Blog

  • নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর বারইপাড়া সেতুর ব‍্যয় বেড়েছে ৫৪ কোটি টাকা। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে

    নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর বারইপাড়া সেতুর ব‍্যয় বেড়েছে ৫৪ কোটি টাকা। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//
    নড়াইলের বারইপাড়া সেতুর নকশা পরিবর্তন ব‍্যয় বেড়েছে ৫৪ কোটি টাকা। নড়াইল সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নড়াইলের কালিয়ায় নবগঙ্গা নদীর ওপর ৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৫১ দশমিক ৮৩ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থের বারইপাড়া সেতু নির্মাণকাজ ২০১৭ সালে শুরু করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। তবে তিনবার মেয়াদ বাড়িয়েও কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণ করছেন যশোরের ঠিকাদার মো. মইনুদ্দীন বাসী ও মো. জামিল ইকবাল। শেষ সময়ে অর্থাৎ চতুর্থবার মেয়াদ বৃদ্ধির সময় বাঁধে নকশা জটিলতা। সেতুর কিছু অংশ নির্মাণ শেষে দেখা যায়, নিচ দিয়ে নৌযান চলাচল করতে পারছে না। পরে নতুন নকশা অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ব্যয় বাড়ে ৫৪ কোটি টাকা। প্রকল্পটি একনেক সভায় উঠলে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তাদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সেতুর নকশা করার সময় নৌযান চলাচলে যাতে বিঘ্ন না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখার নির্দেশ দেন।
    এ বিষয়ে নড়াইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে সেতু নির্মাণে বিলম্ব হয়েছে। প্রথমে যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল, সে অনুযায়ী কাজ ২০২২ সালের জুনে ঠিকাদার শেষ করেছেন। নতুন করে নকশা পরিবর্তন হওয়ায় আবারো দরপত্র আহ্বান করা হবে।’ দ্রুত সময়ের মধ্যে দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়া এবং কাজটি শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
    স্থানীয় বাসিন্দারা, এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে জানান, নবগঙ্গা নদীটি নড়াইল সদর এবং কালিয়া উপজেলাকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। সেতুর দুই পাড়ের বাসিন্দাদের পারাপারে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। নদীর একপাশে রয়েছে আটটি অন্যপাশে ছয়টি ইউনিয়ন। জেলা সদরের সঙ্গে কালিয়া উপজেলার সরাসরি যোগাযোগের কোনো মাধ্যম নেই। সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে কালিয়ার বারইপাড়া ঘাটে সেতু নির্মাণ তাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। পাঁচ বছর আগে সামান্য কয়েকজন শ্রমিক দিয়ে প্রকল্প এলাকায় কাজ করানো হয়। নকশা জটিলতায় শুরুর দিকে বেশ কিছুদিন কাজ বন্ধ ছিল। সেতুর কিছু অংশে ঢালাই দেয়ার পর দেখা যায় নিচ দিয়ে নৌযান চলাচল করতে পারছে না। এরপর দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ রয়েছে। তবে ভোগান্তি নিরসনে দ্রুত কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
    লতিফ মিয়া জানান, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ বারইপাড়া ঘাট দিয়ে নদী পার হয়ে অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ, হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে যাতায়াত করছে। যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় এখানে গড়ে ওঠেনি কোনো শিল্প-কারখানা।
    কালিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র মুশফিকুর রহমান লিটন জানান, জরুরি প্রয়োজনে থানা থেকে পুলিশ ঠিক সময়ে আসতে পারে না। আগুন লাগলে দ্রুত পৌঁছাতে পারে না ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও জরুরি রোগী পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স। ঘাটে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় নদী পার হওয়ার জন্য। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সরজমিন দেখা গেছে, নির্মাণাধীন সেতুর পাশে খেয়াঘাট দিয়ে অসংখ্য মানুষ প্রতিনিয়ত পারাপার হচ্ছে। একটি মোটরসাইকেল নৌকায় তুলছেন তিন-চারজনের সহযোগিতায়। মূল সেতুর দুই পাশের কাজ শেষ হয়েছে। সেতুর মাঝের অংশের কাজ বাকি। নদীর মাঝখানে কয়েকটি পিলার দাঁড়িয়ে আছে। সেতুর দুই পাশে ঢালাইয়ের কাজ শেষ হলেও মাঝে ঢালাইয়ের কাজ এখনো শেষ হয়নি। দুই পাশে সংযোগ সড়কের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে।
    নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা জানান, শুরুর দিকে সেতুর নকশা জটিলতার কারণে নির্মাণকাজ দুই-তিন মাস বিলম্ব হয়েছে। পরবর্তী সময়ে আবারো নকশা জটিলতার জন্য কাজ বন্ধ রয়েছে। নতুন করে টেন্ডার হবে। যারা কাজ পাবে তারা বাকিটা শেষ করবে। দুবার নকশা পরিবর্তন এবং কভিডের সময়ে কাজ বন্ধ থাকায় প্রকল্পে ধীর গতি ছিল।
    এ প্রসঙ্গে নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তি বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে কাজ শেষ হয়নি। নতুন করে সেতুর নকশা করা হয়েছে। ব্যয় বেড়েছে ৫৪ কোটি টাকা। প্রকল্পটি একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে।

