Blog

  • নড়াইলরে নিখোঁজ মা ও মেয়ে ঢাকা সাভার থেকে উদ্ধার

    নড়াইলরে নিখোঁজ মা ও মেয়ে ঢাকা সাভার থেকে উদ্ধার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে//

    নড়াইল পুলিশের অভিযানে নিখোঁজ মা ও মেয়ে ঢাকা সাভার থেকে উদ্ধার। (৬ আগস্ট) লোহাগড়া থানাধীন নলদী নকখালি বাজার হতে মোছাঃ মৌসুমী (২৮) নামের একজন নারী তার ৯ বছরের একটি মেয়েসহ নিখোঁজ হয়। মোছাঃ মৌসুমী (২৮) মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর থানার নহাটা ইউনিয়নের নহাটা গ্রামের মোঃ নূর ইসলামের মেয়ে। মেয়েটির বাবা সহ আত্মীয়-স্বজন ও এলাকার লোকজন বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। পরিবার ও আত্মীয়-স্বজন কোথাও খুঁজে না পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের শরণাপন্ন হন। এ সংক্রান্তে লোহাগড়া থানায় গত (২৮ ডিসেম্বর) মৌসুমীর বাবা মোঃ নূর ইসলাম একটি নিখোঁজ জিডি করেন। নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশক্রমে ভিকটিম উদ্ধারের জন্য জেলা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, (২৯ ডিসেম্বর) লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কুমার রায়-এর তত্ত্বাবধানে নলদী পুলিশ ক্যাম্প ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল এর যৌথ অভিযানে এসআই শেখ মোঃ মোরসালিন, এসআই মোঃ ফিরোজ আহমেদ, এএসআই মোঃ মোক্তার হোসেন, এএসআই মোঃ জামাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ মোছাঃমৌসুমী ( ২৮) ও তার ৯ বছরের মেয়ে মারিয়াকে সাভার থানার হেমায়েতপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করে। (২৯ ডিসেম্বর) রাতে মোছাঃ মৌসুমী ও তার ৯ বছরের মেয়েকে মৌসুমীর বাবা মোঃ নূর ইসলামের নিকট বুঝিয়ে দেওয়া হয়। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় জেলা পুলিশ মানুষের জান মালের নিরাপত্তায় সর্বদা তৎপর রয়েছে।

  • পটিয়ায় কুসুমপুরার পান্নাপাড়া মোড়ে নৌকা প্রার্থীর সমর্থকদের উপর হামলা আহত-১১

    পটিয়ায় কুসুমপুরার পান্নাপাড়া মোড়ে নৌকা প্রার্থীর সমর্থকদের উপর হামলা আহত-১১

    মহিউদ্দিন চৌধুরী,
    পটিয়া প্রতিনিধি।।
    পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নে নৌকা ও ঈগল সমথকদের উপর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড পান্নাপাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, নৌকা সমর্থিত জানে আলম (২৬), মো: মামুন (২৫), ওসমান গনি মিয়া (২৮), মো: ফাহিম (২২) এবং ঈগল সমর্থিত আহত নুরুল ইসলাম (৩৫), মনির উদ্দিন (৩৫), রাসেল (৩৪), রায়হান (৩৬)। এদিকে, পৃথক আর একটি ঘটনায় নৌকা সমর্থক আবদুল রাজ্জাক (২২), সিফাত (২০) ও তুহিন (২১) কে গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
    স্থানীয় ও প্রত্যাক্ষদর্শী সূত্রে জানাযায়, কুসুমপুরা ইউনিয়নে ২নং ওয়ার্ড এলাকায় নৌকা ও ঈগল প্রার্থী‘র সমর্থকদের পৃথক দুইটি পথসভা চলছিল। এমন সময় উভয় পক্ষে স্ব স্ব প্রতীকের শ্লোগান দিতে থাকে। হঠাৎ করে ঈগল প্রার্থীর সমর্থকরা নৌকা প্রার্থীর সমর্থিতদের উপর লাঠি সোটা দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। ঈগল প্রার্থীর সমর্থক নুরুল ইসলাম, এমএ এজাজ চৌধুরী ও আবু তৈয়ব, সালাহ উদ্দিন সরোয়ার, ফজল কাদের এর নেতৃত্বে ২০/২৫ জন লাঠি-সোঠাসহ দেশীয় অস্ত্র-সন্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে নৌকা সমর্থিত বেশকয়েক জনকে আহত করেন।
    অপরদিকে, নৌকার সমর্থক আবদুল রাজ্জাক, সিফাত ও তুহিন পটিয়া সদরে আসার পথে উজিরপুর এবাদাত খানা এলাকায় হল ওকে সেন্টারে সামনে ঈগল সমর্থক মোজাম্মেল হক লিটন প্রকাশ ডাকাত লিটনের নেতৃত্বে তাদের অতর্কিত হামলা করে। এদের মোটর সাইকেলটি রেখে দেয় এবং তাদের এলোপাতারি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর পুত্র ও প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়কারী নাজমুল করিম শারুন তার কাছে থাকা অস্ত্র দিয়ে কয়েক রাউন্ড ফাকাঁ গুলিবর্ষন করে বলে জানাগেছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতংক তৈরী হয়। আহতদের পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
    এ ঘটনার বিষয়ে পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো: সোলাইমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি মিটিং আছে বলে জানান।

