Blog

  • শিল্পপতি এম এয়াকুব আলীর গণসংযোগ

    শিল্পপতি এম এয়াকুব আলীর গণসংযোগ

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার:
    শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী বলেছেন, এবার পটিয়ার মানুষ আর ভুল করবে না। ২০০৮ সালে ভুল করে পটিয়াবাসী সেই ভুলের খেসারত দিতে হয়েছে গত ১৫ বছরে। পটিয়ার কেউ ভালো ছিল না। ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাননি। এবার সময় এসেছে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের হাহাকার থেকে বাঁচার। পটিয়ার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে গত ১৮ বছর ধরে কাজ করেছি, প্রয়োজনে আরো ১৮ বছর কাজ করব। তারপরও পটিয়ার মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন বাস্তবায়ন করে ফিরব।

    তিনি বলেন, পটিয়াকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আমি নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে অনুরোধ জানিয়েছি। সারা পটিয়া জুড়ে নোঙ্গর প্রতীকের রব উঠেছে। আগামী ৭ জানুয়ারীর নির্বাচনে সাধারণ মানুষ ভোট কেন্দ্রে যেতে পারলেই নোঙ্গর প্রতীকের বিপ্লব ঘটবে। কারন পটিয়ার মানুষ পরিবর্তন চাই। জনগণের সেই আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে আমি এবার প্রার্থী হয়েছি। প্রতিদিন পটিয়ার যেখানেই যাচ্ছি সেখানেই সাধারণ মানুষ তাদের আক্ষেপের কথা বলছেন, শোষণ শাসনের আর বঞ্চনার কথা বলছেন। তাই ভোটের দিন যার যার অবস্থান থেকে পরিবর্তনের জন্য কাজ করার আহবান জানান।

    বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে পটিয়া উপজেলার ভাটিখাইন, ছনহরা, বিনানীহারা, হরিনখাইন এলাকায় নির্বাচনী কার্যালয় উদ্ধোধন এবং গণসংযোগকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) মনোনীত নোঙ্গর প্রতীকের প্রার্থী শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী এসব কথা বলেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী, জায়েদুল হক মেম্বার, ডা. জাহাঙ্গীর, আইয়ুব আলী, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছৈয়দ, মোহাম্মদ আলী, নুরুল ইসলাম, সামশুল আলম সিকদার, দিদারুল আলম সিকদ, শাহ আলম দৌলতী, ওসমান দৌলতী, জাহেদুল হক, জসিম, ওসমান প্রমুখ।

  • কালীগঞ্জে মোটরসাইকেল ফেনসিডিলসহ আসামী গ্রেফতার

    কালীগঞ্জে মোটরসাইকেল ফেনসিডিলসহ আসামী গ্রেফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।
    কালীগঞ্জ থানা পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে ২৫ বোতল ফেনসিডিলসহ ১টি মোটরসাইকেল ও ১জন আসামী গ্রেফতার এবং জিআর ওয়ারেন্টভূক্ত ১জন আসামী গ্রেফতার।
    পুলিশ সুপার লালমনিরহাট মহোদয় এর দিক নির্দেশনায় কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ ইমতিয়াজ কবির এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব মাসুদ রানা’র নেতৃত্বে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের এস আই মোঃ মাসুদ মিয়ার একটি চৌকস আভিযানিক টিম কর্তৃক থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা কালে ৬নং গোড়ল ইউনিয়নের গোড়ল মৌজাস্থ জনৈক মোঃ আব্দুল কাদের মাস্টার এর তামাক ক্ষেত সংলগ্ন গোড়ল চৌপথি হতে বেতগাড়ীগামী পাকা রাস্তার পূর্ব পার্শ্বে রাস্তার উপর পৌছা মাএই পুলিশের উপস্থিতি টের পাইয়া পালানোর চেষ্টাকালে ২জন ব্যক্তি একটি মোটরসাইকেল রেখে পালিয়ে যায় এবং ১জন ব্যাক্তিকে আটক করে।তখন সাক্ষীদের উপস্থিতিতে আসামী ১। পবিত্র কুমার রায় (৩৪),পিতা- মৃত ফনি ভুষন,সাং- ঘোঙ্গা গাছ,থানা- কালীগঞ্জ এর দেহ ও মোটরসাইকেল তল্লাশী করে ফেলে যাওয়া মোটরসাইকেলের সিটের নীচ থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিল পাইয়া জব্দতালিকা মূলে জব্দ করে এবং ঘটনার সহিত জড়িতদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সনের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করেন। এবং থানা পুলিশের অপর একটি টিম এএসআই মনোয়ার এর নেতৃত্বে মালগাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া জিআর- ৭০/১৫ এর ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী ২। আজমীর হোসেন, পিতা-মোঃ লাল মিয়া, সাং- মালগাড়া,থানা- কালীগঞ্জকে ধৃত করে বিধি মোতাবেক আসামীদ্বয়কে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

