আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ড উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের একটি পুকুর থেকে মছিরণ নেছা (৭২) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি একই গ্রামের মৃত দিদার আলী মন্ডলের স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই মহিলা ভোরে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির পাশে পুকুরে ওজু করতে গিয়ে পানির মধ্যে পড়ে যান। সকালে প্রতিবেশীরা পুকুরের পানিতে তার মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য রিপন হোসেন জানান, ওই মহিলা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তিনি ভোরে নামাজ পড়ার জন্য পুকুরে ওজু করতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যান। সকালে তার মরদেহ ভাসতে দেখেন প্রতিবেশীরা। হরিণাকুÐু থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে পুকুরের পানিতে পড়ে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ওই মহিলা মারা গেছেন। তবুও মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো জানান, প্রথমে এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হবে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারন জানা যাবে।
Blog
-

পুকুরে মিলল বৃদ্ধার লাশ
-

রাজশাহী-১ আসনে শীতের আমেজ রাজনীতিতেও টের পাওয়া যাচ্ছে
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসনে শীতের আমেজ রাজনীতিতেও টের পাওয়া যাচ্ছে। কিছুদিন পরেই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। একদিকে শীতের আমেজ, অন্যদিকে নির্বাচনের উত্তেজনার পারদ- এ দুই মিলে সাধারণ মানুষের কাছে দিনগুলো হয়ে উঠেছে অন্যরকম। ‘ভাই, দুধ-চিনি বাড়িয়ে ডবল হিটের এক কাপ চা। টিভি থাকলে টিভিতে খবরের চ্যানেল ধরেন। নির্বাচনের খোঁজখবর দেখি। আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দিয়ে আবার বলেছে স্বতন্ত্র হয়েও নির্বাচন করা যাবে। মনে হচ্ছে, এবার নির্বাচন জমবে।’ গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কামারগাঁ ইউপির মালার মোড়ে ‘ আইয়ুব-আব্দুলের চায়ের দোকানে বসে কথাগুলো বলেন, মোহনপুর উপজেলার ধুরইল এলাকার আলুচাষি নুরুল ইসলাম। এরপর সেখানে আগে থেকে উপস্থিত অন্যদের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আলোচনায় মেতে ওঠেন তিনি। তার মতো বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অবসর সময়টায় চায়ের দোকানের আড্ডায় হাজির হয়ে নির্বাচন নিয়ে আলোচনায় মেতে উঠছেন। ভোটে কার জনপ্রিয়তা কেমন, তা যাচাই করতে সহজ একটি উপায় চায়ের দোকানে হাজির হওয়া। কারণ সব পেশার মানুষ বসেন চায়ের দোকানে। চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে মেলান ভোটের নানা হিসাব-নিকাশ। পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকানের পাশাপাশি বিভিন্ন মাঠে কৃষি কাজে ব্যস্ত কৃষকদের মধ্যেও চলে নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ। কোন দলের কোন প্রার্থী আসন্ন নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারেন, কিংবা কোন দল হতে পারে বিরোধী দল, কে কত সিট পাবে, এমন আলোচনা আর বিশ্লেষণে মুখরিত পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকান। দেশ স্বাধীনের পর রাজশাহী-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। আসনটি এক সময় বিএনপি-জামায়াতের দুর্গ বলে পরিচিতি পেলেও ফারুক চৌধুরীর নেতৃত্বেবর্তমানে আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক চৌধুরী (নৌকা), বিএনএমের শামসুজ্জোহা (নোঙর), বিএনএফের আল-সাআদ (টেলিভিশন), তৃণমূল বিএনপির জামাল খান দুদু (সোনালী আঁশ), এনপিপির নুরুন্নেসা (আম), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের বশির আহমেদ (ছড়ি), জাতীয় পার্টির শামসুদ্দীন (লাঙল), মাহিয়া মাহি (ট্রাক) ও গোলাম রাব্বানী (কাঁচি) প্রতীক বরাদ্দ পান। চা দোকানের
মালিক আব্দুল ও আয়ুব বলেন, কয়টা দিন তাদের দোকান বেশ জমজমাট থাকবে। যদিও মাঝেমধ্যে আমরা বলি, নির্বাচনী আলোচনা করবেন না। কিন্তু কে শোনে কার কথা! নির্বাচন নিয়েই এখন সবার আগ্রহ। তারা বলেন, যে দলই ক্ষমতায় যাক এমপি হিসেবে তারা ফারুক চৌধুরীকে চাই, কারণ চৌধুরী লোক ভাল তার সময়ে দালাল-চিটার নাই। ওই দোকানে বসা অটো চলক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে তাগোর চিন্ত্যা নাই। যেই আসুক, তাগো কথা একটাই, জিনিসপত্রের দাম কমাইয়া দিবেন, খাইয়া-পইরা বাঁচতে চাই। তবে তিনিও বলেন, এমপি হিসেবে চৌধুরী ফিট তার কাছে চিটার-বাটপারের জায়গা নাই।
একইভাবে দিনমজুর রমজান আলী বলেন, ভুট দিয়া কী হইবো তাগো অবস্থার তো উন্নতি নাই। তয় এবার আওয়ামী লীগ মাঠে থাকলেও বিএনপি নাই। আবারও যদি ২০১৮ সালের মতো ভুট হয়, ভালো হবি না। নাসির নামে এক যুবক বলেন, ‘আরে না, এবার নির্বাচন ভালো হবে। আওয়ামী লীগ বলছে, কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে সমস্যা নাই, তাই নির্বাচন জমবে। এসময় সিএনজি চালক আক্তার হোসেন বলেন, লড়াই হয় বাঘে-বাঘে, বাঘ-বকরিতে না, চৌধুরী তো বাঘ তার সঙ্গে লড়াই করার মতো কেউ নাই, যারা আছে তারা বকরি। পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকানে নির্বাচন নিয়ে সাধারণ ভোটারদের তর্ক-বিতর্ক, অন্যদিকে চা দোকানির চা বিক্রি নিয়ে ব্যস্ততা, শীত আমেজে বিকেলের পরিবেশকেই পাল্টে দিচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল এবার নির্বাচনে ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে অন্যদের তুলনা করতেই নারাজ। কারণ হিসেবে বলছে, এমপি ফারুক চৌধুরী তার দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের রাজনৈতিক জীবনে তানোর-গোদাগাড়ী থেকে তিনি প্রতিদিন যদি ৫ জন করে মানুষের উপকার করে থাকেন, তাহলে ৩৬৫ দিনে ১৮২৫ জন এবং ২০ বছরে ৩৬ হাজার ৫০০ জন মানুষের সরাসরি উপকার করেছেন। তাহলে উপকারভোগী এই মানুষগুলো তো এখানো এমপির পক্ষে মাঠে আছে। এমপির জন্য জীবন বাজি রেখে তারা কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে।
অথচ তার বিপরীতে গোলাম রাব্বানী দুইবার দলীয় মনোনয়নে উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির দুর্বল প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন।এমনকি দলে সভাপতি পদ ধরে রাখতে ব্যর্থ ও মুন্ডুমালা পৌর নির্বাচনে পরাজিত হবার শঙ্কায় প্রার্থী হতে পারেননি। অন্যদিকে মাহীয়া মাহীকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে, এমপি নির্বাচনে বিজয়ী তো পরের কথা শক্ত প্রতিদন্দীতা করার মতো সামর্থ্য তার নাই। আর অন্যরা আলোচনাতেই নাই। অভিজ্ঞ মহলের ভাষ্য এসব বিবেচনায় পরিক্ষিত ও আদর্শিক নেতৃত্ব ফারুক চৌধুরীর বিজয় প্রায় নিশ্চিত।# -

পুকুর খননের মাটিতে রাস্তা নষ্ট এলাকায় উত্তেজনা
আলিফ হোসেন,
তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী নিয়ামতপুরের বাহাদুরপুর ইউনিয়নের (ইউপি) জোনাকি গ্রামে পুকুর খননের মাটিতে কাঁচা-পাকা রাস্তা নষ্টের অভিযোগ উঠেছে। এদিকে ভেকু মেশিন (মাটিকাটা যন্ত্র) ও অবৈধ ট্রাক্টরের বিকট শব্দে জনজীবন অতিষ্ঠ। অন্যদিকে ট্রাক্টরে মাটি বহনের সময় কাঁদা মাটি রাস্তায় পড়ে রাস্তা নষ্ট ও ধুলাবালিতে পরিবেশ দুষণে বাসা বাড়িতে থাকায় কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ইউপির জোনাকি গ্রামে
