মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার।।
পটিয়ার ইন্দ্রপোল সংলগ্ন বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সে বায়তুশ মুর্শিদে বরহক পীরে তরিকত্ব শাহসূফি হযরত শাহ আবদুল জব্বার (রহ:) স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এ বারের পরীক্ষায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের প্রায় সহস্রাধিক পরিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে। এ উপলক্ষে সকাল থেকেই অভিভাবকরা তাদের ছেলে মেয়েদের নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র হাজির হতে থাকে। ফলে বেলা গড়াতেই শাহ জব্বারীয়া কমপ্লেক্স এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। চারদিকে বিরাজ করে উৎসবের আমেজ। পরীক্ষা শুরুর মাঝামাঝি সময়ে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন পটিয়া পৌরসভার মেয়র আইয়ুব বাবুল, কমপ্লেক্স ও মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, তাদের সাথে ছিলেন ইন্দ্রপোল লবণ মিল মালিক সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন সুপার মৌলানা সরওয়ার উদ্দিন রাশেদী, মোঃ আবু তালেব আইয়ুব, মোঃ সেলিম উদ্দিন
বৃত্তি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি আশরাফ উদ্দিন খোকন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।এ সময় অতিথিবৃন্দ পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এ পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মেধার উৎকর্ষ সাধনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। পরে তারা এ কমপ্লেক্স ঘুরে দেখে বলেন, এ প্রতিষ্ঠান ধীরে ধীরে আল কোরআন ও ইসলামী শিক্ষার বাতিঘর হয়ে সমগ্র দক্ষিণ চট্রগ্রামে আলোকিত মানুষ তৈরী করবে। তারা এ কমপ্লেক্স তৈরী করে দেওয়ায় পটিয়ার কৃতি সন্তান, বেকার বন্ধু দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও দানবীর আলহাজ্ব সাইফুল আলম মাসুদ ও তার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এ প্রতিষ্ঠান কেয়ামত পর্যন্ত দ্বীনের খেদমতের আন্জাম প্রদান করবে।
Blog
-

সাধারণ জ্ঞানের চর্চা মেধার বিকাশ ঘটায়- মেয়র আইয়ুব বাবুল
-

গোদাগাড়ীতে যুব স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর গোদাগাড়ীর কাকনহাটে ২০ জন যুব স্বেচ্ছাসেবীদের অংশগ্রহণে ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) সিসিবিভিও’র আয়োজনে ও ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড জার্মানীর সহায়তায় ‘রাজশাহীর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর রক্ষাগোলা গ্রাম ভিত্তিক স্থিতিশীল খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচী’-এর আওতায় এই সভা হয়।
সভার আলোচ্য সূচি ছিল রক্ষাগোলা সংগঠনে যুব স্বেচ্ছাসেবীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, আসন্ন রক্ষাগোলা সংগঠনের বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজনে তাদের ভূমিকা এবং রক্ষাগোলা শিশুপাঠশালা পরিচালনায় তাদের ভূমিকা।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সিসিবিভিওর সমন্বয়কারী আরিফ ইথার, উদ্ধর্তন মাঠ কর্মকর্তা নিরাবুল ইসলাম, পৌল টুডু, নারী উন্ন্য়ন কর্মকর্তা সবিতা রানী ও প্রশিক্ষণ ও সংস্কৃতিক কর্মকর্তা সৌমিক ডুমরী। সভায় সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন সিসিবিভিও’র সমাজ সংগঠক (শিক্ষা) ইমরুল সাদাত।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী। -

বিদায় বেলায় নিজে কাঁদলেন, সহকর্মীদেরও কাঁদালেন কোতোয়ালির ওসি
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
সহকর্মীদের চোখের জল আর ফুল সজ্জিত করে সংবর্ধনার মাধ্যমে ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দকে বিদায় দেওয়া হয়েছে।রবিবার (১০ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানো হয় তাকে। এর আগে শনিবার রাতে কোতোয়ালি মডেল থানার আওতাধীন ১নং ফাঁড়ি ইনচার্জ ওয়াজেদ আলীর নেতৃত্বে বিদায়ী ওসিকে ফুলের শুভেচ্ছায় বিদায়ী সংবর্ধনা জানান ১নং ফাঁড়ি পুলিশ।
কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ১নং ফাড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক ওয়াজেদ আলী, ২নং ফাড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান, কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক অপারেশন মারফত আলী, পুলিশ পরিদর্শক ইন্টেলিজেন্স রাজন পাল, এসআই আনোয়ার হোসেন, এসআই দেবাশীষ সাহা, সাংবাদিক
মোঃ আব্দুল হাফিজ, কামরুল হাসান বক্তব্য রাখেন।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা কোতোয়ালি মডেল থানার বিদায়ী ওসি শাহ কামাল আকন্দ কে তার সততা, নিষ্ঠা, সামাজিক কর্মকাণ্ডসহ পেশাগত কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, ওসি স্যার আমাদের সঙ্গে দুই বছরের বেশী সময় ধরে সময় কাটিয়েছেন, তার কর্মদক্ষতা ও মানবিক কাজ আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা যোগাবে। স্যার সারাজীবন আমাদের হৃদয়ে থাকবেন। কর্মজীবনে একজন ওসি তার সহকর্মীদের এত স্নেহ ও ভালোবাসা দিতে পারেন সেটা অন্য ওসির সময় পাইনি। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশী সহকর্মীদের সঙ্গে তিনি সদাচারণ করতেন। অনুষ্ঠানে কোতোয়ালি পুুলিশের পক্ষ থেকে তাকে মানপত্র, ফুলের তোড়াসহ সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
বিদায়ী ওসি শাহ কামাল আকন্দ মিডিয়ার কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বলেন, করোনাকালের মানবিক কাজে সাংবাদিকগণ ঝুঁকি নিয়ে দিনরাত সহায়তা করেছেন।অফিসার ফোর্সদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, কোতোয়ালিতে সেবা গ্রহিতারা এসে যাতে অসন্তোষ না হয়, জিডি ও মামলায় কেউ যাতে হয়রানী না হয় এবং দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় সকলকে সেই নির্দেশ দিয়েছি। সবাই আমার নির্দেশ যত কষ্টই হোক মেনে চলেছেন। কারো বিরুদ্ধে কোথাও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি আরো বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগীয় ও শিক্ষা নগরী। প্রায় দুই লক্ষাধিক শিক্ষার্থী সহ সকল মানুষকে অল্প সংখ্যক অফিসার ফোর্স দিয়ে নিরাপত্তা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র সকলের আন্তরিকতার জন্য। তিনি সবশেষে বলেন, নগরীর আইন শৃংখলা যে অবস্থায় আছে এটা ধরে রাখবেন। কোথাও কোন অঘটন ঘটলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছার চেষ্টা করবেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, রাতভর রেললাইন প্রহরা দেয়ার মত দিবারাত্রি কাজ করছেন সহকর্মীরা। বিশেষ কোন সুবিধা দিতে পারলেও সহকর্মীরা ভালবাসার টানে আন্তরিকভাবে এ সব করেছেন। সামনে নির্বাচন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আগে নিজেদের সিকিউরিটি নিবেন। ইনচার্জ যে নির্দেশ দিবেন সেভাবেই চলবেন।
অফিসার ফোর্স গন বিদায়ী ওসি সম্পর্কে বলেন, কোতোয়ালি মডেল থানার ইতিহাসের পাতায় ওসি শাহ কামাল আকন্দের নাম লেখা থাকবে। অফিসার ফোর্সগন মায়ের কোলে সন্তানের মত নিরাপদ ছিল। তিনি একজন ভাল অভিভাবক, ভাল ম্যানেজার, ভাল অধিনায়ক। তার মাঝে সব গুনাবলী রয়েছে। কাকে দিয়ে কোন কাজটি করানো সম্ভব তা তিনি জানেন। তার কাছ থেকে অনেক শিখার রয়েছে।
অফিসার ইনচার্জ হিসেবে শাহ কামাল আকন্দ এর অর্জন, যা দিয়েছেন তা পরবর্তীতে কেউ পারবে কি না সন্দেহ। বিভিন্ন মামলার সটিক তদন্ত, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটনে কঠিন মুহূর্তে ধৈর্য ধরে সফল হয়েছেন। এর আগে গাড়িগুলো পৃথকভাবে বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়। পরে ওসি শাহ কামাল আকন্দ কোতোয়ালি মডেল থানার নবাগত ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।ওসি আরো বলেন, কোতোয়ালিবাসীর ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ। সারাজীবন কোতোয়ালি এলাকার মানুষের এই ভালোবাসা মনে রাখব। আমার কর্মজীবনে এমন সুন্দর মুহূর্ত কখনো কাটেনি। যোগদানের প্রথমদিনে সাংবাদিকদের উদ্যেশ্য করে বলেছিলাম পুলিশ হবে জনগণের প্রথম ভরসাস্থল। কোতোয়ালিতে থাকার শেষদিন পর্যন্ত সেটা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করেছি। ওসির বিদায়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্যদের মধ্যে আবেগঘন এক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