  • শৈলকুপার ভোটরঙ্গ “ফুলকপি যখন ট্রাকে”

    শৈলকুপার ভোটরঙ্গ “ফুলকপি যখন ট্রাকে”

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    খবরের শিরোনাম দেখে অনেকেই ভাবতে পারেন ফুলকপি হয়তো ট্রাকে বহন করা হচ্ছে। আসলে বিষয়টি তেমন নয়। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা উপজেলা) আসনে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতিক ফুলকপি ও ট্রাক। প্রতিদ্বিন্দি এই দুই প্রার্থী আবার স্বামী-স্ত্রীও। ভোটের লড়াইয়ে স্বামী-স্ত্রী মাঠে নামলেও, ভোট চাওয়ার কৌশল ভিন্ন। এই দুই প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী হলেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি স্বতন্ত প্রার্থী নজরুল ইসলাম দুলাল ও তার স্ত্রী মুনিয়া আফরিন। নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ট্রাক প্রতীক। অন্যদিকে স্ত্রী মুনিয়া আফরিনের প্রতীক ‘ফুলকপি’। নির্বাচন প্রচারাভিযানে দেখা যায় নিজে প্রার্থী হলেও স্বামী নজরুল ইসলাম দুলালের পক্ষে ভোট চাইছেন স্ত্রী মুনিয়া আফরিন। দিনরাত করছেন উঠান বৈঠক। স্বামীর পক্ষে ভোট চাওয়া স্ত্রী মুনিয়া আফরিনের এমন কিছু ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। শৈলকুপার কাঁচেরকোল এলাকায় দেখা যায় স্বামীর ট্রাক প্রতীকের পোস্টার বিলি করে ভোট চাচ্ছেন মুনিয়া আফরিন। তাতে দেখা যায় মুনিয়া স্বামীর ট্রাক প্রতিক প্রদর্শন করে পোজ দিচ্ছেন। লাঙ্গলবাঁধ এলঅকার রহিমা বেগম নামে এক নারী জানান, মুনিয়া নিজে প্রার্থী তবুও স্বামী নজরুল ইসলামের জন্য ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন স্ত্রী। এটা আমার কাছে ভালো লেগেছে। কমলা বানু নামে ধলহরাচন্দ্র এলাকার এক গৃহবধু জানান, স্বামীর প্রতি মুনিয়ার এই ভালোবাসা ও প্রার্থীতা কোরবানীর দৃশ্য ভোটারদের সাড়া জাগিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুনিয়া আফরিন জানান, ‘আমি নিজের জন্য প্রচারণা করছি, সঙ্গে স্বামীর পক্ষেও। প্রথম দিনে শৈলকুপার ভাটই এলাকায় নারীদের কাছে স্বামীর জন্য ভোট চেয়েছি। শৈলকুপার হাবিবপুর গ্রামে করেছি উঠান বৈঠক’। তিনি বলেন, ‘স্ত্রী হিসেবে আমার দায়িত্ব আছে। আমি নিজের পাশাপাশি স্বামীর জন্যও মানুষের কাছে যাচ্ছি। ভোটাররা যাকে পছন্দ করবেন তাকেই ভোট দেবেন। কেননা শৈলকুপার ভোটাররা পরিবর্তন চাই।’ তাই পরিবর্তনের জন্য আমি এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে মাঠে নেমেছে। এদিকে নিজে প্রার্থী হয়ে স্বামীর পক্ষে স্ত্রীর এই প্রচরণা শৈলকুপা জুড়ে বেশ আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে। গ্রামে গ্রামে মহিলা ভোটাররা মুনিয়াকে বেশ ভালো ভাবেই বরণ করে নিচ্ছেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • রাজশাহী-১ আসনে নৌকাবিরোধী প্রচারণা তৃণমূল বিক্ষুব্ধ