প্রশাসনের অনুমতি ব্যতিত গ্রামবাসির বাধা উপেক্ষা ও প্রভাববিস্তার করে জোরপুর্বক পুকুরের কাদামাটি পরিবহন করে কাঁচাপাকা রাস্তা নষ্ট, পরিবেশ দুষণ ও অবৈধভাবে ফসলি জমি ভরাট করছেন। এ ঘটনায় গ্রামবাসির মাঝে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী অবৈধভাবে ফসলি জমিতে পুকুর খনন বন্ধ রয়েছে। কোথাও কোনো পুরাতন পুকুর খনন করতে চাইলে তা যথাযথ নিয়ম মেনে উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করে তারপর অনুমোদন নিতে হয়। সেখানেও বলা থাকে পুকুর খননের মাটি যেনো কোনো পাকা বা কাঁচা রাস্তায় না উঠে। অথচ এসব নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে মাটি বানিজ্যে করছে ভেকু দালাল ভারশোঁ ইউপির রাজু। কিন্ত্ত বিষয়টি যেনো দেখার কেউ নাই। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমতিয়াজ মোরশেদ বলেন, এবিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ খবর নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভুমি) ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে ভেঁকু দালাল রাজু এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সকলকে ম্যানেজ করে পুকুর খনন, মাটি বিক্রি ও ফসলি জমি ভরাট করা হচ্ছে। তিনি বলেন, মাটি পরিবহন করলে তো রাস্তা নষ্ট হবে, তাই বলে কি মানুষ পুকুর সংস্কার করবে না। তিনি বলেন, রাস্তা নস্ট হলে সরকার ঠিক করবে এখানে সাংবাদিক বা গ্রামের মানুষের সমস্যা কি। এবিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, চৌকিদার পাঠিয়ে পুকুর খনন বন্ধ করা হয়েছে।তানোর প্রতিনিধি।
-

পাইকগাছায় হলুদের সমারোহ; ফুলে ফুলে ভরে গেছে সরিষা ক্ষেত
ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
পাইকগাছায় সরিষার ক্ষেত হলুদ ফুলে ভরে গেছে।এ বছর সরিষার আবাদ ভালো হয়েছে।বৃস্টি আর ঘন কূয়াশার সৃস্টি না হওয়ায় সরিষার জন্য রয়েছে অনুকূল পরিবেশ। চলতি মৌসুমে ৬০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ বেড়েছে। ক্ষেতের পর ক্ষেত হলুদের সমারোহ।সরিষার ফুলে ফুলে মৌমাছির গুঞ্জনে কৃষকের মন আলোড়িত হচ্ছে। মধু আহরনে মৌমাছিরা মেতে উঠেছে। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে হলুদের সমারোহ দেখে চোখ জুড়ে যায়। উপকূলীয় উর্বর জমিতে এ বছর আশানারুপ সরিষা উৎপাদন হবে বলে কৃষকরা আশা করছে। ক্ষেতের পর ক্ষেতে তরতাজা সবুজ সরিষা গাছাগুলোতে হলুদ ফুলে ফুলে ভরে উঠায় কৃষককের মুখে হাসি ফুটেছে।
পাইকগাছা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩২০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে কৃষকদের সরিষার বীজ ও সার দেওয়ায় এবছর সরিষার আবাদ বেড়েছে।তবে সময় মত মাটিতে জো না আসায় সরিষার আবাদ কিছুটা দেরি হয়েছে। উপকূলের লবনাক্ত এলাকা চাষাবাদ অনেকটা প্রকৃতি ও আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে। অন্য এলাকায় আগাম মাটিতে জো আসলেও উপকূল এলাকার নিঁচু মাটিতে জো আসতে দেরি হয়। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে সরিষার চাষের উপযোগী ৪টি ইউনিয়ন গদা্পুর, হরিঢালী,কপিলমুনি ও রাড়ুলি সরিষার আবাদ হয়। আর চাঁদখালী, গড়ইখালী ও দেলুটিতে উচু এলাকার সামান্য জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। কৃষকরা বারি সরিষা ১৪,১৫,১৭,১৮ বিনা-৯ ও ৪ জাতের সরিষা আবাদ করেছে।
