পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছা থানার ওসি অপারেশন রঞ্জন কুমার গাইন এর সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেছেন পল্লী চিকিৎসকদের সংগঠন আরএমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ শনিবার সকালে থানা চত্বরে ওসি অপারেশনের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, থানার সেকেন্ড অফিসার মোশাররফ হোসেন, আরএমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উপজেলা সভাপতি অশোক কুমার ঘোষ, সহ-সভাপতি এস রোহতাব উদ্দীন আহম্মেদ, নিজাম উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, কোষাধ্যক্ষ গোবিন্দ কুমার পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, নিত্যানন্দ মন্ডল, ইয়াছিন আলী, আজিজুল হক ও খাদিজা বেগম।
Blog
-

ওসি অপারেশনের সাথে আরএমপি ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির শুভেচ্ছা বিনিময়
-

পাইকগাছায় অতি দরিদ্র পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় আর আর এফ’র সমৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় অতি দরিদ্র পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার গদাইপুর সংস্থার কার্যালয়ে শনিবার সকাল ১০ টার দিকে এ কম্বল বিতরণ করা হয়। এর উদ্বোধন করেন সংস্থার চুকনগর জোনের আ লিক পরিচালক মোঃ মাহফুজুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন গদাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জিয়াদুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা এসএম তানভীর হোসেন রাসেল। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সমৃদ্ধি কর্মসূচির সমন্বয়কারী তাপস সাধু, গদাইপুর অফিসের ব্রা ম্যানেজার বশির আহমেদ, পাইকগাছা অফিসের ব্রা ম্যানেজার সুমন কুমার শীল, শেখ আরিফুর রহমান, নাজরিন নাহার, প্রিতম সাহা ও তারক মজুমদার। -

গদাইপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক ও পৌরসভার স্টোর কিপার শেখ জিয়াউর রহমান জিয়া’র পিতা গদাইপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ অজিয়ার রহমান (৮২) শনিবার বেলা ২:৩০ মিনিটে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। এশার নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এদিকে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতারা হলেন সাবেক এমপি জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা এড সোহরাব আলী সানা, খুলনা -৬ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু, সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, সহ সভাপতি সমীরণ সাধু, যুগ্ম সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, গদাইপুর ইউনিয়ন আ’লীগের আহবায়ক নির্মল চন্দ্র অধিকারী, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাংবাদিক তৃপ্তি রঞ্জন সেন, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক ফাইমিন সরদার।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা, খুলনা। -

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নৌকা প্রতীকে ভোট দিন…. রশীদুজ্জামান
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
খুলনা-৬ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামান বলেছেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দক্ষিণ পশ্চিমা ল সহ সমগ্র দেশের উন্নয়ন হয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষ উন্নত জীবন যাপন করে। তিনি বলেন সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে বলেই দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। শিক্ষা, বিদ্যুৎ সহ সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। দুস্থ, অসহায় সকল মানুষকে সামাজিক বেস্টুনীর আওতায় আনা হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়ায় বিশ^দরবারে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। তিনি স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি শনিবার বিকালে নির্বাচনী এলাকা পাইকগাছার চাঁদখালী বাজারে চাঁদখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত নৌকা প্রতীকের জনসভায় এসব কথা বলেন। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মুনছুর আলী গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি এ্যাডঃ সোহরাব আলী সানা। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, জেলা আওয়ামী লীগনেতা খায়রুল ইসলাম, শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সমীরণ সাধু, সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, যুগ্ম-সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ^াস, ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাদা মোঃ আবু ইলিয়াস, কওছার আলী জোয়াদ্দার, কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, রিপন কুমার মন্ডল, শেখ জিয়াদুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গী, রুহুল আমিন বিশ^াস, আব্দুল মজিদ গোলদার, জেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি হাজী সাইফুল্লাহ খান, সাধারণ সম্পাদক আহম্মেদ ফিরোজ ইব্রাহীম তন্ময়, আওয়ামী লীগনেতা বিজন বিহারী সরকার, জিএম ইকরামুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, বিভূতি ভূষণ সানা, গোলাম রব্বানী, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম, প্রভাষক রেজাউল করিম, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ মন্ডল, মুক্তিযোদ্ধা জামিরুল ইসলাম, সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি সাংবাদিক তৃপ্তি রঞ্জন সেন, সুকুমার বিশ^াস, শফিকুল ইসলাম, বারিক গাজী, জেলা ছাত্রলীগনেতা মৃণাল কান্তি বাছাড়, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পার্থ প্রতীম চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক ফাইমিন সরদার।কংগ্রেস প্রার্থী মির্জা গোলাম আজমের গণসংযোগ
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় গণসংযোগ করেছেন খুলনা-৬ আসনের সম্মিলিত মহাজোট সমর্থিত বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত ডাব প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা গোলাম আজম। তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে শনিবার সকালে নির্বাচনী এলাকার পাইকগাছা পৌর সদরে গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডাব প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দলীয় উপজেলা সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, মির্জা লিমন, হাফেজ মাওঃ মিনারুল ইসলাম, সাংবাদিক আব্দুল আলীম ও মোঃ ইউনুছ। -

সুভাষের অ*পকর্মে আলুচাষিরা নিঃস্ব
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের কালীগঞ্জহাটের আলোচিত মেসার্স কর্মকার হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী সুভাষ কর্মকারের অপকর্মে এলাকার একাধিক আলুচাষি নিঃস্ব হয়ে পথে বসেছে। এঘটনায় প্রতারিত আলু চাষি মিজানুর রহমান মিন্টু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগী কৃষকেরা সুভাষকে আটক ও ক্ষতিপূরণ আদায়ে প্রশাসনের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা গেছে, মেসার্স কর্মকার হার্ডওয়ারের স্বত্ত্বাধিকারী সুভাষ কর্মকার চারা গজানোর শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে ব্র্যাকের সার্টিফাইড বি-গ্রেড আলু বীজ (নকল) দিয়ে কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সুভাষের কাছে থেকে নকল আলু বীজ কিনে রোপণ করে প্রতারিত হয়েছেন। আলু চাষিদের অভিযোগ সুভাষ কর্মকার ব্র্যাকের আলু বীজের ব্যাগ রিপ্যাক করে বীজ আলুর পরিবর্তে খাবার আলু গছিয়ে দিয়েছেন। এঘটনায় এলাকার কৃষকদের মাঝে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে ২৩ ডিসেম্বর শনিবার সরেজমিন উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নের(ইউপি) গাগরন্দ চকপাড়া মাঠে দেখা গেছে, আলু চাষি মিজানুর রহমান মিন্টুর প্রায় ৩০ বিঘা জমির রোপণ করা আলু বীজ অঙ্কুরিত না হয়ে পচে গেছে। তিনি কালীগঞ্জ হাটের হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী সুভাষ কর্মকারের কাছে থেকে এসব আলু বীজ কিনেছেন। সুভাষ ব্র্যাকের সার্টিফাইড বি-গ্রেড বীজ বলে এসব আলু বীজ বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, সুভাষের কাছে থেকে আলু বীজ কিনে তার মতো আরো অনেক আলু চাষি প্রতারিত হয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আলুচাষি বলেন, সুভাষ কর্মকার দীর্ঘদিন যাবত আলু বীজ নিয়ে প্রতারণা করে সাধারণ কৃষকের কাছে থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হয়েছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে সুভাষ কর্মকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার নিজের আলুখেতেও আশানুরূপ চারা গজায়নি এটা আবহাওয়ার কারণে হয়েছে। তিনি বলেন, যেখানে মানুষের জীবনের কোনো গ্যারান্টি নাই, সেখানে আলু বীজের কি গ্যারান্টি দিবো। এবিষয়ে আলু চাষি মিজানুর রহমান মিন্টু বলেন, তিনি ব্যাংকের ঋণের টাকায় আলু চাষ করছেন, এখন পর্যন্ত্য তার প্রতি বঘায় ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি বলেন, সুভাষের প্রতারণায় তিনি এখন নিঃস্ব। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, ২৪ ডিসেম্বর রোববার আলুখেত সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা হবে। -

হরিণাকুন্ডু ও শৈলকুপা থানার ওসিকে প্রত্যাহারে ইসির নির্দেশনা
আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
নির্লিপ্ততা ও দায়িত্বে অবহেলা প্রমানিত হওয়ায় ঝিনাইদহের দুই থানার ওসিকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শনিবার ইসির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রত্যাহারকৃত ওসিরা হলেন জেলার শৈলকূপা থানার ওসি ঠাকুর দাস মন্ডল ও হরিণাকুন্ডু থানার ওসি মাহবুবুর রহমান মিনে। ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ সাংবাদিকদের বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা (ডিসি) ও পুলিশ সুপারের প্রতিবেদনের আলোকে সংশ্লিষ্ট থানার ওসিদের নির্লিপ্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই দুই থানার ওসিকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে কমিশন। দুই ওসিকে প্রত্যাহার করে তাদের জায়গায় উপযুক্ত কর্মকর্তাদের পদায়ন করার জন্য শনিবারই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছে ইসি। অশোক কুমার দেবনাথ আরো বলেন, শৈলকুপা ও হরিণাকুন্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তাদের নির্লিপ্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য গত একমাস আগে হরিণাকুন্ডু থানায় ওসি মাহবুব ও দুই মাস আগে শৈলকুপা থানায় ঠাকুর দাস মন্ডল ওসি হিসেবে যোগদান করেন।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান। -

প্রশাসনের নেই কোনো পদক্ষেপ পাথর উত্তোলনকারী ব্যবসায়ীদের দখলে ডাহুক নদী॥ ড্রেজারের বিকল্প পদ্ধতিতে চলছে পাথর উত্তোলন
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারের পর ট্রাক্টর দিয়ে ডাহুক নদীতে নির্বিচারে চলছে পাথর উত্তোলন। বলা যায়, অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে নদীটি। হারিয়ে যাচ্ছে চিরচেনা রূপ। বন্ধ হয়ে গেছে নদীর গতিপথ। নদীসংলগ্ন অনেকের জমি ও বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ারও অভিযোগও রয়েছে। বর্ষার সময়ে অল্প বৃষ্টিতেই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে দুই পাড়ের জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ক্ষতির মুখে পড়ে বিভিন্ন ফসল।
কয়েক বছর আগে, এই ডাহুক নদীর বুক চিরে পাথর তুলতে চালানো হতো অত্যাধুনিক ড্রেজার মেশিন। এসব মেশিন দিয়ে মাটির ২০০ থেকে ২৫০ ফিট গভীর থেকে পাথর উত্তোলনে নদীর বুকে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল বিশাল গর্ত। এখন ড্রেজার মেশিনের পরিবর্তে নদীতে অভিনব পদ্ধতিতে ট্রাক্টর দিয়ে চলছে পাথর উত্তোলন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শালবাহান ইউনিয়নের মাঝিপাড়া, গুচ্ছগ্রাম, লোহাকাচী, বালাবাড়ি এবং বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের বুড়াবড়ি ডাহুক ব্রিজ সংলগ্ন উত্তর পার্শ্বে, কাটাপাড়া, সরকারপাড়া ও হারাদীঘি নামক এলাকায় ডাহুক নদীতে চলছে পাওয়ার ট্রাক্টর দিয়ে পাথর উত্তোলন।
প গড় জেলা প্রশাসকের রাজস্ব শাখা হতে জানা যায়, গত ২০১৩ সালের মার্চ মাসের ১৪ তারিখের গেজেট প্রকাশের পর বাংলা ১৪২৬ সন হতে সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ডাহুক নদীর পাথর মহাল ইজারা বন্ধ করা হয়েছে। অথচ সরকারি সিদ্ধান্তকে তোয়াক্কা না করে অসাধু ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে শ্রমিক নামিয়ে পাথর উত্তোলন করেই চলছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখতে ও জানতে পারা যায়, নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রাক্টর দিয়ে পাথর তুলছেন শ্রমিকরা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, নদীতে