Blog

  • ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    হেলাল শেখঃ ঢাকায় বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬ইং) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে ঢাকা জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ইনচার্জ ও অফিসার-ফোর্সদের অংশগ্রহণে মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।

    ঢাকা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মহোদয় সুসজ্জিত অভিবাদন মঞ্চ থেকে সালামি গ্রহণ শেষে প্যারেড পরিদর্শন করেন। উক্ত মাস্টার প্যারেডে প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দোহার সার্কেল) জনাব মোঃ রাকিবুল হাসান ইশান।

    প্যারেড চলাকালে পুলিশ সুপার মহোদয় প্যারেডে অংশগ্রহণকারী অফিসার ও ফোর্সদের শারীরিক ফিটনেস, টার্নআউট ও শৃঙ্খলার ভিত্তিতে জিএস (Good Service) মার্ক প্রদান করেন। প্যারেড পরিদর্শন শেষে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং জেলা পুলিশের সকল সদস্যের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার মহোদয় রিজার্ভ অফিস, আরআই অফিসসহ পুলিশ লাইন্সের বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ খাইরুল আলম, জেলা পুলিশের সকল সার্কেল অফিসারগণ এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • ময়মনসিংহে দিপু হ/ত্যাকান্ডের মুল হো/তা ইয়াছিন আরাফাতকে গ্রে/প্তার করেছে পুলিশ

    ময়মনসিংহে দিপু হ/ত্যাকান্ডের মুল হো/তা ইয়াছিন আরাফাতকে গ্রে/প্তার করেছে পুলিশ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের ভালুকার পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে (২৮) পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়া আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই নিয়ে মোট ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মো. ইয়াছিন আরাফাত (২৫)। গ্রেফতারকৃত ইয়াছিন আরাফাত ভালুকা উপজেলার দক্ষিণ হবিরবাড়ি কড়ইতলা মোড় এলাকার গাজী মিয়ার ছেলে। পেশায় ইমাম ও মাদরাসা শিক্ষক। সে গত প্রায় ১৮ মাস ধরে ভালুকার কাশর এলাকায় শেখবাড়ী মসজিদে ইমামতি এবং মদিনা তাহফিজুল কুরআন মাদরাসায় শিক্ষক।

    বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকার ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, দিপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডে অন্যান্যদের সঙ্গে ইয়াছিন আরাফাতও নেতৃত্ব দেন। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং ১২ দিন পলাতক অবস্থায় ঢাকার ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকায় বিভিন্ন মাদরাসায় অবস্থান করেন। আত্মগোপনের অংশ হিসেবে তিনি ‘সুফফা’ নামের একটি মাদরাসায় শিক্ষকতার জন্য যোগদান করেছিলেন—প্রাথমিক তদন্তে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

    তিনি আরও বলেন, ঘটনার দিন কারখানার গেটে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতি, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা এবং অন্যান্য গ্রেপ্তার আসামিদের জবানবন্দির সঙ্গে ইয়াছিন আরাফাতের সংশ্লিষ্টতা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকার ডিএমপির সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    পুলিশ জানায়, দিপু হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং ১৮ জনকে রিমান্ড শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে ভালুকার ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় দিপু চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় দিপু পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানার ভেতরে অবস্থান করছিলেন। কারখানার সামনে লোকজন জড়ো হলে তাকে চাকরি থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়।

    রাত সাড়ে ৯টার দিকে দিপুকে কারখানা থেকে বের করা হলে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণপিটুনি দেয়। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে একটি গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

    এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস ভালুকা মডেল থানায় বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। নিহত দিপু চন্দ্র দাস ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার মোকামিয়া কান্দা গ্রামের রবি চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি গত দুই বছর ধরে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানায় কর্মরত ছিলেন।

  • পুঠিয়ায় কসমেটিকস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জ/রিমানা

