Blog

  • মধুপুরে ৪ জনকে গাছের সাথে বেঁধে নি*র্যাতনের ঘটনায় আদালতে মা*মলা

    মধুপুরে ৪ জনকে গাছের সাথে বেঁধে নি*র্যাতনের ঘটনায় আদালতে মা*মলা

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভাধীন বোয়ালী (পুন্ডুরা) এলাকার বৃদ্ধা মা, তাঁর দুই ছেলে ও এক ছেলের স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের আলোচিত ঘটনায় আদালতে মামলা করা হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার (৭ডিসেম্বর) টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মধুপুর আমলি আদালতে মামলা দায়ের করেন নির্যাতনের শিকার আব্দুল জব্বার মিয়া (৩৪)।
    মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী কবীর হোসেন উজ্জল। মো. বাদল মিয়া, হাবিবুর রহমান, গেন্দি বেগম, রফিকুল ইসলাম, আজগর আলীসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
    আইনজীবী কবীর হোসেন উজ্জল জানান, আলমগীর ও জব্বার মিয়াদের সঙ্গে প্রতিবেশী কালু মিয়া শেখ ও তাঁর ভাই আজগর আলী, সামাদ মিয়াদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল দীর্ঘ দিনের। ২০০০ সালে দায়ের করা বাঁটোয়ারা মামলায় ২৩ বছর পর আলমগীর ও জুব্বারদের পক্ষে রায় দেন আদালত। পরে কালু মিয়া শেখ, তাঁর ভাই আজগর আলী ও সামাদ মিয়া মালিকানা দাবি করে ১৪৪ ধারা চেয়ে আবেদন করেন। তদন্ত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন ওই জমির ওপর। পরবর্তীতে আলমগীর ও জুব্বার মিয়া গং আদালতে আপিল করেন। যা এখনো বিচারাধীন।
    বিবাদী কালু গং ১৪৪ ধারা করিয়ে আবার সেই জমিতে তাঁরাই আদালতের নির্দেশ অমান্য করে গত মঙ্গলবার(৫ ডিসেম্বর)সকালে কালু মিয়া শেখ, তাঁর ভাই আজগর আলী গং জোর পূর্বক ঘর তুলতে গেলে আলমগীর বাধা দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষরা তাঁকে পিটিয়ে আহত করেন। তাকে বাঁচাতে তাঁর ভাই জব্বার মিয়া, তাদের মা শাফিয়া বেগম ও তাঁর পুত্রবধূ জোৎনাকেও গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেন।
    এ ঘটনায় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করার পর পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। আহত আলমগীরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং মা ও পুত্রবধূকে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট মধুপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
    মামলার আইনজীবী কবীর হোসেন উজ্জল বলেন, টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক বাদল চন্দ্র দাস মামলাটি আমলে নিয়ে দ্রুত টাঙ্গাইলের গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি উত্তর) তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলেছেন।

  • খাগড়াছড়িতে গীতা শিক্ষার বার্ষিক মূল্যায়নের আয়োজন করেছে সনাতন ছাত্র -যুব পরিষদ

    খাগড়াছড়িতে গীতা শিক্ষার বার্ষিক মূল্যায়নের আয়োজন করেছে সনাতন ছাত্র -যুব পরিষদ

    নুরুল ইসলাম টুকু , খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা প্রতিনিধি।

    খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সনাতন ছাত্র-যুব পরিষদ এর উদ্যোগে গীতা শিক্ষার বার্ষিক মূল্যায়ন পরিক্ষা চলাকালিন পরিদর্শন আসেন সনাতন ছাত্র-যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি স্বপন ভট্টাচার্য্য,সাধারণ সম্পাদক লিটন ভট্টাচার্য্য রানা,

    আজ শুক্রবার ( ০৮ ডিসেম্বর ) সকাল আরামবাগ পৌর আদর্শ বিদ্যালয়ে পরিক্ষা অনুষ্টিত হয়। এতে পৌর এলাকার, স্বর্নিভর এলাকার হরি মন্দির, শালবাগার কালী মন্দির, শান্তি নগর গীতা আশ্রম ও বাজার এলাকর শ্রী শ্রী লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দিরের সহ মোট ২৮০ জন গীতা শিক্ষার ছাত্র – ছাত্রী অংশ গ্রহন করেন।

