Blog

  • খুলনা-৬ আসনে খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের গণসংযোগ

    খুলনা-৬ আসনে খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের গণসংযোগ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামানের পক্ষে রবিবার সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পাইকগাছা উপজেলার কাশিমনগর, কপিলমুনি মৎস্য আড়ৎ, কপিলমুনি বাজার, আগড়ঘাটা বাজার, লস্কর ইউনিয়ন ও গদাইপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান সহ পাইকগাছা পৌরসভা এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ, পথসভা এবং লিফলেট বিতরণ করেন খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মোঃ আবু হানিফ, সাধারণ সম্পাদক এম এম আজিজুর রহমান রাসেল, সহ-সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম রাজা, প্রচার সম্পাদক মোঃ ওহিদুজ্জামান, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আবু সাঈদ খান, পাইকগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাংবাদিক তৃপ্তি রঞ্জন সেন, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শেখ হেলাল বাবু, অনুপম মন্ডল, জিএম তৈয়েবুর রহমান, চিন্ময় রায়, উজ্জ্বল হাওলাদার, সুকৃতি রায়, এম জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিক বি সরকার, বিশ্বজিৎ অধিকারী, বাপিন মজুমদার, সঞ্জিব মন্ডল, উজ্জ্বল মন্ডল, অসীত মন্ডল, মোঃ কামরুজ্জামান, মীর আল আমিন, প্রদীপ দত্ত, শংকর ঢালী, রাজেকুজ্জামান সুমন, বিদ্যুৎ মন্ডল, ইমরান হোসেন সহ উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীরা।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • কর্মস্থলে মালিফা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জের মৃত্যু

    কর্মস্থলে মালিফা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জের মৃত্যু

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগর থানার মালিফা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ(পুলিশ পরিদর্শক) কামরুল ইসলাম(৪৫)স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। জানা যায়, শনিবার সারারাত কর্তব্য পালন শেষে মালিফা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তার নিজ শয়ন কক্ষে রবিবার ভোরে ঘুমাতে যান। পরে রবিবার দুপুর পর্যন্ত সহকর্মীরা মোবাইল ফোনে না পেয়ে তার শয়ন কক্ষে গিয়ে দেখতে পান তার নিথর দেহ পড়ে আছে। পরে দুপুর ৩টার দিকে পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কামরুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে পাবনা জেলা পুলিশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি ২০২২ সালে মালিফা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ(পুলিশ পরিদর্শক) হিসেবে যোগদান করেন। প্রয়াত মালিফা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ(পুলিশ পরিদর্শক) কামরুল ইসলাম এর আগে পাবনার আতাইকুলা থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত ছিলেন । ২০০৫ সালে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় পাবনা পুলিশ লাইন্স মাঠে কামরুল ইসলামের জানাজা শেষে তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁ সদর উপজেলার উকিলপাড়া নিয়ে যাওয়া হবে। মালিফা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ(পুলিশ পরিদর্শক) কামরুল ইসলাম এর মৃত্যুতে পাবনা পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(অর্থ ও প্রশাসন) মো.মাসুদ আলম,পাবনা সহকারী পুলিশ সুপার(সুজানগর সার্কেল)মো.রবিউল ইসলাম, সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দিন, আতাইকুলা থানার ওসি মিজানুর রহমান,সুজানগর থানার সাবেক ওসি আব্দুল হাননান, রাজশাহী ডিবির ওসি আব্দুল হাই ও দৈনিক যুগান্তরের সুজানগর উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • দায়িত্বে অবহেলায় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে সমস্ত দায়ভার তাকেই বহন করতে হবে- পাবনা জেলা প্রশাসক

    দায়িত্বে অবহেলায় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে সমস্ত দায়ভার তাকেই বহন করতে হবে- পাবনা জেলা প্রশাসক

