Blog

  • রাজাবাড়ী ডিগ্রি কলেজে সার্টিফিকেট ও মুঞ্জরী জালিয়াতি করে  ৩ জন শিক্ষকের এমপিওভুক্তি

    রাজাবাড়ী ডিগ্রি কলেজে সার্টিফিকেট ও মুঞ্জরী জালিয়াতি করে ৩ জন শিক্ষকের এমপিওভুক্তি

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রাজবাড়ী ডিগ্রি কলেজে জালসনদ, মুঞ্জরীপত্ জালিয়াতি করে ৩ জন শিক্ষকের এমপিওভুক্তি করেছেন সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিম। বিএনপি পন্থী এ অধ্যক্ষ সরকারকে বিতর্কিত করতে এবং সরকারি অর্থ লুটপাট করতে এ পন্থা অবলম্বন করেছেন বলে এলাকার সচেতন মহল মনে করেন।

    জানা গেছে, ২০০৩ ইং ও ২০০৪ ইং সালে তৎকালীন অধ্যক্ষ রেজাউল করিম মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে প্রভাবিত হয়ে সঙ্গীত বিভাগে শাহীন আক্তার ( ইনডেক্স নং ৩০৭৩১৪১), আরবী বিভাগে প্রভাষক মোঃ সাদিকুল ইসলাম ( ইনডেক্স নং ৩০১১২২০) ইন্সট্রাক্টর এসএম নাজমুস সাদাত (ইনডেক্স নং ৩০১১২২২) জাল সনদ ও মঞ্জুরীপত্র জালিয়াতি করে বেতনভাতার ব্যবস্থা করেন।
    রেজাউল করিম অবসর গ্রহনের পর ২০১৭ ইং সালের ২৪ অগষ্ট অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন মোঃ সেলীম রেজা।

    এর পরপরই ওই তিন শিক্ষকের জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে এবং গর্ভনিং বডির সিদ্ধান্তক্রমে সভাপতি রাজশাহী জেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট শিক্ষক নেতা মোঃ শাহাদুল হক তাদের মুঞ্জরীপত্র জালিয়াতি ও নকল সনদের বিষয়টি লিখিতভাবে জান চান। কিন্তু তারা সঠিক জবাব দিতে না পারায় তাদের বেতন ভাতা স্থগিত রাখা হয়।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শক মোসাঃ ফাহিমা সুলতানার সাথে মোবাইলে কথা বললে তিনি জানান, রাজাবাড়ী ডিগ্রি কলেজের সমস্যাটি দীর্ঘদিনের, মুঞ্জরী নবায়ন বিহীন ৩ জন্য শিক্ষক, জাল সনদধারী একজন শিক্ষকের এমপি ভুক্তির বিষয়টি সহস্যজনক। তারা এমপিও ভুক্তি হতে পারেন না। গর্ভনিং বডির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের ব্যপারে তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা যাচাই বাছাই করে দেখাছি যদি কলেজ প্রশাসনের কোন অসঙ্গি আছে কি না। ওই কলেজের শিক্ষকদের অনিয়ম, দূর্নীতির, সনদ জালিয়াতির ব্যপারে এমপিও ভুক্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দায়ী নয়। তিনি আরও বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড রাজশাহীর কলেজ পরিদর্শক, আমাদের এ ধরনের চিঠি দিতে পরেন না। বিধিমোতাবেক অমরা ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

    উল্লেখ্য মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড রাজশাহী কলেজ পরিদর্শক মোঃ এনামুল হক ( আইডি নং ০১৫২৫৮) স্মারক নং ১/কল/রাজ- ৪২৪/৭০৫ তারিখ ১৪/১২/২০২৩ ইং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক মোসাঃ ফহিমা সুলতানাকে এক পত্র মারফত রাজাবাড়ী ডিগ্রি কলেজের চলমান গভর্ণিং বডির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ করেন।
    গত ১৪/০৯/ ২০১৭ ইং সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ হেলাল উদ্দিন তৎকালীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা অঞ্চল মিরপুর – ১, ঢাকার পরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ ইউসুফকে কলেজের মুঞ্জরী নবায়ন জালিয়াতি করে সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিমের মাধ্যমে জালসনদধারী সঙ্গীত বিভাগের প্রভাষক শাহিন আক্তার, ( ইনডেক্স নং ৩০৭৩১৪১), আরবী বিভাগের প্রভাষক মোঃ সাদিকুল ইসলাম ( ইনডেক্স নং ৩০১১২২০) ইন্সট্রাক্টর এসএম নাজমুস সাদাত (ইনডেক্স নং ৩০১১২২২)
    ৩ জন্য শিক্ষকের বিরুদ্ধে, গত ১৯/১০/২০১৭ ইং ও ২০/১০/২০১৭ তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সরজমিনে তদন্ত করেন প্রফেসার মোহাম্মদ ইউসুফ। ( স্মারকপত্র নং মাউশি, ঢাঅ/তদন্ত/২০১৭/১৫০) তিনি বিধিমোতাবেক তদন্ত প্রতিবেদন শিক্ষাভবনে সহঃ পরিচালক কলেজ – ৩ হেলাল উদ্দিনের নিকট জমাদেন কিন্তু বছরের পর বছর পার হলেও অভিযুক্ত তিন শিক্ষকের এমপিও শীট থেকে নাম কর্তন হয় নি।

