Blog

  • কোটালীপাড়ায় ব্যাপ্টিষ্ট চার্চের সভাপতি ডেভিট অধিকারীর মু-ক্তির দা-বীতে সমাবেশ

    কোটালীপাড়ায় ব্যাপ্টিষ্ট চার্চের সভাপতি ডেভিট অধিকারীর মু-ক্তির দা-বীতে সমাবেশ

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    রাজধানীর মিরপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় কারারুদ্ধ গোপালগঞ্জ-মাদারীপুর আঞ্চলিক ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ সংঘের সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ সংঘের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মি. ডেভিট অধিকারীর মুক্তির দাবীতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টায় গোপালগঞ্জ -মাদারীপুর আঞ্চলিক ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ সংঘের উদ্যোগে কোটালীপাড়ার ওয়াপদাস্থ শান্তিকুটিরে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে গোপালগঞ্জ- -মাদারীপুর আঞ্চলিক ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ সংঘের সভাপতি গিলবার্ট বিনিময় সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ সংঘের সহসভাপতি জেমস হেবল বাড়ৈ, চার্চের কাউন্সিলর সুব্রত হালদার, গিলবার্ট বাড়ৈ, কার্যনির্বাহী সদস্য মার্ক সিকদার, সেফার্ড বাড়ৈ, নারায়ন খানা চার্চের সম্পাদক এ্যান্ড্রিও হালদার, পূর্ব রামশীল চার্চের সম্পাদক ফ্র্যান্সেস হাজরা বক্তব্য রাখেন।

    বক্তারা বলেন, ডেভিট অধিকারী একজন নিরাপরাধ ও অরাজনৈতিক ব্যক্তি ওই মামলার সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই। মিথ্যাভাবে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমরা তার নিঃশর্ত মুক্তি চাই।

    উল্লেখ্য গত বছরের ২ ডিসেম্বর ঢাকা জজ কোর্টের সামনে থেকে ডেভিট অধিকারীকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় মিরপুর থানায় দায়েরক্ত হত্যা মামলার তালিকাভূক্ত আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ।

  • বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপি’তে সংগ্রা-মের এক দীপ্ত শিখা শাহে আলম মিঞা

    বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপি’তে সংগ্রা-মের এক দীপ্ত শিখা শাহে আলম মিঞা

    নিউজ ডেস্ক।।

    মো.শাহ আলম মিঞা বিগত ১৭ বছরে বানারীপাড়া উপজেলার বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে দূর্দিনের ভরসার এক স্থল হয়ে ওঠেন। যার নিত্যসঙ্গী ছিলো কারাবাস। যিনি বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে একমাত্র আস্থার স্থল হিসেবে পরিচিত ছিলেন বিগত ১৭ বছর। মো.শাহ আলম মিঞা বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বানারীপাড়া উপজেলা শাখার সভাপতি। তার পিতার নাম হাবিবুর রহমান হাওলাদার ও মাতার নাম ছখিনা বেগম। তাদের কোল আলো করে ১৯৬৫ সালের ২৯ জানুয়ারী জন্মনেন শাহ আলম মিঞা। তার বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের তেতলার গোয়ালিয়া গ্রামে। মো.শাহ আলম মিঞা বিগত ৫ই আগষ্টের বিল্পবের পর একমাত্র পরিছন্ন নেতা হিসেবে জনগনের কাছে স্থান করে নিয়েছে। বানারীপাড়া জনগনের নির্ভরতা,নির্ভরশীলতা ও সহযোগীতার নাম এখন শাহ আলম মিঞা। তিনিই একমাত্র নেতা যিনি নির্লোভ নির্ভেজাল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। জীবন ,জৌলস অর্থ বিত্ত সকল কিছু নির্দিধায় বিলিয়ে দিয়েছেন বিএনপি’র নেতাকর্মী ও জনগনের মাঝে।

    রাজনীতির শুরুটা হয়েছিল বিএপি’র হাত ধরেই আজও রয়েছেন বিএনপি’তে । দলছুট সুবিধাভোগী নন তিনি, ১৯৯০ সালের সৈরাচার পতনে বানারীপাড়ায় বিএনপির পক্ষে জোড়াল ভুমিকা রেখে উপজেলাব্যাপী আলোচনায় চলে আসেন তিনি। ১৯৯১ সালে শাহ আলম মিঞা জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা রেখে বিএনপি’র বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হন তিনি। পরবর্তীতে ইউনিয়ন নির্বাচনে তিনি উদয়কাঠী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় ও একই বছরে ওই ইউনিয়নের তিনি বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী সমন্বয়ক এর দ্বায়িত্ব পালন করেন এবং বিজয়ী হন।

