Blog

  • সারা বিশ্বে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন “শুভ বড়দিন”

    সারা বিশ্বে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন “শুভ বড়দিন”

    থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি :মথি ত্রিপুরা।

    আজ(সোমবার)সকালে ২৫ শে ডিসেম্বর শুভ বড়দিন যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন। সারা বিশ্বের মানব জাতি ও খ্রীষ্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব। রামদু পাড়া স্হানীয় ব্যাপ্টিস্ট চার্চে ও গীর্জার বিশেষ প্রার্থনা নানা ধরনের আয়োজন করা হয়েছে ।

    এই সময়ে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাষ্টর: যোগেশ ত্রিপুরা,রামদু পাড়া স্হানীয় ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ আরও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীরবাহাদূর ত্রিপুরা পাষ্টর: স্হানীয় রামদু পাড়া স্হানীয় ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ (বিটিএবিসি), কারবারি:ধমশিংহা ত্রিপুরা রামদু পাড়া স্হানীয় ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ ও বিভিন্ন এলাকায় গ্রাম থেকে আগত খ্রীষ্টের ধর্মের বিশ্বাসীবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শহরের প্রতিটি এলাকায় প্রতিটি গ্রামাঞ্চলে গীর্জায় পবিত্র বাইবেল পাঠ প্রার্থনা ও গান বাজনা বাজাচ্ছে আনন্দে সাথে খ্রিস্টান ধর্মীয় বিশ্বাসীরা।

    বক্তারা বলেন, পবিত্র বাইবেল শাস্ত্রের অনুসারে লুক লিখিত সুচমাচার ২:১০-১১ পদে লেখা আছে স্বর্গদূত তাদের বললেন, “ভয় করো না,কারণ আমি তোমাদের কাছে খুব আনন্দের খবর এনেছি। এই আনন্দ সব লোকেরই জন্য। আজ দায়ূদের গ্রামের তোমাদের উদ্ধারকর্তা জন্মেছেন। তিনিই মশীহ,তিনিই প্রভু।এই পাঠ করে ব্যাখা করেন।

    আরও যীশু খ্রীষ্টে জন্মদিন উপলক্ষে নানা ধরনের আয়োজনে রয়েছে পবিত্র বাইবেল কুইজ প্রতিযোগিতা গান নাচ খেলাধুলা কবিতা আবৃত্তি ঐতিহ্য পোশাক পরিধান পড়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রীতিভোজে পুরুষ মহিলা বয়স্ক যুব/যুবতি অংশ গ্রহন করেন।

  • মধুপুরে  বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচী সফল করার লক্ষে পৌর বিএনপির আলোচনা সভা

    মধুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচী সফল করার লক্ষে পৌর বিএনপির আলোচনা সভা

    মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে তিন দিনব্যাপী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।
    কেন্দ্রঘোষিত এ কর্মসূচী পালন করার লক্ষে সোমবার (২৫ডিসেম্বর) সকালে পৌর বিএনপির আয়োজনে পৌর বিএনপির কার্যালয়ে এক সাংগঠনিক আলোচনা সভা করেন পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ খন্দকার মোতালিব হোসেন এর সন্চালনায় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম সিদ্দিক।
    এসময় আলোচনা সভায় ভার্চুয়াল ভাবে সংযুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামান জামিল শাহীন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু। এসময় নেতারা বলেন কেন্দ্র ঘোষিত আগামী ২৬, ২৭ ও ২৮ ডিসেম্বর এই তিন দিন বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালিত হবে।‘নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে এই গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানান নেতৃবৃন্দ। উক্ত সাংগঠনিক আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন মধুপুর পৌর বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল)স্বামীর জন্য ভোটের মাঠে নামলেন স্ত্রী শামিমা

    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল)স্বামীর জন্য ভোটের মাঠে নামলেন স্ত্রী শামিমা

