Blog

  • বিরামপুরে কৃষি জমিতে পুকুর খনন করায় এক ব্যাক্তির কারাদন্ড

    বিরামপুরে কৃষি জমিতে পুকুর খনন করায় এক ব্যাক্তির কারাদন্ড

    জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় আবাদি জমি নষ্ট করে অবৈধভাবে পুকুর খননের অপরাধে আসরাক আলী নামে ১ যুবককে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    শনিবার বিকেলে উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের ধানঘড়া গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে আবাদি জমি নষ্ট করে অবৈধভাবে পুকুর খননের অপরাধে ১ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ওই যুবককে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুরাদ হোসেন।

    দন্ডপ্রাপ্ত যুবক আসরাক আলী উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের ধানঘরা গ্রামের মৃত আয়েজ উদ্দীনের ছেলে। রবিবার সকালে দণ্ডিত যুবক আশরাক আলীকে দিনাজপুর জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার।

    ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুরাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকারি অনুমতি ছাড়া অবৈধ ভাবে পুকুর খনন করে কৃষি জমি নষ্ট করার অপরাধে আশরাক আলীকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ফসলি জমি নষ্ট করে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলমান থাকবে।

    জাকিরুল ইসলাম জাকির
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবের ২৯তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবের ২৯তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবের ২৯ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার দুপুরে চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবর ও যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মৌসুমী দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হানিফ ও সদস্য এম এম জিয়াউল হক জুয়েল।

    সভায়, সভাপতি সাহেব তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৯৫ সাল থেকে চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাব বিভিন্ন চড়াই উৎরায় পেরিয়ে সংগঠনের কার্যকম এখনো চালিয়ে আসছে যা ভবিষ্যৎতে এই ভাবেই চলবে।

    তিনি আরও বলেন, সংগঠনের সাথে আমরা যারা যুক্ত আছি অদূর ভবিষ্যৎতে চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেন।

    সবশেষে, অতীতের সমস্থ গ্লানী মুছে ফেলে সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • মারধর করে আ’লীগ সভাপতির মুজিবকোর্ট ছিড়ে দিলেন নৌকার সমর্থকরা

    মারধর করে আ’লীগ সভাপতির মুজিবকোর্ট ছিড়ে দিলেন নৌকার সমর্থকরা

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন তুফা বিশ্বাসকে মারধর করে গায়ে থাকা মুজিককোর্ট ছিড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার রাতে সদর উপজেলার শংকরপুর গ্রামে নৌকার সমর্থকরা তার উপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারপিট ও গায়ে থাকা মুজিবকোর্ট ছিড়ে ফেলেন। রোববার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরে ভাষা সৈনিক মুসা মিয়া আইসিটি সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন তুফা বিশ^াস। লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, রাতে তিনি মাইক্রোযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুলের নির্বাচনী প্রচারণায় শংকরপুর গ্রামের যান। গাড়ি থেকে নেমে তিনি ওমর আলীর চায়ের দোকানে নামেন। এ সময় নৌকা প্রতিকের সমর্থক চন্ডিপুর গ্রামের কামরুজ্জামানের ছেলে জোবায়ের মীর, একই গ্রামের কফিল উদ্দীনের ছেলে মীর কামরুজ্জামান, আমির হোসেনের ছেলে হেলাল উদ্দীন ও নুর ইসলামের ছেলে আজিজুল ইসলাম তাকে গাড়ি কলার চেপে ধরে টেনে হ্যাচড়ে বেদম মারপিট করেন। এ সময় তার গাঁয়ে থাকা মুজিবকোর্টটি টেনে ছিড়ে ফেলা হয়। তাকে এলাকায় গিয়ে নৌকার বিরুদ্ধে ভোট করলে খুন জখমের হুমকীও দেয়া হয়। এ কারণে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ঘটনার পর থেকে ঈগল প্রতিকের পক্ষে নিজ এলাকায় তিনি প্রচারাভিযান চালাতে পারছেন না বলেও লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়। তোফাজ্জেল হোসেন তুফা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, “স্বতন্ত্র প্রার্থী ও নৌকার প্রার্থী দু’জনায় জেলা আওয়ামী লীগের নেতা। দলীয় সভাপতির ঘোষনার কারণে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে ভোট করছি। এটা তো আমার অপরাধ নয়। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমি স্বাধীনতার পর থেকে ৫১ বছর আওয়ামী লীগ করছি। বহু বছর ধরে গান্না ইউনিয়নের নেতৃত্ব দিচ্ছি। রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ভাষনে উজ্জীবিত হলে মুজিবকোর্ট গায়ে পরেছি, অথচ সেই কোর্ট ছিড়ে ফেলা হলো। আমি সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছি, এর বিচার চাই”। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে, রেজাউল মাষ্টার, আলমগীর হোসেন ও আমিন হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • বরগুনা জেলা ভিবিডি’র সভাপতি খাইরুল ইসলাম মুন্না  সম্পাদক আবু জাফর