    ২০০৩ সালে তিনি আবারও বিপুল ভোটের ব্যবধানে উদয়কাঠী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ও জনগনের চাহিদা পূরনে তিনি ২০১১ সাল পর্যন্ত দ্বায়িত্ব পালন করেন। সততা নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছিলেন জনগনের আস্থার প্রতীক। তার কাজের পরিধিতে ব্যপকতা ছিলো এত যে বানারীপাড়া রোল মডেল চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার কাজের পরিধিতে গ্রামীন অবকাঠামো ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মন কেড়ে নিয়েছিল সবার,এছাড়াও মন্দির মসজিদ মাদ্রাসা উন্নয়ন ও শিক্ষার প্রসার ঘটানো ছিলো চোখে পরার মত। সাধারন মানুষের কল্যানকর কাজ করা তার দৈনন্দিন জীবনের মৃূল চালিকা শক্তি হয়ে দাড়িয়েছিলো।

    এরই পেক্ষিতে ২০১৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে দলের আস্থার প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান মনোনয়ন পেয়ে যান তিনি। হামলা মামলা ও নির্যাতনের ভয়কে উপেক্ষা করে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন তিনি। সে সময় দিনের ভোট রাতে করে ভোট জালিয়াতির মধ্যে দিয়ে তাকে হারিয়ে দেয়া হয়।

    ২০১৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তার অবদানের কথা মাথায় রেখে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ সভাপতি পদে নিযুক্ত করেন ।

    পরবর্তিতে তিনি ২০১৭ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান উপ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন এবং একই কায়দায় তাকে হারানো হয়।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তার মেধা,প্রজ্ঞা,সততা ও জনপ্রিয়তা দেখে তাকে ২০২৩ বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক পদে দ্বায়িত্ব প্রদান করেন ও ২০২৫ সালে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় বানারিপাড়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি নির্বাচিত হন।

    সোজাকথায় তাকে নিয়ে লিখতে গেলে শেষ হবার নয়। অবশেষে বলা যায় ২০০৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অসংখ্য ছোট বড় সভা মিটিং মিছিল বিক্ষোভ ও প্রতিবাদে অংশ গ্রহন করেন তিনি,এক কথায় বলা চলে সকালে বানারীপাড়া প্রোগ্রাম করে বিকেলে বরিশাল ও পরের দিন ঢাকার প্রোগ্রামে অংশ গ্রহন করেন তিনি। এক নয় একাধিকবার জেলও খেটেছেন শাহ আলম মিঞা। বিভিন্ন সময়ে বহুবার হামলা মামলার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি নিজ বাড়িতে খুবই কম সময় অতিবাহিত করতে পেরেছেন। তার এই রাজনৈতিক জীবনের পথ ছিল সংগ্রামের এক জ্বালাময়ী পথ,যার প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল কন্টকময়। যেখানে ছিল সার্বক্ষনিক মামলা হামলা ও নির্যাতনের কালো ছায়া। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাড়াতে গিয়ে বহুবারের কারাবাস তার মনোবল ভেঙে দিতে পারেনি এতটুকু বরং সত্যের পক্ষে আপসহীন অবস্থান তাকে জনতার প্রিয় রুপ দিয়েছে। পরিবার সমাজ রাজনীতির টানাপোড়ানে ও দূঃখ কষ্টের দিনে তিনি ছিলেন অবিচল। এত নিপীড়ন এত নির্যাতন বহু মামলা বহু হামলা সবকিছুর শৃঙ্খল ভেঙে দৃপ্ত সংকল্পে পথ হারাননি তিনি। আজ তার বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবন সংগ্রামের এক দীপ্ত শিখা।

  • নোয়াখালীতে স-ম্পত্তির ভা-গের জন্য মায়ের লাশ ২০ ঘন্টা আট-কে রাখলো সন্তান

    নোয়াখালীতে স-ম্পত্তির ভা-গের জন্য মায়ের লাশ ২০ ঘন্টা আট-কে রাখলো সন্তান

    রফিকুল ইসলাম সুমন,
    (নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি) নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ১২ শতক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে মায়ের মরদেহ দাফনের আগে ২০ ঘণ্টা আটকে রাখলেন সন্তান।
    বৃহস্পতিবার ( ৯ অক্টোবর) উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শাহজাদপুর গ্রামের এনু মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে, গতকাল বুধবার সন্ধ্যার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলায় মারা যায় ওই নারী। মৃত নারীর নাম আমেনা বেগম (৬৫)। তিনি একই গ্রামের মৃত মাওলানা সেলামত উল্ল্যাহর স্ত্রী।