  • বন্দরটিলা আশরাফিয়া মাদরাসার, অভিভাবক সমাবেশ ও বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

    বন্দরটিলা আশরাফিয়া মাদরাসার, অভিভাবক সমাবেশ ও বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

    মোঃ শহিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    মানসম্মত ও যুগোপযোগি শিক্ষা প্রদানের অঙ্গিকার নিয়ে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী ও আধুনিক শিক্ষার সমান্বয়ে পরিচালিত একটি ব্যাতিক্রমধর্মী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্দরটিলা আশরাফিয়া মাদরাসায় অভিভাবক সমাবেশ ও বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশসহ পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন আলী শাহ্ নগর বন্দর টিলা কাঁচাবাজারের পিছনের গলির রোডস্থ আশরাফিয়া মাদ্রাসার ক্যাম্পাসে গত ২৯ ডিসেম্বর বিকাল সাড়ে ৫ টায় অনুষ্ঠিত অভিভাবক সমাবেশ ও পরীক্ষার ফলাফল অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীর হাতে ফলাফল ও ক্রেস তুলে দেন মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা সাঈদ আহমদ আল-গাজী ও সহকারী পরিচালক মাওঃ মহিউদ্দিন,।

    আশরাফিয়া মাদরাসার পরিচালক ও হাফেজ মাওলানা সাঈদ আহমদ আল-গাজী ও সহকারী পরিচালক মাওঃ মহিউদ্দিন, এর সভাপতিত্বে ও শিক্ষা সচিব, মাষ্টার ফেরদাউস আলম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম
    আরও উপস্থিত ছিলেন,শিক্ষক ও পরিচালক,হাফেজ মাওলানা সাঈদ আহমদ আল-গাজী হাফিজাহুল্লাহ

    শিক্ষক ও সহ-পরিচালক,মাওলানা মহিউদ্দীন ,শিক্ষা সচিব ,মাষ্টার ফেরদাউস আলম ,শিক্ষক,হাফেজ মোবাশ্বির হোসেন ,শিক্ষক হিফজ বিভাগের, হাফেজ মোঃ আয়াছ আলী ,শিক্ষিকা,আলেমা আব্বাসিয়া, খাদেমা জোসনা বেগম ,অত্র এলাকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক , শিক্ষানুরাগী শিক্ষক ও অভিভাবকগণ। ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীসহ বিপুল সংখ্যাক অভিভাবকদের উপস্থিতি ছিল। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ৯ ডিসেম্বর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে , এলাকাবাসীর সেবা দিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে এই মাদরাসায় প্লে থেকে ৩ য় শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি চলছে।বিভাগসমূহঃ-
    নূরানী বিভাগ প্লে থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত।
    (নুরানী তালিমুল কুরআন বোর্ড চট্টগ্রাম কর্তৃক প্রণীত সিলেবাসে পাঠদান)