    ষ্টাফ রিপোর্টার
    স্বামীর জন্য এবার ভোটের মাঠে নামলেন স্ত্রী। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৭(ত্রিশাল) আসনে জনগণ মনোনীত স্বতন্ত্র প্রার্থী, ত্রিশাল পৌরসভার ৩বারের মেয়র,উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ এর স্ত্রী
    শামিমা আক্তার স্বামীর বিজয় নিশ্চিত করণে জনগণের দ্বারেদ্বারে ঘুরে-ফিরে ট্রাক প্রতীকে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন।

    সোমবার (২৫জানুয়ারি) তিনি উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে বাড়ী-বাড়ী গিয়ে ট্রাক প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেন। গণসংযোগকালে ওই এলাকার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ভোটারদের কাছে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ এর জন্য ট্রাক মার্কায় ভোট চান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা ও স্থানীয় মহিলা লীগের নেতৃবৃন্দ।

    এসময় শামিমা আক্তার বলেন, ত্রিশালবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আনিছ এর পরিকল্পনা আছে। এই উপজেলায় যাতে সবাই সুন্দরভাবে বসবাস করতে পারে এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা যায় সেই বিষয়ে কাজ করবেন তিনি।

    তিনি বলেন, উপজেলার কোন সাধারণ মানুষ, নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে ঘটা কোনো অপরাধের ঘটনার কথা শুনলেই তিনি (আনিছ) কষ্ট পান। তিনি উপজেলাবাসীকে নিয়ে সুস্থ, সচল, নারী ও শিশুবান্ধব নগরী গড়ে তুলতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাস। স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামানের স্ত্রী বলেন, ট্রাক প্রতীকের পক্ষে মানুষের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। যেখানেই আমরা যাচ্ছি, সেখানেই মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। ভোটারদের কাছে বলছি একটি সুস্থ, সচল, নারী ও শিশুবান্ধব ত্রিশাল গড়তে ট্রাক মার্কায় ভোট দিন।

  • বেতাগীতে ২০০ এতিম ও অসহায় শিশুর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    বেতাগীতে ২০০ এতিম ও অসহায় শিশুর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
    দেশের উপকূলীয় জনপদ বরগুনার বেতাগীতে ২০০ এতিম ও অসহায় শিশুর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
    সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় ঢাকাস্থ বাংলাদেশ প্রকিউরমেন্ট কমার্শিয়াল ও এসসিএম প্রফেশনালস ওয়েলফেয়ার সোসাইটির আয়োজনে উপজেলার বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের পূর্ব কাউনিয়া কারিমিয়া কেরাতুল কুরআন কওমিয়া ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা মিলনায়তনে একম্বল বিতরণ করা হয়।
    সংগঠনের সভাপতি মো: মনিরুজ্জমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত মেজর শফিউজ্জামান খান, ইন্ডিপেডেন্ট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. এম.এ আউয়াল খান, বেতাগী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টু, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী আল-আমিন খান সুমন. ক্রীড়া ও সাংস্কুতিক সম্পাদক এ.এ রব, অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আব্দুল মোতালেব, মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ¦ আব্দুর রশিদ হাওলাদার, ঘটকের আন্দুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আকবর খন্দকার, বরগুনা জেলা যুব পরিষদের সভাপতি অলি আহম্মেদ ও মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মো: মোস্তাফিজুর রহমান।
    এসময় বক্তারা বলেন, তীব্র শীতে উপকূলীয় এ জনপদের জনজীবন বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। শীতের এই দাপটে চরম অসহায় এতিম ও ছিন্নমূল মানুষরা। তাই এই সময় সমাজের বিত্তবানদের অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর আহ্বান জানান।

  • ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ভোটারদের মুখে মুখে গন জোয়ার অধ্যক্ষ গোপাল রায়ের হাতুড়ি মার্কা

    ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ভোটারদের মুখে মুখে গন জোয়ার অধ্যক্ষ গোপাল রায়ের হাতুড়ি মার্কা

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।। স্টাফ রিপোর্টার।।ঠাকুরগাঁও-৩ আসনর আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায়ের হাতুড়ি মার্কা ভোটারদের মুখে মুখে গন জোয়ার উঠেছে।অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায় পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল উপজেলা বাসীর কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করায় আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে জনগণ তাকে ব্যাপক ভাবে সারা দিয়েছে।

