Category: দেশজুড়ে

  • গোপালগঞ্জে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উ-দযাপন

    গোপালগঞ্জে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উ-দযাপন

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।

    এ উপলক্ষে আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) গোপালগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের পাশে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জেলা যুবদলের সভাপতি শেখ রিয়াজ উদ্দিন লিপটন বক্তব্য রাখেন।

    এ কর্মসূচিতে গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, জেলা বিএনপির সদস্য ডা. কে এম বাবর, অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিকদার শহিদুল ইসলাম লেলিন, সাধারণ সম্পাদক ফজলুল কবির দারা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মিকাইল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সহ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক অংশ নেন।

    এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে মুকসুদপুর উপজেলা, কাশিয়ানী, কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় প্রীতক পৃথকভাবে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • ডাঃ জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের  পদন্নোতিতে কুমিল্লা বাসী আনন্দিত

    ডাঃ জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের পদন্নোতিতে কুমিল্লা বাসী আনন্দিত

    কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন ।।

    চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কুমিল্লার মফস্বল ও শহর অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসা ডা. জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর সম্প্রতি কুমেকের সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তিনি বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর এই পদোন্নতিতে চিকিৎসক সমাজ,সাংবাদিক সমাজ,রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সহকর্মী, শিক্ষার্থী, রোগী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এবং কুমেক সূত্রে জানা যায়
    ডা. বাবর এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (চর্ম ও যৌন) ডিগ্রিধারী। তিনি ডার্মাটো সার্জারিতে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ভারত, থাইল্যান্ড ও দুবাই থেকে।
    কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে যোগদানের পর থেকে তিনি শিক্ষক ও চিকিৎসক—দুই ভূমিকাতেই সমানভাবে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা ও শিক্ষণপদ্ধতি একাডেমিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত। তাঁর শিক্ষার্থীরা বলেন, “ডা. বাবর স্যার কেবল একজন শিক্ষক নন, তিনি আমাদের অভিভাবকও বটে। তিনি সবসময় রোগীর কষ্ট বুঝতে শেখান এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে চিকিৎসা করতে উদ্বুদ্ধ করেন।”
    রোগীদের কাছেও তিনি একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে সমানভাবে পরিচিত। আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসহায় ও প্রান্তিক মানুষের প্রতি তাঁর সহানুভূতিশীল আচরণ তাঁকে কুমিল্লা অঞ্চলের জনপ্রিয় চিকিৎসকদের মধ্যে অনন্য করেছে। বিভিন্ন সময়ে তিনি সংগঠনের উদ্যোগে ও নিজস্বভাবে “ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প” আয়োজন করে হাজার হাজার রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি রোগীর আর্থিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে চিকিৎসা ফি নেননি। চিকিৎসা সেবাকে তিনি শুধুমাত্র পেশা নয়, এক মানবিক দায়িত্ব হিসেবেই দেখেন।
    ডা. জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বর্তমানে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ)-এর কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে সংগঠনটি নিয়মিতভাবে চিকিৎসক কল্যাণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সেবামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করছে। বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে তিনি সহকর্মী চিকিৎসকদের নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে গিয়ে সরাসরি চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
    চিকিৎসা কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত। বিভিন্ন সমাজসেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করে তিনি দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা করেন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিয়মিত বক্তৃতা দেন। কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে ত্বক পরিচর্যা, যৌনস্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে তাঁর উদ্যোগ প্রশংসিত।