    হাসমত উল্লাহ।

  • পূজা উদযাপন ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাথে রশীদুজ্জামানের মতবিনিময়

    পূজা উদযাপন ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাথে রশীদুজ্জামানের মতবিনিময়

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছা উপজেলা ও পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদ এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেছেন খুলনা-৬ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামান। তিনি বুধবার সকালে পাইকগাছা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ মতবিনিময় করেন। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমীরন সাধুর সভাপতিত্বে ও উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তৃপ্তি রঞ্জন সেন এর স ালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, ঐক্য পরিষদের জেলা কমিটির সহ-সভাপতি এড. অজিত কুমার মন্ডল, পূজা পরিষদের জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সাধন ভদ্র, ঐক্য পরিষদের উপজেলা সভাপতি রবীন্দ্র নাথ রায়, পূজা পরিষদের উপজেলা সাধারন সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস, জেলা সদস্য অলোক মজুমদার, মনোহর চন্দ্র সানা, প্রাণ কৃষ্ণ দাশ, মুরারি মোহন সরকার, বাবুরাম মন্ডল, অখিল মন্ডল, জগদীশ রায়, কৃষ্ণপদ মন্ডল, হেমেশ চন্দ্র মন্ডল, সুনীল মন্ডল, নির্মল চন্দ্র অধিকারী, শংকর দেবনাথ, প ানন সানা, দীপক মন্ডল, অসিম রায়, পলাশ বিশ্বাস, পিযুষ সাধু, বিপুল বিশ্বাস, তাপস বসু, অপুর্ব রায়, বিপ্লব সাধু, সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, প্রকাশ ঘোষ বিধান, কালিপদ মন্ডল, বিমল কৃষ্ণ সরকার, অশোক অধিকারী, দেবব্রত কুমার মন্ডল, ত্রীনাথ বাছাড়, সুব্রত কুমার সানা, উজ্জ্বল মন্ডল, পঙ্কোজ মন্ডল, তপন ঘোষ, যোগেশ মন্ডল, প্রজিৎ কুমার রায়, বিধান রায়, তারক মজুমদার, দিপংকর কুমার, বিজন বিহারী ও বিদ্যুৎ বিশ্বাস। মতবিনিময় সভায় রশীদুজ্জামান বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা সবাই বাঙালি। এখানে কোন ভেদাভেদ নাই। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে সকল ধর্মের মানুষ নিরাপদে থাকে। নিরাপদে সবাই যার যার ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করে থাকে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে দেশে আবারও ১/১১ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। এ ধরণের পরিস্থিতি এড়াতে তিনি সনাতন ধর্মালম্বী সহ সকল ধর্মের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে আহ্বান জানান।
    পাইকগাছায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে নাশকতার চেষ্টা
    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছায় এবার বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে নাশকতার চেষ্টা করেছে দূর্বৃত্তরা। দূর্বৃত্তরা ভোর সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার সলুয়াস্থ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে পেট্রোল জাতীয় দ্রব্য দিয়ে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে। পাহারারত লোকজন দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার বলেন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এ কর্মকর্তা বলেন, উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নে সলুয়াস্থ পাইকগাছা-খুলনা প্রধান সড়কের পাশে পল্লী বিদ্যুতের একটি উপকেন্দ্র রয়েছে। উপকেন্দ্রে বুধবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করার মাধ্যমে নাশকতার চেষ্টা করে। এ সময় আমাদের দুইজন লোক দায়িত্বরত থাকায় উপকেন্দ্রের তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বিষয়টি জানার পর সার্কেল ও থানা পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে ওসি ওবাইদুর রহমান জানান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে নাশকতার চেষ্টা

    পাইকগাছায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে নাশকতার চেষ্টা

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছায় এবার বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে নাশকতার চেষ্টা করেছে দূর্বৃত্তরা। দূর্বৃত্তরা ভোর সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার সলুয়াস্থ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে পেট্রোল জাতীয় দ্রব্য দিয়ে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে। পাহারারত লোকজন দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার বলেন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এ কর্মকর্তা বলেন, উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নে সলুয়াস্থ পাইকগাছা-খুলনা প্রধান সড়কের পাশে পল্লী বিদ্যুতের একটি উপকেন্দ্র রয়েছে। উপকেন্দ্রে বুধবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করার মাধ্যমে নাশকতার চেষ্টা করে। এ সময় আমাদের দুইজন লোক দায়িত্বরত থাকায় উপকেন্দ্রের তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বিষয়টি জানার পর সার্কেল ও থানা পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে ওসি ওবাইদুর রহমান জানান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছা কয়রার মানুষ উন্নত জীবন যাপন করবে- রশীদুজ্জামান