    পুঠিয়ায় কসমেটিকস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জ/রিমানা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার নয়াপাড়ায় অনুমোদনহীন কসমেটিকস কারখানার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) শিবু দাসের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।এসময় সাফা কসমেটিকস কারখানা মালিকের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ক্রীম ও বডিলোশন উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মেশিনারিজ সামগ্রী জব্দ করা হয়। অনুমোদনহীন এসব কসমেটিকস ব্যবহারে ত্বকে অ্যালার্জি, চুলকানি, ফুসকুড়ি, চর্মরোগ, চোখের ক্ষতি ও দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের ঝুঁকি পর্যন্ত তৈরি হতে পারে।
    এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) শিবু দাশ বলেন,উপজেলাবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। #

  • রাজশাহীতে সরিষা চাষ বাড়ছে মাঠে মাঠে হলুদের সমারোহ

    রাজশাহীতে সরিষা চাষ বাড়ছে মাঠে মাঠে হলুদের সমারোহ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীতে সরিষা চাষ দিনদিন বাড়ছে।অল্প খরচে বেশী মুনাফা হওয়ায় সরিষা চাষ দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এছাড়াও সরিষা আবাদে লোকসানের ঝুঁকি নাই, ফলন যেমনই হোক মুলধন ফিরে আসবেই।
    জানা গেছে,চলতি মৌসুমে রাজশাহীর ৯টি উপজেলায় প্রায় ৫৫ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। শীতের এই সময়ে সরিষা গাছে ফুল ফুটতে শুরু করায় এখন গ্রামাঞ্চলের মাঠজুড়ে চোখ জুড়ানো হলুদ ফুলের সমারোহ দেখা যাচ্ছে। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে হলুদ ফুলের এই দৃশ্য প্রকৃতিকে দিয়েছে এক অনন্য সৌন্দর্য। যেদিকে চোখ যায় চারিদিকে শুধু হলুদ আর হলুদ। এ যেন হলুদের সমারোহ।
    রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৫৫ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৩ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন।
    তানোরে সরিষা হচ্ছে ৬ হাজার ৭৭০ হেক্টর।রাজশাহীর তানোর, চারঘাট, গোদাগাড়ী, পবা, মোহনপুর, বাগমারা, দুর্গাপুর, পুঠিয়া ও বাঘা উপজেলায় সরিষার চাষ হয়েছে।
    কৃষি বিভাগ আরও জানায়, এক হেক্টর জমিতে গড়ে ১ দশমিক ২ থেকে ১ দশমিক ৫ টন সরিষা উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। এতে জেলার তেলজাত ফসলের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কৃষকদের আর্থিক অবস্থারও উন্নতি হবে।
    অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বীজ ও কৃষি উপকরণের সহজলভ্যতা এবং সরিষার ভালো বাজারমূল্যের আশায় এবার কৃষকরা ব্যাপকভাবে সরিষা চাষে আগ্রহী হয়েছেন। বিশেষ করে আমন ধান কাটার পর স্বল্প সময়ে লাভজনক ফসল হিসেবে সরিষা চাষে ঝুঁকেছেন অধিকাংশ কৃষক।
    সরিষা চাষ নিয়ে পবা উপজেলার কৃষক মতিউর রহমান এর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, এবার তিনি তিন বিঘা জমিতে সরিষা করেছেন। ফলন খুব ভালো হবে বলে আশা করছেন। রোগবালাইও তেমন নেই। বাজারে দাম ভালো পেলে ভালো লাভ হবে বলে আশা করছেন। তানোর উপজেলার কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, সরিষা চাষে খরচ কম, সময়ও কম লাগে। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাছে গাছে ফুল এসেছে। যদি এভাবে থাকে, ফলনও ভালো হবে। তানোর উপজেলার কৃষক রহিম মোল্লা জানান, সরিষা উৎপাদনে খরচ কম তাই সরিষা দুই বিঘা জমিতে চাষ করেছি। আশা করছি ফলন ভালো হবে। কৃষক রবিউল ইসলাম জানান, এক বিঘা সরিষা বপণের জন্য ৩০ কেজি ডিএপি, ১৫ কেজি ইউরিয়া, ১৫ কেজি পটাশ ও ১৫ কেজি জিপসার এবং দু’একবার কীটনাশক, সেচসহ ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা খরচ হ এবং বিঘায় যদি ৫ থেকে ৬ মণ ফলন হয়। এক মণ সরিষা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার টাকায়। এই হিসেবে ৫ মণ ফলন হলে ১৫ হাজার টাকা। আর ৬ মণ ফলন হলে ১৮ হাজার টাকা আসবে।
    রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, সরিষা একটি লাভজনক ও কম খরচের ফসল। আমরা কৃষকদের উন্নত জাতের বীজ, সার ব্যবস্থাপনা ও রোগবালাই দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি। আশা করছি এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি উৎপাদন হবে। সরিষা চাষের ফলে একদিকে যেমন কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, অন্যদিকে হলুদ ফুলে ছেয়ে যাওয়া মাঠ প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলেছে বহুগুণ। অনেক জায়গায় মানুষ সরিষার ক্ষেতে ঘুরতে আসছেন, ছবি তুলছেন, উপভোগ করছেন গ্রামবাংলার শীতকালীন এই রূপ। সব মিলিয়ে রাজশাহীতে এবারের সরিষা চাষ শুধু কৃষি উৎপাদনেই নয়, সৌন্দর্য ও অর্থনীতিতেও যোগ করেছে নতুন এক মাত্রা।
    রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মিতা সরকার বলেন, এ বছর ৫৫ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনূকুল থাকায় ব্যাপক পরিসরে সরিষা চাষ করেছেন কৃষকরা। আশা করছি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাও পূর্ণ হবে। সরিষার ভালো উৎপাদনের জন্য কৃষকদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।#

  • গণতন্ত্রের মা খালেদা জিয়া কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আ/পোষ করেননি – সোহেল মনজুর সুমন

    গণতন্ত্রের মা খালেদা জিয়া কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আ/পোষ করেননি – সোহেল মনজুর সুমন

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা,পিরোজপুর।।

    পিরোজপুর-২ (নেছারাবাদ, কাউখালী ও ভান্ডারিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন বলেছেন, “গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করেননি। তিনি সারা জীবন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গেছেন এবং তাঁর নেতৃত্বেই এদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছিল।”

    বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নেছারাবাদের জগন্নাথকাঠী বন্দর কমিটি ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    সোহেল মনজুর সুমন বলেন, “দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁর সুযোগ্য সন্তান, দেশনায়ক তারেক রহমান বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশের আপামর জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র ও দেশ গঠনের কাজে অংশ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো অপশক্তিই খালেদা জিয়ার স্বপ্নকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।”
    তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিস্ট সরকার গত ১৭ বছর ধরে জনগণকে মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়েছে। ১০ টাকা কেজিতে চাল, ঘরে ঘরে চাকরির মতো অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে মরীচিকার পেছনে ছুটিয়েছে। বিএনপি কখনো মিথ্যা স্বপ্ন দেখায় না—এর প্রমাণ আপনারা অতীত বিএনপি সরকারের আমলেই দেখেছেন।”
    বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। তাঁর ত্যাগ ও আদর্শ আমাদের জন্য চিরন্তন প্রেরণার উৎস। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।”
    দোয়া মাহফিলে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    আনোয়ার হোসেন ।।

  • র‌্যাব-১২ এর অভিযানে হ/ত্যা মামলার প্রধান প/লাতক আসামী গ্রে/ফতার

    র‌্যাব-১২ এর অভিযানে হ/ত্যা মামলার প্রধান প/লাতক আসামী গ্রে/ফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়াড়ি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব সফলতার সাথে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