    রাজশাহী-১ আসনে নৌকাবিরোধী প্রচারণা তৃণমূল বিক্ষুব্ধ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীর বিরুদ্ধে নৌকার প্রার্থী এমপি ফারুক চৌধুরী তথা নৌকাবিরোধী প্রচারণার অভিযোগ উঠেছে। এতে আওয়ামী লীগের তৃণমূলে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়, বইছে মুখরুচোক নানা গুঞ্জন, প্রার্থীর সামাজিক মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও ভোটারদের মাঝে মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
    সচেতন মহলের ভাষ্য, গণতান্ত্রিক দেশে যেকোনো ব্যক্তি যেকোনো নির্বাচনে প্রতিদন্দীতা করতেই পারেন, এতে দোষের কিছু নাই। কিন্ত্ত প্রার্থী যখন নিজের যোগ্যতা বা সামাজিক মর্যাদার কথা তুলে না ধরে প্রতিপক্ষ প্রার্থীকে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা তাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে প্রচারণা করে তখন সেটা অনৈতিক ও শিষ্টাচার বহির্ভূত হয়। তখন সেই প্রার্থীর যোগ্যতা ও সামাজিক মর্যাদা নিয়েই জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিদ্রোহী এক প্রার্থী নিজেকে আওয়ামী লীগের লোক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণায় বলছেন, বিগত ১৫ বছর এই আসনে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। তিনি উন্নয়নের জন্য এসেছেন, নির্বাচিত হলে ৫ বছরে তিনি বিগত ১৫ বছরের থেকে বেশী উন্নয়ন করবেন। এখন প্রশ্ন হলো তিনি আওয়ামী লীগের লোক হয়ে কি করে বলেন, আওয়ামী লীগ ১৫ বছরে কোনো উন্নয়ন করতে পারেনি, এটাতো সরাসরি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বলা। আবার আওয়ামী ১৫ বছরে উন্নয়ন করতে পারেনি তাহলে আওয়ামী লীগে থেকে তিনি ৫ বছরে কিভাবে গত ১৫ বছরের থেকে বেশী উন্নয়ন করবেন, আর মানুষ তার কথা কেনো বিশ্বাস করবে ? তাহলে নির্বাচনী এলাকায় দুটি সরকারি কলেজ, দুটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয, দুটি মডেল উচ্চ বিদ্যালয, দেড় শতাধিক প্রাথিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ, একটি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, দুটি মডেল মসজিদ, একাধিক হিমাগার, ফিডমিলসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান,শত শত কিলোমিটার পাকা রাস্তা, শতভাগ বিদ্যুৎ, আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ দৃষ্টিনন্দন বহুতল বিশিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ভবন, উপজেলা হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিক, মৎস্য অভয়াশ্রম, কজওয়ে, উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন ও গৃহহীনদের বাড়ি প্রদান ইত্যাদি কি উন্নয়ন নয়। অন্যদিকে বলা হচ্ছে জমিদার পরিবার ঠেকাও, তার অর্থ আছে মন নাই, অথচ ফারুক চৌধুরীর বদৌলতে কতো মানুষের কর্মসংস্থানের সুুুুযোগ হয়েছে সেটা কি তারা জানেন। আর যাকে নিয়ে তারা এই সমালোচনা করছেন সেই ফারুক চৌধুরীর পারিবারিক ঐতিহ্য ও সমাজিক মর্যাদা আর তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য ও সামাজিক মর্যাদা কি এক, তাহলে তারা কার বিরুদ্ধে এই সমালোচনা করছেন, তারা কি জেনে বুঝে এসব করছেন।