    বরগুনা জেলা ভিবিডি’র সভাপতি খাইরুল ইসলাম মুন্না সম্পাদক আবু জাফর

    বরগুনা প্রতিনিধি।

    ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ – ভিবিডি’র বরগুনা জেলা শাখার প্রেসিডেন্ট মো. খাইরুল ইসলাম মুন্না এবং আবু জাফর জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। 

    বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) বরগুনা জেলা সহ সারাদেশের ৬৪ জেলায় ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ইমেইলের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

    ভিবিডির ফাউন্ডার করভী রাকসান্দ ধ্রুবের সভাপতিত্বে দেশ দেশব্যাপী নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। উক্ত নির্বাচনে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ – বরগুনা জেলা শাখার প্রেসিডেন্ট মো. খাইরুল ইসলাম মুন্না, জেনারেল সেক্রেটারি আবু জাফর হাওলাদার, ভাইস প্রেসিডেন্ট ইশরাত জাহান লিমা, হিউম্যান রিসোর্স অফিসার মোঃ রুবেল, প্রজেক্ট অফিসার নূরে জান্নাত সাবরিনা, ট্রেজারার তাকওয়া তারিন নুপুর, পাবলিক রিলেশন অফিসার মো. সোহানূর রহমান সৈকত আগাামী ১ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।

    ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ হচ্ছে জাগো ফাউন্ডেশনের একটি যুব শাখা। ২০১১ সালে বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাসের সহায়তায় এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০২৩ সালে জাগো ফাউন্ডেশন ও ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা করবী রাকসান্দ র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড অর্জন করেন।

    SDG বা “সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল” এর ১৭ টি বিষয় নিয়ে কাজ করাই এদের মূল লক্ষ্য। 
    বরগুনা জেলার প্রেসিডেন্ট খাইরুল ইসলাম মুন্নার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বিগত বছরগুলোর থেকে সামনের দিকে আরো ভালো কাজ করা হবে ভিবিডির মূল লক্ষ্য।

    তিনি আরো বলেন, “বেশি বেশি সাস্টেইনেবল প্রজেক্ট তৈরি করা সহ মাসিক স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামগুলো করা হবে। যাতে ভলানটিয়ারদের আরো দক্ষতা বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়।

  • ট্রাক প্রতীকের সাথে হাতে গোনা কয়েকজন বেইমান আছে- শিবলী

    ট্রাক প্রতীকের সাথে হাতে গোনা কয়েকজন বেইমান আছে- শিবলী

    জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    দিনাজপুর-৬ আসনে আ’লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শিবলী সাদিক এমপি বলেছেন, ট্রাক প্রতীকের (স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুল হক চৌধুরী) সাথে হাতে গোনা কয়েকজন বেইমান আছে। যে মানুষগুলো এমপি শিবলী সাদিকের সাথে বেইমানি করতে পারে, তারা সাধারণ মানুষের সাথে কি করতে পারে, আপনাদের (জনগণের) প্রতি সেই প্রশ্ন রাখলাম।

    শনিবার সন্ধ্যায় দিনাজপুর-৬ আসনের নির্বাচনী এলাকা বিরামপুর উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের বেপারিটোলা স্কুল মাঠে নির্বাচনী পথ সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় নৌকার স্লোগানে মুখর হয়ে উঠে চারপাশ।