    মানবিক গুণাবলি, পেশাদারিত্ব এবং সমাজসেবার মনোভাবের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা ডা. বাবর চিকিৎসা পেশায় এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। সহকর্মীদের মতে, তিনি সবসময় রোগী, সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখেন। তিনি বিশ্বাস করেন, “একজন চিকিৎসকের প্রকৃত সফলতা তখনই আসে, যখন তাঁর রোগী শারীরিকভাবে সুস্থ হওয়ার পাশাপাশি মানসিকভাবে আশ্বস্ত হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে পারে।”
    পদোন্নতির পর এক প্রতিক্রিয়ায় ডা. জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, “এ অর্জন শুধু আমার নয়, এটি আমার সহকর্মী, শিক্ষার্থী, রোগী এবং পরিবার— সবার যৌথ প্রেরণার ফসল। চিকিৎসা মানে কেবল রোগ সারানো নয়, এটি এক মানবিক দায়িত্ব, এক আজীবনের অঙ্গীকার।”
    স্থানীয় চিকিৎসক সমাজ ছাড়াও ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সহ নানা পেশার মানুষ তাঁর পদোন্নতিতে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলেন, “ডা. বাবর এমন একজন চিকিৎসক, যিনি নিজের পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি সমাজের প্রতি ও দায়বদ্ধ। তাঁর মতো মানবিক ও সৎ চিকিৎসকরা দেশের গর্ব।”
    ডা. বাবর শুধু চিকিৎসক হিসেবেই নয়, একজন সফল শিক্ষক ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন সংগঠক হিসেবেও পরিচিত। তাঁর নেতৃত্বে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে গবেষণা, সেমিনার ও চিকিৎসাবিষয়ক কর্মশালার পরিসর বেড়েছে। তরুণ চিকিৎসক ও ইন্টার্নদের তিনি নিয়মিতভাবে গবেষণা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে উৎসাহিত করেন।
    ডা. জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের শিকড় কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের শংকুচাইল উত্তরপাড়া গ্রামে। তিনি এক শিক্ষিত ও সম্মানিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা অধ্যাপক আমীর হোসেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ এবং কুমিল্লা সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের বিশিষ্ট শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর বাবার অবদান এবং মানবিক মূল্যবোধই ডা. বাবরের জীবনে প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।
    শৈশবে তিনি শংকুচাইল হাই স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। পরবর্তীতে কুমিল্লা হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে বরিশাল মেডিকেল কলেজ থেকে মেধার স্বাক্ষর রেখে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। তিনি ২৫তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন এবং এরপর ধাপে ধাপে তাঁর কর্মনিষ্ঠা ও দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
    চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর আন্তরিকতা, সামাজিক সচেতনতা এবং জনকল্যাণে নিরলস কাজ তাঁকে কুমিল্লার মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে দিয়েছে। সহকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ— সবার কাছেই তিনি একজন “মানবিক ডাক্তার” হিসেবে পরিচিত। আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা বিস্তারে তিনি সরাসরি ও পরোক্ষভাবে একাধিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
    কুমিল্লার চিকিৎসা অঙ্গনে যাঁরা ডা. বাবরকে কাছ থেকে চেনেন, তাঁরা বলেন— “তিনি শুধু ভালো চিকিৎসক নন, একজন ভালো মানুষও। তাঁর আচরণ, কর্মনিষ্ঠা ও মানবিকতা আগামী প্রজন্মের চিকিৎসকদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।”
    সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে তাঁর এই পদোন্নতি কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ এবং জেলার চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য এক গৌরবের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

  • থানচিতে বলিপাড়া বাজারে অগ্নি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ৩৮ বিজিবি’র মা-নবিক সহায়তা প্রদান

    থানচিতে বলিপাড়া বাজারে অগ্নি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ৩৮ বিজিবি’র মা-নবিক সহায়তা প্রদান

    বান্দরবান (থানচি) প্রতিনিধি : মথি ত্রিপুরা।

    গত ২৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে মধ্যরাতে থানচি উপজেলার বলিপাড়া বাজারে সংঘটিত অগ্নি দুর্ঘটনায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি থেকে ৩৮ বিজিবি’র সকল সদস্য আগুন নেভাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। এ প্রেক্ষিতে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্যে অদ্য ২৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম, জি কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ জন দোকান মালিকের প্রত্যেককে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা করে মোট ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যতেও বিজিবি জনগণের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস প্রদান করেন।
    তিনি আরও জানান, ‘বলিপাড়া জোন তথা ৩৮ বিজিবি সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি জনগণের জানমাল রক্ষা ও মানবিক সহায়তায় সর্বদা অঙ্গীকারাবদ্ধ’।