    অন্যদিকে নৌকার মালিক স্বয়ং বঙ্গবন্ধু কন্যা, দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যিনি বিশ্ব নেতাদের অন্যতম একজন, যার রাজনৈতিক দুরদর্শিতা ও মেধা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নাই। যিনি প্রার্থীদের আমলনামা বিচার-বিশ্লেষণ করে যাকে যোগ্য মনে করেছেন তার হাতে নৌকা প্রতিক তুলে দিয়েছেন। অর্থাৎ নৌকার প্রার্থীগণ নিজ নিজ এলাকায় দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীরই প্রতিনিধি। তাহলে নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে যারা বিষোদগার বা কুৎসা রটনা করছে তারা তো প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই বিষোদগার ও কুৎসা রটনা করছেন বিষযটা কি তায় নয়। এসব বিষোদগার ও কুৎসা রটনাকারিদের কথা যদি সত্যি হয় তাহলে বুঝতে হবে প্রধানমন্ত্রী ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, নইতো তাদের থেকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক দুরদর্শিতা কম, আসলে কি ? তায়। তাহলে তারা বুঝে না কি না বুঝে নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন। তাদের ছড়ানো প্রোপাগান্ডা নিয়ে জনমনে এসব ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সুত্রপাত হয়েছে।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী-১ আসনে একটানা তিনবারের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী, শহীদ পরিবারের সন্তান, সিআইপি, রাজশাহী চেম্বর অব কমার্সের সাবেক সভাপতি, রাজশাহীর সর্বোচ্চ স্বচ্ছ আয়করদাতা, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক আদর্শিক নেতৃত্ব আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী। তার পিতা প্রয়াত শহীদ আজিজুল হক চৌধূরী, চাচা শহীদ মুকবুল হক চৌধূরী এবং মামা জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান হেনা। এছাড়াও তার অনেক নিকট আত্মীয়-স্বজন দেশের জন্য জীবন উৎস্বর্গ করে শহীদ হয়েছেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের তৃণমূলের অভিমত, রাজনীতিতে এমপি ফারুকের সঙ্গে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতায় টিকতে না পেরে আওয়ামী লীগের আদর্শচ্যুত বিপদগামী ও জনবিচ্ছিন্ন একশ্রেণীর নেতা এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে একাধিকবার দলের হাই কমান্ডের কাছে কথিত নালিশ করে তা প্রমাণে বার বার ব্যর্থ হয়েছেন। এছাড়াও প্রায় ২০ বছর তিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন,এই সময়ের মধ্য প্রতিদিন যদি তিনি সরাসরি ৫ জন করে মানুষের উপকার করে থাকেন তাহলে তো ২০ বছরে সাড়ে ৩৬ হাজার মানুষের উপকার করেছেন।
    অথচ যারা এমপি ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে এসব প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে তারা কত জন মানুষের কি উপকার করেছে, বা তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য ও সামাজিক মর্যাদা কতটুকু সেটা এই জনপদের সাধারণ মানুষ জানতে চাই।#