প্রসঙ্গত, শাহ কামাল আকন্দ গত ২০২১ সালের ১৯শে আগষ্ট কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে কোতোয়ালি এলাকায় একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়ায় জেলাবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হোন।
এছাড়াও মাদক, সন্ত্রাস দমন, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশংসনীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে ময়মনসিংহ জেলা ও বিভাগে একাধিকবার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হন। এ সময়ের মধ্যে কোতোয়ালি পুলিশও একাধিকবার বিভাগ ও জেলায় শ্রেষ্ঠ পুলিশ নির্বাচিত হয়। এর আগে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত থাকাকালেও রাষ্ট্রীয় পুরষ্কারপ্রাপ্তসহ পুলিশ রেঞ্জ ও জেলায় বার বার শ্রেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পুরস্কারপ্রাপ্ত হন আলোচিত ওসি শাহ কামাল আকন্দ। তাছাড়া গোয়েন্দা শাখায় অফিসার ইনচার্জ হিসাবে জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অনন্য ভূমিকা পালনকারী এবং করোনাকালীন সময়ে অসামান্য মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপনকরায় চৌকস মেধাবী এই পুলিশ কর্মকর্তা শাহ কামাল হোসেন আকন্দকে কোতোয়ালি মডেল থানায় ওসি হিসাবে নিযুক্ত করা হয়।
সততা, দক্ষতা ও মেধার সংমিশ্রনে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে পুলিশ বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন শাহ কামাল হোসেন আকন্দ ডিবি ময়মনসিংহের ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ৬১ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার ছাড়াও ৪৪ টি ক্লুলেস মার্ডার কেসের রহস্য উন্মোচন করে নগরব্যাপী আলোচনায় শিরোনাম হন।
-

মধুপুরে পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রনে দৈনিক বাজারে অভিযান
আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা কমাতে অভিযানে নামে উপজেলা প্রশাসন।
১১ (ডিসেম্বর) সোমবার দুপুরের দিকে মধুপুর পৌরশহরের দৈনিক বাজারে অভিযানে নামে মধুপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. জাকির হোসাইন। তাকে সহযোগিতা করেন মধুপুর থানার ওসি মোল্লা আজিজুর রহমান।
এসময সহকারী কমিশনার (ভূমি)জাকির হোসাইন বলেন,পেঁয়াজের মূল্য কারসাজি করে যদি কোনো অসাধু ব্যবসায়ী বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে তাহলে তার বিরুদ্ধে জরিমানাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পেঁয়াজ ক্রয় বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ রাখার কথাও বলেন ব্যবসায়ীদের। তাছাড়াও ভোক্তাদের বলেন আপনারা প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত পরিমানে ক্রয় করবেন না। -

আশুলিয়ায় ইতিহাস পরিবহনের বাসে আ*গুন দিল দূ*র্বৃত্তরা
হেলাল শেখ।
সাভারের আশুলিয়ার কবিরপুর এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে আগুন দিয়েছে দূর্বৃত্তরা। এঘটনায় ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিটের আধা-ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে আশুলিয়ার কবিরপুর এলাকায় ইতিহাস পরিবহনের একটি বাসে দূর্বৃত্তরা আগুন ধরিয়ে দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসন স্টেশন টিম লিডার মো. আনোয়ার হোসেন।
স্থানীয়রা জানায়, চন্দ্রা থেকে ছেড়ে আসা ইতিহাস পরিবহনের বাসটির নবীনগর হয়ে রাজধানীর মিরপুরের দিকে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কবিরপুর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছালে তাতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকার (ডিইপিজেড) ফায়ার সার্ভিস জানায়, ইতিহাস পরিবহনের একটি বাসে দূর্বৃত্তরা বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। ৯৯৯ খবর পেয়ে আমাদের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং প্রায়আধা ঘণ্টার চেষ্টা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি।