    হিফজ বিভাগ আল কোরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর সম্মানিত চেয়ারম্যান এবং হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সিনিয়র কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষক একাধিকবার আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত কারী হাফেজ মাওলানা শায়েখ মাঞ্জুর বিন মোস্তফা দা:বা: এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হেফজের প্রস্তুতিমূলক নাজরা বিভাগ হেফজ বিভাগ (বাংলা অংক ইংরেজি সহ)
    হিফজ রিভিউশন বিভাগ ইবতেদায়ী বিভাগচতুর্থ শ্রেণী থেকে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত(বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রণীতে সিলেবাসে পাঠদান)

  • আলোচনা সভা ও উঠান বৈঠক প্রচারণায় ব্যস্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছ

    আলোচনা সভা ও উঠান বৈঠক প্রচারণায় ব্যস্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে ভোট যুদ্ধে বিজয়ের মালা গলায় পড়তে উঠান-বৈঠক, গণসংযোগ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাবেক ৩বারের মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ।

    শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার ১২ নং আমিরাবাড়ী ইউনিয়নে ৬ নং ওয়ার্ড নারায়ণপুর বানারপারে , ইমরানের নেতৃত্বে আয়োজিত নির্বাচনী ক্যাম্পে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হলে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ. বি. এম আনিছুজ্জামান আনিছ । এ সময় পৌরসভার ৩বারের মেয়রকে একনজর দেখতে ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর জন্য ভীড় জমায় সাধারণ মানুষ।

    আলোচনা সভায় আনিছ বলেন, আমি শুনেছি এই এলাকার ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে চান না। তার কারণ ভোট দেন সেবা পান না। এ কথা শুনে আমি হতাশ হয়েছি।

    তিনি বলেন গ্রামাঞ্চলে কৃষক,শ্রমিহ,বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের বসবাস। এইসব এলাকার মানুষ সরকারের কোন সুযোগ সুবিধা পায়না, । তাই এই অপবাদ আর বঞ্চনা থেকে আপনাদের এবার ঘোচাতে হবে। আপনাদের কাছে অনুরোধ, আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে ট্রাক প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করে ত্রিশালের উন্নয়নের সুযোগ দেবেন।

    তিনি বলেন, নির্বাচনে জয়যুক্ত হলে আপনাদের নিয়ে ত্রিশালের যত উন্নয়ন সম্ভব, সেটা করবো। ভোটের দিন সবাই সকাল সকাল কেন্দ্রে গিয়ে ট্রাক প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে ত্রিশালের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখবেন।

    এ সময় উঠান বৈঠকে জেলা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ভাবখালীতে শামীমের ট্রাক প্রতীকের ব্যাপক প্রচারণা

    ভাবখালীতে শামীমের ট্রাক প্রতীকের ব্যাপক প্রচারণা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৪ রোজ রবিবার,দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব আমিনুল হক শামীম সিআইপি ভাইয়ের ট্রাক মার্কায় ভোট দেওয়ার আহবান জানিয়ে ভাবখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে লিফলেট বিতরণ ও ভাবখালীর উন্নয়নের স্বার্থে ভোটারদেরকে ট্রাক প্রতীকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রনেতা, জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সদস্য আরিফ রববানী । এসময় তার সাথে তাতীলীগ নেতা ছাইফুল ইসলাম, জাতীয় শ্রমিকলীগ নেতা আল আমিন, জুয়েল মিয়াসহ এলাকার মুরুব্বিরা গণসংযোগে ছিলেন।