    অভিভাবরা জানান: গীতা শিক্ষার এই বার্ষিক মূল্যায়ন এর এই উদ্যোগটিতে আমরা খুব খুশি।আমরাও চাই আমাদের ছেলে মেয়েরা যে যত টুকু শিখেছে এক বছরে এটার একটা মূল্যায়ন হোক।এর ফলে তাদের মধ্যে একটা শেখার আগ্রহ ও উৎসাহ তৈরি হবে। এবং কে কতটুকু শিখছে সেটা আমরা বুঝতে পারবো।

    সাধারণ সম্পাদক লিটন ভট্টাচার্য্য রানা বলেন গীতা সনাতনী সমাজের দলিল স্বরূপ, যার মাধ্যমে এই সম্প্রদায় পরিচালিত হতে পারে। গীতা কেবলমাত্র ধর্মগ্রন্থ নয়, এটি সর্বশাস্ত্রময়ী উদার মানবতার জয়গানে মুখরিত মানববিজ্ঞান।

    তিনি আরও বলেন, একটি অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে ধর্ম শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে স্ব-স্ব ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করে সমাজে শিষ্টাচার বজায় রাখতে হবে।নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মানুশীলনের মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গীতার আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই।

    এই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ধর্মীয় লেখক চিন্তরঞ্জন দেব,উপদেষ্টা শ্রীকান্ত দত্ত,পরিমল ধর,সদর কমিটির সভাপতি নয়ন আচার্য্য,সাধারণ সম্পাদক তুষার আচার্য্য,সহ সাধারণ সম্পাদক বাবলু সেন, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক রাহুল দে। জেলা গীতা শিক্ষা পরিচালনা কমিটি সাধারণ সম্পাদক পনব দে প্রমুখ।

  • রংপুরে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আগেই ডিভাইস জালিয়াত চক্রের ১৯ জন সদস্য গ্রেফতার

    রংপুরে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আগেই ডিভাইস জালিয়াত চক্রের ১৯ জন সদস্য গ্রেফতার

    খলিলুর রহমান খলিল , নিজস্ব প্রতিনিধি

    শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা: ডিভাইস জালিয়াত চক্রের ১৯ জন গ্রেফতার
    রংপুরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস জালিয়াতি সিন্ডিকেটের ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। এসময় বেশ কিছু ডিভাইস ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    গত কাল শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় রংপুর নগরীর ডিবি কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মনিরুজ্জামান এসব তথ্য জানান।

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বিটু এক্স ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকা পরীক্ষার্থীর প্রশ্নপত্রের উত্তর প্রদানের চুক্তি করেন জালিয়াতি চক্রটি । সেই চুক্তি অনুযায়ী প্রস্তুতিকালে পরীক্ষার আগের রাতে ও সকালে রংপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে ঐ চক্রের নারী সহ মোট ১৯ জন সদস্যকে গ্রেফতার পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া সদস্যদের মধ্যে তিনজন রংপুরের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ১১ জন পরীক্ষার্থী ও পাঁচজন ডিভাইস জালিয়াতি চক্রের সদস্য।
    এসময় তাদের কাছে থেকে ১১টি ডিভাইস, ৮০টি ফোন ও এডমিট কার্ড উদ্ধার করা হয়।

    রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মনিরুজ্জামান বলেন, সরকার সব নিয়োগ পরীক্ষায় সর্বাত্মক সচেতন। তারপরও একটি অসাধু চক্র ডিজিটাল ডিভাইস অপব্যবহার করে এই জালিয়াতি কাজের সাথে জড়িত। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ডিভাইস জালিয়াতি চক্রটিকে পরীক্ষার আগে রাত, সকালে ও পরীক্ষা শুরুর আগেই কেন্দ্র থেকে আটক করা হয়েছে। তাই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করার সুযোগ পায়নি চক্রটি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা শুনে বিভ্রান্ত হবেন না। প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোন ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

    এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর রংপুর বিভাগের উপ-পরিচালক মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের জন্য সবধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরীক্ষা বাতিল হবে কি না এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ডিবি কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান, ডিসি ক্রাইম আবু মারুফ হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর রংপুর বিভাগের উপ-পরিচালক মুজাহিদুল ইসলাসহ রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা প্রমুখ।

  • গোদাগাড়ীতে ৬ ঘন্টার ব্যবধানে পেঁয়াজের মূল্য কেজিতে  ৫০ টাকা বৃদ্ধি

    গোদাগাড়ীতে ৬ ঘন্টার ব্যবধানে পেঁয়াজের মূল্য কেজিতে ৫০ টাকা বৃদ্ধি

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে কোন কারন ছাড়াই খুচরা ব্যবসায়ীরা নিজেদের খেয়াল খুশিমত বৃদ্ধি করেছেন পেঁয়াজের দাম। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগনকে সরকারের বিপক্ষে দাঁড় করানোর জন্য সিন্ডকেট তৈরী করে প্রকাশ্যে ইচ্ছামত দোকানদারগণ পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি করেছেন। বিষয়টি গোদাগাড়ী টক অফ দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে। ক্রেতা সাধারন বলছেন, ভোক্তা অধিকারের লোকজন কোথায়? তারা কেন অভিযান পরিচালনা করছেন না। সাপ্তহিক ছুটির দিনের সুযোগে মহিশালবাড়ী, রেলওয়ে বাজার, হাটপাড়া, গোদাগাড়ী, বিদিরপুর, রাজাবাড়ী বাজারের ব্যবসায়ীগণ এ অবৈধ কারবারটি করে এক দিনে লাখ লাখ টাকা ক্রেতা সাধারনের নিকট হতে হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদের বিরুদ্ধে ঘন ঘন অভিযান পরিচালনা করে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা প্রয়োজন। তা না হলে এরা নিজেদের ইচ্ছামত পুন্যের মূল্য বৃদ্ধি করতে থাকবেন বলে সচেতন মহল মনে করেন।

    শুক্রবার সকালে মহিশালবাড়ী বাজার, রেলওয়ে বাজার, রেলগেট, গোদাগাড়ীসহ বিভিন্ন স্থানে ভারতীয় পেঁয়াজর বিক্রি হয়েছে ৯০/৯৫ টাকা কেজি দরে। কিন্তু সেই পেঁয়াজ বিকালে বিক্রি হয়েছে ১২০/১৪০ কেজি দরে। এ দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে খুচরা ব্যবসায়ীরা পাইকারী ব্যবসায়ীদের উপর দোষ চাপাচ্ছেন।

    গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম ৮০/৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও কেন কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে পেঁয়াজ সিন্ডিকেট লাগাহীন মূল্যবৃদ্ধি করলো, এদের বিরুদ্ধে তদন্তকরে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে । শুক্রবার সন্ধ্যার পর মহিশালবাড়ী বাজারে এ প্রতিবেদক পেঁয়াজের দাম সম্পর্কে জানতে বিভিন্ন দোকানে গিয়ে জানার চেষ্টা করেন। এসময় কয়েকজন দোকান মালিক বলেন, পেঁয়াজ নেই, শেষ হয়ে গেছে, কোন কোন দোকান মালিক পেঁয়াজ সরিয়ে ফেলেছেন। সামান্য কিছু পেঁয়াজ বস্তায় রেখে বিক্রি ১৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। এ প্রতিবেদক মহিশালবাড়ী বাজরের সোয়েব এর দোকানে সকালে যে পেঁয়াজ ৯০/৯৫ টাকা কেজি বিক্রি করেছেন সেই একই বস্তার পেঁয়াজ বিকাল থেকে বিক্রি করছেন ১২০/১৩০ টাকা কেজি দরে। এসময় ১২০ টাকা কেজি দরে সাড়ে ৩ কেজি পেঁয়াজ কিনে ছিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সাদিকুল ইসলাম। দোকান মালিক সোয়েবের নিকট থেকে এ প্রতিবেদক ১২০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনেছেন। সকালে এককই পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি বিক্রি করলেও বিকালে একই বস্তার পেঁয়াজ কেন ১২০/১২৫ টাকা কেন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রেলবাজের পাইকারী ব্যবসায়ী রবিউল ও রুহুল দাম বৃদ্ধি করেছেন তাই আমি বৃদ্ধি করেছি। তোমার তো এটা আগের কেনা কেন বেশী দাম রাখছো। এমন প্রশ্নের উত্তরে সে বলে দাম এটাই লাগবে বলে জানান। রেলবাজারের বিভিন্ন দোকানে পেঁয়াজ ১৪০/ ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছেন বলেও সে জনায়। এসব দোকান গুলিতে সরকারের নির্ধারিত দ্রব্যের মূল্য তালিকা ঝুলানো রাখার কথা থাকলেও সেই নেই, বিক্রিত মালের ক্যাশ মেমো দেয়া হয় না। মূল্য সংযোজক কর কি সেটা তারা বুঝে না, দেনও না।