প্রায় ৮০ থেকে ১০০টি সাইট রয়েছে। এসব সাইট থেকে দিন দুপুরে উত্তোলন হচ্ছে হাজার হাজার সিএফটি পাথর। পাথর উত্তোলিত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়- উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের আগা শালবাহানের আনিছুর, সানু বালাবাড়ী এলাকার আবু, আহাদ, জুয়েল, জাকের, কাজীগছ এলাকার আশরাফুল ইসলাম(চেয়ারম্যান), পলাশ (বিভিন্ন ক্ষমতাশীন ব্যক্তির পরিচয় দানকারী ব্যক্তি) ও বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের মান্দুলপাড়া এলাকার মনছুরগং, বন্দিভিটা গ্রামের মোতালেব ওরফে মোতা, সর্দারগছ এলাকার জিয়ারুল, আলমগীর ও আহসানসহ আরো অনেকেই এসব সাইট চালিয়ে আসছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পাথর শ্রমিক বলেন, গত বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) থেকে ট্রাক্টরের ইঞ্জিন দিয়ে পাথর উত্তোলন করছেন মহাজনরা। এই ভাবে পাথর উত্তোলন করতে ৮-১০জন শ্রমিকের প্রয়োজন হয় বলে জানতে পারা গেছে। তবে একটি খাত বা সাইটে পানিতে ডুবে বেধা দিয়ে টেনে যেসব পাথর কোয়ারীরা পাথর উত্তোলন করতেন তাতে ১৫-২০জন শ্রমিক প্রয়োজন হত।
পাথর উত্তোলনের লাইন ম্যান ও নিজেকে ক্ষমতাশীন পরিচয় দানকারী ব্যক্তি কামরুল হাসান পলাশের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি পাথর উত্তোলনের কথা অস্বীকার করে বলেন- আমার নিয়ন্ত্রণে কোন পাথর উত্তোলন হচ্ছে না। আপনি সকল সাইটের লাইন ম্যান এবং আপনি একজন ক্ষমতাশীন ব্যক্তি পরিচয় দিয়ে আসছেন পাথর শ্রমিকসহ অনেকেই বলছেন জিজ্ঞাসায় তিনি কোনো সদুত্তোর দেয়নি। এদিকে পলাশকে এসব কথা জিজ্ঞাসা করতে মুঠোফোনে ফোন করলে আমার বিকাশ নম্বর চাই।
জানা যায়, কামরুল হাসান পলাশ ঢাকা ডেমরা থানার মাতুয়াইল ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকার আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে।এ বিষয়ে বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্য বলেন এবং সাইটের লোকজন ওই ইউপি সদস্যকে জানান, তিনি পাথর উত্তোলন নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে পলাশ তাকে এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যাবেন।
এদিকে শালবাহান ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে মাস খানিক এবং রিপোর্ট লেখার দু’দিন আগে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমার সাইট আছে তবে অন্যের বিষয়ে আমি জানিনা। আপনি এসব লেখালেখি করে গরিবের পেটে লাথি দিয়েন না।
পাথর উত্তোলন বিষয়ে বুড়াবুড়ি ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বাদল বলেন, ডাহুক নদীতে যে পাথর উত্তোলন হচ্ছে তা অবৈধভাবেই উত্তোলন করা হচ্ছে। তিনি নদীতে অবস্থিত খাস দাগের জমিসহ সিকস্তি ও পয়স্তি জমিতে পাথর উত্তোলন অবৈধ বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যখন তাঁরা অভিযানে ফিল্টে যায় তখন তাঁরা (পাথর উত্তোলনকারী শ্রমিক ও মহাজনরা) সরে যায় আবার যখন চলে আসি তখন পুনরায় পাথর উত্তোলন শুরু করেন।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজয় কুমার রায় জানান, আপনি জানেন আমি নতুন এই থানায় যোগদান করেছি। কথায় পাথর উত্তোলন হচ্ছে এ বিষয়ে আমার জানা নেই। আপনার কাছ থেকে জানতে পারলাম অবশ্যই ট্রাক্টর দিয়ে পাথর উত্তোলন কারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ গ্রহন চোখে পড়েনি।
তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। যাতে কোনোভাবেই ডাহুক নদীতে এ ধরনের ট্রাক্টর দিয়ে কেউ পাথর তুলতে না পারে এর আগেও ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং তা চলমান থাকবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে অভিযানের ছোয়া চোখে পড়েনি।
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।
-

আওয়ামী লীগের ১৫ বছর তানোরে গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে অর্জিত সাফল্য
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর রাজনৈতিক
দুরদর্শিতা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আওয়ামী লীগ সরকারের একটানা তিন মেয়াদ ১৫ বছরে গ্রামীণ অর্থনীতি ও অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পে অপ্রত্যাশিত সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এতে গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রার মাণ বেড়েছে।