    সরেজমিনে জানা যায়,ঠাকুরগাঁও-৩ আসন পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল উপজেলা নিয়ে ঠাকুরগাঁও -৩ সংসদীয় আসন গঠিত।তার
    মধ্যে পীরগঞ্জে উপজেলায় ১০টি ইউনিয়ন
    ১টি পৌরসভা এবং রানীশংকৈল উপজেলা ৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা।এই দুই উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়,অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায়ের হাতুড়ি প্রতীকের প্রচারণা জনগণের মুখে মুখে।

    এ বিষয়ে পীরগঞ্জ উপজেলার বিমল চন্দ্র রায় ও ডাঃমর্তুজার সাথে কথা হলে তিনি সাংবাদিক কে জানান অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায় একজন সৎ যোগ্য নিঃস্বার্থ বান ন্যায়পরায়ন,উচ্চ শিক্ষিত লোক এইবার আমরা সকলে তাকে ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করবো।এবং রানীশংকৈল উপজেলার শরীফুল ইসলাম ও অমল চন্দ্র রায়ের সাথে কথা বলে জানা যায় তিনি সকল এলাকায় ঘুরে অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায়ে হাতুড়ি প্রতীকের ব্যাপক গন জোয়ার দেখতে পান এবং তিনি হাতুড়ি প্রতীকে ভোট দিয়ে এমপি হিসেবে গোপাল চন্দ্র রায় কে চান।

  • ময়মনসিংহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র  প্রার্থী শামীমের  পক্ষে বিশাল শোডাউন

    ময়মনসিংহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীমের পক্ষে বিশাল শোডাউন

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ব্যবসায়ী নেতা আমিনুল হক শামীমের ট্রাক প্রতীকের পক্ষে বিশাল শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার বিকেলে উপজেলা সদরের ভাবখালী ইউনিয়নের ভাবখালী পুরাতন বাজারে জেলা যুবলীগ নেতা মানিক, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোবারক হোসেন মেম্বার, সাবেক ছাত্রনেতা আরিফ রববানী, মিল্লাদুন্নবী মিল্লাত এর নেতৃত্বে এই বিশাল শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়। শোডাউনটি বাজার এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

    এ উপলক্ষ্যে ভাবখালী বাজারের বাদলের মার্কেট প্রাঙ্গনে নেতা-কর্মী জমায়েত হয়ে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রাটি পরে বাদল মার্কেট এলাকায় পথ সভার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

    এতে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়নের বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত।

    পথ সভায় বক্তারা বলেন, ময়মনসিংহ-৪ আসনের জনগণ বিগত কয়েকটি নির্বাচেন অনেককে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও স্বতস্ফুর্ত ভাবে ভোট দিয়ে ময়মনসিংহের সমাজ সেবক,ব্যবসায়ী নেতা ভদ্রলোক ও নিরহংকারী আমিনুল হক শামীম ভাইকে সদরের আগামী দিনের উন্নয়নের রূপকার নির্বাচিত করতে চাই।

  • জনগণের স্বার্থে পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকদের ভুমিকা কেমন হওয়া উচিৎ

    জনগণের স্বার্থে পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকদের ভুমিকা কেমন হওয়া উচিৎ