    মাছের বাজারে দেখা যায়, গরিবের মাছ পাঙাস (বড় সাইজের) বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। ছোট আকারের পাঙাস বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়।

    তাছাড়া ইলিশ মাছ কেজিপ্রতি ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা, ছোটগুলি ৫৫০/ ৬০০ রুই মাছ ৪৫০ টাকা, কই মাছ ৯৫০ টাকা, ট্যাংরা মাছ ৭০০ টাকা, শিং মাছ ৬৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা, চিংড়ি মাছ জাত ভেদে ১০০০ থেকে ১৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    গরুর মাংশ আগের মতোই ৭৫০ টাকা কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৮০ টাকায়, লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকায়, সোনালী মুরগি ৩১০ টাকা আর দেশি মুরগি প্রতি কেজি ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে খাসির মাংস প্রতি কেজি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    কথা হয় বাজারে আসা ক্রেতা মোয়েজ এর সাথে সাথে। তিনি বলেন, আগে বাজারে একটা বাজেট নিয়ে আসলে যতটুকু কিনতে পারতাম, এখন তার অর্ধেক কিনতে পারি।

    পণ্যের দাম বোধহয় আর কখনো কমবে না। এভাবে চললে সামনে বেঁচে থাকা কষ্টকর হয়ে যাবে। আরেক ক্রেতা ইব্রাহীম বলেন, সব কিছুর দাম তো শুধু বেড়েই চলে।

    আমাদের মতো সাধারণ জনগণের কথা কেউ ভাবে না। এই যে দাম বাড়ছে, কিন্তু আমাদের আয় রোজগার তো বাড়ছে না। বেতনের বেশিরভাগ টাকা যদি এখানেই যায়, তাহলে চলব কী করে?

    গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আতিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পেঁয়াজের বাজার অস্তির করার চেষ্টা করছেন ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। কোন ভাবে ছাড় দেয়া হবে না।
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • কবিরহাটে নৈশপ্রহরীকে হ*ত্যা করে ২ স্বর্ণ দোকানে ডা*কাতি

    কবিরহাটে নৈশপ্রহরীকে হ*ত্যা করে ২ স্বর্ণ দোকানে ডা*কাতি

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)

    নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারে ৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার, রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদল বাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে পাহারারত নৈশপ্রহরীদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক বেঁধে রেখে পশ্চিম বাজারের মামুনি জুয়েলার্স ও নুর জুয়েলার্সের স্বর্ণ গয়না লুট করে পালিয়ে যায়।ঘটনাস্থলে বাজারের নৈশপ্রহরি শহিদ উল্যাহ,র মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। ধারনা করা হচ্ছে শহিদ উল্যাহ ডাকাতিকালে বাঁধা দিলে ডাকাতরা তাকে হত্যা করে।
    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা, চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন টিটু, চর ফকিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জায়দল হক কচি, ধানশালিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন এবং কবিরহাট থানা পুলিশ। পরে লুট হয়ে যাওয়া দুই স্বর্ণ দোকানদারকে আব্দুল কাদের মির্জা বসুরহাট পৌরসভার পক্ষ থেকে ৩ লক্ষ টাকা এবং ডাকাতের হামলায় নিহত নৈশপ্রহরী শহিদুল ইসলামের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন।

  • কাঠালিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

    কাঠালিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি :

    ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার আমুয়া ইউনিয়নে ডিবি পুলিশের অভিযানে বৃহস্পতিবার ১ কেজি গাজা সহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।
    আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা আমুয়া এলাকার মো:সুলতান তালুকদারের ছেলে মাইনুল তালুকদার ও মালেক সিপাহীর ছেলে আলিম সিপাহী।
    এবিষয়ে ঝালকাঠি জেলা ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ( ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চলিয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে এক কেজি গাজাসহ আটক করা হয়েছে ।
    আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
    আমাদের মাদক বিরোধী অভিযান অব‍্যাহত থাকবে।

  • পানছড়িতে মানবসেবা ও শিক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর ত্রি-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

    পানছড়িতে মানবসেবা ও শিক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর ত্রি-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

    পানছড়ি সংবাদদাতা, খাগড়াছড়ি।

    খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় সামাজিক ও মানবিক সংগঠন মানবসেবা ও শিক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশন ত্রি-মাসের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (০৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০.৩০ টার সময় পানছড়ি অনির্বাণ শিল্পীগোষ্ঠী কার্যালয়ে এই ত্রি-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সংগঠন এর সাধারণ সম্পাদক মিঠুন সাহার সঞ্চালনায় ও সভাপতি মতিউর রহমান এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পানছড়ি উপজেলা সংগঠন এর সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান, হারুনর রশীদ,যুগ্ন সম্পাদক নজর ত্রিপুরা,কার্যনির্বাহী সদস্য মানিক সাঁওতাল, উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য নিমাই দেবনাথ,চন্দন দেবনাথ,সদস্য আছিয়া বেগমসহ প্রমুখ।

    এই সময় উপস্থিত ছিলেন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইমতিয়াজ উদ্দিন হেলালসহ সদস্যবৃন্দ।

    ত্রি-মাসিক সভায় জুন ২০২৩ থেকে ডিসেম্বর ২০২৩ এর ৭ তারিখ পর্যন্ত সকল অনুষ্ঠানের এবং মাসিক উত্তোলিত প্রাপ্তি ও খরচ এর হিসাবসমূহ তুলে ধরা হয়।এবং পরবর্তীতে সকল সদস্যদের মাসিক টাকা স্ব উদ্যোগে নিয়মিত পরিষদের জন্য বলা হয়।এবং আগামী ২৫ ডিসেম্বর দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ এর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    আলোচনা সভায় সংগঠনকে গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং সংগঠন এর উত্তরোত্তর সাফল্য কমনা করেন। সদস্যবৃন্দ।

    সৈয়দ ফাহিম রানা পানছড়ি প্রতিনিধি খাগড়াছড়ি

  • ত্রিশালকে একটি মডেল এলাকা হিসাবে গড়ে তুলবো – স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছ

    ত্রিশালকে একটি মডেল এলাকা হিসাবে গড়ে তুলবো – স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    সারাদেশ ব্যাপী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যখন সরগম চলছে। ঠিক সেই মুহুর্ত্বে পিছিয়ে নেই ময়মনসিংহ- ৭ আসনের ত্রিশাল উপজেলা। আগামী ৭জানুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে মনোনয়ন পত্র জমা,যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। ১৭ডিসেম্বর প্রত্যাহারের শেষ তারিখ। তাই নির্বাচনের আমেজ নিয়ে ভোটের মাঠে ছুটে চলছে প্রতিটি প্রার্থী। পিছিয়ে নেই ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসন। নানান প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে। এই আসনে আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টির পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মাঠে নেমেছেন পৌরসভার ৩বারের নির্বাচিত সাবেক মেয়র,সাবেক উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান। সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে তিনি প্রতিনিয়ত ছুটে চলছেন আসন এলাকার বিভিন্ন স্থানে। নির্বাচন উপলক্ষে গনসংযোগ, মোটরসাইকেল সোডাউন, পথসভার মাধ্যমে অতিব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