সরেজমিনে এসব ক্ষেত পরিদর্শন করে দেখা গেছে, ইতিমধ্যে সরিষার ফুল ঝরতে শুরু করে সরিষার দানা বাধতে শুরু করেছে। উপজেলার গোপালপুর গ্রামে সরিষা চাষী আনছার আলী, আব্দুস সামাদ ও সলুয়ার শহিদ জানান, তাদের ক্ষেতের আবাদকৃত সরিষা ভালো হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অসিম কুমার দাশ জানান, ধান কাটতে দেরি হওয়ায় সরিষা আবাদ করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। কৃষকরা যদি আগাম জাতের ধান চাষ করে তাহলে ধান কাঁটার পর সময়মত সরিষা চাষে পূরা সময় পাবে। এ ব্যাপারে কৃষকদের আগাম জাতের ধান চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। তাছাড়া উপকূল এলাকার নিচু জমিতে জো আসে দেরিতে সে জন্য ফসল লাগাতেও দেরি হয়। এবছর উপজেলায় সরিষার আবাদ ভালো হয়েছে। প্রাকৃতিক কোন বিপর্যয়ের সৃষ্টি না হলে সরিষার আশানুরুপ ফলন পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা, খুলনা। -

লালমনিরহাট ২আসনে “ট্রাক” মার্কার নিয়ে প্রচার প্রচারণায় মমতাজ আলী শান্ত
মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট॥
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করা ছেলে মমতাজ আলী শান্ত, সবার সুখে হাসব আমি, কাঁদব সবার দুখে, নিজের খাবার বিলিয়ে দিব গরিব দুঃখী মুখে,।আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে ঠিক ততটাই জমে উঠেছে নির্বাচনের আলোচনা।লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ- আদিতমারী) আসনে নির্বাচনের মাঠে দুই উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নে ব্যপক পরিচিতি অর্জন করে নিয়েছেন। তরুণ এই প্রার্থীর হাসি- সুলব আচরণ জনগণের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে সহায়ক হয়েছে । দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ উল্যাহ, লালমনিরহাটের সংসদীয় ২(কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসন টিতে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব মোঃ মমতাজ আলী শান্ত, কে “ট্রাক” প্রতীক বরাদ্দ দেন। প্রতীক বরাদ্দ স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী “ট্রাক মার্কার”প্রার্থী। বর্তমানে মাঠে – ঘাটে, হাট – বাজারে জনমুখে যাচ্ছে ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করছেন তরুণ এই প্রার্থী। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা জনগণের বন্ধু, সমাজ সেবক, তারুণ্যের গৌরব, লালমনিরহাট-২ আসনে তরুণ উদীয়মান সতন্ত্র প্রার্থী মমতাজ আলী শান্ত বলেন,সমাজের অসহায় মানুষদের সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ভালো কাজে সহযোগিতা করা আমার নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। আমি যতদিন বেঁচে থাকব জনগণের সেবক হিসেবে মানুষের সেবার নিয়োজিত যেনো থাকতে পারি। আরো বলেন যে পরিবর্তনের জন্য নির্বাচন আর নির্বাচনের জন্য পরিবর্তন, তিনি নতুন – তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে তরুণ প্রজন্ম ও সকলের ভোটে জয়ী হয়ে পরিবর্তন ঘটাতে চান, তার ভাষায় এই পরিবর্তন বলতে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে তরুণ প্রজন্মের বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে বেকারত্ব আর এই বেকারত্ব ঘোচাতে যা যা করা প্রয়োজন আমি করবো, গতানুগতিক সরকারী চাকুরীর পিছনে না ছুটে নতুন ও তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ উদ্যেগতা হিসাবে গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।হাসমত উল্লাহ।
-

সীড স্টোর বাজার যানজটমুক্ত করায় প্রশংসায় ভাসছেন ভালুকার ওসি শাহ কামাল আকন্দ