    তিনি আরও বলেন, করোনা, সিডর, আইলা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমি (জণগণের) আপনাদের পাশে ছিলাম। কই সে তো (স্বতন্ত্র প্রার্থী) কোনোদিন আপনাদের খোঁজখবর রাখেনি। ডিসেম্বর মাস বাঙালির বিজয়ের মাস, বিজয়ের মাসে লেবাসধারী আ’লীগের গুটিকয়েক নেতা ট্রাক প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর সাথে আঁতাত করে নৌকা ডুবানোর যে অপচেষ্টা করছেন। সে সকল অপচেষ্টা জণগণ ব্যর্থ করে দেবে, ইনশাল্লাহ।

    পথ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পৌর মেয়র আককাস আলী, উপজেলা আ’লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শীবেশ কুন্ডু, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজ্জাক মাস্টার, ইউপি চেয়ারম্যান মালেক মন্ডল প্রমুখ। এসময় উপজেলা ও ইউনিয়ন আ’লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী-সমর্থক ছাড়াও নানা শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, দিনাজপুর-৬ আসন ৪টি উপজেলা, ৩টি পৌরসভা এবং ২৩টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃতীয় বারের মতো এ আসনে আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছে বর্তমান সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক।এদিকে, আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ট্রাক প্রতিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক এমপি আজিজুল হক চৌধুরী।

    জাকিরুল ইসলাম জাকির
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • মালদ্বীপে বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় প্রবাসী দিবস উদযাপিত

    মালদ্বীপে বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় প্রবাসী দিবস উদযাপিত

    আবদুল্লাহ কাদের মালদ্বীপ :-

    মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জাতীয় প্রবাসী দিবস (৩০ ডিসেম্বর) ২০২৩ উদযাপন করা হয়, প্রবাসীর কল্যাণ মর্যাদা আমাদের অঙ্গীকার, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ায় তারাও অংশীদার’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে এবারই প্রথম জাতীয় প্রবাসী দিবস উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষে সন্ধ্যায় হাইকমিশনের হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মোহাম্মদ ইবাদ উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মোহাম্মদ সোহেল পারভেজ। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়, তেলাওয়াত করেন মাওলানা তাজুল ইসলাম।

    অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রবাসী দিবস ২০২৩ উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে হাইকমিশনারের তৃতীয় সচিব চন্দন কুমার সাহা, কল্যাণ সহকারী আল মামুন পাঠান, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ও বার্তা বাহক আবু রায়হান।

    প্রবাসী বাংলাদেশীদের পক্ষ হতে বক্তব্য প্রদান করেন বিশিস্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহেল রানা, সিআইপি, বাংলাদেশী চিকিৎসক সুজন চন্দ্র পাল ও রেড ক্রিসেন্ট মালদ্বীপের স্বেচ্ছাসেবক, মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তাঁরা তাদের বক্তব্যে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য প্রদত্ত বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার জন্য সরকারকে সাধুবাদ জানান। তারা মিশন হতে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের জন্য দাবী জানান। এছাড়াও আলোচনায় প্রবাসীদের স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। সাম্প্রতিক ফাইলেরিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান হয়।
    প্রবাসী দিবস ২০২৩ উপলক্ষে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মো: সোহেল পারভেজ গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এবং দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। তিনি উল্লেখ করেন প্রবাসীরা আমাদের অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকা শক্তি। তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবাসীদের অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেছেন প্রবাসীরা আমাদের অনেক দিয়েছেন এখন প্রবাসীদের আমাদের দেয়ার পালা। আজকের প্রবাসী দিবস তার উদাহরন। তিনি সকলকে সরকারের প্রদত্ত সুবিধার বিষয়ে জানা ও সেগুলি গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানান এবং সকলকে বৈধ পথে রেমিটেন্স প্রেরণের জন্য আহ্বান জানান। সবশেষে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গঠনের জন্য সবাইকে যার যার অবস্থান হতে কাজ করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।
    পরবর্তীতে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে প্রধান অতিথি সকলকে সাথে নিয়ে একটি কেক কাটেন। মালদ্বীপের রাজধানী মালে ও আশপাশের এলাকায় বসবাসরত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
    এছাড়াও প্রবাসী দিবস উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী সেবা সপ্তাহ পালন করে হাইকমিশন।