    এ ব্যপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রফেসর মোহাম্মদ ইউসুফের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাদের মঞ্জরী নবায়ন জাতিয়াতি ও নকল সনদপত্রের বিষয়ে প্রমান পায় এবং তদন্ত প্রতিবেদন জমা দি বলে জানান। তিনি আরও বলেন, তাদের ধরেন ছাড় দিবেন না। আমি এখন ঢাকা কলেজে কর্মরত আছি।

    সহকারী পরিচালক ( কলেজ- ৩) তপন কুমার দাস এর সাথে এব্যপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযুক্ত ৩ জন শিক্ষকর এমপিও শীট থেকে নাম কর্তন না হওয়ার ব্যপারে তিনি বলেন, প্রতিবেদন দেখে বলবেন বলে জানান।

    রাজাবাড়ী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সেলীম রেজা বলেন, সাবেক অধ্যক্ষ রেজাউল করিম তিন জন শিক্ষকের মুঞ্জরী নবায়ন ছাড়াই নিয়োগ দেন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ভূয়া, অফিসে নিয়োগ ও যোগদান পত্র নেই। তাদের নিয়োগ যোগদানের কোন রেজুলেশন নেই। তাদের ব্যপারে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, রাজশাহী, আঞ্চলিক অফিস, রাজশাহী, দুর্নীতির দমন অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছি, তদন্ত হলেও সে তদন্ত রিপোট শিক্ষভবনসহ বিভিন্ন স্থান থেকে হাওয়া গেছে। প্রভাষক সিরাজুল ইসলাম, উৎপাদন ও বিপনন বিভাগের প্রভাষক আহাদুজ্জামান নাজিমের বিরুদ্ধে স্থায়ী বরখাস্তের জন্য আরবিটিশনে আবেদন করা হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    রাজশাহী কলেজের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আবু হাসনাৎ মোঃ রফিকুল ইসলামের ( ৫৪১১) সাথে যোগাযোগ করা করা হলে তিনি বলেন, বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকায় দেরী হয়ে গেছে, আমি আরও একটি এধরনের বিষয় তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। আমি অধ্যক্ষ সাহেবের সাথে কথা বলেছি আগামী বছর ১৫ থেকে ২০ জানুয়ারির মধ্যেই তদন্ত করে রিপোট দিব। আপনি তদন্ত করতে ভয় পাচ্ছেন, কারো দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছেন, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, মোটেই না।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) দৃশ্যপট পালটে গেছে জাহাঙ্গীর অলম প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ায়, বেকায়দায় নৌকার পার্থী

    কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) দৃশ্যপট পালটে গেছে জাহাঙ্গীর অলম প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ায়, বেকায়দায় নৌকার পার্থী

