Blog

  • আপনারা নৌকায় ভোট দিলেই উন্নয়ন হয় -প্রধানমন্ত্রী

    আপনারা নৌকায় ভোট দিলেই উন্নয়ন হয় -প্রধানমন্ত্রী

    মোঃ মিজানুর রহমান,কাল‌কি‌নি প্র‌তি‌নি‌ধি/
    মাদারীপুরের কাল‌কি‌নি‌তে নির্বাচনী জনসভা প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা ব‌লেন নৌকায় ভোট দি‌লে বাংলা‌দেশ হ‌বে স্মাট বাংলা‌দেশ।
    এসময় মাদারীপুর সংসদীয় আসন-১,২ ও ৩ প্রার্থী প‌ক্ষে নৌক‌ায় ভোট চাই‌লেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
    শ‌নিবার বিকা‌লে কাল‌কি‌নি সৈয়দ আবুল হো‌সেন ক‌লেজ মা‌ঠে নির্বাচনী জনসভায় উপ‌জেলা আওয়ামীলী‌গের সহসভাপ‌তি আবুল কালাম আজা‌দের সভাপ‌তি‌ত্বে বক্তব‌্য রা‌খেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রে‌সি‌ডিয়াম সদস‌্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান এমপি মাদারীপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য নুরে আলম চৌধুরী লিটন মাদারীপুরও ৩ আসনের সংসদ সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এমপি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাদারীপুর ৩ আসনের সাবেক এমপি কৃষিবিদ বাহাউদ্দিন নাসিম আমাদের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সদস্য আনোয়ার হোসেন ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য শাহাবুদ্দিন ফকির ও কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিরাজুল আলম মিধা পৌর-‌মেয়র এস.এম.হা‌নিফ কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক লোকমান সরদার কালকিনি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান হাওলাদার কালকিনি উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চায়না খানম ও আওয়ামী লীগের সহযোগী অঙ্গ সংগঠন সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ প্রমুখ।

  • নৌকার সমর্থনে পটিয়া পৌরসভার  ৪ নং ওয়ার্ড  আওয়ামী লীগের গণমিছিল

    নৌকার সমর্থনে পটিয়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের গণমিছিল

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার।। পটিয়ায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর সমর্থনে তার নিজ এলাকা পটিয়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এবং পৌর কাউন্সিলর গোফরানার নেতৃত্বে এলাকায় গণ মিছিল হয়েছে।
    গত ৩০ ডিসেম্বর (শনিবার) বিকেলে মিছিলটি পটিয়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে। মিছিলে এলাকার বিপুল সংখ্যক সর্বস্তরের নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন-পটিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, পটিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ওয়াহিদুল আলম,
    পটিয়া উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ডিএম জমির উদ্দিন, পটিয়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গোফরান রানা, পৌরসভা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নাজিম উদ্দিন পারভেজ,
    ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল, শেখ মো: বেলাল, নোমান টিপু, সরওয়ার, আমজাদ হোসেন, রবিউল হোসেন খোকন, তারেকুর রহমান, ইকবালুর রহমান ওপেল, শাহরিয়ার শাহজাহান, নুরুল ইসলাম, কামাল উদ্দিন, শফিকুল ইসলা শফি, সজীবুল ইসলাম জন

  • বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব ডিমলা উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব ডিমলা উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ
    জনস্বার্থে সাংবাদিকতা, সাংবাদিকতায় নিরাপত্তা এই প্রতিপাদ্য নিয়ে -বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, ডিমলা উপজেলা শাখার ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব ডিমলা উপজেলা শাখার অস্থায়ী কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
    বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নীলফামারী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও ডিমলা উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক হামিদার রহমান এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান দুলালের সঞ্চালনায়, কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ শেষে কেক কাটার মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, ডিমলা উপজেলা শাখার ১ ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন ও এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহীদদের সম্মানার্থে দাঁড়িয়ে ১ মি: নীরবতা পালন করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।
    উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির আসন অলংকৃত করেন বক্তব্য রাখেন, নীলফামারী জেলা পরিষদের সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ডিমলা উপজেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক ফেরদৌস পারভেজ, ডিমলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক এ এইচ এম ফিরোজ সরকার, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সফিয়ার রহমান।
    এছাড়াও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন, ডিমলা রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি বাদশা সেকেন্দার ভূট্রু, প্রেসক্লাব ডিমলার সভাপতি সরোয়ার জাহান সোহাগ, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মইনুল ইসলাম সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরনবী ইসলাম মানিকসহ বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব ডিমলা উপজেলা শাখার সাংবাদিকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
    অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ডিমলা উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নূর মোহাম্মদ সুমন ও দপ্তর সম্পাদক আলমগীর হোসেন।
    উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত দেশব্যাপী সাংবাদিক সংগঠন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব (গভ: রেজি: নং- ৯৮৭৩৬/১২)। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বস্তরের সাংবাদিকদের জাগ্রতকরণ এর মূল লক্ষ্য।

  • প্রধানমন্ত্রীর জনসভার সুযোগ নিয়ে বিরোধীয় সম্পত্তিতে সীমানা প্রাচীর নির্মান চেষ্টার অভিযোগ

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভার সুযোগ নিয়ে বিরোধীয় সম্পত্তিতে সীমানা প্রাচীর নির্মান চেষ্টার অভিযোগ

    মোগল শাফাকাত শুভ,বরিশাল প্রতিনিধি।

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিরোধীয় সম্পত্তিতে সীমানা প্রাচীর নির্মান চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে খাদেমের স্ব মিল সংলগ্ন এলাকার। বর্তমানে জমি সক্রান্ত বিরোধে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজমান রয়েছে। বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ ও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,এলাকার বাসিন্দা মোঃ মিজানুর রহমান ও তার একই সীমানার বাসিন্দা মোঃ জসিমের সাথে এ বিরোধ চলমান রয়েছে। আবদুল খালেক মোল্লার ছেলে জসিম মোল্লার খামখেয়ালীপনা ও মিজানুর রহমানের সীমানায় ঢুকে বাউন্ডারি ওয়াল করার অভিযোগে গত ২ নভেম্বর বানারীপাড়া পৌরসভার মেয়র সুভাষ চন্দ্র শীলের কাছে একটা লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মিজান। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পৌরসভার দায়িত্বশীল কর্তারা এসে জসিম মোল্লার নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু সুচতুর জসিম মোল্লা সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। অবশেষে ২৯ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরিশালের সমাবেশে অংশগ্রের জন্য মিজান বরিশালে অবস্থান করায় সেই সুযোগ নেয় জসিম মোল্লা। তরিঘরি করে বিরোধীয় যায়গায় বন্ধ থাকা গ্রেডভিমের ঢালাই কাজ সম্পন্ন করে। এসময় মিজানের স্ত্রী জসিম মোল্লার কাজে বাধা দিতে গেলে ঘটনার স্বাক্ষীদের সহ তাদের খুন জখমের হুমকি দেয় বিবাদীরা। এঘটনা মিজানকে মুঠোফোনে জানানো হলে সমাবেশে অবস্থানরত অবস্থায় মিজান স্থানীয় কাউন্সিলর জাহিদ হোসেন সরদারকে বিষয়টি অবহিত করেন। সমাবেশ শেষে এলাকায় ফিরে ওই দিন সন্ধ্যা রাতেই মিজানুর রহমান বাদি হয়ে জসিম মোল্লা সহ ৩/৪ জন অজ্ঞাত ব্যাক্তির বিরুদ্ধে বানারীপাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

    এবিষয়ে জসিম মোল্লার কাছে জানতে চাইলে,তিনি জানান তার নিজ সম্পত্তিতেই কাজ করছেন।

  • লালমনিরহাটে ১০কেজি গাঁজা,পিকআপসহ সাগর,গ্রেফতার

    লালমনিরহাটে ১০কেজি গাঁজা,পিকআপসহ সাগর,গ্রেফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবির অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিরুল ইসলাম,নেতৃত্বে এসআই /নিজাম উদ দৌলা এএসআই আব্দুল বারী, কং মোঃ রাশেদ মিয়া ও আশরাফুল ইসলাম,সহ সঙ্গীয় ফোর্স সহ বিশেষ অভিযানে জেলার কালিগঞ্জ থানাধীন কাকিনা ইউনিয়নের কাকিনা- রংপুর মহাসড়কের সিরাজুল মার্কেট জনৈক মোঃ: জাহাঙ্গীর আলম এর বসতবাড়ি ৫০ গজ উত্তরে রেলিং এর উপর হতে সাগর শেখ (২৮),একটি পিকআপযোগ ১০কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা বহন করার সময় উপরোক্ত আসামিকে গ্রেফতার করেন। অপর আসামি পিকআপ ড্রাইভার ঘটনার স্থান থেকে সুকৌশলে পালিয়ে যায়।গ্রেফতারকৃত আসামী হলেন সাগর শেখ ওরফে হারুন(২৮), পিতা- মোঃ জবদুল শেখ, সাং- কৃষ্ণপুর, পোষ্ট- রাজনারায়নপুর, ইউপি-জাতসাখিনী, থানা- আমিনপুর, জেলা- পাবনা। এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়। লালমনিরহাট ডিবির অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিরুল ইসলাম,জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে কাকিনা- রংপুর মহাসড়কের সিরাজুল মার্কেট জনৈক মোঃ: জাহাঙ্গীর আলম এর বসতবাড়ি ৫০ গজ উত্তরে রেলিং এর উপর হতে একটি পিকআপ ও ১০কেজি গাঁজাসহ এক জনকে গ্রেফতার করেন।

    হাসমত উল্লাহ।

  • মুন্সীগঞ্জে যশলং এ মসজিদের পূর্ণ নির্মাণে অনুদান দিলেন  হালদার গ্রুপের চেয়ারম্যান

    মুন্সীগঞ্জে যশলং এ মসজিদের পূর্ণ নির্মাণে অনুদান দিলেন হালদার গ্রুপের চেয়ারম্যান

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় যশলং ইউনিয়নে
    নযাকান্দি গ্ৰামের “নযাকান্দি
    জামে মসজিদ” এর পূর্ণ নির্মাণে জন্য অনুদান মসজিদ কমিটির হাতে তুলে দিয়েছেন যশলং ইউনিয়নে শায়জাবাদ গ্ৰামের সন্তান ও হালদার গ্রুপের চেয়ারম্যান সাব্বির হাসান সাগর হালদার ।

    গত ২৭শে ডিসেন্বর বিকালে মসজিদের পূর্ণ নির্মাণ কাজের জন্য তিনি এ অনুদান প্রদান করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশলং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মমিন মৃধা, শ্রমিক লীগ নেতা মিজান দেওয়ান , আশা হালদার সহ এলাকা গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।

    হালদার গ্রুপের চেয়ারম্যান সাব্বির হাসান সাগর হালদার
    বলেন, আমি এলাকা বাসী অসহায় মানুষদের পাশে আছি এবং থাকব।
    আর মসজিদের পূর্ণ নির্মাণ কাজে একটা শুভ সূচনামাত্র।
    আজকের এই অনুদান প্রদান কর্মসূচি ভবিষ্যতেও চালু থাকবে ইনশাল্লাহ।

  • গোদাগাড়ীতে কাকডাকা ভোরে খেজুরের রস নিয়ে ছুটছেন এক গাছি

    গোদাগাড়ীতে কাকডাকা ভোরে খেজুরের রস নিয়ে ছুটছেন এক গাছি

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ শীতকালের হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডার মধ্যে কাঁচা খেজুরের রস খেতে পছন্দ করেন না এমন লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না। । কেউ আবার এ রসকে প্রক্রিয়াজাত করে পিঠা-পুলি, পায়েস, গুড় তৈরি করে খেয়ে থাকেন। আদিবাসীরা এ রস মাতিয়ে নেশা করে থাকেন। সারা বছর খেজুরের রস সংগ্রহ করা যায়। তবে শীতকালের খেজুরের রসই বেশি সুস্বাদু। শীত কমার সঙ্গে সঙ্গে রসের পরিমাণ ও মানও কমতে থাকে।