    শুক্রবার দিবাগত রাতে তিনি মঠবাড়ি ইউনিয়নে রায়মনি আকিজ কোম্পানি সামনে বৃষ্টির মাঝে ঘরোয়া অপরিবেশে বিশিষ্টজনদের সাথে আলোচনা করেন।

    এসময় তিনি সকলের উদ্দেশ্যে জানান, আমি নির্বাচিত হলে ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসাবে গড়ে তুলবো। আমাদের যুব সমাজ বর্তমানে মাদকে করাল গ্রাসে আসক্ত হয়ে পড়েছে। শিক্ষিত বেকার যুবকরা হতাশ হয়ে দিন দিন মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে। তাদেরকে মদকের এই করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানে ব্যবস্থা করবো। আমি ছাত্র জীবন থেকে একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে জন্য ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসন এলাকার সার্বিক উন্নয়নে জনসাধারনকে নিয়ে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।

  • নল‌ছি‌টি‌তে মুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    নল‌ছি‌টি‌তে মুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকা‌ঠির নল‌ছি‌টি‌তে আজমম শুক্রবার (৮ ডি‌সেম্বর) বেলা ১১টায় উপ‌জেলা মু‌ক্তি‌যোদ্ধা কমান্ড কার্যাল‌য়ে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সকালে উপজেলা মু‌ক্তি‌যোদ্ধা ও মু‌ক্তি‌যোদ্ধা সন্তান‌দের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়ে‌ছে।

    উপজেলা মু‌ক্তি‌যোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা মো. হা‌বিবুর রহমা‌ন তালুকদা‌রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ঝালকা‌ঠি -২ আস‌নের আওয়ামীলীগ ম‌নোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় ১৪ দ‌লের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা আলহাজ্ব মো. আ‌মির হো‌সেন আমু।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগ সভাপ‌তি সর্দার মো. শাহআলম, জেলা প‌রিষদ চেয়ারম‌্যান ও জেলা আওয়ামীলী‌গের সাধারন সম্পাদক আ‌্যাড. খান সাইফুল্লাহ্ প‌নির ।

    এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা মো. সি‌দ্দিকুর রহমান, পৌর মেয়র বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা আঃ ওয়া‌হেদ খান, উপ‌জেলা আওয়ামীলীগ সহ সভাপ‌তি বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা খোন্দকার মু‌জিবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নলছিটি উপজেলা আহবায়ক লাইজুর রহমান রিয়াজ, ডা. ইউসুফ আলী তালুকদারসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা,উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক,সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    উ‌ল্লেখ‌্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলা পাকহানাদার মুক্ত হয়। একদিকে পাকবাহিনীদের রশি দিয়ে বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে, অন্যদিকে দলে দলে গ্রামবাংলার মানুষ রাস্তায় নেমে জয় বাংলার স্লোগান দেন। মুক্তির সাদ পায় ঝালকাঠিবাসী।

    মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ঝালকাঠির নিয়ন্ত্রণ ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে। ২৭ এপ্রিল হেলিকপ্টার থেকে অবিরাম বোমাবর্ষণ ও গানবোর্ড থেকে কামানের গোলা নিক্ষেপ করতে করতে পাকবাহিনী ঝালকাঠি আক্রমন করে। ফলে মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। হানাদার বাহিনী শহরের দখল নিয়ে ‘দ্বিতীয় কোলকাতাখ্যাত’ দেশের বৃহত্তম এ বানিজ্য বন্দরে আগুন লাগিয়ে দেয়। পুড়ে ছাই হয়ে যায় কোটি কোটি টাকার সম্পদ ও বাড়িঘর। এর পর থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজাকার, আলবদর, আলসামস বাহিনীর সহায়তায় নির্বিচারে গনহত্যা, লুট-পাট, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয় নিরিহ মানুষের ওপর। পাকবাহিনী শহরের পালবাড়ির একটি দ্বিতল ভবনে ‘টর্চারসেল’ স্থাপন করে মুক্তিকামী মানুষকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করতে থাকে। শহরের পৌরসভা খেয়াঘাট, পালবাড়ি গোডাউনঘাট, রমানাথপুর মসজিদ সংলগ্ন পুকুর পাড়, দেউলকাঠি, গাবখান, খেজুরা গ্রামে শত শত নিরিহ বাঙ্গালীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ৭ ডিসেম্বর বিকেলে পাক মিলিশিয়া বাহিনী ঝালকাঠির উত্তর অঞ্চলে অভিযান শেষে নৌপথে বরিশাল ফেরার সময় ঝালকাঠি শহরের কাঠপট্টি চরে ২৭-২৮ জনের একটি রাজাকারের দল নামিয়ে দিয়ে যায়। এসময় মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় জনতা তাদের ঘেরাও করে মারধর করে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে সোপর্দ করে। মুক্তিযোদ্ধারা ঝালকাঠি থানা ঘেরাও করলে ওসিসহ সকল পুলিশ সদস্য মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে অস্ত্র সমর্পন করে। মুক্ত হয় ঝালকাঠি।

