Blog

  • পুলিশের কাজে বাঁধা না*শকতা মামলায় ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম গ্রে*ফতার

    পুলিশের কাজে বাঁধা না*শকতা মামলায় ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম গ্রে*ফতার

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    পুলিশের কাজে বাঁধা দান ও হত্যার উদ্দ্যেশ্যে হামলা সংক্রান্ত নাশকতা মামলায় আরিফুল ইসলাম ফকির গ্রেফতার করেছ র‍্যাব। গতকাল ৭ই ডিসেম্বর র‍্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর বনানী থানাধীন বারিধারা এলাকায় অভিযান করে মোঃ আরিফুল ইসলাম ফকির কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    র‍্যাব ১০ এর দেয়া তথ্য দেয়া তথ্য বিবরণ
    থেকে জানা যায়, ঢাকা মহানগর পূর্ব জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম(২৫)কে গ্রেফতার করে। সে পিরোজপু জেলার নেছারাবাদ উপজেলার পাটিকেলবাড়ি মোঃ ইদ্রিস আলি ফকির এর ছেলে। ঢাকার বনানী থানায় মামলা নং-০১, তারিখ-
    ১/১১/২০২৩ইং ধারা-১৪৩/১৪৭/
    ১৪৯/১৮৬/৩৩২/৩৫৩/৫০৬ বিস্ফোরক উৎপাদানাবলী আইন ১৯০৮ এর ৩/৪/৬ ধারায় মামলার এজাহার ভুক্ত পলাতক আসামী আরিফুল ইসলাম কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

    আরো জানা যায় আরিফুল ইসলাম, গুয়ারেখা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাজি তার আশ্রয় প্রশ্রয় দাতা বলে জানা যায়। দীর্ঘদিন প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের কাছে থেকে টাকা নিয়ে এতো দিন পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন।যেমন চাকুরি দেয়া, জমি ও মামলা সংক্রান্ত সমস্যা সবই সমাধান করতে তার সময় লাগে মাত্র দুই ঘণ্টা। এলাকাভিত্তিক ঝামেলা মেটানো বা চাকুরী দেয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ আছে। উত্তরায় দাপিয়ে বেড়ানো আরিফুল ইসলাম বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরী করতেন। কিন্তু মালিকের অবর্তমানে নিজেই বুনে যান কোম্পানির মালিক। এই পরিচয়ে শত শত মানুষকে করেছেন সর্বোশান্ত।

    নেছারাবাদ থানায় ওসি তদন্ত জানান, শাহিন আলম জানান,তার মামে নেছারাবাদ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানান।

    গ্রেফতারকৃত আসামীদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • পানছড়িতে ৬৪০ পিচ  ই*য়াবা উদ্ধারসহ  ১ জন মাদক ব্যাবসায়ী গ্রে*ফতার

    পানছড়িতে ৬৪০ পিচ ই*য়াবা উদ্ধারসহ ১ জন মাদক ব্যাবসায়ী গ্রে*ফতার

    মোঃ শহীদ উল্যাহ

    খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি ।

    খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়িতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সৈকত পাটোয়ারী (২৬) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৬৪০ পিছ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

    শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) ভোর রাত ৪টা ৫৫ এর দিকে জেলার পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার) এর সুদক্ষ দিক-নির্দেশনায় পানছড়ি থানার এসআই (নিঃ) মুহাম্মদ ইয়াছিন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ পানছড়ি থানা এলাকায় রাত্রীকালীন মোবাইল ডিউটি করাকালীন সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে আসামী সৈকত পাটোয়ারী (২৬), পিতা-মৃত রফিক উল্ল্যা পাটোয়ারী, মাতা- আনোয়ারা বেগম, সাং- তালুকদার পাড়া (পানছড়ি বাজার), ০৩নং পানছড়ি ইউপি, থানা- পানছড়ি, জেলা- খাগড়াছড়ি , এর নিজ বসত থেকে ৬৪০(ছয়শত চল্লিশ) পিচ কমলা রংয়ের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।

    পানছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক থানায় মামলা রুজু হয়েছে।

    খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বভাবিক রাখতে এবং সামাজিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে মাদক ও চোরাকারবারি অপরাধীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণাকারী খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার জনাব মুক্তা ধর পিপিএম (বার) এর সুদক্ষ নেতৃত্বে জেলায় বিশেষ অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার রয়েছে।

  • নিজেদের মধ্যে শ*ক্রতায় সাংবাদিকরা নৃশংস হামলা মামলার শি*কার হয়-পুলিশের ভূমিকা কি?

    নিজেদের মধ্যে শ*ক্রতায় সাংবাদিকরা নৃশংস হামলা মামলার শি*কার হয়-পুলিশের ভূমিকা কি?