  • ৪ মাসে হাফেজ হওয়া সেই হাফেজ মোঃ হাবিবুল্লাহকে সম্মাননা প্রদান

    ৪ মাসে হাফেজ হওয়া সেই হাফেজ মোঃ হাবিবুল্লাহকে সম্মাননা প্রদান

    নুরুল ইসলাম (টুকু)
    সদর উপজেলা প্রতিনিধি,খাগড়াছড়ি।

    খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ৫ নং ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের হযরত হাজী সমীউদ্দিন শাহ অলী হেফজ খানায় মাত্র ৪ (চার)মাসে একজন ছাত্র হেফজ শেষ করেন, যা একটি অলোকিক ঘটনা। এবং এমন ঘটনা সচারাচর ঘটেনা।

    রবিবার ( ৩১ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টার সময় মাদ্রাসার হলরুমে সাংবাদিক নুরুল ইসলাম টুকুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সেই কৃতি ছাত্রকে উৎসাহ স্বরুপ শুভেচ্ছা স্বারক প্রদান করেন।

    এই সময় তিনি বলেন এতে করে সেই ছাত্র যেমন উৎসাহিত হবে তেমনি অন্যান্য ছাত্ররাও আরো ভালো করার প্রেরণা পাবে ।

    মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য সরাফত আলী বাদশা বলেন এভাবে আমাদের সমাজের প্রতিভাগুলোকে তুলে আনতে হবে তাদেরকে উৎসাহিত করতে হবে, যারা ভালো কাজ করে তাদেরকে স্বীকৃতি দিতে হবে তবেই সমাজে ভালো কাজের মূল্যায়ন বাড়বে এবং সমাজ ব্যবস্থা সুন্দর হবে। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান হাফেজ মোঃ হাবিবুল্লাহ তাঁর বাবা একজন দিনমজুর, তিনি তার সন্তানের জন্য এলাকাবাসী সহ দেশবাসীর কাছে দোয়া ছেয়েছেন।

    এই সময় মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য, শিক্ষক ও হেফজ বিভাগের ছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন।

  • ঢাকা জেলার ৭ম বার শ্রেষ্ট করদাতা রোমান ভুঁইয়া’র পক্ষ থেকে সবাইকে ২০২৪ সালের শুভেচ্ছা

    ঢাকা জেলার ৭ম বার শ্রেষ্ট করদাতা রোমান ভুঁইয়া’র পক্ষ থেকে সবাইকে ২০২৪ সালের শুভেচ্ছা