    পাইকগাছা কয়রার মানুষ উন্নত জীবন যাপন করবে- রশীদুজ্জামান

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
    খুলনা-৬ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামান বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি যখন দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, দেশে যখন শান্তির সু-বাতাস বইছে, তখন দেশী এবং বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে থামিয়ে দিতে নানা ধরণের অপচেষ্টা করছে। ষড়যন্ত্রকারীদের এ অপচেষ্টা রুখতে হলে আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এবং শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকলে কোন অপচেষ্টা সফল হবে না। এ জন্য দরকার সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কোন গুজবে কান না দিয়ে নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করা। রশীদুজ্জামান বলেন, আমি নির্বাচিত হলে নির্বাচনী এলাকায় কর্মক্ষেত্র তৈরী করা হবে। এলাকার কোন শিক্ষিত যুব এবং যুবনারী বেকার থাকবে না। সকলের জন্য নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা হবে। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করার মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে উপকূলীয় এই জনপদকে রক্ষা করা হবে। সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের নির্মূল করা হবে। তিনি বলেন, নৌকায় ভোট দিলে এলাকার মানুষ উন্নত জীবন যাপন করবে। তিনি বুধবার বিকালে পাইকগাছা উপজেলার বোরহানপুর মাঠে রাড়ুলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত নৌকা প্রতীকের জনসভায় এসব কথা বলেন। জনসভায় কয়রা উপজেলার দুই ইউপি চেয়ারম্যান ওই উপজেলার নৌকা প্রতীকের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, কোন গুজব নৌকা প্রতীকের বিজয় ঠেকাতে পারবে না। এবারের নির্বাচনে কয়রার মানুষ এক্যবদ্ধ হয়ে নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করবে ইনশাল্লাহ। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক ডাঃ শংকর দেবনাথের সভাপতিত্বে ও যুবলীগনেতা উত্তম কুমারের স ালনায় অনুষ্ঠিত জনসভায় বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিঃ প্রেমকুমার মন্ডল, জেলা আওয়ামী লীগনেতা খায়রুল ইসলাম, শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সমীরণ সাধু, সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, যুগ্ম-সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ^াস, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গী, আলহাজ¦ আব্দুল মজিদ গোলদার, ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার, শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, কয়রার ইউপি চেয়ারম্যান এসএম বাহারুল ইসলাম, আছের আলী, অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র ঘোষ, উপাধ্যক্ষ ত্রিদীব কান্তি মন্ডল, আওয়ামী লীগনেতা বিজন বিহারী সরকার, আব্দুল হাকিম গোলদার, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, প্রভাষক রেজাউল করিম, প্রাণকৃষ্ণ দাশ, কৃষ্ণপদ মন্ডল, এ্যাডঃ শেখ আবুল কালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকলীগনেতা সাংবাদিক তৃপ্তি রঞ্জন সেন, কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, যুবলীগনেতা অশোক ঘোষ, শিমুল, ইউপি সদস্য রমজান সরদার, আব্দুল হামিদ গাজী, জেলা ছাত্রলীগনেতা মৃণাল কান্তি বাছাড়, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পার্থ প্রতীম চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক ফাইমিন সরদার, ছাত্রনেতা আরিফ আহম্মেদ জয় ও রিপন রায়।

  • সুজানগরে মণে হাজার টাকা কমে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫০০-২৭০০টাকায়

    সুজানগরে মণে হাজার টাকা কমে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫০০-২৭০০টাকায়