    হেলাল শেখঃ সাংবাদিকদের প্রকৃত সাংবাদিকতায় কোনো সংগঠন লাগেনা। সংগঠন লাগে তখনই যখন কোনো সাংবাদিকের উপর নৃশংস হামলা ও মামলা হয়। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে সেক্ষেত্রে ভালো হয়। কিছু পুলিশ সদস্য কর্তৃক সাংবাদিকদেরকে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে বা থানায় ডেকে আটক দেখিয়ে চুরি, ডাকাতি বা চাঁদাবাজি মামলা দেয়া হয়। “সাংবাদিকরাতো কোনো চোর বা ডাকাত নয়” তাদেরকে কেন এই সমস্যা হবে তা জাতি জানতে চায়, এ বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা কি?।
    বিশেষ সাংবাদিকরা নিজেদের মধ্যে শক্রতা সৃষ্টি করার কারণে অন্যরা সুবিধা পায়। দেশের বিভিন্ন থানার কিছু পুলিশের স্বার্থে আঘাত লাগলে প্রকৃত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মামলা দেয়, তাই বলে কলম থেমে থাকে না। কিছু পুলিশ সদস্য চাঁদাবাজি ও ফিটিংবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্ম করছে আর সেই বিষয়ে সাংবাদিক যাতে সংবাদ প্রকাশ করতে না পারেন সেজন্য ষড়যন্ত্র করে মামলা দেয়া হয়ে থাকে, সাংবাদিককে আটকের পর তার কাছে থাকা কলম ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে থাকে কিছু পুলিশ অফিসার। এরপরও যদি প্রকৃত সাংবাদিক আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে যায়, তাকে আবার সাজা দেওয়ার জন্য মিথ্যা সাক্ষী তৈরি করে আদালতের মাধ্যমে সাজা দেয়ার কৌশল করা হয়। তবে সব সাংবাদিক বা সব পুলিশ খারাপ না। মানবিক পুলিশ সদস্য ও মানবিক প্রকৃত সাংবাদিক আছেন বলেই মানুষ আইন আদালতের প্রতি সম্মান করেন।
    বিশেষ করে সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণে বিভিন্ন হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন সাংবাদিকরা। কেউ আবার নিজেদের অনেক বড় সাংবাদিক মনে করে অহংকারে মাটিতে পা রাখতে চায় না, এর কারণে আরো জটিলতা বাড়ছে। সারাদেশে সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা ও নির্যাতন বন্ধ করতে হলে থানা পর্যায় থেকে শুরু করে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের সাংবাদিক সবাইকে সচেতন হওয়াসহ ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। প্রকৃত সাংবাদিকরা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে কাজ করেন। সাংবাদিক কতো প্রকার? তার হিসাব নাই। এবার ১ থেকে ১৬ প্রকার সাংবাদিকের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে। ১। সাইনবোর্ড সাংবাদিক, ২। আইডিকার্ড সাংবাদিক, ৩। ভুয়া সাংবাদিক, ৪। প্রেসক্লাব সাংবাদিক, ৫। বহুমাত্রিক সাংবাদিক, ৬। কথাসাহিত্যিক সাংবাদিক, ৭। দলীয় সাংবাদিক, ৮। ভবিষ্যতদ্রষ্টা সাংবাদিক, ৯। মৌসুমী সাংবাদিক, ১০। শখের সাংবাদিক, ১১। অপসাংবাদিক, ১২। স্বার্থপর সাংবাদিক, ১৩। বি ত সাংবাদিক, ১৪। লাঞ্ছিত সাংবাদিক, ১৫। কাঙ্খিত সাংবাদিক, ১৬। প্রকৃত সাংবাদিক।
    সাংবাদিকরা প্রতিদিন প্রতি মুহুর্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জাতির সেবা করে যাচ্ছেন। তবে সেই ত্যাগী সাংবাদিকরা কি পাচ্ছেন? কেন সাংবাদিকতায় আসছেন বেকার মানুষগুলো? সত্যি কথা বললে বা সংবাদ প্রকাশ করলে সেই সাংবাদিকদের নামে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা ও হামলা করা হয়। সাংবাদিক কোনো চোর ডাকাত নয়, বা বড় দুর্নীতিবাজ নয় যে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে সাজা দিতে হবে। সূত্র জানায়, সারাদেশেই নিজেদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শক্রতা সুষ্টি করছে কিছু পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক। তারা ১ থেকে ১৬ প্রকার সাংবাদিক কিন্তু কিছু পুলিশ সদস্যের নাম্বার নাই দিলাম। সেই সাথে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা, আশুলিয়া থানা, মিরপুর থানা, বরিশাল ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানাসহ সারাদেশে প্রায় অনেক থানায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সাংবাদিকদের বলা হয় জাতির বিবেক, সেই অর্থে সাংবাদিকরা কেন অপহেলায় অপমানিত হচ্ছেন? কেন হয়রানি করা হচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদেরকে। অর্থ ও স্বার্থের জন্য মানুষ যদি অমানুষের পরিচয় দেন এটা খুবই লজ্জাজনক। সাংবাদিকদের পেশা যেন মানুষের সেবা করাই তাদের একমাত্র ধর্ম। যারা কাজ করেন তাদের ভুল হতেই পারে কিন্তু ছোট একটা ভুল করলেই বড় ধরণের হামলা, মামলার শিকার হতে হয় সেই সাংবাদিকদেরকে। থানায় ডেকে নিয়ে বা রাস্তা থেকে ধরে নিয়েই বিভিন্ন মামলা দেয়া হয় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে, এটা জাতির জন্য কতটা লজ্জাজনক?। বাংলাদেশে প্রায় ১৮কোটি জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন পুলিশ বাহিনী এটা যেমন সত্য আর সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করেন অনেক ঝুঁকি নিয়ে এটাও বাস্তব। সরকার পুলিশকে বেতন ভাতা দিলেও সাংবাদিকরা পাচ্ছেন না সরকারি কোনো সম্মানি ভাতা। ভালো কাজ করলে বলা হয় এটা তাদের দায়িত্ব। সামান্যতম ভুল করলে তাদেরকে বড় গালাগালি দেওয়া হয়। সব পুলিশ খারাপ না, কিছু পুলিশ সদস্য খারাপ তাই পুলিশের বদনাম হয়। মানবিক পুলিশ ও প্রকৃত সাংবাদিক ঘর থেকে বাহিরে বের হলে বা ডিউটিতে গেলে তাদের পরিবারের সদস্যরা অনেক চিন্তায় থাকেন যে, কখন যেন কোন হামলা মামলার শিকার হন দেশপ্রেমিকরা।
    দেশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ, র‌্যাব যে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গী, খুনী, ধর্ষণকারী, অপহরণকারীদেরকে গ্রেফতার করেন এবং ভিকটিম উদ্ধার করাসহ অনেক কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেন এর জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ করে কিছু লোকজন অভিমত প্রকাশ করেন যে, পুলিশের নতুন নতুন ইউনিট হলেও সেই অর্থে তুলনামূলক ভাবে সেবার মান বাড়ছে না। সূত্রমতে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মানয়ীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশে পুলিশের জনবল বৃদ্ধি করাসহ পাশাপাশি বেতন ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঢাকা বিভাগের সকল থানায় সিসি টিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে,এতে যেমন প্রশংসা বাড়ছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের। তবে কিছু থানা পুলিশের অনিয়ম দুর্নীতির কারণে পুলিশ বাহিনীর বদনামও হচ্ছে কিন্তু এই দায় নিবে না মানবিক পুলিশ সদস্যরা। ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা ধুলাবালির মধ্যে প্রতিদিন অনেক কষ্টের মধ্যে ডিউটি করেন, তাদের সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। দেশের থানা পুলিশ কর্তৃক আটক হওয়া ব্যক্তিদের হাজত থেকে কারাগারে থাকা নানারকম সমস্যা হয়ে থাকে, তারপরও মানুষ সঠিক পথে চলে না, এটা দুঃখজনক ব্যাপার।
    রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশের থানায় পুলিশের তেমন কোনো সমস্যা না থাকায় মফস্বল এলাকা থেকে বদলি হয়ে ঢাকায় আসার জন্য পুলিশ সদস্যরা চেষ্টা করে থাকেন। এর অনেক কারণও রয়েছে। মফস্বল এলাকায় পুলিশ সদস্যদের নানারকম সমস্যা, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পুলিশের থাকা খাওয়ার সমস্যা। অনেক সময় জরুরি কাজে গাড়ি না পাওয়াসহ নানারকম সমস্যা রয়েছে পুলিশের। বিশেষ করে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যেদের অনেক কষ্ট করে ডিউটি করতে হয়, তাদের অনেকেই সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন এমন অনেক তথ্য রয়েছে। সুত্রে জানা গেছে, অনেক ইউনিটে চাহিদার চেয়ে অর্ধেকেরও কম জনবল দিয়ে দৈনন্দিন কাজ চালানো হচ্ছে পুলিশ বাহিনীতে। বেশিরভাগ ইউনিটি ও থানার নিজস্ব কোনো ভবন নেই, আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাড়িতে চলছে পুলিশের কার্যক্রম। অনেক সময় জরুরি অভিযান পরিচালনার জন্য গাড়ি পাওয়া যায় না। দুঃখজনক বিষয়ঃ সাধারণ মানুষ অনেকেই বলেন, ডাকঢোল পিটিয়ে রং বে-রঙের বেলুন উড়িয়ে পুলিশ বাহিনীতে নতুন নতুন ইউনিটির যাত্রা শুরু হয়, কিন্তু পুলিশের সেবার মান বাড়ছে না কেন? অনেক পুলিশ সদস্য অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছেন এর কারণও রয়েছে পারিবারিক সমস্যা। সূত্র জানায়, রাজধানী ছাড়াও যেমনঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানা ভাড়া বাড়িতে চলছে পুলিশের কার্যক্রম। এই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ও তদন্ত ওসিসহ ৪০ জনের মত অফিসার রয়েছেন। দেখা যায়, বেশিরভাগ পুলিশ অফিসারগণ ভাড়া গাড়ি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ১০-১২ বছর আগের পুলিশ আর বর্তমান সময়ের পুলিশ একরকম নয়। সরকার যেমন পুলিশের বেতন বৃদ্ধি করেছে,তেমনি পুলিশের কষ্টও বাড়ছে। এদিকে ট্রাফিক পুলিশের কয়েকজন সদস্য জানান, পুলিশ সদস্য ভালো কাজ করলে পাবলিক বলে এটা পুলিশের দায়িত্ব কিন্তু পুলিশ সদস্য ছোট কোনো ভুল করলে তাদেরকে অনেক সময় বড় ধরণের শাস্তি দেয়া হয়, এমন কি চাকরি চলে যায়। বাংলাদেশের “প্রশাসনিক কাঠামো” ৬টি থেকে বাড়িয়ে বর্তমানে ৮টি বিভাগ ও ৬৪ জেলা করা হয়েছে। ৬৪ জেলায় ৮৬,৬০৮টি গ্রাম। ১৯৭১ সালে মাত্র ৭কোটি জনগণ ছিলো, যা বর্তমানে প্রায় ১৮কোটির মত জনগণ হয়েছে। মানুষ বাড়ছে, ঘর বাড়ি বাড়ছে, ইটভাটা বাড়ছে, ফসলি জমি কমে যাচ্ছে।পুলিশের নতুন নতুন ইউনিট বাড়ছে, পুলিশ সদস্যও বাড়ছে, কিন্তু সেই অর্থে কি সেবার মান বাড়ছে?। পুলিশ বিভাগের জন্য আলাদা মেডিকেল ইউনিটি গঠিত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান খান কামাল গত ৩ অক্টোবর ২০১৯ইং সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে “বিএসআরএফ সংলাপ” অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে সরকার গত মেয়াদে ৮০ হাজার পুলিশের জনবল বৃদ্ধি পেয়েছে। জরাজীর্ণ থানাগুলোতে নতুন ভবন করা হচ্ছে। পুলিশের নতুন ১৫টি ইউনিট গঠিত হয়েছে। আমরা হেলিকপ্টার সংযোজন করতে যাচ্ছি, তার জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছি। (পিবিআই), এ ছাড়া দেশের শিল্প এলাকার নিরাপত্তা জোরদার ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ইন্ডাষ্টিয়াল পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও ট্যুরিষ্ট পুলিশ গঠন করা হয়। এ ছাড়াও কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট নামে নতুন আরও একটি ইউনিট গঠন হয়।