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,
    নির্বাচনী মাঠে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে অনেকটা নির্ভার ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউছুফ আব্দুল্লাহ হারুন এফসিএ। পর পর গত দুইটি নির্বাাচনে এ আসন থেকে জয়লাভ করে এমপি হন তিনি। এবারও নৌকার মনোনয়ন পেয়ে সবার আগে তৎপরতা শুরু করেন তিনি।
    এই আসনে নৌকার একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ইউছুফ আব্দুল্লাহর সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীতায় টিকে যান কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকার। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের স্বাক্ষরযুক্ত তালিকায় গরমিলের অভিযোগে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হলে ইউছুফ আব্দুল্লাহ হারুন ও তাঁর অনুসারীরা অনেকটা নির্ভার হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু গত মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের মাধ্যমে জাহাঙ্গীর আলম সরকার প্রার্থীতা ফিরে পেলে আসনটির দৃশ্যপট বদলে যায়।
    এখন সহজেই ইউছুফ আব্দুল্লাহ হারুন নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে পারবেন না বলে জানিয়েছে সাধারণ ভোটার ও দলীয় কর্মীরা।
    সাধারণ ভোটাররা জানান, জাহাঙ্গীর আলম সরকার প্রার্থীতা ফিরে পেয়ে মাঠে নামায় তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনাকল্পনা। চাপে পড়েছেন নৌকার প্রার্থী দুইবারের সংসদ সদস্য ইউছুফ আব্দুল্লাহ হারুন। সবসময় জাহাঙ্গীর আলম সরকার ও তার পরিবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও সাধারন মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে মন জয় করায় জাহাঙ্গীর আলম রয়েছে শক্ত অবস্থানে।
    চাপিতলা গ্রামের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী ফয়সাল বলেন, এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই হবে। জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে নিয়ে মানুষ নতুন করে ভাবছে। এক সময়ের এমপির ইউছুফ আব্দুল্লাহার অনুসারীদের এখন জাহাঙ্গীর আলমের সাথে দেখা যাচ্ছে।
    আসনটিতে ইউছুফ আব্দুল্লাহ হারুন ও জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে ছাড়াও মোট ১১ জন প্রার্থী রয়েছেন।
    নির্বাচনে লড়াই প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম সরকার বলেন, আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল; তা ফিরে পেয়েছি। সাধারণ মানোষের মাঝে যে উচ্ছ্বাস দেখতেছি, তা আমার নির্বাচনের জন্য নিয়ামক। লড়াইয়ে সাধারণ মানুষই আমার শক্তি। কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের ২৭ বছর সাধারন সম্পাদক ছিলাম এবং দলের জন্য অনেক কাজ করেছি। তাই আওয়ামীলীগেরে নেতারাও আমার সাথে রয়েছে। অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচন হলে বিপুল ভোটে আমি জয়লাভ করব ইনশাআল্লাহ।

  • চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলা সীমান্ত ইউনিয়নে ভুট্টা ক্ষেতের মধ্যে গলা কা*টা লা*শ উদ্ধার

    চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলা সীমান্ত ইউনিয়নে ভুট্টা ক্ষেতের মধ্যে গলা কা*টা লা*শ উদ্ধার

    আল আমিন মোল্লা
    চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার ৪ নাম্বার সীমান্ত ইউনিয়ন গোয়ালপাড়া বাজারের পাশে ভুট্টা ক্ষেতের মধ্যে দিন দুপুরে একটি গলাকাটা লাশ উদ্ধার হয়।

    এদিকে তথ্যসূত্রে জানা গেছে, জীবননগর উপজেলার ৪ নাম্বার সীমান্ত ইউনিয়ন গোয়ালপাড়া গ্রামের ইকবাল হোসেনের বড় মেয়ে মরিয়ম (৮)তাকে ধর্ষণের পর কে বা কারা হত্যা করে লাশ ভুট্টা ক্ষেতের মধ্যে ফেলে পালিয়ে গেছে।

    এদিকে জানা গেছে ভুট্টা ক্ষেতের মালিক।জীবননগর উপজেলার ৪ নাম্বার সীমান্ত ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামের আলতাফ ময়রার ছেলে আলী হোসেনের।

    এলাকাবাসীকে জানিয়েছেন।ইকবাল হোসেনের তিন কন্যা সে তার সন্তানদের নিয়ে অতি কষ্টে জীবন যাপন করেন।গৃহ পালিত পশু ছাগলের ঘাস বন কাটার জন্য বাড়ির আশেপাশে মাঝে মধ্যে জান। ইকবাল হোসেনের তিন কন্যা মধ্যে বড় মেয়ে মরিয়ম বেগম। মেজ মেয়ে আছিয়া বেগম । এবং ছোট মেয়ে হালিমা বেগম।এদিকে মরিয়ম বেগমের মেজ বোন।

    ,আছিয়া বেগম বলেন।আমি আর আমার বড় বোন মরিয়ম বেগম।গতকাল ছাগলের ঘাস কাটার জন্য এই দিকে আসছিলাম।আমার বড় বোন মরিয়ম বেগমেকে।একটা ছেলে বলছিল ভুট্টা ক্ষেতের মধ্যে যায়ার জন্য।আমারা তাকে ঠিক চিনি না ছেলেটির মুখে একটা তিলক চিহ্ন বা আচলি চিহ্ন আছে।আমি তাকে দেখলে চিনতে পারবো।

