Category: রাজশাহী

  • গোদাগাড়ীতে  ইসতিসকার সালাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গোদাগাড়ীতে ইসতিসকার সালাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রাজশাহী থেকে মোঃ হাযদার আলী।।রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার লালবাগ হেলিপ্যাড মাঠে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড খরা, অনাবৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে জনকল্যাণ সামাজিক পরিষদের উদ্যোগে ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন এলাকাবাসী। রোববার সকাল ৮টায় গোদাগাড়ী হেলিপ্যাড মাঠে ইসতিসকার সালাত অনুষ্ঠিত হয়।

    নামাজের পূর্বে কুরআন ও হাদিস থেকে আলোচনা শুরু হয়। আলোচনা পেশ করেন কুঠি মসজিদের ইমাম মাওঃ মনিরুল ইসলাম, শাহ সুলতান রহঃ কামিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক ও মহিশালবাড়ী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা, মোঃ দুরুল হোদা ও শায়েখ মোঃ আবুল কাশেম। শায়েখরা বলেন

    বিশেষ করে যখনই অনাবৃষ্টি প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ বেড়ে যায় তখনই নামাজে ইসতিসকা আদায় করা হয়। ইসতিসকার সালাত আদায় করা নফল ইবাদত। তবে মহামারি বা দুর্যোগ এলে এই সালাতের গুরুত্ব অনেক।

    এ নামাজ ও বিশেষ দোয়া মোনাজাতে অংশ নেয় উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, খতিবসহ শত শত ধর্মপ্রাণ মানুষ।
    নামাজে ইমামতি ও দোয়া মোনাজাত করেন কুমোরপুর আলিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল শায়েখ আবুল কাশেম,
    নামাজ শেষে শত শত মুসল্লিকে সাথে নিয়ে আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য বিশেষ প্রার্থনা করে কান্নাকাটি করেন। অনাবৃষ্টি থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর রহমত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
    একনিষ্ঠ তাওবা করা অর্থাৎ তাওবাতুন নসুহার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে রহমতের বৃষ্টি কামনা করে অতিরিক্ত ১২ তাকবিরের মাধ্যমে ২ রাকায়াত সুন্নত নামাজ আদায় করার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে বৃষ্টি প্রার্থনা করা হয়েছে। এই নামাজে কোনো আজান বা ইকামত নেই। তবে জামায়াতের সঙ্গে আদায় করতে হয়।
    এ বিষয়ে শায়েখ আবুল কাশেম বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় তাপপ্রবাহে দেশের মানুষের বিপদ-আপদ ও দুঃখ-কষ্ট হতে থাকলে প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা সুন্নত। একেই আরবিতে বলা হয় ‘ইসতিসকা’ অর্থাৎ পানি প্রার্থনা করা।

    হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে- রাসুলুল্লাহ (সা.) বৃষ্টি প্রার্থনার সময় বলতেন, ‘হে আল্লাহ! তুমি তোমার বান্দাকে এবং তোমার পশুদের পানি দান করো। আর তাদের প্রতি তোমার রহমত বর্ষণ করো এবং তোমার মৃত জমিনকে জীবিত করো।’

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • রাজশাহীর শ্রেষ্ঠ জনপ্রতিনিধি ময়না ও বাবু

    রাজশাহীর শ্রেষ্ঠ জনপ্রতিনিধি ময়না ও বাবু

    আলিফ হোসেন, তানোরঃ

    রাজশাহীর শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান মনোনিত হয়েছেন তানোর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না এবং তানোর উপজেলায় শ্রেষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান মনোনিত হয়েছেন কলমা ইউপি চেয়ারম্যান খাদেমুন নবী বাবু চৌধুরী। জানা গেছে, বিশ্ব পরিবার পরিকল্পনা দিবসে মা ও শিশুস্বাস্থ্য কার্যক্রমে তাদের প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ তাদের এই সম্মানে ভুষিত করা হয়েছে। এদিকে ২১ জুলাই বৃহস্পতিবার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগীয় কার্যালয়ে সেরা উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সনদপত্র গ্রহণ করেছেন তানোর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না ও কলমা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খাদেমুন নবী বাবু চৌধুরী।এদিন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার এক অনুষ্ঠানে তানোর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও কলমা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে সম্মাননা স্বরুপ এ সনদপত্র তুুলে দেন।পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আয়োজনে এ সনদপত্র প্রদান করা হয়। চেয়ারম্যান ময়না উপজেলায় শিশুস্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখেন। এছাড়াও একই অবদান রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান বাবু চৌধুরী।তানোরে এই দুই চেয়ারম্যান মা ও শিশুস্বাস্থ্য কার্যক্রম দিবসে বিশেষ অবদান রাখায় স্বীকৃতি স্বরুপ রাজশাহীর তানোরকে সেরা উপজেলা পরিষদ ও কলমাকে সেরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচিত করা হয়।তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, রাজশাহী-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর পরামর্শে পুরো উপজেলায় মা ও শিশুস্বাস্থ্য কার্যক্রমে সব ধরণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন পরিচালনা করা হয়। এই সনদের অর্জন গোটা তানোর উপজেলাবাসির। কলমা ইউপি চেয়ারম্যান খাদেমুন নবী বাবু চৌধুরী বলেন, আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি মহোদয় আমাদের অভিভাবক। তিনি বলেন, এমপি মহোদয়ের পরামর্শক্রমে ইউপিতে মা ও শিশুস্বাস্থ্য কার্যক্রম সফল করতে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়। তিনি তার এই অর্জন কলমাবাসিকে উৎসর্গ করেন।