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মু: আসাদুজ্জামান বলেছেন, আপনার কর্ম নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করলে তার সমস্ত দায়ভার আপনাকেই বহন করতে হবে। অতি উৎসাহী হয়ে আপনারা কেউ নিজের বিপদ ডেকে আনবেন না। নিয়ম মোতাবেক ১ শতাংশ ভোট ভোট পড়লে সেটাই হিসাবে আনবেন। উল্টাপাল্টা ভাবতে অথবা করতে যাবেন না। রবিবার পাবনার সুজানগরে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের দুইদিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মু: আসাদুজ্জামান উপস্থিত ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, কে কোন মার্কার প্রার্থী, কে কোন মার্কা নিয়ে ভোট করছেন, ভুলে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে,লক্ষ্য একটাই,অবাধ,সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বে ব্যত্যয় ঘটলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি আইনি ব্যবস্থার আওতায় আসবেন। আমি বিবেচনা করবো না, সে আমার প্রিজাইডিং অফিসার নাকি আমার ম্যাজিস্ট্রেট। যেই দায়িত্বে অবহেলা করবেন, তার বিরুদ্ধেই যথাযথ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোন অবস্থাতেই নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হতে দেয়া যাবে না। মনে রাখবেন,আপনাদের সঙ্গে আমি আছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সুখময় সরকারের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শুরু হওয়া প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা পুলিশ সুপার মো.আকবর আলী মুন্সী ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিসের আয়োজনে কর্মশালায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মো.সাইফুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) মো.রবিউল ইসলাম, সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দিন ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো.আবুল কালাম। কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা পুলিশ সুপার মো.আকবর আলী মুন্সী বলেন, একটি রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে সতর্ক থেকে আপনারা নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবেন। সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সুখময় সরকার আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সততা,নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে বলে জানান।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • গাছ কাটতে গিয়ে গাছের নিচে চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

    গাছ কাটতে গিয়ে গাছের নিচে চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    নেছারাবাদের পূর্ব অলংকারকাঠিতে গাছের চাপা পড়ে মোহাম্মদ ইউসুফ (২৯) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।রবিবার দুপুরে নেছারাবাদ উপজেলার ৩নং স্বরূপকাঠি ইউনিয়নের পূর্ব অলংকারকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।হাসপাতালে নেয়ার পূর্বেই তার মৃত্যু ঘটে। মৃত মোহাম্মদ ইউসুফ অলংকারকাঠি গ্রামের মোঃ শাহে আলমের ছেলে। তার একটি দেড় বছরের কন্যা শিশু রয়েছে।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান, ইউসুফ গত সপ্তাহে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেছে।দুপুরে বাড়ির সামনে থেকে একটি মেহগনি গাছ কাটছিলেন। গোড়া কাটার পর গাছটি অন্য একটি গাছের সাথে আটকে পড়ে। তখন সে গাছে বাধা রশি দিয়ে নিচের দিকে সজোরে টানদিলে তার মাথার ওপর এসে পড়ে। গাছটি কাটার সময় তার কাছে কেউ ছিলোনা। খাল থেকে নৌকা বেয়ে যাওয়া একটি লোক দেখতে পায়। আসে পাশে থাকা লোকজন ডাকদিলে তারা এসে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ইউসুফ এর মৃত্যু হয়।

