেরে গৃহবধূর আত্মহ*ত্যা

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে সবুরা খাতুন (৪৫) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে নিহতের আত্মীয়জন।

    সোমবার (৫ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়।

    সবুরা উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের ভূতিপুকুর এলাকার কাশিম উদ্দিন হুলুর স্ত্রী।

    ওই নারীর পরিবারের লোকজন জানায়, প্রায় ২২ বছর আগে প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর দেবনগর ইউনিয়নের কামাতপাড়া এলাকার ফজলে করিমের মেয়ে সবুরা খাতুনকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন কাশিম উদ্দিন হুলু। বর্তমানে তাদের সংসারে দুটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। মাঝে মধ্যেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলতো। স্থানীয় ভাবে কয়েকবার শালিসও হয়েছে।

    গত রোববার ভাইয়ের বাড়িতে যেতে চাইলে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে কাশিম তাকে মারধর করে। রাগের ক্ষোভে বাড়িতে থাকা কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে সবুরা। পরে তাকে আবারও মারধর করার সময় তার অবস্থার অবনতি হলে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে কাশিম উদ্দিন।

    সবুরার ভাই খাদেমুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, কাশিম আমার বোনকে সামান্য বিষয় নিয়ে মারধর করতো। সেদিন আমার বাড়িতে আসতে চাওয়ায় তাকে প্রচণ্ড মারপিট করে। রাগে ক্ষোভে আমার বোন আত্মহত্যার জন্য বিষ পান করে। এই অবস্থাতে আবারও তাকে মারধর করা হয়। পরে আমার বোনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার রাতে আমার বোন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলে তারা লাশ রেখে পালিয়ে যায়। আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

    এদিকে কাশিম উদ্দিনের পরিবার বলেন, তাকে কোন মারপিট করা হয়নি। ভাইয়ের বাড়িতে যেতে নিষেধ করায় সে নিজেই বিষপান করেছে।
    দেবনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছলেমান আলী বলেন, এর আগে বেশ কয়েকবার বিচার শালিস হয়েছে। মৃত্যুর এই ঘটনায় ওই নারীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে জানা গেছে। আমরা এ ঘটনার ন্যায্য বিচার চাই।

    তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ চৌধুরী বলেন, সোমবার দিবাগত রাতে সবুরা নামের ওই নারী মারা যায়। এ বিষয়ে ইউডি মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • পঞ্চগড়ে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

    পঞ্চগড়ে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড় সদর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারামারি-কিলঘুষিতে ছোট ভাই আব্দুল মমিন (৬৫) -এর হাতে বড় ভাই ইয়াকুব আলী’র (৮৩) মৃত্যু হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের সাহেবীজোত ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইয়াকুব আলী ওই এলাকার আফসার আলীর ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে জমি নিয়ে বৈপিত্রেয় বড়ভাই ইয়াকুব আলীর সাথে ছোট ভাই আব্দুল মমিনের বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিস বৈঠকও হয়। পরে মঙ্গলবার সকালে আবারও বিরোধে জড়ায় দুই ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা। এক পর্যায়ে ছোট ভাই আব্দুল মমিনের কিলঘুষিতে বড় ভাই ইয়াকুব আলীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য প গড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

    অন্যদিকে জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে শাহিন (২০) ও মৃনাল (১৮) নামে দু’জন আহত হয়েছেন। সোমবার রাতে দেবীগঞ্জ পৌরসভার দ্বোসীমানা এলাকায় এঘটনা ঘটে।

    পরে আহতদের উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ হাসপাতালে নেয়া হলে শাহিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম ।

  • আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন আর নেই

    আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন আর নেই

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার আহম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন মিয়া মৃত্যুবরণ করেছেন। মঙ্গলবার(০৫ ডিসেম্বর) বিকেলে নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব বলেন,মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে নিজ বাসায় কামাল হোসেন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিকেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল (৫৫)। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ১ মেয়ে রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও আত্মীয়স্বজনসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। এর আগে সফল এবং আদর্শ রাজনীতিক ও ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুর খবর শোনার পরে তাঁর বাড়িতে ছুটে যান পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল ওহাব, বেড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আমিনপুর থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক বাবু, আমিনপুর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইউসুব আলী,সহ সভাপতি শাহীন চৌধুরী,বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ আ.লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এর পরপরই মুহুর্তের মধ্যে এলাকার সর্বস্তরের নারী পুরুষ এই রাজনীতিবিদ এবং আহম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বার বার নির্বাচিত সাবেক সফল চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক কামাল হোসেন মিয়াকে এক নজর দেখার জন্য তার বাসভবনে ভীড় করেন। এ সময় শেষ বিদায় জানাতে আসা মানুষের চোখের জলে সেখানে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। বুধবার(০৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় আহম্মদপুর ইউনিয়নের শহীদ স্মরণীকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মরহুমের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে আহম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি খন্দকার আজিজুল হক আরজু, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক কামরুজ্জামান উজ্জল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, আওয়ামীলীগ নেতা আশিকুর রহমান খান সবুজ, জেলা পরিষদের সদস্য আহমেদ ফররুখ কবির বাবু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন, দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান,নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান, তাঁতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া,সাতবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন,সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম সামছুল আলম, মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম,সাবেক চেয়ারম্যান এস এম আমিনুল ইসলাম, ভাঁয়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন, সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী, হাটখালী ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ, রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম তৌফিকুল আলম পিযুষ,সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী,ভায়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন, ঢালারচর ইউপি চেয়ারম্যান কোরবান আলী, মাসুন্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুর রহমান, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুস ছাত্তার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ, সাধারণ সম্পাদক শেখ মিলন, নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুস ছাত্তার প্রাং, ভাঁয়না ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান দয়াল, মানিকহাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারেক,নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পপাদক সাব্বির আহমেদ রাজু, দুলাই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রেজাউল করিম বাচ্চু মোল্লা,সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক মাস্টার,হাটখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুর রশিদ মাস্টার, রাণীনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক, সাগরকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সরদার তোফায়েল আহমেদ, তাঁতীবন্দ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি খন্দকার আব্দুল কুদ্দুস,সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সরদার রাজু আহমেদ,সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম, দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তমাল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তুষার, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এস এম সোহাগসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি।

  • নড়াইলে ২টি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

    নড়াইলে ২টি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় দু’টি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
    মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার লোহাগড়া বাজারে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
    অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরিন জাহান। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে লোহাগড়া বাজারের ঢাকা বিরিয়ানি হাউজকে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির দায়ে ১০ হাজার টাকা ও লোহাগড়া বীজ ভান্ডারকে অতিরিক্ত মূল্যে বীজ বিক্রির দায়ে ২০ হাজার টাকাসহ মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করা হয়। অভিযানে আনসার সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।

    ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরিন জাহান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লোহাগড়া বাজারের ঢাকা হাজী বিরিয়ানী হাউজকে ১০ হাজার এবং লোহাগড়া বীজ ভান্ডারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • আওয়ামী লীগ সরকার এমন কোন কাজ করেনি যাতে জনগণ আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে-সিটি মেয়র খালেক

    আওয়ামী লীগ সরকার এমন কোন কাজ করেনি যাতে জনগণ আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে-সিটি মেয়র খালেক

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট :দেশে যত উন্নয়ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকার করেছে, তা পূর্বের কোন সরকার করে নাই। দেশের জনগণকে ভালো রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনার সরকার নারীর ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠা করেছে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা, প্রতিবন্ধী, মাতৃত্রকালীন ভাতাসহ যত সুযোগ সুবিধা সাধারণ মানুষকে দিয়েছে, তা সারা বিশ্বে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আমাদের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের যত উন্নয়ন হয়েছে, তার সব কিছুই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হয়েছে। দেশের দ্বিতীয় সমুন্দ্র বন্দর মোংলা-যা বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে বন্ধ করে দিয়েছিল, আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সে বন্দরকে আবার চালু করেছে। রামপাল-মোংলায় যানবাহন চলার উপযোগী একটি রাস্তা ছিলনা। একটি ইট রাস্তায় বসাইনি বিএনপি জামায়াত জোট সরকার। ভবনগুলো ছিল সব জরাজীর্ণ। আওয়ামী লীগ সরকার সুউচ্চ ভবন দিয়েছে, ভালো মসজিদ দিয়েছে, মন্দির দিয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার এমন কোন কাজ করেনি যাতে জনগণ আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে। বিএনপি জামায়াত আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের চেষ্টায় লিপ্ত আছে। আমাদের এ অঞ্চলের মানুষের এখন নৈতিক দায়িত্ব, আগামী ৭ জানুয়ারী সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটারের উপস্থিতির মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারকে টানা পঞ্চম বারের মতো ক্ষমতায় আনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমত্তার অধিকারী। সে বিচার বিবেচনা করে ৯৭ বাগেরহাট-৩(রামপাল-মোংলা) আসনে টানা চতুর্থ বারের মত বেগম হাবিবুন নাহারকে নৌকার টিকিট দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ দক্ষিণ এশিয়ার একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। দলের মধ্যে বিভিন্ন কারণে নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিভেদ তৈরি হতে পারে। অতীত ভুলে গিয়ে সবাইকে একতাবদ্ধ হয়ে শেখ হাসিনার মনোনীত নেীকার প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করানোর আহবান জানান তিনি।

    মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শ্রীফলতলা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে রামপাল উপজেলা যুবলীগের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা তালুকদার আব্দুল খালেক।

    উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান মো. নুরুল হক লিপন’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক, জেলা পরিষদ সদস্য শেখ মনির আহমেদ প্রিন্স’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোল্লা আ. রউফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ (অব:) মোতাহার রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন , মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসা. হোসনেয়ারা মিলি, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জামিল হাসান জামু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল্লাহ ফকির, আ’লীগ নেতা আরাফাত হোসেন কচি, জালাল উদ্দীন দুলাল, শেখ শরিফুল ইসলাম, মো. গোলাম ইয়াছিন রাজুসহ সকল ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতিও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির বাগেরহাট প্রতিনিধি

  • বিসিএস ক্যাডার থেকে ঝাড়ুদার পর্যন্ত সবাই পরিচ্ছন্নতা কর্মীর ভূমিকায়

    বিসিএস ক্যাডার থেকে ঝাড়ুদার পর্যন্ত সবাই পরিচ্ছন্নতা কর্মীর ভূমিকায়

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট :সরকারি হাসপাতাল পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু সাদাত মো. মফিদুল ইসলাম। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকটে বিসিএস কর্মকর্তা থেকে ঝাড়ুদার পর্যন্ত সকলে মিলে পরিচ্ছন্ন রাখছেন হাসপাতাল ও আশে পাশের এলাকা। এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন রোগী ও সুশিল সমাজ।

    মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচ্ছন্নতা কর্মী, কর্মকর্তা ও চিকিৎসকগণ হাতপাতালের অভ্যন্তরের বিভিন্ন স্থান পরিস্কার করছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ও অফিসারদের নিয়ে পরিচ্ছন্নতা কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এসময় কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে আগের দিনের ময়লা আবর্জনার স্তুপ অপসরণ দেখা যায়।

    জানা গেছে, সেবার মান ভালো হওয়ায় ফকিরহাটসহ আশে পাশের উপজেলা থেকে হাজার হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন এই হাসপাতালে। অতিরিক্ত রোগী ও তাদের সাথে আসা লোকজনের ফেলা ময়লা আবর্জনা অপসারণে হিমশিম খেতে হয় হাসপাতালের ৩জন ঝাড়ুদারকে। ফলে নোংরা পরিবেশ থেকে হাসপাতালকে রক্ষা করতে সকলে মিলে পরিস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    চিকিৎসা নিতে আসা আকলিমা খাতুন, নয়ন শেখ, আরতী রানী কুণ্ডু, ঝুমা দাশসহ কয়েক জন রোগীর সাথে কথা হয়। তারা জানান, হাসপাতালের বর্তমান পরিস্কার পরিবেশ দেখে তাদের খুবই ভালো লাগছে। ইনডোর, আউট ডোর ও আশে পাশের আবর্জনা নিয়মিত অপসরনের ফলে মশা মাছির উপদ্রব কমে গেছে।

    স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১২টি পদের মধ্যে ৪৫টি পদ শূন্য রয়েছে। এসব পদের মধ্যে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির শূণ্য পদ বেশি।

    ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু সাদাত মো. মফিদুল ইসলাম জানান, সেবার মান ঠিক রাখতে এবং রোগীদের স্বার্থকে অগ্রাধীকার দিতে আমরা সকলে মিলে কাজ করছি। আমরা অভ্যান্তরিন মিটিং করে এ উদ্যোগ নিয়েছি। ডাক্তার থেকে শুরু করে পরিচ্ছন্নতা কর্মী পর্যন্ত সবাই মিলে হাসপাতালকে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করছি।

