Blog

  • বেতাগীতে যুব ফোরাম’র আহ্বায়ক কমিটি গঠন

    বেতাগীতে যুব ফোরাম’র আহ্বায়ক কমিটি গঠন

    বেতাগী +বরগুনা) প্রতিনিধি

    বরগুনা বেতাগীতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে আস্থা প্রকল্পের আওতায় যুব ফোরাম গঠনের জন্য সম্ভাব্য সদস্য নির্বাচন ও ফোরাম গঠন সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আজ বুধবার ( ৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০ ঘটিকার সময় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স হল রুমে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেতাগী প্রেস ক্লাবের সভাপতি জনাব সাইদুল ইসলাম মন্টু।

    রুপান্তর আস্থা প্রকল্পের বরগুনা জেলা মাঠ সমন্বয়কারী কোহিনুর বেগম এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেতাগী উপজেলা এনজিও সমন্বয পরিষদের সভাপতি জনাব রফিকুল ইসরাম, রুপান্তর আস্থা প্রকল্পের বরগুনা জেলা সমন্বয়কারী মোঃ খলিলুর রহমান, আজকের পএিকায় উপজেলা প্রতিনিধি হৃদয় হোসেন মুন্না প্রমুখ।

    বেতাগী উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নের মোট ৩০ জন প্রান্তিক যুব সদস্য অংশগ্রহণ করেন। যুব ফোরাম পরিচালনার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। আহবায়ক হোসনাবাদ ইউনিয়নের মো: খাইরুল ইসলাম মুন্না, যুগ্ম আহ্বায়ক কাজিরাবাদ ইউনিয়ন এর মো: আতাউর রহমান রাব্বি ও সদর ইউনিয়নের আসমা আক্তার মুন্নি ।

    প্রকল্পটি জাতীয় যুব নীতি ২০১৭ এর আলোকে তৃণমূল পর্যায়ের বিভিন্ন প্রান্তিক যুবদের সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করে সক্রিয় নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং সহনশীল ও অহিংস সমাজ গঠনে যুবদের উদ্বুদ্ধ করবে। আস্থা প্রকল্পের এই কার্যক্রমটি এসডিজির ১৭টি গোলের মধ্যে ধারা ৫, ১০, ১৬ ও ১৭ এর সাথে সম্পর্কিত। দল-মত নির্বিশেষে জাতীয় যুব নীতি বাস্তবায়ন এবং যুবদের সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করে দক্ষতা বৃদ্ধি করবে।