  • থানচিতে ৩৮ বিজিবি জোন কমান্ডার সাথে রামদু পাড়া ব্যাপ্তিস্ট চার্চের “শুভ বড়দিন শুভেচ্ছা” বিনিময় করেন

    থানচিতে ৩৮ বিজিবি জোন কমান্ডার সাথে রামদু পাড়া ব্যাপ্তিস্ট চার্চের “শুভ বড়দিন শুভেচ্ছা” বিনিময় করেন

    থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি: মথি ত্রিপুরা।

    বান্দরবানের থানচিতে বলিপাড়া জোন কমান্ডার সাথে রামদু পাড়া স্থানীয় ব্যাপ্তিস্ট চার্চের” শুভ বড়দিন শুভেচ্ছা ” বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎকার করেন।

    বৃহস্পতিবার (২১ডিসেম্বর) দুপুরের থানচি উপজেলা বলিপাড়া ৩৮ বিজিবি সার্বিক ব্যবস্হাপনার জোন সদরে বিএ-৬৩৮৩ লে: কর্ণেল তৈমুর হাসান খানঁ পিএসসি. এসি জোন কমান্ডার এর সাথে রামদু পাড়া স্থানীয় ব্যাপ্তিস্ট চার্চের “২৫ শে ডিসেম্বর শুভ বড়দিন শুভেচ্ছা বিনিময় ও সৌজন্যে সাক্ষাৎকার করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, ০৪ নং গালেংগ্যা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি -যোগেশ ত্রিপুরা, রামদু পাড়া কারবারি- দমশিংহা ত্রিপুরা, রামদু পাড়া স্হানীয় ব্যাপ্তিস্ট চার্চের পাস্টর – বীরবাহাদূর ত্রিপুরা, থানচি প্রেস ক্লাব প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক-মথি ত্রিপুরা, রামদু পাড়া বাসী অলিন্দ্র ত্রিপুরা, যীশুরাম ত্রিপুরা, বীরবাহাদূর ত্রিপুরা, জনবাহাদুর ত্রিপুরা, মল্লিকা ত্রিপুরা, সৌরশী ত্রিপুরা, জয়নাতি ত্রিপুরা, ও মনিকা ত্রিপুরা উপস্থিত ছিলেন।

    . তিনি বলেন, আসন্ন ২৫ শে ডিসেম্বর শুভ বড়দিন প্রভু যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন উপলক্ষে সারাবিশ্বের শহরের গ্রামাঞ্চলে প্রতিটি গীর্জায় এই দিনটিকে পালন করা হবে।এই উৎসব খ্রিস্টান ধর্মালম্বীদের প্রধান উৎসব। তিনি সকল খ্রিষ্টান ধর্মীয় বিশ্বাসীদের আসন্ন শুভ বড়দিন শুভেচ্ছা জানান।যার যার ধর্মের সুস্হ সুশৃংখল স্বাধীনভাবে পালন করা আশ্বাস দেন তিনি।

  • গোদাগাড়ীতে বিশ লাখ টাকার হেরোইনসহ শীর্ষ মাদক সম্রাট রকিবুরকে গ্রে*ফতার

    গোদাগাড়ীতে বিশ লাখ টাকার হেরোইনসহ শীর্ষ মাদক সম্রাট রকিবুরকে গ্রে*ফতার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিশ লাখ টাকার হেরোইনসহ শীর্ষ
    মাদক সম্রাট রকিবুরকে গ্রেফতার করেছে গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোদাগাড়ী থানাধীন পৌর এলাকার রেলবাজার পদ্মা নদীর ঘাট সংলগ্ন রকিবুরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২০০ গ্রাম হিরোইনসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে গোদাগাড়ী থানা পুলিশ ।

    গ্রেপ্তারকৃত হলেন- গোদাগাড়ী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বারুইপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল জাব্বার এর ছেলে মোঃ রকিবুর ইসলাম (৪৭) ও বরিশালের মোঃ মাহবুব ইসলাম।

    গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মতিন জানান, রকিবুরের বাড়িতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মৃত আব্দুল জাব্বার এর ছেলে মোঃ রকিবুর ইসলামকে হিরোইনসহ গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার বাড়ি থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকার ২০০ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গোদাগাড়ী থানায় দুইজনের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করা হয়।

