Blog

  • বাগেরহাট-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জামিল হোসাইন মনোনয়ন ফিরে পেলেন

    বাগেরহাট-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জামিল হোসাইন মনোনয়ন ফিরে পেলেন

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট :বাগেরহাট-৪, মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা এম আর জামিল হোসাইনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগ। সোমবার বেলা ১১টার দিকে তার নমিনেশন বৈধ ঘোষণা করা হয় বলে জামিল হোসাইন জানিয়েছেন। চাহিত কাগজপত্রে কিছু ত্রæটি থাকায় গত ৪ ডিসেম্বর বাগেরহাট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে যাচাই-বাছাইয়ে তার নমিনেশনপত্র বাতিল হয়েছিল।

    নমিনেশন ফিরে পাওয়ার পরে জামিল হোসাইন বলেন, ‘নৌকা চেয়েছিলাম পাইনি। দলীয় সভানেত্রীর ঘোষণার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি। সকল নিয়ম মেনে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে লড়াই করে যাবো’।

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির বাগেরহাট প্রতিনিধি।

  • বাগেরহাটের শরণখোলায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা শামীম আরা বাদল

    বাগেরহাটের শরণখোলায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা শামীম আরা বাদল

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট :বাগেরহাটের শরণখোলায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন শামিম আরা বাদল।আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।“শেখ হাসিনা বারতা নারী-পুরুষ সমতা” এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে বাগেরহাটের শরণখোলায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও জয়িতাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন আকন শান্ত।

    উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ আঃ হাই, অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার, শরণখোলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বাবুল দাস, শ্রেষ্ঠ জয়িতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক উষান আরা বাদলের মা শামিম আরা বাদল, হালিমা খাতুন।

    বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৪জন সফল নারীকে উপজেলার শ্রেষ্ঠ জয়ীতার পুরস্কার প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ মনিরুজ্জামান বাদলের সহধর্মিনী এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাগেরহাট ৪ আসনের নৌকার মনোনীত প্রার্থী এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগের শাশুড়ি শামীম আরা বাদল। শ্রেষ্ঠ জননী কোঠায় উপজেলা সদরের আর,কে,ডি,এস পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মিসেস হালিমা খাতুন। সমাজ সেবক কোঠায় বারবার নির্বাচিত রায়েন্দা ইউপির ,সংরক্ষিত আসনের সদস্যা আকলিমা বেগম। নারী উদ্যোক্তা কোঠায় মিসেস ফয়জুন্নেছা বেলী। তিনি বাগেরহাট জেলায়ও শ্রেষ্ঠ জয়িতার পুরষ্কার পেয়েছেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার এ্যসোসিয়েশনের নির্বাচিত প্রতিনিধি ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিয়ান এ্যাসেেিয়শনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জয়িতা শামিম আরা বাদল বলেন, আমার হাতের মেহেদী শুকায়নি তখন আমি বিধবা হয়েছি। তখন মানীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে শান্তনা দিয়ে বলেছিলেন, আগে পড়াশুনা শেষ কর তারপর চাকরি করবে। তখন আমি বলেছিলাম আগে আমার চাকরি দরকার তারপর সুযোগ পেলে পড়াশুনা করব। চাকরি করেছি পাশাপাশি পড়াশুনাও করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডাবল মাস্টার্স করেছি। এ কারনে আমার একমাত্র কণ্যা উষান আরা বাদলকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলেছি। যার সুফল হিসেবে উষান আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। মেয়ের আলোতে আমি আজ আলোকিত হয়েছি। আমার স্বামী বেচে থাকলে আরো ভালো লাগত। পরিশ্রম মানুষকে আলোকিত হওয়ার পথ তৈরি করে দেয়। একজন পুরুষ যদি একটি সংসার চালাতে পারে, আমি কেন আমার সন্তানকে মানুষ করতে পারব না? এজন্য পরিশ্রম করতে হবে। আমার পরিশ্রমের সুফল শ্রেষ্ঠ জয়িতার পুরষ্কার। আমাকে শ্রেষ্ঠ জয়িতার পুরষ্কার দেয়ায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।##

