Blog

  • আশুলিয়ায় যৌ-থ বাহিনীর অ-ভিযানে বিপুল পরিমাণ অ-স্ত্রসহ কু-খ্যাত স-ন্ত্রাসী ৩ জনকে আ-টক

    আশুলিয়ায় যৌ-থ বাহিনীর অ-ভিযানে বিপুল পরিমাণ অ-স্ত্রসহ কু-খ্যাত স-ন্ত্রাসী ৩ জনকে আ-টক

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ঘোষবাগ পূর্ব পাড়ায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের সেনাদল যৌথ অভিযানে কুখ্যাত সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ তিনজনকে আটক করেছেন।

    বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর ২০২৫ইং) ভোর রাত ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ার “জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের সেনাদল” আশুলিয়ার ঘোষবাগ পূর্বপাড়ায় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন, এ অভিযানে অস্ত্রধারী গ্যাংয়ের ৩ জন সদস্যকে আটক করা হয়।

    উক্ত সন্ত্রাসীদের বাসা তল্লাশীকালে একটি অত্যাধুনিক শটগান, চায়না ও দেশীয় তৈরি ধারালো অস্ত্র এবং চাঁদাবাজির টাকাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আলামত উদ্ধার করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলো-১। মোঃ বিশাল (২০), পিতা: শহিদুল,
    ২। নাজমুল (২০), পিতা: রইস উদ্দিন,৩। শিপন (২১), পিতা: আহসান হাবিব। এই তিনজনের ঠিকানাঃ ঘোষবাগ, আশুলিয়া, ঢাকা

    উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সামগ্রী: একটি শটগান, চাপাতি ১৩ টি, ছুরি ৪টি, তার কাটার ১টি, চাঁদাবাজির টাকা ৩৬,৭৬০ টাকা। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ৬টি। আটককৃতদের উদ্ধারকৃত অস্ত্রসমূহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশ জানিয়েছেন।

  • শ্রমিকলীগ নেতার বাঁ-ধায় থম-কে আছে সরকারি ভবন নি-র্মাণের কাজ

    শ্রমিকলীগ নেতার বাঁ-ধায় থম-কে আছে সরকারি ভবন নি-র্মাণের কাজ

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    শ্রমিকলীগ নেতার বাঁধায় মডেল গ্রাম সমবায় সমিতির ভবন নির্মানের কাজ থমকে আছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই শ্রমিকলীগ নেতা ঢাকায় বসে ভবন নির্মান বন্ধে মামলা ও বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করার কারণে নির্মান কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। এনিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার হোসনাবাদ গ্রামের।

    হোসনাবাদ মডেল গ্রাম সমবায় সমিতির সদস্য আজিম আকন, মনিরুজ্জামান আকনসহ একাধিক সদস্যরা বলেন, সমিতির ভবন নির্মানের জন্য জমির মালিক স্থানীয় শাহ আলম রাড়ী ২০২২ সালে ১৫ শতক জমি দান করে দিয়েছেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ২ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে মাদার ইঞ্জিনিয়ারিং নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ভবন নির্মানের কাজ শুরু করা হয়।

    নির্মান কাজ শুরুর দুইদিন পরই স্থানীয় বাসিন্দা শ্রমিকলীগ নেতা রবিউল ইসলাম সুমনের আবেদনের প্রেক্ষিতে বরিশাল সহকারী জজ আদালত থেকে জমির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এতে ভবন নির্মানের কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

    তারা আরও বলেন-একই বছরের ৭ নভেম্বর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে পূনরায় ভবন নির্মানের কাজ শুরু করা হয়। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৩ ফেব্রæয়ারি হাইকোর্ট থেকে ৬ মাসের জন্য স্ট্যাটাস-কো আদেশ জারি করা হয়। গত ১২ আগস্ট স্ট্যাটাস-কো’র মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। এরপরও সে (রবিউল) বিভিন্ন প্রভাব খাটিয়ে সরকারি ভবন নির্মান কাজ বন্ধের পাঁয়তারা চালাচ্ছে।

    অভিযোগ করে তারা আরও বলেন, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রবিউল ইসলাম সুমন নিজেকে ঢাকা মহানগর শ্রমিকলীগের সহসভাপতি পরিচয় দিয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে ভবন নির্মানে বাঁধা প্রদান করেছেন। বিভিন্ন কৌশলে এখনো সেই ধারা তিনি অব্যাহত রেখেছেন।