    রকিবুর ইসলাম রাজশাহীর গোদাগাড়ীর অন্যতম শীর্ষ মাদক সম্রাট। রাজধানী ঢাকায় আছে তার আলিশান বাড়ি, বিলাসবহুল গাড়ি, গোদাগাড়ীতে আছে তার দুইটি কোটি টাকার বাড়ি, বড় দালান মার্কেট তার আছে দুই স্ত্রী একটি ঢাকায়, আরেকটি থাকে গোদাগাড়ীতে। এই মাদক সম্রাট রকিবুরের রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় চলে তার মাদকের ব্যাবসা। তিনি বহুদিন হতে নানা কৌশলে আইনশৃঙ্খলা বাহনীকে ফাঁকি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছিল তার অবৈধ মাদকের রমরমা ব্যবসা। অবশেষে তিনি হিরোইনসহ ধরা পরলো গোদাগাড়ী থানা পুলিশের জালে। তার গ্রেফতারের খবর প্রচার হওয়ার সাথে সাথে গোদাগাড়ী, মাদারপুর, মহিশালবাড়ী, রেলবাজার, শিবসাগর, রেলগেট, হাটপাড়া, পিরিজপুর, প্রেমতলী সুলতানগঞ্জ, সারাংপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রশাসনের তালিকাভুক্ত মাদকব্যবসায়ী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে কেউ কেউ নৌকাযোগে পদ্মানদীর ওপারে চরে চলে গেছেন।

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাজশাহী।

  • গৌরনদীতে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী পথসভা ও লিফলেট বিতরণ

    গৌরনদীতে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী পথসভা ও লিফলেট বিতরণ

    কে এম সোহেব জুয়েল :আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বরিশাল ১ – গৌরনদী – আগৈলঝাড়া -আসনের নির্বাচনী এলাকা সরিকলে বাংলাদেশ আ’লীগ মনোনীত নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এর নির্বাচনী পথসভার মধ্য দিয়ে লিফলেট বিতরণের কার্যক্রম লক্ষ্য করা গেছে।

    এসময় আ’লীগ প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এর সমর্থনে আ’লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার কয়েক শতাধিক পুরুষ নির্বাচনী পথ সভায় যোগদানর মধ্য দিয়ে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করন।

    বৃহশপতিবার সকাল ১০ টায় গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের সরিকল বন্দরের আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসের সামনে থেকে পথযাত্রা করে ইউনিয়নের হোসনাবাদ, নলগোরা মেয়ারচর কুড়ির চর শাহাজিরা সাকোকাঠি এলাকা ঘুরে সরিকল দলিয় অফিসে ফিরে এসে সামনের নির্বাচনি দিন গুলির কার্যক্রম সম্পকে আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক ও বীরমুক্তিযোদ্ধা মো: জাহাঙ্গীর হোসেন মোল্লার আয়োজনে পথ সভায় উপস্থিত ছিলেন সরিকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি মো: ফারুখ হোসেন মোল্লা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বীরমুক্তিযোদ্ধা মেজবাহ উদ্দিন আকন, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্মাদক মো : রেজাউল করিম টিটু, ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি জানেআলম, সহসভাপতি মো: ইলিয়াচ মিয়া ছাত্রলীগ সাধারনসম্পাদক মো: আজিজুল হক হাওলাদার প্রমুখ।

    এ সময় উপস্থিতিরা বলেন, আগামী ০৭ জানুয়ারী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মানে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের মনোনীত তৃতীয় বারের মতো নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে পূর্ণরায় নির্বাচিত করে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে সকলকে আহবান জানিয়েছেন উপস্থিতিতিরা।

  • বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনায় বাংলায় সোনার ময়মনসিংহ গড়তে চাই- সিআইপি শামীম

    বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনায় বাংলায় সোনার ময়মনসিংহ গড়তে চাই- সিআইপি শামীম