    খেজুরের রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। বাংলাদেশে যে খেজুর হয় তাতে যথেষ্ট শাঁস থাকে না বলে অনেকেই এটা খেতে খুব একটা পছন্দ করেন না। তাই খেজুরের রসই আসল আকর্ষণ। খেজুরের রস থেকে তৈরি গুড় অনিদ্রা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খেজুরের গুড়ে আয়রন বা লৌহ বেশি থাকে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে কর্মস্পৃহা ফিরিয়ে আনতে খেজুরের রস দারুণ উপকারী।

    এসব কারনে অন্যান্য এলাকার মতো রাজশাহী গোদাগাড়ীতে এক গাছি কাক ডাকা ভোরে ( সকালে) কলসিতে খেজুরের রস সংগ্রহ করে উপজেলার গোলাইয়ের মেঠো পথ ধরে ছুটে চলেছেন বিক্রির আশায়, প্রতিদিন সর বিক্রি করে তাকে সংসার খরচ যোগাতে হয়। তার মত অনেকেই এ কাজটি করে থেকেন।

    গোদাগাড়ীতে খেজুর গাছের সংখ্যা দিন দিন কমছে, ইটভাটার মালিকগন কিনে নিয়ে গিয়ে ইট পুড়াচ্ছেন। এ অবস্থা চলতে থাকলে খেজুর গাছ শূন্য হয়ে যাবে শিশু কিশোরদের নিকট খেজুরের সর রুপকথার গল্পের মতো হয়ে যাবে।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার (প্রেমতলী) ডা. রাশেদুল হাসান শাওন বলেন, খেজুরের রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। এতে ১৫-২০% দ্রবীভূত শর্করা থাকে, যা থেকে গুড় ও সিরাপ উৎপাদন করা হয়। খেজুরের গুড় আখের গুড় থেকেও বেশি মিষ্টি, পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। ঘ্রাণ ও স্বাদের জন্য এ গুড়ের রয়েছে বিশেষ চাহিদা। খেজুরের গুড়ে আখের গুড়ের চেয়ে বেশি প্রোটিন, ফ্যাট ও মিনারেল রয়েছে। সকালের নাশতায় খেজুর রসের সিরাপ দিয়ে রুটি খেলেই বেশি তৃপ্তি পাওয়া সম্ভব।

    উপজেলা কৃষি অফিসার মরিয়ম আহমেদ বলেন, আমরা গোদাগাড়ী এলাকায় হাজার হাজার তাল ও খেজুর গাছ রোপন করেছি, কিছু গাছি খেজুরের সর সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে থাকেন, ফলে তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। মানুষ এ রসকে প্রক্রিয়াজাত করে পিঠা-পুলি, পায়েস, গুড় তৈরি করে খেয়ে থাকেন, কেউ গুড়ও করে থাকেন, দিন দিন খেজুরের রসের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • রাজশাহীতে একজন ভুয়া চিকিৎসক আটক

    রাজশাহীতে একজন ভুয়া চিকিৎসক আটক

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ দামি পোশাক তার ওপর চিকিৎসকদের ব্যবহৃত অ্যাপ্রোন। কাঁধে ঝুলানো স্ট্যাথোসকোপ। গলায় রয়েছে আইডি কার্ড। আর হাতের আঙ্গুলে বেশ কয়েকটি সোনার আংটি। যে কেউ প্রথম দেখায় মনে করতে পারেন তিনি একজন এমবিবিএস চিকিৎসক। কিন্তু আসলে তিনি কোন চিকিৎসক নন।