  • ভূয়াপুরে কি মধু

    ভূয়াপুরে কি মধু

    আল আমিন শোভন,
    স্টাফ রিপোটার, টাঙ্গাইল :-
    টাঙ্গাইল জেলার মধ্যে আয়তনের দিক দিয়ে বৃহত্তম থানা হিসেবে পরিচিত গোপালপুর থানার একটি অংশ ভাগ হয়ে ১৯৭৪ সনের ৭ আগস্ট ভূয়াপুর থানা নামে আত্মপ্রকাশ করার পর ১৯৮৩ সনে প্রথমে উন্নীত থানা ও পরে উপজেলা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। মাত্র ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ২১৬.৩৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই উপজেলার সিংহভাগ এলাকাই হচ্ছে যমুনা নদী ঘেরা চরাঞ্চল। নিয়তির নির্মম পরিহাসের শিকার এই চরাঞ্চলের মানুষগুলো। প্রতি বন্যা মৌসুমেই বন্যার পানি কেড়ে নেয় খেতের ফসল, নদী গর্ভে বিলীন হয় ঘর—বাড়ি, আবাদি জমি ও নানা স্থাপনা। বন্যার জলে ভেসে যায় গবাদিপশু ও হাঁস—মুরগি। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা বঞ্চিত দূরূহ যোগাযোগ ব্যবস্থাপূর্ণ এই দুর্গম অঞ্চলের অসহায় মানুষগুলোকে বাঁচতে হয় নিয়তির সাথে যুদ্ধ করে। তবে দূর্দশাগ্রস্ত এই মানুষগুলোর অসহায়ত্ব ভাগ্যের চাকা বদলে দেয় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসনের কিছু কিছু কর্মকর্তা—কর্মচারী ও ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতা—কমীর্র। বন্যার জলে হাবুডুবু খাওয়া ভাঙনের কবলে নদী গর্ভে ঘর—বাড়ি হারিয়ে বাঁধে আশ্রয় নেয়া অসহায় মানুষগুলোর জন্য বরাদ্দ আসা ত্রাণ সামগ্রীর সিংহ ভাগই যেমন চলে যায় কর্তা ব্যক্তিদের পকেটে, ঠিক তেমনি শুকনো মৌসুমে চরাঞ্চলের রাস্তাগুলোও নির্মিত হয় শুধুই কাগজ কলমে—ভুয়া মাস্টাররোলে। আর তাই মজার ব্যাপার হলো— এই উপজেলা প্রশাসনে প্রথমে কেউ আসতেই চান না। কিন্তু একবার এলে আর যেতে চান না। ফলে সরকারি নিয়ম নীতি বর্হিভুতভাবে শুধু বছরের পর বছর নয়, যুগের পর যুগ অনেকেই চাকরী করছেন এই উপজেলা প্রশাসনে। সেই সাথে উপরি আয়ের গরম পয়সায় কেউ কেউ আবার রক্ষিতা পোষেণ বলে এলাকায় জনশ্রম্নতি শোনা যায়। অনেকেই আবার চাকরী করতে এসে এখানে জায়গা জমি ক্রয় করে পাকা বাড়ি থেকে শুরু করে বহুতল ভবন নির্মাণ করে স্থায়ী বসতি বনে যাওয়ায় সক্ষম হয়েছেন। আর তাই স্থানীয়দের মুখে মুখে উচ্চারিত হতে শোনা যায়— ভূয়াপুরে কি মধু ?
    লৌহজং নদী তীরের ছোট্ট একটি মৌজার নাম ভূয়াপুর। ফলে বাজারের মাত্র একাংশই গড়ে উঠেছে মূল ভূয়াপুর মৌজার উপর। বাকি স্থাপনাগুলো সবই অন্য মৌজায়। বিশেষ করে উপজেলা পরিষদের সকল প্রশাসনিক ভবন ও আবাসিক ভবনগুলো এবং ভূয়াপুর বাস টার্মিনাল ও ট্রাক স্ট্যান্ড পুরোটাই ঘাটান্দী ও ফসলান্দি মৌজায়। ভূয়াপুর বাস টার্মিনাল ঘেষা টি—মোড় থেকে কাজল সিনেমা হলের উত্তরপাশ দিয়ে যে রাস্তাটি পূর্ব দিকে চলে গেছে তার দক্ষিণের অংশটি মূলত ঘাটান্দী আবাসিক এলাকা। আর এর উত্তরের অংশটি এক সময় পরিচিত ছিল ঘাটান্দী বালুচরা নামে। এই বালুচরার সিংহ ভাগেই কোন আবাদ হতো না। ছিল শনটাল। এরশাদ শাসনামলে রাতারাতি শহরে রূপান্তরিত হওয়ার পেছনে রয়েছে পল্লী বন্ধু এরশাদই বলেন, আর স্বৈরাচারী এরশাদই বলেন— এই রাষ্ট্রনায়কের অবদান। যার নীরব স্বাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে এরশাদ শাসনামলে নির্মিত উপজেলা প্রশাসন ভবন, কোর্ট ভবন, আবাসিক ভবন, থানা ভবন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবন, টিএনটি ভবন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন ইত্যাদি।
    যা’ হোক ভূয়াপুর থানা উপজেলায় রূপান্তরিত হওয়ার বদৌলতে ঘাটান্দী বালুচরা রাতারাতি হয়ে ওঠে বহিরাগতদের আবাস ভূমি। অশিক্ষিত বাবা—মায়ের ঘরে জন্ম নেয়া ছেলে—মেয়ে যেমন শিক্ষিত হলে বাবা—মায়ের দেয়া আদরের নামটি কদম আলী কিংবা ফালানী আর ভাল্লাগেনা। কদম আলী হয়ে যায় কুদরতে এলাহী আর ফালানী হয়ে যায় নন্দিনী। ঠিক তেমনি ঘাটান্দী বালুচরা পাল্টে হয়ে যায় ঘাটান্দী আদর্শপাড়া। কিন্তু এতে বাদ সাধে অনেকেই। যা’ রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় আফাজ উদ্দিন নামে এক যুবক। ফলে আদর্শপাড়া পাল্টিয়ে বালুচরা মাটিচাপা দিয়ে জায়গাটির নামকরণ করা হয় ঘাটান্দী নতুনপাড়া। তবে বারো রকম মানুষ এসে এখানে বসতি স্থাপন করায় রসিকজনেরা জায়গাটির নাম দিয়েছেন ঘাটান্দী বারোয়ারী পাড়া। আর নির্বাচন এলেই বেড়ে যায় এই ঘাটান্দী বারোয়ারী পাড়া কিংবা নতুনপাড়ার ভোটারদের কদর। তবে ভোট সংখ্যায় এগিয়ে থাকলেও পৌরসভা নির্বাচনে নতুনপাড়ার কোন প্রার্থী অদ্যাবদি বিজয়ের স্বাদ গ্রহণ করতে পারেনি। ঘাটান্দী নতুনপাড়া প্রসারিত হতে হতে ঘাটাইল থানার পশ্চিম সীমান্তবতীর্ গৌরিশ্বর মৌজার মধ্যে ঢুকে পড়েছে। এর সাথে পাল্লা দিয়ে পূর্ব ও পশ্চিম ভূয়াপুর, ফসলান্দি, বীরহাটি, বিরামদী, ছাব্বিশা, শিয়ালকোল, ভারই চরপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় বহিরাগতদের আবাস নির্মাণের ধূম পড়ার পাশাপাশি উপজেলা সদরের অদূরে মাস্টারপাড়া নামে চরাঞ্চলবাসীদের একটি বিরাট আবাসন গড়ে উঠেছে।
    তবে সবচেয়ে বড় কথা, ভূয়াপুরে নেই কোন রাজনৈতিক সহিংসতা, বরং রয়েছে সকল দলের অনুসারীদের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক। সেই সাথে সুন্দর যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় এগিয়ে থাকা ভূয়াপুর উপজেলা সদর বহিরাগতদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হওয়ায় কেউ একবার এখানে এলে আর যেতে চান না। আর তাই রসিকজনদের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়— ভূয়াপুরে কি মধু ।