  • পুঠিয়ার রামকৃষ্ণপুর ইদগাহ মাঠের সিমানা প্রাচীর ভাংচুর

    পুঠিয়ার রামকৃষ্ণপুর ইদগাহ মাঠের সিমানা প্রাচীর ভাংচুর

    পুঠিয়া (রাজশাহী) উপজেলা সংবাদদাতাঃ

    পুঠিয়ার রামকৃষ্ণপুর ইদগাহ মাঠের সিমানা প্রাচীর ভাংচুর করেছে প্রতিপক্ষ। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার ভালুকগাছি ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে। এ সময় ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, এ মাসের ৭ জুলাই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তপুর উপজেলার হাসানুজ্জামান দিং দ্বয় পুঠিয়া উপজেলার ভালুকগাছি ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের ৪৯৭ দাগের ৮.৫ শতাংশ জমি ইদগাহ নামের দান করেন। পরে গত ৯ জুলাই উক্ত স্থানে এলাকাবাসী ইদগাহ নির্মান করেন। এছাড়াও এবারের কোরবানির ইদে এলাকাবাসী নবনির্মিত ইদগাহে ইদের নামাজ আদায় করেন। এব্যাপারে ইদগাহ কমিটির সভাপতি শাহিন আলম জানান, এলাকাবাসী জমিটি ইদগাহ নামের পাওয়া পর ইদগাহের সিমানা প্রাচীর নির্মণের সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমানে ইদগাহের সিমানা প্রাচির নির্মানের কাজ চলছিলো। শুক্রবার সকালে উক্ত জমির দাবিদার বোরহান উদ্দিন ও তার লোকজন এসে ইদগাহ এর সিমানা প্রাচীর ভাংচুর করে। এছাড়াও তিনি বলেন, ইদগাহ এর নামে জমিটি তারা বহুদিন ধরে অবৈধ ভাবে ভোগ দখল করে আসছিলো। এলাকাবাসী জমিটি ইদগাহর নামে পাওয়ার পর থেকে তাদের সাথে বিরোধ চলছিলো। এছাড়াও অভিযুক্ত বোরহান উদ্দিনের সাথে ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ কারার চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সোহরাওয়ার্দী হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুঠিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেনে আনে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেনি বলে এ কর্মকর্তা জানান।#

    মাজেদুর রহমান( মাজদার)

    পুঠিয়া রাজশাহী।

  • তানোর আওয়ামী লীগ সভাপতি-সম্পাদকে গণসংবর্ধনা

    তানোর আওয়ামী লীগ সভাপতি-সম্পাদকে গণসংবর্ধনা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ

    রাজশাহীর তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন ও সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকারকে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। জানা গেছে,গত ২০ জুলাই বুধবার উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা কৃষক লীগের উদ্যোগে এবং উপজেলা কৃষক লীগের সম্পাদক ও কাউন্সিলর আরব আলীর সঞ্চালনায় ও সভাপতি জাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক লীগের আহবায়ক অধ্যক্ষ তাজিবুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন তানোর পৌরসভা কৃষক লীগের সভাপতি ও কাউন্সিলর এনতাজ আলী, তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজির হাসান প্রতাপ সরকার, আলাউদ্দিন মন্ডল ও আরিফুল ইসলামপ্রমুখ। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন, পৌরসভা ও ওয়ার্ডের নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে এদিন নবনির্বাচিত সভাপতি ও সম্পাদক দিনব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে আগত বিভিন্ন এলাকার নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ।উপজেলা আওমী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, প্রভাষক রাকিবুল হাসান সরকার পাপুল বলেন, সবাই দোয়া করবেন তারা যেনো তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব সবার সহযোগিতায় সুষ্ঠু সুন্দরভাবে পালন করতে পারেন।