    ভুয়া এসব আইডি কার্ড ব্যবহার করে প্রায়ই আসতেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে। অবশেষে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে ওই ভুয়া চিকিৎসককে আটক করেছেন রামেক হাসপাতালের দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা। গ্রেফতারকৃত ওই ভুয়া চিকিৎসকের নাম সামিউর রহমান (২৭) তিনি নগরীর উপ ভদ্রা এলাকার রাশেদুর রহমানের ছেলে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সিনিয়র নার্স গোলাম মোস্তফা জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে অ্যাপ্রোন পরিহিত অবস্থায় জরুরী বিভাগে ওটি করার জন্য ঢুকেন ওই ভুয়া চিকিৎসক। এসময় কত্যর্বরত নার্সদের কাছে মাস্ক ও ওটির পোশাক চান। সেগুলো দিতে না পারায় নার্সদের ওপর তিনি ক্ষিপ্ত হেয়ে চড়াও হোন। পরে ওই ব্যাক্তির আচারণে সন্দেহ হলে তাকে পুলিশে দেওয়া হয়। তবে ওই ভুয়া চিকিৎসকের দাবি, তাঁর স্বপ্ন ছিলো বড় চিকিৎসক হওয়া। কিন্তু পারিবারিক সমস্যার কারণে সেটি হয়ে ওঠেনি। তাই পরিবার ও আত্বীয় স্বজনদের তিনি রামেক হাসপাতালের একজন চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে আসতেন।

    সম্প্রতি তিনি এই পরিচয় দিয়ে এক নারীকে বিয়েও করেছেন। এছাড়াও তিনি মাঝে মাঝে শখের বসে এসে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আনসার (পিসি) শহিদুল ইসলাম জানান, প্রথমে গ্রেফতারকৃত সামিউর রহমান ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে স্বীকার না করলেও পরে জানান তিনি কোন চিকিৎসক নন। এরপর তাকে আটক করে রামেক হাসপাতালে পুলিশ বক্সে নিয়ে আসা হয়।

    উল্লেখ্য : গ্রেফতারকৃত ভুয়া চিকিৎসক সামিউর রহমান নিজেকে ইসলামী ব্যাংক ইনিস্টিটিউট অফ হেলথ টেকনোলোজির শিক্ষার্থী দাবি করলেও সেটির পক্ষেও কোন প্রমাণ দেখাতে পারেনি তিনি। রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান তার বিরুদ্ধে মামালার প্রস্তুতি চলছে।
    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মান করতে মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী কে  নৌকায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন: মোজাম্মেল হক

    স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মান করতে মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী কে নৌকায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন: মোজাম্মেল হক

    চট্টগ্রাম চেম্বারের সদস্য শেখ মোঃ মোজাম্মেল হক গতকাল কাশিয়াইশ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী আলহাজ্ব মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর নৌকা প্রতীকের ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেন।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন , শেখ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,ফরহাদুল ইসলাম খান,ফজলুল করীম,রনধীর সেন রন্টু,এমদাদুল হক রুমন,শেখ ফরিদুল আলম,প্রিয় আশিষ বড়ুয়া,শেখ দিদার,ঈসা খান,শেখ সেলিম,ইউছুফ,রিগান বড়ুয়া,দিপু বড়ুয়া সহ অন্যারা।পথসভায় বক্তব্য প্রদান কালে আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন,বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে আবারও প্রধানমন্ত্রী করতে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মান করার লক্ষ্যে নৌকায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।