  • কালীগঞ্জে ১৮৩বোতল ফেনসিডিলসহ আজাদ গ্রেফতার

    কালীগঞ্জে ১৮৩বোতল ফেনসিডিলসহ আজাদ গ্রেফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার ৬নং গোড়ল ইউনিয়নের মালগাড়া মৌজায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৮৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার ও এক জনকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। পুলিশ সুপার মহোদয় এর দিক নির্দেশনায় কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ইমতিয়াজ কবির, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাসুদ রানা’র নেতৃত্বে ইনচার্জ(আই/সি)এস আই মোঃ মাসুদ মিয়া,ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানার ৬নং গোড়ল ইউনিয়নের মালগাড়া মৌজাস্থ জনৈক মোঃ হাবিব এর বাড়ি সংলগ্ন দক্ষিণে কাচা রাস্তার মোড়ে পৌছা মাএই পুলিশের উপস্থিতি টের পাইয়া ২জন ব্যাক্তি তাদের হাতে থাকা ২টি প্লাস্টিকের বস্তা ফেলিয়া দৌড়াইয়া পালিয়ে যায়। আজাদ (৩৫), পিতা- মোঃ সালোয়ার হোসেন, সাং- মালগাড়া,থানা- কালীগঞ্জ, জেলা- লালমনিরহাট এর ডান হাতে থাকা ১টি সাদা প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে ৩১ বোতল ফেনসিডিল ও অপর ২ আসামীর ফেলে যাওয়া ২টি বস্তা হতে ৩১+৩১ বোতল ফেনসিডিল মোট ৯৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে। পরে ধৃত আসামীর স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে অপর মাদক ব্যবসায়ী মানিক মিয়ার, বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার বসত বাড়ির বাথরুম সংলগ্ন মাটির গর্তে রক্ষিত ৩টি সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর হইতে ৯০ বোতল ফেনসিডিল সর্বমোট ১৮৩বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সনের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে বিধি মোতাবেক ধৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ইমতিয়াজ কবির,জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার ৬নং গোড়ল ইউনিয়নের মালগাড়া মৌজায় অভিযান চালিয়ে ১৮৩বোতল ফেনসিডিল সহ একজন কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    হাসমত উল্লাহ।

  • গোদাগাড়ীতে গোল্ডেন সান এর বৃত্তি পরীক্ষা  অনুষ্ঠিত হয়

    গোদাগাড়ীতে গোল্ডেন সান এর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় এলাকাবাসী, গোদাগাড়ী মডেল থানার পুলিশ কর্মকর্তা, অভিভাবকগণ, কক্ষ পরিদর্শক, শিক্ষক কর্মচারীদের সহযৌগিতায় গোল্ডেন সান বৃত্তি পরীক্ষা -২০২৩ মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে সুন্দর ও সুষ্ঠভাবে শেষ হয়েছে।

    ২৩ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলে। কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, মোঃ হায়দার আলী, উপস্থিত ছিলেন গোল্ডেন সান বৃত্তি পরীক্ষার পরিচালক রফিক আলম।

    উপজেলার মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, আল ইসলাহ ইসলামী একাডেমি, বাসুদেব পুর উচ্চ বিদ্যালয়, রাজাবাড়ি হাট উচ্চ বিদ্যালয়, বাসুদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কাশিমপুর একে ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী হাট উচ্চ বিদ্যালয়, মহিশালবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আঁচূয়া সরকারি প্রাধমিক বিদ্যালয়, দি সান রাইজ সেমি ইংলিশ মিডিয়াম কিন্ডারগার্টেন, মর্ণিং স্টার কিন্ডারগার্টেন, ফুঁলকড়ি কিন্ডারগার্টেন সহ আরও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের এ বৃত্তি পরীক্ষয় অংশ গ্রহন করে। নার্সারী থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণির ৩৬২ জন শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশ নেই। বৃত্তি পরীক্ষায় সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন মোঃ রফিকুল ইসলাম, মহাসচিব গোল্ডেন সান বৃত্তি প্রদান কমিটি, শামজিদা আলম, পরিচালক (পরীক্ষা), গোল্ডেন সান বৃত্তি প্রদান কমিটি।

    কেন্দ্র সচিব মোঃ হায়দার আলীর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, অত্যান্ত সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছ।পরীক্ষায় অংশ নিতে পারায় শিক্ষার্থীরা খুব খুশি। পরীক্ষা দেখতে আসা শিক্ষক ও অভিভাবকদের সাথে কথা বললে তারা বলেন আমরা খুব খুশি, সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পেরে ছেলে মেয়েরা দারুন খুশি। তারা আগামীতে এরকম প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করে।

    মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী,
    রাজশাহী।

  • পটিয়ায় নেতাকর্মী নিয়ে এয়াকুব আলীর বিশাল শোভাযাত্রা

    পটিয়ায় নেতাকর্মী নিয়ে এয়াকুব আলীর বিশাল শোভাযাত্রা

    মহিউদ্দীন চৌধুরী : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের (বিএনএম) মনোনীত প্রার্থী শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী সহস্রাধিক মোটরসাইকেল, প্রাইভেট গাড়ী, পিকআপসহ শোভাযাত্রা করেছেন।
    শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে পটিয়া চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের ক্রসিং হতে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি মনসা বাদামতল গিয়ে শেষ হয়। এসময় হাজার হাজার নেতাকর্মীরা অংশ নেন। 

    শোভাযাত্রাটি পটিয়া চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের রওশন হাট এলাকা ঘুরে আবারো একই সড়ক হয় কুসুমপুরা ইউনিয়নের হরিনখাইন এলাকার গিয়ে সমাপ্ত হয়। শোভাযাত্রার বহর নিয়ে  যাওয়ার সময় মহাসড়কের দুইপাশে সাধারণ মানুষ হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।

    এসময় শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী বলেন, আজ পটিয়াবাসী আমার প্রতি যে অকুণ্ঠ ভালোবাসা দেখছে তাতেই আমি অভিভূত ও আনন্দিত। 

    আমি পটিয়ার সন্তান দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের পাশাপাশি এলাকার মানুষের সার্বিক উন্নয়ন করার চেষ্টা করেছি। পটিয়ায় অনেক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনি এ এলাকায় এখনো আশানুরূপ উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে তরুণ ও যুব সমাজের তথ্যপ্রযুক্তি-নির্ভর আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, মাদক ও জুয়া নির্মূলসহ এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার পাশাপাশি সংসদ সদস্য হতে পারলে সবাইকে নিয়ে অবহেলিত জনপদটি উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে গড়ে তোলা হবে। এজন্য আমি সবার সহযোগিতা এবং ঐক্যবদ্ধভাবে নোঙর মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। আমরা ভোটের মাঠে নেমেছি, থাকব। বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ। 

    তিনি আরো বলেন, বিগত ১৮ বছর ধরে পটিয়ার সর্বস্তরের মানুষের সাথে আমি স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিশে আছি। আগামী ৭ জানুয়ারীর নির্বাচনে আমাকে পটিয়ার সর্বস্তরের মানুষ নোঙ্গর প্রতিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। এবার যেখানে যাচ্ছি সবার হাসি ভরা মন এবং ইতিবাচক সাড়া লক্ষ্য করছি। পটিয়া তথা পশ্চিম পটিয়ার জনসাধারণের একটাই কথা গত ১৫ বছরের শাসন শোষণ পরিবারতন্ত্রের হাত থেকে রেহাই পেতে নোঙ্গর প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে দীর্ঘ দিনের দু:শাসন থেকে মুক্তি পেতে চাই। আশা করি এবার নোঙ্গর মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে পটিয়াবাসীর সেবা করার সুযোগ দিবেন। 