    হেলাল শেখঃ দেশের একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব মোঃ তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া ঢাকা জেলার ৭ম বারের মতো সেরা করদাতা নির্বাচিত হওয়ায় সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে নতুন বছর ২০২৪ইং সালের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
    গত (২১ ডিসেম্বর ২০২৩ইং) বৃহস্পতিবার সকালে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোঃ তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া ঢাকা জেলার সেরা করদাতা হিসেবে আবারও ৭ম বারের মতো শ্রেষ্ঠ করদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এই বছরের সেরা সম্মাননা পুরস্কার পেয়েছেন। তাই এই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া’র পরিবারের পক্ষ থেকে শুকরিয়া আলহাদুলিল্লাহ। ৭ম বারের মতো এবারও সেরা করদাতা (ঢাকা জেলা) সম্মাননা পুরস্কার পাওয়ায় অফিসের প্রিয় কর্মকর্তা কর্মচারী ও শুভাকাংক্ষী প্রিয় ভাই বন্ধুসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
    এর আগে গত বুধবার (২০ ডিসেম্বর ২০২৩ইং) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জনাব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়াকে শ্রেষ্ঠ করদাতা হিসেবে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন অর্থ মন্ত্রাণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সটিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।
    বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক জনাব আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া বলেন, প্রথমে শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ, আবারও ৭ম বারের মতো ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ করদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সেরা সম্মাননা স্মারক পেলাম। তিনি আরো বলেন, আমি ব্যবসায়ী হিসেবে সরকারকে কখনো করফাঁকি দেইনি, আমি সততার সাথে ব্যবসা করি, আমার ব্যবসার শুরু থেকে পর্যায়ক্রমে যখন সেই ব্যবসা বড় হচ্ছে-তখন থেকে কখনো করফাঁকি দেওয়ার চিন্তা মাথায় ঢোকেনি, ব্যবসা শুরু করার পরের বছর থেকেই আমি নিজে আয়করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করি। তিনি আরো বলেন, আমার ব্যবসা যতো এগিয়েছে, কর দেওয়া ততটাই বাড়িয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমি ২০১৬ সালে প্রথমবার ঢাকা জেলার সেরা করদাতা হিসেবে সম্মাননা স্মারক পাই, এরপর ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯, ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ এবং বর্তমান ২০২৩ সালে বিজয়ের মাসে আবারও ৭ম বারের মতো ঢাকা জেলা সেরা করদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সম্মান অর্জন করেছি, এই সম্মাননা আল্লাহর দান ও মানুষের দোয়ায় আজ আমি সম্মানিত হতে পেরে আনন্দিত। আমি মনে করি আমাদের কাউকে কখনোই রাষ্ট্রের সঙ্গে বেঈমানি করা উচিৎ না। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সততার সাথে ব্যবসা করতে পারি সেই তৌফিক দান করবেন এই দোয়া কামনা করি।
    আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের (জামগড়া ভুঁইয়া বাড়ির মোঃ ছফিল উদ্দিন ভুঁইয়া ও মাতা মৃত তছিমন্নেছা দম্পতির আদরের তৃতীয় ছোট ছেলে)। তিনি একজন ভালো মানুষ, তিনি সবসময় সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলেন, তাঁর ভেতরে কোনো অহংকার নেই। এই মানুষটি অনেক কষ্টে সততার সাথে ব্যবসা করে এখন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। (বন্ধন ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড সাপ্লাইয়ার নায়ফা ট্রেড বিডি ও গ্লোরী ডিস্ট্রিটিং কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী) এবং আরো বিভিন্ন বৈধ ব্যবসা রয়েছে তাঁর। তিনি ব্যবসায়ীসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে ২০২৪ইং সালের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া’র দুই মেয়ে, এক ছেলে ও পরিবারের সকলের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন। আবারও সবাইকে ২০২৪ইং নতুন বছরের শুভেচ্ছা। শুভেচ্ছান্তে-মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান বাবু সিনিয়র সহ-সভাপতি আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

  • ঢাকা-১৯ আসনে এমপি প্রার্থীরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ-জনমতে এগিয়ে ঈগল মার্কা

    ঢাকা-১৯ আসনে এমপি প্রার্থীরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ-জনমতে এগিয়ে ঈগল মার্কা