    আরও বলেন, স্থানীয় জনগণ ও ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা বিজিবির এই মানবিক উদ্যোগে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই অনুদান প্রদানের মাধ্যমে বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে যা সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • কুড়িগ্রাম ১ আসনে তারেক রহমানের সবুজ সং-কেত পেলেন সাইফুর রহমান রানা

    কুড়িগ্রাম ১ আসনে তারেক রহমানের সবুজ সং-কেত পেলেন সাইফুর রহমান রানা

     কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    ২৫ কুড়িগ্রাম ১ আসনে তারেক রহমানের সবুজ সংকেত পেলেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য এবং বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য আলহাজ্ব সাইফুর রহমান রানা।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র কেন্দ্রীয় গুলশানে কার্যালয়ে গত রবিবার (২৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিতভাবে এক ভিডিও কনফারেন্সের সিদ্ধান্ত ঘোষণামতে ২৫ কুড়িগ্রাম ১ আসনে তারেক রহমানের সবুজ সংকেত পেলেন আলহাজ্ব সাইফুর রহমান রানা। ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং দলের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের নির্বাচনী মাঠে সংগঠিতভাবে জনগনের দ্বারে-দ্বারে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি সকল নেতাকর্মীকে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে এবং বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন, কুড়িগ্রাম-১ আসনে আলহাজ্ব সাইফুর রহমান রানার নেতৃত্বে দল এখন আগের চেয়ে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী।

    কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য এবং বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য আলহাজ্ব সাইফুর রহমান রানা বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা এবল দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামবো। জনগণের ভোটের অধিকার পুনরুদ্ধার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করাই এখন আমাদের লক্ষ্য।

    তিনি আরো বলেন, দেশ নায়ক ও তারুণ্যের অহংকার ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং দল থেকে সবুজ সংকেত তো আমাকে আগেই দেয়া হয়েছে। আজ সকল নেতাকর্মীদের আনুষ্ঠানিকভাবে কনফারেন্সের মাধ্যমে সবাইকে অবগত করেনন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আমরা সকলে মান-অভিমান ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে পারি। আমি বিশ্বাস করি আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার মাধ্যমে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করে এই আসনটি তারেক রহমানকে উপহার দিতে পারবো ।

    তিনি সর্বশেষ বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নির্বাচনী এলাকায় গনসংযোগ চলছে। আমার সুনির্দিষ্ট উন্নয়ন পরিকল্পনা যা বাস্তবায়িত হলে কুড়িগ্রাম ১আসন হবে নদী ভাঙন মুক্ত, কৃষিবান্ধব, শিক্ষাবান্ধব, কর্মসংস্থান ও মাদকমুক্ত কুড়িগ্রাম ১আসন। সরকার গঠনে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা আমাূের মূল-শক্তি। আমি এই জনপদের সন্তান হিসেবে সবসময় আপনাদের পাশে ছিলাম ও আছি এবং থাকব ইনশাআল্লাহ।

  • আন-নাফি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায় না-রীদের মাঝে  ছাগল বিতরণ

    আন-নাফি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায় না-রীদের মাঝে ছাগল বিতরণ