  • আজ ৯ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক কপিলমুনি মুক্ত দিবস

    আজ ৯ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক কপিলমুনি মুক্ত দিবস

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা) ॥
    আজ ৯ ডিসেম্বর খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ঐতিহাসিক কপিলমুনি রাজাকার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে দ্বিতীয় দফার দীর্ঘ ৪৮ ঘন্টার সম্মুখ যুদ্ধের পর রাজাকারদের আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে পতন ঘটেছিল দক্ষিণ খুলনার সবচেয়ে সমালোচিত ও বড় রাজাকার ঘাঁটিটির। ঐ দিন উপস্থিত হাজার হাজার জনতার রায়ে আত্মসমর্পণকৃত ১৫৫ জন রাজাকারকে সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। যুদ্ধকালীন জনতার রায়ে এত সংখ্যক রাজাকারদের এক সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা সম্ভবত সেটাই প্রথম ছিল।
    তৎকালীন পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর দোসররা দেশব্যাপী সাধারণ নীরিহ মানুষের উপর অবর্ণনীয় অত্যাচার নির্যাতন চালাতে থাকে। অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকার মত পাইকগাছার সর্বত্র প্রতিরোধ দুর্গ গড়ে উঠে মুক্তিকামীদের সমন্বয়ে। এ সময় পাক দোসররা ব্যাপক অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘাঁটি করে ঐতিহ্যবাহী কপিলমুনিতে । অত্যাচারের শিকার বহু পরিবার সে সময় ভারতে পাড়ি জমাতে বাধ্য হয়েছিল। আধুনিক কপিলমুনির স্থপতি রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধুর সুরম্য বাড়িটি পাকিস্তানি দোসররা দখল নিয়ে সেখানে ঘাঁটি গেড়ে বসে। তখন এলাকায় নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায় বহুগুণে। প্রতিদিন বিকেল ৪ টা থেকে ভোর ৬ টা নাগাদ কার্পোজারী করা হত এলাকায়। নীরিহ মানুষদের ধরে কপোতাক্ষ নদীর তীরে ফুলতলা নামক স্থানে এনে তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে কেটে লবন দেয়া হত। এসব অত্যাচারের বিরুদ্ধে পাইকগাছার রাড়ুলী, বাঁকা, বোয়ালিয়া ও গড়ইখালীতে প্রতিরোধ দূর্গ হিসেবে মুক্তিফৌজের ক্যাম্প গড়ে তোলা হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের সকলের প্রতি হাই কমান্ডের তাগিদ পড়ে কপিলমুনি শত্রু ঘাঁটি পতনের। কারণ খুলনা লের মধ্যে এটি ছিল সবচেয়ে বড় ঘাঁটি। সাড়ে ৩ শ’র বেশী পাক সেনা ও তাদের দোসররা অবস্থান নিয়েছিল এখানে। সাধারণদের ভীতসন্ত্রস্থ করতে সর্বক্ষণ ঘাঁটির ছাদের উপর তাক করে রাখা হত ভারী কামান ও মেশিন গান।
    সংগত কারণেই ঘাঁটিটি পতনের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। এ লক্ষে ১৯৭১ সালের ৫ ডিসেম্বর খুলনা লের সকল মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারগণ একত্রে মিলিত হন তালার মাগুরার শান্তি বাবুর দো’তলায়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, যে কোন মূল্যে কপিলমুনিকে মুক্ত করতেই হবে। ঘাঁটিটি পতনে অবশ্য এর আগে আরো একবার আক্রমন হলেও জনতার অসহযোগিতায় সেবার ব্যর্থ হওয়ায় পাইকগাছার রাড়ুলী ও হাতিয়ারডাঙ্গা ক্যাম্প কমান্ডারগণ সমন্বিত যুদ্ধের একটি পরকল্পনা প্রণয়ন করেন। নৌ কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী রহমত উল্লাহ দাদু, অ্যাডভোকেট স.