  • কালকিনিতে ‘৯ হাজার ভোট পিটাইয়া দেবো’ আওয়ামী লীগ নেতার ভিডিও ভাইরাল

    কালকিনিতে ‘৯ হাজার ভোট পিটাইয়া দেবো’ আওয়ামী লীগ নেতার ভিডিও ভাইরাল

    রতন দে, মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি ইউনিয়নে ‘৯ হাজার ভোট আমি পিটাইয়া দেবো (সিল মেরে) দেবে’—আওয়ামী লীগ নেতার এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
    মঙ্গলবার (৫ডিসেম্বর) রাত থেকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। মাদারীপুরের কালকিনির মিয়ারহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে এ বক্তব্য দেন কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিরাজুল আলম মৃধা। তিনি কালকিনির শিকারঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।ভাইরাল হওয়া ২৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কক্ষে বেশ কয়েকজন দাঁড়িয়ে আছেন। চেয়ারে বসে আছেন আরও কয়েকজন। এসময় সামনে থাকা লোকজনের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিচ্ছেন সিরাজুল আলম। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি শিকারমঙ্গল ইউনিয়নের ৯ হাজার ভোট আমি পিটাইয়া দেবো। আমি শিওরিটি দিলাম। ভাই-ব্রাদারকে নিয়া। সবার সামনে প্রতিশ্রুতি দিলাম। হাতে-পায়ে ধরিয়া লাগলেও আমি পিটাইয়া দেবো। আমি একা নয়, ভাই-ব্রাদার সাথে নিয়া ভোট পিটাইয়া দেবো। এখানে এমপি হইলে আরও ৫-৭টা ইউনিয়নও পিটাইতে হবে।’
    বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সিরাজুল আলম মৃধা বলেন, ‘আমি একাধিকবার ওই বিদ্যালয়ে গিয়েছি। তবে, কখন কোন ভিডিও কে করছে জানি না। আমি এত বোকা নই যে, প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য দেবো। কিছু লোক আমার পেছনে লেগেছে। তারা এসব ভিডিও এডিট করে ভাইরাল করেছে। আমি ভোট পিটাইয়া দিবো এমন কোনো বক্তব্য দেই নাই।’মাদারীপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাহমিনা বেগম বলেন, ‘এমন বক্তব্যে সাধারণ ভোটাররা আতঙ্কিত হচ্ছেন। সুষ্ঠু ভোট হবে, এটা নিয়ে এখন শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সিরাজুল আলম মৃধা যে বক্তব্য দিয়েছেন সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন।’
    জানতে চাইলে মাদারীপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাশ বলেন, যদি ব্যালট পেপারে সিল মেরে দেবে এমন কোনো ভিডিও থাকে, লিখিত অভিযোগ হাতে পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    মাদারীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আহম্মেদ আলী বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ আমাদের দপ্তরে এখনো আসেনি। তবে, নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ চেয়ারম্যান, রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রথমে লিখিত যাবে। নির্বাচন অফিসে অনুলিপি আসতে পারে। কাগজ হাতে পেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেকে বিষয়টি জানানো হবে।

