Blog

  • মহালছড়িতে লিন কর্তৃক দূর্যোগ নিরুপণ ও কর্মপরিকল্পনা

    মহালছড়িতে লিন কর্তৃক দূর্যোগ নিরুপণ ও কর্মপরিকল্পনা

    রিপন ওঝা,মহালছড়ি

    খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার মুবাছড়িতে আজ ২৮ডিসেম্বর ইউরোপীয় ইউনিয়ন সংস্থা লিন(LEAN) কর্তৃক দূর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস নিরুপণ ও দূর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা বিষয় নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ হলকক্ষে উপজেলা পর্যায়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে।

    উক্ত লিডারশীপ টু এডিকোয়েট নিউট্রিয়েশান(লিন) কর্তৃক আয়োজিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রতন কুমার শীল।
    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন লিন প্রকল্পের উর্ধ্বতন কর্মকতা ইউএলও ডাক্তার মোঃ মইনুল ইসলাম চৌধুরী, ইউএও মোঃ আলী জিন্নাহ, মহালছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিপুল বিকাশ খীসা, ইউএফপিও দীপময় তালুকদার, মোঃ আসাদ্দুজ্জামান, ডাক্তার রুপময় তংচঙ্গ্যা, প্রিয়বরণ চাকমা, আলোময় তালুকদার, মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ শাহাদাত হোসেন, মোঃ আলমগীর হোসেন, সুপন চাকমা, জিয়াউল ইসলাম,প্রমিত কুমার চাকমা, মানিক রঞ্জন খীসা, মোঃ সুমন মিয়া, তুষার কান্তি চাকমা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ ও সাংবাদিক রিপন ওঝাসহ লিন প্রজেক্টের দাপ্তরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ।

    উক্ত মতবিনিময় সভায় মহালছড়ি উপজেলার সকল ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের সকল গ্রামের সকল পাড়া মহল্লায় ঘটেছে এমন দূর্যোগ সম্পর্কে স্পষ্ট সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে ও দূর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস নিরুপণ ও দূর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। এছাড়া পর্যায়ে গর্ভকালীন মাতার মাতৃত্বের পুষ্টির সচেতনতা গড়ে তোলা,সেবাযত্ন করা প্রভৃতি কার্যক্রমে উপস্থিত জনপ্রতিনিধি, দাপ্তরিক কর্মকর্তা সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • যাদের পদ পদবি নাই তাদের আমি প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করি না:-ঢাকা-১৯ এর নৌকার প্রার্থী ডাঃ এনামুর রহমান

    যাদের পদ পদবি নাই তাদের আমি প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করি না:-ঢাকা-১৯ এর নৌকার প্রার্থী ডাঃ এনামুর রহমান

    হেলাল শেখঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯, (সাভার আশুলিয়া) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমানের জনসভা অনুষ্ঠিত।

    বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ইং রাত ৮টার দিকে ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের নরসিংহপুর এলাকায় নৌকা মার্কার জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা-১৯ আসনের আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার প্রার্থী আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমান তার বক্তব্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে উদ্দেশ্য করে বলেন যে, যাদের পদ পদবি নাই তাদেরকে আমি প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করি না, আমাদের ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নেতা কর্মীরা আছেন ৭ জানুয়ারি ভোটের মাধ্যমে আমরা এর জবাব দিবো, তিনি আরো বলেন, এবারের ভোটে নৌকার জয় হবে ইনশাআল্লাহ।

    আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের তরুণ সদস্য (মেম্বার) ও ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জলিল উদ্দিন ভুঁইয়া (রাজন) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা-১৯ আসনের নৌকা মার্কার প্রার্থী আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমান, সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী জমত আলী দেওয়ান, সাভার উপজেলা আওয়ামী সহ-সভাপতি মেহেদী মাসুদ মঞ্জু, আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সরকার, ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মোশারফ হোসেন মুসা, ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি নুরুল আমিন সরকার, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও এলাকার হাজার হাজার জনতা উপস্থিত ছিলেন এই জনসভায়। নেতৃবৃন্দরা সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার কথা বলেন এবং নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার অনুরোধ করেন। এই শীতের মধ্যে দিন রাত নৌকার বিজয়ের লক্ষ্যে কাজ করছেন দায়িত্বে থাকা নেতাকর্মীরা।

  • দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউবিআইইএমও

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউবিআইইএমও

    লিটন মাহমুদ,
    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউবিআইইএমও

    বাংলাদেশে আগামী ৭ ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউএসএ বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ইলেকশন মনিটরিং অর্গানাইজেশন (ইউবিআইইএমও)। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের আহবানে সাড়া দিয়ে ইতিমধ্যে সংস্থাটি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে বলে জানিয়েছে এবং এ লক্ষ্যে সারা বাংলাদেশে নির্বাচনী পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করার জন্য ৬৪ জেলায় তাদের পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে।

    ‘গণতন্ত্রের জন্য স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন নির্বাচন’ ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত ইউবিআইইএমও এর প্রধান কার্যালয়
    উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সাংবাদিক, সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠক, আইনজীবীদের সমন্বয়ে সংস্থাটির কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত।

    আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষক এই সংস্থার সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে হয়ে যাওয়া স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
    জানা গেছে, সংস্থাটি বাংলাদেশে ৬৪ জেলায় পর্যবেক্ষক নিয়োগে গুরুত্ব দিয়েছে দেশের স্বনামধন্য ইলেকট্রনিক মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিক ছাড়াও সামাজিক ও মানবাধিকার কর্মী এবং আইনজীবীদের যাদের পূর্ববর্তী নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

    নির্বাচনী পরিবেশ, নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারী প্রার্থীদের বাধাবিপত্তিহীন নির্বাচনী প্রচার ও প্রচারণা, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও ভোটাধিকার প্রয়োগ, নির্বাচনে কালো টাকা ও পেশী শক্তির প্রয়োগ, নির্বাচন কর্মকর্তা ও আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষতা, নির্বাচন কালীন সহিংসতার উপর গভীর নজর রাখবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির সহ-সভাপতি ও সিইও হাকিকুল ইসলাম খোকন।

    ইতিমধ্যে সংস্থাটির কার্যনির্বাহী সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম বাংলাদেশর বিভিন্ন জেলায় বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ভিজিট করছেন।সেখানে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণার প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির সহ-সভাপতি মোঃ সুমন সরদার।

    সংস্থাটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর দিনার হোসেন বলেন, যে সকল দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে সে সকল দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বিঘ্নে তাদের প্রচার ও প্রচারণা চালিয়ে যেতে পারে এবং ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে বিষয়ে আমরা নজর রাখব।

    সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বলেন, ইউএসএ বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ইলেকশন মনিটরিং অর্গানাইজেশন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের নাগরিকদের সমন্বয়ে গঠিত । আমরা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করব, আমরা বিশ্বাস করি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন নির্বাচন হওয়া জরুরী এবং এ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আমরা গভীর নজর রাখছি।

  • বিদ্যুতের উপকেন্দ্রে নাশকতার চেষ্টার ঘটনায় মামলা; আটক-১

    বিদ্যুতের উপকেন্দ্রে নাশকতার চেষ্টার ঘটনায় মামলা; আটক-১

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছায় বিদ্যুতের উপকেন্দ্রে নাশকতার চেষ্টার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ আলম (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। আটক আলম উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের বয়ারঝাপা গ্রামের মৃত ওমর সরদারের ছেলে। বুধবার ভোরে দুর্বৃত্তরা লাঠির মাথায় বস্তার সাথে পেট্রোল জাতীয় দ্রব্য দিয়ে অগ্নিসংযোগ করার মাধ্যমে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপজেলার হরিঢালীর ইউপি’র সলুয়াস্থ পাইকগাছা-খুলনা প্রধান সড়কের পাশে বিদ্যুতের উপকেন্দ্রে নাশকতার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামী করে থানায় মামলা করে। যার নং- ১৩, তাং- ২৭/১২/২০২৩ ইং। মামলাটি তদন্ত করছেন ওসি (তদন্ত) তুষার কান্তি দাশ। আটক আলমকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি ওবাইদুর রহমান জানিয়েছেন।