    এম এ আলিম রিপনঃ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে আত্মনির্ভরশীল,স্বাবলম্বী ও হালাল পথে উপার্জন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে অসহায়, দরিদ্র ও বিধবা নারীদের মাঝে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। পাবনা সদর উপজেলার দুবলিয়া, টাটিপাড়া সহ স্থানীয় কয়েকটি গ্রামের যুব সম্প্রদায়ের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত আন-নাফি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায়, দরিদ্র ও বিধবা নারীদের মাঝে সম্প্রতি এ ছাগল বিতরণ করা হয়। ঐতিহ্যবাহী দুবলিয়া হাজী জসিমউদ্দিন ডিগ্রি অনার্স কলেজ মাঠে আন-নাফি ফাউন্ডেশনের সভাপতি মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে ও আন নাফি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বিপুলের সঞ্চালনায় ছাগল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফজিলাতুন নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফজলুল হক বিশ্বাস। তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও অত্র ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি মোঃ টিপু বিশ্বাস এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ফাউন্ডেশনের সহ কোষাধ্যক্ষ মো: রবিউল ইসলাম । অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম রহমত (কোষাধ্যক্ষ, আন-নাফি ফাউন্ডেশন), ইকরামুল হক ও সম্রাট বিশ্বাস সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত ফাউন্ডেশনের প্রধান অর্থ পৃষ্ঠপোষক আনসার আলী প্রমানিক। অসহায়, দরিদ্র ও বিধবা নারীদের মাঝে বিনামূল্যে এ ছাগল বিতরণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দঁাড়ানোর গুরুত্ব তুলে আন- নাফি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বিপুল জানান, বিগত কয়েক বছর যাবত দুবলিয়া, টাটি পাড়াসহ আশে পাশের এলাকায় দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী (বিশেষত রমজান মাসে) বিতরণ করে আসছে। আজকের এ ছাগল বিতরণ কার্যক্রমটি প্রত্যক্ষভাবে আন- নাফি ফাউন্ডেশন সম্পূর্ণভাবে চ্যারিটি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে । এই ধরনের চ্যারিটি কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে । ইসলামের মূল শিক্ষা মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং দারিদ্র‍্য দূরীকরণে ভূমিকা রাখা। সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে আন নাফি ফাউন্ডেশন। অতীত এবং বর্তমানের ন্যায় আগামীতেও অসহায় মানুষদের কল্যাণে কাজ করে যাবে আন- রাফি ফাউন্ডেশন বলেও জানান তিনি। বিতরণকৃত ছাগল পালনের মাধ্যমে এসকল অসহায় পরিবার স্বাবলম্বী হতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর পাবনা।।

  • প্রিন্টারের মধ্যে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা হে-রোইনসহ ২ জনকে আ-টক করে র‌্যাব-৫

    প্রিন্টারের মধ্যে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা হে-রোইনসহ ২ জনকে আ-টক করে র‌্যাব-৫

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: গোদাগাড়ীর দিয়ার মানিকচক এলাকার মাদক ব্যবসায়ী আনসারুল রনি কম্পিউটারের প্রিন্টারের মধ্যে অভিনব কায়দায় হেরোইন নিয়ে যাওয়ার সময় র‌্যাব-৫ এর হতে গ্রেফতার হয়েছেন।

    গত শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর- সোয়া ১২ সময় রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার শিরোইল রেলওয়ে মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী গোদাগাড়ী থানার দিয়ারমানিকচক মধ্যপাড়া গ্রামের মোঃ শামসুল আলীর ছেলে মোঃ আসারুল রনি (২১) ও সিরাজগঞ্জ রেলকলোনীর গ্রামের হযরত আলী শেখের মেয়ে মোছাঃ জাহানারা (৫০) কে গ্রেফতার করে এবং জব্দকৃত আলামত হেরোইন-৬৪০ গ্রাম, প্রিন্টার-০১টি, মোবাইল-০২টি উদ্ধার করে।