জানা গেছে, তানোরে আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে গ্রামীণ অর্থনীতি ও অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পে
মোট ১৭৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে
উপজেলায় কাবিটা (খাদ্য শস্য/টাকা) কর্মসূচির ৭৪০টি প্রকল্প বাস্তবায়নের বিপরীতে খাদ্য শস্য ৫ হাজার ৯৩ মেট্রিক টন খাদ্য শস্য এবং ৬০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
এছাড়াও টিআর/জিআর( খাদ্য শস্য/টাকা) ৩ হাজার ৪৪১টি প্রকল্প বাস্তবায়নের বিপরীতে ৪ হাজার ৪১ মেট্রিক টন খাদ্য শস্য এবং ৫৭ কোটি টাকা।
এদিকে উপজেলায় ৪০ দিনের কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) ৭৬৯টি প্রকল্পে ৩২ হাজার ৯২৪ জন উপকারভোগীর বিপরীতে ২৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
অন্যদিকে ভিজিএফ/ভিডাব্লিউবি প্রকল্পে ৪ হাজার ৩৩৭ মেট্রিক টন খাদ্য শস্য, ৬০৮ বান্ডিল ঢেউটিন, ৪ হাজার ৫২৫টি কম্বল বিতরণ ব্যয় করা হয়েছে ২২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।
অপরদিকে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচির ৩৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নের বিপরীতে ৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা।
বিগত ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ ছিলো ২ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচি ছিলো ২১ হাজার কোটি টাকা।
কিন্ত্ত আওয়ামী লীগ সরকারের তিন মেয়াদ ১৫ বছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বেড়ে দাড়িয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচি ২ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা।
সচেতন মহলের ভাষ্য যে জাতি তার উপকারীর উপকার শিকার করে না,তারা অকৃতজ্ঞ। আর অকৃতজ্ঞদের ধ্বংস অনিবার্য। ফলে আওয়ামী লীগ সরকারের উপকার শিকার ও কৃতজ্ঞতা স্বরুপ আওয়ামী লীগের পক্ষে থাকা এসব মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।# -

ঢাকা-১৯ আসনে নৌকা ও (স্বতন্ত্র) ত্রি-মুখী ভোটের লড়াই, ১টি ওয়ার্ডে ২ প্রার্থী, সং*ঘর্ষের আ*শঙ্কা
হেলাল শেখ- বিশেষ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনে একটি ওয়ার্ডে ২জন এমপি প্রার্থীসহ সকল প্রার্থীর প্রচারণা জমে উঠেছে। এই আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার সাথে ত্রি-মুখী ভোটের লড়াই বিভিন্ন খেলা শুরু হয়েছে বলে জনগণের অভিমত।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগের আবারও ঢাকা-১৯ আসনের এমপি আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমান সাভার আশুলিয়ায় নৌকা মার্কা পেয়ে দলীয় নেতা কর্মীদের নিয়ে মাঠে জনগনের কাছে ভোট চাইছেন। অন্যদিকে (সাভার-আশুলিয়া) ঢাকা-১৯ এর আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঈগল পাখি মার্কায় প্রচারণা চালাচ্ছেন, অন্যজন আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ধামসোনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ট্রাক মার্কা প্রচারণা চালাচ্ছেন, সেই সাথে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মোঃ সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া নোঙর মার্কা, অন্যজন ঢাকা কোর্টের অ্যাডভোকেট মাহাবুবুল হাসান (তুষার) মোল্লা সোনালী আঁশ মার্কা। এ ছাড়া এই আসনে অন্যান্য এমপি প্রার্থীদের প্রচারণা চোখে পড়ছে না।
জানা গেছে, নৌকা, ঈগল ও ট্রাক মার্কা প্রার্থীর পক্ষে মোটরসাইকেল ব্যবহার করে শোডাউন করায় এতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০০৮-এর ৬ (ঘ) এবং ৮(ক) বিধি লঙ্ঘন হয়েছে। এই আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি বর্তমান স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহ্জ্ব মোঃ তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ সাহেব গত মঙ্গলবার ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ও জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ করে সভা করেন। এ ব্যাপারে ঈগল পাখি মার্কা প্রার্থী মুরাদকে শোকজ করা হয়। এ বিষয়ে ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন সহকারী রিটানিং কর্মকর্তার মাধ্যমে পেয়েছেন নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি।