    স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ছোট ছেলে সাইফুল্লাহকে মৃত্যুর আগে উত্তরাধিকারীদের সম্পত্তির কিছু জায়গা বেশি হাতিয়ে নেয়। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলায় মেয়ের স্বামীর বাড়িতে মারা যান আমেনা বেগম। পরে সেখান থেকে মরদেহ দাফনের জন্য স্বামীর বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। একপর্যায়ে বড় ছেলেকে বঞ্চিত করে সম্পত্তি ছোট ছেলেকে রেজিস্ট্রি করিয়ে নেওয়ার নিয়ে নজিব উল্ল্যাহ ও তার ভাই সাইফুল্লার মধ্যে সম্পত্তির ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে মায়ের মরদেহ সামনে রেখে দুই ভাই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাশেম। সেখানে তার নির্দেশনায় দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ২টায় স্বামীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
    জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাশেম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক সমঝোতায় মায়ের মরদেহ দাফনে তারা সম্মত হয়। মায়ের দাফন শেষে স্থানীয় লোকজন বৈঠক করে তাদের পারিবারিক সম্পত্তির বিরোধ নিষ্পত্তি করে দেবে।

  • ময়মনসিংহে কর্মচারী-কর্ম-কর্তাদের নামাজের জন্য পাঞ্জেগানা মসজিদ উদ্বোধন করলেন ডিসি মুফিদুল আলম

    ময়মনসিংহে কর্মচারী-কর্ম-কর্তাদের নামাজের জন্য পাঞ্জেগানা মসজিদ উদ্বোধন করলেন ডিসি মুফিদুল আলম

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    নামাজ হলো মুসলমানদের প্রতিদিনের এক অবশ্যকরণীয় ধর্মীয় কাজ। ইসলামের বিশুদ্ধ ঈমান আকীদার পর নামাজই সবচেয়ে বড় ফরজ ইবাদত।
    কুরআন ও হাদিসে নির্দেশিত: কুরআন ও হাদিস উভয় গ্রন্থেই নামাজের গুরুত্ব ও নিয়মাবলী বর্ণিত আছে।
    নামাজ মুসলিমদের জন্য একটি অবশ্যকরণীয় কাজ, এবং ইচ্ছাকৃতভাবে ফরজ নামাজ আদায় না করা কবিরা গুনাহ বা বড় পাপ হিসেবে গণ্য হয়। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যেনো সেই কবিরা গুনাহ বা বড় পাপের অংশীদার হতে না হয় সেই লক্ষে নিয়মিত নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে
    ময়মনসিংহ জেলা কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে উদ্বোধন করা হয়েছে পাঞ্জেগানা মসজিদ। যেখানে জেলা কালেক্টরেটে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীরা নামাজের স্থানের অভাবে নিয়মিত সময় মত নামাজ আদায় করতে পারছিলেন না। বিষয়টি আমলে নিয়ে
    জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নামাজ আদায়ের দীর্ঘদিনের সমস্যা নিরসনে অবশেষে সমাধান করলেন জেলা মুফিদুল আলম । জেলা প্রশাসক (ডিসি) মুফিদুল আলম তার উদ্যোগে এবং প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জেলা প্রশাসনের ভবনের দোতলায় নির্মিত হলো এক মনোরম ও শান্ত পরিবেশসমৃদ্ধ পাঞ্জেগানা মসজিদ। বৃহস্পতিবার (৯অক্টোবর) এই মসজিদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম।

    দীর্ঘদিন ধরে জেলা প্রশাসন ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নামাজ আদায়ের জন্য পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে দোতলার সরু বারান্দায় নামাজ আদায় করে আসছিলেন। একসঙ্গে অনেকে নামাজ পড়তে না পারায় অসুবিধা ও অস্বস্তির সৃষ্টি হতো। বিষয়টি নজরে আসার পর জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম দ্রুত উদ্যোগ নেন এবং স্বল্প সময়ে দোতলার ফাঁকা অংশে একটি পূর্ণাঙ্গ পাঞ্জেগানা মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দেন। পরিচ্ছন্ন টাইলস করা মেঝে, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, নিরাপদ ছাউনি এবং নামাজের সারি চিহ্নিত নকশা-সব মিলিয়ে এটি এখন এক প্রশান্তিময় ইবাদতের স্থান। প্রশাসনিক ব্যস্ততার ফাঁকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখন নির্ভয়ে, একসাথে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

    জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম উদ্বোধনের সময় বলেন,“আমরা প্রতিদিন জনগণের সেবায় কাজ করি। কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টিই হলো সেই কাজের মূল উদ্দেশ্য। তাই অফিসে কর্মব্যস্ততার মাঝেও যেন সবাই সময়মতো নামাজ আদায় করতে পারেন, সেই সুযোগ সৃষ্টি করাই এই পাঞ্জেগানা মসজিদ স্থাপনের মূল লক্ষ্য।”

    তিনি আরও বলেন,“এটি শুধু নামাজ পড়ার জায়গা নয়-এটি হবে আত্মশুদ্ধির স্থান, সহকর্মীদের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার একটি মাধ্যম।”

    অফিসের কর্মচারীরা জানান, এ উদ্যোগে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। কেউ কেউ বলেন, আগে যেখানেই নামাজ পড়তে অসুবিধা হতো, এখন সেখানে একটি পরিচ্ছন্ন, প্রশান্ত ও নিরাপদ জায়গায় নামাজ আদায় করা যাবে-এটি সত্যিই একটি মানবিক ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত।
    উল্লেখ্য, ডিসি মুফিদুল আলম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জেলা প্রশাসনে শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা, জনসেবা এবং অফিস পরিবেশ উন্নয়নে একাধিক ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। পাঞ্জেগানা মসজিদ নির্মাণ তার মানবিক ও ধর্মপ্রাণ দৃষ্টিভঙ্গিরই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

    মসজিদটি এখন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের একটি অনন্য সংযোজন, যা শুধু নামাজের স্থান নয়-বরং নৈতিকতা, ঐক্য ও প্রশান্তির প্রতীক হয়ে থাকবে প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর জীবনে।

  • গোপালগঞ্জে এক শিক্ষকের বিরু-দ্ধে অসুস্থতার ভুয়া অজুহাতে ইতালিতে অবস্থানের অ-ভিযোগ

    গোপালগঞ্জে এক শিক্ষকের বিরু-দ্ধে অসুস্থতার ভুয়া অজুহাতে ইতালিতে অবস্থানের অ-ভিযোগ

    কে এম সাইফুর রহমান,
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    অসুস্থতার ভুয়া অজুহাতে বছরের উল্লেখযোগ্য সময় সুদুর ইউরোপীয় দেশ ইতালিতে স্বামী ও সন্তানের সাথে সময় কাটান গোপালগঞ্জের ১৩৫ নং রঘুনাথপুর পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মনীষা বিশ্বাস।

    সরেজমিনে তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) তার ত্রিশ দিনের ছুটি শেষ হলেও তিনি বাংলাদেশে ফিরে এসে কাজে যোগদান করেননি। এতে বিদ্যালয়টিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের পাঠদানে প্রচুর সমস্যা হচ্ছে বলে জানান প্রধান শিক্ষিকা উত্তরা বিশ্বাস। তিনি বলেন, সহকারী শিক্ষিকা মনীষা বিশ্বাস গত বছর সেপ্টেম্বর মাসের ২৭ তারিখ থেকে অসুস্থতার কথা বলে উপপরিচালকের কাছ থেকে ছুটি নিয়ে ইতালি চলে যান। তবে তিনি তার অসুস্থতার স্বপক্ষে কোনো প্রমাণপত্র দাখিল করেননি। ত্রিশ দিন ছুটি শেষ হলেও তিনি ফিরে আসেননি। তিনি ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই কাজে যোগদান করেন। ওই সময় তিনি মোট ২৪৯ দিন ছুটি ভোগ করেন। তিনি ছুটি না বাড়িয়ে বিদেশে অবস্থান করেন। পরবর্তীতে রহস্যজনক উপায়ে ছুটি মঞ্জুর করিয়ে নিতে সক্ষম হন। এরপর তিনি ২০২৫ সালের জুলাই মাসের ৩১ তারিখে কাজে যোগদান করেন। সেপ্টেম্বর মাসের ৮ তারিখ পর্যন্ত কাজ করে আবার ৯ সেপ্টেম্বর তারিখ থেকে ফের এক মাসের ছুটি মঞ্জুর করিয়ে ইতালি চলে যান। অদ্যাবধি তিনি কাজে যোগদান করেননি। ওই শিক্ষক কাজে যোগদান না করায় আমি শিক্ষার্থীদের পাঠদানে হিমশিম খাচ্ছি।

