Blog

  • নড়াইলে গৃহবধূকে হ*ত্যার পর মুখে বিষ ঢেলে দেয়ার অভিযোগ, স্বামী পলাতক

    নড়াইলে গৃহবধূকে হ*ত্যার পর মুখে বিষ ঢেলে দেয়ার অভিযোগ, স্বামী পলাতক

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি//

    নড়াইলের কালিয়ায় পারিবারিক কলহের জের ধরে মুনি আক্তার (৩০) নামে এক গহবধু বিষপানে আত্মহত্যা করেছ বলে স্বামীর পরিবারের দাবি। যৌতুক না পেয়ে মেয়েকে পিটিয়ে হত্যার পর মুখে বিষ ঢেলে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে জামাই ও তার পরিবার। এ অভিযোগ করেছেন মৃত মুনিরার বাবা মো.দুলাল মিয়া। সোমবার বিকালে সে বিষপান করলে চিকিৎসার জন্য কালিয়া হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়। সে উপজেলার কলাবাড়িয়া গ্রামের মো. মুরছালিন মোল্যার স্ত্রী। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী মুরছালিন পলাতক রয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মুরছালিনের পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, গত প্রায় ৭ বছর আগ রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার হুটকিয়া গ্রামের মো.দুলাল মিয়ার মেয়ে মুনিরা ঢাকার একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টারিতে এক সাথে চাকুরী করতো। চাকুরীর সুবাদে মুরছালিনের সাথে তার পরিচয় ও মন দেয়া নেয়ার মাধ্যমে মুনিরা মুরছালিনকে দ্বিতীয় বিয়ে করে। করোনাকালীন সময়ে মুরছালিন স্ত্রীকে নিয়ে কলাবাড়িয়া গ্রামের বাড়িতে চলে আসে এবং সেখানেই বসবাস করছিল। কিন্তু মুরছালিনের পরিবার তাদের প্রেমের বিয়ে মেনে নিতে রাজি না হওয়ায় পাবিবারিক কলহ লেগেই থাকতো। তারই জের ধরে সোমবার বিকালে ৪ টার দিকে মুনিরা বিষপান করলে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পরে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
    মুনিরার বাবা মো.দুলাল মিয়া অভিযাগ করে বলেন, চাহিদামত যৌতুক না পেয়ে আমার মেয়ে মুনিরাকে পিটিয়ে হত্যার পর মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে হত্যাকান্ডকে ঢাকতে চাইছে জামাই ও তার পরিবার। মেয়ের লাশ দাফনের পর আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
    উপজেলার নড়াগাতি থানার ওসি মো.মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে ।