  • ডাসারে চাঁদাবাজী মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রে*ফতার

    ডাসারে চাঁদাবাজী মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রে*ফতার

    রতন দে, মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
    মাদারীপুরের ডাসারে চাঁদাবাজী মামলায় ডাসার উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য বাবুল পালোয়ান (৫০)
    কে গ্রেফতার করছে ডাসার থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ডাসার থানা পুলিশ কাজীবাকাই তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে বুধবার দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। বাবুল পালোয়ান উপজেলার কাজীবাকাই এলাকার মৃত আবুল হোসেন পালোয়ানের ছেলে।
    পুলিশ ও মামলার সুত্রে জানা যায়, ডাসার বাজার রোডে ব্যাবাইজ্জার খাল ২৮ মিটার লম্বা গাডার ব্রীজের ওয়ার্ক অর্ডার পান একই উপজেলার মৃত. আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল কাশেমের ছেলে সৈয়দ নুরুজ্জামান বাবু। ব্রীজের কাজ করতে গেলে ১নং আসামী বাবুল পালোয়ান ও ২নং আসামী বোরহান পালোয়ান সহ অজ্ঞাতনামা ৫/৭জন আসামী কাজের সাইডে আসিয়া সৈয়দ নুরুজ্জামান বাবু নিকট ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে এবং কাজ বন্ধ করে দেয়। পরে সৈয়দ নুরুজ্জামান বাবু গত ২৫ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ১নং আসামীকে গ্রেফতার করে ডাসার থানা পুলিশ। এদিকে ২নং আসামী বোরহান পালোয়ান বিজ্ঞ আদালতে স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে জামিনে রয়েছেন।
    জানতে চাইলে ডাসার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক কাজী মাহমুদুল হাসান দোদুল জানান, বাবুল পালোয়ান ডাসার আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য।
    ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন জানান,আদালতের ওয়ারেন্ট ছিল বাবুল পালোয়ানের বিরুদ্ধে। রাতে তাকে গ্রেফতার করে আজ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • ত্রিশালে  স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী আনিছের গণসংযোগ

    ত্রিশালে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী আনিছের গণসংযোগ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল)আসনের স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি, ত্রিশাল পৌরসভার সাবেক ৩বারের মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ দিনব্যাপী বিভিন্ন ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ করে চলছেন।

    বুধবার (৬ডিসেম্বর) দিনভর উপজেলার রামপুর ও আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন জনবহুল পয়েন্টে ও বাড়ী-বাড়ী গিয়ে তিনি গণসংযোগ ও পথসভা করেন। এসময় তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ময়মনসিংহ-৭ আসনের ভোটারদের কাছে দোয়া চান।
    এসময় তিনি বলেন আমি যদি এমপি হতে পারি তাহলে আপনাদের সেবক হিসেবে মুরুব্বিদের দিক নির্দেশনায় ময়মনসিংহ-৭ আসনের এলাকাবাসীর ভাগ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে সর্বদাই জনগণের পাশে থেকে কাজ করে যাবো। তাই আপনাদের দোয়া ও সমর্থন কমনা করছি। আমি নির্বাচনী এলাকার অসহায় ও সাধারণ মানুষের পাশে সব সময় আছি এবং থাকবো।

    এসময় তিনি নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে প্রত্যন্ত গ্রামের হাট-বাজার মাদরাসা, আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘুরে শেখ হাসিনার উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করেন। প্রচারণার অংশ হিসেবে বেশ কয়েকটি স্থানে তিনি পথসভায় অংশ নেন। এ সময় স্থানীয় নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিবর্গরা এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছকে আসন্ন নির্বাচনে এমপি হিসাবে বিজয়ী করতে স্লোগান দেন