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
অবশেষে ভালুকা মডেল থানার নবযোগদানকারী ওসি শাহ কামাল আকন্দের নেতৃত্বে ভালুকা থানাধীন
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সীড স্টোর বাজারে অবৈধভাবে গড়ে উঠা কাঁচাবাজার উচ্ছেদ করা হয়েছে।সোমবার ভালুকা মডেল থানার ওসি মোঃ শাহ কামাল আকন্দ এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে জানযটমুক্ত করায় নবাগত ওসিকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন ভালুকাবাসী।
স্থানীয়রা দাবী করেন, সীড স্টোর বাজারে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উভয়পাশে একলেন করে দুই লেন দখল করে অবৈধভাবে বাজার গড়ে তুলে এক শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা। অভিযোগ রয়েছে, কতক প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে পশ্রয়ে ব্যবসায়ীরা মহাসড়ক দখল করে বাজার গড়ে তুলে। মহাসড়কে অবৈধ এই বাজার সৃষ্টি হওয়ায় সীড স্টোর বাজারে সারাদিন যানজট লেগেই থাকে। কখনো কখনো সীড স্টোর বাজারে ঘন্টার পর ঘন্টা দুরপাল্লার বাস, ট্রাক, কার্গো, প্রাইভেট কার সহ সকল ধরনের যানবাহন আটকা পড়ে। ভালুকা মডেল থানার নবাগত ওসি শাহ কামাল আকন্দ যোগদান করেই এ খবর যানজট নিরসনের উদ্যোগ নেন। সোমবার বিকালে ওসি শাহ কামাল আকন্দ নিজে উপস্থিত থেকে অবৈধ বাজার উচ্ছেদ করে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে আসলরুপে ফিরিয়ে আনেন। সীড স্টোর বাজারে মহাসড়কে গড়ে তোলা অবৈধ বাজার উচ্ছেদ করায় সীড বাজারের ব্যবসায়ীসহ ভালুকাবাসি নবাগত ওসি শাহ কামাল আকন্দকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অভিযানকালে ভালুকা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাগন সাথে ছিলেন।
-

ঢাকা-১৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌহিদ জং মুরাদ এর ওপেন চ্যালেঞ্জ-আমরা প্রস্তুত আছি আহু
হেলাল শেখ,
১৯ ডিসেম্বর ২০২৩ইং দুপুরে সাভারের শিমুলতলায় ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ (স্বতন্ত্র) প্রার্থী ঈগল পাখি মার্কার অফিস উদ্বোধন করেন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে হাজার হাজার জনগণের সামনে বক্তব্য দেন, এসময় তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে বলেন, সাভারের রানা প্লাজা ধ্বংস হয়েছে, এতে আমার কি দোষ, আমি ওই বিল্ডিং এর ইঞ্জিনিয়ারও নয়, মালিকও নয় তবে কেন আমার দোষারোপ করা হয়েছে? আমি নাকি ১০ বছর সাভারের মাটিতে আসিনি, নৌকার মাঝি ছিলাম একাধিকবার কিন্তু এবার নৌকা মার্কা পাইনি তাতে কি, আমার এবারের মার্কা ঈগল পাখি, আমাকে নিয়ে মন্তব্য করার কিছু নাই, আমি চ্যালেঞ্জ করলাম ৭ জানুয়ারি ২০২৪ইং তারিখে জনগণের ভোটে বিজয়ী হবো ইনশাআল্লাহ। তিনি আরো বলেন, আমার বাবা মরহুম তালুকদার আনোয়ার জং ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহচর বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার মাঝি সাভারের সাবেক এমপি, আমিও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকার মাঝি ছিলাম, আমি লাল মাটি এলাকার সন্তান, আমি কোনো রোহিঙ্গা নয়, তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীসহ সকলের কাছে দোয়া চান, তিনি আরো বলেন, লাই ইলাহা ইল্লাল্লাহ ঈগল মার্কার মালিক তুমি আল্লাহ।উক্ত ঈগল পাখি মার্কার অফিস উদ্বোধনের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন মাদবর, আশুলিয়া থানা যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী দেওয়ান রাজু আহমেদসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং প্রায় শতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। এসময় হাজার জনতা ঢাকা-আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদকে একনজর দেখার জন্য সাভারের শিমুলতলা এসে ঈগল মার্কার স্লোগান দিতে থাকে, তাদের একটাই কথা ঈগল মার্কাকে বিজয়ী করে ঘরে ফিরবে তারা।
-

দক্ষিণ ভারতের কালিকট,কেরালায়,মেত্রা হাসপাতাল নিয়ে এলো বাংলাদেশে বিনা মূল্যে চিকিৎসা
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
মেত্রা হাসপাতাল দক্ষিণ ভারতের সবচেয়ে উন্নত কোয়াটারারি কেয়ারগুলির মধ্যে একটি
আধুনিক সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল।
জনাব ফয়জল-ই-কোত্তিকোলন মেত্রা হাসপাতালের সভাপতি পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তা, দূরদর্শী শিল্পপতি এবং নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবী।
২০১৭ সালে, মেত্রা হাসপাতাল, কালিকট, কেরালা, দক্ষিণ ভারত বিশ্বব্যাপী মানুষের সেবা করার জন্য শুভ ওষুধের যাত্রা শুরু করেছিল। খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন দেশের চিকিৎসকরা সারা বিশ্বের মানুষকে উন্নত চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। এবং শীঘ্রই, সারা বিশ্ব থেকে মানুষ উচ্চমানের চিকিৎসা সেবা পেতে মেত্রা হাসপাতালে আসেন। সারা বিশ্ব থেকে মানুষ চিকিৎসার জন্য মেত্রা হাসপাতালে আসেন এবং সর্বাধুনিক মানসম্পন্ন চিকিৎসা সেবা ও সব সুযোগ-সুবিধা পান।
মেত্রা হাসপাতাল উন্নত রোগীর যত্নের জন্য একটি ব্যাপক পদ্ধতির নিশ্চিত করার জন্য সমন্বিত নেতৃত্বে চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার বিভাগ, হার্ট-ফুসফুস ট্রান্সপ্ল্যান্ট, প্যানক্রিয়াস ট্রান্সপ্লান্ট, অগ্ন্যাশয় ট্রান্সপ্লান্ট, ছোট অন্ত্র ট্রান্সপ্ল্যান্ট, লিভার-কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট সহ বহু-অঙ্গ প্রতিস্থাপন ইউনিটগুলিকে একীভূত করে। , বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সহ হ্যান্ড ট্রান্সপ্লান্ট, রোবোটিক জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট সার্জিক্যাল সেন্টার, এপিলেপসি-সিজার সার্জারি, সুপার স্পেশালিটি যেমন নিউরোসার্জারি, সিটিভিএস, ইউরোলজি, গাইনোকোলজি,
মেডিকেল-সার্জিক্যাল অনকোলজি, প্লাস্টিক সার্জারি, অর্থোপেডিকস (প্রথাগত মেডিসিন, ট্রান্সপ্লান্ট সহ) চাইনিজ, ন্যাচারোপ্যাথি) সবই এক ছাদের নিচে।
মেত্রা হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট সহ 500 শয্যা রয়েছে। এবং মেইট্রা হসপিটাল সেন্টার অফ এক্সিলেন্স (COEs) নেতৃস্থানীয় সমন্বিত চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার বিভাগ। তারা একসাথে চিকিত্সা উন্নত করে এবং রোগীর যত্নের জন্য একটি ব্যাপক পদ্ধতির নিশ্চিত করে। বিখ্যাত ডাক্তার, অত্যাধুনিক সুবিধা এবং প্রযুক্তি-সক্ষম ক্লিনিকাল অনুশীলন অ্যালির অভিজ্ঞতাকে সংজ্ঞায়িত করে। মেত্রা হাসপাতাল বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টদের একটি বিরামহীন এবং ব্যক্তিগতকৃত স্বাস্থ্যসেবা অভিজ্ঞতা প্রদান করে। মেত্রা হাসপাতাল ইন্টারন্যাশনাল পেশেন্ট সেন্টার ভিসা সহায়তা, ভাষা ব্যাখ্যা, বিমানবন্দর সুবিধা এবং বিশ্বজুড়ে রোগীদের জন্য আরও নিশ্চিত ব্যক্তিগত যত্ন সহ, মেত্রা হাসপাতাল একটি নির্বিঘ্ন স্বাস্থ্যসেবা যাত্রা নিশ্চিত করে।
এদিকে দক্ষিণ ভারতের কেরালার কালিকটের মেত্রা হাসপাতালের ডা. শচীন সুরেশ বাবু
এবং সঙ্গে ছিল
ডাঃ মিধু মাধবন পি.সি
ডঃ সন্দীপ এম.