ম বাবর আলী, শেখ কামরুজ্জামান টুকু, গাজী রফিকুল ইসলাম, ইউনুস আলী ইনু, ইঞ্জিনিয়ার মুজিবর, শেখ শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু, মোড়ল আব্দুস সালাম, আবুল কালাম আজাদের যৌথ নেতৃত্বে অবশেষে ৭ ডিসেম্বর মধ্যরাতে চারিদিক থেকে কপিলমুনি শত্রুঘাঁটি আক্রমন করা হয়। হঠাৎ রাইফেলের গুলির ঠাশ-ঠাশ আওয়াজ মূহুর্মূহু ভারী অস্ত্র কামান, মেশিনগানের বিকট শব্দে গোটা এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। আচমকা ঘুম ভেঙ্গে যায় মুক্তিকামী সাধারণ মানুষের। যার যার মত বাড়ির বারান্দার নীচে পজিশন নেয় প্রাণ ভয়ে। দীর্ঘ যুদ্ধ শেষে ৯ ডিসেম্বর বেলা ১১ টার দিকে নিরস্ত্র হয়ে ১৫৫ জন রাজাকার সাদা পতাকা উড়িয়ে মাইকে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করে। এরপর সেখান থেকে সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে ৪ জন পালিয়ে যায়। সাথে সাথে পতন ঘটে খুলনা লের বৃহত্তম শত্রু ঘাঁটির।
    এরপর শত্রুদের বন্দী করে নিয়ে আসা হয় ঘাঁটির সামনের কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দিরের ঐতিহাসিক ময়দানে। এসময় মুক্তিযোদ্ধারা ঘাঁটির অভ্যন্তরে ঢুকে সেখানে দেয়ালের গায়ে পেরেক বিদ্ধ মাছিয়াড়ার রহিম বক্স গাজীর ছেলে সৈয়দ আলী গাজীর ঝুলন্ত লাশ দেখে সকলে আৎকে উঠেন। এখবর মূহুর্তে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকার হাজার হাজার জনতার ঢল নামে সেখানে। উপস্থিত জনতার গণদাবির প্রেক্ষিতে তাদেরকে প্রকাশ্যে জনতার আদালতে গুলি করে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। এসময় অধিকতর অপরাধীদের ১১ জনকে চিহ্নিত করে আলাদা ভাবে শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে ও রাইফেলের বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়। ঐ দিন নিহত রাজাকারদের অধিকাংশ পরিবার তাদের লাশ বুঝে নিলেও লজ্জা, ঘৃণা সহ নানা কারণে অনেকের লাশ গ্রহণ করেনি তাদের পরিবার। যাদেরকে মাঠের পশ্চিম প্রান্তে গণকবর দেয়া হয় বলেও সূত্র জানায়। দীর্ঘদিন সেখানে এলাকাবাসী মূত্র ত্যাগ করত। এযুদ্ধে শহিদ হন দু’জন মুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে খুলনার বেলফুলিয়ার আনোয়ার হোসেন ও সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের আনছার আলী গাজী। আহত হন মোহাম্মদ আলী, তোরাব আলী সানা সহ অনেকে।৭ ডিসেম্বর নাকি ৯ ডিসেম্বর কপিলমুনি মুক্ত দিবস? অনেকে ঐ যুদ্ধে নিহত রাজাকারদের কবরের গায়ে লিখিত তারিখ দেখে নির্ধারণ করতেন কপিলমুনি মুক্ত দিবসের তারিখ। মুক্তিযোদ্ধাদের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তির কারণে দীর্ঘদিন যাবৎ দিবসটি পালিত হত না। তবে ২০১০ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের এক সমাবেশে ৯ ডিসেম্বরকে কপিলমুনি মুক্ত দিবস ঘোষণায় ঐক্যমতে পৌছান সকলে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • নড়াইলে ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকার ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রেখেছে তারা

    নড়াইলে ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকার ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রেখেছে তারা