  • সংবিধান সংরক্ষণ দিবসে ময়মনসিংহে রওশন এরশাদের নেতৃত্ব জাতীয় পার্টির সভা

    সংবিধান সংরক্ষণ দিবসে ময়মনসিংহে রওশন এরশাদের নেতৃত্ব জাতীয় পার্টির সভা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    সংবিধান সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় পার্টি’র আলোচনা সভা। মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের সুন্দর মহল জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে জেলা,মহানগর ও সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির যৌথ উদ্যোগে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর জাতীয় পাটির সদস্য সচিব ও বেগম রওশন এরশাদের বিশ্বস্থ আস্থাভাজন আব্দুল আউয়াল সেলিম আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল আউয়াল সেলিম বলেন-পল্লীবন্ধু এরশাদ অসাংবিধানিক কোন কাজ করেনি, ১৯৮২ সালে সেনা প্রধান হিসেবে ক্ষমতার দায়িত্ব নিয়ে পল্লীবন্ধু এরশাদ নয় বৎসর সুশাসক হিসেবে দেশ জণগণের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে মাথা উচু করে দাড় করিয়েছেন। সর্বক্ষেত্রে পল্লীবন্ধু ছিলেন সফল জনগণের মুখে হাসি ফুটিয়ে ছিলেন। তৎকালীন মুখোশধারী দলের লোক দেখানো দাবীর কারণে ১৯৯০ সালে ৬ই ডিসেম্বর রক্তপাতহীন আন্দোলনে জনগণের প্রতি সম্মান জানিয়ে স্বেছায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। এই দিনটিকেই জাতীয় পার্টি সংবিধান সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালন করে। ১৯৯০ সালে ৪ঠা ডিসেম্বর ক্ষমতা থেকে সরে দাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি তার দুই দিন পর ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিলেন বিচারপতি মোঃ শাহাবুদ্দিনের অস্থায়ী সরকারের কাছে। বর্তমান সরকারের সময় বিচার বহির্ভূত হত্যা, গুম, রন্ধে রন্ধে দুর্নীতি, হামলা, আজ বাংলার জনগণ দিশেহারা। ঐদিকে বিএনপির আমলে সারের দাবীতে ১৯ জন কৃষক হত্যা, ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা, হাওয়া ভবনের দুর্নীতি বার বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান। এই দুই দল গণতন্ত্র শেষ করে দিয়েছে। সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ইদ্রিস আলীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক দুলাল উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট আব্দুল কাইয়ুম,সাব্বির হোসেন বিল্লালসহ জেলা,মহানগর ও সদর উপজেলা জাতীয় পার্টি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • শার্শা উপজেলা প্রশাসনের সয়াহতায় হারিয়ে যাওয়া এক শিশুকে ফিরে পেলো তার পরিবার

    শার্শা উপজেলা প্রশাসনের সয়াহতায় হারিয়ে যাওয়া এক শিশুকে ফিরে পেলো তার পরিবার

    আজিজুল ইসলামঃ এক মাস আগে হারিয়ে যাওয়া রায়হান নামের ১০ বছর বয়সের এক শিশুকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে শার্শা উপজেলা সমাজসেবা অধিদফতর।

    বুধবার বিকেলে শার্শা উপজেলা নিবার্হী অফিসারের কার্যালয়ে রায়হানকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হয়। এসময় হারানো ছেলেকে ফিরে পেয়ে তার পরিবারের লোকেরা আনন্দে কেঁদে ফেলেন। রায়হান কুমিল্লা জেলার বুড়িচংয়ের আনন্দপুর গ্রামের আলী আহম্মেদের ছেলে।

    গত ২রা ডিসেম্বর যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ রেল স্টেশন এলাকা থেকে উপজেলা আনসার সদস্যরা খুঁজে পায় শিশুটিকে। পরে সমাজ সেবা অফিসারের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হলে তিনি দেশ সেরা উদ্ভাবক মিজানুর রহমানের পরিচালনাধীন শ্যামলাগাছী লতিফিয়া মডেল মাদ্রাসা ও এতিমখানার তত্বাবধানে শিশুটিকে রেখে দেন।

    পরে সমাজ সেবা অফিসার তৌহিদুল ইসলাম খোঁজ খবর নিয়ে তার পরিবারের কাছে রায়হানকে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাবস্থা করেন।

    রায়হান ১ মাস আগে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। তার আত্মীয় স্বজন সহ সম্ভাব্য সব জায়গায় অনেক খুঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে রায়হানের পরিবার হতাশ হয়ে পড়ে। শার্শা উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে রায়হানকে ফিরে পেয়ে তারা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