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, এফবিসিসিআই এর সাবেক পরিচালক, চেম্বার অব কমার্স ময়মনসিংহের সভাপতি, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল হক শামীম সিআইপি বলেছেন- বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার অন্তর্ভুক্ত সোনার ময়মনসিংহ গড়ার লক্ষে নির্বাচনে মাঠে নেমেছি। আগামী দিনে ময়মনসিংহ কে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় অন্তর্ভুক্ত করতে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ট্রাক প্রতীকের বিজয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে
    তিনি বলেন, ‘আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাবো। বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ এর অন্তর্গত ময়মনসিংহ গড়তে তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করার সুযোগ চেয়ে সিআইপি শামীম বলেন, একটি উন্নত ও আধুনিক দেশ গড়তে সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থার দরকার। বর্তমান সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থা গড়ে তুলছে। ময়মনসিংহ-৪ আসনেও এ ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে সকলের সহযোগীতা চাই।

    বৃহস্পতিবার (২১শে ডিসেম্বর)বিকালে নগরীর অনুভব কমিউনিটি সেন্টারে আবির্ভাব সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত চিরগৌরবে সমুজ্জ্বল দিন মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ ইকরামুল হক টিটু, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম।

    আমিনুল হক শামীম বলেন-মহান বিজয় দিবস বাঙালি জাতির জীবনে এক বহু আকাঙ্ক্ষিত অর্জন। বাংলার সূর্যসন্তান যেসকল মুক্তিযোদ্ধার প্রাণ ও ত্যাগের বিনিময়ে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে বাঙালি জাতি তাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বিজয়ের এই মাসে অশেষ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সকল বীর মুক্তিসেনাদের শ্রদ্ধার স্মরণ করেন। তিনি তার বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে যে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে মুক্তিযোদ্ধারা নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশের বিজয় ছিনিয়ে এনে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন স্বাধীন দেশে সেই স্বপ্নের সোনার বাংলার প্রতিফলন দেখানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ট্রাক প্রতীকে ভোট দিয়ে পাশে থাকতে
    উপস্থিত সকলের প্রতি আহবান জানান স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল হক শামীম সিআইপি।

    বিশেষ অতিথির আসনে ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল এবং আরো উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনসমূহের সম্মানিত নেতৃবৃন্দ।

    আবির্ভাব সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের সভাপতি মোঃ গোলাম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে
    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সম্মানিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা ও তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ।

  • বিরামপুরে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী পথসভায় জনতার ঢল

    বিরামপুরে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী পথসভায় জনতার ঢল

    জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দিনাজপুর-৬ আসনের নির্বাচনী উপজেলা বিরামপুরে বাংলাদেশ আ’লীগ মনোনীত নৌকা প্রতিকের প্রার্থী শিবলী সাদিক-এর নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় আ’লীগ প্রার্থী শিবলী সাদিক-এর সমর্থনে আ’লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার হাজারও নারী-পুরুষের ঢল নামে নির্বাচনী পথ সভায়।

    বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বিরামপুর পৌরসভার সামনে পৌর মেয়র অধ্যক্ষ আককাস আলীর আয়োজনে ও উপজেলা আ’লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু শীবেশ কুন্ডুর সভাপতিত্বে, পথ সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর-৬ আসনের টানা দুইবারের সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী শিবলী সাদিক।

    উপজেলা আ’লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক সেলিম রানার সঞ্চালনায় পথ সভায় বক্তব্য রাখেন, পৌর মেয়র আককাস আলী, উপজেলা আ’লীগের সাবেক সহ-সভাপতি নাড়ু গোপাল কুন্ডু, কৃষক লীগের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ মেসবাউল হক, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, আ’লীগ নেতা মাহবুর রহমান হান্না, যুবলীগ নেতা সাহেদ আলী সরকার, সেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক মেজবাউল ইসলাম প্রমুখ।

    বক্তারা বলেন, আগামী ০৭ জানুয়ারী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের মনোনীত তৃতীয় বারের মতো নৌকা প্রতিকের প্রার্থী শিবলী সাদিককে পূর্ণরায় নির্বাচিত করে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রেখে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে দলমত নির্বিশেষে পূর্ণরায় নৌকা প্রতিককের বিজয় নিশ্চিত করার আহবান জানান।

    সভায় উপজেলা আ’লীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও সমর্থকবৃন্দসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এসময় নৌকা মার্কার স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে উঠে পথসভা। বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল ও ঢাক-ঢোল পিটিয়ে পথ সভায় যোগ দেন কর্মী সমর্থকরা।

    জাকিরুল ইসলাম জাকির
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • ঢাকা জেলার ৭ম বারের মতো সেরা করদাতা সম্মাননা পুরস্কার পেলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রোমান ভুঁইয়া