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির বাগেরহাট প্রতিনিধি।

  • পরাজয়ে হার না মানা নারী নিলুফার ইয়াসমিন

    পরাজয়ে হার না মানা নারী নিলুফার ইয়াসমিন

    আনোয়ার স্বরূপকাঠি থেকে//

    পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর কুড়িয়ানা ইউনিয়নের প্রতিটা কোনায় যার পদচারনা তিনি হলেন নিলুফার ইয়াসমিন খুব অল্প বয়সে তাকে বিয়ে দেওয়া হয়। তার পরিবার ছিল কৃষি নির্ভর এবং বিয়ের পর স্বামীর বাড়ি ও ছিল কৃষি নির্ভর। তাই জন্ম সূত্রে তিনি ছিলেন কৃষক। বিয়ের পর তিনি ঘরের কাজ সামলে কৃষি কাজে নিজেকে দক্ষ করে তোলে। নিলুফা তার এলাকার নারীদের সম্পৃক্ত করে তাদের কৃষি কাজে উদ্বুদ্ধ করেন। পাশাপাশি তিনি সামাজিক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে থাকে এবং কৃষি কাজের সাথে জড়িত নারীদের পরামর্শ দেন যেমন কিভাবে রোপন করতে হবে, আর্থিক অনুদান কিভাবে সংগ্রহ করে কাজে লাগাতে হবে এ বিষয় তাদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
    তিনি তার এলাকার মধ্যে সালিশ ব্যবস্থায় অংশগ্রহন করতেন বিশেষ করে পারিবারিক বিবাদ বা স্বামী স্ত্রী কলহো। এখানে তিনি দেখতে পান সালিশি ব্যবস্থায় একটা বৈষম্য রয়েছে। নারীর তুলনায় পুরুষের প্রাধাণ্য দেওয়া হতো বেশি । নারীর কথার কোন মূল্যায়ন করা হতো না এবং নারীরা বেশির ভাগ সময় সঠিক ন্যায্য বিচার পেতনা। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন নারী পুরুষের এই বৈষম্যকে ভাঙ্গতে হবে নারী পুরুষের প্রকৃত পরিবর্তন হতে গেলে সমতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাই তিনি নারীদের সঠিক বিচারের দাবিতে নারীর পক্ষে হয়ে কথা বলা শুরু করেন এবং পারিবারিক বিবাদ মিমাংসায় নারী পুরুষ উভয়ের কথাকে গুরুত্ব দিয়ে শুনতে হবে সে বিষয় দাবি তোলেন।

    নিলুফার ইয়াসমিন যখন রাজনৈতিক দলে পদে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তাবিত হয়ে ছিলেন তখন তিনি বুঝতে পেয়ে ছিলেন রাজনীতিতে নারীদের সম্পৃক্ত হওয়া প্রয়োজন । ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগনের প্রত্যাশা ছিল নিলুফার ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনে নির্বাচন অংশগ্রহনের মধ্যে দিয়ে জনগনের সেবা প্রদান করেন। কিন্তু তিনি সেটা কখনো চাননি। তিনি চেয়েছিলেন নির্বাচন করলে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন। ২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি তার মায়ের অণুপ্রেরণায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য নমিনেশন জমা দেওয়ার পর এলাকার জনগনের চিন্তা ভাবনার অভিপ্রকাশ ঘটে। বিশেষ করে পুরুষ এর মধ্যে দেখা যায় বিদ্রুপের চিত্র তারা চেয়ারম্যান হিসাবে একজন নারীকে কখনো প্রাধান্য দিতে পারবেনা । একই সাথে তিনি যখন মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে নারীদের সাথে কথা বলে সেখানে সে জানতে পারে অধিকাংশ নারীই যানেনা চেয়ারম্যান পদে একজন নারী নির্বাচন করতে পারে। নির্বাচনের ক্যাম্পেইন এর সাথে সাথে তিনি সচেতনতা কার্যক্রম ও করেছেন।