  • পাইকগাছায় স্কুল শিক্ষকের বাসায় দুধর্ষ চুরি সংগঠিত

    পাইকগাছায় স্কুল শিক্ষকের বাসায় দুধর্ষ চুরি সংগঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছায় স্কুল শিক্ষকের বাসায় দুধর্ষ চুরি সংগঠিত হয়েছে। সংঘবদ্ধ চোরেরা বাসার ভীতর থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ সহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় স্কুল শিক্ষক থানায় অভিযোগ করেছে। প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে পাইকগাছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পৌর সদরের ৭নং ওয়ার্ডের বাতিখালীস্থ জনৈক ব্যক্তির দ্বিতীয় তলার বাসা ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন বসবাস করে আসছে। স্কুল শিক্ষক ওহাব বলেন, আমি পরিবার পরিজন নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে শ^শুর বাড়ীতে বেড়াতে যায়। বুধবার দুপুর ২টার দিকে বাসায় এসে দেখি আমার বাসার দরজার হেজবন্ড কাটা। বাসার ভিতরে ঢুকে দেখি সমস্ত মালামাল এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পরে আলমারী শোকেজ খুলে দেখি সংঘবদ্ধ চোরেরা ৬ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৩০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে ওসি ওবাইদুর রহমান জানান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে…. সুজিত অধিকারী

    ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে…. সুজিত অধিকারী

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
    খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ সুজিত অধিকারী বলেছেন দেশের জনগণ অগ্নি সন্ত্রাসদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি বলেন, জামায়াত-বিএনপি নির্বাচনে বিশ^াসী নয়, এ জন্য তারা অগ্নি সন্ত্রাস আর মানুষ হত্যা করে ক্ষমতায় যেতে চায়। এদেরকে নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ সঠিক জবাব দিবে উল্লেখ করে সুজিত অধিকারী বলেন, নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। এটি ধ্বংস করতে দেশী এবং আন্তর্জাতিক কতিপয় কুচক্রী মহল নানা ধরণের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এ ধরণের ষড়যন্ত্র রুখতে হলে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করার কোন বিকল্প নাই। এ জন্য তিনি সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে এলাকাবাসীর প্রতিও আহ্বান জানান। তিনি বৃহস্পতিবার বিকালে পাইকগাছা উপজেলার দেলুটি ইউনিয়নের ফুলবাড়ী বাজারে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত খুলনা-৬ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত রশীদুজ্জামানের নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নির্মল কান্তি মন্ডলের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডলের স ালনায় অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন, খুলনা-৬ আসনের নৌকা প্রতীকের এমপি প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগনেতা ইঞ্জিঃ প্রেমকুমার মন্ডল, এ্যাডঃ ফরিদ আহম্মেদ, রিয়াজ কচি, রকিবুল ইসলাম লাবু, খায়রুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগনেতা সমীরণ সাধু, শেখ কামরুল হাসান টিপু, আনন্দ মোহন বিশ^াস, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার, কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, আব্দুল মান্নান গাজী, আওয়ামী লীগনেতা বিজন বিহারী সরকার, হেমেশ চন্দ্র মন্ডল, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, জিএম ইকরামুল ইসলাম, এ্যাডঃ শেখ আব্দুর রশিদ, এ্যাডঃ সমীর কুমার বিশ^াস, কৃষ্ণপদ মন্ডল, জয়দ্রাত বাছাড়, সুকৃতি মোহন সরকার, নিরঞ্জন রায়, রবীন্দ্রনাথ রায়, বিরুপাক্ষ মন্ডল, কুমুদ রঞ্জন, নিরোধ মিস্ত্রী, কালীদাশ রায়, তরুণ রায়, নীশিত রঞ্জন, এ্যাডঃ পিযুষ কান্তি রায়, সুশান্ত রায়, নিরাপদ রায়, কর্তিক রায়, মনোরঞ্জন মহলদার, মধুসুদন মন্ডল, দীপ্তি চক্রবর্তী, ব্যবসায়ী আবুল হোসেন, ইউপি সদস্য রামচন্দ্র টিকাদার, সুপদ রায়, মেরী সরদার, যুবলীগনেতা বিদ্যুৎ বিশ^াস, পরেশ মন্ডল, দীজেন্দ্রনাথ মন্ডল, নাজমা কামাল, ভল্টন মন্ডল, জগদীশ চন্দ্র রায়, অঞ্জন মন্ডল, জেলা ছাত্রলীগনেতা মৃণাল কান্তি বাছাড়, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পার্থপ্রতীম চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক ফাইমিন সরদার।