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//

    নড়াইলে ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের প্রায় ৫শ বছরের ঐতিহ্য এখনও টিকে আছে। তবে নদীতে আগের মতো মাছ না পাওয়ায় এখন তা বিলুপ্তির পথে। যারা এ ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রেখেছেন তারা এখন আর ভালো নেই। খেয়ে না খেয়ে কোনোমতে দিন কাটছে তাদের।
    মূলত নদীতে মাছের পরিমাণ কমে যাওয়া ও ভোঁদড় লালন-পালনে ব্যাপক খরচের কারণে মাছ শিকারের প্রাচীন এ পদ্ধতিতে থেকে সরে আসছেন জেলেরা। বেশি সংখ্যাক জেলে তাদের ভোঁদড় বিক্রি করে দিয়েছেন। এদিকে জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নানা উদ্যোগের কথা বললেও ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের প্রাচীন পদ্ধতি টিকিয়ে রাখতে তেমন কোনো কার্যক্রম নেই মৎস্য বিভাগের। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, শত শত বছর আগে থেকে ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের প্রচলন আছে নড়াইল সদর উপজেলার গোয়াইলবাড়ি, পংকবিলা ও রতডাঙ্গা গ্রামে। এক সময় এসব অঞ্চলের বিপুল সংখ্যক জেলেরা এ পদ্ধিতে মাছ শিকারের সঙ্গে জড়িত থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা কমতে থাকে। মূলত নদীতে মাছের পরিমাণ কমে যাওয়া ও ভোঁদড় লালন-পালনে ব্যাপক খরচের কারণে মাছ শিকারের প্রাচীন এ পদ্ধতিতে থেকে সরে আসছেন জেলেরা। বেশি সংখ্যাক জেলে তাদের ভোঁদড় বিক্রি করে দিয়েছেন। বর্তমানে শুধু গোয়াইলবাড়ির ২০টি পরিবারার এই পেশায় জড়িত রয়েছেন। তাদের অধীনে ৫টি নৌকায় মাত্র ১৬টি ভোঁদড় আছে। প্রাণীটির প্রধান খাবার মাছ। তবে ব্যাঙ ও ছোট আকৃতির জলজ পোকাও খায়। এদের জীবনকাল ৯-১০বছর।
    গোয়াইলবাড়ি গ্রামের জেলে ভবেন বিশ্বাস জানান, তার বাপ-ঠাকুরদা ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকার করত। এখন তিনি এ পদ্ধতিতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে এখন নদীতে যে মাছ পাওয়া যায় তাতে কোনোদিন সংসার চলে, আবার কোনোদিন চলে না। শীত মৌসুমে একটু বেশি মাছ পাওয়া যায়। তখন সংসার চালাতে সমস্যা হয় না। কিন্তু বছরের বাকি সময় ঘাটতি।
    তিনি আরও জানান, ভোঁদড়দের প্রতিদিন অন্তত ৩০০ টাকার মাছ কিনে (ক্রয় করে) খাওয়াতে হয়। স্থানীয় বাজারে মাছ না পাওয়া গেলে নড়াইল শহর থেকে মাছ এনে খাওয়াতে হয়। দিনে দুইবার খাবার দেওয়া দরকার হলেও টাকার অভাবে একবারই দেন তিনি।
    গোপীনাথ বিশ্বাস নামে আরেক জেলে বলেন, আগে তারা সুন্দরবনে যেতেন মাছ ধরতে। প্রচুর পরিমাণ মাছ পেতেন। এখন সুন্দরবনে যাওয়ার অনুমতি দেয় না। এখানে অল্প কয়ডা মাছ হয়। দাম আছে বলে যাইহোক কিছু আয় করেন। না হয়ত তাদের সংসার চলে না ভালোভাবে।
    হৃদয় বিশ্বাস বলেন,পাটা জাল ও চায়না জাল দিয়ে মাছ মারাসহ বিভিন্ন কারণে নদীতে মাছ কমে গেছে। ভোঁদড় দিয়ে বর্তমানে যে মাছ পাওয়া যায় তা বিক্রি করে সংসার চলে না। আয় কম হওয়ায় ভোঁদড়কে পর্যাপ্ত খাওয়াতেও পারেন না। দিন খুব কষ্টে যায়।
    নড়াইল সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. এনামুল হক,
    এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভোঁদড় দিয়ে মাছ ধরা জেলেদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছেন তারা। মাছ ধরার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে কার্ডধারী জেলেদের দুইটি করে ছাগল ও তাদের জন্য খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। জেলেদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও জানান এ কর্মকর্তা।
    এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য অফিসার এইচ.এম. বদরুজ্জামান, এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে জানান, ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের পদ্ধতি টিকিয়ে রাখতে আলাদা তেমন কোনো কার্যক্রম নেই তাদের। বাস্তবতা হচ্ছে মুক্ত জলাশয়ে মাছের পরিমাণ কমে গেছে। এ কারণে জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছেন তারা।

  • আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে নালিশী সম্পত্তিতে নির্মাণ কাজ করার চেষ্টা

    আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে নালিশী সম্পত্তিতে নির্মাণ কাজ করার চেষ্টা