  • নিন্ম আয়ের মানুষ ও দরিদ্রদের ভরসা কমদামের ফুটপথের শীতবস্ত্রের দোকান

    নিন্ম আয়ের মানুষ ও দরিদ্রদের ভরসা কমদামের ফুটপথের শীতবস্ত্রের দোকান

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পৌষের শুরুতেই শীতের তীব্রতা বাড়ায় পাইকগাছাসহ উপকূল অঞ্চলের সাধারণ মানুষের ভূগান্তি বাড়ছে। তাই শীত নিবারণে পাইকগাছায় ফুটপথের দোকান গুলোতে নতুন-পুরাতন শীত বস্ত্র বিক্রির ধুম লেগেছে। সারাদেশে শীত জেকে বসেছে। শৈত প্রবাহ ও হাঁড় কাঁপানো শীতে মানুষ সহ প্রাণী কুল জুবথুব হয়ে পড়েছে। এই শীতে প্রত্যেকের জন্য শীতবস্ত্র আবশ্যক হয়ে পড়েছে। নিন্ম আয়ের মানুষ ও দরিদ্রদের ভরসা কমদামের ফুটপথের শীতবস্ত্রের দোকান।যে যার সাধ্যমত শীতবস্ত্র ক্রয় করছে।ফুটপথের পুরাতন কাপড়ের দোকান গুলোতে মাঝে মধ্যে ভাল মানের পোশাক পাওয়া যায়। যা দেখতে একেবারেই নতুনের মত। তাই এ সব দোকানগুলোতে মধ্যবিত্ত ও ধনীদের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে। তীব্র শীতে নতুন শীতবস্ত্রের পাশাপাশি পুরাতন শীতবস্ত্র বিক্রি হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে।
    পাইকগাছায় ৩/৪টি স্থায়ী পুরাতন কাপড়ের দোকান থাকলেও শীতের এ সময় পাইকগাছা মাছ কাটা রোড ও পৌরসভার পাশের ৬/৭টি পুরাতন শীত বস্ত্রের দোকান বসেছে।তাছাড়া উপজেলার বিভিন্ন সাপ্তিহিক হাটে শীত বস্ত্র বিক্রি হচ্ছে। এসব দোকানে শীতের জ্যাকেট, সুয়েটার, কোর্ট, মাফলার, গেঞ্জী, মোজা ও মেয়েদের বিভিন্ন ডিজাইনের গরম কাপড়ের পরসা সাঁজিয়ে বসেছে। শীতের তীব্রতা বাড়ায় শীত বস্ত্রের বিক্রি ও বেড়েছে। পুরাতন কাপড়ের দোকানে অনেক ভাল মানের পোশাক পাওয়া যায়। যা কিনা নতুন কাপড়ের দোকানে পাওয়া যায় না। সে জন্য মাঝে মধ্যে এসব দোকানে উচ্চ বিত্তদের উকি ঝুঁকি দেখা যায়। গরীব মানুষ পুরাতন কাপড় কম দামে কেনার জন্য ফুটপথের দোকানে ভীড় করে বেশি। পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ী সরোয়ারা গাজী, মনির ও আবুল হোসেন জানায়,শীত বেড়ে যাওয়ায় বেচাকেনা ভাল হচ্ছে। বাচ্চাদের শীতবস্ত্র বিক্রেতা ইউছুপ আলী জানান, শুরুতে শীত কম থাকায় বিক্রি তেমন একটা ছিল না। তবে তীব্র শীত শুরু হওয়ায় বাচ্চাদের পোশাকের চাহিদা বেড়েছে, তেমনি বিক্রি হচ্ছে প্রচুর পরিমাণ। ২০-৩০ টাকা থেকে শুরু করে ৫শ থেকে ৮শ টাকা দর থেকে বিভিন্ন দামের পোশাক রয়েছে। তারা আরো জানায় উচ্চবিত্ত ক্রেতাদের কোন পোশাকটি পছন্দ হলে ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি করা যায়। শীতে বস্তিবাসী, দরিদ্র, ও নিম্ন আয়ের মানুষের পছন্দ কম দামের পুরাতন শীতবস্ত্রের ফুটপথের দোকান। তাই শীত জেঁকে বসায় দরিদ্র ও অল্প আয়ের মানুষ শীতের হাত থেকে বাঁচতে শীতবস্ত্র কিনছে ফুটপথ থেকে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছায় হরিনের মাংস সহ বিক্রেতা আটক

    পাইকগাছায় হরিনের মাংস সহ বিক্রেতা আটক

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছায় ৩ কেজি হরিনের মাংশ সহ এনামুল খাঁ নামে এক বিক্রেতাকে পুলিশ গ্রেফতা করেছে। সে উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের বয়ারঝাপা গ্রামের রুস্তম আলী খাঁ’র ছেলে। সোমবার রাত দশ টার দিকে সোলাদানা বাজার এলাকা থেকে ৩ কেজি হরিণের মাংসসহ গোপন সংবাদে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
    পুলিশ জানায়,উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নে সোলাদানা বাজারে হরিণের মাংস বিক্রি হচ্ছে এ সংবাদ পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। এ সময় ৩ কেজি হরিণের মাংশ সহ এনামুল খাঁ (৩৫) নামে একজনকে আটক করে। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান জানান, হরিণের মাংস সহ আটক ব্যক্তির নামে থানায় মামলা হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

  • নড়াইলে সফল অ*ভিযান ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

    নড়াইলে সফল অ*ভিযান ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//

    নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার একজন। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোহাম্মদ রাজিব মোল্লা (২৮) নামের একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ রাজিব মোল্লা (২৮) নড়াইল জেলার সদর থানাধীন আউড়িয়া গ্রামের মোঃ ইশারত মোল্লার ছেলে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে নড়াইল সদর থানাধীন ১০ নম্বর ভদ্রবিলা ইউনিয়নের ফুলশ্বর কাওমি মাদ্রাসার উত্তর পাশ থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই(নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন, এএসআই (নিঃ) আনিসুজ্জামান, এএসআই (নিঃ) মাহফুজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ রাজিব মোল্লা (২৮) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে ৫০ (পঞ্চাশ) পিস অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • তানোরে ব্র্যাকের বীজ কেলেঙ্কারি নিয়ে তোলপাড়

    তানোরে ব্র্যাকের বীজ কেলেঙ্কারি নিয়ে তোলপাড়

    আলিফ হোসেন,
    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোরে ব্র্যাকের আলু বীজ রোপণ করে বিভিন্ন এলাকার অসংখ্য
    আলু চাষি নিঃস্ব হয়ে পথে বসেছে। এবার ব্র্যাকের আলু বীজ কেলেঙ্কারির নিয়ে কৃষকদের মাঝে উত্তেজনা ও কৃষিবিভাগে
    রীতিমতো তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্র্যাকের মতো একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের চরম ইমেজ সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
    জানা গেছে, উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) মাদারীপুর,
    ভবানীপুর ও বিহারইল মাঠে সিংহভাগ আলুখেতে ব্র্যাকের বীজ রোপণ করা হয়েছে। কিন্ত্ত অধিকাংশ আলুখেতে
    আলু গাছ গজায়নি। মাদারীপুর গ্রামের আলু চাষি আল-মামুনের ১৩ বিঘা, আব্দুল করিম ১৫ বিঘা, ভবানীপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ১৫ বিঘা ও তরিকুল ইসলামের ১৯ বিঘা আলুখেতে তেমন কোনো আলু গাছ গজায়নি। আবার সামান্য যেটুকু গাছ গজিয়েছে তাতে গাছের গোড়ার বীজ পচে গেছে, গাছ ফেঁপে উঠছে। ক্ষতিগ্রস্ত আলু চাষিরা জানান, রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার ধুরইল বাজারের ব্র্যাকের বীজ ডিলার মেসার্স সততা এন্টারপ্রাইজ থেকে উচ্চ মুল্যে তারা এসব আলু বীজ কিনে রোপণ করেছেন। তাদের ধারণা এসব রিপ্যাক করা নিন্মমাণের নকল আলু বীজ দিয়ে ডিলার তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
    এদিকে উপজেলার রায়তান বাজেআকচা হিন্দুপুকুর ও মথুরাপুর মাঠের ৫ জন কৃষকের প্রায় সাড়ে ১২ বিঘা জমির রোপণ করা আলু বীজ অঙ্কুরিত না হয়ে
    পচে গেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ব্র্যাকের আলু বীজ ডিলার ধুরইল বাজারের গোলাম মোর্তুজা ও কথিত সাব-ডিলার তানোর পৌরসভার জিওল মোড়ের হাবিবুর রহমান ব্র্যাকের আলু বীজ রিপ্যাক করে খাবার আলু বীজ আলু বলে বিক্রি করেছে।
    সরেজমিন উপজেলার রায়তান বাজেআকচা হিন্দুপুকুর মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আলুখেত। মাঠে অনেক আলুচাষির আলুখেতে আলুর চারা গজায়নি। কৃষকরা জানান, বিগত যে কোন বছর থেকে এবার প্রতি বিঘায় খরচ বেড়েছে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা করে।
    এখন পর্যন্ত্য এক বিঘা আলুচাষে খরচ হয়েছে প্রায় ৬০ হাজার টাকা। তারা ঋণ-মহাজনের টাকায় আলু চাষ করেছেন।
    ক্ষতিপুরুন না পেলে তাদের নিঃস্ব হয়ে
    পথে বসতে হবে।
    আকচা গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আব্দুল মালেক বলেন, তিনি আলুর বীজ কিনতে জিওল মোড়ের হাবিবের দোকানে বুকিং দিয়েছিলেন। তার কাছে থেকে ব্র্যাকের এ-গ্রেড জাতের আলু বীজ কিনে প্রায় ২০ বিঘা জমিতে রোপণ করেছিলেন। রোপণের ১৯দিন অতিবাহিত হলেও তাঁর প্রায় সাড়ে সাত বিঘা জমির আলুর বীজের চারা ওঠেনি। আবার কিছু চারা উঠলেও সেগুলো আলু মাটির ভেতরে পচে গেছে, আগে কখানো এমন হয়নি। তার ধারণা তাকে খাবার আলু বীজ আলু বলে দেয়া হয়েছে। একই গ্রামের কৃষক
    কৃষক আলম, আশরাফুল, গোলাম রাব্বানী ও নূর ইসলাম বলেন, আলু রোপণ করেছি, কিন্তু মাটির ভেতরে সব পচে যাচ্ছে। আমরা ধুরইল বাজারের ডিলার মুর্তজার মাধ্যমে সাব-ডিলার হাবিবের দোকান থেকে ৮৫ বস্তা ব্র্যাকের এ-গ্রেড আলু লাগিয়েছিলাম। তাঁরা আরও বলেন, আলুতে একবার সেচ দেওয়ার পর মনে করেছিলাম গাছ উঠবে। কিন্তু জমিতে অনেক আলুর গাছ ওঠেনি। আবার উঠলেও সেসব গাছের আলু পচে গেছে। এবিষয়ে পৌরসভার জিওল মোড়ের সাব ডিলার হাবিব বলেন, চলতি মৌসুমে ব্র্যাকের এ-গ্রেড ২৩১ বস্তা ও বি-গ্রেড ৩০০ বস্ত ডায়মন্ড আলুর বীজ বিক্রি করেছি। এ- গ্রেডের আলুর বীজ প্রায় ৫৫ কৃষক কিনেছেন। এর মধ্যে ৫ জন কৃষকের অভিযোগ করেছেন, তাদের আলুর বীজ সঠিক ছিল না। কৃষকেরা সঠিকভাবে রোপণ করতে পারেনি। সেইসঙ্গে কয়েকদিন আগে অতিবর্ষণে লাগানো ওই আলু বীজের ক্ষতি হয়েছে। আলু বীজ রোপণের পর চারা গজানোর পরে শুকিয়ে যাওয়ায় দায় আমার নয়। আমি যে বীজ আলু পেয়েছি তাই বিক্রি করেছি। এবিষয়ে মোহনপুর উপজেলার ধুরইল বাজারের ব্র্যাকের আলু বীজ ডিলার মেসার্স সততা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী গোলাম মোর্তুজা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সমস্যা হয়েছিল, ব্র্যাক থেকে লোক এসে দেখে গেছে ও কৃষকের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ বিষয়ে ব্র্যাকের টেরিটরি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা কয়েকজনের অভিযোগ পেয়ে ওই মাঠে গিয়েছিলাম। এটা কৃষকের ভুল। তারা নিজেদের দোষ স্বীকার করছে না। তারপরেও আমাদের মনিটরিং টিম ওই মাঠে গিয়ে আলুখেত দেখবেন। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

  • গোদাগাড়ীতে ৩০০ গ্রাম হেরোইনসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    গোদাগাড়ীতে ৩০০ গ্রাম হেরোইনসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

    র‌্যাব নিয়মিত জঙ্গী, অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, অস্ত্রধারী অপরাধী, ভেজাল পণ্য, ছিনতাইকারী, ধর্ষণ, অপহরনসহ মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সদর কোম্পানি, র‌্যাব-৫, রাজশাহীর একটি আভিযানিক দল অদ্য ইং ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখ রাত্রী-২০.০০ ঘটিকায় ঘটনাস্থল রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানাধীন মহিষালবাড়ী গ্রামস্থ জনৈক মোছাঃ নুরনাহার বেগম (৪৫), স্বামী-মোঃ শহিদুল ইসলাম, সাং-মহিষালবাড়ী, ২নং ওর্য়াড, গোদাগাড়ী পৌরসভা, থানা-গোদাগাড়ী, জেলা- রাজশাহী এর পূর্বমুখী তিনতলা বিশিষ্ট ০২ রুমের ফ্লাট বাসার ভিতর হইতে হেরোইন-৩০০ গ্রামসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আসামী ১। মোছাঃ নুরনাহার বেগম (৪৫), স্বামী-মোঃ শহিদুল ইসলাম, সাং-মহিষালবাড়ী, ২নং ওর্য়াড, গোদাগাড়ী পৌরসভা, থানা-গোদাগাড়ী, জেলা- রাজশাহী কে গ্রেফতার করে। উক্ত হেরোইন আসামী অবৈধভাবে অজ্ঞাত স্থান হতে গোপনে সংগ্রহ করিয়া রাজশাহী জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করার জন্য তাহার নিজ হেফাজতে রাখিয়াছিল। উল্লেখ্য যে, উক্ত আসামী একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তাহার বিরুদ্ধে ১। রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার মামলা নং-৩১, তারিখ¬-১৬/০৯/২৩, জিআর-৪৮৯/২৩, ধারা- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ সনের ৩৬(১) সারণী ৮(খ)/৪১। ২। রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার মামলা নং-০২, তারিখ¬-০৩/১০/২৩, জিআর-৩৮৮/২১, ধারা- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ সনের ৩৬(১) সারণী ৮(খ) বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের উক্ত গ্রেফতারকৃত আসামীকে অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইন সংক্রান্তে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায় যে, ধৃত আসামী পার্শ্ববর্তী জেলা নাটোর হতে সংগ্রহ করিয়া উক্ত গাঁজা রাজশাহীর দিকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসতেছিল।

    গ্রেফতারকৃত উক্ত আসামীকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানায় এজাহার মুলে হস্তান্তর করা হয়েছে। শহিদুল ইসলাম সিদ্ধ ডিম বিক্রেতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করে মাদক ব্যবস্থা করে শূন্য থেকে কোটিপতি হয়েছেন। রাজকীয় তিনতলা বাড়ী, বিভিন্ন জায়গায় ২৫ বিঘা জমি, কোটি কোট টাকার ব্যাংক ব্যালেন্স অবৈধ কালটাকার সম্পদ করে তুলেছেন। মাদক সম্রাট শহিদুল সব সময় প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নেতা, অসৎ থানা পুলিশ, ডিবিপুলিশ ছত্রছাঁয়ায় মাদক ব্যবসা করে আসলেও র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এর জালে ধরা পড়েছেন।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • হাতীবান্ধায় বিএনপির  লিফলেট বিতরণ লাঠিচার্জ আহত সাত

    হাতীবান্ধায় বিএনপির লিফলেট বিতরণ লাঠিচার্জ আহত সাত

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।
    লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় উপজেলায়
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডামি প্রার্থী ও অবৈধ নির্বাচনের প্রতিবাদে বিএনপি নেতা সাহেদুজ্জামান কোয়েলের নেতৃত্বে লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় পুলিশের লাঠিচার্জে ৭ জন আহত হয়। গত (২৬ ডিসেম্বর)২০২৩ইং মঙ্গলবার উপজেলার মেডিকেল মোড় থেকে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে গিয়ে কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করছিলেন। বক্তব্য চলা কালীন সময়ে পুলিশের একটি দল উপস্থিত নেতা কর্মীদের লাঠিচার্জ করে। এতে বিএনপির নেতা সাহেদুজ্জামান কোয়েল সহ ৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে চায়ের দোকান ও আশপাশের বাড়িতে আশ্রয় নিলে পুলিশ সেখানেও তল্লাশি চালায়। পুলিশের লাঠিচার্জে আহতরা হলেন,বিএনপির নেতা সাহেদুজ্জামান কোয়েল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মনিরুল ইসলাম মানিক,নওদাবাস ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আমিনুর রহমান, হাতীবান্ধা উপজেল স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহবায়ক হাসানুল আলম খান জুয়েল, ছাত্রদল নেতা জাহিদ মোর্শেদ বাবু, জেলা যুবদলের গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সবুজ,পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মানিকুজ্জামান মিশু।
    এবিষয়ে বিএনপির নেতা সাহেদুজ্জামান কোয়েল বলেন,শান্তিপূর্ণ কর্মসুচীতে পুলিশের বাধা খুবিই ন্যাক্কারজনক ঘটনা। পুলিশের লাঠিচার্জ এ আমাদের সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওই বিএনপি নেতা।
    হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই তবে জনগনের নিরপত্তার জন্য পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে বন্ধ পরিকর।

    হাসমত উল্লাহ ।

  • ভোটারদের আস্থা নৌকায়, ভোটারদের আস্থায় শিবলী সাদিক

    ভোটারদের আস্থা নৌকায়, ভোটারদের আস্থায় শিবলী সাদিক

    জাকিরুল ইসলাম, দিনাজপুর প্রতিনিধি:

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৬ আসনের বিভিন্ন এলাকার চায়ের আড্ডার সঙ্গে জমে উঠেছে প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা। ভোটারদের আলোচনায় উঠে আসছে শিবলী সাদিকের নাম। বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট উপজেলা নিয়ে এ আসন গঠিত। এবারের নির্বাচনে এ আসনে আ’লীগের মনোনয়ন পেয়েছে বর্তমান এমপি শিবলী সাদিক।

    দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও শিবলী সাদিককে দিনাজপুর-৬ আসনে আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল। সংসদ নির্বাচনে সে সময় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় অনেকে নির্বাচিত হলেও শিবলী সাদিক জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে এমপি নির্বাচিত হন।

    সরেজমিনে এ আসনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ভোটারদের সাথে কথা বলেছেন এ প্রতিবেদক। তারা জানান, নির্বাচিত হবার পর শিবলী সাদিক তার নির্বাচনী ৪টি উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। শুধু তাই নয় মসজিদ, কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ, ব্রীজ, কালভার্ট রেকর্ড পরিমাণ নির্মাণ করেছেন। অনেক স্কুল কলেজের নতুন ৪ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন নির্মাণ ও পুরাতন ভবনের বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া ৪টি উপজেলায় ৪ টি সরকারি কলেজ, ৪ টি উচ্চ বিদ্যালয়’কে সরকারি করণ, ৪টি উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ, মডেল মসজিদ নির্মাণ, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবণ নির্মাণ, শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ ও ৪টি ৩১ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যায় উন্নতি করণ করেছেন। এছাড়াও ৪ উপজেলায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক, বিধবা, স্বামী নিগৃহীত ও প্রতিবন্ধীদের শতভাগ ভাতার আওতায় এনেছেন। ৮৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ১০৬ কিলোমিটার দূরত্বের দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ কাজটিও তারই অবদান।

    উন্নয়নের পাশাপাশি তিনি বন্ধ করেছেন অনিয়ম-দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, নিয়োগ বাণিজ্য, ঘুষ বাণিজ্য। নিশ্চিত করেছেন কাজের জবাবদিহিতা। করেছেন সরকারি বরাদ্দের সুষম বণ্টন। আর এসব কারণেই আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের আস্থা নৌকায়, ভোটারদের আস্থায় শিবলী সাদিক।

    ষাটোর্ধ্ব কৃষক বিনয় কুমার সরকার জানান, দিনাজপুর-৬ আসনে ইতোপূর্বে অনেক এমপি ছিলেন। কিন্তু সবাই বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিলেও অবহেলিত এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি। তবে শিবলী সাদিক এমপি হয়েই অভাবনীয় উন্নয়নের মাধ্যমে সত্যিই দৃশ্যপট পরিবর্তন করে দিয়েছেন। করোনাকালেও তিনি জনগণের পাশে ছিলেন। গত ১০ বছরে তিনি যে উন্নয়ন করেছেন আমার ৬০ বছর বয়সে তা দেখিনি। তাই আবার নৌকায় ভোট দেবো।

    অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক সামছুল মন্ডল বলেন, আমাদের এলাকায় পাকা রাস্তা হবে বা এতো উন্নয়ন হবে, আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি। কিন্তু শিবলী সাদিক এমপি হওয়ার পর আমরা আশাবাদী হয়ে উঠেছি। এখানেই অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে তার পার্থক্য। কারণ এলাকার মানুষ যে সব বিষয় নিয়ে ভাবে তার সবই তো তিনি পূরণ করে দিচ্ছেন।

    পঞ্চাশোর্ধ্ব সমাজসেবক ফজলুল হক বলেন, ‘একটা সময় এদিকে উন্নয়ন বলতে কিছুই ছিল না। রাস্তাঘাটের জন্য কেউ পাকা বাড়ি করার সাহস করতো না। শিবলী সাহেব এমপি হওয়ার পর রাস্তাঘাট উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের জীবনধারাও পাল্টে গেছে। গ্রামে বসবাস করে আমরা পাচ্ছি শহরের সুযোগ-সুবিধা।

    নৌকার প্রার্থী সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকার মনোনয়ন দিয়েছেন। জরিপ চালিয়ে এলাকায় সবচেয়ে জনপ্রিয় লোকটিকে তিনি মনোনয়ন দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী আগেই বলেছেন, কারো চেহারা দেখে মনোনয়ন মিলবে না। জনপ্রিয়তা দেখে মনোনয়ন দেয়া হবে। নিশ্চিত করে বলতে পারি, আমার জনপ্রিয়তার প্রমাণ পেয়েছেন বলেই নেত্রী আমার হাতে নৌকা তুলে দিয়েছেন। আমরা নির্বাচন করছি মানুষের উন্নয়নের জন্য। বিগত দিনে আমার নির্বাচনি এলাকায় উন্নয়ন করেছি বলেই জনগণ কাজ দেখে নৌকায় ভোট দেবেন।’

    ভোটারদের উদ্দেশে শিবলী সাদিক বলেন, ‘আমরা শান্তি চাই। দেশের উন্নয়ন চাই। দেশকে একটা শক্তিশালী অর্থনৈতিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এই উন্নয়ন দেখে আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন আপনারা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আ’লীগকে বিজয়ী করবেন। গত ১৫ বছর ধরে দেশের মানুষ নৌকায় আস্থা রেখেছে। আগামীতেও আস্থা রাখবে বলে আশা করছি।

    এদিকে, আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক এমপি আজিজুল হক চৌধুরী, জাসদ থেকে শাহ আলম বিশ্বাস, তৃণমূল বিএনপি থেকে মোফাজ্জল হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহনেওয়াজ ফিরোজ শুভ শাহ।

    জাকিরুল ইসলাম জাকির
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • পটিয়ার মানুষ সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার উন্নয়নের হিসাব চাই – এয়াকুব আলী

    পটিয়ার মানুষ সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার উন্নয়নের হিসাব চাই – এয়াকুব আলী

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার:
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) মনোনীত নোঙ্গর প্রতিকের প্রার্থী শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী বলেছেন, পটিয়ায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার যে উন্নয়ন করা হয়েছে বলে নির্বাচনের মাটে সাধারণ ভোটারদের সাথে মিথ্যাচার করছেন তার জবাব দিতে আগামী ৭ জানুয়ারীর দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনে নোঙ্গর প্রতিকে ভোট দিয়ে তার জবাব দিতে আহবান জানান তিনি।

    তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে পটিয়া লুটপাট করা হয়েছে। বর্তমান সংসদ সদস্য তিনি তার ভাই, ভাগিনা, আত্নীয় স্বজনেরকে দিয়ে হালুয়া রুটির ভাগাভাগি করেছে। ইতোমধ্যে সেই প্রভাব পটিয়ার নির্বাচনী মাটে পড়তে শুরু করেছে। তিনি যেখানেই যাচ্ছে সেখানেই সাধারণ মানুষ শোষন, শাসন আর লুটপাটের হিসেব চেয়ে তাকে প্রতিহত করছেন।

    নোঙ্গর প্রতিকের প্রার্থী এম এয়াকুব আলী আরো বলেন, গত ১৫ বছরে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী, নির্বাচন কমিশনের সুষ্ঠু ভোটের আশ্বাসে আমি এবারের নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। যারা গত ১৫ বছরে কেন্দ্র গিয়ে ভোট দিতে পারেনি তারা এবার ভোট দিতে পারবে। আর ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারলেই নোঙ্গর প্রতিকে ভোট দিয়ে দীর্ঘ দিনের বঞ্চিত শোষিত নিপিড়ীত মানুষ পরিবারতন্ত্রের মাধ্যমে হালুয়া রুটির ভাগাভাগি থেকে রক্ষা পেতে আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।

    তিনি সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) পটিয়া উপজেলার খরনা ইউনিয়নের নির্বাচনী কার্যালয় উদ্ধোধন পরবর্তী এক পথ সভায় এসব কথা বলেন। এসময় তিনি খরনা এলাকায় বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ মোড়ে জনসংযোগ করেন। তখন খরনা এলাকার গ্রামীন সড়কের বেহাল দশা দেখিয়ে দিয়ে গত ১৫ বছরের উন্নয়ন বঞ্চিত এলাকার লোকজন তাদের হতাশার কথা জানান। তিনি নির্বাচিত হলে পটিয়াবাসীর ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

    তিনি সোমবার সারাদিন উপজেলার জিরি ইউনিয়ন ও খরনা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, মনসুর আলম, ইন্জিনিয়ার আবদুর রশিদ, হাজী ছৈয়দ, আবদুর রশিদ, মোহাম্মদ আলী, নাদেরুজ্জামান, ডা. জাহাঙ্গীর, আইয়ুব আলী, হারুন, আইয়ুব ভান্ডারী, ডা. রাসেল, নুর আলম, জসিম, সাদ্দাম, জাহিদ সহ আরো অনেকেই।