    মোঃ আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি ।

  • রাজশাহী-১ আসনে জয়পরাজয়ে মেইন ফ্যাক্টর

    রাজশাহী-১ আসনে জয়পরাজয়ে মেইন ফ্যাক্টর

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ না করায় রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসনে এবার প্রার্থীদের জয়-পরাজয়ে মেইন ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে প্রতিক নৌকা। আগামী ৭ জানুয়ারী রোববার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
    এদিকে নির্বাচনের দিন যতো ঘনিয়ে আসছে ততোই নৌকার জনসমর্থন বাড়ছে।এতে বিপাকে পড়ছে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। নৌকার বিপক্ষে প্রার্থী হয়ে তারা তাদের কর্মী-সমর্থকদের নিজেদের পক্ষে ধরে রাখতে পারছেন না বলে মনে করছে সাধারণ ভোটারগণ। ফলে নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে প্রার্থী নয় মেইন ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে প্রতিক নৌকা।
    অন্যদিকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বোধদয় হয়েছে এটা স্থানীয় নয় ক্ষমতা পরিবর্তনের নির্বাচন। কাজেই সরকার দলীয় প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়, তারা উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে সরকার দলীয় প্রার্থী তথা নৌকার বিজয় চাই। এদিকে আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে বোধদয় হয়েছে এটা দলের সভাপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রেষ্টিজ। তাই তারা এবার কারো কোনো মোহে বা প্ররোচনায় পড়ে নৌকার বিপক্ষে ভোট প্রয়োগ করবেন না, করতে পারেন না। তাদের অভিমত, ভুল থাকতে পারে প্রার্থী বা কোনো নেতাকর্মীর। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোনো ভুল করেননি, তায় তার সম্মান রক্ষায় তার দেয়া প্রতিক নৌকার বিজয় ব্যতিত বিকল্প নাই। কারণ দলীয় প্রার্থীর পরাজয় ঘটলে কেউ প্রার্থীর পরাজয়ের কথা বলবে না, বলবে নৌকার পরাজয় ঘটেছে, আর এটা আওয়ামী লীগের কোনো নেতা বা কর্মী-সমর্থকের কাম্য হতে পারে না। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ভাষ্য স্থানীয় সাংসদের জনপ্রিয়তা ও আওয়ামী লীগের বিশাল কর্মী বাহিনী কাজে লাগাতে পারলে এখানে নৌকার বিজয় প্রায় নিশ্চিত।
    তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, সাধারণ মানুষের ভাগ্যর উন্নয়ন এবং উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে নৌকার কোনো বিকল্প নাই, নৌকা হলো উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারক-বাহকের প্রতিক। তিনি বলেন, নৌকার বিজয় মানে স্বধীনতার পক্ষের শক্তি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সাধারণ মানুষের বিজয়, তাই নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের আদর্শ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যারা বিশ্বাসী তারা কখানোই নৌকা প্রতিকের বিপক্ষে কাজ করতে পারেন না, যারা করছে, তারা সুবিধাবাদী তারা কখানোই আওয়ামী লীগের ভালো চাইনি এখানো ভালো চাই না। ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভুল থাকতে পারে তার বা তার দলের কোনো নেতাকর্মীর, এমনকি প্রার্থীর জানা অজানায় কোনো ভুলক্রটি থাকতে পারে।
    কিন্ত্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কোনো ভুল করেননি, তিনি এখানো দেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তাই আপনাদের নৈতিক দায়িত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে তার মনোনিত প্রার্থীকে বিজয়ী করা।
    জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনে আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক চৌধুরী (নৌকা), বিএনএমের শামসুজ্জোহা (নোঙর), বিএনএফের আল-সাআদ (টেলিভিশন), তৃণমূল বিএনপির জামাল খান দুদু (সোনালী আঁশ), এনপিপির নুরুন্নেসা (আম), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের বশির আহমেদ (ছড়ি), জাতীয় পার্টির শামসুদ্দীন (লাঙল), মাহিয়া মাহি (ট্রাক), গোলাম রাব্বানী (কাঁচি) ও আখতারুজ্জামান আখতার (ঈগল) প্রতীক নিয়ে প্রতিদন্দীতা করছেন।
    রাজশাহী-১ আসনে ৪টি পৌরসভা ও ১৬ টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৪০ হাজার ২১৮ জন। দুই উপজেলা মিলে ভোটকেন্দ্র ১৫৮টি। ভোটকেন্দ্রের কক্ষের সংখ্যা ৯৯৪ টি। অস্থায়ী ভোট কক্ষের ৫১ টি। নতুন ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৩ টি। এআসনে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৯ হাজার ৬৫৩ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬৪ জন। একজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন।
    এদিকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে এমপি ফারুক চৌধুরী নৌকা প্রতিক নিয়ে অন্যদের থেকে যোজন যোজন দুরুত্বে এগিয়ে রয়েছেন। জানা গেছে, ২৪ ডিসেম্বর রোববার এমপি ফারুক চৌধুরী তানোর পৌরসভা এবং কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা করেন। এমপির প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে সাধারণ মানুষের স্বত্বঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ তার জনপ্রিয়তারই প্রমাণ দিচ্ছে।#