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির বাগেরহাট প্রতিনিধি।

  • বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ফেরি থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ফেরি থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট :বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পানগুছি নদীর ফেরি পারাপারের সময় নদীতে পড়ে নিখোঁজ বৃদ্ধ ফজলুল হকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার দু’দিন পরে রবিবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে ফেরিঘাট এলাকায় মরদেহটি ভেসে উঠে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মরদেহটি উদ্ধার করে থানা পুলিশের কাছে বুঝিয়ে দেয়।

    এ বিষয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ শামসুদ্দিন বলেন, স্বজনদের কোন প্রকার অভিযোগ না থাকায় সোমবার বেলা ১০ টার দিকে ফজলুল হকের মরদেহ তার ছেলে সেলিম শেখসহ পরিবারের অপর সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফজলুল হক(৭০) ইন্দুরকানি উপজেলার চর খোলপটুয়া গ্রামের জেন্নাত আলী শেখের ছেলে।

    উল্লেখ্য, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে বরযাত্রী যাওয়ার সময় গত শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে চলন্ত ফেরি থেকে নদীতে পড়ে তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন।

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির বাগেরহাট প্রতিনিধি।

  • নড়াইলের প্রভাবশালী জমিদারদের ঐতিহ্যবাহী বাঁধাঘাট দর্শনার্থীদের আড্ডার স্থলে পরিণত

    নড়াইলের প্রভাবশালী জমিদারদের ঐতিহ্যবাহী বাঁধাঘাট দর্শনার্থীদের আড্ডার স্থলে পরিণত

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//

    নড়াইলের জমিদারদের রেখে যায়া বাঁধাঘাট দাঁড়িয়ে আছে চিত্রা নদীর পাড়ে। ১৬৫ বছরের কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে নড়াইলের চিত্রা পাড়ের জমিদারদের বাঁধাঘাটটি। নাটোরের রাণী ভবানীর পতনের পর নড়াইলের জমিদার কালী শংকর রায় ছিলেন এ অঞ্চলের সবচেয়ে প্রভাবশালী জমিদার। খুলনা, যশোর ও নড়াইল জেলার বিশাল এলাকা ছিল এই জমিদারদের অধীনে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, তবে কালের পরিক্রমা আর হিংস্র হায়েনাদের কালো হাতের থাবায় হারিয়ে গেছে অধিকাংশ স্থাপনা। প্রভাবশালী এই জমিদার নির্মাণ করেছিলেন চিত্রা পাড়ের জলজ তাজমহল খ্যাত বাঁধাঘাটটি। কালের সাক্ষী হয়ে আজো দাঁড়িয়ে আছে এটি।
    ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৭৯১ সালে জমিদাররা এ এলাকায় আসেন। জমিদার রূপরাম রায় প্রথমে নড়াইলের আলাদাতপুর তালুক ক্রয়ের মাধ্যমে জমিদারির গোড়া পত্তন করলেও এর প্রকৃত প্রসার ঘটে জমিদার কালী শংকর রায়ের আমলে। ইংরেজদের চিরস্থানী বন্দোবস্ত চালুর সময়ে তিনি নামে বেনামে রাণী ভবানীর তেলিহাটি, বিনোদপুর, রূপপাত, তরফ কালিয়া, তরফ দারিয়াপুরসহ বিভিন্ন তালুক ক্রয়ের মাধ্যমে জমিদারির বিস্তৃতি করেন।
    বৃহৎ অট্টালিকা, ডজনখানেক দীঘি, পুকুর, নাট্যমঞ্চ, মন্দির, ফলের বাগানসহ এক বিশাল রাজবাড়ী নির্মাণ করেন। কালী শংকর রায়ের পর তার দুই ছেলে রাম নারায়ণ নড়াইলের জমিদার এবং জয় নারায়ণ নড়াইলের হাটবাড়িয়ার জমিদার হিসেবে জমিদারি পরিচালনা করতে থাকেন। রাম নারায়ণের মৃত্যুর পর তার বড় ছেলে রাম রতন রায় জমিদারির হাল ধরেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, জানা যায়, নড়াইল শহরের কুড়িগ্রাম এলাকায় নড়াইল-লক্ষ্মীপাশা-নওয়াপাড়া সড়কের পাশে চিত্রা নদীর পাড়ে ১৮৫৩ সালে নির্মাণ করা হয় বাঁধাঘাটটি। জমিদার বাড়ির গৃহবধূদের স্নান করার জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল এ বাঁধাঘাটটি। চুন সুরকির প্রলেপ আর রেলের স্লিপার দিয়ে বাঁধাঘাটটি তৈরি করা হয়েছিল। ২১টি সিড়ি বেয়ে চিত্রা নদীর দিকে নামিয়ে দেওয়া হয় ঘাটটি।
    দীর্ঘদিন কোনো সংস্কার না হওয়ায় ভেঙে পড়ে সিড়িগুলো। বর্তমানে ১৫টি সিড়ি অক্ষত রয়েছে। প্রতি দিনই বিভিন্নস্থান থেকে অনেক মানুষ নড়াইল জমিদার বাড়ির ঐতিহ্যবাহী এ বাঁধাঘাট দেখতে আসেন। বাঁধাঘাটের পাশেই রয়েছে নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ। শহরে কোনো বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় ঈদসহ বিভিন্ন বিশেষ দিনগুলোতে বাঁধাঘাটটি দর্শনার্থীদের আড্ডার স্থলে পরিণত হয়।
    দেশ বিভাগের পর জমিদাররা ভারতে চলে যান। ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত দুই একজন আসলেও তার পর আর কেউ আসেনি। ১৯৬৫ সালে জমিদারি প্রথার বিলুপ্ত ঘটে। নড়াইলের বেশ কয়েকজন সংস্কৃতিমনা ব্যক্তি নিজেদের উদ্যোগে বাঁধাঘাটটি সংস্কার করে নদী ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা করে।
    নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্র হিমেল কুন্ডু বলেন, কলেজের ক্লাস যখন থাকে না তখন বন্ধুরা মিলে বাঁধাঘাটে এসে আড্ডা দেন। চিত্রা নদীর কারণে এ স্থানটিতে মনোরম অনেক সুন্দর পরিবেশ থাকে সব সময়। আমাদের খুব ভাল লাগে।
    কলেজছাত্র তিতাস ও দিগন্ত বলেন, প্রচণ্ড গরমেও বাঁধাঘাটের আবাহওয়া সব সময় ঠান্ডা থাকে। আমাদের এখানে কোনো বিনোদন কেন্দ্র নেই। তাই অবসরে এখানে এসে সময় কাটাতে অনেক ভালো লাগে। এখানে প্রায় আসা হয়। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেই, ছবি তুলি। বাঁধাঘাটের পরিবেশটা অনেক সুন্দর।
    নড়াইলের জেলা প্রশাসক আশফাকুল হক চৌধুরী, এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, নড়াইল জেলাটি বৈশিষ্ট্য মন্ডিত আছে ক্রীড়া সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের জন্য। পাশাপাশি নড়াইলের ঐতিহ্য আরো বেগবান হয়েছে এখানে জমিদারদের কিছু স্মৃতি রেখে যাওয়ায়। নড়াইলে যারা বৃটিশ আমলের জমিদার ছিলেন, ওনাদেরই রেখে যাওয়া স্মৃতি বাঁধাঘাট। এখন নড়াইলে যারা আসেন তাদের জন্য এটি দর্শনীয় স্থান।
    তিনি আরও বলেন, জমিদারদের রেখে যাওয়া বৃস্তিত সম্পত্তি ছিলো সেগুলা অবৈধভাবে দখল করা হয়। পরে জেলা প্রশাসন সেগুলা উচ্ছেদ করে। যেখানে বিভিন্ন জেলা থেকে দর্শনার্থী আসেন এবং এটি উপভোগ করেন। পাশাপাশি চিত্রার পাড়ে যে বাঁধাঘাট রয়েছে জমিদারদের আমলে যেটি তৈরি করা হয়েছিল সেটি বিভিন্ন সময়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংস্কার করা হয়েছে।

  • পাইকগাছায় নবাগত ওসি’র সাথে কমিউনিটি  পুলিশিং ফোরাম এর নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

    পাইকগাছায় নবাগত ওসি’র সাথে কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম এর নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা থানার নবাগত ওসি ওবায়দুর রহমান বলেছেন” দিন শেষে ফিরতে হবে” প্রত্যেকের জবাব দিহিতা আছে, এটা মাথায় রেখে সবার নিজ-নিজ দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করার প্রতি অনুরোধ করেন। ১১ ডিসেম্বর সোমবার সকালে উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম এর নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন। আইনশৃঙ্খলা, মাদক-জুয়া ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রবনতা নিয়ন্ত্রনসহ সর্বোপরি পাইকগাছাকে ভালো রাখতে পুলিশের কাজে সহযোগিতা করতে কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম এর সকল স্তরের নেতৃবৃন্দের প্রতি অনুরোধ করেন। পৌর কমিটির সাধারন সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলামের সঞ্চালনায় পরিচয়পর্ব শেষে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম এর সভাপতি মোঃ দাউদ শরীফ। এসময় উপজেলা কমিটি, পৌরসভা ও ইউনিয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরোও উপস্থিত ছিলেন গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান জি, এম আব্দুস ছালাম কেরু, শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত,নির্মল চন্দ্র অধিকারী, বিভুতী ভূষন সানা,শেখ বেনজির আহম্মেদ বাচ্চু,সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, মোঃ রফিকুল ইসলাম, বিজন বিহারী সরকার, সায়েদ আলী মোড়ল কালাই, এসএম শাহাবুদ্দিন শাহিন,সহকারী অধ্যাপক মসিউর রহমান,গৌতম রায়,টিএম হাসানুজ্জামান, আঃ,হালিম,শেখ জুলি,আনিছ গাজী,ইঞ্জিঃ মারুফ বিল্লাহ,মজিদ বয়াতী,লুৎফর রহমান,ইউপি সদস্য ফাতেমাতুজ জোহরা রুপাসহ অনেকে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে আপিলে মনোনয়ন ফিরে পেলেন জাপা প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু

    খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে আপিলে মনোনয়ন ফিরে পেলেন জাপা প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনা-৬ আসনের (পাইকগাছা-কয়রা) জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও জাতীয় পার্টির জেলার সভাপতি শফিকুল ইসলাম মধু
    আপিল করে মনোনয়ন ফিরে পেয়েছেন।
    রোববার (১০ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনে আপিলে তার মনোনয়ন বৈধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রার্থী নিজেই।কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-৬ আসেনে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন মোট ১২ প্রার্থী। এর মধ্যে যাচাই বাছাইয়ে বাদ পড়েন ৬ জন। যার মধ্যে ছিলেন জাতীয় পার্টির ওই প্রার্থীও।
    জেলা রিটার্নিং অফিস সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকার বিষয়টি গোপন করায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়েছিলো। তবে আপিলে তিনি জানিয়েছেন, একটি স্কুলের বিদ্যুতের মিটার তার নামে করা, যেটি তিনি ব্যবহার করেন না। বিষয়টি প্রমাণ সাপেক্ষে তার মনোনয়ন পত্রটি বৈধ হয়েছে।
    শফিকুল ইসলাম মধু বলেন, পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুরের একটি স্কুলের বিদ্যুতের মিটার আমার নামে নেয়া। যেহেতু স্কুলটি সরকারি নয়, শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আমি মিটারটি কিনে দেই। ফলে ওই মিটারের বিলও আমার নামে আসে। আমি মিটারের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে দিয়েছি।
    নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারেও আশা প্রকাশ করে মধু বলেন, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু হয় তাহলে জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী।এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোঃ রশিদুজ্জামান মোড়ল। তিনি প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচন করছেন। এ ছাড়া এই আসনে প্রার্থী আছেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. আবু সুফিয়ান, জাকের পার্টির শেখ মর্তুজা আল মামুন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মির্জা গোলাম আজম, বিএনএম’র এসএম নেওয়াজ মোর্শেদ ও তৃণমূল বিএনপির গাজী নাদির উদ্দিন খান।

  • পঞ্চগড়ে আদালতে বিচারককে জুতা নিক্ষেপ করলো বাদী

    পঞ্চগড়ে আদালতে বিচারককে জুতা নিক্ষেপ করলো বাদী

    বাবুল হোসেন,
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    পঞ্চগড়ের একটি আদালতে আসামীদের জামিন দেয়ায় সংক্ষুব্ধ হয়ে এজলাস চলাকালীন সময় বিচারককে জুতা নিক্ষেপ করেছে মামলার বাদীনি।
    সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় আমলী আদালত-১ এ এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। এঘটনায় ওই বিবাদীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
    বিচারককে জুতা নিক্ষেপকারী বাদীর নাম মিনারা আক্তার (২৫)। তিনি পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার মৃত ইয়াকুব আলীর মেয়ে।
    জানা গেছে, গত ৫ ডিসেম্বর মিনারা আক্তার বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে পঞ্চগড় সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করেন, তার বাবা ইয়াকুব আলীকে কিল-ঘুষি মেরে আসামীরা হত্যা করেছে। সোমবার এই মামলার ১৯ জন আসামীর মধ্যে ১৬ জন আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত প্রত্যেকেরই জামিন মঞ্জুর করেন।
    বাদিনী পক্ষের আইনজীবি হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, গত কয়েকদিন আগে বাদীনির বাবা মারা গেছেন। আজকে তাদের বাড়িতে কুলখানি হচ্ছে। এ অবস্থায় একটি হত্যা মামলার সব আসামীকে জামিন দেয়া কোনভাবেই কাম্য নয়। বিচারকের এমন অর্ডারে আমরা আদালত ত্যাগ করে চলে এসেছি।

    মো. বাবুল হোসেন, পঞ্চগড়।

  • তানোরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ৩৪৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা বরাদ্দ

    তানোরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ৩৪৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা বরাদ্দ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর উপজেলায় আওয়ামী লীগ সরকারের একটানা তিন মেয়াদ ১৫ বছরে সামাজিক নিরাপত্তা সহায়তা ভাতা ও গৃহনির্মাণ প্রকল্পে ৩৪৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এতে উপকার ভোগীদের ভাগ্যের পরিবর্তন ও জীবন যাত্রার মান বেড়েছে।
    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, বিগত ২০০৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১৫ বছরে উপজেলায় সামাজিক নিরাপত্তা সহায়তা ভাতা ও গৃহনির্মাণ প্রকল্পে ৩৪৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়। উপজেলায় বয়স্ক,বিধবা,স্বামী পরিত্যক্তা, প্রতিবন্ধী,
    ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত, দলিত,হরিজন, কামার, কুমার, বেদে ও ভিক্ষুক ভাতা প্রকল্পে ২৪ হাজার ৫০৮ জন উপকারভোগীর বিপরীতে ১৯৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এছাড়াও মাতৃত্বকালীন, ল্যাকটেটিং, মা ও শিশু সহায়তাসহ বিবিধ প্রকল্পে ৩৮ হাজার ৮০০ উপকারভোগীর বিপরীতে (১৫ হাজার ৩২৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য) ১১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
    অন্যদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মানি ভাতা প্রকল্পে ৫৫ জন উপকারভোগীর বিপরীতে ১৯ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। অপরদিকে উপজেলায় গৃহহীনদের বাড়ি নির্মাণ প্রকল্পে ১৯টি বাড়ি (২) রুম বিশিষ্ট ১৯ জন উপকারভোগীর বিপরীতে ৫৭ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এছাড়াও মুজিববর্ষে ভুমিহীনদের জমিসহ বাড়ি নির্মাণ প্রকল্পে ৬৪২টি বাড়ি (২) রুম বিশিষ্ট এসব উপকার ভোগীর বিপরীতে ১৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এবং ৬টি মুক্তিযোদ্ধা দিবস উদযাপনে ৮০ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
    জানা গেছে, বিগত ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে বিধবা ভাতা উপকারভোগীর সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৫০ হাজার। কিন্ত্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২৫ লাখ ৭৫ হাজার। বিগত ২০০৬ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে বয়স্ক ভাতা উপকার ভোগীর সংখ্যা ছিলো ১৬ লাখ। কিন্ত্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ লাখ এক হাজার।
    জানা গেছে, সরকার প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর মাধ্যমে তানোর উপজেলায় প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নয়ন করা হয়েছে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে পর্যাপ্ত ভাতা প্রদান চলমান রয়েছে এবং থাকবে। বিগত ২০০৫ সালে প্রতিবন্ধী ও ২০০৭ সালে মাতৃত্বকালীন ভাতা ব্যতিত সকল ভাতা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে চালু হয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে এসব ভাতার অর্থ প্রদান করা হয়। ভবিষ্যতে ভাতা শুবিধার জন্য আবেদনকারী নিজেই অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আগামিতে দুঃস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ গৃহহীন প্রতিটি নাগরিকের ঠিকানা নিশ্চিত করতে প্রকল্পগুলো চরমান রয়েছে এবং থাকবে।
    অথচ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে এধরণের প্রকল্পের কোনো অস্তিত্ব ছিলো না। এখন প্রশ্ন হলো যে জাতি উপকারীর উপকার শিকার করে না,তারা অকৃতজ্ঞ। আর অকৃতজ্ঞদের ধ্বংস অনিবার্য। সচেতন মহলের অভিমত, আওয়ামী লীগ সরকারের উপকার শিকার ও কৃতজ্ঞতা স্বরুপ আওয়ামী লীগের পক্ষে থাকা এসব মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।#

  • শাজাহানপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাইদা খানমের বদলী উপলক্ষে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    শাজাহানপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাইদা খানমের বদলী উপলক্ষে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    বগুড়ার শাজাহানপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( ইউএনও) সাইদা খানমের বদলী উপলক্ষে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সোমবার (১১ ডিসেম্বর ) দুপুর ১২ ঘটিকার সময় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এই বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করেন উপজেলা অফিসার্স ক্লাব ও উপজেলা পরিষদ শাজাহানপুর, বগুড়া। উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক সোহরাব হোসেন ছান্নুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ, সকল দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শেষে বিদায়ী ইউএনও সকলের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন ।

  • কুয়াশার চাদরে ঢাকা লালমনিরহাট জেলা

    কুয়াশার চাদরে ঢাকা লালমনিরহাট জেলা

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাট জেলা কুয়াশার চাদরে ঢাকা সুর্যের আলো যেন উৎসব মুখুর হাসি গত কয়েক দিনের তুলনায় জেলায় বেড়েছে কুয়াশাসহ হিমেল হাওয়ার প্রকোপ। কমছে তাপমাত্রা। এতে লালমনিরহাট জেলায় নেমেছে শীত। মহাসড়কের যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়। ১১ই ডিসেম্বর ২০২৩ইং সোমবার সকালে কুয়াশা ঢেকে ছিল চারপাশ। দুপুরের আগে দেখা যায়নি সূর্য। এরপরেও সূর্যের আলোর তেজ কম থাকায় শীতের প্রকোপ ছিল বেশি। নভেম্বর মাস থেকে শীতের প্রবণতা ছিল। তবে এবার কিছুটা দেরিতে শীত নামতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ঘুরে মোহম্মদ আলীসহ কয়েকজন জানান, গত দুদিনের মধ্যে হঠাৎ তাপমাত্রার কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। জেঁকে বসতে শুরু করেছে শীত। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত শীতের অনুভূতি বেশি থাকছে। গরম কাপড় ছাড়া বের হওয়া যায় না। লালমনিরহাটের জোন অফিস কুড়িগ্রামের আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জানান,সোমবার সকাল ১২টায় লালমনিরহাট সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি এবং বাতাসের আদ্রতা ৮৫শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে।

    হাসমত উল্লাহ ।