  • আওয়ামী লীগে রাজনীতিতে ফের প্রাণচাঞ্চল্য

    আওয়ামী লীগে রাজনীতিতে ফের প্রাণচাঞ্চল্য

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে দীর্ঘ নয় বছর পর মাইনুল ইসলাম স্বপনকে সভাপতি ও প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ প্রদীপ সরকারকে সাধারণ সম্পাদক করে উপজেলা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে নতুন কমিটি ঘোষণায় দীর্ঘদিন পর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে রাতারাতি নাটকীয় পরিবর্তন ও ফের প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে। বহুধারায় বিভক্ত নেতাকর্মীরা ঐক্যর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে দীর্ঘদিনের মান-অভিমান ভুলে একে-অপরকে কাছে টানছে, এতে তাদের মধ্য দীর্ঘদিনের বিরাজমান ক্ষোভ-অসন্তোষের বরফ গলতে শুরু করেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে, চাওয়া-পাওয়া না পাওয়া ও মান-অভিমানসহ নানা কারণে যেসব নেতাকর্মীরা এতোদিন নিস্ক্রীয় ছিল তারাও এমপির আহবানে সাড়া দিয়ে নতুন কমিটিকে সামনে রেখে নবউদ্দ্যেমে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে দীর্ঘিন পর দলটির দলীয় কার্যালয় নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পদচারণায় জমজমাট হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে তৃণমুলের দীর্ঘদিনের দাবি সদর ভিত্তিক নেতৃত্ব,সেটাও প্রদিপ সরকারকে দিয়ে পুরুণ হয়েছে। এদিকে নতুন সম্পাদকের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে প্রদিপ সরকার নিয়মিত সকাল-সন্ধ্যা দলীয় কার্য়ালয়ে বসে বিভিন্ন এলাকার নেতা এবং কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
    স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য,নেতৃত্বে কারা এসেছে সেটা বিবেচ্য নয়, দীর্ঘদিন পর আওয়ামী কলঙ্কমুক্ত হয়েছে সেটা বড় পাওয়া। তারা বলেন, আমরা নতুন নেতৃত্ব নিয়ে সবাই মিলেমিশে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ নিয়ে পথ চলতে চাই, যেখানে থাকবে না কোনো বেঈমান- বিশ্বাসঘাতক ও নব্য মোস্তাক। অন্যদিকে তৃণমুলের দীর্ঘদিনের দাবি সদর ভিত্তিক নেতৃত্ব সেটা প্রদিপ সরকারকে দিয়ে পুরুণ হয়েছে। তারা এটাকে বড় অর্জন ও ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে নবনির্বাচিত সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার বলেন, তারা বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। তিনি বলেন, তারা নবীন-প্রবীণ সকলকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজনীতি করতে চান।তিনি বলেন, আমাদের সবার লক্ষ্য একটাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর হাত শক্তিশালী করা। এদিকে ১৯ জুলাই মঙ্গলবার উপজেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন ও সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক আমির হোসেন আমিন, কামারগাঁ ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী ফরহাদ, বাধাঁইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, পাচঁন্দর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজির হাসান প্রতাপ সরকারপ্রমুখ

  • এমপি ফারুক চৌধুরী ও অধ্যক্ষ সেলিম রেজার সংবাদ সম্মেলন: পেটানোর ঘটনা সত্য নয় দাবি

    এমপি ফারুক চৌধুরী ও অধ্যক্ষ সেলিম রেজার সংবাদ সম্মেলন: পেটানোর ঘটনা সত্য নয় দাবি

    নিজস্ব প্রতিবেদক : কলেজ অধ্যক্ষকে পেটানোর ঘটনা সত্য নয় দাবি করেছেন রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। একই সঙ্গে নিজে মারপিটের শিকার হননি বলেও দাবি করেছেন গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়ি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ সেলিম রেজা। বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে তারা এ দাবি করেন।
    রাজশাহী নগরের নগরীর নিউ মার্কেট এলাকায় এমপি ফারুক চৌধুরীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তব্য রাখেন এমপি ফারুক চৌধুরী ও অধ্যক্ষ সেলিম রেজা ছাড়াও মাটিকাটা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল আওয়াল রাজু।