  • খুলনার দক্ষিনঞ্চলে জ্বালানী সংকট নিরসনে দিন দিন বৃদ্বি পাচ্ছে গোবরের শলার কদর

    খুলনার দক্ষিনঞ্চলে জ্বালানী সংকট নিরসনে দিন দিন বৃদ্বি পাচ্ছে গোবরের শলার কদর

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
    খুলনার দক্ষিনঞ্চলে জ্বালানী সংকট নিরসনে দিন দিন বৃদ্বি পাচ্ছে গোবরের শলার কদর। আর গোবরের শলার জ্বালানীর চাহিদা মেটানোর পর বিক্রি করে অভাব দূর করছেন অভাবগ্রস্থ পরিবারের গৃহিণীরা।
    জ্বালানির অভাব দূর করতে গোবরের তৈরি শলা বা মশাল বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। জ্বালানি হিসেবে এর চাহিদা বাড়ায় শীত মৌসুমে গোবরের শলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নিম্নবিত্ত পরিবারের নারীরা।গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় ও ইট ভাটায় জ্বালানী হিসেবে গাছ কেটে কাঠ ব্যবহার করায় দিন দিন জ্বালানী সংকট প্রকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানী সংকট থেকে বাঁচতে এ উপজেলার মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত আয়ের মানুষ এখন গোবরের মশলা রান্নার কাজে জ্বালানী হিসাবে ব্যাবহার বেড়েছে।এতে করে নিজেদের জ্বালানি চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি গোবরের তৈরি শলা বিক্রি করে সংসারের অভাব দূর করছেন অনেক নারী।
    গোবরের কম্পোস্ট সার খুবই উৎকৃষ্ট হওয়ায় কৃষকরা জমিতে গোবর দিয়ে ভাল ফলন ফলিয়ে থাকে। ফলে সবসময়ই কৃষকদের মাঝে গোবরের কদর ব্যাপকভাবে দেখা যায়। যাদের গরু আছে কিন্তু আবাদি জমি নেই তারাও কৃষকদের কাছে গোবর বিক্রি করত। কিন্তু বর্তমানে কৃষকদের গোবরে ভাগ বসিয়েছে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মহিলারা। তারা জ্বালানীর বিকল্প হিসেবে গোবর ব্যবহার করছেন। গোবরের তৈরি জ্বালানী নিজেদের সমস্যার সমাধান করেও বাজারে বিক্রি করে সংসারের অভাব দূর করছেন।
    জানা যায়, অভাবগ্রস্ত পরিবারগুলো তাদের শিশু সন্তানদের দিয়ে রাস্তার পাশ, মাঠ বা গবাদিপশুর বিচরণের স্থান থেকে গো-বর্জ্য সংগ্রহ করে থাকে। আবার অনেক নারী পার্শ্ববর্তী সচল পরিবারের গোয়ালঘর থেকেও গো-বর্জ্য সংগ্রহ করেন। পরে নারী ও শিশুরা গৃহস্থালী কাজের ফাঁকে বা অবসরে জ্বালানির জন্য শলা বা মশাল তৈরি করে।গোবরের শলার তৈরি এমন এক প্রকার জ্বালানী যা তৈরি করা খুবই সহজ।পরিবেশ সহায়ক এ জ্বালানী তৈরিতে উপকরণ হিসেবে প্রয়োজন গরু বা মহিষের গোবর, পাট খড়ি, ধানের তুষ (কুড়া)। গোবরের শলা তৈরির আগে মাপ মতো পাট খড়ি কেটে গোবর,তুষ ও কুড়া একত্রে মিশিয়ে পাট খড়ির সঙ্গে মুঠো করে রোদে শুকাতে হয়। এছাড়াও মুঠো বা চেপটা করে রোদে শুকিয়েও ব্যবহার করা যায়।
    উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ানের গ্রামে গ্রামে গোবরের শলা বা মশাল তৈরিতে ব্যস্ত দরিদ্র পরিবারের মহিলারা। গদাইপুর গ্রামের সুফিয়া বেগম জানান, তার স্বামী জন দিযে যা উপার্জন করে তা দিয়ে সংসার চলে না। ঘরের জ্বালানি চাহিদা মিটিয়ে গোবরের মশাল বিক্রি করে যে টাকা পান তিনি তা সংসারে খরচ করেন। গোবরের শলা ভালভাবে শুকানোর পর ঘরের প্রয়োজন মিটিয়ে বাদবাকি বিক্রি করেন।১ শত মশাল ২শত টাকা দরে বিক্রি করা হয়।ব্যবসাহীরা গ্রামে ঘুরে পাইকারি দরে মশাল ক্রয় করে বাজারে বিক্রি করছে। তিনি আরো জানান,এ উপজেলায় মাছের লিজ ঘেরেও গোবরের তৈরি শলা চাহিদা রয়েছে। জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত পাটখড়ির পাশাপাশি গোবরের তৈরি শলা দিয়ে নিজেদের জ্বালানি সমস্যা তো দূর হচ্ছে আবার তা বাজারে বিক্রি করে সংসারের অভাব দূর করছেন।
    এ উপজেলায় দিন দিন জ্বালানী সংকট মারাত্বক আকার ধারণ করছে। জ্বালানী সংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি কষ্ট করতে হচ্ছে গ্রামাঞ্চলের নিম্নবিত্ত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠির পরিবারগুলোকে। জ্বালানীর অভাবে চুলা জ্বালাতে পারছেনা দরিদ্র জনগোষ্ঠির গৃহিণীরা। দফায় দফায় গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকেই গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে। যার ফলে জ্বালানী কাঠের উপর দিন দিন চাপ বেড়েই চলেছে। জ্বালানী সংকট মোকাবেলায় গোবরের শলার লাকড়ি তৈরি করা হচ্ছে পুরোদমে। আর গোবরের শলার জ্বালানীর চাহিদা মেটানোর পর বিক্রি করে অভাব দূর করছেন অভাবগ্রস্থ পরিবারের গৃহিণীরা।
    জ্বালানি সংকটের কারণে গ্রামাঞ্চলের নিম্নবিত্ত ও হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। জ্বালানির অভাবে রান্না করতে অনেক সমস্যায় পড়তে হয় গরীব গৃহিণীদের। এমনকি দফায় দফায় গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকে গ্যাসের ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে। এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে গোবরের তৈরি শলা। এ ব্যাপারে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বলেন, কিছুদিন আগে এর ব্যবহার ছিল গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু বর্তমানে জ্বালানি সংকট ও দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন প্রায় সব শ্রেণির মানুষ এ গোবরের শলা স্বল্পমূল্যে কিনে জ্বালানি হিসেবে রান্নার কাজে ব্যবহার করছে। গ্রামীণ দরিদ্র পরিবারের মহিলারা গোবরের শলা তৈরি করে নিজেদের জ্বালানির চাহিদা মিটিয়েও তা বিক্রি করে সংসারের খরচ চালিয়ে সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • রাণীশংকৈলে সাংবাদিকদের সাথে জাতীয় পার্টির মতবিনিময়