    জানা যায় ২নং আসামি জাহানারা বেগম (৫০) সিরাজগঞ্জ জেলার বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার ট্রেন/বাস যোগে রাজশাহীতে এসে অজ্ঞাত স্থান থেকে হেরোইন সংগ্রহ করতঃ সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট ডেলিভারি করে আসছিলো। এছাড়া ধৃত ১নং আসামি মোঃ আসারুল রনি’র বাড়ী গোদাগাড়ীর দূর্গম চরে হওয়ায় সে সহজেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে সীমান্তবর্তী অজ্ঞাত স্থান হতে সংগ্রহ করে পদ্মা নদী পার হয়ে জাহানারা বেগম সহ অনেকের কাছে হেরোইন সাপ্লাই দিত।
    রনি গ্রেফতারের বিষয়টি এলাকায় ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • পাইকগাছার একমাত্র সরকারি পাঠাগারটি এখন ধ্বং-সের দ্বার-প্রান্তে

    পাইকগাছার একমাত্র সরকারি পাঠাগারটি এখন ধ্বং-সের দ্বার-প্রান্তে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)।।
    পাইকগাছা উপজেলার একমাত্র সরকারি পাঠাগারের অবস্থা এখন জরাজীর্ন।বেহাল অবস্থার কারনে এখন পাঠকরাও কম আসেন। প্রতিদিন পত্রিকাও রাখা হয় না। অব্যবস্থাপনা ও তদারকির অভাব, পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাব এবং কর্তৃপক্ষের অনাগ্রহের কারণেই পাঠাগারের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
    সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, পাঠাগারে হাতে গোনা কয়েকটি টেবিল—চেয়ার ও আলমারি ছাড়া বাকি সব আসবাবপত্রের অবস্থা ভঙ্গুর। নতুন কোন বই নেই। ধুলোবালি আর অযত্ন অবহেলায় রয়েছে পাঠাগার। দেয়ালের রঙ চটা অবস্থা আর বিভিন্ন স্থানে ধরেছে ফাটল। পাঠাগারের ভবন ফেটে পানি পড়ে এবং জানালা—দরজাও প্রায় সব ভাঙ্গা অবস্থায় রয়েছে।
    খোজ নিয়ে জানা গেছে, এক সময় উপজেলার এই পাঠাগারে বই পড়তে ভিড় জমাতেন ছাত্র—ছাত্রী, চাকরিপ্রার্থী ও সাধারণ পাঠকরা। এখন মাত্র হাতে গোনা ৫—৬ জন চাকরি প্রত্যাশীরা এই লাইব্রেরীতে আসেন। পূর্বে স্থানীয় এবং জাতীয় অনেক পত্রিকা রাখা হতো। কিন্তু এখন পত্রিকাও আসে না। শিক্ষার্থীদের আনা গোনাও অনেকটা কমে গেছে।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে পাঠাগারটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। একসময়ের পাইকাগাছা উপজেলার জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র এখন কেবল মাত্র নামেই টিকে আছে। কিন্তু এমন বেহাল অবস্থায় থাকলে আর কিছুদিন পর পাঠাগারের নাম মানুষ ভুলে যাবে। প্রত্যেক বছর এই পাঠাগারের জন্য সরকার কর্তৃক একটি বাজেট দেওয়ার কথা থাকলেও আদৌ কাজ হয় না।
    স্থানীয় বাসিন্দা বিজয় সানা জানান, কয়েকবছর আগেও এই লাইব্রেরীতে বহু ছাত্র—ছাত্রী পড়াশোনা করার জন্য আসতো। এখন উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, স্যোশাল মিডিয়া, নতুন বইয়ের কালেকশন, প্রচার প্রচারণা এই লাইব্রেরীতে না থাকার কারণে হারিয়ে যেতে বসেছে পাঠাগারের গুরুত্ব। তিনি আরও বলেন, পাঠাগারকে সচল করতে হলে অবিলম্বে ভবন সংস্কার, নতুন বই সংযোজন আধুনিক সুযোগ—সুবিধা চালু করতে হবে নইলে তরুণ প্রজন্ম বই থেকে আরও দূরে সরে যাবে।
    শিক্ষার্থী জোবায়ের ইসলাম বলেন, বর্তমানে তরুণ প্রজন্ম ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের বেশি আগ্রহী। ফলে প্রযুক্তিহীন লাইব্রেরীর কদর কমে গেছে। ডিজিটাল লাইব্রেরী থাকলে পাঠক সহজেই ই—বুক প্রবন্ধ ও গবেষণা ডাটাবেজ ব্যবহার করতে পারতো। এছাড়াও তথ্য সংগ্রহের অনেক সময় নষ্ট করতে হয়। কিন্তু ডিজিটাল প্রযুক্তি থাকলে সময় কম লাগে। তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার একটি আধুনিক লাইব্রেরীর অপরিহার্য অংশ। শিক্ষা গবেষণায় সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অবিলম্বে লাইব্রেরির ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রয়োগ জরুরি। একই সাথে বই সংরক্ষনেরও প্রয়োজন রয়েছে। বই পড়লে মানষিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
    চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থী তানজিলা আক্তার বলেন, একটি উপজেলায় লাইব্রেরী থাকলে অনেক গরিব শিক্ষার্থী লাইব্রেরী থেকে পড়াশোনা করতে পারেন। অনেকের বই ক্রয়ের সামর্থ্য নেই, যার কারণে অনেক সময় তাঁদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। তবে উপজেলার লাইব্রেরীতে নতুন নতুন বইয়ের সংগ্রহ থাকলে সকলে সুবিধা পাবেন।
    পাইকগাছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওয়াহাব বলেন, উপজেলার এই পাঠাগারটি এখন জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। সর্বপ্রথম পাঠাগার সংস্কার করতে হবে। পাঠাগারে বর্তমানে পাঠকের সংখ্যা নেই বললে চলে। একটা সময় দেখেছি এই পাঠাগারে পাঠকরা ভিড় জমাতেন। তিনি আরো বলেন, উন্নত প্রযুক্তির যুগে এখন সকলের কাছে অ্যান্ড্রয়েড ফোন থাকায় পাঠাগারে আসার আগ্রহ অনেকের নেই বললেই চলে। ইচ্ছা করলে ফোনের মাধ্যমে সব দেখতে পায়। তবে পাঠাগার সংস্কার এবং আধুনিকায়ন করলে পাঠকরা আকৃষ্ট হবে। একটা সময় দেখেছি সেখানে অনেক পত্রিকা পাওয়া যেতো। পাঠকরা পত্রিকা এবং চাকরি প্রত্যাশীরা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখতেন পাঠাগারে এসে। কিন্তু এখন বন্ধ রয়েছে সব। দুই একটা পত্রিকা নেওয়া হয় লাইব্রেরীতে। তিনি উল্লেখ করে বলেন, সব ধরনের পত্রিকার ব্যবস্থা করতে হবে এবং নতুন নতুন বই যোগ করতে হবে। তাহলে আস্তে আস্তে আবারো পাঠকরা এই লাইব্রেরীতে আসবেন।
    এ বিষয়ে কথা হয় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহার সাথে। তিনি বলেন, আমি অনেক আগে দেখেছি এই লাইব্রেরীতে অনেক পাঠক আসতো কিন্তু এখন মাত্র কয়েকজন পাঠক আসেন। এখন কেন পাঠকরা এই লাইব্রেরীতে কম আসেন, তা আমাদের আগে খুঁজে বের করতে হবে। এছাড়াও পাঠকের চাহিদা মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এখন উন্নত প্রযুক্তির যুগে সব কিছু মানুষ খুব সহজেই মোবাইল, কম্পিউটারে দেখতে পাচ্ছেন। পাঠকরা চাইলে তারা মূহুর্তের মধ্যে গুগলের মাধ্যমে সার্চ করে পড়তে পারেন। তিনি বলেন, এই লাইব্রেরীতে যদি ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবস্থা করা হয় তাহলে নতুন প্রজন্মের জন্য সুবিধা হবে। তিনি আরো বলেন ডিজিটাল প্রযুক্তির পাশাপাশি নতুন নতুন বইয়ের সাথে পাঠকের পরিচয় করানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
    পাইকগাছা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীন বলেন, আমরা পাঠাগারের কার্যক্রম পুনর্জীবিত করার পরিকল্পনা নিচ্ছি। পাঠাগার কেবল বই রাখার স্থান নয়, এটি মানুষের চিন্তা চেতনা ও মানবিকতার বিকাশের জায়গা। উপজেলার পাঠাগারের অবস্থা উন্নয়নের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে নতুন বই, আসবাবপত্র, ডিজিটাল সুবিধার সংযোজন এর উদ্যোগ নেওয়া হবে। যাতে তরুণরা বইয়ের গন্ধে ফিরে আসে। পাশাপাশি পাঠাগারটি সিসি ক্যামেরার আওয়াতায় এনে নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • কোটালীপাড়ায় ৪টি বিদ্যালয়ের ভবনের নিলাম নিয়ে তোল-পাড় নিলাম বাতি-লের দাবীতে বি-ক্ষোভ ও অভিযোগ