এবিষয়ে আশুলিয়া থানা-পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছি। ইতিহাস পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। আগুন ইতিমধ্যে নেভানো হয়েছে।তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
-

গনজাগরণের শিল্প আন্দোলন
মোঃ শহীদ উল্যাহ
খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি।
গতকাল ১০ ডিসেম্বর পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার টাউন হলে খাগড়াছড়ি শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে গনজাগরণের শিল্প আন্দোলনের ব্যানারে এক মনোঙ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। শিল্প সাংস্কৃতিক ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সারা বাংলাদেশে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। তবে পর্যায় ক্রমে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হলেও গতকাল চট্টগ্রাম বিভাগের সকল জেলায় একযোগে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মিঃ মংসুইপ্রু চৌধুরী মাননীয় চেয়ারম্যান খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ। পৌরসভার মেয়র জনাব নির্মুলেন্দু চৌধুরী উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব শানে আলম। জেলা কালচারাল অফিসার জেলা সমাজ সেবা অফিসার সহ বহু গন্যমান্য ব্যক্তিগন। দেশাত্মবোধক গানের সাথে উপজাতিয় গান কবিতা নৃত্য নিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান দর্শকদের মন জয় করে। -

বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে র্যালি ও মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দসহ মানুষের ঢল
হেলাল শেখঃ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ইং পালিত। রবিবার (১০ ডিসেম্বর ২০২৩ইং) জাতীয় প্রেসক্লাবে সামনে র্যালি ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, এসময় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানুষের ঢল লক্ষ্য করা যায়। এসময় বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থার মধ্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র উদ্যোগে র্যালি ও মানববন্ধন করা হয়, এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও জাতীয় দৈনিক চৌকস পত্রিকার প্রকাশক সম্পাদক এস এম নজরুল ইসলাম, মহাসচিব ডাঃ হাছান আহমেদ মেহেদী, যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যক্ষ মোঃ একরাম উল্লাহ, অর্থ সচিব মোহাম্মাদ কলিম, ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম হেলাল শেখসহ অন্যান্য কমিটির পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, গাজীপুরের শ্রীপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়েছে।
রাজধানী ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবে উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও দৈনিক চৌকস পত্রিকার সম্পাদক এস এম নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মানবাধিকার ক্রমেই অবনতির জন্য বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা গভীর উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরাইল যে ধারাবাহিক নৃশংস ও বর্বর হত্যাকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে তাতে তিনি গভীরভাবে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন। তিনি এখনই এই যুদ্ধ বন্ধের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। এসময় আরো বক্তব্য দেন সংস্থা’র মহাসচিব ডাঃ হাছান আহমেদ মেহেদী, যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যক্ষ একরাম উল্লাহ, অর্থ সচিব মোহাম্মদ কলিম, ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ)সহ বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনের পরিচালক এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