  • পাবনায় টেকসই পেঁয়াজ উৎপাদনমূলক প্রকল্পের সমাপনী

    পাবনায় টেকসই পেঁয়াজ উৎপাদনমূলক প্রকল্পের সমাপনী

    এম এ আলিম রিপন ঃ সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট(এসইপি) পাবনা জেলায় টেকসই পেঁয়াজ উৎপাদনমূলক উপ-প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর ,খামারবাড়ীতে পাবনা প্রতিশ্রুতির সভাপতি মোঃ আব্দুল মতিন খানের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর ,খামারবাড়ী পাবনার উপ-পরিচালক ড. মোঃ জামাল উদ্দীন। পাবনা প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে ও বিশ^ ব্যাংক এর অর্থায়নে এবং পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ওই প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর পাবনার অতিরিক্ত উপ-পরিচালক(শস্য) মোঃ রোকনুজ্জামান, সুজানগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম ও সাঁথিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সঞ্জীব কুমার গোস্বামী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোঃ মনির হোসেন,ফোকাল পারর্সন এসইপি ও পরিচালক পাবনা প্রতিশ্রুতি। পরিচালনা করেন পাবনা প্রতিশ্রুতির সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট(এসইপি) এর প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মোঃ সামছুর রহমান। সমাপনী অনুষ্ঠানে সুজানগর ও সাঁথিয়া উপজেলার কৃষক-কৃষাণীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ৪০ জন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য ২০২১ সালের এপ্রিল মাস হতে শুরু হওয়া প্রথম পর্যায়ের এ প্রকল্পটির মেয়াদ আগামী ৩১ জানুয়ারী শেষ হবে।

    ক্যাপশনঃ পাবনায় টেকসই পেঁয়াজ উৎপাদনমূলক প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • নড়াইলে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে নৌকা ও লাঙ্গলের প্রার্থীকে শোকজ

    নড়াইলে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে নৌকা ও লাঙ্গলের প্রার্থীকে শোকজ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে নৌকা ও লাঙ্গলের প্রার্থীকে শোকজ। নড়াইল-১ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও টানা তিনবারের সংসদ সদস্য বিএম কবিরুল হক মুক্তি এবং নড়াইল-২ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফায়েকুজ্জামান ফিরোজকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী।
    বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, নড়াইল -১ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বিএম কবিরুল হক মুক্তিকে দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, বিএম কবিরুল হক মুক্তির সমর্থকরা বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় বিছালী ইউনিয়নে মোটরসাইকেল যোগে (সহস্রাধিক) শোডাউন করে যা বিধিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন। অন্যদিকে নড়াইল-২ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফায়েকুজ্জামান ফিরোজকে দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, গত ২৪ ডিসেম্বর বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে আপনার নির্বাচনী কর্মীকে জরিমানাপূর্বক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনী এলাকায় দালান, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগের খুঁটি বা অন্যকোনো দণ্ডায়মান বস্তুতে লাগানো অপসারণ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়। কিন্তু আপনার পক্ষ হতে নির্দেশ প্রতিপালন করা হয়নি যা অনাকাঙ্ক্ষিত।