  • পটিয়ায় মাইজভান্ডারী মাহফিল , শিক্ষা সামগ্রী  ও শীত বস্ত্র বিতরণ

    পটিয়ায় মাইজভান্ডারী মাহফিল , শিক্ষা সামগ্রী ও শীত বস্ত্র বিতরণ

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার।।
    মহান ১০ শে পৌষ বিশ্ব অলি শাহানশাহ হয়রত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী (কঃ)র ৯৫ তম খোশরোজ শরীফ উদযাপন উপলক্ষে মাইজভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি চাটরা শাখার উদ্যোগে মাইজভান্ডারী মাহফিল, শিক্ষা সামগ্রী ও শীত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে আমিনুল হক তানিম এর সভাপতিত্বে জালাল উদ্দীনের সন্ঞালনায় অনুষ্ঠিত হয়, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী সমাজসেবক, অধ্যাপক মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,চাটরা শাখার সভাপতি, মুহাম্মদ জাকির হোসেন, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,আমির ভান্ডার দরবার শরিফে সাজ্জাদানশীন, সৈয়দ নুরুল হুদা আমিরী,
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জনাব নিজাম উদ্দিন দোলতি,,আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান,নেজাম উদ্দিন বক্তব্য রাখেন, নাজিম উদ্দিন আজগর আলী, মাসুম, পিয়ারু,আমির হোসেন,নুর হোসেন প্রমুখ, সারাদিন ব্যাপি নানা কর্মসূচী মাধ্যম দিয়ে পবিত্র খোশরোজ উদযাপিত হয়।

  • গোদাগাড়ীর মাঠে মাঠে সরিষার হলুদ ফুল, এ যেন প্রকৃতির হলুদে বিছানো চাদর

    গোদাগাড়ীর মাঠে মাঠে সরিষার হলুদ ফুল, এ যেন প্রকৃতির হলুদে বিছানো চাদর

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীর ফসলের মাঠ সরিষার হলুদ ফুলে ছেঁয়ে গেছে। অগ্রহায়ণের হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে হলুদ সরিষার ফুল। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত যেমন মাঠ, তেমনি বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষকেরা । এক সাথে ফোটা ফল গুলো রোদ ঝলমল আলোয় প্রকৃতির মাঝে অপরুপ সৌন্দর্যর শোভা ছড়াচ্ছে। আর তা দেখতে ভীড় করছেন প্রকৃতি প্রেমীরা ।

    কৃষকরা আগে এসব জমিতে শুধু ইরি-বোরো এক ফসলী আবাদ করে হাজার হাজার হেক্টর জমি পতিত রাখত। কালের বিবর্তনের সাথে সাথে এ অঞ্চলের কৃষকদেরও কৃষি ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটেছে।

    তারা বিগত দু, যুগ ধরে ইরি-বোরো, আমন, টমেটো করোলা. লাউ, পটল, শীম, ভূট্টা, তরমুজ আবাদের পাশাপাশি সরিষার আবাদেও ঝুঁকেছে। তাই এখন সরিষার হলুদ ফুলে ফুলে ঢাকা গোদাগাড়ীর বিস্তীর্ণ মাঠ। গোদাগাড়ীর চর আষাড়িয়াদহ বিল, বাসুদেবপুরের বিল চড়াইয়ের যে দিকেই তাকাই হলুদ ফুলে চোখ ঝলসে উঠে। ফুলের সাথে লক্ষ লক্ষ মৌমাছি গুঞ্জন কৃষককে মহিত করে তুলেছে। মৌমাছি সরিষার ফুল থেকে মধু আহরণে ব্যস্ত। মধু আরোহনকারীরা মধু আরহনে ব্যস্তসময় পার করছেন। শীতের শিশির ভেজা সকালে সরিষার ফুল ফল দুলছে তো দুলছে সে সাথে দুলছে কৃষকের মন।
    তাই তো তারা দিনের বেশী সময় সরিষার মাঠে সময় পার করছেন। এ বছর গোদাগাড়ীতে বাম্পার সরিষার ফলন আশা করছেন কৃষক।

    ডিসেম্বর শেষ সপ্তাহে শীত বাড়ার সাথে এসব সরিষা ক্ষেতে দেখা দিয়েছে আরও ফুল । শীতের আমেজ বাড়ার সাথে বাড়ে সরিষার ফুলও । এ সময় প্রকৃতি সরিষার ফোটা ফুল ছড়ায় মুগ্ঘতা । দিগন্ত জোড়া হলুদ সরিষার ফসলের মাঠ। যতদুর চোঁখ যায় সরিষার ক্ষেত । অগ্রহায়ণের হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে এক সাথে ফোটা সরিষার ফুল গুলো।
    আর তা উপর থেকে দেখলে মনে হবে যেন হলুদ গালিচা । ফোটা সরিষা ফুলে ভ্রমর মধু খুঁজে ফিরছে ফুলে ফুলে । মধুমাখা ক্ষণে, প্রকৃতির সনে, সুবাসে মশগুল, সরষে ফুল । বিকেলের বেলাতে, মৌমাছির খেলাতে,গুনগুন তুলে রব,চারিদিকে সৌরভ, কবির লেখা কবিতার মতোই অসাধারণ এ চিত্রপট ফুটে উঠেছে রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বরেন্দ্রাঞ্চলের বিস্তির্ন মাঠে ।
    মাঠ জুড়ে প্রকৃতির অনাবিল সৌন্দর্য উপভোগ করতে দুর দরান্ত থেকে আসছেন তরুণ তরুণী সহ নানা বয়সী মানুষ । মাঠের চার পাশ ঘুরে দৃষ্টি নন্দন এমন পরিবেশ কে ক্যামেরা ফ্রেমে বন্দি করতে ব্যস্ত দর্শনার্থীরা