    এ ব্যাপারে জানার জন্য ওই সহকারী শিক্ষক মনীষা বিশ্বাসের সাথে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি ছুটি বৃদ্ধির আবেদন করেছি ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে। আমার ছুটি মঞ্জুর হয়ে যাবে। আমি প্রকৃতই অসুস্থ। তবে বাংলাদেশে শিক্ষকদের অসুস্থতাজনিত কারনে ছুটি নিতে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র বা অন্যকোনো প্রমানাদির প্রয়োজন পড়ে না। তবে আমার কাছে সব প্রমানাদি আছে। বাংলাদেশী কর্মকর্তারা দেখতে চাইলে তাদের দেখাবো।” সাংবাদিকরা এসব কাগজাদি দিয়ে কি করবে? বলে তিনি প্রশ্ন রাখেন।

    গোপালগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোছাঃ জোৎস্না খাতুনকে বিষয়টি অবহিত করা হলে তিনি বলেন, একজন শিক্ষক মাসের পর মাস বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে পাঠদান বিঘ্নিত হয়। এটাই স্বাভাবিক। তবে তিনি অসুস্থতার স্বপক্ষে কোনো কাগজাদি ছুটির আবেদনের সাথে সংযুক্ত না করে কি করে ছুটি পান বা কিভাবে বিদেশে বসেই মর্জি মাফিক ছুটি বৃদ্ধি করতে পারেন তা বোধগম্য নয়। এ বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার ব্যাপারে আমি উদ্যোগি হবো।