    পৃথক নোটিশে নির্বাচনী বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে তাদের দুজনের বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার কারণ লিখিতভাবে শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টার মধ্যে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা প্রদান করতে বলা হয়েছে।

    এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী বলেন, দ্বাদশ জাতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে নড়াইল-১ ও ২ আসনের দুজন প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল শুক্রবারের মধ্যে তাদের লিখিত জবাব দিতে হবে।

  • গোদাগাড়ীতে মাদক সরবরাহের সময়  হেরোইনসহ  ০২ জনকে  র‌্যাব-৫ গ্রেফতার করেছে

    গোদাগাড়ীতে মাদক সরবরাহের সময় হেরোইনসহ ০২ জনকে র‌্যাব-৫ গ্রেফতার করেছে

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মহিশালবাড়ীতে মাদক সরবাহের সময় মাদকসহ ২ জনকে হাতে নাতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫ এর সদস্যগণ।
    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মোঃ মিজানুর রহমান (২২) এবং মোঃ ইউসুফ আলী (৩৫) একটি সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী চক্র। তারা পরস্পর যোগসাজসে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতো। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, উক্ত সময় মাদকের একটি চালান সরবরাহ করা হবে। উক্ত তথ্য মোতাবেক র‌্যাবের আভিযানিক দল পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক অভিযান পরিচালনা করে মাদক সরবাহের সময় তাদের হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

    অভিযানটি ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ ১৯:৪০ ঘটিকায় রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানাধীন মহিশালবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী ১। মোঃ মিজানুর রহমান (২২), পিতা-মোঃ শফিকুল ইসলাম, মাতা-মোছাঃ মোসলেমা বেগম, সাং-দিয়ার মানিকচক, ইউপি-আষাড়িয়াদহ, ৩নং ওয়ার্ড,

    ২। মোঃ ইউসুফ আলী (৩৫), পিতা-মৃত সইবুর রহমান, মাতা-মোছাঃ পেয়ারা খাতুন, সাং-উজানপাড়া, ইউপি-বিদিরপুর, ৬নং ওয়ার্ড, উভয় থানা-গোদাগাড়ী, জেলা-রাজশাহী’ দ্বয়কে ১০০ গ্রাম হেরোইন এবং ০২টি মোবাইল ফোন সহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • রাজশাহী-১ নৌকা ডোবাতে তৎপর দলের ৪ প্রার্থী