    এম এ আলিম রিপন ,সুজানগর ঃ দেশের উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পেঁয়াজ উৎপাদনকারী পাবনার সুজানগর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে উঠতে শুরু করেছে নতুন মূলকাটা পেঁয়াজ। বর্তমানে সুজানগর পৌর হাট সহ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে ব্যাপক পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। বুধবার(২৭ ডিসেম্বর) সুজানগর পৌর হাটে গিয়ে দেখা যায়, ব্যাপক পেঁয়াজের আমদানি হয়েছে এবং মানভেদে এ নতুন মূলকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ থেকে ২৭০০ টাকা মণ দরে। যা গত রবিবারের হাটে বিক্রি হয় ৩৫০০ থেকে ৩৭০০ টাকায়। এবং গত বছরের এই সময়ে নতুন এ পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১০০০-১১০০ টাকা মণ দরে । সুজানগর উপজেলা কৃষি বিভাগ সুত্রে জানাযায়, সুজানগরে এবারে প্রায় ১৬’শ হেক্টর জমিতে মূলকাটা পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে । অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক সময়ে সার বীজ দিতে পারায় কৃষকেরা প্রতি বিঘা জমি থেকে ৪০ থেকে ৬০ মণ পর্যন্ত পেঁয়াজ এবারে ঘরে তুলছে। পৌর হাটে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা আমজাদ হোসেন নামে এক পেঁয়াজ চাষী বলেন, পেঁয়াজ উৎপাদন করতে প্রতি বিঘায় তাদের শ্রমিক,সার,বিষ সহ যে পরিমাণ টাকা খরচ হয়েছে আর বর্তমানে তারা যে দামে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন তাতে লাভবান হচ্ছেন । পেঁয়াজ ব্যবসায়ী হারুন মন্ডল জানান, এই উপজেলার বৃহত্তর গাজনার বিল ও চর অ লে যেহেতু এই মূলকাটা পেঁয়াজ সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয়ে থাকে তাই চর ালের পার্শ্ববর্তী শ্যামগঞ্জ,বোনকোলা, রাইপুর ও সুজানগরের পৌর হাট-বাজারেই সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজের আমদানি হয়ে থাকে। আর এই পেঁয়াজের ব্যাপক চাহিদা থাকায় ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ কেনার জন্য এখানে এসে থাকেন। এই পেঁয়াজ ঘরে বেশি দিন সংরক্ষণ করে রাখা না যাওয়ার কারণে কৃষকেরা মাঠ থেকে তুলেই স্থানীয় হাট বাজারে দ্রুত বিক্রি করে দিয়ে থাকেন । উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম বুধবার যুগান্তরকে জানান, নতুন মৌসুমি এ মূলকাটা পেঁয়াজ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে উঠতে শুরু করায় এখন থেকে আস্তে আস্তে পেঁয়াজের দাম অনেকটাই কমে আসবে । এছাড়া কৃষকেরা বর্তমানে তাদের জমিতে দানা পেঁয়াজ রোপণ করতে শুরু করেছেন। এবং এ উপজেলায় দানা পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে। নতুন এ দানা পেঁয়াজ আগামী ৩ মাসের মধ্যেই কৃষক আবার ঘরে তুলতে পারবে বলে ।

    ক্যাপশনঃ পাবনার সুজানগর পৌর হাটে বুধবার ব্যাপক নতুন পেঁয়াজের আমদানি হয়। যা মণ প্রতি ২৫০০-২৭০০টাকায় বিক্রি হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নেছারাবাদে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে গোপনে তিন লক্ষাধিক টাকার গাছ বিক্রির অভিযোগ

    নেছারাবাদে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে গোপনে তিন লক্ষাধিক টাকার গাছ বিক্রির অভিযোগ

    আনোয়ার হোসেন,
    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)প্রতিনিধি:

    নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের ৮১নং গুয়ারেখা কালিবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন লক্ষাধিক টাকার মেহগিনি ও চাম্বল গাছ বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি লাভলু সিকদার এবং প্রধান শিক্ষক সুজন মজুমদার এর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ। তারা ইউএনও ও শিক্ষাকর্মকর্তাকে না জানিয়ে গাছ বিক্রি করে দিয়েছেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: নাসির উদ্দীন খলিফা অভিযোগ পেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক এবং সভাপতির বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছেন।

    স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় মজুমদার এবং সভাপতি লাভলু সিকদার নিয়ম না মেনে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারির সাতটি মেহগিনি এবং একটি চাম্বল গাছ গোপনে বিক্রি করেন। যাহার আনুমানিক বাজার মূল্য তিন লক্ষাধিক টাকা। গাছ বিক্রির খবরটি ছড়িয়ে পড়লে তারা ওই আটটি গাছের ছয়টি অংশ রেখে বাকিটা সরিয়ে ফেলেন। বিদ্যালয়ের স্থানীয়রা এ বিষয়ে কিছু জানতে চাওয়ায় প্রধান শিক্ষক এবং সভাপতি তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে তাড়িয়ে দেন।

    প্রধান শিক্ষক সুজন মজুমদার বলেন, “বিদ্যালয়ের উন্নয়নমুলক কাজের জন্য একটু তড়িগড়ি করে সাতটি গাছ কাটা হয়েছে। গাছ কাটার পূর্বে শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছিল। তবে, গাছ কেটে বিদ্যালয়ের সামনেই রাখা হয়েছে; বিক্রি করা হয়নি। কাটা গাছের কিছু অংশ দেখা গেলেও বাকিটা কোথায় প্রশ্ন করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, লেবারদের খরচের জন্য গাছের কিছু তাদের দেয়া হয়েছে”। তবে, কত টাকায় ওই গাছ বিক্রি হয়েছে তা তিনি বলেননি।

    সভাপতি লাভলু সিকদার বলেন, “বিদ্যালয়ের গাইড ওয়ালের কাজ চলছে। গাইড ওয়াল দিতে গিয়ে গাছের কারনে কাজে বিগ্ন ঘটছিল। তাই রেজুলেশন করে শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানিয়ে গাছগুলো কাটা হয়েছে। এখনো বিক্রি করা হয়নি”। কাটা গাছের সামন্য কিছু অংশ দেখা গেলেও গাছের বাকি অংশগুলো কোথায় পূনরায় জানতে চাইলে তিনি বলেন, “লেবারদের আমরা কোন মজুরি দিতে পারিনি। তাই গাছের ডালপালা সহ গাছের গাছের কিছু অংশ মজুরি বাবদ তাদের দেয়া হয়েছে”।

    সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফ হোসেন জানান, “আমি সরেজিমন প্রদর্শনে গিয়েছিলাম। ওই বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল করতে গাছ কাটা অতি প্রয়োজন ছিলনা। গাছ না কাটলেও চলত। তিনি আরো বলেন সরেজমিনে কাটা গাছের সব অংশ পাওয়া যায়নি”।

    উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: নাসির উদ্দীন খলিফা জানান, “বিদ্যালয়ের গাছ কাটার জন্য যেসব নিয়ম রয়েছে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি তা পালন করেননি। গাছ কাটার অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফ চৌধুরিকে পরিদর্শনে পাঠিয়েছিলাম। তার রিপোর্ট আমি হাতে পেয়েছি। এখন অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ও সভাপতিকে শোকজ দেয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে”।

  • ভোট বর্জনের আহবান জানিয়ে ঝিনাইদহে  লিফলেট বিতরণ করে বিএনপি

    ভোট বর্জনের আহবান জানিয়ে ঝিনাইদহে লিফলেট বিতরণ করে বিএনপি

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    এক দফার দাবি আদায়ে বিএনপি’র অসহযোগ আন্দোলনের অংশ হিসেবে ভোট বর্জনের আহবান জানিয়ে ঝিনাইদহে লিফলেট বিতরণ করেছে জেলা বিএনপি। বুধবার দুপুরে জেলা বিএনপির’ আয়োজনে হরিণাকুন্ডু ও সদর উপজেলার বিভিন্ন হাটে বাজারে এ লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়। লিফলেট বিতরণকালে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি’র সভাপতি এ্যাড এম এ মজিদ, যুবদলের সাধারন সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম পিন্টু ও শৈলকুপা উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান তুর্কিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ অংশ নেয়। এদিকে কালীগঞ্জে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন স্থানে ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে লিফলেট বিতরণ করা হয়। বিকাল তিনটার দিকে লিফলেট বিতরণের পাশাপাশি এই অবৈধ সরকারকে সব ধরণের সহযোগিতা বন্ধ করার আহবান জানানো হয়। এদিকে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট এম এ মজিদ লিফলেট বিতরণকালে জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, এই সরকার জালেম ও ফ্যাসিষ্ট। আইনগত ভাবে হাসিনা সরকারের কোন ভিত্তি নেই। তারা র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশ বাহিনীর উপর ভর করে টিকে আছে। কাজেই ৭ জানুয়ারীর ডামি নির্বাচন বর্জন করতে হবে। এমনকি সকলকে ভোট কেন্দ্রে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। পারমথুরাপুর বাজারে গনসংযোগকালে এম এ মজিদ আরো বলেন, নৌকা ও আওয়ামীলীগ দেশবাসির কাছে এখন আতংকের নাম। তারা নিজেরা নিজেরা প্রার্থী হয়ে মারামারিতে লিপ্ত। এতেই বোঝা যায় আওয়ামীলীগ ভিন্নমতকে সম্মান করে না।
    পাগলাকানাই ঈগলের নির্বাচনী অফিস ভাংচুর
    ঝিনাইদহ ও শৈলকুপায় নির্বাচনী সহিংসতায় আহত ১১
    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই এলাকায় ঈগল প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুলের নির্বাচনী অফিস ভাংচুর হয়েছে। প্রতিপক্ষ নৌকার সমর্থকরা হামলা চালিয়ে বুধবার ভাংচুর করে বলে অভিযোগ করা হয়। সংবাদপত্রে প্রেরিত এক খবর বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় নৌকার সমর্থক আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে পাগলাকানাই এলাকার ওই অফিসে ভাংচুর চালিয়ে তছনছ করা হয়। ঈগল প্রতিকের সমর্থক পাগলাকানাই এলাকার আব্দুল মান্না ও খোন্দকার আব্দুল মোমিন অভিযোগ করেন, নৌকার লোকজন এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছে এবং ঈগলের প্রার্থী সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করছে। ঈগলের ভোটার ও সমর্থকদের ভোট চাইতে নিষেধ করা হচ্ছে। এদিকে গত ১৫ ঘন্টায় ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার সুরাট গ্রামে হামলায় ৩ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আশরাফ ও সাবেক চেয়ারম্যান কেবি জোয়ারদারকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শৈলকুপার বিভিন্ন স্থানে হামলায় অন্তত ৭জন আহত হবার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ৭জনকে গ্রেফতার করেছে বলে পুলিশ জানায়। এদিকে সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য নান্নু শেখকে বুধবার দুপুরে পিটিয়ে জখম করেছে নৌকার সমর্থকরা। আসামীরা জামিন হয়ে বাড়ি ফিরে ঈগলের সমর্থক নান্নু শেখকে মারধর করে। আহত অবস্থায় তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত নান্নু শেখ বাজিতপুর গ্রামের খয়বার শেখের ছেলে। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শাহিদ উদ্দীন জানান, নির্বাচন নিয়ে কোন প্রার্থীর সমর্থক সহিংসতায় জড়ালে পুলিশ জিরো টলারেন্স দেখাবে। ইতিমধ্যে পুলিশ হামলায় দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করেছে। পুলিশ কঠোর অবস্থান নিয়ে নির্বাচনী মাঠে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • তেঁতুলিয়ায় ভজনপুর নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম কলেজে জালজালিয়াতির মাধ্যমে পাঁচ শিক্ষক নিয়োগ