এবং মিস: উর্বশী কাপুর
সিনিয়র ম্যানেজার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা প্রেসক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন
ডাঃ শচীন সুরেশ বাবু বলেন, এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সহযোগী হাসপাতালের পক্ষ থেকে আমরা শক্তিশালী সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালের টেকনিশিয়ান ও চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কাজ শুরু করেছি। আজ ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে সাংবাদিকদের বক্তৃতায় ড. শচীন সুরেশ বাবু আরও বলেন, মৈত্রের চিকিৎসকরা নিয়মিত স্বাস্থ্য আলোচনা, জ্ঞান আদান-প্রদানের জন্য সিএমই, চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের সাশ্রয়ী মূল্যের চিকিৎসার জন্য ভারতে আসার জন্য বিনামূল্যে পর্যবেক্ষক কর্মসূচি পরিচালনা করবেন। যারা এটি চান তাদের উন্নত চিকিৎসা প্রদান করুন।
মেত্রা হাসপাতাল জ্ঞান ভাগাভাগি করতে এবং ভারতে চিকিৎসার জন্য নিয়মিত CME রোগীদের উন্নততর স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা প্রদান করতে স্বাস্থ্য-কথোপকথনের মাধ্যমে ডাক্তারদের সাথে সহযোগিতা করবে। মেত্রা হাসপাতালের আরেকটি বিশেষ বৈশিনষ্ট্য হল যে উপলব্ধ শয্যাগুলির মধ্যে কিছু অঞ্চলের অভাবী রোগীদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে, যাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা করা হবে। -

নাগরপুরে আওয়ামী লীগের বর্ণাঢ্য র্যালী
মো. আমজাদ হোসেন রতন, নাগরপুর (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বর্ণাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে নাগরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত র্যালীটি সদর বাজারের কাঁচা বাজারসহ গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে নৌকা প্রতিকের মনোনীত প্রার্থী আহসানুল ইসলাম টিটু।
উপজেলা যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ ও মহিলালীগসহ প্রতিটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলে দলে মিশিল নিয়ে বর্ণাঢ্য র্যালীতে অংশ গ্রহণ করে। এসময় উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আনিসুর রহমান আনিস, সহ-সভাপতি একেএম কামরুজ্জামান মনি, অ্যাড. আজহার উদ্দিন, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আব্দুল আলিম দুলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহীদুল ইসলাম অপু, শেখ সামছুল হক, দপ্তর সম্পাদক মো. শাহ্ আলম মিয়া, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. কোহিনুর ইসলাম, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, ত্রাণ ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক মো. উজ্জল হোসেন মোল্লা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. খালিদ হোসেন, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, মামুদনগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জজ কামাল, মোকনা ইউপি চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ, সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. শাহজাহান মিয়া, সাধারন সম্পাদক মো. লিয়াকত শিকদার, যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক আনিসুজ্জামান তুহিন, সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি বাবর আল মামুন, সাধারন সম্পাদক মো. ফারুক হোসেন, ছাত্রলীগের সভাপতি আজিম হোসেন রতন, সাধারন সম্পাদক মো. সজীব মিয়া, যুবলীগ সদস্য হৃদয়সহ উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
র্যালী শেষে দুপুরে ভাদ্রা ও দপ্তিয়র ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আয়োজিত বর্ধিত কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি।
নাগরপুর,টাঙ্গাইল।
-

ঠাকুরগাঁওয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩ সংসদীয় আসনে প্রতীক বরাদ্দ
গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।ঠাকুরগাঁও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠাকুরগাঁও জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে এমপি পদপ্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।জানা যায়,১৮ই ডিসেম্বর সোমবার ২০২৩ ঠাকুরগাঁও জেলার ৩টি আসনে মোট ১৩ জন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে করবেন।তার মধ্যে ঠাকুরগাঁও-০১ আসনে ৪ জন, ঠাকুরগাঁও-০২ আসনে ৫ জন এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ৪ জন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নির্বাচন অ করবেন বলে জানা যায়।জেলা রিটার্নং অফিসে সকাল থেকে তিন ধাপে তিনটি আসনের প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন।ঠাকুরগাঁও-১আসনে ৪জন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।ঠাকুরগাঁও-২ আসনে তিনজন প্রার্থী দলীয় প্রতীকে ও ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে তিনজন দলীয় প্রতীকে ও ১জন স্বতন্ত্র ঈগল পাখি মার্কায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।ঠাকুরগাঁওয়ে তিনটি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৪৫ হাজার ৬০৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৮১ হাজার ৬৮৮ জন ও নারী ভোটার ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৯১২ জন। তিনটি আসনের মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৪১৭ টি।তবে নির্বাচনে কোন আচরণ বিধি লঙ্ঘন হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা যায়।