    রাজশাহী-১ নৌকা ডোবাতে তৎপর দলের ৪ প্রার্থী

    আলিফ হোসেন, তানোরঃ
    রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) ভিআইপি সংসদীয় আসন। জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১ জন প্রার্থী এখানেই। এর মধ্যে আওয়ামী লীগসহ সাতটি দল থেকে দলীয় প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাতজন। অন্য চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তারা সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। তবে সাধারণ ভোটারগণ আওয়ামী লীগের নৌকা ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন না। এ আসনের হেভিওয়েট প্রার্থী টানা তিনবারের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী। বিপুল জনপ্রিয়তার পাশাপাশি রয়েছে বিশাল কর্মী বাহিনী। তবে নতুন করে আলোচনায় আসতে মরিয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রাব্বানী, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি, আয়েশা আক্তার জাহান ডালিয়া ও আখতারুজ্জামান আক্তার।
    এ চার প্রার্থীর দাবি—টানা ১৫ বছরে ওমর ফারুক চৌধুরী নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করেছেন। সেবক নয়, এলাকায় ‘শাসক’ হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এর প্রতিবাদ হিসেবেই তাঁরা ভোটের মাঠে এসেছেন। চার প্রার্থীর প্রত্যেকেই নিজেদের জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
    তবে অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন, সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরীর বিপক্ষের ভোটগুলো চার ভাগে ভাগাভাগি হবে এতে সহজ জয় পাবে নৌকা। কেননা, দীর্ঘ সময়ে ওমর ফারুক চৌধুরী যেমন জনপ্রিয়তা রয়েছে, তেমনি নিজস্ব বিশাল কর্মী বাহিনীও তৈরি করেছেন। তাছাড়া তিনি তফসিল ঘোষণার আগে ও পরে দুই উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে ইউনিয়নে গিয়ে নিয়মিত সভা-সমাবেশ করেছেন। এদিকে দুই উপজেলার স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও সচেতন মহলের পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়া উপকারভোগীরা আওয়ামী লীগের পক্ষে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
    তবে ফারুক চৌধুরীকে ঠেকাতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে সমঝোতার কথা ভাবছেন বলেও আলোচনা রয়েছে ।
    ইতিমধ্যে স্বতন্ত্র দুই প্রার্থীর কাছে এই ধরনের প্রস্তাব গিয়েছে বলেও গুঞ্জন উঠেছে। তবে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি কারো সঙ্গেই সমঝোতা করবেন না বলে সাংবাদিকদের স্রেফ জানিয়ে দিয়েছেন। আলাপ-আলোচনায় বসলে অন্য তিন প্রার্থী চিন্তা-ভাবনা করে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।
    চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি আগে এই দুই উপজেলায় তেমন সক্রিয় ছিলেন না। শুধু নিজের নানার বাড়ি তানোরের মুণ্ডুমালা এলাকায় কিছু সামাজিক কাজকর্ম করতেন। তবে প্রচার-প্রচারণা শুরুর পর থেকে ভোটের মাঠে ছুটে বেড়াচ্ছেন। হাটে, ঘাটে, মাঠে থেকে শুরু করে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি পর্যন্ত যাচ্ছেন তিনি। কিন্ত্ত
    সবখানে তিনি ‘ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে’ আপত্তিকর বক্তব্য দিয়ে ভোট চাইছেন যেটা সাধারণ ভোটারগণ ভালভাবে দেখছেন না। এছাড়া বছরের পর বছর বরেন্দ্র অঞ্চলে যে পানির সমস্যা, তা নিরসনের কথা বলছেন। ফলে এই কয়েক দিনের প্রচারেই ভোটের মাঠে তিনি আলোচনায় উঠে এসেছেন।
    এদিকে নৌকার বিরুদ্ধে চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকলে জয় কতটা সহজ, এমন প্রশ্নে মাহিয়া মাহি গত মঙ্গলবার বলেছেন, ‘আমি যেখানেই যাচ্ছি সেখানেই ভালো সাড়া পাচ্ছি। ইনশা আল্লাহ আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। স্বতন্ত্র চার প্রার্থীর মধ্যে সমঝোতা হলে তার সরে দাঁড়ানোর কোনো সম্ভাবনা রয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে সমঝোতার কেউ কোনো প্রস্তাব দেয়নি। এ রকম কোনো সম্ভাবনাও নেই। আমি সরে যাব না। যে যে প্রতিদ্বন্দ্বী থাকবেন, আমি তাঁদের সঙ্গেই লড়তে চাই।’
    এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীবিরোধী হিসেবে পরিচিত তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মুণ্ডুমালা পৌরসভার সাবেক মেয়র গোলাম রাব্বানীও ভোটের মাঠে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হবে বলে মনে করছে তার অনুগত কর্মী-সমর্থকেরা। তবে গোলাম
    রাব্বানী আশা করছেন, বর্তমান এমপিকে ঠেকাতে তাদের চারজনের মধ্যে একটা সমঝোতা হবে। তিনি বলেন, ‘সবাই হয়তো প্রার্থী থাকবেন না। আগামী দু একদিনের মধ্যে একটা কিছু হতে পারে। ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারলে যে ভোট পড়বে, তার ৭০ ভাগ আমি একাই পাব। আমি আমার জয় নিয়ে চিন্তা করি না।’
    এ আসনে নির্বাচন করতে দীর্ঘ সময় ধরেই ভোটারদের কাছাকাছি থাকতে চেষ্টা করেছেন আয়েশা আক্তার জাহান ডালিয়া। গোদাগাড়ী উপজেলায় তাঁর বাবার বাড়ি। দুই উপজেলায় তাঁর নিজস্ব কর্মী-সমর্থকও আছে। প্রচার-প্রচারণা শুরুর এক সপ্তাহ পর ভোটের মাঠে এসে তিনি ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে যাচ্ছেন।
    ভোটের মাঠে স্বতন্ত্রদের মধ্যে সমঝোতার প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি এখনো কোনো প্রস্তাব পাইনি। আমরা সবাই তো প্রতীক পেয়েছি। যে যার মতো ভোটের কাজ করছি। আমিও তো এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে আছি। মানুষ আমাকে ভালোবাসে। দেখা যাক, সামনে কী হয়।’
    এ আসনের আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুজ্জামান আক্তারও নিজের মতো করে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনিও বর্তমান এমপি ফারুকের বিরোধী। তাঁকেও আসনটির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ধরা হচ্ছে। আখতারুজ্জামান গোদাগাড়ীর দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান হিসেবে তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছর অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ে দলীয় প্রার্থীর কাছে হেরেছিলেন।
    স্বতন্ত্রদের মধ্যে সমঝোতার প্রশ্নে আখতারুজ্জামান বলেন, ‘দেখতে হবে প্রস্তাবটা কোন জায়গা থেকে আসছে। আমি যাদের নেতা মানি, সেই জায়গা থেকে যদি বসার প্রস্তাব আসে তাহলে তো বসতে আপত্তি নেই। বসার পরে কী সিদ্ধান্ত হবে সেটা পরের কথা। এখন ভোটের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আমি তো মনে করি, ভোটাররা ভোট দিতে পারলে আমিই নির্বাচিত হব। কারণ, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের একজন এক সময় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে তিনিও নানা অপকর্ম করেছেন। ভোটাররা সেটাও বিবেচনা করছেন।’
    এ আসনের স্বতন্ত্র চার প্রার্থীর প্রত্যেকেরই মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। আপিল করে চারজনই প্রার্থিতা ফিরে পান। প্রতীক বরাদ্দের আগেই নির্বাচন কমিশনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছিলেন মাহিয়া মাহি। আর আদালত ঘুরে গোলাম রাব্বানী প্রতীক বরাদ্দের একদিন পর, আখতারুজ্জামান চার দিন পর এবং আয়েশা আখতার জাহান ডালিয়া এক সপ্তাহ পর প্রতীক পান। আখতারুজ্জামান ঈগল প্রতীকে, গোলাম রাব্বানী কাঁচি প্রতীকে, ডালিয়া বেলুন প্রতীকে এবং মাহি ট্রাক প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদিকে নৌকার লোক দাবি করে নৌকার বিপক্ষে কথা বলে নৌকা ডোবানোর চেষ্টা সাধারণ নেতা ও কর্মী-সমর্থকেরা।
    রাজশাহী-১ জাতীয় সংসদের ৫২ তম আসন। এ আসনের তানোর উপজেলায় পুরুষ ভোটার ৯০ হাজার ১৪৩ জন, আর নারী ভোটার ৯০ হাজার ৮৭০ জন। গোদাগাড়ী উপজেলায় পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৪ জন। নারী ভোটার ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৭০ জন।#