    তেঁতুলিয়ায় ভজনপুর নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম কলেজে জালজালিয়াতির মাধ্যমে পাঁচ শিক্ষক নিয়োগ

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের মালিগছ গ্রামে অবস্থিত এমপিওভুক্ত ভজনপুর নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজে তৎকালীন সভাপতির স্বাক্ষর ও সীল জালজালিয়াতির মাধ্যমে ৫ শিক্ষক নিয়োগ দেখানো হয়েছে। এই জালজালিয়াতির তৈরিকৃত পদ্ধতিতে শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও কমিটির সদস্য সচিব আবু সুফিয়ান। এতে এলাকায় চা ল্যকর প্রভাব বিস্তার করেছে।
    প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিয়োগ দেখানো শিক্ষকরা হলেন- বাংলা বিষয়ের প্রভাষক বিমল কুমার রায়, কম্পিউটার আপারেশন বিষয়ের প্রভাষক সফিকুল আলম, সাচিবিকবিদ্যা বিষয়ের প্রভাষক দিলিয়ারা বেগম, ব্যবস্থাপনা বিষয়ের প্রভাষক দিলারা বেগম এবং নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক/কম্পিউটার অপারেটর উম্মে বিনতে সালমা।

    জানা যায়, ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হওয়ার পর গত ২০০৬ সালের এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখে কমিটির রেজুলেশনের মাধ্যমে ৯জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আহবান করা হয় এবং ২০০৬ সালের জুন মাসের ২৫ তারিখ ৯জন শিক্ষক-কর্মচারীকে অনুমোদন দেয়া হয়। পরে ওই সালের জুন মাসের ২৮ তারিখে অধ্যক্ষ এবং পরের দিন ২৯ তারিখে ৮জন শিক্ষক-কর্মচারী যোগদান করেন। এরপর গত ২৩ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে দীর্ঘ ৯বছর পর দুই হাজার ৭৩০টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) ভুক্ত করা হয়। এরই ধারবাহিকতায় উপজেলার ওই বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি এমপিও ভুক্ত করেন সরকার।

    আরোও জানা যায়, প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও করণের লক্ষ্যে গত ২০২০ সালের মে মাসের ৩১ তারিখের ভিটিবিএমসি/২০২০/৩০ নং স্বারকে ৯জনের নাম পদবী ও বেতন উল্লেখ করে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে একটি আবেদন করেন। এদের মধ্যে অধ্যক্ষ ১জন, ডেমোনেষ্টেটর কাম মেকানিক ২জন, সহকারী লাইব্রেরীয়ান ১জন, অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী ১জন, কম্পিউটার ল্যাব এসিসটেন্ট ১জন, টাইপিং ল্যাব সহকারী ১জন, গার্ড কাম এমএলএসএস ১জন এবং এমএলএসএস(নৈশ্যপ্রহরী) ১জন।