    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, মনসুর আলম, আইয়ুব আলী, আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী, নাদেরুজ্জামান, খোরশেদ আলম, আবদুর রশিদ, আবুল মনসুর সওদাগর, হারুন, ডা. রাশেদ, আহমেদ নুর, কমান্ডার মুজিব সহ আরো অনেকেই। 

    বক্তারা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনএম মনোনীত প্রার্থীর নোঙর প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে এলাকাবাসীর প্রতি আহবান জানান।

  • খাগড়াছড়ি কালচারাল লাইসিয়ামের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উৎযাপন

    খাগড়াছড়ি কালচারাল লাইসিয়ামের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উৎযাপন

    মোঃ শহীদ উল্যাহ জেলা প্রতিনিধি খাগড়াছড়ি ২২ ডিসেম্বর ২৩ ইং বিকাল ৪ ঘটিকায় সপ্তসুর সঙ্গীত একাডেমি হলরুমে খাগড়াছ ড়ি কালচার লাইসিয়াম এর উদ্যোগে এক পরিচিতি সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন কবি ও সাহিত্যিক জনাব ইউসুফ আদনান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সাইফুল্লাহ মাহমুদ । সন্মানিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের এ গ্রেড শিল্পী জনাব আবুল কাসেম শিক্ষাবিদ ও কন্ঠ শিল্পী জনাব নুরুল আফসার সপ্তসুর সঙ্গীত একাডেমির অধ্যক্ষ জনাব অশ্রু বড়ুয়া রুপক শিক্ষক অনুরুপা ত্রিপুরা নাট্যকার জনাব জয়নাল আবেদীন প্রমুখ। নুরুলইসলাম টুকুর সন্চালায়নে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডাঃ শহীদ উল্যাহ ও সাংবাদিক মিঠুন সাহা রাজ। মহান বিজয় দিবস ও এ ডিসেম্বর মাসের গুরুত্ব তাৎপর্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রধানঅতিথি তার বক্তব্যে প্রান্তিক দুঃস্থ শিল্পীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার উপর জোর দেন। এবং উনার কোন সহযোগিতার প্রয়োজন হলে যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন। সভাপতি জনাব ইউসুফ আদনান বলেন প্রান্তিক দুঃস্থ শিল্পীদের সহযোগিতা করাই এ সংগঠনের উদ্দেশ্য। পরিশেষে মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

  • চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সাংবাদিক সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

    চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সাংবাদিক সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

    নিজস্ব প্রতিনিধি।।
    দক্ষিণ চট্টগ্রামের বৃহত্তর সাংবাদিক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি পদে আনন্দ টিভির মোঃরিদুওয়ানুল হক ও সাধারণ সম্পাদক পদে একুশে টিভির মহিউদ্দিন চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন।

    শনিবার ২৩ ডিসেম্বর সংগঠনটির আহবায়ক আ.ন.ম সেলিম চৌধুরীর কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ১২ সদস্যবিশিষ্ট নতুন এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এক বছর মেয়াদী এ কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে দেশ রুপান্তর প্রত্রিকার প্রতিনিধি আ’ন’ম সেলিম চৌধুরী ও সহ-সভাপতি পদে দৈনিক চট্টগ্রাম মঞ্চ এর এস এম রাশেদ নির্বাচিত হন।

    এছাড়া যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক ভোরের ডাক প্রত্রিকার ইমরান বিন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ই-টেন টিভির ইসমাঈল হোসেন সম্রাট নির্বাচিত হন।

    অর্থ সম্পাদক পদে গ্লোবাল টিভির এম.এ.হামিদ, দপ্তর সম্পাদক পদে দৈনিক অগ্রসর প্রত্রিকার ইব্রাহিম খলিল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার প্রত্রিকার ওয়াসিম চৌধুরী।

    ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে দৈনিক যুগান্তর প্রত্রিকার বদরুল হক, কার্যনির্বাহী সদস্য পদে দৈনিক ভোরের কাগজ প্রত্রিকার আবু তালেব আনসারী,দৈনিক আজকের চট্টগ্রাম প্রত্রিকার আমিন উল্লাহ টিপু নির্বাচিত হন।

  • পটিয়ায় পোস্টার লাগানোর সময় নৌকার সর্মথককে পিটিয়ে জখম

    পটিয়ায় পোস্টার লাগানোর সময় নৌকার সর্মথককে পিটিয়ে জখম

    নিজস্ব প্রতিনিধি।।
    পটিয়ায় নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী পোস্টার লাগানোর সময় এক যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। তার নাম আবু তৌহিদ (৩০)। সে পটিয়া পৌরসভার যুবলীগের উপ প্রচার সম্পাদক। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডে ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থক হায়দার আলমের নেতৃত্ব হামলা করা হয়। হায়দার পটিয়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
    জানা গেছে, দলীয়ভাবে মনোনয়ন না পাওয়ার পর সামশুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে দলীয় নেতারা ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন। এ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী। শুক্রবার নৌকার সমর্থক ডিএম জমির উদ্দীনকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করা হয়। ডিএম জমির গ্রেফতারের খবরের সুযোগ নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজনকে নৌকার পোস্টার লাগানোর সময় অর্তকিতভাবে হামলা করে। এসময় যুবলীগ নেতা তৌহিদের হামলা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
    পটিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল করিম জানিয়েছেন, পোস্টার লাগানোর সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন হামলা করেছে। আহত তৌহিদ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন।

  • বাগীশিক এর উদ্যোগে খাগড়াছড়িতে গীতা জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠিত

    বাগীশিক এর উদ্যোগে খাগড়াছড়িতে গীতা জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠিত

    নুরুল ইসলাম (টুকু) সদর উপজেলা, প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি

    বাগীশিক সদর উপজেলা সংসদের আয়োজনে ও খাগড়াছড়ি জেলা সংসদের সার্বিক সহযোগিতায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শ্রী শ্রী লক্ষ্মী নারায়ন মন্দিরে দিনব্যাপী গীতা জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এই উপলক্ষে জেলার লক্ষী নারায়ণ মন্দিরে সকাল ১০টা দিকে শ্রীশ্রী গীতাপাঠ প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, বিভিন্ন গীতা স্কুলে গীতা দান ও গীতাপাঠ প্রতিযোগিতাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা করা হয়।

    এসময় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি কেন্দ্রীয় লক্ষী নারায়ণ মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক নির্মল দেব।

    এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিল পরিমল দেবনাথ, কেন্দ্রীয় লক্ষী নারায়ণ মন্দিরে উপদেষ্টা মনোরঞ্জন দেব, লক্ষী নারায়ণ মন্দিরের সহ-সভাপতি আশীষ ভট্রচার্য্য ,বাগীশিক জেলা সংসদের আহবায়ক প্রভাত তালুকদার ,উত্তর চট্রগ্রাম বাগীশিক এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুমন দে ,বাগীশিক সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব তালুকদার ও রাধা বঙ্কুবিহারী মন্দিরের ইসকন ইয়ুথ ফোরাম এর পরিচালক সোমনাথ তালুকদার ।

    অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, মানুষ প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে উঠলে সব মানুষের জীবন সার্থক হবে। এজন্যই পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে পাঁচ হাজার বছর আগে অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লা একাদশী (মোক্ষদা একাদশী) তিথিতে কুরুক্ষেত্রের রণাঙ্গনে ভগবদ্গীতার জ্ঞান দান করেছিলেন তাই এই মহিমামণ্ডিত তিথিকে গীতা জয়ন্তী তিথি বলা হয়।