    ঢাকা জেলার ৭ম বারের মতো সেরা করদাতা সম্মাননা পুরস্কার পেলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রোমান ভুঁইয়া

    হেলাল শেখঃ ঢাকার ঢাকা জেলার ৭ম বারের মতো আবারও সেরা করদাতা পেলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব মোঃ তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া।
    বুধবার (২০ ডিসেম্বর ২০২৩ইং) বিকেলে ঢাকা জেলার সেরা করদাতা হিসেবে আবারও সম্মাননা পুরস্কার পেয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া। তিনি বলেন, আবার বার্তা হলো, আলহাদুলিল্লাহ, ৭ম বার সেরা করদাতা (ঢাকা জেলা) সম্মাননা পুরস্কার পেলাম। শুকরিয়া মহান আল্লাহর কাছে। সেই সাথে আমার প্রিয় কর্মকর্তা কর্মচারী ও শুভাকাংক্ষী প্রিয় ভাই বন্ধুসহ সবাইকে ধন্যবাদ। সেই সাথে সবার প্রতি দোয়া ও শুভকামনা রইলো। পরিশেষে সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করেন মানবতার ফেরিওয়ালা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক, আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া।
    বিশেষ করে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রোমান ভুঁইয়া তাঁর ব্যবসার ব্যাপারে বলেন, আমি ব্যবসায়ী হিসেবে সরকারকে কখনো করফাঁকি দেইনি, আমি সততার সাথে ব্যবসা করি, আমার ব্যবসার শুরু থেকে পর্যায়ক্রমে ব্যবসা যখন বড় হচ্ছে-সেই থেকে কখনো করফাঁকি দেওয়ার চিন্তা মাথায় ঢোকেনি, ব্যবসা শুরু করার পরের বছর থেকেই আমি নিজে আয়করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করি। তিনি আরো বলেন, আমার ব্যবসা যতো এগিয়েছে, কর দেওয়া ততটাই বাড়িয়েছি। তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া আরো বলেন, আমি ২০১৬ সালে প্রথমবার ঢাকা জেলার সেরা করদাতা হিসেবে সম্মাননা স্মারক পাই, এরপর ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯, ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সাল এবং বর্তমান ২০২৩ সালে বিজয়ের মাসে আবারও ৭ম বারের মতো ঢাকা জেলা সেরা করদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সম্মান অর্জন করেছি, এই সম্মান আল্লাহর দান ও মানুষের দোয়ায় আজ আমি সম্মানিত হতে পেরে আনন্দিত। আমি মনে করি আমাদের কাউকে কখনোই রাষ্ট্রের সঙ্গে বেঈমানি করা উচিৎ না।
    তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া একজন ভালো মানুষ, তিনি সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলেন, তাঁর ভেতরে কোনো অহংকার নাই। এই মানুষটি অনেক কষ্টে সততার সাথে ব্যবসা করে এখন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হয়েছেন। (বন্ধন ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড সাপ্লাইয়ার নায়ফা ট্রেড বিডি ও গ্লোরী ডিস্ট্রিটিং কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী) আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া। তিনি ব্যবসায়ীসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, সেই সাথে তাঁর দুই মেয়ে, এক ছেলে ও পরিবারের সকলের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