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে পুলিশ বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকদের ভুমিকা কেমন হওয়া উচিৎ, সেলফি সাংবাদিক জাতির জন্য বিপদ জনক কেন তা বুঝতে হবে। প্রকৃত সাংবাদিকতায় কোনো সংগঠন লাগেনা। সংগঠন লাগে তখনই যখন কোনো সাংবাদিকের উপর নৃশংস হামলা ও মামলা হয়। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে সেক্ষেত্রে ভালো হবে। কিছু পুলিশ সদস্য কর্তৃক সাংবাদিকদেরকে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে বা থানায় ডেকে নিয়ে আটক দেখিয়ে চুরি, ডাকাতি বা চাঁদাবাজি মামলা দেয়া হয়। “সাংবাদিকরাতো কোনো চোর বা ডাকাত নয়” তাদেরকে কেন এই সমস্যা হবে তা জাতি জানতে চায়, এ বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা কি হওয়া উচিৎ।
    সাংবাদিকরা নিজেদের মধ্যে শক্রতা সৃষ্টি করার কারণে অন্যরা সুযোগ সুবিধা নিয়ে থাকে। দেশের বিভিন্ন থানার কিছু পুলিশের স্বার্থে আঘাত লাগলে প্রকৃত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মামলা দেয়, তাই বলে কলম থেমে থাকে না। কিছু পুলিশ সদস্য চাঁদাবাজি ও ফিটিংবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্ম করছে আর সেই বিষয়ে সাংবাদিক যাতে সংবাদ প্রকাশ করতে না পারেন সেজন্য ষড়যন্ত্র করে মামলা দেয়া হয়ে থাকে। সাংবাদিককে আটকের পর তার কাছে থাকা কলম ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে থাকে কিছু পুলিশ অফিসার। এরপরও যদি প্রকৃত সাংবাদিক আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে যায়, তাকে আবার সাজা দেওয়ার জন্য মিথ্যা সাক্ষী তৈরি করে আদালতের মাধ্যমে সাজা দেয়ার কৌশল করা হয়। তবে সব সাংবাদিক বা সব পুলিশ খারাপ নয়। মানবিক পুলিশ সদস্য ও মানবিক প্রকৃত সাংবাদিক আছেন বলেই মানুষ আইন আদালতের প্রতি সম্মান করেন।
    বিশেষ করে সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণে বিভিন্ন হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। কেউ আবার নিজেদের অনেক বড় সাংবাদিক মনে করে অহংকারে মাটিতে পা রাখেন না, এতে আরো জটিলতা বাড়ছে। সারাদেশে সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা ও নির্যাতন বন্ধ করতে হলে থানা পর্যায় থেকে শুরু করে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের সাংবাদিক সবাইকে সচেতন হওয়াসহ ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। প্রকৃত সাংবাদিকরা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে কাজ করেন। সাংবাদিক কতো প্রকার? তার হিসাব নাই। এবার ১ থেকে ১৭ প্রকার সাংবাদিকের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে। ১। সাইনবোর্ড সাংবাদিক, ২। আইডিকার্ড সাংবাদিক,৩। ভুয়া সাংবাদিক, ৪। প্রেসক্লাব সাংবাদিক, ৫। বহুমাত্রিক সাংবাদিক, ৬। কথাসাহিত্যিক সাংবাদিক, ৭। দলীয় সাংবাদিক, ৮। ভবিষ্যতদ্রষ্টা সাংবাদিক, ৯। মৌসুমী সাংবাদিক, ১০। শখের সাংবাদিক, ১১। অপসাংবাদিক, ১২। স্বার্থপর সাংবাদিক, ১৩। বি ত সাংবাদিক, ১৪। লাঞ্ছিত সাংবাদিক, ১৫। কাঙ্খিত সাংবাদিক, ১৬। সেলফি সাংবাদিক, ১৭। প্রকৃত সাংবাদিক।