  • নির্বাচনের কাজে প্রশাসন  ব্যস্ত থাকায় গোদাগাড়ীর মাংসের বাজার  অস্তির

    নির্বাচনের কাজে প্রশাসন ব্যস্ত থাকায় গোদাগাড়ীর মাংসের বাজার অস্তির

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী, ঢাকা, বগুড়া, পাবনা, নওগাঁ,চিটাগাং সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গরুর মাংশের দাম কমলেও রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পেঁয়াজ সিন্ডকেটের মত কসাইগণ ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা কেজি দরে দেদারসে বিক্রি করছেন। গাভী ও মহিষ জবাই করে ষাঁড়/বাছুর গরুর মাংশ বলে বিক্রি করছেন ফলে ক্রেতাসাধারণ প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে হাজার হাজার টাকা, মাংশের দোকানে মূল্য তালিকা ঝুলানোর সরকারী নির্দেশনা থাকলেও সেটা মানা হচ্ছে না। নির্বাচনের কাজে ভোক্তাধিকার, স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন ব্যস্ত থাকার সুযোগে বীরদাপটে বেশী দামে মাংশ বিক্রি করছেন।

    উত্তর শাজাহানপুর, ঢাকায় গরুর মাংশ ৫৯৫/ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন জাত কসাই মোঃ খলিল ভাই তিনি প্রতিদিন ৪০/৪৫ টি গরু প্রতিদিন বিক্রি করছেন। হাজার হাজার মানুষ সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে মাংশ কিনছেন। কম দামে মাংশ কিনতে পেরে লাখ লাখ মানুষ দোয়া করছেন খলিল ভাইয়ের জন্য। তিনি কম দামে বিক্রি করে রীতিমত ভাইরাল হয়েছেন। তিনি আরও বলছেন, সরকার যদি চামড়ার দাম বৃদ্ধি করেন, তবে আরও ২০/২৫ টাকা কমে মাংশ বিক্রি করতে পারতাম। দেশে এক জোড়া জুতার দাম ৩৫০০/ টাকা থেকে ৭০০০/ টাকা সেখানে গরুর চামড়ার দাম কি করে ৩০০/ ৪০০ হয় এটা আমি বুঝতে পারছিনা।
    কেউ কেউ বলছেন খলিল ভাই বাংলাদেশে অন পিস, তার কারনে গরীব মানুষ মাংশ কিনে খেতে পারছেন। তার জন্য হাজার হাজার মানুষ দোয়া করছেন। খলিল কসাই পারলে গোদাগাড়ীর কসাইগন পারছে না কেন?

    প্রথম শ্রেণীর গোদাগাড়ী ও কাঁকনহাট পৌরসভায় গবাদিপশু জবাই করার পূর্বে ডাক্তারী পরীক্ষা নীরিক্ষা করার কথা থাকলেও তা রহস্যজনক কারনে মানা হচ্ছে না। এ সুযোগে কসাইগণ রাতের আধারে রোগাক্রান্ত, হাড্ডিসার গাভী, বকনা, মহিষ জবাই করে ষাড় গরুর মাংশ বলে বিক্রি করছেন।

    শনিবার ও গত শুক্রবার গোদাগাড়ী পৌরসভার মহিশালবাড়ী, গোদাগাড়ী, রেলওয়ে বাজার, রেলগেট সুলতানগঞ্জ, কামারপাড়া, বিদিরপুর, গোগ্রাম, কাঁকনহাট, রাজাবাড়ীসহ বিভিন্ন স্থানে কাসাইগণ ৭৫০ টাকা থেকে ৭৮০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংশ বিক্রি করছেন।

    সারা দেশে গরুর দাম কমলেও গোদাগাড়ী গরুর মাংশের দাম কমছে না। গোদাগাড়ীর মাংশ ব্যবসায়ীগন পেঁয়াজ সিন্ডিকেটের মত সিন্ডকেট তৈরী করে গরুর মাংশ চড়া দামে অব্যাহতভাবে বিক্রি করছেন। তাদের সরাসরি কথা বেশি দরে মাংশ বিক্রি করলে কেউ কিছু করতে পারবে না।

    মহিশালবাড়ী বাজারে শহিদুল গোস্তো বিতানের মালিক শহিদুল ইসলাম বলেন, গত ৬ মাস থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস বিক্রি করচ্ছি। তার সরাসরি বক্তব্য যারা ঢাকা, বগুড়াসহ বিভিন্ন স্থানে ৫৫০/৫৯৫/৬৫০/ টাকা কেজি দরে মাংশ বিক্রি করছেন তাদের মাংশ ভাল নয়, ভাল মাংশ ৭৫০ টাকার নীচে দিতে পারবে না। বেশী মাংশ নিলে ৭৪০/ টাকা কেজি হিসেবে দিতে পারবো। আপনাকে ওইভাবে মাংশ দিলে আপনিও নিবেন না।