এ ছাড়া বিধিমালা লঙ্ঘনের বিষয়ে তৌহিদ জং মুরাদের বিরুদ্ধে একটি নোটিশ দেয়া হয়। এই নোটিশে বিধিমালা লঙ্ঘনের কারণে কেন নির্বাচন কমিশনে তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না সে বিষয়ে আগামী ২৬ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সহকারী জজ জাকির হোসেনের কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
উক্ত ব্যাপারে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি স্বতন্ত্র প্রার্থী তালুকদার মোঃ তৌহিদ জং ওরফে মুরাদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন।
গত শুক্রবার ২২ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণার সময় আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বতন্ত্র ট্রাক মার্কা প্রার্থী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমের সামনে বলেন,আমার পোস্টার সাভার পৌরসভায় লাগানো হচ্ছিল। তখন (প্রতিমন্ত্রী) মহোদয় নিজে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। উনি গাড়ি থেকে নেমে একটি গালি দিয়ে উনার ক্যাডারদেরকে বলেছেন, এদের পিটাও এবং পোস্টার সব ছিঁড়ে ফেলো। উনি এটা নিজে করেছেন বলে স্বতন্ত্র এই প্রার্থী অভিযোগ করেন।
ঢাকা-১৯ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি বর্তমানে (স্বতন্ত্র) ঈগল মার্কার প্রার্থী আলহাজ্ব তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে, রানা প্লাজা ভেঙে পড়েছে, আমি ওই ভবনের মালিক নয়, আমি ভবন তৈরিও করিনি, তাহলে আমার দোষ কোথায়?, সাভারের শিমুলতলা আমার ঈগল মার্কার অফিস উদ্বোধন করার দিন হাজার হাজার জনগণ আমাকে ভালোবেসে একনজর দেখার জন্য সেখানে আসেন, এখানে আমার কোনো দোষ ছিলো না।
এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ঢাকা-১৯ আসনের এমপি এবং ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বর্তমানে নৌকা মার্কার এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমান এনাম সাহেবের মোবাইল ফোন নাম্বারে কল করলে তিনি রিসিভ করেননি। পুনরায় আবারও মোবাইলে কল দিলে তিনি তার গানম্যান পুলিশ অফিসার (এসআই) মুরাদ সাহেবকে দিয়ে কথা বলিয়ে ব্যস্ত আছেন বলে জানান। অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন যে, ঢাকা-১৯ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা ও তিন গ্রুপের পৃথক বড় ধরণের সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর কারণ হলো, আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা, (স্বতন্ত্র) ঈগল মার্কা ও ট্রাক মার্কার এই তিন প্রার্থীই শক্তিশালী অবস্থানে মাঠে প্রচারণা চালাচ্ছেন। পর্ব-১। -

নেছারাবাদে সমাবেশ থেকে ফেরার পথে ভ্রাম্যমান আদালতে মটরসাইকেল চালকদের জরিমানা
নেছারাবাদ(পিরোজপুর)প্রতিনিধি:
নেছারাবাদে পিরোজপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: মহিউদ্দীন মহারাজের জনসভা থেকে ফেরার পথে সমর্থকদের মটরসাইকেল চালকদের ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়েছে। মটর সাইকেলের যথাযথ কাগজপত্র না থাকা, নিয়মভঙ্গ করে মটর সাইকেল চালানোয় তাদের জরিমানা করা হয়।
নিয়মভঙ্গ করে মোটর সাইকেল চালানোয় নয়জন মটরসাইকেল চালককে মোট ৪,৭০০ টাকা জরিমানা করে ওই আদালত। শুক্রবার সন্ধ্যার পরে উপজেলা পরিষদের গেটের সামনের সড়কে বসে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান আদালত পরিচালনা করেন।
আদালতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান চারটি মটরসাইকেল এবং সহকারি কমিশনার(ভূমি) তাপস পাল পাচটি মটরসাইকেল চালকে জরিমানা করেন।
আদালতে সড়ক পরিবহন আইনে মোট নয়টি মটরসাইকেল চালককে ৪ হাজার সাতশ টাকা জরিমানা করা হয়।
আদালতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান চারটি মামলায় ২ হাজার চারশত টাকা এবং সহকারি কমিশনার (ভূমি) তাপস পাল পাচটি মামলায় ২ হাজার তিনশত টাকা জরিমানা করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান জানান, “সড়ক পরিবহন আইনে তিনি সহ সহকারি কমিশনার(ভূমি) পৃথক পৃথকভাবে ওই আদালত পরিচালনা করেন। নির্বাচনী আচারনবিধি ভঙ্গের দায়ে তাদের ওই জরিমানা করা হয়েছে কিনা পূনরায় প্রশ্ন করে জানতে চাইলে, তিনি বলেন, “ওইসব কারনে নয়; সড়কপরিবহন আইনে ওই জরিমানা করা হয়েছে।
আনোয়ার হোসেন
নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি ।