আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহী-১ ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে নির্বাচনী গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা জমে উঠেছে। কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরা। এদিকে ২৮ ডিসেম্বর বুধবার গোদাগাড়ী উপজেলা ও কাঁকনহাট পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এমপি ফারুক চৌধুরী নৌকার পক্ষে ভোট প্রার্থণা করে গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা করেছেন। তার প্রচারণায় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে একইদিন তানোর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, কর্মী-জনবান্ধব এবং ভোট মেশিন নেতা নামে পরিচিত উপজেলা
চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না তানোর পৌরসভার এক থেকে নয় নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা করেছেন। এসময় তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও অর্জনের চিত্র তুলে নৌকার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেছেন। এদিকে ময়না নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ শুরু করায় রাতারাতি ভোটের মাঠের চিত্র পাল্টে গেছে, নৌকার পালে লেগেছে বিজয়ের হাওয়া।
এদিকে নির্বাচনের দিন যতো ঘনিয়ে আসছে ততোই নৌকার জনসমর্থন বাড়ছে, স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহীদের জনসমর্থন
কমছে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞরা।এতে বিপাকে পড়ছে স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। নৌকার বিপক্ষে প্রার্থী হয়ে তারা তাদের কর্মী-সমর্থকদের নিজেদের পক্ষে ধরে রাখতে পারছেন না বলে মনে করছে সাধারণ ভোটারগণ। ফলে নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে প্রার্থী নয় মেইন ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে প্রতিক নৌকা।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ না করায় রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসনে এবার প্রার্থীদের জয়-পরাজয়ে মেইন ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে প্রতিক নৌকা। আগামী ৭ জানুয়ারী রোববার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
অন্যদিকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বোধদয় হয়েছে এটা স্থানীয় নয় ক্ষমতা পরিবর্তনের নির্বাচন। কাজেই সরকার দলীয় প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়, তারা উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে সরকার দলীয় প্রার্থী তথা নৌকার বিজয় চাই। এদিকে আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে বোধদয় হয়েছে এটা দলের সভাপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রেষ্টিজ। তাই তারা এবার কারো কোনো মোহে বা প্ররোচনায় পড়ে নৌকার বিপক্ষে ভোট প্রয়োগ করবেন না, করতে পারেন না। তাদের অভিমত, ভুল থাকতে পারে প্রার্থী বা কোনো নেতাকর্মীর। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোনো ভুল করেননি, তায় তার সম্মান রক্ষায় তার দেয়া প্রতিক নৌকার বিজয় ব্যতিত বিকল্প নাই। কারণ দলীয় প্রার্থীর পরাজয় ঘটলে কেউ প্রার্থীর পরাজয়ের কথা বলবে না, বলবে নৌকার পরাজয় ঘটেছে, আর এটা আওয়ামী লীগের কোনো নেতা বা কর্মী-সমর্থকের কাম্য হতে পারে না। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ভাষ্য স্থানীয় সাংসদের জনপ্রিয়তা ও আওয়ামী লীগের বিশাল কর্মী বাহিনী কাজে লাগাতে পারলে এখানে নৌকার বিজয় প্রায় নিশ্চিত।
তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, সাধারণ মানুষের ভাগ্যর উন্নয়ন এবং উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে নৌকার কোনো বিকল্প নাই, নৌকা হলো উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারক-বাহকের প্রতিক। তিনি বলেন, নৌকার বিজয় মানে স্বধীনতার পক্ষের শক্তি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সাধারণ মানুষের বিজয়, তাই নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের আদর্শ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যারা বিশ্বাসী তারা কখানোই নৌকা প্রতিকের বিপক্ষে কাজ করতে পারেন না, যারা করছে, তারা সুবিধাবাদী তারা কখানোই আওয়ামী লীগের ভালো চাইনি এখানো ভালো চাই না। ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভুল থাকতে পারে তার বা তার দলের কোনো নেতাকর্মীর, এমনকি প্রার্থীর জানা অজানায় কোনো ভুলক্রটি থাকতে পারে।
কিন্ত্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কোনো ভুল করেননি, তিনি এখানো দেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তাই আপনাদের নৈতিক দায়িত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে তার মনোনিত প্রার্থীকে বিজয়ী করা।
জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনে আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক চৌধুরী (নৌকা), বিএনএমের শামসুজ্জোহা (নোঙর), বিএনএফের আল-সাআদ (টেলিভিশন), তৃণমূল বিএনপির জামাল খান দুদু (সোনালী আঁশ), এনপিপির নুরুন্নেসা (আম), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের বশির আহমেদ (ছড়ি), জাতীয় পার্টির শামসুদ্দীন (লাঙল), মাহিয়া মাহি (ট্রাক), গোলাম রাব্বানী (কাঁচি), আখতারুজ্জামান আখতার (ঈগল) ও আয়েশা আক্তার জাহান ডালিয়া (বেলুন) প্রতীক নিয়ে প্রতিদন্দীতা করছেন।
রাজশাহী-১ আসনে ৪টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৫৮টি। ভোটকেন্দ্রের কক্ষের সংখ্যা ৯৯৪ টি। অস্থায়ী ভোট কক্ষের ৫১ টি। নতুন ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৩ টি। এই আসনের তানোর উপজেলায় পুরুষ ভোটার ৯০ হাজার ১৪৩ জন, আর নারী ভোটার ৯০ হাজার ৮৭০ জন। গোদাগাড়ী উপজেলায় পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৪ জন। নারী ভোটার ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৭০ জন। একজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন।
এদিকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে এমপি ফারুক চৌধুরী নৌকা প্রতিক নিয়ে অন্যদের থেকে যোজন যোজন দুরুত্বে এগিয়ে রয়েছেন। জানা গেছে, ২৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ও ২৮ ডিসেম্বর বুধবার এমপি ফারুক চৌধুরী তানোর এবং গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা করেন। এমপির প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে সাধারণ মানুষের স্বত্বঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ তার জনপ্রিয়তারই প্রমাণ দিচ্ছে।#
Blog
-

রাজশাহী-১ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা জমে উঠেছে
-

সুজানগরে ডিএসবি পুলিশ পরিচয়ে প্রেম,বিয়ে অতঃপর
এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা) ঃ ডিএসবির পুলিশ সদস্য পরিচয়ে প্রেম,পরে প্রতারণা করে বিয়ের অপরাধে আপেল মাহমুদ(৩৫) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। সে পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার ডেমরা ইউনিয়নের মৃধাপাড়া গ্রামের মো.বাকী বিল্লাহর ছেলে। আটকের পর তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হওয়ায় বুধবার ওই ভূয়া ডিএসবি পুলিশ সদস্যকে পাবনা আদালতে প্রেরণ করেছে সুজানগর থানা পুলিশ। সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জালাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ডিএসবি পুলিশ পরিচয়ে এবং নিজেকে আশিক নাম পরিচয় দিয়ে পাবনার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের নওয়াগ্রামের মাহিয়া খাতুন(১৭) নামে স্থানীয় উদয়পুর উচ্চ বিদ্যারয়ের ১০ শ্রেণীর এক ছাত্রীর সঙ্গে ৫ মাস পূর্বে সখ্যতা গড়ে তোলে এবং গত ২০ সেপ্টেম্বর বিয়ে করে ওই প্রতারক। পরে তার বিভিন্ন কর্মকান্ডে সন্দেহ হলে তার স্ত্রীর পরিবার পুলিশকে খবর দিলে ভূয়া ডিএসবি পুলিশের পরিচয়পত্র তাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রতারণার শিকার কিশোরী মাহিয়া খাতুন জানান, রাজবাড়ী খালার বাড়ী যাবার সময় নাজিরগঞ্জ ফেরিঘাটে প্রতারক আপেল মাহমুদের সাথে তার প্রথম পরিচয় হয় গত ৫ মাস পূর্বে পরে সেখান থেকেই মোবাইল ফোনে তাদের দুইজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এবং সে নিজেকে ডিএসবি পুলিশের চাকুরী করেন বলে পরিচয়পত্র দেখান। এবং তার বাড়ী আতাইকুলা থানার শিবপুর এলাকায় বলে জানায়। পরে পরিবারের সম্মতি ছাড়াই আমরা দুইজন ফরিদপুর জেলার একটি কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করি। গত বুধবার আমাদের নিজ বাড়ীতে এসে অবস্থান করে স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে পুলিশে চাকুরী দেবার কথা বলে টাকা চাইতে থাকলে আমার এবং আমার মায়ের সন্দেহ হয়। পরে থানা পুলিশ আটকের পর জানতে পারি সে এর আগে আরও ৩টি বিয়ে করেছে। আপেল মাহমুদের প্রথম স্ত্রী রুমা খাতুন জানায়,তার সাথেও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে গত ২০০৯ সালে সে যখন সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী তখন বিয়ে করে এবং তাদের সংসারে একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। তার স্বামী আপেল অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেছে বলেও জানায় সে। এ সময় গ্রেফতার প্রতারক স্বামীর কঠোর বিচার দাবী করেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট । এছাড়া গত এক বছর পূর্বে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তুলে পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের ২য় বর্ষের এক ছাত্রীকে বিয়ে করে প্রতারক আপেল মাহমুদ। সেই ছাত্রীর বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নে পারচিথলিয়া গ্রামে। প্রতারণার শিকার ওই ছাত্রীর ভাই সাইদ হোসেন জানান, গত এক বছর আগে আমার বোনকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে ওই প্রতারক। এবং পুলিশের এস আই পদন্নতি নিতে তার ১০ লাখ টাকা লাগবে বলে টাকা নেয় আমার পরিবারের নিকট থেকে। পরে কিছুদিন পর জানতে পারি তার সবকিছুই ভূয়া।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ।। -

পাটগ্রামে স্বতন্ত্র ঈগল পাখির জনসভা অনুষ্ঠিত
মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম ডি আতাউর রহমান প্রধান এর নির্বাচনী জন সভা অনুষ্ঠিত হয়ে।গত ২৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।উক্ত জনসভায় বক্তব্য রাখেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এমডি আতাউর রহমান (প্রধান),সহ ঈগল মার্কার সমর্থক অনেক নেতা। এসময় এমডি আতাউর রহমান প্রধান বলেন এবারের নির্বাচন অনন্ত সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে,আপনারা সবাই সকাল সকালে ভোট কেন্দ্রে আসবেন এবং ঈগল মার্কায় ভোট দিবেন। আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক চেয়ারম্যান দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ কামাল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মকবুল হোসেন,সহ আরো অনেকে ঈগল পাখি মার্কায় ভোট দিয়ে পাটগ্রাম – হাতীবান্ধার উন্নয়ন করার সুযোগ দিন।হাসমত উল্লাহ।
-

টাঙ্গাইলের মধুপুরে পৌর বিএনপির লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ
মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
সরকার পতনের এক দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে অসহযোগ আন্দোলন এবং ৭ জানুয়ারির ভোট বর্জনে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে টাঙ্গাইলের মধুপুরে দিনব্যাপী লিফলেট বিতরণ করেছেন পৌর বিএনপি ও তার সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বুধবার দিনব্যাপী মধুপুর পৌরশহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ খন্দকার মোতালিব হোসেন এর নেতৃত্বে পৌর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে লিফলেট বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম সিদ্দিক,পৌর বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান রবিন,পৌর বিএনপির স্বেস্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আতিকুর রহমান বাবু,পৌর যুবদলের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম সাগর,পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মো.শামীম হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক লিটন ঘোষ, পৌর যুবদল নেতা আরিফিন রহমান সোহাগ, ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল, সাধারণ সম্পাদক সুরুজমিঞা, ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাসুদ,৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুস ছালাম,সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন, পৌর বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাইদুল কাজী সহ মধুপুর পৌর বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল সহ সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় দেশপ্রেমিক ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নেতারা বলেন, আপনারা আসন্ন ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে কেউ ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। অন্যকেও যেতে না বলুন। আপনারা এই নির্বাচন বর্জন করুন। তারা আরও বলেন, অহযোগ আন্দোলনের মাধ্যমেই এ সরকারের পতন ঘটিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্তাবধায়ক সরকারের দাবি আদায় করা হবে বলেও জানান। -

পটিয়ার আশিয়া ও কাশিয়াইশ ইউনিয়নে গণসংযোগ কালে শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী
মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার:
শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী বলেছেন,পটিয়ার মানুষ শান্তিপ্রিয় তারা সবসময় শান্তি চাই। এতো বছর ধরে তারা অশান্তিতে ছিল। শাসন আর শোষণের যাঁতাকলে পিষ্ট ছিল। ভয়ে মুখ খুলতে পারে নি তারা। পটিয়ার মানুষ ভালো থাকলে আমি ভালো থাকি, পটিয়ার মানুষ দুঃখে থাকলে আমি ব্যাথিত হই। সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে আজ মাদকের ছোবল গ্রাস করেছে। যার কারনে যুব সমাজ অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হয়েছে। আমি নির্বাচিত হলে পটিয়া থেকে সন্ত্রাস মাদক মুক্ত পটিয়া বির্নিমানে কাজ করব।তিনি বলেন, আজকে যারা হেভিওয়েট প্রার্থী বলে এলাকায় গুজব ছড়াচ্ছে তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ ভাটোয়ারা নিয়ে ইতোমধ্যে মারামারি হানাহানি শুরু হয়েছে। পাল্টা পাল্টি হামলা মামলা হয়েছে। এবার পটিয়ার মানুষ তাদের হাত থেকে পরিত্রান চাই। কোন পেশিশক্তি এবারের নির্বাচনে সুযোগ নিতে পারবে না। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে সেই তথাকথিত হেভিওয়েট প্রার্থীরা মানুষের কাছে ভোট চাইতে যায়নি। কারন তারা দিনের ভোট রাতে নিয়েছে। এবার আমি প্রার্থী হওয়ায় তারা যাচ্ছে ভোটারদের ধারে ধারে, এমনকি টাকার প্রলোভনও দিচ্ছে সাধারণ ভোটারদের। আমি যেখানে যাচ্ছি সেখানেই সাধারণ মানুষের ঢল নামছে। তারা মুখিয়ে আছে তাদের ভোটাধিকার আদায়ের সংগ্রামে অংশ নেয়ার। এবার পশ্চিম পটিয়াবাসী ঐক্যবদ্ধ। তারা শোষণ শাসনের বিরুদ্ধে নোঙ্গর প্রতিকে ভোট দিয়ে পশ্চিম পটিয়ার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে চাই।
বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) মনোনীত প্রার্থী শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী পটিয়ার বুধপুরা বাজার ও আশিয়া বাংলা বাজার এলাকায় নোঙ্গর প্রতিকের নির্বাচনী কার্যালয় উদ্ধোধন ছাড়াও পিঙ্গলা, শেখপাড়া, মল্লপাড়া, মুন্সিপুকুর পাড়, আশিয়া বাংলা বাজার, পূর্ব আশিয়া এলাকায় গণসংযোগ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মনসুর আলম, ইন্জিনিয়ার আবদুর রশিদ, আলহাজ্ব ছৈয়দ, ডা. জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ আলী, জায়েদুল হক মেম্বার, আলী আহমদ, নাঈম উদ্দিন সওদাগর, আলমগীর, আবছার, কালু, শফি, নেছার সহ আরো অনেকেই।
-

বালুচরে নৌকা প্রতীকের বিজয়ের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের বালুচরে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর ও সিরাজদিখান নিয়ে গঠিত মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের নৌকার প্রার্থী আলহাজ্ব মহিউদ্দিন আহম্মেদ কে বিপুল ভোটে বিজয় করার লক্ষ্যে নির্বাচনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার ২৭ ডিসেম্বর বিকাল ৪ ও ৫ টার দিকে উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের খাসমহল বালুচর বাদসা মার্কেট ও আলী মার্কেট বালুচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় আওয়ামী লীগের নৌকাকে বিজয়ের লক্ষ্যে সকল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের একত্র হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান মুন্সীগঞ্জ ১ আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক,সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিন হাওলাদার,সাংগঠনিক সম্পাদক আমজাদ সরকার,উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট তাহমিনা আক্তার তুহিন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সিনিয়র নেতা মোস্তফা কামাল,বালুচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী আওলাদ হোসেন,বালুচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আলেকচান মুন্সী,সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আকবর,আওয়ামী লীগ নেতা শাহবাজ সরকার,মুন্সিগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ তাজুল ইসলাম পিন্টু সহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী সমর্থক।
-

বিরামপুরে পেট্রোল পাম্পে আগুন
জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুর জেলার বিরামপুর শহরে ফিলিং স্টেশনে আগুন লেগেছে। আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ৩০ মিনিট চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বুধবার বিকেল উপজেলার রেলগুমটির পাশে শারমিন ফিলিং স্টেশনে এ আগুন লাগে। নবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাইফুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখানে ছুটে যায়। বিরামপুর ও ফুলবাড়ি ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটও এসে অগ্নিনির্বাপণে কাজ শুরু করে। প্রায় ৩০ মিনিট পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, এ বিষয়ে তিনি বলতে পারেননি।
এ বিষয়ে বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার জানান, তেলের পাম্পে তেল ঢালতে গিয়ে তাদের অসাবধানতার কারণে আগুন লেগেছিল। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
জাকিরুল ইসলাম জাকির
বিরামপুর, দিনাজপুর। -

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে তরুণরাই হবেন মূল শক্তি-মেনন
মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তরুণদের দক্ষ ও যোগ্য হয়ে গড়ে উঠতে হবে।
মেনন বলেন তরুণদের কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ ব্যাবস্হা নেয়া হবে। সংসদে তরুণদের কন্ঠ প্রতিনিধিত্ব করতে তাই নৌকাকে নির্বাচিত করুন।
বুধবার ২৭ ডিসেম্বর বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের মরিচ বুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বিশারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ আয়োজিত জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত ১৪ দলের নৌকা মার্কার প্রার্থী জননেতা রাশেদ খান মেননের নৌকা মার্কার উঠান বৈঠক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শাজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে উঠান বৈঠকের প্রধান অতিথি রাশেদ খান মেনন এসব কথা বলেন। উঠান বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব গোলাম ফারুক— সভাপতি বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামিলীগ,অ্যাড:মাওলাদ হোসেন সানা—সাধারন সম্পাদক বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামিলীগ সাইফুল ইসলাম শান্ত—চেয়ারম্যান বিশারকান্দি ইউনিয়ন,কামাল পার্ভেজ—সাধারন সম্পাদক বিশারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ। -

টানা তৃতীয়বারের মত ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ করদাতা আব্দুল আউয়াল সেলিম
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
টানা তৃতীয়বারের মত ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ করদাতা নির্বাচিত হয়েছেন ময়মনসিংহ নগরীর কেওয়াটখালী এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আব্দুল আউয়াল সেলিম। তিনি মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতার বিশ্বস্থ আস্থাভাজন। এ নিয়ে তিনি তৃতীয় বারের মতো ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ (তরুণ) করদাতা নির্বাচিত হলেন। বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর অঞ্চল ময়মনসিংহের সেরা করদাতাদের সম্মাননা ক্রেস কার্ড ও সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়ার হাত থেকে তিনি এই সম্মাননা পদক গ্রহণ করেন।আব্দুল আউয়াল সেলিম মেসার্স মাল্টি প্লেক্স এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্বাধিকারী।
আব্দুল আউয়াল সেলিম বলেন, ‘ব্যবসা বড় হতে থাকলেও কখনই কর ফাঁকি দেওয়ার চিন্তা মাথায় আসেনি। ব্যবসা শুরুর পরের বছর থেকে আমি আয়করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করি। ব্যবসা যত এগিয়েছে, কর দেওয়া ততই বাড়িয়েছি। ২০২০ সালে প্রথম ময়মনসিংহ জেলায় সেরা করদাতা হিসেবে সম্মননা পাই। এরপর ২০২১ সালে ও সর্বশেষ ২০২৩ সালেও সেরা করদাতা নির্বাচিত হলাম। আমি মনে করি, রাষ্ট্রের সঙ্গে কখনই বেঈমানি করা উচিত নয়। কখনই সম্পদের হিসাব গোপন রাখা উচিৎ নয়।’
আব্দুল আউয়াল সেলিম ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ করদাতা নির্বাচিত হওয়ায় ময়মনসিংহ বাসী তাকে শুভেচ্ছা ও অভিন্দন জানিয়েছেন।
-

বিরামপুরে নৌকার প্রার্থী শিবলী সাদিকের গণসংযোগ
জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুর-৬ আসনের নির্বাচনী উপজেলা বিরামপুরের বিভিন্ন গ্রামে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে গণসংযোগ চালিয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শিবলী সাদিক।বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট উপজেলা নিয়ে এ আসন গঠিত। এবারের নির্বাচনে এ আসনে আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছে বর্তমান এমপি শিবলী সাদিক।
বুধবার দুপুরে উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে দলীয় নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চেয়েছেন তিনি। এসময় এমপি শিবলী সাদিক ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বিরামপুর গড়তে নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার কোন বিকল্প নেই। নৌকা প্রতীকে ভোট দিলে এই ইউনিয়নের রাস্তা-ঘাট, বেকারত্ব দূরীকরণসহ নানা প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তিনি ভোটারদের আগামী ৭ জানুয়ারী ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার অহব্বান জানান।
এমপি শিবলী সাদিক উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের ভগবতিপুর, শ্রীপুর, মোন্নাপাড়া, সোটাপীর, কাচারী, খয়েরপাড়া, হরিদাসপুরসহ অসংখ্য গ্রামে নারী ও পুরুষ ভোটারদের মাঝে প্রচারণা চালান। এরআগে বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সাথে নির্বাচনী উঠান বৈঠক এবং পৌর শহরের পূর্ব পাড়ায় সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির সদস্যের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি। গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে স্থানীয় নারী পুরুষ ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে অংশ গ্রহণ করেন।
গণসংযোগকালে পৌর মেয়র অধ্যক্ষ আককাস আলী, উপজেলা আ’লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শীবেশ কুন্ডু, নাড়ু গোপাল কুন্ডু, রহমত আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মাস্টার, সেলিম রানা, মতিয়ার রহমান সহ উপজেলা আ’লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী-সমর্থক ছাড়াও নানা শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এসময় নৌকার স্লোগানে মুখর হয়ে উঠে চারপাশ।
জাকিরুল ইসলাম জাকির
বিরামপুর, দিনাজপুর।