    রাণীশংকৈলে সাংবাদিকদের সাথে জাতীয় পার্টির মতবিনিময়

    এস আর মানিক,রানীশংকৈল ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল শান্তা কমিউনিটি সেন্টারে ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সাথে জাতীয় পার্টির মতবিনিময় সভা অনূষ্ঠিত হয় । সভায় ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদের পুত্র সামসুহাব্বিব বিদ্যুৎ বলেন, আমরা সুন্দর ওশান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। এ নির্বাচনে সাংবাদিকদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ । আপনারা আমাদের তথ্য দিয়ে এবং বেশী বেশী সংবাদ প্রচার করে সহযোগিতা করবেন। অনূষ্ঠানে উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে পরামর্শ মূলক বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক ঠিকাদার আবু তাহের, যুবসংহতির সম্পাদক কাউন্সিলর ইসাহাক আলী, নির্বাচন সমন্বয় কারী আধ‍্যাপক সিরাজুল ইসলাম, সেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি নওরোজ কাওসার কানন। সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাব সভাপতি মোবারক আলী,আনোয়ারুল ইসলাম, সম্পাদক মোঃ বিপ্লব, আবুল কালাম আজাদ,সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ, সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক নুরুল হক,আশরাফুল আলম, খুরশিদ আলম শাওন,বিজয় রায়, হুমায়ুন কবির, সফিকুল ইসলাম,একে আজাদ, আনোয়ার হোসেন জীবন,সাংবাদিক মাহাবুব আলম,রফিকুল ইসলাম সুজন, নাজমুল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল নোমান,অভিশেখ চন্দ্র রায়।