    স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রবিউলের দাদা মোহসিন আকন স্থানীয় শাহ আলম রাড়ীর কাছে জমি বিক্রি করে গেছেন। ওই জমির দলিল পর্চা সব শাহ আলমের নামে। এরপরও সে (রবিউল) আদালতে মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। তার বাঁধার কারনে উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

    তারা আরও জানিয়েছেন-নিজের রাজনৈতিক পরিচয় গোপন রেখে রবিউল ইসলাম সুমন বর্তমান ক্ষমতাসীন কতিপয় কেন্দ্রীয় নেতার মাধ্যমে হোসনাবাদ মডেল গ্রাম সমবায় সমিতির ভবন নির্মানের কাজ বন্ধ করার চেষ্টা করছেন।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রবিউল ইসলাম সুমন বলেন, জমি দানকারী শাহ আলম রাড়ীর সাথে জমি নিয়ে আমাদের বিরোধ রয়েছে। জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকায় আদালত থেকে জমির ওপর স্থিতিবস্থা জারি করা হয়েছে। যে কারনে ভবন নির্মান কাজ বন্ধ ছিলো। সর্বশেষ ন্যায় বিচারের জন্য আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি। হাইকোর্ট বিষয়টি নিস্পত্তির জন্য নিন্ম আদালতকে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে মামলা চলমান থাকার পরেও সেখানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

    উপজেলা প্রকৌশলী মো. অহিদুর রহমান জানিয়েছেন, চলতি বছরের জুন মাসে ভবন নির্মান শেষ হওয়ার কথা ছিলো। তবে আদাতলের নিষেধাজ্ঞা থাকায় এতোদিন নির্মান কাজ বন্ধ ছিলো। বর্তমানে নিষেধাজ্ঞা না থাকায় কাজ শুরু করা হয়েছে। দ্রুত কাজটি সমাপ্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় ম-হাশ্মশান সভাপতি-অরবিন্দু সাধারণ সম্পাদক-রাসুদেব

    রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় ম-হাশ্মশান সভাপতি-অরবিন্দু সাধারণ সম্পাদক-রাসুদেব

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী পৌর এলাকার রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান এর সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ সহ নানাবিধ অনিয়মের বিরুদ্ধে জনবিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ গেলো ৩ অক্টোবর শুক্রবার বিকেলে ওই শ্মশান ও মন্দির চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।

    তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ৯ই অক্টোবর দুপুর ১২টায় রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান এর সকল ভক্তবৃন্দ ও ওই এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্বসম্মতি ও সিদ্ধান্তক্রমে ১১সদস্য বিশিষ্ট ত্রিবার্ষিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    আর এ কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করা হয়,ওই এলাকার বাসিন্দা পলাশবাড়ী এমএ সামাদ কারিগরি ও বিজ্ঞান কলেজের ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর বাবু অরবিন্দু সরকার’কে। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয় বাবু রাসুদেব সরকার।

    কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন,সহ সভাপতি বাবু সন্তোষ চন্দ্র মহন্ত,সহ সাধারণ সম্পাদক বাবু প্রভাত সরকার,কোষাধ্যক্ষ বাবু রনজিৎ চন্দ্র সরকার,ধর্মীয় সম্পাদক বাবু অপূর্ব কুমার রায়,প্রচার সম্পাদক শরী রনজিৎ চন্দ্র সরকার-২,সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু সজল কুমার বর্মন,ক্রীড়া সম্পাদক বাবু উৎসব চন্দ্র ও কার্যকরী সদস্য হলেন যথাক্রমে বাবু সুকমল চন্দ্র বর্মন ও বাবু মানিক চন্দ্র’কে নিয়ে পলাশবাড়ী পৌর এলাকার রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান এর ১২সদস্য বিশিষ্ট ত্রিবার্ষিক কমিটি ৯ই অক্টোবর ২০২৫ খৃঃ নির্বাচিত করা হয়েছে।

    যার কপি পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার,পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে বলে নব গঠিত কমিটির সদস্যরা গণমাধ্যম কর্মীদের জানান।

    উল্লেখ্য,গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী পৌর এলাকার রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান এর সভাপতি পলাশবাড়ী পৌর শহরের কালীবাড়ি বাজারের স্থায়ী বাসিন্দা বাবু দিলীপ চন্দ্র সাহা ওই সভাপতি পদটি কুক্ষিগত করে অর্থ আত্মসাৎ সহ নানাবিধ অনিয়মের কারণে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ফুঁসে উঠে। একপর্যায়ে তারা গত তেসরা অক্টোবর
    রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান এর সকল ভক্তবৃন্দ ও ওই এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ এ জনবিক্ষোভ ও সমাবেশের আয়োজন করেন।

    বিক্ষোভকারীরা দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর যাবৎ ওই শ্মশানের সভাপতি পলাশবাড়ী পৌর শহরের কালীবাড়ি বাজারের স্থায়ী বাসিন্দা দিলীপ চন্দ্র সাহা সভাপতি পদটি আঁকড়ে ধরে অর্থ আত্মসাৎ বাণিজ্য সহ নানাবিধ অনিয়মের করে আসছেন বলে বিক্ষোভকারীরা দাবী করেন। এসময় তারা বলেন,ওই ধুরন্ধর সভাপতি শ্মশানের ৪ লাখ টাকার গাছ বিক্রি করে সে অর্থ আত্মসাৎ করেন। এছাড়াও যেসব লাশ দাহ করা হয়না সেসব লাশগুলো মঠে সমাধি বা কবরস্থ করা হয় এবং মঠে কবরস্থ করতে হলে লাশ প্রতি মঠের জায়গার জন্য ৫০/৬০ হাজার করে ওই সভাপতি নেন বলে বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন।

    এসব অর্থ আত্মসাৎ সহ নানাবিধ অনিয়মের কারণে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায় ফুঁসে উঠে অভিযুক্ত সভাপতি দিলীপ চন্দ্র সাহা’কে বিক্ষোভকারীরা অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন।

    এসব অভিযোগের ব্যাপারে ওই শ্বশ্মানের সভাপতি বাবু দিলীপ চন্দ্র সাহা’র সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে গাছ বিক্রি করে তিনি ৮ শতাংশ জমি কিনেছেন বলে এ প্রতিবেদককে জানান।

    জনবিক্ষোভ সমাবেশে পলাশবাড়ী এমএ সামাদ কারিগরি ও বিজ্ঞান কলেজের ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর ও মহাশ্মশান এলাকার বাসিন্দা অরবিন্দু সরকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মহাশ্মশানের জমি দাতা ও মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা রনজিত চন্দ্র সরকার, রাঙ্গামাটি গ্রামের বাসিন্দা ও জমি দাতা সুভাশ চন্দ্র চুনি,চন্দন কুমার দাস এলাকাবাসী,সুলতানপুর বাড়াইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বাসুদেব কুমার রায়,জমি দাতা সজল কুমার রায়,অপূর্ব কুমার রায় এলাকাবাসী,প্রভাত চন্দ্র দাস এলাকাবাসী,এর সংগে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন,পাশ্ববর্তী পলাশগাছী গ্রামের বাসিন্দা,সমাজ সেবক ও বিএনপি নেতা শাহীন মন্ডল,সুভাষ চন্দ্র মন্ডল,রাঙ্গামাটি গ্রামের বাসিন্দা রনজিত চন্দ্র সরকার-২,সুমল চন্দ্র সরকার,উৎসব চন্দ্র মহন্ত, কাঞ্চন চন্দ্র সরকার,সুশীল চন্দ্র সরকার,আনন্দ চন্দ্র মহন্ত,সুবল চন্দ্র সরকার,উৎপল চন্দ্র প্রমুখ।।

  • নলছিটিতে প্র-তিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পেলো স্কুলভ্যান

    নলছিটিতে প্র-তিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পেলো স্কুলভ্যান

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের স্কুলে দেয়া হলো স্কুল ভ্যান। উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের জিরোপয়েন্টে অবস্থিত প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য পরিচালিত দপদপিয়া ইউনিয়ন প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষার্থীদের এ স্কুলভ্যান দেয়া হয়।

    অত্র স্কুলের শতাধিক শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থের জন্য ঝালকাঠি জেলা পরিষদের অর্থায়নে তিন লাখ টাকা ব্যয়ে একটি স্কুলভ্যান ক্রয় করা হয়েছে।

    এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ( ০৯ অক্টোবর) বিকেল তিনটায় এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক দপদপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান অহিদুল ইসলাম বাদল,প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলাম, ইয়ুথনেট গ্লোবাল-এর সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান শুভসহ অত্র স্কুলের শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগন।

  • ময়মনসিংহের ত্রিশালে মা-বাবাকে হ-ত্যা করে বসত ঘরে মা-টিচাপা দিল ছেলে

    ময়মনসিংহের ত্রিশালে মা-বাবাকে হ-ত্যা করে বসত ঘরে মা-টিচাপা দিল ছেলে

    আরিফ রব্বানী,

    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় নিজের মা’কে গলা টিপে ও বাবাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন ছেলে রাজু মিয়া (২৬) । এ ঘটনায় রাজু মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসত ঘরের বিছানার পাশের গর্ত থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) ময়মনসিংহে ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়নের বাঁশকুড়ি এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে ত্রিশালের বাঁশকুড়ি গ্রামে রাজু তার মা বানুয়ারা বেগমকে গলা টিপে হত্যা করেন। পরে রাতে বাবা মোহাম্মদ আলীকেও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। হত্যার পর দুইজনের মরদেহ নিজের ঘরের মেঝে খুঁড়ে পুঁতে রাখেন তিনি।

    পরদিন সকালে রাজু নিজেই তার বোনদের ফোন করে জানান, বাবা-মাকে পাওয়া যাচ্ছে না। বোনেরা এসে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রাজুর ঘরে মাটির গর্ত দেখে সন্দেহ হলে স্থানীয়দের সহায়তায় রাজুকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।

    পরে রাজু পুলিশের কাছে স্বীকার করেন যে তিনিই বাবা-মাকে হত্যা করে ঘরের ভেতরে মাটিচাপা দিয়েছেন। তার দেখানো স্থান থেকে পুলিশ দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

    স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, নিহত মোহাম্মদ আলী পেশায় কৃষক ও মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন। তিন মেয়ে ও এক ছেলের জনক তিনি।

    তাদের ছেলে রাজু দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। বাবা-মায়ের কাছ থেকে টাকা না পেলে অত্যাচার ও নির্যাতন করতেন রাজু।

    এক মাস আগে তার নির্যাতনে স্ত্রী এক মাসের সন্তান নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান।

    ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর আহমেদ গনমাধ্যমকে বলেন, ছেলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার বাবা-মায়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহ ও মাদকাসক্তির কারণে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

    এদিকে, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে এলাকায় স্তব্ধতা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেশীরা বলছেন, রাজু প্রায়ই টাকার জন্য মা-বাবার ওপর নির্যাতন চালাতো। এমন ভয়াবহ পরিণতি কেউ ভাবতেও পারেনি।

  • কুসিকে টাই-ফয়েড (টিসিবি)টিকাদান  ক্যাম্পেইন ২০২৫ এর উপলক্ষে সং-বাদ সম্মেলন   

    কুসিকে টাই-ফয়েড (টিসিবি)টিকাদান  ক্যাম্পেইন ২০২৫ এর উপলক্ষে সং-বাদ সম্মেলন   

    তরিকুল ইসলাম তরুন,  

    কুমিল্লা সিটি করপোরেশন সম্মেলন কক্ষে ইউ এন সি ইএফ,হো, এবং গেবি সংস্থার সহযোগিতায় টাইফয়েড( টিসিবি) টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে কুমিল্লায় কর্মরত সাংবাদিক দের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  

    ১ ডোজ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন টিসিবি টিকা নিন টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধে টিকা পেতে নিবন্ধন করুন এই স্লোগান কে নিয়ে 

    ৯ ই অক্টোবর সকালে সিটি করপোরেশনের ইপিআই টেকনোলজিষ্ট মোঃ জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন  এক্সিকিউটিভ ইন্জিনিয়ার আবু সায়েম।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হারুন আল রশিদ, সহ কুমিল্লার সিঃ সাংবাদিক বৃন্দ।

    আগামী ১২ ই অক্টোবর ২০২৫ ইং কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট ১২২০৫৫ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই টাইফয়েড( টিসিবি) টিকাদান কর্মসূচী শুরু হবে

    । ৯ মাস থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত এই টিকা দেওয়া হবে।  ২৯৫ টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৫ টি টিকাদান কেন্দ্রর নির্ধারন করা হয়। অধিকতর প্রচারের লক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।এসময় সাংবাদিক দের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরের প্রধান অতিথি ব্যাখ্যা দেন।

  • গোমতী নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অ-পরাধে ১০ লক্ষ টাকা জ-রিমানা

    গোমতী নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অ-পরাধে ১০ লক্ষ টাকা জ-রিমানা

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,

    কুমিল্লার গোমতী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে ঐ এলাকায় সরকারি বরাদ্দে নির্মাণাধীন সেতুতে বালু ব্যবহার করার অভিযোগে ‘হামীম ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড রাশেদুজ্জামান পিটার কোং’ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং প্রতিষ্ঠানটির এক প্রকৌশলীকে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    গতবুধবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার গোলাবাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয।অভিযান টি পরিচালনা করেন আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিনা জাহান।

    সাজাপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর নাম ওহিদুল ইসলাম। তিনি গোলাবাড়ি ব্রিজ প্রকল্পের সাইট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

    এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিনা জাহান।তিনি বলেন “গোমতী নদীর গোলাবাড়ি পয়েন্টে এলজিইডির ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি ব্রিজ নির্মাণের পাশাপাশি ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিল, যা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত এবং নদী ও সেতু উভয়ের জন্য ক্ষতিকর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজারটিও জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন ভবিষ্যতে গোমতী নদী থেকে কেউ বালু উত্তলন বা চর নিধন করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

  • বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে সুজানগরে আজম বিশ্বাসের মত-বিনিময় সভা

    বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে সুজানগরে আজম বিশ্বাসের মত-বিনিময় সভা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর : বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা জনগণের মধ্যে পৌঁছে দেয়ার লক্ষে সুজানগরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের ব্যানারে বুধবার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-২ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আজম আলী বিশ্বাস ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব আজম আলী বিশ্বাস বলেন, বিএনপির ৩১ দফা প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। এই ৩১ দফার মাধ্যমেই জনগণকে জানাতে হবে, বিএনপি সরকার গঠন করলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে কীভাবে দেশ পরিচালিত হবে, এবং জনগণের উন্নয়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তারেক রহমানর ৩১ দফা দাবি আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে জানিয়ে আজম আলী বিশ্বাস আরো বলেন, পাবনা দুই নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মীদের দুঃসময়ে পাশে থেকেছি। আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের দুঃশাসনকালে নির্যাতনের শিকার হয়েছি,গ্রেপ্তার হয়েছি, জেল খেটেছি, সর্বশেষ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে মাঠে থেকে দলের নেতা কর্মী সহ শিক্ষার্থীদের নানাভাবে সহযোগিতা করেছি। বিএনপিকে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে কাজ করেছি। নেতাকর্মীদের দলীয় কর্মসূচিতে চাঙা রাখতে নিরলসভাবে কাজ করছি। আশা করছি, এসব বিষয় মূল্যায়ন করে দল আমাকে মনোনয়ন দেবে।আজম আলী বিশ্বাস আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব দলের জন্য আমার সুদীর্ঘ নিরলস পরিশ্রমের মূল্যায়ন করবে। পাবনা দুই নির্বাচনী এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। জনগণের সাথে আমার গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। দলের দুঃসময়ে মাঠে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। তৃণমূলের কর্মীরা আমার পাশে আছে। যদি দল আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে পাবনা দুই নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন ও পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি মডেল আসন হিসেবে গড়ে তুলব। বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করতে আমি সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চাই। মতবিনিময় সভায় বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে বক্তব্য বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা বাদশা, রফিক বিশ্বাস, হাবিবুর রহমান ও সোহাগ প্রমুখ।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ।

  • পাবনা জেলার শ্রে-ষ্ঠ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পুরস্কার পেলেন সুজানগরের পার্থপ্রতিম রায়

    পাবনা জেলার শ্রে-ষ্ঠ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পুরস্কার পেলেন সুজানগরের পার্থপ্রতিম রায়

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনা জেলায় ব্লক পর্যায়ে কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও বিভিন্ন কার্যক্রমে সফলতা অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে সুজানগর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পার্থপ্রতিম রায় সহ তিনজনকে জেলা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নির্বাচিত করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে গত সোমবার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি, পাবনার উপপরিচালকের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে নির্বাচিত তিন কর্মকর্তাকে সম্মাননা স্মারক ও প্রত্যয়নপত্র প্রদান করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক। উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক স্বাক্ষরিত প্রত্যয়নপত্রে বলা হয়েছে, সুজানগর পৌরসভা ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পার্থপ্রতিম রায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ব্লক পর্যায়ে কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখায় শ্রেষ্ঠ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পার্থপ্রতিম রায় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
    মাঠ কার্যক্রম বাস্তবায়ন, কৃষককে উদ্বুদ্ধকরণ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, বস্তায় আদা চাষ, টবে মরিচ চাষ, মাটি পরীক্ষা ও খামারি অ্যাপের মাধ্যমে সার ব্যবস্থাপনা এবং রেজিস্টার ব্যবস্থাপনায় তঁার উদ্যোগ প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রত্যয়নপত্রে আরও বলা হয়, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে তার সার্বিক কার্যক্রম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যক্রমকে বেগবান করেছে এবং পাবনার কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে সমৃদ্ধ করেছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পার্থ প্রতিম রায় ২০১৫ সালে চাকরিতে যোগ দেন। ইতিপূর্বে ২০২২ সালে তিনি রংপুর অঞ্চলে শ্রেষ্ঠ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নির্বাচিত হন। জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত অপর দুইজন হলেন পাবনা সদর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোছা. আসমা আহমেদ এবং ঈশ্বরদীর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল আলিম। সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যদেও মাঝে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) ফাহমিদা নাহার, অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) মো. নূরে আলম, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. রাফিউল ইসলামসহ জেলার নয় উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। জেলার শ্রেষ্ঠ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়ে পার্থ প্রতিম রায় বলেন এ সম্মান আমার সকল সহকর্মী ও কৃষক ভাইদের সহযোগিতা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিক নির্দেশনার ফল। আমি সবার দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করি। সুজানগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আসাদুজ্জামান , কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. কৃষিবিদ জাহিদ হোসেনসহ অন্য কর্মকর্তারা তঁাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। জানা গেছে, পাবনা জেলার নয়টি উপজেলার প্রায় ২৭০টি ব্লকের ২৭০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার মধ্য থেকে এই তিনজনকে শ্রেষ্ঠ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • ময়মনসিংহে  ভূমি অ-ধিগ্রহণ ক্ষ-তিপূরণের ৪০ কোটি টাকার চেক হ-স্তান্তর করলেন ডিসি

    ময়মনসিংহে ভূমি অ-ধিগ্রহণ ক্ষ-তিপূরণের ৪০ কোটি টাকার চেক হ-স্তান্তর করলেন ডিসি

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিপূরণ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের আর্থিক সহায়তা ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে তাদের মাঝে ৪০ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর হয়েছে।

    বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আনুষ্ঠানিক আয়োজনে জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণকৃত ভূমির মালিকদের মধ্যে এই চেক হস্তান্তর করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম।

    এসময় জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগ উন্নয়নকল্পে এই ভূমি অধিগ্রহন করা হয়েছে তাই অধিগ্রহণকৃত ভূমি মালিকদের মাঝে এই চেক হস্তান্তর করা হচ্ছে। আজ ৪০কোটি টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

    এছাড়াও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আজিম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে বলেন,“সরকার দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য যেসব ভূমি অধিগ্রহণ করছে, তার ন্যায্য মূল্য ও ক্ষতিপূরণ যেন সময়মতো মালিকদের হাতে পৌঁছায়, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। কেউ যেন বঞ্চিত না হন—এ বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছি।”

    তিনি আরও বলেন,“এই অর্থ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তরা পুনরায় স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রতি জনগণের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।”

    অনুষ্ঠানে ভূমি মালিকগণ জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং দ্রুত ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রাপ্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, সরকার যে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলকভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে, তা সাধারণ মানুষের কাছে এক ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।

    উল্লেখ্য, জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রায় ৪০ কোটি টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসক উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।