    কৃষি অফিসের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছেন। গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ – ২০২২ অর্থবছরে এ উপজেলায় মৌসুমে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২শ’ ৪০ হেক্টর। লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে।

    গোদাগাড়ী উপজেলায় ২০২০ – ২০২১ অর্থবছরে ৭ হাজর ২শ ১০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছিল। বারি সরিষা-১৪ জাত ২ হাজার ৮শ ৪৫ হেক্টর, বারি সরিষা-১৫ জাত ২ হাজার ৬শ ৯০হেক্টর, বারি সরিষা-১৭ জাত ২শ ৩৫ হেক্টর, এছাড়া বিনা সরিষা সহ স্থানীয় কিছু জাত চাষ হয়েছে।

    রাজশাহী জেলার উপ-পরিচালক মোঃ মোজদার হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা এক ইঞ্চি জমি ফাঁকা ( পতিত) রাখা যাবে না। এ ঘোষনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য,স্মার্ট কৃষি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কৃষিক্ষেত্রে বিভন্ন কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে আজ পর্যন্ত চাষে ও বিনা চাষে সরিষা বপন হয়েছে শুধু মাত্র গোদাগাড়ি উপজেলায় ১৯ হাজার ৫ শ ৪৩ হেক্টর। বিনা চাষে ৫ হাজার ১ শ ২৫ হেক্টর সরিষা চাষ হয়েছে। বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তাগন মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে কাজ করছেন, কৃষকদের পরামার্শ দিচ্ছেন। ইনসাল্লাহ সরিষার বাম্পার ফলন হবে।

    এছাড়া প্রতি সরিষা জমি থেকে বাড়তি আয় করতে অনেক বেকার যুবক এবং কৃষকগণ মৌবাক্স স্থাপন করেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গোদাগাড়ী সকল ধরনের কারিগরী সহযোগিতা করছে। কিছু কিছু জমিতে মধু আহরণের জন্য চাষীরা মধু সংগ্রহের বাক্স বসিয়েছেন। তেল বীজ, মধুর পাশাপাশি কৃষকরা সরিষা থেকে উন্নত গো-খাদ্যও তৈরী করতে পারবে বলে আশাবাদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

    সরিষা প্রধানত আবাদ হয় দোআঁশ ও বেলে-দোআঁশ মাটিতে, বিশেষ করে নদী বিধৌত এলাকায়। কার্তিক-অগ্রাহায়ণ মাসে দু-একটি চাষ বা বিনা চাষেই জমিতে ছিটিয়ে সরিষা বীজ বপন করা হয়। সরিষা চাষে সেচ ও সার লাগে কম। সরিষার পাতা একটি উৎকৃষ্ট জৈব সার হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। তেল নেয়ার পর অবশিষ্ট অংশ গরুর খৈল হিসেবে খাওয়ানো হয়। এতে প্রচুর পুষ্টি থাকে। জ্বালানী হিসেবে সরিষার গাছ ব্যবহার করা হয়।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গোদাগাড়ী উপজেলার বিলপাতিকলা, দূর্গাদহ বিল, রেলগেট বিল, সুশাডাং, বোগদামারি, কালিদিঘি, পিরিজপুর, প্রেমতলী, সিধনা বিল, গ্রোগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় বির্স্তীণ মাঠ সরিষার হলুদে ফুলে ছেঁয়ে গেছে। কৃষক আলাউদ্দিন বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে তেলের চাহিদা মিটাতে গোদাগাড়ী কৃষি বিভাগের পরামর্শে আমি সরিষা আবাদ করেছি। আশা করছি, সরিষা চাষে লাভবান হতে পারব।

    গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার অতনু সরকার বলেন, সোয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে তেলের চাহিদা মিটাতে কৃষকদের সরিষা চাষে সচেতন করা হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের সরিষা চাষে পরামার্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ। এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কৃষি বান্ধব সরকার তৈল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গোদাগাড়ী উপজেলায় মোট ১ হাজার ৬শ ৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার প্রদান করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রতি ইঞ্চি জমির ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। বিলের পানি নেমে যাওয়ার পর পরই সরিষার আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গোদাগাড়ী আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সব সময় কৃষকের পাশে থাকতে নিরন্তর ছুটে চলতে ভালোবাসি।

    গোদাগাড়ী এলাকার কৃষকরা জানান, কালের প্রেক্ষাপটে আমন ধানের বিকল্প হিসেবে গোদাগাড়ীতে কৃষকরা বোরো ধানের চাষে ঝুঁকে পড়ে। বিল চাড়ায়ের পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে মাঠের কৃষক কখনো সরিষার আবাদ করার কথা ভাবেনি। এখন থেকে ২০ বছর আগে এ বিলের কৃষক সমাজ ভাবতে পারেনি এ জমিতে সরিষা, মুসরি চাষ করার কথা। গত কয়েক বছর বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় এবিলের মাঠে মাঠে সরিষার আবাদ হয়েছে পুরোদমে। বর্তমানে সরিষার গাছে গাছে হলুদ ফুলের সমাহার। প্রায় ফুলেই মৌমাছি বসে মধূ আহরণ করছে। কৃষক আশা করছে কোন রোগ বালাই না হলে এবার গোদাগাড়ীতে সরিষার বাম্পার ফলন হবে।

    গোদাগাড়ী পৌর এলাকার কৃষক আব্দুল মাতিন জানান, এ বছর আমি ৩ বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ করেছি। প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হলে প্রতি বিঘা জমিতে ৬ থেকে ৭ মণ হারে সরিষার ফলন হবে। একই গ্রামের শামসুল আলম জানান, সরিষার আবাদের পরই জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা যায়। এতে জমিতে সার কম লাগে। সরিষার পাতা ও শিকড় সবুজ সারের কাজ করে এবং বোরো ধানের ফলনও বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়। অল্পসময়ের মধ্যে ২টি ফসল ঘরে তুলতে পারছে কৃষক।

    ভাজনপুর এলাকার কৃষক দুলুদেব বলেন, বর্তমানে মাঠে সরিষার, ভুট্টা, বিনাচাষে রসুন, ধনিয়া, গমের আবাদ হয়েছে। সরিষার চাষে লাভ বেশী খরচ কম। তাছাড়া সহজেই বিক্রয় করা যায়। সরিষার আবাদ ঘরে তোলার পর ওই জমিতেই সার ছাড়াই বোরো ধানের চাষ করা যায়। সরিষার আবাদ এ অঞ্চলের কৃষককে লাভের মুখ দেখাতে পেরেছে। সরিষার পাশাপাশি এবার ভুট্টার আবাদও হয়েছে ব্যাপক। মাত্র ২ থেকে আড়াই মাসের মধ্যে সরিষা জমি থেকে ঘরে তোলা যায়। সরিষার পাতা ও শিকড় জমিতে জৈব সারের কাজ করে। গাছগুলি জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা যায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ জানান, স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষককে একের অধিক ফসল ফলানোর জন্য নানাভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া উপসহকারী কৃষি অফিসারগণ সার্বক্ষণিক মাঠে কৃষকের সাথে কাজ করছেন। যাতে কৃষকের কোন প্রকার সমস্যার সৃষ্টি না হয়। আমি আশা করছি, প্রাকৃতিক কোন বিপর্যয় না ঘটলে এবার বিল চড়াইসহ গোদাগাড়ী সরিষা, গম, পিয়াজের রসুনের বাম্পার ফলনের আশায় স্থানীয় কৃষকদের চোখে মুখে হাসির ঝিলিক দেখা দিয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী, রাজশাহী

  • কালীগঞ্জহাটের কর্মকার হার্ডওয়ারের ৪ লাখ টাকা জরিমানা

    কালীগঞ্জহাটের কর্মকার হার্ডওয়ারের ৪ লাখ টাকা জরিমানা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে অলু বীজ নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে কালীগঞ্জহাটের আলোচিত মেসার্স কর্মকার হার্ডওয়ারের
    স্বত্ত্বাধিকারী সুভাষ কর্মকারের ৪ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। কিন্ত্ত অবৈধভাবে আলু বীজ বিক্রির অপরাধে সুভাষের কোনো শাস্তি না হওয়ায় কৃষকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
    স্থানীয়রা জানান, সুভাষ অনুমোদিত বীজ ডিলার না। কিন্ত্ত বিভিন্ন কৌশলে বিভিন্ন এলাকা থেকে চোরা পথে নিম্নমানের আলু বীজ, এনে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি করে আসছেন। সুভাষ কর্মকারের অপকর্মে এলাকার একাধিক আলুচাষি নিঃস্ব হয়ে পথে বসেছে। এদিকে প্রতারিত আলু চাষি মিজানুর রহমান মিন্টু বাদি হয়ে সুভাষ কর্মকারকে বিবাদী করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও),
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ২৭ ডিসেম্বর বুধবার স্থানীয়ভাবে শালিশ বৈঠকে সুভাষ অপরাধ শিকার করায়, ক্ষতিপূরণ স্বরুপ
    (বীজের দাম) ৪ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
    জানা গেছে, মেসার্স কর্মকার হার্ডওয়ারের স্বত্ত্বাধিকারী সুভাষ কর্মকার চারা গজানোর শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে ব্র্যাকের সার্টিফাইড বি-গ্রেড আলু বীজ (নকল) দিয়ে কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সুভাষের কাছে থেকে নকল আলু বীজ কিনে রোপণ করে প্রতারিত হয়েছেন। আলু চাষিদের অভিযোগ সুভাষ কর্মকার ব্র্যাকের আলু বীজের ব্যাগ রিপ্যাক করে বীজ আলুর পরিবর্তে খাবার আলু গছিয়ে দিয়েছেন। এঘটনায় এলাকার কৃষকদের মাঝে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
    এদিকে গত ২৩ ডিসেম্বর শনিবার সরেজমিন উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নের(ইউপি) গাগরন্দ চকপাড়া মাঠে দেখা গেছে, আলু চাষি মিজানুর রহমান মিন্টুর প্রায় ৩০ বিঘা জমির রোপণ করা আলু বীজ অঙ্কুরিত না হয়ে পচে গেছে। তিনি কালীগঞ্জ হাটের হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী সুভাষ কর্মকারের কাছে থেকে এসব আলু বীজ কিনেছেন। সুভাষ ব্র্যাকের সার্টিফাইড বি-গ্রেড বীজ বলে এসব আলু বীজ বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, সুভাষের কাছে থেকে আলু বীজ কিনে তার মতো আরো অনেক আলু চাষি প্রতারিত হয়েছেন।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আলু চাষি বলেন, সুভাষ কর্মকার দীর্ঘদিন যাবত আলু বীজ নিয়ে প্রতারণা করে সাধারণ কৃষকের কাছে থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হয়েছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে সুভাষ কর্মকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আলু বীজ নিয়ে মিন্টুর সমস্যা হয়েছিল তাকে ক্ষতিপুরুণ বাবদ ৪ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে।
    এবিষয়ে আলু চাষি মিজানুর রহমান মিন্টু বলেন, তিনি ব্যাংকের ঋণের টাকায় আলু চাষ করছেন, এখন পর্যন্ত্য তার প্রতি বঘায় ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি বলেন, সুভাষের প্রতারণায় তিনি এখন নিঃস্ব। তবে ক্ষতিপূরণ স্বরুপ তাকে মাত্র ৪ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, গত ২৪ ডিসেম্বর রোববার গাগরন্দ চকপাড়া মাঠে আলুখেত সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা হয়েছে। তিনি বলেন, বীজ সমস্যার কারণে এমনটি হয়েছে। তিনি বলেন, অনুমোদন ব্যতিত আলু বীজ বিক্রি করাটা অপরাধ।#