    সাংবাদিকরা প্রতিদিন প্রতি মুহুর্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জাতির সেবা করে যাচ্ছেন। তবে সেই ত্যাগী সাংবাদিকরা কি পাচ্ছেন? কেন সাংবাদিকতায় আসছেন বেকার মানুষগুলো? সত্যি কথা বললে বা সংবাদ প্রকাশ করলে সেই সাংবাদিকদের নামে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা ও হামলা করা হয়। সাংবাদিক কোনো চোর ডাকাত নয়, বা বড় দুর্নীতিবাজ নয় যে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে সাজা দিতে হবে। সূত্র জানায়, সারাদেশেই নিজেদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শক্রতা সুষ্টি করছে কিছু পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক। তারা ১ থেকে ১৬ প্রকার সাংবাদিক কিন্তু কিছু পুলিশ সদস্যের নাম্বার নাই দিলাম। সেই সাথে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা, আশুলিয়া থানা, মিরপুর থানা, বরিশাল ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানাসহ সারাদেশে প্রায় অনেক থানায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সাংবাদিকদের বলা হয় জাতির বিবেক, সেই অর্থে সাংবাদিকরা কেন অপহেলায় অপমানিত হচ্ছেন? কেন হয়রানি করা হচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদেরকে। অর্থ ও স্বার্থের জন্য মানুষ যদি অমানুষের পরিচয় দেন এটা খুবই লজ্জাজনক। সাংবাদিকদের পেশা যেন মানুষের সেবা করাই তাদের একমাত্র ধর্ম। যারা কাজ করেন তাদের ভুল হতেই পারে কিন্তু ছোট একটা ভুল করলেই বড় ধরণের হামলা, মামলার শিকার হতে হয় সেই সাংবাদিকদেরকে। থানায় ডেকে নিয়ে বা রাস্তা থেকে ধরে নিয়েই বিভিন্ন মামলা দেয়া হয় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে, এটা জাতির জন্য কতটা লজ্জাজনক?। বাংলাদেশে প্রায় ১৮কোটি জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন পুলিশ বাহিনী এটা যেমন সত্য আর সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করেন অনেক ঝুঁকি নিয়ে এটাও বাস্তব। সরকার পুলিশকে বেতন ভাতা দিলেও সাংবাদিকরা পাচ্ছেন না সরকারি কোনো সম্মানি ভাতা। ভালো কাজ করলে বলা হয় এটা তাদের দায়িত্ব। সামান্যতম ভুল করলে তাদেরকে বড় গালাগালি দেওয়া হয়। সব পুলিশ খারাপ না, কিছু পুলিশ সদস্য খারাপ তাই পুলিশের বদনাম হয়। মানবিক পুলিশ ও প্রকৃত সাংবাদিক ঘর থেকে বাহিরে বের হলে বা ডিউটিতে গেলে তাদের পরিবারের সদস্যরা অনেক চিন্তায় থাকেন।
    দেশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ, র‌্যাব যে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গী, খুনী, ধর্ষণকারী, অপহরণকারীদেরকে গ্রেফতার করেন এবং ভিকটিম উদ্ধার করাসহ অনেক কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেন এর জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ করে কিছু লোকজন অভিমত প্রকাশ করেন যে, পুলিশের নতুন নতুন ইউনিট হলেও সেই অর্থে তুলনামূলক ভাবে সেবার মান বাড়ছে না। সূত্রমতে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মানয়ীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশে পুলিশের জনবল বৃদ্ধি করাসহ পাশাপাশি বেতন ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঢাকা বিভাগের সকল থানায় সিসি টিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে,এতে যেমন প্রশংসা বাড়ছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের। তবে কিছু থানা পুলিশের অনিয়ম দুর্নীতির কারণে পুলিশ বাহিনীর বদনামও হচ্ছে কিন্তু এই দায় নিবে না মানবিক পুলিশ সদস্যরা। ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা ধুলাবালির মধ্যে প্রতিদিন অনেক কষ্টের মধ্যে ডিউটি করেন, তাদের সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে।
    রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশের থানায় পুলিশের তেমন কোনো সমস্যা না থাকায় মফস্বল এলাকা থেকে বদলি হয়ে ঢাকায় আসার জন্য পুলিশ সদস্যরা চেষ্টা করে থাকেন। এর অনেক কারণও রয়েছে। মফস্বল এলাকায় পুলিশ সদস্যদের নানারকম সমস্যা, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পুলিশের থাকা খাওয়ার সমস্যা। অনেক সময় জরুরি কাজে গাড়ি না পাওয়াসহ নানারকম সমস্যা রয়েছে পুলিশের। বিশেষ করে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যেদের অনেক কষ্ট করে ডিউটি করতে হয়, তাদের অনেকেই সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন এমন অনেক তথ্য রয়েছে। সুত্রে জানা গেছে, অনেক ইউনিটে চাহিদার চেয়ে অর্ধেকেরও কম জনবল দিয়ে দৈনন্দিন কাজ চালানো হচ্ছে পুলিশ বাহিনীতে। বেশিরভাগ ইউনিটি ও থানার নিজস্ব কোনো ভবন নেই, আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাড়িতে চলছে পুলিশের কার্যক্রম। অনেক সময় জরুরি অভিযান পরিচালনার জন্য গাড়ি পাওয়া যায় না। দুঃখজনক বিষয়ঃ সাধারণ মানুষ অনেকেই বলেন, ডাকঢোল পিটিয়ে রং বে-রঙের বেলুন উড়িয়ে পুলিশ বাহিনীতে নতুন নতুন ইউনিটির যাত্রা শুরু হয়।
    সূত্র জানায়, রাজধানী ছাড়াও যেমনঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানা ভাড়া বাড়িতে চলছে পুলিশের কার্যক্রম। এই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ও তদন্ত ওসিসহ ৪০ জনের মত অফিসার রয়েছেন। দেখা যায়, বেশিরভাগ পুলিশ অফিসারগণ ভাড়া গাড়ি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ১০-১২ বছর আগের পুলিশ আর বর্তমান সময়ের পুলিশ একরকম নয়। সরকার যেমন পুলিশের বেতন বৃদ্ধি করেছে,তেমনি পুলিশের কষ্টও বাড়ছে। এদিকে ট্রাফিক পুলিশের কয়েকজন সদস্য জানান, পুলিশ সদস্য ভালো কাজ করলে পাবলিক বলে এটা পুলিশের দায়িত্ব কিন্তু পুলিশ সদস্য ছোট কোনো ভুল করলে তাদেরকে অনেক সময় বড় ধরণের শাস্তি দেয়া হয়, এমন কি চাকরি চলে যায়। বাংলাদেশের “প্রশাসনিক কাঠামো” ৬টি থেকে বাড়িয়ে বর্তমানে ৮টি বিভাগ ও ৬৪ জেলা করা হয়েছে। ৬৪ জেলায় ৮৬,৬০৮টি গ্রাম। ১৯৭১ সালে মাত্র ৭কোটি জনগণ ছিলো, যা বর্তমানে প্রায় ১৮কোটির মত জনগণ হয়েছে। মানুষ বাড়ছে, ঘর বাড়ি বাড়ছে, ইটভাটা বাড়ছে, ফসলি জমি কমে যাচ্ছে।পুলিশের নতুন নতুন ইউনিট বাড়ছে, পুলিশ সদস্যও বাড়ছে, কিন্তু সেই অর্থে কি সেবার মান বাড়ছে?। পুলিশ বিভাগের জন্য আলাদা মেডিকেল ইউনিটি গঠিত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান খান কামাল গত ৩ অক্টোবর ২০১৯ইং সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে “বিএসআরএফ সংলাপ” অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে সরকার গত মেয়াদে ৮০ হাজার পুলিশের জনবল বৃদ্ধি পেয়েছে। জরাজীর্ণ থানাগুলোতে নতুন ভবন করা হচ্ছে। পুলিশের নতুন ১৫টি ইউনিট গঠিত হয়েছে। আমরা হেলিকপ্টার সংযোজন করতে যাচ্ছি, তার জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছি। (পিবিআই), এ ছাড়া দেশের শিল্প এলাকার নিরাপত্তা জোরদার ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ইন্ডাষ্টিয়াল পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও ট্যুরিষ্ট পুলিশ গঠন করা হয়। এ ছাড়াও কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট নামে নতুন আরও একটি ইউনিট গঠন হয়। প্রিয় পাঠক কোনো ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন, সবাইকে ধন্যবাদ।

  • চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের ৬৭তম জন্মদিন পালিত

    চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের ৬৭তম জন্মদিন পালিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস কা নের ৬৭তম জন্মদিন পালিত হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা পাইকগাছা উপজেলা শাখা এ জন্মদিনের আয়োজন করে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আরিফুজ্জামান, ওসি ওবাইদুর রহমান, প্রাক্তন অধ্যক্ষ হরেকৃষ্ণ দাশ, নিসচা সভাপতি এইচএম শফিউল ইসলাম, চলার সাথী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা শেখ আব্দুর রহমান, নিসচা সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সাংবাদিক এসএম আলাউদ্দীন সোহাগ, ইমদাদুল হক, ফসিয়ার রহমান, সিরাজুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, সেলিম মোড়ল, মিনারুল ইসলাম ও মাসুম বিল্লাহ।

  • ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার ৭১ বছরে পদার্পন উপলক্ষে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে পত্রিকার পাইকগাছা উপজেলা প্রতিনিধি এইচএম শফিউল ইসলাম এ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আয়োজন করে। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাঁটেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আরিফুজ্জামান ও ওসি ওবাইদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রাক্তন অধ্যক্ষ হরেকৃষ্ণ দাশ, চলার সাথী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা শেখ আব্দুর রহমান, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সাংবাদিক এসএম আলাউদ্দীন সোহাগ, ইমদাদুল হক, ফসিয়ার রহমান, সিরাজুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান ও সেলিম মোড়ল।

  • পাইকগাছা-কয়রার কোন এলাকা অবহেলিত থাকবে না… রশীদুজ্জামান

    পাইকগাছা-কয়রার কোন এলাকা অবহেলিত থাকবে না… রশীদুজ্জামান

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
    খুলনা-৬ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামান বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নাই। এ জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে হবে। তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে নির্বাচনী এলাকা পাইকগাছা-কয়রার কোন এলাকা অবহেলিত থাকবে না। দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় সুষম উন্নয়ন করা হবে। কেউ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার হবে না। অনিয়ম এবং দুর্নীতিকে কোন প্রকার প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। দেশের সবচেয়ে দুর্গম উপকূলীয় এ জনপদের মানুষ নিরাপদে বসবাস করবে। এলাকার উন্নয়নের জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি রোববার বিকালে পাইকগাছা উপজেলার খড়িয়া বীনাপানি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে লস্কর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত নৌকা প্রতীকের জনসভায় এসব কথা বলেন। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক বিভূতি ভূষণ সানার সভাপতিত্বে ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফাইমিন সরদারের স ালনায় অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি এ্যাডঃ সোহরাব আলী সানা। বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগনেতা আলহাজ¦ শেখ মনিরুল ইসলাম, শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সমীরণ সাধু, সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, যুগ্ম-সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ^াস, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, আব্দুল মান্নান গাজী, কওছার আলী জোয়াদ্দার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মোঃ আবু হানিফ, সাধারণ সম্পাদক এমএম আজিজুর রহমান রাসেল, আওয়ামী লীগনেতা বিজন বিহারী সরকার, উপাধ্যক্ষ ত্রিদিব মন্ডল, মুরারী মোহন সরকার, এ্যাডঃ ইদ্রিসুর রহমান মন্টু, একেএম জি আজম, প্রভাষক রেজাউল করিম, কাউন্সিলর কবিতা দাশ, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ মন্ডল, এ্যাডঃ শেখ আবুল কালাম আজাদ, হাসান রুমি, ময়না বেগম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাংবাদিক তৃপ্তি রঞ্জন সেন, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, জহুরুল হক, বারিক গাজী, হামিম সানা, ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম, আব্দুর রব, শফিকুল ইসলাম, পরেশ মন্ডল, এসএম আমিনুর রহমান লিটু, জেলা ছাত্রলীগনেতা মৃণাল কান্তি বাছাড় ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পার্থ প্রতীম চক্রবর্তী।
    চিত্রনায়ক ইলিয়াস কা নের ৬৭তম জন্মদিন পালিত
    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস কা নের ৬৭তম জন্মদিন পালিত হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা পাইকগাছা উপজেলা শাখা এ জন্মদিনের আয়োজন করে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আরিফুজ্জামান, ওসি ওবাইদুর রহমান, প্রাক্তন অধ্যক্ষ হরেকৃষ্ণ দাশ, নিসচা সভাপতি এইচএম শফিউল ইসলাম, চলার সাথী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা শেখ আব্দুর রহমান, নিসচা সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সাংবাদিক এসএম আলাউদ্দীন সোহাগ, ইমদাদুল হক, ফসিয়ার রহমান, সিরাজুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, সেলিম মোড়ল, মিনারুল ইসলাম ও মাসুম বিল্লাহ।