হেলাল শেখ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়, শুধু বাংলাদেশে নয় সারা বিশ্বে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে, নারী ও শিশুদের নৃশংসভাবে যারা হত্যা করছে, এসব বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশে ১০০টাকার পেঁয়াজ ২৪০ টাকা কেজি কিনে খাওয়া কঠিন, বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন, এসব বন্ধ করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে, সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান-রাষ্ট্র কেবল ধর্ম, বর্ণ শ্রেণী ও স্থায়ী বা অস্থায়ী দেখে না কিন্তু দেশের শহরগুলোতে বহিরাগত জেলার লোকজন কাজের সন্ধানে আসলে তাদের উপর কিছু স্থানীয়রা বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করে এবং সামাজিক ভাবে বিচার করে, বিচারকরা স্থানীয়দের পক্ষেই অবস্থান নিতে দেখা যায়।
বিশেষ করে অর্থ-সম্পদ ও বাড়ি, গাড়ির মালিকের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে কিছু পুলিশ সদস্য বেশিরভাগ স্থানীয়দের পক্ষে কাজ করতে দেখা যায় কিন্তু দেশের সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান-রাষ্ট্র কেবল ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণী দেখে না। বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকই আইনের নিরাপত্তা ও আইনানুগ আচরণ লাভের অধিকারী। বিশেয়ত আইন অনুযায়ী কোনো নাগরিকের জীবন স্বাধীনতা, দেহ, সম্মান বা সম্পত্তির প্রতি ক্ষতিকারক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না। সুবিচারের অধিকার ঃ প্রত্যেক নাগরিকই বিচার ও শক্তি সম্পর্কে উপযুক্ত রক্ষাকবচ বা নিরাপত্তা লাভ করবে। অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত কর্তৃক দ্রুত প্রকাশ্য বিচার লাভ করবে। কম্পিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইড, ৭৪ পাতা থেকে সূত্র। ১৭, বিচার ও দণ্ড সংক্রান্ত অধিকার ঃ কোন নাগরিককে প্রচলিত আইন ভঙ্গ করার অপরাধ ব্যতীত দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না এবং আইনের নির্ধারিত দণ্ড ছাড়া অধিক দণ্ড দেয়া যাবে না।
রাজধানী ও ঢাকার প্রধান শিল্পা ল সাভার আশুলিয়ায় দেশের প্রায় ৬৪ জেলার মানুষ বসবাস করেন, বেশিরভাগ মানুষ পোশাক কারখানায় কাজ করেন, অন্য পেশায়ও আছেন অনেক মানুষ কিন্তু কিছু স্থানীয় বাড়ির মালিক ও প্রভাবশালীরা অন্যায়ভাবে বহিরাগতদের উপর হামলা করে, নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে থাকে। এসব ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করতে গিয়েও নানারকম বাধার শিকার হয় অনেকেই। অনেক অভিযোগের তদন্তই করেন না কিছু পুলিশ অফিসার। ঢাকা-১৯ আসনে সাভার আশুলিয়ায় অনেক রাস্তার বেহাল অবস্থা। মানুষের কাজের মজুরির চেয়ে খরচ বেশি, রাস্তা-ঘাটে চলাচল করতে গিয়েও বিভিন্ন সমস্যা হয় সাধারণ মানুষের। শ্রমিক সাধারণের সামান্যতম ভুল হলে ক্ষমা না করে তাদের কর্মস্থল থেকে বেড় করে দেয়া হয়, বাসা বাড়ি ভাড়া ও দোকান খরচ না দিতে পারলে পাওনাদার তাদেরকে আটক রেখে তাদের উপর নির্যাতন করে। অনেকেই আইন নিজ হাতে তুলে নিয়ে মারপিটসহ হত্যার মতো ঘটনা ঘটায় এইরকমই মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে যারা তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনার জন্য আহ্বান জানান। কিছু মানুষের বিবেক বলতে কিছু নেই। অনেকেই টাকার গরমে মানুষকে মানুষ মনে করেন না। ১৫ বছর আগে যাদের কিছুই ছিলো না, বর্তমানে অনেকেই শত শত ও হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক। আইন সবার চোখে সমান হলে এইসব দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয় না? সমস্যা কি? আমরা সবাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে চলবো এই প্রত্যাশা করি সবার কাছে। মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য আর আইন সবার জন্য সমান হোক। অপরাধীর কঠিনতম শাস্তি দাবী জানাচ্ছি, দোষী ব্যক্তির সাজা নিশ্চিত করার লক্ষে সবাইকে সচেতন হতে হবে বলে হেলাল শেখ সবার প্রতি আহ্বান জানান। -

শ্রেষ্ঠ জয়িতার পুরস্কার পেলেন সফল জননী রহিমা বেগম
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