  • গোদাগাড়ীতে সরকারি রিটার্নিং ওয়ালের উপর  নির্মিত মার্কেট  ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিল পৌরকর্তৃপক্ষ

    গোদাগাড়ীতে সরকারি রিটার্নিং ওয়ালের উপর নির্মিত মার্কেট ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিল পৌরকর্তৃপক্ষ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের মহিশালবাড়ী বাজরে বৈদ্যুতের ট্যান্সমিটারের গা ঘেঁষে নিয়মনীতি উপেক্ষা পৌরসভার নির্মিত রিটার্নিং ওয়াল ও সাকো বন্ধ করে জামায়াত নেতা ডা. ইসমাইল হোসেন মার্কেট নির্মান করেছিলেন। এ ব্যপারে বিভিন্ন অন লাইন পোটালে নিউজ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেন পৌরসভা কতৃপক্ষ। কাজটি বন্ধ করে দেন। পৌরসভার আমিন দিয়ে মাপার পর জামায়াত নেতা ইসমাইল বাধ্য হয়ে ভেঙ্গে নিয়েছেন। পৌরসভার নিয়ম মেনে মার্কেট নির্মান করার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন পৌর কতৃপক্ষ।

    পৌরসভার মহিশালবাড়ী জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক, গোদাগাড়ী মহিলা ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যাপক, হোমিও ডাক্তার, আলহাজ্ব মোঃ ইসলাইল হোসেন পৌরসভার নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে গত বুধবার হতে বৈদ্যুতিক ট্যান্সফরমারের গা ঘেঁষে পাম্প বসিয়েছেন। পৌরসভার ১৫ লাখ টাকায় নির্মিত রিটার্নিং ওয়ালের উপর ওয়াল দিয়ে, একটি সাঁকো বালু দিয়ে ভরাট করে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে বীরদাপটে মার্কেট নির্মান করেছেন। জামায়াত নেতার এমন অবৈধ কর্মকান্তে এলাকাবাসী হতাশ হয়েছিলেন।
    ১১ হাজার বৈদ্যুতিক লাইনের নীচে তিনটি দোকান নির্মান করছেন এটা মারাত্বক বিপদজনক। দুর্ঘটনা ঘটলে, প্রানহানি হলে তার দায়ভার কে নিবে জনগনের প্রশ্ন?

    এ ব্যপারে গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়য় আলহাজ্ব মোঃ অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পৌরসভার নিময় ভঙ্গ কেউ মার্কেট নির্মান করতে পারবেন না। পৌরসভার নির্মিত রিটার্নিং ওয়াল ভেঙ্গে তার উপর ওয়াল দিয়ে মার্কেট নির্মান করা ও ব্রীজ মাটিদিয়ে ভরাট করা মারাত্বক অপরাধ। নির্মান কাজ বন্ধ করা হয়েছিল। তিনি নির্মিত ওয়াল ভেঙ্গে নিয়েছেন।

    পৌরসভার প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান মুকুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পৌরসভার সার্ভিয়ার দিয়ে পরিমাপ করা হয়েছে। রিটার্নিং ওয়ালের উপর নির্মিত ওয়াল ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব অয়েজ উদ্দীন বিশ্বাসের সিদ্ধান্তে পৌরসভার নিয়মনীতি মেনে রিটার্নিং ওয়ালের বাইরে নতুন ওয়াল দিয়ে মার্কেট নির্মান করবেন। পৌরসভার সভার অর্থে নির্মিত রিটার্নিং ওয়ালের উপর
    অবৈধভাবে নির্মিত মার্কেট ভেঙ্গে ফেলায় পৌর মেয়র, প্রকৌশলীকে ধন্যবাদ জানান এলাকার সচেতন মহল।

    এব্যপারে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আলহাজ্ব ইসমাইল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি পৌরসভার নির্মিত সাঁকো, রিটার্নিং ওয়াল ভেঙ্গে তার উপর ওয়াল দিয়ে মার্কেট নির্মান করার বিষয়টি স্বীকার করেন। এবং পৌর কতৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্মিত মার্কেটের ওয়াল ভেঙ্গে ফেলেছেন বলে তিনি জানান।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।