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় প্রতিবেশী প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে নালিশী সম্পত্তি জবরদখল ও জোরপূর্বক নির্মাণ কাজ করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়ে স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য সব পক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছে। প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের ধামরাইল গ্রামের বসতবাড়ীর ৪ শতক জমি নিয়ে মৃত শহর আলী মোড়লের ছেলে রুহুল আমিন মোড়ল এর সাথে প্রতিবেশী মৃত নজরুল ইসলাম এর ছেলে ইখতিয়ার ও আব্দুল মালেক মোড়লের ছেলে আনিছুর রহমান ও অহেদ আলী মোড়ল গংদের দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। রুহুল আমিন মোড়ল বলেন আমার বসতবাড়ীর জমির সাথেই ১৯৮৬ সালে দুটি এবং ১৯৯১ সালের একটি সহ মোট ৩টি কোবলা দলিল মূলে বিআরএস ৬৮৩ খতিয়ানে ১১৫৫ দাগে ০৬ শতক জমির মধ্য থেকে ০৪ শতক জমি ক্রয় করে ৩৫/ ৪০ বছর যাবত শান্তি পূর্ণ ভাবে ভোগদখল করে আসছি। প্রতিপক্ষ ইখতিয়ার ও আনিছুর রহমান গংরা আমার রেকর্ডীয় ভোগদখলীয় সম্পত্তির গাছ কর্তন সহ জোর পূর্বক জবরদখলের হুমকি দিলে আমি গত ২ ডিসেম্বর প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এমআর ৪৩৭ নং নিষেধাজ্ঞা মামলা করি। মামলায় বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট দখল ভিত্তিক স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য আদেশ দেন। এবং এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে থানার ওসি কে নির্দেশ দেন।এদিকে আদালতের এ নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রতিপক্ষ আনিছুর গংরা লোকজন নিয়ে শুক্রবার সকালে নালিশী সম্পত্তিতে পাকা পিলার নির্মাণ করার চেষ্টা করে এসময় বাঁধা দিতে গেলে তারা আমাদের মারপিট করে। পরে থানা পুলিশ কে খবর দিলে পুলিশ এসে কাজ বন্ধ করে দেয়। এব্যাপারে থানার এস আই সুজিত জানান কাজ বন্ধ করে দিয়ে নির্বাহী আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক দখলভিত্তিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য সব পক্ষ কে নোটিশ দিয়েছি।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • পাইকগাছায় খুলনা টাইমস পত্রিকার ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    পাইকগাছায় খুলনা টাইমস পত্রিকার ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ।।
    পাইকগাছায় দৈনিক খুলনা টাইমস পত্রিকার ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠান শুক্রবার সকালে পাইকগাছা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
    খুলনা টাইমস পত্রিকার পাইকগাছা উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ শাহরিয়ার কবির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্ট। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট এফএমএ রাজ্জাক, সিনিয়র সাংবাদিক নিখিল চন্দ্র ভদ্র ও কৌশিক দে, শাকিলা পারভীন রুমা, মোরশেদ নেওয়াজ শিপ্লু। বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, সহ সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, যুগ্ম সম্পাদক এন ইসলাম সাগর, কোষাধ্যক্ষ এস এম বাবুল আক্তার, সাবেক সভাপতি জি এ গফুর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম আলাউদ্দিন সোহাগ, সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, বি সরকার, আলাউদ্দীন রাজা, প্রমথ রঞ্জন সানা, ইমদাদুল হক, পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, পলাশ কর্মকার, মহানন্দ অধিকারী মিন্টু, বদিয়ার রহমান, বাদশা ও খোরশেদ আলম।

  • নড়াইলে পেট্রোল ছুড়ে আ*গুন ধরিয়ে টাকা ছি*নতাই

    নড়াইলে পেট্রোল ছুড়ে আ*গুন ধরিয়ে টাকা ছি*নতাই

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধিঃ

    নড়াইলে এক মুদি দোকানীর গায়ে পেট্রোল ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আগুনে আব্দুর রহমান নামে ঐ দোকানী শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার (৮ডিসেম্বর) দুপুরে নড়াইল শহরতলীর কমলাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
    ভূক্তভোগী ও তার স্বজনরা জানায়, নড়াইল সদর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের মাজেদ মোল্যার ছেলে আব্দুর রহমান তাদের বাড়ির পাশে নবনির্মিত রেললাইন লাগোয়া একটি ছোট্ট মুদি দোকান দিয়ে ব্যবসা করে আসছে। একই গ্রামের কওসার মোল্যার ছেলে হেলাল আব্দুর রহমানের দোকানের পাশে গিয়ে বিভিন্ন সময় মাদক সেবন করে। দোকানী আব্দুর রহমান হেলালকে তার দোকানের আশপাশ থেকে সরে অন্যত্র গিয়ে মাদক সেবন করতে বলায় হেলাল এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে এর প্রতিশোধ নেবার সুযোগ খুঁজতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে শুক্রবার সুযোগ বুঝে হেলাল আব্দুর রহমানের দোকানে চড়াও হয়ে তার গায়ে পেট্রোল ছুড়ে দেয়। আগুন ধরিয়ে দিয়ে আব্দুর রহমানের কাছে থাকা দোকানের মালামাল কেনার উদ্দেশ্যে রাখা ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে সরে পরে। এসময় আব্দুুর রহমানের আর্ত চিৎকারে আশাপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হলেও আব্দুুর রহমানের শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • রাজশাহী-১ আসনে নৌকার বিকল্প ভাবছে না ভোটারগণ

    রাজশাহী-১ আসনে নৌকার বিকল্প ভাবছে না ভোটারগণ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ

    রাজশাহী-১ আসনে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন না করায় নৌকা প্রতীকের বিকল্প কিছু ভাবছেন না ভোটারগণ। ফলে ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী।