    এস আর মানিক
    রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও ।

  • নড়াইলে নির্বাচন উপলক্ষে এসপি মেহেদী হাসানের থানা তদন্ত কেন্দ্র ও পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শন

    নড়াইলে নির্বাচন উপলক্ষে এসপি মেহেদী হাসানের থানা তদন্ত কেন্দ্র ও পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শন

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//
    নড়াইলে নির্বাচন উপলক্ষ্যে পুলিশ সুপার লোহাগড়া থানা, লাহুড়িয়া তদন্ত কেন্দ্র ও নলদী পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শন। শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান লোহাগড়া থানা, লাহুড়িয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এবং নলদী পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এ সময় লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কুমার রায়, লাহুড়িয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ সেলিম উদ্দিন এবং নলদী পুলিশ ক্যাম্পের আইসি এসআই শেখ মোঃ মোরসালিন পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে পুলিশ সুপার সালামি গ্রহণ করেন। অতঃপর তিনি অফিসার ও ফোর্সদের সাথে আইনশৃঙ্খলা এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করতে বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান থানা, তদন্ত কেন্দ্র এবং ক্যাম্পে আগত ভুক্তভোগীদের সাথে সুন্দর ব্যবহার করতে বলেন, তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে বলেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সততা, নিষ্ঠা, নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে কঠোরভাবে নির্দেশ প্রদান করেন। পক্ষপাতিত্ব করা এবং অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করার অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ সুপার সকল পুলিশ সদস্যদের সতর্ক করে দেন। এ সময় তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্); মিজানুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস), লোহাগড়া থানাসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • কালীগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত

    কালীগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।
    লালমনিরহাট জেলা কালীগঞ্জ উপজেলার
    বিএনপি কতৃক দেশব্যাপী সকাল -সন্ধা হরতাল কর্মসূচীর সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার চাপারহাটে বিএনপির যৌথ উদ্যোগে উপজেলা আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের, সভাপতিত্বে চাপারহাটে লিফলেট ও একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নৌকা মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‌ জাতীয়তাবাদী দলের দলগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবল হোসেন, আবুল কালাম আজাদ বাবু, জাহাঙ্গীর আলম আঙ্গুর, সহ অংগসংগঠনের বিপুল পরিমাণ নেতাকর্মীরা এতে অংশগ্রহণ করে। এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বক্তারা বলেন সরকার যতই দমন পীড়ন করুক না কেন বিএনপি এই পাতানো নির্বাচন হতে দেবে না। খুব শীঘ্রই দেশবাসী তা জানতে পারবে। বক্তারা ড্যামি নির্বাচন বর্জনসহ সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে নেতাকর্মী সহ সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান।

    হাসমত উল্লাহ।

  • পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু

    পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।
    লালমনিরহাট জেলা পাটগ্রাম উপজেলার কলেজ মোড় এলাকায় , লালমনিরহাট -বুড়িমারী মহাসড়কে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোঃ মোস্তফা (৪২),নামের এক ব্যাক্তি নিহত হয়েছেন। উপজেলার কলেজ মোড় এলাকার বিজয় মেলার সামনে এ ঘটনাটি ঘটেছিল। স্থানীয়রা জানান হোটেলে চা নাস্তা খাওয়ার পরে সড়কের এক পাশ থেকে অপর পাশে গাড়ির চালান পত্র নিয়ে যেতেই রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বুড়িমারী গামী ট্রাকটি পিছনে ব্যাগ দিলে তার ধাক্কায় পরে গিয়ে পিছনে চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনা স্থলে মারা যায়। নিহত মো: মোস্তফা (৪২) বাড়ি পাটগ্রাম উপজেলার কুচলিবাড়ি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পাটগ্রাম- থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে ।

    হাসমত উল্লাহ।।