পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ইউনিটি ফর ইউনিভার্স হিউম্যান রাইটস অব বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। রোববার সকালে এক বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা পরিষদের বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা ও একুশে মে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ্যাডঃ শফিকুল ইসলাম কচি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আরিফুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন, প্রাক্তন অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ সরকার, হরেকৃষ্ণ দাশ, প্রাক্তন অধ্যাপক জিএমএম আজাহারুল ইসলাম, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া বানু ডলি, ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী পরিচালক নিজাম উদ্দীন, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম আলাউদ্দীন সোহাগ, কবিন্দ্রনাথ রায়, ইদ্রিস আলী, সুভাষ চন্দ্র রায়, প্রভাষক এস রোহতাব উদ্দীন, সুষ্মিতা সরকার, খানজাহান আলী, সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, বি সরকার, এন ইসলাম সাগর, প্রমথ রঞ্জন সানা, আবুল হাশেম, পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, ইমদাদুল হক, খোরশেদ আলম, রোভার স্কাউটস নয়ন মনি বিশ^াস ও সুজয় সাহা।
Blog
-

পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত
-

পাইকগাছায় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে এমপি প্রার্থী রশীদুজ্জামানের মতবিনিময়
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
পাইকগাছার মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মতবিনিময় করেছেন খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামান। তিনি রোববার সকালে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ মতবিনিময় করেন। সাবেক কমান্ডার শেখ শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গী, আলহাজ¦ আব্দুল মজিদ গোলদার, আমিনুল ইসলাম, জামির হোসেন, সবুর হোসেন, আব্দুল মাজেদ, আব্দুল গফুর, আব্দুর রহমান মিস্ত্রী, আওয়ামী লীগনেতা বিভূতি ভূষণ সানা, কৃষ্ণপদ মন্ডল, আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ তৈয়ব হোসেন নূর, শিক্ষক আল-ইদ্রিস, ইমরুল ইসলাম, এসএম আমিনুর রহমান লিটু, যুবলীগনেতা সুকুমার বিশ^াস, পরেশ মন্ডল ও জেলা ছাত্রলীগনেতা মৃণাল কান্তি বাছাড়। সভায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। -

আন্তজার্তিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে গৌরনদীতে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
বি এম মনির হোসেনঃ-
১০ ডিসেম্বর আন্তজার্তিক মানবাধিকার দিবস ২০২৩ উপলক্ষে বরিশালের গৌরনদী আন্তজার্তিক মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়েছে।
জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটির গৌরনদী উপজেলা শাখার আয়োজনে বিভেদ নয় ঐক্য চাই, সংঘাত নয় শান্তি চাই এই শ্লোগানে আন্তজার্তিক মানবাধিকার দিবস ২০২৩ উপলক্ষে রবিবার সকালে উপজেলা চত্বরে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে উপজেলা সভাকক্ষে আলোচনা সভা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ রফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গৌরনদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী। জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটির গৌরনদী উপজেলা শাখার সভাপতি আবদুছ ছালেক মামুন এর সঞ্চালনায়। বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি ছিলেন গৌরনদী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ মাজহারুল ইসলাম এস আই মোঃ শহিদুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল বাসার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল জলিল, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা খান মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান, নির্বাচন কর্মকর্তা,খাদ্য কর্মকর্তা অশোক কুমার চৌধুরী, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান দ্বীপ, সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার দাস, উপজেলা প্রেসক্লবের সহসভাপতি ডাঃ মণীষ বিশ্বাস, উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রেসক্লাবের কোষাদক্ষ্য হাসান মাহমুদ, ৭১ টিভির গৌরনদী প্রতিনিধি মোঃ লিটন, গৌরনদী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি বিএম বেল্লাল, উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ শাহিন, সম্পাদক মোঃ লিটন খান, জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটির বরিশাল জেলা কমিটির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মোঃ বাবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ওবাইদুর রহমান প্রমুখ।। -