    একই দিন পাকহানাদার মুক্ত হয় নলছিটি। ৭ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার ক্যাম্পে আক্রমন করে রাজাকারদের নিরস্ত্র করেন। ৮ ডিসেম্বর সকালে নলছিটি থানা আক্রমনের খবর পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে পুলিশ ও রাজাকার আলবদররা। এক পর্যায়ে কোন রক্ষপাত ছাড়াই মুক্তিযোদ্ধারে কাছে আত্মসমর্পন করে তারা। সব মিলিয়ে ৬০-৭০ জনকে নিয়ে যাওয়া হয় তালতলা মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে। পরের দিন ৮ ডিসেম্বর ঝালকাঠি ও নলছিটি শহরে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের পতাকা হাতে মুক্তিকামি মানুষের ঢল নামে। জয় বাংলার স্লোগানে মুখরিত হয় ঝালকাঠি ও নলছিটি শহর।
    হানাদারমুক্ত দিবস উপলক্ষে ঝালকাঠি জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ আজ ৮ ডিসেম্বর বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করবে। সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ উপলক্ষে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে জাতীয় ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পতাকা উত্তোলন, বধ্যভূমিতে পুস্পমাল্য অর্পন, শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা।

  • ঝালকাঠিতে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে ইলেকট্রনিকস ডিভাইস সহ যুবক আটক

    ঝালকাঠিতে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে ইলেকট্রনিকস ডিভাইস সহ যুবক আটক

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি হিসেবে পরীক্ষা দেওয়ায় অভি চন্দ্র দাস (২২) নামে এক পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

    শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) বেলা ১০ টায় ঝালকাঠি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা চলাকালীন তাকে আটক করা হয়।আটককৃত অভি চন্দ্র দাস ঝালকাঠি সদর উপজেলায় কির্তিপাশা ইউনিয়নে গোবিন্দ ধবল গ্রামের বাসিন্দা সে রাজাপুর উপজেলায় গালুয়া ইউনিয়নের কানুদাসকাঠি গ্রামের ইব্রাহীমের পক্ষে পরীক্ষা দিতে এসে আটক হয়।

    ঝালকাঠি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের হল সুপারিনটেনডেন্ট অধ্যক্ষ জিন্নাত রেহানা ফেসদৌসী
    বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এক ঘন্টার পরীক্ষা চলাকালে ৩০ মিনিট পর বিষয়টি হল পরিদর্শকের নজরে আসে পরে অভিকে কেন্দ্র পরিদর্শক মো. আব্দুল করিমের কাছে নিয়ে যায় সেখানে থাকা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হাসান মোহাম্মদ সোয়াইব এর উপস্থিতিতে ঐ পরীক্ষার্থীর কাগজপত্র যাচাই করে তার প্রক্সির বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং তার সাথে থাকা ইলেকট্রনিকস ১টি ব্লুটুথ ডিভাইস উদ্ধার করা হয়।

    পরে তাকে ঝালকাঠি সদর থানায় পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান ও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জড়িতদের তথ্য বের করা হবে।