  • ছোট বোন রেহানা আমার পাশে না থাকলে আমি এত কাজ করতে পারতাম না- টুঙ্গিপাড়ার প্রধানমন্ত্রী

    ছোট বোন রেহানা আমার পাশে না থাকলে আমি এত কাজ করতে পারতাম না- টুঙ্গিপাড়ার প্রধানমন্ত্রী

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি।

    মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে প্রাণ খুলে কাজ করে যাচ্ছি, আর এগুলো সম্ভব হয়েছে আমার ছোট বোন শেখ রেহানার জন্য। রেহানা আমার পাশে না থাকলে আমি এতো কাজ করতে পারতাম না। গতকাল শনিবার ৩০ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সরকারি শেখ মুজিবুর রহমান কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
    তিনি বলেন, ‘৭৫-এর পরে আমি যখন দেশে আসি তখন শুধু শেখ রাসেল আর কামাল, জামালকে খুঁজতে ছিলাম। তখন ও আমাকে স্বৈরাচারী বিএনপি বিভিন্ন কাজে বাঁধা দেয়। তবে সেদিন আমি আমার ভাইদেরকে না পেলেও এয়ারপোর্টে হাজার হাজার মানুষ আমার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলো। সেদিন থেকেই দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমাকে হত্যার জন্যে বিএনপি-জামায়াতের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন হামলায় আমার এই জনগণ মানবঢাল হয়েছিলো আর আল্লাহর রহমতে আমি বেঁচে আছি। স্বাধীনতা বিরোধী সেই অপশক্তি আজও মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। আগুন সন্ত্রাসী করাই হচ্ছে বিএনপি-জামায়াতের কাজ। লন্ডনে বসে তারেক জিয়া হুকুম দেয় আর তার কথা শুনে একদল বিপথগামী লোক এ্যাম্বুলেন্স, হাসপাতালে হামলা সহ পুলিশ সদস্যও পিটিয়ে মেরেছে। ভবিষ্যতে যদি আবারও এমন কোনো কাজ করে তাহলে ঐ তারেক জিয়াকে ধরে এনে আইনের আওতায় আনবো।

    এসময় নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে তিনি বলেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিয়ে একদল বিপথগামী লোক ও বিদেশী চক্র নাশকতা করছে। সুতরাং সকলে মিলে আগামী ৭ জানুয়ারি পুনরায় নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে দিয়ে জয়যুক্ত করবেন এই আশা ব্যক্ত করছি। আমি অনেক ভাগ্যবান যে আপনাদের মত জনগণ পেয়েছি।

    এদিন নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে টুঙ্গিপাড়ার শেখ মুজিবুর রহমান কলেজ মাঠে ভাষণ শেষে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এবং একই দিনে মাদারীপুরের কালকিনিতে আয়োজিত জনসভায় অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার।

  • রাজারহাটে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাগণের কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    রাজারহাটে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাগণের কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :তারিখ: ৩০-১২-২০২৩ইং।আগামি ৭জানুয়ারি/২০২৪ ইং রোববার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট আয়োজিত রাজারহাট পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় শ্রেণী কক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাগণের অংশগ্রহণে দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।৩০ ডিসেম্বর শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় আব্দুল্লাহ সোহরাওয়ার্দী অডিটরিয়ামে কর্মশালার সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা রির্টানিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ।কর্মশালায় রাজারহাট উপজেলা নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তা নীলুফা আক্তারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার আল আসাদ মো:মাহফুজুল ইসলাম,এএসপি একেএম ওহিদুন্নবী,উপজেলা সহকারী রির্টানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাবেরী রায়,রাজারহাট থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো: মোস্তাফিজুর রহমান।এসময়ে উপস্থিত ছিলেন
    উপজেলা ভুমিকা সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম আরিফুল হক, প্রশিক্ষক ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল আলম, উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা:মাহফুজার রহমান,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম,রাজারহাট পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান মো:আশরাফুল আলম।রাজারহাট উপজেলায় ৬৩ ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের জন্য প্রিজাইডিং কর্মকর্তা,সহ প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও পুলিং কর্মকর্তাগণ এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।#(ছবি সংযুক্ত)

    এনামুল হক সরকার
    রাজারহাট কুড়িগ্রাম ।