  • রাজশাহী অঞ্চলে ফসলি জমি হ্রাস খাদ্য ঘা-টতির আ-শঙ্কা

    রাজশাহী অঞ্চলে ফসলি জমি হ্রাস খাদ্য ঘা-টতির আ-শঙ্কা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তথা বরেন্দ্র অঞ্চলের
    অর্থনীতি প্রায় সম্পুর্ণ কৃষি নির্ভর। তবে নির্বিচারে ফসলি জমি নষ্টের কারণে খাদ্য উদ্বৃত্ত বরেন্দ্র অঞ্চলে খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাবশালী ভুমিগ্রাসী চক্রের কৌশলের কাছে পরাস্থ হয়ে কৃষি জমির মালিকেরা অনেকটা বাধ্য হয়ে তাদের আবাদি
    জমিতে পুকুর খনন করতে দিচ্ছে।এছাড়াও কল-কারখানা ও বাড়িঘর নির্মানে নস্ট হচ্ছে একেরর পর একর তিন ফসলী জমি। প্রভাবশালীরা প্রথমে বিস্তীর্ণ ফসলি জমির মধ্যে অল্প জমি বাছাই করে সেখানে কৌশলে পুকুর করা শুরু করে। এর পর ওই পুকুরের কারণে পাশের
    জমিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। তখন ওই সব জমির মালিকেরা ফসল উৎপাদনে লোকশানে পড়ে।এতে তারা তাদের আবাদি জমি
    প্রভাবশালী ওই পুকুর খননকারীকে লীজ দিয়ে দিতে বাধ্য হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুকুর খননকারী বলেন, প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতা ও সাংবাদিকসহ সকলকে ম্যানেজ করতে বিঘাপ্রতি ৩০ হাজার টাকা খরচ করলেই অনায়াসে ফসলি জমিতে পুকুর খনন করা যায়। তানোরের চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নের (ইউপি) জুড়ানপুর, রাতৈল, হাড়দহ,বেড়লপাড়া,তানোর পৌর এলাকার মাসিন্দা,কামারগাঁ ইউপির হাতিশাইল, শ্রীখন্ডা, নেজামপুর প্রভৃতি এলাকায় বিএমডিএ’র গভীর নলকুপের স্কীমভুক্ত শত শত একর ফসলি জমিতে পুকুর খনন করা হয়েছে। অথচ এসব জমি এখানো কৃষি শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তারা সরকারকে কৃষি জমির খাজনা পরিশোধ করে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। কারণ পৌর এলাকায় পুকুরের বার্ষিক খাজনা ৫০ টাকা শতক, পৌরসভার বাইরে ৪০ টাকা শতক এবং কৃষি ও পতিত জমি ২ টাকা শতক। সেই হিসেবে ৩৩ শতক বা এক বিঘা আয়তনের একটি পুকুরের
    খাজনা বছরে এক হাজার ৩২০ টাকা।কিন্ত্ত
    কৃষি জমি দেখিয়ে এক বিঘা আয়তনের পুকুরে তারা খাজনা দিচ্ছে দু’টাকা শতক হিসেবে মাত্র ৬৪ টাকা। অর্থাৎ প্রতি শতকে ৩৮ টাকা করে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে ফসলি জমিতে এসব পুকুর খনন করায় বিএমডিএর অনেক গভীর নলকুপ অকেজো হয়ে পড়েছে।
    জানা গেছে, বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্লাইস্টোসিন যুগের উচ্চভূমিকে বরেন্দ্রভূমি বলা হয়। পদ্মা, মহানন্দা, পুনর্ভবা, আত্রাই, বারনই ও করতোয়া নদীর অববাহিকায় এই উচ্চভূমির সৃষ্টি, যা বারিন্দ নামেও একসময় পরিচিত ছিল। এই উচ্চভূমি প্রাচীন গৌড় রাজ্যের অংশ ও এককালে রাজধানীও ছিল। রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিমাংশের ৯ হাজার ৩২৪ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বরেন্দ্রভূমি। প্রাচীন এই ভূমির আরেকটি অংশ পড়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে, যা রাঢ় অঞ্চল নামে পরিচিত। এককালে মৌসুমী বৃষ্টিই ছিল এই ভূমির কৃষকের ফসল উৎপাদনের একমাত্র অবলম্বন। কালের পরিক্রমায় তপ্ত-উত্তপ্ত বরেন্দ্রভূমি এখন দেশের অন্যতম শস্যভাণ্ডার। সারা বছরই ধানসহ নানা ধরনের ফসল ফলছে এই ভূমিতে। তবে, ইদানিংকালে আশঙ্কাজনকভাবে কমছে এখানকার ফসলি জমি। কৃষিবিদরা যদিও বলছেন, কৃষি প্রযুক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণ ছাড়াও কৃষকরা এখন লাভজনক কৃষিপণ্য উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছে। ধানের জমি উজাড় করে তৈরি হচ্ছে আমসহ বিভিন্ন ফলের বাগান। তিন ফসলি জমি কেটে খনন করা হচ্ছে পুকুর। এভাবে গত চার দশকে বরেন্দ্রভূমির প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার ২৮০ হেক্টর ফসলি জমি কমে গেছে। ফলে বছর বছর কমছে ধানের উৎপাদন।
    রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অঞ্চলের তথ্যানুযায়ী, শুধু বরেন্দ্রভূমির রাজশাহী অঞ্চলের চার জেলা-রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোরে গত এক দশকে ৯০ হাজার হেক্টর কৃষি জমি কমেছে। বর্তমানে এই অঞ্চলের ধানের জমিতে গড়ে উঠছে বসতভিটা, ইটভাট, ক্ষুদ্র শিল্পকারখানা, সবজিখেত, পুকুর ও আমসহ বিভিন্ন ফলের বাগান। যে কারণে দিন দিন আবাদি জমির পরিমাণ কমছে। কৃষকরা বলছেন ফসলি জমি রক্ষায় আইন থাকলেও স্থানীয় প্রশাসন এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
    এদিকে, ভূমি মন্ত্রণালয়ের জাতীয় ভূমি জোনিং প্রকল্পের সাম্প্রতিক এক জরিপের তথ্যানুযায়ী অপরিকল্পিত আবাসন, শিল্প-কারখানা, সড়ক নির্মাণসহ নানা স্থাপনা নির্মাণের কারণে বরেন্দ্রভূমিতে প্রতিদিন কমছে ২২০ হেক্টর করে কৃষিজমি। বর্তমানে দেশে মাথাপিছু কৃষিজমির পরিমাণ মাত্র ১৪ শতাংশ। এভাবে কৃষিজমি কমতে থাকলে ২০৫০ সালে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু জমির পরিমাণ দাঁড়াবে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ। এর আগে ১৯৭২ সালে দেশের মানুষের মাথাপিছু আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ছিল এক একর ৩৫ শতাংশ করে। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, পদ্মা অববাহিকার চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে তিন দশক ধরে চলছে নদীভাঙন। এ ভাঙনে উদ্বাস্ত হয়ে প্রতিবছরই বহু মানুষ বরেন্দ্রভূমির ফসলি জমিতে গিয়ে বসতি গড়ছে। বিশেষ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও পবার নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল থেকে প্রতিবছরই শত শত উদ্বাস্তু মানুষের অভিবাসন ঘটছে বরেন্দ্রভূমিতে। এই প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, রাজশাহীর তানোরের মুন্ডুমালা ও গোদাগাড়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমনুরা, নাচোল, নেজামপুর, গোমস্তাপুর, নওগাঁর সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর এলাকায় গত কয়েক বছরে শত শত ভাঙন কবলিত মানুষরা গিয়ে বাড়িঘর বসতভিটা করেছে। এসব কারণেও বছর বছর কমছে ফসলি জমি। আশঙ্কাজনকভাবে ফসলি জমি উজাড় হওয়া প্রসঙ্গে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক উম্মে ছালমা বলেন, কৃষিজমি ধ্বংস করে বসতি গড়ে ওঠা ছাড়াও পুকুর খনন ও ইটভাটা গড়ে তোলা হচ্ছে। কৃষিজমি রক্ষায় আইন রয়েছে। তবে এই প্রবণতা বন্ধ করতে হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। কৃষিজমির শ্রেণিও বদল করা হয়েছে, যা বেআইনি কাজ। বরেন্দ্র অঞ্চলে জমি উজাড়ের কারণে বর্ধিত জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণ চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়ছে।#

  • সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজের সাবেক ইংরেজি শিক্ষক ডঃ শওকাত আলীর মৃ-ত্যু

    সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজের সাবেক ইংরেজি শিক্ষক ডঃ শওকাত আলীর মৃ-ত্যু

    এম,এ আলিম রিপন সুজানগর : পাবনা সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজের সাবেক ইংরেজি শিক্ষক, জেলার সুজানগর পৌর শহরের ভবানীপুর পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা ডঃ মোহাম্মদ শওকাত আলী বৃহস্পতিবার ঢাকার উত্তরার বাসায় অসুস্থতা জনিত কারণে আনুমানিক সকাল দশটার দিকে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মৃত্যু কালে তিনি স্ত্রী ও তিন কন্যা সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। ইংরেজি বিষয়ে অনার্স মাস্টার্স সম্পন্ন করা ডঃ শওকাত স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭৩ সাল থেকে পরবর্তী কয়েক বছর পাবনা সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজে ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন, পরে তিনি পাকিস্তানে চলে যান। তার স্ত্রী পাকিস্তানের জনপ্রিয় একজন সংগীতশিল্পী। বর্তমানে তার স্ত্রী এবং দুই কন্যা পাকিস্তানে এবং এক কন্যা অস্ট্রেলিয়াতে বসবাস করছেন । ২০০৫ সালে ডক্টর শওকত আলী শিকড়ের টানে বাংলাদেশের চলে আসলেও তার স্ত্রী ও মেয়েরা থেকে যায় পাকিস্তানে। এবং মাঝের মধ্যে তিনি পরিবারের সাথে দেখা করার জন্য পাকিস্তানে যেতেন। তার ভাগ্নে মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, পরিবারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঢাকার উত্তরায় জানাজা শেষে সেখানকার স্থানীয় কবর স্থানে তাকে সমাহিত করা হবে। প্রসঙ্গত , ডক্টর শওকাত আলী মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ দুলালের আপন চাচাতো ভাই। তার নামেই প্রতিষ্ঠিত হয় সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।

  • ব-জ্রপাত প্র-তিরোধ ও পরিবেশ রক্ষায় তাল গাছ রোপণ করলো ঝিনাইদহ হাইওয়ে পুলিশ

    ব-জ্রপাত প্র-তিরোধ ও পরিবেশ রক্ষায় তাল গাছ রোপণ করলো ঝিনাইদহ হাইওয়ে পুলিশ

    ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ
    বজ্রপাত প্রতিরোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে ঝিনাইদহে মহাসড়কের পাশে তালগাছের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু করেছে হাইওয়ে পুলিশ। আজ ৯ অক্টোবর (বুধবার) সকালে ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের বোরায় মাঠ এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এতে অংশ নেয় আরাপপুর হাইওয়ে থানার পুলিশ সদস্যরা। আরাপপুর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস জানান, “প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিশেষ করে বজ্রপাত থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিতে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি থেকে ১০ মাইল পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে ২০০টি তালগাছের চারা রোপণ করা হবে।”
    তিনি আরও বলেন, তালগাছ বজ্রপাত প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এটি ছায়া দেয়, সৌন্দর্য বাড়ায় এবং পরিবেশ সংরক্ষণেও সাহায্য করে। স্থানীয়রা হাইওয়ে পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আরও বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • দোয়ারাবাজারে DLI’র উদ্যোগে  ‘এবার ইংরেজি শিখবে পুরো বাংলাদেশ’ সিম্পোজিয়াম অ-নুষ্ঠিত