    অধ্যক্ষ সেলিম রেজা বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে গত ৭ জুলাই আব্দুল আওয়াল রাজু আমাদের ফোন করে এমপির কার্যালয়ে আসতে বলেন। সেখানে ৭/৮ জন অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ উপস্থিত হয়। পরে আমাদের অধ্যক্ষ ফোরামের কমিটি গঠন ও অভ্যন্তরীণ অন্যান্য বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে আমাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ সময় এমপি আমাদেরকে নিবৃত করেন। এছাড়া আর অন্য কোনো ঘটনা ঘটেনি সেখানে।’

    সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, অধ্যক্ষ ফোরামের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে গত ৭ জুলাই তার কার্যালয়ে যা ঘটেছে তা বিকৃতি করে উপস্থাপন করা হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। একটি চক্র ইস্যু তৈরী করার জন্য মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে আমার সম্মানহানী করেছে।

    তিনি আরও বলেন, মূলত ঈদের আগে শুভেচ্ছা বিনিময়র করার জন্য অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের ডাকা হয়েছিল। সেখানে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে তারা। বিশেষ করে অধ্যক্ষ আব্দুল আওয়াল রাজু ও অধ্যক্ষ সেলিম রেজার মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে আমি গিয়ে তাদের থামায়।

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) রাত ৯টার দিকে রাজশাহী নগরীর থিম ওমর প্লাজায় রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে অধ্যক্ষ সেলিম রেজাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। যা গত মঙ্গলবার জানাজানি হয়। এর পর তা গণমাধ্যমে ছাপা হলে তোলপাড় শুরু হয়।

    বুধবার ঘটনাটি তদন্তে কমিটি গঠন করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার অধ্যক্ষ সেলিম রেজাকে মারধরের ঘটনা জানার পরই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান এই তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। কমিটিকে যত দ্রুত সম্ভব সরেজমিনে ঘটনা বিস্তারিত জেনে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেন উপাচার্য।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • তানোর আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি সভা

    তানোর আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি সভা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন আগামি ১৫ জুলাই শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সার্থক ও সফল করতে প্রস্ত্ততি সভা আয়োজন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যগণ কমিটি গঠনে সংশ্লিষ্ট সাংসদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে কমিটি দিতে কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
    জানা গেছে, ৭ জুলাই বৃহস্পতিবার উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রাজশাহী শহরে স্থানীয় সাংসদের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত প্রস্ত্ততি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শরিফ খাঁন, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক রামকমল সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক ওহাব হোসেন লালু, দপ্তর সম্পাদক জিল্লুর রহমান,
    মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সম্পাদক আমির হোসেন আমিন, তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার,কলমা ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, সম্পাদক আহসান হাবিব রওশন, বাঁধাইড় ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, সম্পাদক ও চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, পাঁচন্দর ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, চাঁন্দুড়িয়া ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, কামারগাঁ ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী ফরহাদ, সম্পাদক সুফি কামাল মিন্টু, সরনজাই ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল মালেক, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব সাইদুর রহমান সরকার ওরফে আবু সাঈদ ও উপজেলা যুবলীগের সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়ার ভয়ে সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল-মামুন সভায় উপস্থিত হতে পারেননি। রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল এক জৈষ্ঠ নেতা বলেন, যারা আওয়ামী লীগের পদপদবী ব্যবহার করে মোটাতাজা ও সমাজে সম্মানিত হয়েছেন, অথচ ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগের বিপক্ষে ভোট করেছেন, অন্যদের উৎসাহিত ও মদদ দিয়েছেন, তাদের পদে আশা তো পরের কথা, সম্মেলনে প্রার্থী হতে পারবেন না। তিনি বলেন, তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের স্বপদে ফিরে আশার কোনো সুযোগ নাই। তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে এখানো কেনো কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি, তা জানতে চেয়ে তৃণমুল তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ভাষ্য, এবার কমিটি গঠনে সংশ্লিষ্ট সাংসদের মতামতকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। কারণ জাতীয় রাজনীতিতে দলের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে যারা আস্থাশীল, বিশস্ত, আদর্শিক নিবেদিতপ্রাণ, যাদের নিয়ে রাজনীতি করতে সাচ্ছন্নবোধ করেন তাদের সাধারণ নির্বাচনে দলের টিকিট দেন। একইভাবে তৃণমুলের রাজনীতি করেন সাংসদরা। ফলে সংশ্লিষ্ট সাংসদগণ যাদের প্রতি আস্থাশীল, বিশ্বাসী ও নিবেদিতপ্রাণ কমিটি গঠনে তাদের সাংগঠনিক গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব দিবেন সেটাই স্বাভাবিক। সংশ্লিষ্ট সাংসদদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে কমিটি গঠন করা না হলে, আগামি নির্বাচনে তার বিরুপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সর্বচ্চ ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত হওয়ায় বয়েছে আনন্দের বন্যা।