  • রাজশাহী-১ আসনে এগিয়ে ফারুক চৌধুরী

    রাজশাহী-১ আসনে এগিয়ে ফারুক চৌধুরী

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী (নৌকা) প্রতিক নিয়ে বিজয়ী হবার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। বিএনপি নির্বাচনে না থাকায় এখানে ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে শক্ত প্রতিদন্দীতা করার মতো তেমন কোনো নেতৃত্ব নাই বলে মনে করছেন ভোটারগণ।
    জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনে আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক চৌধুরী (নৌকা), বিএনএমের শামসুজ্জোহা (নোঙর), বিএনএফের আল-সাআদ (টেলিভিশন), তৃণমূল বিএনপির জামাল খান দুদু (সোনালী আঁশ), এনপিপির নুরুন্নেসা (আম), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের বশির আহমেদ (ছড়ি), জাতীয় পার্টির শামসুদ্দীন (লাঙল), মাহিয়া মাহি (ট্রাক) ও গোলাম রাব্বানী (কাঁচি) প্রতীক মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদন্দীতা করছেন।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী জমিদার ও শহীদ পরিবারের সন্তান। তার বাবা শহীদ আজিজুল হক চৌধুরী ও মামা জাতীয় চার নেতার অন্যতম বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান হেনা। ফারুক চৌধুরী ৮০ দশকের সিআইপি, একটানা তিনবারের সাংসদ, একবারের প্রতিমন্ত্রী, ছিলেন রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এবং রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদক। একাধিকবার হয়েছেন জেলার সর্বোচ্চ স্বচ্ছ আয়কর দাতা।
    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল এবার নির্বাচনে ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে অন্যদের তুলনা করতেই নারাজ। কারণ হিসেবে বলছে, এমপি ফারুক চৌধুরী তার দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের রাজনৈতিক জীবনে তানোর-গোদাগাড়ী থেকে তিনি প্রতিদিন যদি ৫ জন করে মানুষের উপকার করে থাকেন, তাহলে ৩৬৫ দিনে ১৮২৫ জন এবং ২০ বছরে ৩৬ হাজার ৫০০ জন মানুষের সরাসরি উপকার করেছেন। তাহলে উপকারভোগী এই মানুষগুলো তো এখানো এমপির পক্ষে মাঠে আছে। এমপির জন্য জীবন বাজি রেখে তারা কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়াও এই আসনের দুটি উপজেলা, ৪টি পৌরসভা এবং ১৬টি ইউনিয়নের (ইউপি) আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রতিটি ওয়ার্ডের সাংগঠনিক নেতাকর্মী ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে রয়েছেন।
    অথচ তার বিপরীতে গোলাম রাব্বানী দুইবার দলীয় মনোনয়নে উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির দুর্বল প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন।এমনকি দলে সভাপতি পদ ধরে রাখতে ব্যর্থ ও মুন্ডুমালা পৌর নির্বাচনে পরাজিত হবার শঙ্কায় প্রার্থী হতে পারেননি। স্থানীয়রা জানান, এমপি ফারুক চৌধুরীর আর্শিবাদে তিনি দুবার মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র হয়েছেন। তার দশ বছর সময়ে মুন্ডুমালা পৌর এলাকায় দৃশ্যমান তেমন কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। পৌরভবন ছিলো আকুন্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। এমনকি নিয়োগ বাণিজ্যের কাহিনি সবার জানা। একটি পদের বিপরীতে একাধিক ব্যক্তির কাছে টাকা নেয়া হয়। কিন্ত্ত একজনের চাকরি হয় বাকিদের চাকরি না হলেও তারা টাকা ফেরত পায়নি। এছাড়াও তিনি দুবার বার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান ছিলেন। ওই সময় তার সালিশ বাণিজ্যে, ইলামদহী হাট উন্নয়নে নয়ছয়ের খবর মানুষের মুখে মুখে প্রচার আছে বলে আলোচনা রয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো যে ব্যক্তি ক্ষমতাসীন দলের মেয়র থাকার পরেও মুন্ডুমালা পৌরসভার মতো ছোট জায়গায় উন্নয়নে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি কি ভাবে আয়তনের দিক দিয়ে দেশের অষ্টম বড় নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন করবেন। আবার কি বিবেচনায় সাধারণ মানুষ তাকে বা তার কথা বিশ্বাস করবেন।
    অন্যদিকে মাহীয়া মাহীকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে, এমপি নির্বাচনে বিজয়ী তো পরের কথা শক্ত প্রতিদন্দীতা করার মতো সামর্থ্য তার নাই। ওদিকে অন্যরা আলোচনাতেই নাই। সকল প্রার্থীর আমল নামা বিচার-বিশ্লেষণ করা হলে কে যোগ্য এবং কাকে ভোট দেয়া প্রয়োজন বুকে হাত রেখে নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করলেই উত্তর পাওয়া যাবে। অভিজ্ঞ মহলের ভাষ্য এসব বিবেচনায় পরিক্ষিত ও আদর্শিক নেতৃত্ব ফারুক চৌধুরীর বিজয় প্রায় নিশ্চিত।
    রাজশাহী-১ আসনে ৪টি পৌরসভা ও ১৬ টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৪০ হাজার ২১৮ জন। দুই উপজেলা মিলে ভোটকেন্দ্র ১৫৮টি। ভোটকেন্দ্রের কক্ষের সংখ্যা ৯৯৪ টি। অস্থায়ী ভোট কক্ষের ৫১ টি। নতুন ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৩ টি। এআসনে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৯ হাজার ৬৫৩ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬৪ জন। একজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন।#