    হেলাল শেখঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা ও স্বতন্ত্র ঈগল এবং ট্রাক মার্কার প্রার্থীদের প্রচারণায় একজন অন্যজনের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ উঠেছে, গত তিনদিনে সরেজমিনে সাধারণ মানুষের জনমতে এগিয়ে ঈগল মার্কা।
    ঢাকা-১৯ আসনের আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে দুইজন এমপি প্রার্থীসহ ১০জন প্রার্থীর প্রচারণা চলছে। এই আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার সাথে (স্বতন্ত্র) ঈগল ও ট্রাক মার্কা ত্রি-মুখী ভোটের লড়াই এবং বড় ধরণের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন অনেকেই। এ আসনটিতে তিনজন প্রার্থীই শক্তিশালী, প্রচারণা নিয়ে আওয়ামী লীগ ও দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। তবে গত ৪দিন আগে সরেজমিনে গিয়ে জনমতে নৌকা এগিয়ে থাকলেও গত তিনদিন ধরে সরেজমিনে গিয়ে জনমতে এগিয়ে আছে এই আসনের সাবেক এমপি আনোয়ার জংয়ের ছেলে আলহাজ্ব তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ সাবেক এমপি স্বতন্ত্র ঈগল মার্কা।
    জানা গেছে, আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা ডাঃ এনামুর রহমান, অন্যদিকে (সাভার-আশুলিয়া) ঢাকা-১৯ এর আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঈগল পাখি মার্কায় প্রচারণা চালাচ্ছেন সিস্টেমমত এবং জনগণের কাছে ভোট চাচ্ছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী আরো একজন আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ধামসোনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ট্রাক মার্কার প্রচারণা চালাচ্ছেন, সেই সাথে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মোঃ সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) নোঙর মার্কা, অন্যজন ঢাকা কোর্টের অ্যাডভোকেট মাহাবুবুল হাসান (তুষার) মোল্লা (তৃনমূল বিএনপি) সোনালী আঁশ মার্কা। এ ছাড়া এই আসনে অন্যান্য আরো ১০জন এমপি প্রার্থীদের প্রচারণা চললেও তা চোখে পড়ার মতো না।
    সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি স্বতন্ত্র প্রার্থী তালুকদার মোঃ তৌহিদ জং ওরফে মুরাদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন। ২২ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণার সময় আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বতন্ত্র ট্রাক মার্কা প্রার্থী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমের সামনে বলেন,আমার পোস্টার সাভার পৌরসভায় লাগানো হচ্ছিল। তখন (প্রতিমন্ত্রী) মহোদয় নিজে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। উনি গাড়ি থেকে নেমে একটি গালি দিয়ে উনার ক্যাডারদেরকে বলেছেন, এদের পিটাও এবং পোস্টার সব ছিঁড়ে ফেলো। উনি এটা নিজে করেছেন বলে স্বতন্ত্র এই প্রার্থী অভিযোগ করেন। ডাঃ এনামুর রহমানের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিলো। অনেকেই বলেন, এইবার নির্বাচনটা ভিন্নরকম ভাবে প্রচারণা চলছে, এতে জনমতে এগিয়ে আছেন তৌহিদ জং মুরাদ সাহেবের ঈগল মার্কা।
    ঢাকা-১৯ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি বর্তমানে (স্বতন্ত্র) ঈগল মার্কার প্রার্থী আলহাজ্ব তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে, রানা প্লাজা ভেঙে পড়েছে, আমি ওই ভবনের মালিক নয়, আমি ভবন তৈরিও করিনি, তাহলে আমার দোষ কোথায়?, সাভারের শিমুলতলা আমার ঈগল মার্কার অফিস উদ্বোধন করার দিন হাজার হাজার জনগণ আমাকে ভালোবেসে একনজর দেখার জন্য সেখানে আসেন, এখানে আমার কোনো দোষ ছিলো না আর গত দুই তিনদিন ধরে হাজার হাজার নেতা কর্মী আমাকে ভালোবেসে দলে দলে ঈগল মার্কায় যোগদান করছেন, আমি শতভাগ আশাবাদী যে, ঈগল মার্কা ৭ জানুয়ারি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে ইনশাহআল্লাহ।
    নৌকা মার্কার এমপি প্রার্থী ডাঃ এনামুর রহমান এনাম সাহেবের মোবাইল ফোন নাম্বারে কল করলে তিনি রিসিভ করেননি। পুনরায় আবারও তার মোবাইলে কল দিলে তিনি তার গানম্যান পুলিশ অফিসার (এসআই) মুরাদ সাহেবকে দিয়ে ফোন রিসিভ করিয়ে কথা বলায় তিনি ব্যস্ত আছেন বলে জানান।
    ঢাকা-১৯ সংসদীয় আসনে শক্তিশালী ৩জন এমপি প্রার্থী, একজন চেয়ারম্যান ও একজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ মোট ৮জনকে শোকজ করা হলেও এ ব্যাপারে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কি? না। ৭ জানুয়ারি ভোটের লড়াই, প্রতিবেদন চলমান। সাভার থানা ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, এটি ১৯৮১ সালে একটি উপজেলা পরিণত হয়, বর্তমানে সাভার উপজেল-২টি থানায় বিভক্ত: যার একটি সাভার মডেল থানা এবং অন্যটি আশুলিয়া থানা। এ উপজেলার একটি মাত্র পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন। শিমুলিয়া ইউনিয়নের ভোটার সংখ্যা ৫৩,১৬০ জন। ধামসোনা ইউনিয়নে ১,৭১,৪৫৫ জন। পাথালিয়া ইউনিয়নে ৫৩,৫৬৮ জন। ইয়ারপুর ইউনিয়নে ৭৮, ২৪২ জন ভোটারসহ এই আসনে ৭ লাখ ৫৬ হাজার ৪১০ ভোট। তবে গত করোনাকালীন সময়ে এবং বিভিন্ন সময় এই এলাকা থেকে অনেক বহিরাগত ভোটার নিজ এলাকায় চলে গেছেন। এমপি প্রার্থীদের পাল্টাপাল্টি একজন অন্যজনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়াসহ বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে এবং বিএনপি নির্বাচনে না আসায় দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনে ভোটারদের উপস্থিতি কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিএনপির অনেকে নেতা কর্মীদেরকে ঈগল মার্কায় ভোট চাওয়া বিষয়টি জনগণের মধ্যে জল্পনা-কল্পনা যে, এবার ঈগল মার্কা বিপুল ভোটে বিজয়ী হতে পারে।