    প্রতিষ্ঠান প্রধান গত ২০২০ সালের এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখের ৫৭.০৩.০০০০.০৯১.২০.০০৭.২০-৩১৭ নং স্বারকের সূত্রমতে গত ২০২০ সালের মে মাসের ৩১ তারিখের ভিটিবিএমসি/২০২০/৩০ নং স্বারকে মহাপরিচালক, বালাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবরে যে ৯জন শিক্ষক, শিক্ষিকা এবং কর্মচারীর এমপিও করণের আবেদন পাঠান তাহার ওই এমপিও ভুক্তির পাঠানো আবেদনের তথ্যের প্রেক্ষিতে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর গত ২০২০ সালের জুলাই মাসের ২৬ তারিখের ৫৭.০৩.০০০০.০২৮.১৮.০১১.১৮-৫৭৭ নং স্বারকের পত্রের আদেশে শিক্ষা-কর্মচারীদের আবেদন সমূহে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ (১৯ জুলাই ২০১৮) অনুযায়ী কাগজ-পত্রাদি অসম্পূর্ণ/ত্রুটিপূর্ণ/সমস্যাযুক্ত থাকায় এ পর্যায়ে সংযুক্ত তালিকা ‘ক’ তে বর্ণিত ৫০৪জন আবেদনকারীর এমপিও বিবেচনা করা হয়নি। এই বিবেচনাহীন তালিকায় ধরা পড়েন উপজেলার ভজনপুর নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম কলেজের এমপিও ভুক্তির জন্য প্রেরিত সকল শিক্ষক ও কর্মচারীগণ। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পত্রের প্রেরিত আদেশে উক্ত প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির আবেদিত পত্রের প্রেক্ষিতে সকলের উঠে আসে জালজালিয়াতি আর অনিয়মের কথা। পরে অসম্পূর্ণ/ত্রুটিপূর্ণ/সমস্যাযুক্ত কাগজ-পত্রাদি সংশোধন করে ৪জনের এমপিও পেয়েছেন প্রতিষ্ঠান।
    এদিকে ৯জন শিক্ষক-কর্মচারীর ঝড়ঝান্ডা শেষ হতে না হতেই প্রতিষ্ঠান প্রধান আবু সুফিয়ান গত ২০০৬ সালের জুন মাসের ৩০ তারিখে কমিটির রেজুলেশনের মাধ্যমে ৫জনের নিয়োগ প্রক্রিযা তৈরি করেন এবং গত ২০০৬ সালের জুলাই মাসের ২৯ তারিখে ৫জনের নিয়োগটি অনুমোদন করেন। অথচ আগের নিয়োগকৃত শিক্ষকদের নামের তালিকা গত ২০২০ সালের মে মাসের ৩১ তারিখের ভিটিবিএমসি/২০২০/৩০ নং স্বারকে এবং গত ২০২০ সালের জুন মাসের ১৫ তারিখ অত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর নিকট প্রেরিত তালিকায় ওই ৫জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এরপর চলতি বছরের গত মাসের ৫ তারিখ প্রতিষ্ঠান প্রধান ১৬ জনের নামের তালিকা সভাপতি ভজনপুর নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম কলেজ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর নিকট উপস্থাপন করলে রেজুলেশন গুলো খতিয়ে দেখার পর সীল ও স্বাক্ষর অমিল এবং কতিপয় ব্যক্তির বক্তব্যের ভিত্তিতে ফাইলটি সন্দেহের মধ্যে রয়েছে।

    সরে জমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, নতুন করে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগ বিষয়ে কেউ বলতে পারছেন না। আগ থেকে ৯জন শিক্ষক-কর্মচারী ওই প্রতিষ্ঠানে আছে অনেকেই জানিয়েছেন।

    অত্র প্রতিষ্ঠান কমিটির অভিভাবক সদস্য আব্দুর রাজ্জাক প্রধান ও রফিকুল ইসলাম জানান, ২০০৬ সালে ৯জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর পর কোনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি। যদি নিয়োগ দিয়ে থাকে, তবে কখন কাকে নিয়োগ দিয়েছে তা তাঁরা বলতে পারছেন না। এদিকে এনটিআরসি কর্তৃক দু’জন শিক্ষক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পেয়েছে সে বিষয়ে তাঁরা অবগত আছেন। রফিকুল আরোও বলেন, তাদের সঙ্গে ঠিকমতো কোনো মিটিং করা হয়না।
    প্রতিষ্ঠানের গার্ড কাম এলএমএসএস মোস্তফা কামাল বলেন, তিনি জন্মলগ্ন থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানে রয়েছেন এবং জমিও দান করেছেন। তাঁর নিয়োগের সময় ৯জন ব্যক্তিকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর পরে কোনো শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়নি। যদি কোনো শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে থাকে তাহলে সে বিষয়ে প্রেন্সিপাল বুঝবেন। তবে তিনি ৫জন শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে কিছুই জানেন না। এদিকে মুঠোফোনে ডেমোনেষ্টেটর কাম মেকানিক শাহিন শাহ বলেন, তিনি ৯জনের বিষয়ে অবগত আছেন আর কিছুই বলতে পারছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিষ্ঠানের আরেক শিক্ষক বলেন, নতুন করে যে ৫জন শিক্ষক নিয়োগ দেখানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ জালজালিয়াতি আর টাকার বিনিময়ে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি করা হয়েছে।