    বিএনপি নির্বাচনে না আসায় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী জাতীয় পার্টি, গনফ্রন্ট, জাকের পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে ভাবছেন না সাধারণ ভোটারগণ। মুলত নৌকা প্রতীক ঘিরে নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করায় ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। তিনি নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটানা পরপর তিনবার নির্বাচিত হওয়ায় আসনটিত মজবুত ভীত গড়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এই আসনের ৪টি পৌরসভা ও ১৬ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টি পৌরসভাসহ সিংহভাগ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ক্ষমতাসীনদের দখলে থাকায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিজয়ের দারপ্রান্তে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। আগামি১৮ ডিসেম্বরের পূর্বে নির্বাচনী এলাকায় প্রচার প্রচারণা ও গন সংযোগে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারনা ও গণসংযোগে না থাকলেও উৎসব দলীয় সমর্থক ও সাধারন ভোটারদের মাঝে নির্বাচনের আমেজ বইছে। মুন্ডুমালা পৌর এলাকার চাতাল শ্রমিক সাধারন ভোটার মুনসুর আলী বলেন, শেখ হাসিনা সরকার শান্তি শৃঙ্খলার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করে আসছে। এই সরকারের আমলে দেশে নজিরবিহীন উন্নয়ন হয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়লেও আয় বেড়েছে তার চেয়ে দ্বিগুন। দেশের এই উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে এই অঞ্চলের সাধারণ ভোটারগণ ব্যক্তি নয় নৌকা প্রতীকের বিকল্প কিছু ভাবছেন না।উপজেলার সরনজাই ইউপির নবনবী গ্রামের বিধবা করিমন বেওয়া (৫৫) বলেন, হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম নিয়েছি, স্বামী মারা যাওয়ার পর দুই সন্তান নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে দুমুঠো ভাতের জন্য ঘুরেছি, বাড়ীঘর না থাকায় অন্যের বাড়ীতে ঝি-এর কাজ করতাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে জমিসহ একটি পাকা বাড়ী করে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে যুব উন্নয়ন থেকে স্বল্পসুদে ঋণ দিয়েছে। এখন আর আমাকে অন্যের বাড়ীতে ঝি-এর কাজ করতে হয় না। ঋনের টাকা দিয়ে বাড়ীতে ছাগল ও হাঁস-মুরগী পালন করছি। আমি নিজেই স্বচ্ছল। আওয়ামী লীগ সরকার গরীব দঃখী অসহায় পরিবারকে সব সময় সহযোগীতা করে চলেছে। নৌকা প্রতীকের সরকার আবারো দরকার, তাই এবার এই এলাকার আমরা ভোটারেরা নৌকা প্রতীককেই ভোট দিবো। তানোর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তানোর-গোদাগাড়ী নির্বাচনী এলাকায় নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। দেশে চলমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক ছাড়া বিকল্প কিছু ভাবছেন না ভোটারেরা। তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক আবুল বাসার সুজন বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর নেতৃত্বের দূরদর্শিতায় রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী ) নির্বাচনী এলাকায় নয় রাজশাহী জেলায় আওয়ামী লীগ শক্ত ঘাঁটিতে পরিনত হয়েছে। আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নৌকার বিজয় প্রায় শতভাগ নিশ্চিত। গোদাগাড়ী উপজেলা যুবলীগের অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেল বলেন,বলেন, তানোর-গোদাগাড়ী নির্বাচনী এলাকাজুড়ে নির্বাচনী ইমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। বিগত ২০০৮ সন থেকে ২০২৩ সন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ একাধারে ১৫ বছর দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থাকায় দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। দেশের এই চলমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে দেশকে উন্নয়নশীল স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরিত করতে জনগণ প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে রাজশাহী-১ আসনে নৌকা মনোনীত প্রার্থী সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করা সহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় বসাবে জনগণ।#

  • মালদ্বীপে অনিবন্ধিত অভিবাসী কর্মীদের  জন্য দুঃসংবাদ

    মালদ্বীপে অনিবন্ধিত অভিবাসী কর্মীদের জন্য দুঃসংবাদ

    মোঃ আবদুল্লাহ কাদের মালদ্বীপ থেকে ঃ-

    মালদ্বীপের ইমিগ্রেশন মালদ্বীপে অনিবন্ধিত অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, সূত্র মালদ্বীপ ইমিগ্রেশন।
    বৃহস্পতিবার, ০৭ ডিসেম্বর এক বিবৃতিতে ইমিগ্রেশন জানিয়েছে, অভিযানে তারা অনিয়মিত প্রবাসী কর্মীদের অবৈধ তথ্য যাচাই-বাছাই এর পরিদর্শন চালাবে। ইমিগ্রেশন আরও জানিয়েছে, অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং অনিবন্ধিত অভিবাসীদের নিয়মিত করাই এই অভিযানের উদ্দেশ্য।

    উল্লেখ্য সংস্থাটি বলেছে, “এই অভিযানের আরেকটি উদ্দেশ্য হ’ল নিয়োগকর্তা, সরকারী প্রতিষ্ঠান, বিদেশী দূতাবাস, সাধারণ জনগণ এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এবং যারা অভিবাসন আইনের সততা ক্ষুণ্ন করবে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
    তবে অনিয়মিত অভিবাসী বাংলাদেশী কর্মীদের মধ্যে মালদ্বীপে বিপুল সংখ্যক অনিবন্ধিত অভিবাসী রয়েছে, যাদের অনেকেই এখনো অনিবন্ধিত রয়েছে।

    এই বিষয়ে মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিশনের কাউন্সিল শ্রম সোহেল পারভেজ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মালদ্বীপে আনডকুমেন্টেড কর্মীদের দ্রুত বৈধ হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন ।তিনি আরও বলেন দালাল ধরে বৈধ হওয়ার চেষ্টা যেনো প্রবাসীরা না করে। যেখানে কাজ করে সেখানেই বৈধ হওয়ার চেষ্টা করতে। কারণ দালাল ধরে করলে অনেক সমস্যা হতে পারে উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন আমরা ইদানীং শুনতে পেরেছি যারা দালাল ধরে বৈধ হয়েছে তারা দেশে গেলে ভিসা বাতিল করে দিচ্ছে।