    এ সময় সেখানে উপজেলা নিবার্হী অফিসার নারায়ন চন্দ্র পাল, সমাজসেবা অফিসার তৌহিদুল ইসলাম, উদ্ভাবক মিজানুর রহমান সহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • সাইফুল ইসলাম এমইউপি’র কেক কেটে জম্মদিনের উৎসব পালিত

    সাইফুল ইসলাম এমইউপি’র কেক কেটে জম্মদিনের উৎসব পালিত

    মোঃ কাউছার উদ্দীন শরীফ,ঈদগাঁওঃ

    ইসলামাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বারবার নির্বাচিত এমইউপি সাইফুল ইসলামের ৪২ তম জন্মদিন পালিত হয়েছে।

    ৬ ডিসেম্বর বুধবার রাতে ঈদগাঁও বাজারের একটি হল রুমে জন্মদিবস উপলক্ষে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও কেক কেটে জম্মদিনের উৎসব পালন করা হয়।

    এছাড়া সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুক সহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই নেতাকে শুভেচ্ছা জানান অগনিত ভক্ত ও শুভানুধায়ীরা।

    আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা জম্মদিন পালন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির,কৃষক লীগ সভাপতি আবছার কামাল, সাবেক ছাত্রনেতা আবু হেলা বিশাল ও সাদ্দাম হোসেনসহ ইউনিয়ন বাসীরা।

    সকলের প্রতি আন্তরিকতা, আস্তা ও ভালবাসরা প্রতি কৃতঋণ জানিয়ে বলেন, আসন্ন দাদশ সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রতিক কে নির্বাচিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন সাইফুল ইসলাম।

  • শেখ হাসিনার নির্দেশ অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি-সিআইপি শামীম

    শেখ হাসিনার নির্দেশ অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি-সিআইপি শামীম

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলার অবহেলিত বিস্তীর্ণ জনপথ চরাঞ্চল। যেখানে বিগত ১৫ বছরেও কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। কৃষি সমৃদ্ধ এই অঞ্চলের রাস্তাঘাটের অবস্থা বেহালদশা। কৃষি পণ্য পরিবহনে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয় এই অঞ্চলের কৃষকদের। যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে এই অঞ্চলের উন্নয়ন আদৌ সম্ভব হয়নি। এখানে তৃণমূল আওয়ামীলীগের ঘাঁটি হওয়া সত্ত্বেও, এখানকার তৃণমূল আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা বারবার হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে। তাদেরকে এই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করতে কেউ এগিয়ে আসেনি। কাজেই উন্নয়নের পক্ষে থাকবেন, না অশান্তির পক্ষে থাকবেন সিদ্ধান্ত আপনাদেরকেই নিতে হবে।

    বুধবার দুপুরে নগরীর ৩২ নং ওয়ার্ডের জুট মিল এলাকায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল হক শামীম (সিআইপি) চরাঞ্চলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন, আওয়ামীলীগ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে দল থেকে কোন বাধা নেই। যারাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন তাদের জনপ্রিয়তা দিয়েই নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আসতে হবে। যারা বিজয়ী হয়ে আসবেন তাদেরকে আমরা সাদরে গ্রহণ করব।

    আমিনুল হক শামীম সিআইপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি বিগত দীর্ঘ বছর যাবত সদর বাসীর পাশে থেকেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে করোনা কালীন সময়ে সদর বাসীর পাশে ছিলাম। বিভিন্ন উন্নয়নের কাজে সব সময় নিজেকে সম্পৃক্তা রেখেছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি। জননেত্রী শেখ হাসিনা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে আবার প্রধানমন্ত্রী হবে ইনশাআল্লাহ্। আমার কোন কর্মীকে কেউ হুমকি দিলে আইনের ব্যবস্হা নেওয়ার জন্য আশ্বস্ত করেন। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে নির্বাচন করার জন্য আহবান জানান।

    নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে শামীম বলেন, কেউ যদি আপনাদেরকে মোবাইল ফোনে বা সরাসরি বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধমকি দেয়, তাহলে সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করবেন। আমি ১২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবো।