    প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্য এমদাদুল হক বলেন, বিষয়টি অনেক আগের তা কি এখন খেয়াল আছে? প্রতিষ্ঠানে যতগুলো শিক্ষক-কর্মচারী দরকার তা আমরা নিয়োগ দিয়েছি। আপনারা যে ৫জন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন সেই ৫জনের নামের তালিকা ২০২০ সালের দিকে অত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে সংযুক্ত করেন নাই এবং এমপিও ভুক্তির আবেদনেও সংযুক্ত করেন নাই? এমন প্রশ্নে কোনো সদুত্তোর না দিয়ে প্রেন্সিপালের সঙ্গে কথা বলতে বলেন তিনি।

    ভজনপুর নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম কলেজের অধ্যক্ষ আবু সুফিয়ান মুঠোফোনে জানান, যখন যে কয়েকজনের নামের তালিকা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে সেই নামের তালিকা উপজেলায় দিয়েছেন। তিনি ৯জনের নাম গুলো আগে পাঠিয়েছেন আর পরের গুলো পরে পাঠিয়েছেন। আপনি ১মাসের ব্যবধানে নিয়োগকৃত ৫জনের নামের তালিকা উপজেলা নির্বাহী অফিসে এবং কারিগরি অধিদপ্তরের সংযুক্ত করলেন না কেন? এমন প্রশ্নে কোনো সদুত্তোর না দিয়ে বলেন, ভাই এতদিন পর ৪জনের বিল হয়েছে এতে এতকিছু করার দরকার আছে। এরপর শিক্ষক নিয়োগের এক মাস আগপাছ রেজুলেশনে স্বাক্ষর ও সীলের অমিল দেখা দিয়েছে জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন, হইতো ফটোকপির জন্যই এমন লাগছে। পরিশেষে তিনি গত ২০০৬ সালের জুলাই মাসের ২৯ তারিখের ৫জনের অনুমোদিত নিয়োগ সঠিক বলে জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে সাবেক সভাপতি ভজনপুর নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্তমানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দিনাজপুর সোহাগ চন্দ্র সাহার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানে ৯জন শিক্ষক-কর্মচারী ছিলেন আমার মনে হয় তবে দেখতে হবে। বর্তমানে যিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছেন তিনিই এ বিষয়টি সঠিকভাবে দেখবেন।

    এ ব্যাপারে সভাপতি ভজনপুর নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ফজলে রাব্বি বলেন, আমার কাছে প্রদর্শিত ১৬জন শিক্ষক-কর্মচারীর তালিকার মধ্যে ৫জনের নিয়োগ বিষয়ে কোনো কিছুই জানিনা। কখন কিভাবে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ রেজুলেশন প্রক্রিযাগুলো সঠিকভাবে যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। এই বিষয়ে আপনাদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন রয়েছে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • রাজশাহী-১ আসনে বেলুন প্রতিকের প্রচারণা

    রাজশাহী-১ আসনে বেলুন প্রতিকের প্রচারণা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) সংসদীয় আসনের গোদাগাড়ী পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আয়েশা আক্তার জাহান ডালিয়া প্রতিক (বেলুন) প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ করেছেন।
    জানা গেছে, এদিন ২৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য উপকমিটির সদস্য এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আয়েশা আক্তার জাহান ডালিয়া,
    বেলুন প্রতিকে ভোট দেবার আহবান জানিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন,
    তিনি রাজশাহী-১ আসনে বেশ কয়েক বছর ধরে সাধারণ মানুষের ভাগ্যর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, গত ১২ বছর থেকে ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অবহেলিত এই অঞ্চলে কাজ করেছেন। এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ তার শক্তি।তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে পিছিয়ে গেছেন, তার মাঠ তৈরি করা আছে গত চার বছর থেকে। এলাকার মানুষদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করেছেন। যাদের জন্য কাজ করেছেন, যাদের ভালোবেসেছি মায়া- মমতা দেখিয়েছি, যারা আমাকে ভালোবেসেছেন তারা আমাকে ভোট দিয়ে জিতিয়ে নিয়ে আসবেন। তিনি গতানুগতিক ধারার রাজনীতি করি না। জনগণের কাছে যেতে তাদের অন্তরে প্রবেশ করতে পছন্দ করি। একদম সাধারণ জনগণ বলতে গেলে পা ফাঁটা হতদরিদ্র মানুষগুলো আমার শক্তি। তাদেরকে আমি ভালোবাসি, তারা সিদ্ধান্ত নেবে তাদের আগামী পাঁচবছরে তাদের মাথার উপর ছায়া হয়ে কে থাকবে। ভোটারা আমাকে ব্যাপকভাবে সারা দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন,নির্বাচনের পরিবেশ খুই ভালো বলে আছে এবং আগামীতেও থাকবে প্রত্যাশা করছি।