    দোয়ারাবাজারে DLI’র উদ্যোগে ‘এবার ইংরেজি শিখবে পুরো বাংলাদেশ’ সিম্পোজিয়াম অ-নুষ্ঠিত

    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
    ‘তোমার স্বপ্ন পূরণের বন্ধু” Dream Language Institute” (DLI)’ এর উদ্যোগে ও দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘এবার ইংরেজি শিখবে পুরো বাংলাদেশ’শীর্ষক সিম্পোজিয়াম।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মাষ্টার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন। সঞ্চালনায় ছিলেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ মোতালিব ভুইয়া।

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরুপ রতন সিংহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদুল হক এবং উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল হামিদ। এছাড়া প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা এম এ করিম লিলু, সিনিয়র সহসভাপতি মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী, সহসভাপতি বজলুর রহমান ও আলাউদ্দিন, সিরাজ মিয়া,
    যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, শাহ মাসুক নাইম সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মামুন মুন্সি, অর্থ সম্পাদক মােঃ সােহেল মিয়া, দপ্তর সম্পাদক মােঃ আক্তার হােসেন সুমন, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মােঃ ফারুক মিয়া,
    সাংস্কৃতিক সম্পাদক, শানুর ওয়াদুদ তালুকদার সাগর, ক্রীড়া সম্পাদক মাসুদ রানা সােহাগ, প্রচার সম্পাদক জহিরুল ইসলাম সানী , প্রকাশনা সম্পাদক আবু বকর, সদস্য ইসমাইল হােসেন, রফিকুল ইসলাম, শাহ আলম প্রমুখসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তারা বলেন, ইংরেজি শেখা শুধু একটি ভাষা শেখা নয়, বরং এটি আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তারা মনে করেন, DLI’র এই উদ্যোগ দেশের তরুণ প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে।

    অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দেন Dream Language Institute (DLI)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও কানাডা প্রবাসী উদ্যোক্তা আহমেদ রাসেল। তিনি বলেন, ‘ইংরেজি হলো বিশ্ব সংযোগের চাবিকাঠি। একজন শিক্ষার্থী যদি ইংরেজিতে দক্ষ হয়, তবে সে শুধু দেশের নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারে। DLI সেই পথটি সহজ করে দিতে চায়—যাতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ইংরেজি শিক্ষা পৌঁছে যায়।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটি ইংলিশ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে প্রতিটি তরুণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বে নিজের অবস্থান তৈরি করবে।’

    অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের হাতে DLI কর্তৃক প্রকাশিত ‘English for Everyone’ গাইডবুক তুলে দেওয়া হয় এবং আগত শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ ঘোষণা করা হয়।

    উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা DLI’র এ উদ্যোগকে যুগোপযোগী ও প্রশংসনীয় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ইংরেজি শিক্ষা এখন সময়ের দাবি, এবং এমন উদ্যোগ দেশের প্রতিটি উপজেলায় সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।

  • কাশিয়ানীর নিজামকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান গ্রে-প্তার

    কাশিয়ানীর নিজামকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান গ্রে-প্তার

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার নিজামকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কাজী নওশের আলীকে আটক করেছে পুলিশ। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: কামাল হোসেন।

    নিজামকান্দি ইউনিয়নের সচিব মলয় বিশ্বাস জানিয়েছেন বুধবার (৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে সাদা পোষাকে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল চেয়ারম্যান কাজী নওশের আলীকে নিজামকান্দি বাজারে দেখা করতে বলেন। চেয়ারম্যান সঙ্গীদের নিয়ে তখন নিশ্চিতপুর গ্রামে একজন মৃত ব্যক্তির জানাযা নামাজে অংশ নিতে অবস্থান করছিলেন। জানাযার নামাজ শেষ করে নিজামকান্দি বাজারে পুলিশের ওই দলের সাথে দেখা করতে গেলে তাকে আটক করে পাশ্ববর্তী ফলসি বাজারে রাখা পুলিশের গাড়ীতে করে কাশিয়ানী থানায় নিয়ে যায়। পরে দুপুর দুইটার দিকে তাকে গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে ফুকরা এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের উপর গাছের গুড়ি ফেলে যানবাহন চলাচল ব্যাহত করা সম্পর্কিত দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানাগেছে। চেয়ারম্যান কাজী নওশের এর আগে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুরে সামরিক বাহিনীর গাড়ীতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও পোড়ানোর দায়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার হন। তিনি ওই মামলার এজাহার নামীয় আসামী। তবে পরবর্তীতে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করেন। চেয়ারম্যান কাজী নওশের আলী নিজামকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।