    এছাড়াও তিনি সকল নেতাকর্মীকে নির্বাচনের আচরণ বিধি মেনে মাঠে কাজ করার আহ্বান জানান। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এড. আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও ৬ নং চর ঈশ্বরদীয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোর্শেদুল আলম জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় বর্ধিত সভায় বক্তব্য রাখেন-৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সদর আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা এমদাদুল হক মন্ডল, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন, ৭ নিলক্ষীয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুকুল ইসলাম রতন, ৪ নং পরানগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুস আলী মাস্টার, ৬ নং চর ঈশ্বরদীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি, জুটমিল শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আহবায়ক ওসমান গনি, বোররচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ডা. হেলান উদ্দিন, বোররচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক শামসুল হক, ৬ নং চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মর্তুজ আলী মন্ডল, ১০ নং দাপুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো: আবু তাহের, সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান রোমান, বোররচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মুকুল,

    চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার মো: আব্দুল আজিজ, মহানগর সিএসডি গোডাউন শ্রমিকলীগের সভাপতি মোহাম্মদ বাবুল মিয়া, কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন, খাগঢহর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল মিয়া, জেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সিরতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ন আহবায়ক শামসুল হক বাবলু, সদর উপজেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাহবুবুল হক কাজল, জেলা মোটর শ্রমিক লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মান্নানসহ ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি শওকত জাহান মুকুল, মসিকের প্যানেল মেয়র-১ আসিফ হোসেন ডন, প্যানেল মেয়র-৩ সামীমা আক্তার, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ আবদুল্লাহ আল মামুন আরিফ, মহানগর কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম রায়হান, জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ন আহ্বায়ক স্বপ্না খন্দকার, মহানগর আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক সাগর, মহানগর যুবলীগের আহবায়ক শাহীনুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ আল আমিনসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, মেম্বার এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা।
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় সদরে প্রার্থী হওয়ায় তাকে সংবর্ধনা দেন নেতাকর্মীরা।সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের আগামীর কান্ডারী সাবেক চেয়ারম্যান জনাব মোর্শেদ আলম জাহাঙ্গীর নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমিনুল হক শামীমের বিজয় নিশ্চিত করার আহবান জানান।
    সদরের ১১ টি ইউনিয়নে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সদর উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
    জনাব

  • বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা,স্ট্যাটাস,ব্যানার,বাণী, উক্তি ও কিছু কথা-দুদু-এমপি’র

    বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা,স্ট্যাটাস,ব্যানার,বাণী, উক্তি ও কিছু কথা-দুদু-এমপি’র

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    জয়পুরহাট-১ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের টানা তিনবারের বর্তমান সংসদ সদস্য,সাবেক জয়পুুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাজনীতিক ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব এ্যাড.সামছুল আলম দুদু-এমপি মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা ২০২৩-ইং এ জানিয়েছেন।

    ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ বিজয় লাভ করে। আজকে আমাদের এই পোস্টে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা সম্পর্কে কথা বলা হবে। আপনারাতো ইন্টারনেটে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা অনুসন্ধান করছেন।

    এখান থেকে আপনি খুব সহজেই বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানতে পারবেন। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ব্যানার। এবং ১৬ ই ডিসেম্বর এর বাণী আমাদের এই পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আশা করি এটি আপনাকে সকল ধরনের তথ্য দিয়ে সহায়তা করবে। তাই বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা পেতে পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন।

    ১-বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ব্যানার
    ২-১৬ ই ডিসেম্বরের বাণী
    ৩-বিজয় দিবস নিয়ে কিছু কথা
    ৪-বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা উক্তি
    ৫- বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা স্ট্যাটাস
    ৬-বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ছবি
    ৭-বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা
    ৮- সর্বশেষ কথা

    বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ব্যানার
    অনেকে আছে বিজয় দিবসকে মিছিলের মাধ্যমে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিবে। তারা বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ব্যানার ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে খুঁজতে থাকে।আপনারা যাতে ভালো মানের বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ব্যানার খুঁজে পান। তার জন্য আমরা ‌আমাদের এই পোস্টে সকল ধরনের তথ্য দিয়ে দিয়েছে। আশা করি আপনি বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা গুলো পছন্দ করবেন।