    ২০২১ সালে আটঘর কুড়িয়ানা ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের সময় অপরাজিতা নেটওয়ার্ক দল মত নির্বিশেষে একজন নারী প্রতিনিধি হিসাবে নিলুফার ইয়াসমিন এর জন্য কাজ করেছেন পরামর্শ সহ সব সময় সাথে থেকেছেন। নির্বাচনে আশানুরুপ কোন ফলাফল তিনি পাননি কিন্তু তার এই হেরে যাওয়া ফলাফলের জন্য তিনি হতাশা গ্রস্থ হয়নি । তিনি আরো উদ্যেমী হয়ে আগামী নির্বাচনের জন্য নিজেকে আরো দক্ষ ও যোগ্য করে তুলতে ইউনিয়নে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে । নিলুফার ইয়াসমিন তার সহযোগী রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত আছেন, ইউনিয়ন মহিলা পরিষদের ইউনিয়ন সভাপতি সহ বিভাগীয় অপরাজিতা নেটওয়ার্কের একজন সদস্য। তিনি নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ করছেন। নারীর ক্ষমাতায়নে জন্য তার প্রচেষ্টাকে অব্যাহত রেখে সমাজের উন্নয়ন ধারাকে আরো গতিশীল করতে কাজ করে যাচ্ছে।

    আনোয়ার স্বরূপকাঠি থেকে ।

  • ঐতিহাসিক খানজাহান (রহ.) মাজারের দিঘী থেকে নি*খোঁজ ভ্যানচালকের ম*রদেহ উদ্ধার

    ঐতিহাসিক খানজাহান (রহ.) মাজারের দিঘী থেকে নি*খোঁজ ভ্যানচালকের ম*রদেহ উদ্ধার

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট :বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খানজাহান (রহ.) এর মাজার সংলগ্ন দীঘি থেকে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর ভাসমান অবস্থায় প্রহলাদ কুমার দাস ওরফে ভোলা ( ৪৫) নামে এক ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে দীঘির পূর্ব পাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    মরদেহের শরীরে থাকা সোয়েটার, জামা ও লুঙ্গি দেখে পরিবারের সদস্যরা পরিচয় শনাক্ত করেছেন বলে জানিয়েছেন বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজিজুল ইসলাম।

    নিহত ভোলা কচুয়া উপজেলার সাংদিয়া গ্রামের পরিতোষ কুমার দাসের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে বাড়ি থেকে ভ্যান চালানোর উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর ফেরেনি তিনি। পরে শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) রাতে কচুয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তার স্ত্রী দিপিতা রানী দাস।

    ওসি কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা মটদেহটি উদ্ধার করেছি। মরদেহের বেশির ভাগ অংশ পচে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে ৫-৬ দিন আগে মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, নিহতের বাবা পরিতোষ কুমার দাস ও ভাই থানায় এসেছেন। শরীরের কাপড় দেখে মরদেহ শনাক্ত করেছেন তার বাবা। ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।#

    (এস এম সাইফুল ইসলাম কবির) বাগেরহাট প্রতিনিধি

  • সাংবাদিকদের সাথে আওয়ামী লীগ প্রার্থী রশীদুজ্জামানের মতবিনিময়

    সাংবাদিকদের সাথে আওয়ামী লীগ প্রার্থী রশীদুজ্জামানের মতবিনিময়

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন খুলনা -০৬ ( পাইকগাছা-কয়রা) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামান। তিনি মঙ্গলবার সকালে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি সমীরণ সাধু, সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, যুগ্ম সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা খায়রুল ইসলাম, আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম, শেখ আনিসুর রহমান মুক্ত, ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল, কাজল কান্তি বিশ্বাস, কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন, আব্দুল মান্নান গাজী, শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ গোলদার, রুহুল আমিন বিশ্বাস, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ মন্ডল, আওয়ামী লীগ নেতা বেনজির আহমেদ বাচ্চু, আবুল বাশার বাবুল সরদার, বিজন বিহারী সরকার, ডাঃ শংকর দেবনাথ, ইকবাল হোসেন খোকন, বিভূতি ভূষণ সানা, এডভোকেট শেখ আব্দুর রশীদ, জেলা ছাত্রলীগ নেতা মৃণাল কান্তি বাছাড়, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী ও ছাত্রলীগ নেতা রিপন রায়। মতবিনিময় সভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামান মোড়ল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অপপ্রচার বন্ধ সহ সুষ্ঠু ও শান্তি পূর্ণ নির্বাচনে সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।