  • তানোরের কামারগাঁ ইউপিতে নৌকাডুবির আশঙ্কা

    তানোরের কামারগাঁ ইউপিতে নৌকাডুবির আশঙ্কা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তানোর উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নে (ইউপি) নৌকা ডুবির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আদর্শিক নেতাকর্মীরা নৌকা ডুবির আশঙ্কায় শঙ্কিত হয়ে উঠেছে, তাদের হৃদয়ে হচ্ছে রক্তক্ষরণ, জনমনেও দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া বইছে মুখরুচোক নানা গুন্জন। কামারগাঁ ইউপির গভীর নলকুপ অপারেটরদের চরম দৌরাত্ম্যে ও কৃষক শোষণে এমন পরিস্থিতির সুত্রপাত হয়েছে। এতে সাংসদকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হলেও পকেটভারী হচ্ছে চেয়ারম্যানের অনুগত হোমরাচোমরাদের বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের একাধিক জৈষ্ঠ নেতা বলেন, আহসান মাস্টারের ভাতিজা মৎস্যজীবী লীগ নেতা রেজাউল ইসলামের গভীর নলকুপের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন জনৈক আব্দুল মজিদ। এমনকি তাদের পরিবারকে কোনঠাসা করে রাখা হয়েছে। আহসান মাস্টার ও মজিদের পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক মর্যাদা এবং ভোট করার সক্ষমতা কি একই সমান। আবার একটা সময় বিএনপি মতাদর্শী এক ইউপি সদস্য যিনি মাদারীপুর বাজারে প্রকাশ্যে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটুক্তি ও আওয়ামী লীগের পোস্টার পদদরিত করেছিলেন। তাকে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয়েছে। তিনি সভাপতি হয়েই এলাকার ৭টি গভীর নরকুপের নিযন্ত্রণ জল জমিদারী করছেন। এমনকি বিএনপি মতাদর্শীদের নাশকতা মামলায় জড়ানোর ভয় ও এলাকায় থাকার নিশ্চয়তা দিয়ে বানিজ্যে করা হচ্ছে। ধানুরা গ্রামের অসংখ্য পরিবার দীর্ঘ প্রায় তিনমাস যাবত পুরুষশূণ্য থেকে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এসব পরিবারের অসহায় এই মানুষগুলোর দীর্ঘশ্বাস কি সৃষ্টিকর্তা শুনবে না-এর দায় নিবে কে ? তৃণমলের অভিমত, ধানুরাকেন্দ্রে
    দেশ স্বাধীনের পর সাধারণ নির্বাচনে এবার প্রথম নৌকাডুবির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এসব নেতাকর্মীরা বলছে, একইভাবে হরিপুর-ছাঐড় গ্রামে চেয়ারম্যানের অনুগত বাহিনীর আবির্ভাব ঘটেছে। অন্যর জমি দখল, পুকুর দখল, গভীর নলকুপ দখল ও সালিশ বানিজ্যে ইত্যাদি কারণে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিচ্ছে।