গোদাগাড়ীতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৫ বছরে সামাজিক নিরাপত্তা সহায়তা ভাতা ও গৃহনির্মাণ প্রকল্পে ২১ হাজার ১২৯ জন উপকারভোগীদের জন্য প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে উপকার ভোগীদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, সামাজিক নিরাপত্তা সহায়তা ভাতা ও গৃহনির্মাণ প্রকল্পে সর্বমোট ৬.৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
গোদাগাড়ী উপজেলায় মাতৃত্বকালীন, ল্যাকটেটিং, মা ও শিশু, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত, দলিত,হরিজন, কামার, কুমার, বেদে, ও ভিক্ষুক ভাতা ২১ হাজার ১২৯ জন উপকারভোগীদের জন্য মোট ৮৮৪ কোটি ৪৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে বয়স্ক, বিধবা, স্বামী পরিত্যাক্তা ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রকল্পে
২ লাখ ৩ হাজার ৪৯৬ জন উপকারভোগীদের জন্য ৭৫২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়াও
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মানি ভাতা প্রকল্পে ৪৯৬ জন উপকারভোগীর বিপরীতে ৫৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ওদিকে উপজেলায় গৃহহীনদের বাড়ি নির্মাণ প্রকল্পে ৪৪টি বাড়ি (২) রুম বিশিষ্ট ৪৪ জন উপকারভোগীর বিপরীতে
৯৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।এছাড়াও মুজিববর্ষে ভুমিহীনদের জমিসহ বাড়ি নির্মাণ প্রকল্পে ১৩ হাজার ১৬টি বাড়ি (২) রুম বিশিষ্ট এসব উপকার ভোগীর বিপরীতে ২৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা নিবাস ৫৫টি (ফ্ল্যাট বাড়ি) উপকার ভোগীর বিপরীতে ৯ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
জানা গেছে, সরকার প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর মাধ্যমে গোদাগাড়ীর মানুষকে প্রত্যাশা অনুযায়ী শতভাগ ভাতা উপহার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে পর্যাপ্ত ভাতা প্রদান চলমান রয়েছে এবং থাকবে। বিগত ২০০৫ সালে প্রতিবন্ধী ও ২০০৭ সালে মাতৃত্বকালীন ভাতা ব্যতিত সকল ভাতা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে চালু হয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে এসব ভাতার অর্থ প্রদান করা হয়। ভবিষ্যতে ভাতা শুবিধার জন্য আবেদনকারী নিজেই অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আগামিতে দুঃস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ গৃহহীন প্রতিটি নাগরিকের ঠিকানা নিশ্চিত করতে প্রকল্পগুলো চরমান রয়েছে এবং থাকবে। সমগ্র বাংলাদেশের মধ্যে গোদাগাড়ী উপজেলায় সর্বোচ্চ এক হাজার ৩৬০টি পাকা বাড়ি(টয়লেট রান্নাঘরসহ) ইতিমধ্যে নির্মিত হয়েছে। অথচ বিএনপি ও চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে এধরণের প্রকল্পের কোনো অস্তিত্ব ছিলো না। এখন প্রশ্ন হলো যে জাতি উপকারীর উপকার শিকার করে না,তারা অকৃতজ্ঞ। আর অকৃতজ্ঞদের ধ্বংস অনিবার্য। সচেতন মহলের অভিমত, আওয়ামী লীগ সরকারের উপকার শিকার ও কৃতজ্ঞতা স্বরুপ আওয়ামী লীগের পক্ষে থাকা। -

মানবাধিকার লং*ঘনের শি*কার নেতাকর্মী ও তাদের স্বজনদের উপস্থিতিতে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির মানববন্ধন
আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
সদর উপজেলার বেড়াশুলা গ্রামের জসিম উদ্দীন একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা। ১০ বছর বিদেশে ছিলেন। ৬ মাস আগে বাড়ি ফিরেছেন। সরকার বিরোধী সমর্থক বানিয়ে তাকে নাশকতা মামলায় গ্রেফতার করেছে। তিনি এখন জেলখানায় বন্দি। দিনের পর দিন চলে যাচ্ছে, জামিন মিলছে না। জসিমের মতো বাদপুকুর গ্রামের আল ফারুক একজন চাতাল ব্যবসায়ী। ব্যবসার বাইরে তার কোন পরিচয় নেই। নিজ চাতালে বোমা তৈরী করছিলেন এমন অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এমন অবিচারের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে বিএনপি। রোববার সকালে মানবাধিকার লংঘনের শিকার নেতাকর্মী ও তাদের স্বজনদের উপস্থিতিতে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের সড়কে এ কর্মসূচীতে অংশ গ্রহন করেন। বিএনপি, মহিলা দলসহ উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা পৃথক ব্যানার নিয়ে এই কর্মসুচিতে অংশ নেয়।
ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড এম এম মজিদের সার্বিক তত্বাবধানে কর্মসূচীতে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও ঝিনাইদহ আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. রবিউল ইসলাম, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যাড. শামসুজ্জামান লাকি, জেলা বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. জাকারিয়া মিলন, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক তহুরা খাতুন ও জেলা বিএনপির আইন বিষয়ক সহ-সম্পাদক এ্যাড. আব্দুল আলিম বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধন কর্মসুচি শেষে এক সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিএনপির চলমান আন্দোলন ঘিরে সরকার পুলিশ বাহিনী দিয়ে নিরীহ কর্মীদের মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে কারাগারে রেখেছে। মাসের পর মাস তাদের পরিবারের সদস্যরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আদালওেত জামিন মিলছে না। গায়েবী, মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে হাজতে আটকে রাখা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন। বক্তারা দ্রæত এসব নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানান তারা।
ঝিনাইদহে মানবাধিকার দিবস পালিত
আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
‘সবার জন্য স্বাধীনতা, সমতা ও ন্যায় বিচার’ এই শ্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে ঝিনাইদহে মানবাধিকার দিবস পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র্যালী বের করা হয়। র্যালীটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সেসময় জেলা প্রশাসক এস এম রফিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক ইয়ারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রথীন্দ্রনাথ রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর আবিদুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি এম রায়হান, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সালমা ইয়াছমিনসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। এদিকে দিবসটি উপলক্ষে সকালে শহরের পায়রা চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচীর আয়োজন করে জেলার মানবাধিকার সংগঠনগুলো। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা, ওয়েলফেয়ার এফোর্টস, পদ্মা সমাজ কল্যাণ সংস্থার কর্মীসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়। কর্মসূচীতে মানবাধিকার কর্মী আমিনুর রহমান টুকু, শরিফা খাতুন, হাফিজুর রহমান, সুব্রত মল্লিক, হাফিজুর রহমান ও বাবলু কুন্ডুসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা, মানবাধিকার বাস্তবায়নের জন্য রাস্ট্র থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে কাজ করার আহŸান জানানঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান । -

পৌষ না পড়তেই শীতে কাবু তেঁতুলিয়ার জনজীবন
মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় শীতে কাবু জনজীবন। ঘন কুয়াশা আর সূর্যের লূকোচুরিতে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। প্রচণ্ড শীতের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। শীতের প্রকোপে অসহায় হয়ে দিনপাত করছে ছিন্নমূল মানুষেরা। দেশের উত্তর জনপদের সর্বশেষ উপজেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া। হিমালয়ের অনেক কাছে হওয়ায় এখানে শীতের তীব্রতা প্রতি বছরই বেশি হয়। কিন্তু এবার যেন শীত একটু বেশি দাপুটে। পৌষ মাস না পড়তেই অসহনীয় অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় হাঁড় কাঁপাতে শুরু করেছে এই উপজেলায়।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টায় জেলায় তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড ধরা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় রেকর্ড হয়েছিল ১৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দু’দিন ধরে হাড়কাঁপানো শীত পড়ায় বিপাকে পড়েছেন বিভিন্ন শ্রেণির খেটে খাওয়া মানুষ। ভোর ৬টা থেকে দুপুর পর্যন্ত কনকনে শীতের কারণে কাজে যেতে পারছেন না অনেকেই। তবে পেটের তাগিদে কাউকে নদীতে পাথর তুলতে, কাউকে চা-বাগানে আবার কাউকে দিনমজুরের কাজ করতে যেতে দেখা গেছে।
এদিকে বেড়েছে শীতজনিত নানা ব্যাধি। হাসপাতাল, ক্লিনিকগুলোতে জ্বর-সর্দি, কাশি, অ্যাজমা, সাইনোসাইটিস, ইসনোফিলসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগীর ভিড় জমাতে লক্ষ্য করা গেছে। শীতে করোনার প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা থাকায় চিকিৎসকরা রোগীদের স্বাস্থ্যবিধি মানার পরামর্শ দিচ্ছেন।
চিকিৎসকরা বলছেন, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে রোগীর চাপ বেড়েছে। এমনিতে শীত মৌসুমে আবহাওয়া শুষ্ক থাকায় বাতাসে জীবাণুর পরিমাণ বেড়ে যায়। শীতজনিত রোগ হিসেবে সর্দি-কাঁশি, শ্বাসকষ্ট বেশি হয়ে থাকে। আর শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠরা শীতজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। তাই এ সময়টাতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে পারলে কিছুটা হলেও সুরক্ষা মিলবে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ জানান, তাপমাত্রা কমে বেশ ঠান্ডা পড়েছে। আজ রোববার সকাল ৯টায় ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রেকর্ড হয়েছিল ১৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবের কারণেই দিনে কুয়াশাচ্ছন্ন থাকছে কদিন ধরেই। হিমেল হাওয়া প্রবাহিত হওয়ায় শীত অনুভূত হচ্ছে। সামনে তাপমাত্রা আরও কমে আসবে বলে তিনি জানান।
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।
-

তানোরে ১৫ বছরে চিকিৎসা সেবায় বরাদ্দ ৫২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে চিকিৎসা সেবার উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
জানা গেছে, বিগত ২০০৯ সাল থেকে ২০২৩ পর্যন্ত এই ১৫ বছরে বর্তমান সরকারের সময়ে উপজেলায় সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রায় ৫২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। উপজেলায় ২০টি কমিউনিটি ক্লিনিকে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। উপজেলা সরকারি হাসপাতাল ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নতিকরণে ১৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। উপজেলা হাসপাতাল ও উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অবকাঠামো উন্নয়ন ৯টি বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা। রোগী পরিবহন সেবা দুটি বরাদ্দ এককোটি টাকা। উপজেলায় এক হাজার ২৩০ জন দুঃস্থ রোগীদের এক কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান। উপজেলা হাসপাতালে ডিজিটাল এক্সরে, আধুনিক অপারেশন থিয়েটার,আইভিশন সেন্টার সংযোজন ও ৩টি সেন্ট্রাল অক্সিজেন, বরাদ্দ এক কোটি টাকা। কোভিট-১৯ মোকাবেলায় দুই লাখ ২০ হাজার ৯৩২ জন উপকারভোগীদের বিপরীতে বরাদ্দ করা হয়েছে ১১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এছাড়াও কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌচ্ছে দেয়া হয়েছে। এসব ক্লিনিক থেকে প্রায় ২৭ প্রকারের ওষুধ বিনামুল্য পাওয়া যায়।এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে। বিগত ২০০৬ সালে প্রতি লাখ মানুষের মাঝে মাতৃ মৃত্যুর হার ছিলো ২৭০ জন। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে ২০২৩ সালে মাতৃ মৃত্যুর হার কমে ১৬১ জনে দাঁড়িয়েছে। বিগত ২০০৬ সালে প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুর হার ছিলো ৮৪ জন, কিন্ত্ত ২০২৩ শিশু মৃত্যুর হার ৪ গুন কমে দাঁড়িয়েছে ২১ জন। এছাড়াও স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে বিপি মেশিন, ডায়াবেটিস মেশিন,নেবুলাইজারসহ কোভিট-১৯ সময়ে (মাস্ক, পিপি,হ্যান্ড স্যানিটাইজার) ইত্যাদি উপকরণ বিতরণ করেছেন।
এখন প্রশ্ন হলো যে জাতি উপকারীর উপকার শিকার করে না,তারা অকৃতজ্ঞ। আর অকৃতজ্ঞদের ধ্বংস অনিবার্য। সচেতন মহলের অভিমত, আওয়ামী লীগ সরকারের উপকার শিকার ও কৃতজ্ঞতা স্বরুপ আওয়ামী লীগের পক্ষে থাকা এসব মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। -

নড়াইল নানা আয়োজনে মুক্ত দিবস পালিত
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইল নানা আয়োজনে মুক্ত দিবস পালিত।
১০ ডিসেম্বর নড়াইল মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সম্মুখ যুদ্ধে পরাজিত করে নড়াইলকে মুক্ত করেছিলেন।
এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে নড়াইলের তৎকালীন এসডিও কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, এমএনএ খন্দকার আব্দুল হাফিজ, আওয়ামী লীগ নেতা এখলাছ উদ্দিন, বিএম মতিয়ার রহমান লোহাগড়া হাইস্কুলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের একটি বিশাল দল নিয়ে যশোর অভিমুখে যান। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, (৬ এপ্রিল) সকালে পাক হানাদার বাহিনী দুটি জেট বিমান থেকে নড়াইল শহরে মেশিনগানের গুলি ও বোমা নিক্ষেপ করে। এতে নড়াইলের প্রচুর ক্ষতি হয় এবং শহর জনমানবশূন্য হয়ে পড়ে। ১৩ এপ্রিল হানাদার বাহিনীর একটি দল নড়াইল শহরের চৌরাস্তায় রেস্টুরেন্ট মালিক মন্টুকে গুলি করে আহত করে এবং হরিপদ সরদার, ভাটিয়া গ্রামের কালু বোস, সরসপুর গ্রামের প্রফুল্ল মিত্রকে ধরে নিয়ে দাইতলা পুলের কাছে গুলি করে ফেলে রেখে যায়। পাকিস্তানি বাহিনী ২৩ মে ইতনা গ্রামে ঢুকে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায়। সেদিন ওই গ্রামের ১৯ নারী-পুরুষকে হত্যা করে। নির্বিচারে হত্যার পাশাপাশি বাড়ি-ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং লুটতরাজ করে।
পরে মুক্তিযোদ্ধারা নড়াইলে ঢুকে লোহাগড়া থানা পাক হানাদার বাহিনীকে ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ না করায় ৮ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিতভাবে তিন দিক থেকে লোহাগড়া থানা আক্রমণ করেন। প্রচন্ড যুদ্ধের পর হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। এদিন লোহাগড়া শত্রুমুক্ত হয়। এরপর মুক্তিযোদ্ধারা নড়াইলের হানাদার বাহিনীর ঘাঁটির দিকে অগ্রসর হতে থাকে।৭ ডিসেম্বর এস এম ফজলুর রহমান জিন্নাহর নেতৃত্বে নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের দক্ষিণে মাছিমদিয়া গ্রামে সমবেত হয়ে পুলিশ-রাজাকারদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান তরুণ মুক্তিযোদ্ধারা। এসময় লোহাগড়ার জয়পুরের মিজানুর রহমান পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে শহীদ হন। এ ঘটনার পর ৯ ডিসেম্বর কমান্ডার ফজলুর রহমান জিন্নাহ,শেখ আজিবর রহমান, আমির হোসেন, উজির আলী, শরীফ হুমায়ুন কবীর, আব্দুল হাই বিশ্বাসের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা বর্তমান নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের দক্ষিণ দিক থেকে আক্রমণ চালায়। পাল্টা আক্রমণে মো. নজির হোসেন মোল্যার নেতৃত্বাধীন বাগডাঙ্গা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান শহীদ হন।
ওই দিনই শহরের পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাংলোতে অবস্থানরত ৪০ জন পাকিস্তান মিলিটারিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলে তারা আত্মসমর্পণে অস্বীকৃতি জানায়। এসময় মুক্তি বাহিনীর সদস্যরা চতুর্দিক থেকে প্রচন্ড হামলা চলান। পরে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়।
তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে মুক্তিযোদ্ধারা সারা রাত শহরে বিজয় উল্লাস করতে থাকেন ও জয় বাংলা শ্লোগানে শহর প্রকম্পিত করে তোলেন। ১০ ডিসেম্বর দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে নড়াইলকে পাকিস্তান হানাদার মুক্ত ঘোষণা করেন।
দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে দিনব্যাপী জেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল জাতীয় ও মুক্তিযোদ্ধা পতাকা উত্তোলন, র্যালি, মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ, ৭১ এর বধ্যভূমি, গণকবর ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুর্যাল ও প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ বিশেষ মোনাজাত, আলোচনা সভা, এনভায়রনমেন্টাল থিয়েটার (মুক্তিযুদ্ধের মহড়া) এবং জারী গানের আয়োজন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কামান্ড কাউন্সিল, নড়াইল প্রেসক্লাব, পানি উন্নয়ন বোর্ড. গনপূর্ত বিভাগ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ সরকারি-বেসরকারি দফতর, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ, ৭১ এর বধ্যভূমি, গণকবর ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুর্যালে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এ সব অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডঃ সুবাস চন্দ্র বোস,পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান, স্থানীয় সরকার বিভাগ, নড়াইলের উপ-পরিচালক জুলিয়া শুকায়না, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) শাশ্বতী শীল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জুবায়ের হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা জেলা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা গোলাম কবির, বীরমুক্তিযোদ্ধা এস এম বাকী, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডঃ আলমগীর সিদ্দিকী,বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ আজিবর রহমান,শরীফ হমাউন কবীর,এস এ মতিন, শরীফ আবদুল্লাহেল বাকী,সাইফুর রহমান হিলু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনীতিবিদ, আইনজীবি, সাংস্কৃতিক কর্মিসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। -

খাগড়াছড়িতে ফেইক আইডি ব্যবহার করে প্রধান শিক্ষককে নিয়ে মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে বিবৃতি প্রদান
নুরুল ইসলাম (টুকু), সদর উপজেলা প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি।
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ০৫ নং ভাইবোনছড়া ইউনিয়ন এর বলং হামারী নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ফেইক আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয় এ সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে বিদ্যালয়ের উদ্যোগক্তা কমিটির সভাপতি পরিমল ত্রিপুরা ও সাধারণ সম্পাদক সুবল ত্রিপুরা স্বাক্ষরিত লিখিত এক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।
রবিবার (১০ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং) প্রকাশিত বলং হামারি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির বিবৃতি হুবুহু তুলে ধরা হলো।
এতদ্বারা বলং হামারি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়” এর শিক্ষক, অভিভাবক শিক্ষার্থী, শুভাকাঙ্ক্ষী সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে জানানো যাচ্ছে যে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে একটি ফেক আইডি (সাগরিকা ত্রিপুরা শ্রুতি নামে ভুয়া একাউন্ট) ব্যবহার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দিয়ে সকলকে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে। যা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অগ্রহণযোগ্য কাজ। এ বিষয়ে পানছড়ি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। আশা করি খুব শীঘ্রই উক্ত ফেক আইডির পরিচয় জানতে পারব। কমিটি ঘোষণা করেছে যে, উক্ত ফেক আইডি থেকে যে সব বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ অসত্য। কমিটি এটিও নিশ্চিত করেছে যে, বিদ্যালয়ের যে কোন বিষয়ে যে কোন শুভাকাঙ্ক্ষী সরাসরি পরামর্শ বা অভিযোগ জানালে আমরা পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্ক্ষীদের সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করি।
-

পটিয়ায় মাস ব্যাপী আরবী ও ইংরেজি প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন
মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার:
পটিয়া উপজেলার আলমদার পাড়ায় নূরানী তা’লীমুল কুরআন বোর্ড কর্তৃক পরিচালিত শায়খুল কুরআন আল্লামা ক্বারী বেলায়েত হুসাইন (রহ:) নূরানী মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে ১মাস ব্যাপী আরবী ও ইংরেজি মুয়াল্লিম কোর্স এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আলমদারপাড়া বাইতুশ শরফ কমপ্লেক্সের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম আলমদারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাদ্রাসা হল রুমে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমদার পাড়া শাহ জব্বারিয়া তরুণ সংঘের সভাপতি রাশেদ ফারুক আলমদার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স সুপার মাওলানা সাইদুল হক,মাওলানা মোহাম্মদ আলী,আলমদার পাড়া বায়তুশ শরফ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুর রহিম,প্রশিক্ষণ মাওলানা মুফতি বেলায়েত হোসেন,মাওলানা মোহাম্মদ মাহাদী হাসান, আলমদার পাড়া বাইতুশ শরফ মাদ্রাসা সুপার মাওলানা মোহাম্মদ নসিম উদ্দীন প্রমুখ।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ি বায়তুশ শরফ আদর্শ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু ওসমান। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন রাঙ্গামাটি বাইতু শরফ কমপ্লেক্সের সুপার মাওলানা ফোরকান আহমেদ।
প্রধান অতিথি রাশেদ ফারুক আলমদার বলেন, “আলমদার পাড়া বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স এলাকার কোমলমতি ছেলেমেয়েদের কে সঠিক দ্বীনি শিক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তাই মাদ্রাসাটিকে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য এলাকার সর্বমহলে সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।”
প্রশিক্ষণ মাওলানা মুফতি বেলায়েত হোসেন বলেন, “এই কোর্সে অংশগ্রহণকারীদেরকে আরবী ও ইংরেজি ভাষার পাশাপাশি নূরানী শিক্ষার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।”
অনুষ্ঠানের শেষে সকলের মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
ছবির ক্যাপশনঃ মাস ব্যাপী আরবী ও ইংরেজি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রাশেদ ফারুক আলমদার।