    ১। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, বাদী মোঃ রেজাউল করিম (৪৩), পিতা-মৃত ময়দান আলী, সাং-সয়াধানগড়া খাঁনপাড়া, থানা-সিরাজগঞ্জ, জেলা-সিরাজগঞ্জ এর ছেলে ভিকটিম আব্দুর রহমান রিয়াদ (১৭), ১নং আসামী মোঃ সাকিনসহ ১১ জন এবং অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন, গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ বিকাল অনুমান ০৩.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিম সিরাজগঞ্জ থানাধীন চৌরাস্তায় দশতলা- বিল্ডিং এর পার্শ্বে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ী হইতে বাহির হইয়া যায়। একই তারিখ বিকাল অনুমান ০৪.৩০ – ঘটিকার সময় ভিকটিম আব্দুর রহমান রিয়াদ সহ তার তিন বন্ধু সিরাজগঞ্জ পৌরসভাধীন নাজমুল চত্বর হতে বাহিরগোলাগামী ক্রিয়েটিভ স্কুলের সামনে পাকা রাস্তার উপর সিএনজির ভিতরে বসে ছিল। অতপর পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে সকল আসামীগণ একই তারিখ বিকাল অনুমান ০৪.৪০ ঘটিকার সময় হাতে বারমিচ চাইনিজ টিপ চাকু, চাইনিজ কুড়াল, রাম দা, চাপাতি, ছুরি ইত্যাদি নিয়ে ভিকটিমের সামনে আসিয়া ঘিরে ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে ও ০৫ নং আসামী ভিকটিমকে দেখে দিয়ে বলে এটাই রিয়াদ বলার পরে তার হুকুমে ০১ নং আসামীর হাতে থাকা বারমিচ চাইনিজ টিপ চাকু দ্বারা ভিকটিমকে এলোপাথারী ভাবে কোপ মারিলে বাম কাধে ও ডান কাধে একাধিক গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। ০২ নং আসামীর হাতে থাকা চাইনিজ কুড়াল দ্বারা ভিকটিমকে কোপ মারিলে বুকের বাম পার্শ্বে লাগিয়া গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। ০৪ ও ০৫ নং আসামীর হাতে থাকা বারমিচ চাইনিজ টিপ চাকু দ্বারা ভিকটিমকে কোপ মারিলে ডান বাহুর উপরের অংশে লাগিয়া রক্তাক্ত জখম করে আসামীরা দ্রæত পালিয়ে যায় ও স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় ভিকটিমকে উদ্ধার করে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ রাত্রি ১৯.৩০ ঘটিকার সময় কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিম আব্দুর রহমান রিয়াদকে মৃত বলিয়া ঘোষনা করে। উক্ত হত্যার ঘটনার প্রেক্ষিতে বাদী সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং-৪০, তারিখ-২৯/১২/২০২৫, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে সিরাজগঞ্জসহ সারাদেশে ব্যপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। মামলা রুজু হওয়ার পর থেকে র‌্যাব-১২ ছায়াতদন্ত শুরু করে ও আসামি গ্রেফতারের তৎপর হয়।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় গত ০৭ জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিঃ, দুপুর ১২.৪০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল ‘‘ঢাকা জেলার সাভার থানাধীন বিরুলিয়া ইউপিস্থ কালিয়াকৈর সাকিনের আলফা জোন এন্ড কোম্পানী’’ হতে হত্যা মামলার ১নং পলাতক আসামী মোঃ সাকিনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ সাকিন, পিতা- মতি, সাং- ধানবান্ধি থানা-সিরাজগঞ্জ সদর, জেলা সিরাজগঞ্জ।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামীকে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • বানারীপাড়ায় বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দো/য়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দো/য়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    সাব্বির হোসেন, বানারীপাড়া//
    বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চাখারে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা, রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় চাখার মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে চাখার ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এবং বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ কামরুল হাসান স্বপনের সার্বিক সহযোগিতায় এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
    চাখার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।
    বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজ আহমেদ মৃধা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মঞ্জুর খান, সহ-সভাপতি আহসান কবির নান্না হাওলাদার, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আবদুস সালাম, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন মল্লিক ও মো. জাহিদুল হক জাহাঙ্গীর।
    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি সাব্বির আহমেদ সুমন হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন মল্লিক, গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন হাওলাদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও বানারীপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সলিয়াবাকপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন।
    আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ফখরুল সিদ্দিকী সম্রাট তালুকদার, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিয়াজ আহমেদ, চাখার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিন কাজী, উপজেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবিনা ইয়াসমিন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল হোসেন ও সদস্য সচিব সোহাগ হাওলাদারসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

    দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

    মোঃ সাব্বির হোসেন।

  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্র/স্তুতি নিয়ে ভালুকায় ডিসির মতবিনিময়,ভোট কেন্দ্র প/রিদর্শন

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্র/স্তুতি নিয়ে ভালুকায় ডিসির মতবিনিময়,ভোট কেন্দ্র প/রিদর্শন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি বিষয়ে ময়মনসিংহের ভালুকায় ইউএনও, থানার ওসিসহ উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৮জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফিরোজ হোসেন এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। কোনো কর্মকর্তা পক্ষপাতিত্ব করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

    এর আগে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান ভালুকা উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি উপজেলা প্রশাসনসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণের সাথে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং গণভোট ২০২৬ আয়োজনের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করার আহবান জানান। এসময় তিনি হবিরবাড়ী ইউনিয়ন সোনার বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন এবং ক্লাস পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান যাচাই করেন।

    তিনি ভালুকা থানা পরিদর্শনে গেলে থানা অফিসার ইনচার্জ তাঁকে পুরো থানা প্রদর্শন করে দেখান এবং বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। জেলা প্রশাসক আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেবার মান উন্নত রাখার পাশাপাশি জনগণ যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

    এসময় সহকারী কমিশনার ভূমি ইকবাল হোসেন,
    থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলামসহ ভালুকা উপজেলা প্রশাসনে কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় বি/পর্যস্ত জনজীবন, কম্বল সং/কটে চ/রম দু/র্ভোগ

    হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় বি/পর্যস্ত জনজীবন, কম্বল সং/কটে চ/রম দু/র্ভোগ

    তরিকুল ইসলাম তরুণ, কুমিল্লা প্রতিনিধি।
    কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশার চাদরে ভোরের সূর্য যেন প্রতিদিনই হারিয়ে যাচ্ছে। হাড়কাঁপানো এই ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ছিন্নমূল মানুষ, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠী।

    বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই দিনে বৃহত্তর কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা চলতি শীত মৌসুমে এ অঞ্চলের সর্বনিম্ন।

    ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসের কারণে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরসহ আশপাশের জেলাগুলোতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি। ভোর থেকেই চারপাশ ঘন কুয়াশায় ঢেকে পড়ছে। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, এমনকি দিনের বেলাতেও মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা যাচ্ছে যানবাহন।
    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, টানা প্রায় ১৫ দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। মাঝেমধ্যে দুপুরের পর সূর্য উঁকি দিলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হচ্ছে না। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের প্রকোপ আরও তীব্র আকার ধারণ করছে।

    রিকশাচালক কবির হোসেন বলেন, গত ১৫ দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। আজ শীত আরও বেশি। সকালে রাস্তায় যাত্রীই পাওয়া যাচ্ছে না। কুয়াশার কারণে ১০–১৫ হাত দূরের কিছুই দেখা যায় না।

    কুমিল্লা সদর উপজেলার বানাসুয়া মৌজার কোড়েরপাড় এলাকায় গোমতী নদীর দু’পাড়ের বেরিবাঁধ সড়ক সংলগ্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের প্রকোপ আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম, সোহেল মিয়া ও শরিফুল ইসলাম জানান, ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় শীত কয়েকগুণ বেড়েছে। ট্যাংকির পানিও বরফের মতো ঠান্ডা লাগছে। পেটের দায়ে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কাজে বের হতে হচ্ছে।

    কুমিল্লা জেলা কৃষি অফিস ও আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন তা ছিল ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তাপমাত্রা আরও কমেছে। উত্তর দিক থেকে হিমেল হাওয়া অব্যাহত থাকলে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
    এদিকে তীব্র শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। তারা গরম কাপড় ব্যবহারের পাশাপাশি শীতজনিত উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    শীতবস্ত্র বিতরণ নিয়েও দেখা দিয়েছে চরম সংকট। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর কুমিল্লা জেলায় মাত্র ৫ হাজার কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে, যেখানে অন্যান্য বছর বরাদ্দ থাকত প্রায় এক লক্ষ। প্রাপ্ত কম্বলগুলো ইতোমধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ফলে গ্রামীণ ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষ শীতবস্ত্রের আশায় প্রভাবশালীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

    ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, সরকারি বরাদ্দ খুবই সীমিত হওয়ায় সকল শীতার্ত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। তিনি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

    কুমিল্লা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, তাপমাত্রা এভাবে কমতে থাকলে আগামী কয়েক দিন শীতের প্রকোপ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে এবং উত্তরাঞ্চলের মতো পরিস্থিতি ধীরে ধীরে সারাদেশেই বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • সুন্দরগঞ্জে প্রচণ্ড শীতে জনজীবন বি/পর্যস্ত।। সরকারি  বরাদ্দ অ/প্রতুল্য

    সুন্দরগঞ্জে প্রচণ্ড শীতে জনজীবন বি/পর্যস্ত।। সরকারি  বরাদ্দ অ/প্রতুল্য

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ

    শীতের বুড়ি ঘন কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে জেঁকে বসেছে উত্তর জনপদের মানুষের ঘাড়ে। ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় শীতের আবরণে সূর্য ঢাকা পড়েছে মেঘের কোলে তাই দিনে একবারও সূর্যের মুখ দেখা যায় না । সেই সাথে বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। সন্ধ্যে না নামতেই বেড়ে যাচ্ছে হিমেল বাতাসের গা হিম করা গতিবিধি। শীত ও ঠান্ডার তীব্রতায় রাস্তাঘাটে কমে গেছে পথচারীদের চলাফেরা। সব মিলিয়ে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তর জনপদের মানুষের স্বাভাবিক জনজীবন। ঘন কুয়াশা, হিমেল হাওয়া এবং কনকনে শীতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মানুষজনের জীবনযাত্রা বিপন্ন হয়ে পড়েছে। শীতের ভারী কাপড় না থাকায় ছিন্নমুল পরিবাগুলো অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করছে।

    এ বছর সরকারিভাবে ২ হাজার ৯৪১ শীতবস্ত্র বরাদ্দ করা হয়েেযে। যা ১৫ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার জন্য প্রয়োজনের তুলনায় একে বারেই অপ্রতুল। বিশেষ করে তিস্তার চরাঞ্চলের অসহায় পরিবারগুলো ঠান্ডায় ন্যাকাল হয়ে পড়েছে। পথশিশু ও ফুটপাতের মানুষজনের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় হয়ে পড়েছে। যার কারণে কর্মজীবী এবং শ্রর্মজীবী শ্রেণির মানুষজন যথা সময়ে কর্মস্থলে যেতে পারছে না। হাটবাজার, দোকানপাট চলছে একিবারে ঢিলাঢালা ভাবে। উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, শ্রীপুর, চন্ডিপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের নদী বিধৌত তিস্তার চরাঞ্চলের অসহায় পরিবারগুলো অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছে। এ কারণে নানাবিধ রোগব্যাধির প্রার্দুভাব ঘটেছে।

    খোঁজ-খবর নিয়ে শোনা গেছে, চরাঞ্চলের জমি-জিরাত খুঁয়ে যাওয়া পরিবারগুলো শীত বস্ত্রের অভাবে খঁড়কুটো জ্বালিয়ে ও পুরাতন কাঁথা গায়ে জড়িয়ে ঠান্ডা নিবারন করছে। বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু এবং প্রসূতি মায়েরা নিদারুণ কষ্টে রয়েছে। সেই সাথে গৃহপালিত পশু-পাখি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেকে।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ ইফফাতুল জাহান তুলি সাথে  কথা হলে তিনি জানান, সরকারি যা বরাদ্দ ছিল আমরা বিতরণ করেছি। নতুন বরাদ্দ এলে আবার বিতরণ করা হবে।