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সর্বচ্চ ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত হওয়ায় বয়েছে আনন্দের বন্যা।

    মোঃ হায়দার আলী রাজশাহী থেকে ঃ দেশে নতুন করে ২ হাজার ৭শ ১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে গোদাগাড়ীর ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত হওয়ায় এখানে বইছে আনন্দোর বন্যা। চলছে মিষ্টি বিতরণ।

    দেশেনতুন করে ২ হাজার ৭১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করেছে সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতার ২ হাজার ৫১টি স্কুল ও কলেজ আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় ৬৬৫ টি মাlদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হচ্ছে।

    বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার তথ্য জানায়।

    শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি দুপুর ১ টায় সচিবালয়ে এমপিও প্রদান সংক্রান্ত বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের। প্রসঙ্গত, এমপিওভুক্ত হলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতার সরকারি একটি অংশ পেয়ে থাকেন।

    এ দিকে গোদাগাড়ী উপজেলার সর্বচ্চ ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিটিও ভুক্তি হয়েছে, এগুলি হলো বিড়ইল উচ্চ বিদ্যালয়, মাছমারা উচ্চ বিদ্যালয়, চম্পক নগর উচ্চ বিদ্যালয়, ঘনশ্যামপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও দিয়াড় মানিক চর নিম্নমাধ্যমিক। ওই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মচারি, অভিভাবক, শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে সে সাথে চলছে মিষ্টি বতরণ।

    বিড়ইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে, গত ২২ বছরের বেশী সময় ধরে বিনা বেতনে পাঠ দান দিতে দিতে শিক্ষকেরা মহাসংকটে পড়েছিল, বেতনভাতা না পেয়ে শিক্ষক কর্মচারিগণ পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে ছিল এখন সে কষ্ট দূর হবে ইনশাল্লাহ। এজন্য প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, রাজশাহী ১ আসনের এমপি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানাই, সে সাথে তাদের জন্য আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তারা সুস্থ্য থেকে দেশের সেবা করে যেতে পারেন।

    রাজশাহী ১ আসনের এমপি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, আলহামদুলিল্লাহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার, উন্নয়নের সরকার। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলির শিক্ষক কর্মচারীগণ বছরের পর বছর বেতন ভাতা না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছিলেন। এবার শতভাগ দুর্নীতি মুক্ত নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি এমপিও ভুক্ত হয়েছে। বিএনপি জামায়াত সরকারের আমূলে শিক্ষক কর্মচারীগণকে ভিটেমাটি, গরু, ছাগল বিক্রি করে এমপিও কার্যক্রমে অংশ গ্রহন করতে হত। সে অবস্থা নেই এখন, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী গরীর শিক্ষক কর্মচারীদের কথা বিবেচনা করে কোন প্রকার উৎকোচ ছাড়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি এমপিও করার ব্যবস্থা করেছেন। ফলে দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়া পথে দেশ এক ধাপ এগিয় গেল। তাই বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের পক্ষ থেকে, শিক্ষক কর্মচারীদের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই। প্রধান মন্ত্রীর জন্য এলাকার মানুষ আল্লাহর দরবারে প্রাথনা করবেন, যেন আগামীতে দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকে। উনার হাত ধরে উন্নত বাংলাদেশের সুফল ভোগ করতে পারবে জনগন, এ প্রত্যাশা করি।
    এমপিও হাওয়ার ফলে এলাকার হাজার হাজার শিক্ষর্থী উন্নত মানসম্মত পাঠদান গ্রহন করতে পারবে। এখন শিক্ষকগন রুটি রুজির কথা চিন্তা ভাবনা না করে শিক্ষার্থীদের ভালভাবে শিক্ষা দিতে পারবেন।

    উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মোঃ অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার উন্নয়নের সরকার এটাই তার প্রমান, গোদাগাড়ীতে ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত করায় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, রাজশাহী ১ আসনের এমপি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাই। একই মন্তব্য করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুর রশিদ।

    গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগের সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার, রাজশাহী ১ আসনের এমপি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী কঠোর পরিশ্রম করে, গোদাগাড়ীতে ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত করতে পেরেছেন এ জন্য গোদাগাড়ী উপজেলা বাসীর পক্ষ থেকে প্রধান মন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রী ও রাজশাহী ১ আসনের সংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।