    স্থানীয়রা জানান, ফজলে রাব্বি ফরহাদ ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর পরই গভীর নলকুপ নিয়ে শুরু হয়েছে বাণিজ্যে। অধিকাংশক্ষেত্রে অপারেটর নিয়োগ পেতে দুই থেকে তিন লাখ টাকা গুনতে হয়েছে। আবার অনেক অপারেটরের কাছে থেকে জোরপুর্বক চাবি ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। কামারগাঁ ইউপিতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) গভীর নলকুপের একশ্রেণীর অপারেটর এলাকায় ওয়াটার লর্ড (জল জমিদার) হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক বিবেচনা ও আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে দায়িত্ব পাওয়া অপারেটরগণ (জল জমিদার) কৃষকের কাছে মুর্তিমান আতঙ্ক হয়ে উঠেছে। গভীর নলকুপ স্কীমের জমি সাধারণ কৃষকের, রাজত্ব এসব অপারেটরদের। প্রতিবছর আলু মৌসুমে কৃষকের ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোরপুর্বক তাদের জমি ফড়িয়া আলুচাষিদের ইজারা দেয় অপারেটরেরা। কেউ ইজারা দিতে না চাইলে তার জমিতে সেচ বন্ধ করে দেয়। এতে কৃষকেরা বাধ্য হয় অপারেটরের কাছে জমি দিতে। কিন্ত্ত অপারেটরেরা প্রতি বিঘা জমি ১৮ হাজার টাকায় ইজারা দেন। আর জমির মালিককে ১০-১২ টাকা দেন। এটা অঘোষিত নিয়মে পরিণত হয়েছে। এসব কারণে কৃষকের কাছে আর্শিবাদের গভীর নলকুপ অভিশাপ বা শাঁখের করাঁতে পরিণত হয়েছে। কারণ একদিকে গভীর নলকুপ স্কীমে জমি চাষ করলে অপারেটরেরা শোষণ করে, অন্যদিকে জমি চাষ না করলে খাবারসহ আর্থিক সংকটে পড়ে।এদিকে এসব অপারেটরদের কারণে কৃষিবান্ধব আওয়ামী লীগ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। সচেতন মহল এসব অপারেটরদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন।
    জানা গেছে, উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) জেল নম্বর ১৯২,
    মাদারীপুর মৌজায়, ২১১ নম্বর দাগে অবস্থিত গভীর নলকুপের অপারেটর মাদারীপুর গ্রামের মুকুলের স্ত্রী পারভিন। কিন্ত্ত মাদারীপুর গ্রামের আপেল জোরপুর্বক গভীর নলকুপ দখলে নিয়েছে। সেচ নিয়ে তিনি রীতিমতো জল জমিদারী শুরু করেছে। এতে এলাকার সাধারণ কৃষক ফুঁসে উঠেছে। এসব কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র চাপা পড়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সাংসদ ও দলের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
    জানা গেছে, স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী কৃষকের দুঃখ-দুরদশা লাঘবের জন্য সকল গভীর নলকুপ সমিতির মাধ্যমে পরিচালনা ও স্কীমের কৃষকের মতামতের ভিত্তিতে অপারেটর নিয়োগের নির্দেশনা দিয়েছেন। বিএমডিএ কর্তৃপক্ষেরও নির্দেশনা রয়েছে।কিন্ত্ত অজ্ঞাত কারণে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর বিএমডিএ’র সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান বলেন, জমি লীজ কিভাবে হবে এসব তার দেখার বিষয় না। তার পরেও কোনো কৃষক লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কামারগাঁ ইউপি চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি ফরহাদ বলেন, গভীর নলকুপ অপারেটর নিয়োগে তার কোনো ভুমিকা নাই, এসব রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অপপ্রচার।#