    ১৬ ই ডিসেম্বরের বাণী
    অনেকে ইন্টারনেটের 16 ডিসেম্বরের বাণী লিখে জানতে চায়। বিজয়ের মাসের সকল ধরনের বাণী আমরা আমাদের এই পোস্টে উপস্থাপন করেছি। আপনি চাইলে বাণী গুলো সংগ্রহ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে পারেন। অথবা আপনার প্রোফাইল পিকচারে এড করতে পারেন।

    এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা আমরা তোমাদের ভুলবোনা।
    মহান বিজয় দিবস শুভেচ্ছা যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই বিজয় তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ।
    সুধি,মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে লক্ষ লক্ষ প্রাণের আত্নদানে পরাধীনতার লৌহকঠিন শৃংখল ভেঙ্গে লাল সবুজের পতাকা উড়েছে এই পলল ভুমিতে। পৃথিবীর মানচিত্রে আমরা পেয়েছি এক অনবদ্য পরিচয়। স্বাধীনতার দীপ্ত শ্লোগানে মুখরিত সেই মহান বিজয়ের মাসে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি সেইসব অকুতোভয় বীর সেনানী আর সম্ভ্রমহারা মা, বোনদের। যাদের অদম্য সাহস আর আত্নত্যাগের সোপান বেয়ে বিজয় এসেছে। মহান বিজয় দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরনীয় দিন।
    বিজয় দিবস নিয়ে কিছু কথা

    হাজার ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে বিজয় লাভ করে। এই বিজয়ের মাসে সকলে বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে বিজয় দিবস উদযাপন করে। আপনি হয়তো বিজয় দিবসের কোন কার্যক্রমের জন্য কোন কিছু খুঁজছেন। আমরা আপনাদের সকলের সুবিধার্থে সকল ধরনের শুভেচ্ছা ব্যানার, শুভেচ্ছা বার্তা, ছবি, উক্তি আমাদের পোস্টে দিয়ে দিয়েছে।

    বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা উক্তি
    আপনারা অনেকেই বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা উক্তি পাওয়ার জন্য অনুসন্ধান করছেন। তাদের জন্য আমরা আজকের এই বিজয় দিবস নিয়ে শুভেচ্ছা উক্তি তুলে ধরেছি। আশা করছি উল্লেখিত বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা উক্তি গুলো আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।

    ১ টি যুদ্ধ, ৯ টি মাস, ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ, ১ টি দেশ। সকলকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
    লাল এর মাঝে ভালবাসা। সাদা এর মাঝে বন্ধুত্ব। নীল এর মাঝে কষ্ট। কালো এর মাঝে অন্ধকার। আর সবুজের মাঝে আমার বাংলাদেশ।

    বিজয় মানে একটা মানচিত্র, বিজয় মানে লাল সবুজের পতাকা, বিজয় মানে একটা গর্বিত জাতি, বিজয় মানে অস্তিত্বে বাংলাদেশ। বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে এই গর্বিত জাতি গড়ার সকল কারিগরকে মন থেকে জানাই শুভেচ্ছা।

    প্রশ্নবিদ্ধ স্বাধীনতাকে উত্তরে মেলাবার আজই তো সময়, লক্ষ কন্ঠে সোনার বাংলায় খুঁজে পাই প্রাণের আস্বাদ। সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
    আপনার সম্মান তখন বাড়বে। যখন বিদেশে গিয়ে আপনি নিজের দেশের সম্মান বাড়াতে পারবে। আর গর্বিতভাবে বলতে পারবেন, আমি বাংলাদেশী।
    আপনার বা আপনার পরিবারের অসম্মানে আপনার যতটা কষ্ট হবে। তার চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট এবং রাগ হবে আপনার দেশের অসম্মান হলে। তাই সর্বদা দেশকে সম্মান করুন এবং দেশের সম্মান রক্ষায় ব্রতী থাকুন। সবাইকে বিজয় দিবস উপলক্ষে লাল সবুজের শুভেচ্ছা।
    আসুন আজ আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা করি যে, আমরা সব অন্যায় এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব, সবাইকে আমাদের দেশের মহত্ত্ব বোঝাব, সঠিক অর্থে আমরা একজন বাংলাদেশী হয়ে উঠব। শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ।
    আরও দেখুন:- ১০+ বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা উক্তি

    বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা স্ট্যাটাস
    আপনারা যারা বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা এসএমএস পেতে চান। তাদের জন্য বিজয় দিবস সম্পর্কিত শুভেচ্ছা স্ট্যাটাস তুলে ধরা হয়েছে। স্বাধীনতা দিবস।।