সফল জননী যে নারী ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ জয়িতার সম্মাননা লাভ করেছেন পাইকগাছার গৃহবধু রহিমা বেগম। রহিমা বেগম উপজেলার রাড়ুলী গ্রামের নেহাল উদ্দীন সরদারের স্ত্রী। রহিমা বেগম পেশায় গৃহিনী হলেও সন্তানদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। তার সন্তানরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত রয়েছেন। রহিমা বেগম এর ৩ ছেলে ও ১ মেয়ে। বড় ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন, মেঝ ছেলে হাসান আল আজাদ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পাবনায় কর্মরত রয়েছেন, ছোট ছেলে হুসাইন আল রাজ ঢাকা সিটি কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন, একমাত্র মেয়ে আফরোজা খাতুনকে অভিজাত পরিবারে বিবাহ দিয়েছেন। গত শনিবার পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় আয়োজিত বেগম রোকেয়া দিবস ও শ্রেষ্ঠ জয়িতাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সফল জননী যে নারী ক্যাটাগরিতে রহিমা বেগমকে শ্রেষ্ঠ জয়িতার সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। -

ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পেলেন উপাধ্যক্ষ উৎপল বাইন
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
এবার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন পাইকগাছা উপজেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের নবাগত উপাধ্যক্ষ উৎপল কুমার বাইন। তিনি ১০ ডিসেম্বর রোববার সকালে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ সফিয়ার রহমানের নিকট থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। শনিবার কলেজের গভর্নিং বডির সভায় অধ্যক্ষ হিসেবে তার উপর দায়িত্ব অর্পন করা হয়। চলতি বছরের পহেলা সেপ্টেম্বর অত্র কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম অবসরে গেলে অধ্যক্ষের পদটি শূন্য হয়। উল্লেখ্য, উৎপল কুমার বাইন গত ২৯ নভেম্বর অত্র কলেজে উপাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। তার জন্মস্থান পাশ^বর্তী কয়রা উপজেলার মহেশ^রীপুর গ্রাম। পিতা গীরেন্দ্রনাথ বাইন, মাতা রাধিকা রানী বাইন। উৎপল বাইন ১৯৯৭ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি উপজেলার গড়ইখালী শহীদ আয়ুব ও মুসা মেমোরিয়াল কলেজের ভূগোল বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ওই কলেজেই ১৯৯১ সালের পহেলা নভেম্বর সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। শিক্ষাকতার পাশাপাশি তিনি মহেশ^রীপুর এনএজিডিকেএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। এ কলেজের এ প্লাস প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে তার পিতা গীরেন্দ্রনাথ বাইন স্মৃতি বৃত্তি প্রদান করে থাকেন। এছাড়া উৎপল কুমার বাইন গ্রন্থ কুটির ও দিকদর্শন প্রকাশনীর উচ্চ মাধ্যমিক ডিগ্রী ও অনার্স শ্রেণির ভূগোল বিষয়ের লেখক।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা, খুলনা। -

শিবসা সাহিত্য অঙ্গন ও সমাজকল্যাণ সংস্থার সভা অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছার ঐতিহ্যবাহী শিবসা সাহিত্য অঙ্গন ও সমাজকল্যাণ সংস্থার সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ, বেগম রোকেয়া দিবস ও মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভার অংশ হিসেবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি সুরাইয়া বানু ডলি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, প্রাক্তন অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ সরকার, মুক্তিযোদ্ধা সরদার মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন, কাউন্সিলর আসমা আহম্মেদ, ইউপি সদস্য খুকু মনি, প্রাক্তন শিক্ষক জিন্নাতুন্নেছা পান্না, প্রাক্তন ব্যাংক কর্মকর্তা প্রজিৎ কুমার রায়, বিকাশেন্দু সরকার, প্রভাষক সুফল মন্ডল, শিক্ষক কবরি সরকার, অসীম রায়, মমতাজ পারভীন মিনু, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ ও রোজি সিদ্দিকী। সভায় শ্রেষ্ঠ জয়িতার সম্মাননা পাওয়ায় উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। এ ছাড়া সংগঠনের পক্ষ থেকে যথাযোগ্য পর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।