    গোদাগাড়ী এলাকার কয়েকজন মাংস বিক্রেতা এ প্রতিবেদককে জানান, তারা ৭৫০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস বিক্রি করছেন। তবে বেশী মাংশ নিলে ৭৩০/৭৪০ টাকা কেজি মাংশ দিচ্ছি।

    গোদাগাড়ী এলাকার এক মাংস বিক্রেতা নাম প্রকাশ না করা শর্তে জানান, গরুর দাম কমলেও পাইকারী কসাইগনের নিকট হতে ‘আগের মতো একই দামে গরু কিনতে হচ্ছে। তাই মাংসের দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।’

    রেলওয়ে বাজারের এক মাংশ বিক্রেতা ( কসাই) বলেন, ঈদুল আজহার পর মাংসের চাহিদা আগের অবস্থায় ফিরে আসেনি।’ ‘তাই গরুর দাম কমে গেলেও তারা কম দামে গরুর মাংস বিক্রি করতে পারছেন না। চামড়া ব্যবসায়ীগণ সিন্ডিকেট করে হাজার হাজার টাকা লোপাট করছেন এদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হলে চামড়ার দাম বৃদ্ধি মাংশের দাম কমানো সম্ভব বলে সচেতন মহল মনে করেন।

    মহিশালবাড়ী বাজরের মুদি দোকান মালিক আব্দুল্লাহ এ প্রতিবেদক জানান, পেঁয়াজ, লবন তেল সিন্ডকেটের জন্য আমাদের বদনাম হচ্ছে, ব্যবসা করতে ইচ্ছে করছেনা। কয়েক দফায় ৫৬ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছি। কিছু মালের দাম কমে যাওয়ায় ১০/১২ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। কিছুদিন আমি ভারত থেকে আসলাম, সেখানে মাংশের কেজি ১৫০/১৮০/ কেজি বিক্রি হচ্ছে, গরুর দামও কমেছে। বাংলাদেশের ঢাকা, বগুড়া, চিটাগাংসহ বিভিন্ন স্থানে ৫৫০ থেকে ৫৯০ টাকা কেজি দরে মাইকিং করে, ফেসবুক লাইভ করে মাংশ বিক্রি করছেন। অথচ মহিশালবাড়ী রেলবাজার, গোদাগাড়ীর বিভিন্ন মাংশ ব্যবসায়ীগণ সিন্ডকেট করে ৭৫০/৭৮০ টাকা কেজি দরে মাংশ বিক্রি করছেন, গাভী, মহিষ জবাই করে ষাঁড়ের ( বছুর গরু) মাংশ বলে বিক্রি করছেন। সেখানে ভোক্তা অধিকার, প্রশাসনের কর্মকর্তাগন দেখতে পান না। অভিযান পরিচালনা করেন না।

    মাংশের বাজারের এমন পরিস্থিতি কেন বা দামের তরতাম্যের কারণ জানতে চাইলে বাজার মনিটরিংকে দায়ী করেন ক্রেতাসাধারণ। তারা বলছেন, বাজার মনিটরিং হয় না, রহস্যজনক কারনে মাংশের বাজারে অভিযান কোন অভিযান পরিচালিত হয় না, গরু জবাই করার পূর্বে পৌরকতৃপক্ষ কোন খোঁজখবর রাখেন না, কোনও শৃঙ্খলা নেই। যার যেমন ইচ্ছা দাম হাঁকাচ্ছেন। মানুষ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

    গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গোদাগাড়ীর গরুর মাংশের দাম বেশী, মনগড়া দাম বাড়িয়ে কেউ পার পাবে না। মাংশ বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইন অনুয়ায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।