    কোটালীপাড়ায় ৪টি বিদ্যালয়ের ভবনের নিলাম নিয়ে তোল-পাড় নিলাম বাতি-লের দাবীতে বি-ক্ষোভ ও অভিযোগ

    কে এম সাইফূর রহমান।।

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অকেজো ভবন নিলাম নিয়ে চলছে তোলপাড়। নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে নিলাম সম্পন্ন হওয়ায় ও দরপত্র শিডিউল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ করেছেন ঠিকাদারেরা। নিলাম বাতিল চেয়ে ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগের পরও নিলাম বাতিলের কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিক্ষুদ্ধরা।

    এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নিলাম হলেও কোন তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট না থাকায় বিষয়টি হাস্যকর এ পরিণত হয়েছে।
    উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, তারাকান্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আশুতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামিলা সরকারি প্রাথামিক বিদ্যালয়, সোনাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪টি পুরাতন ভবন ও পুরাতন ভবনের পরিত্যক্ত মালামাল নিলাম দেওয়ার জন্য গত ০৭ অক্টোবর দরপত্র আহ্বান করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্ত। এ উপলক্ষে ১২ ও ১৩ অক্টোবর প্রতিটি ভবনের জন্য আলাদা আলাদা নিলাম মূল্য নির্ধারণ করে অফেরৎ যোগ্য ১ হাজার টাকার বিনিময়ে নিলাম শিডিউল বিক্রি করা হয় উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তরে।
    উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের অফিস সহায়ক তাওহিদুল ইসলামের কাছ থেকে জামিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপরীতে ১শত ১টি প্রতিষ্ঠান, সোনাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপরীতে ১শত ১টি প্রতিষ্ঠান, আশুতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়লয়ের বিপরীতে ৯৬টি প্রতিষ্ঠান ও তারাকান্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপরীতে ৯১টি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের সিডিউল ক্রয় করেন।
    শিডিউল বিক্রি সংক্রান্ত কোন তথ্য দিতে পারেননি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্ত। তার কাছে শিডিউল বিক্রির তথ্য চাওয়া হলে তিনি জানান বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের অফিস সহায়ক তাওহিদুল ইসলাম জানেন। অন্যদিকে তাওহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন শিক্ষা অফিসার জানেন। বিষয়টি এখন হাস্যকর -এ পরিণত হয়েছে।
    প্রতিটি বিদ্যালয়ের জন্য ৩০ হাজার টাকার পে-অর্ডার সহ ১৯ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে সংরক্ষিত বাক্সে দরপত্র জমা নেওয়া হয় এবং ৪ ঘটিকায় উপজেলা প্রকৌশলীর উপস্থিথিতে টেন্ডার বাক্স ওপেন করেন নিলাম কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্ত।
    টেন্ডার বাক্স ওপেন করলে দেখা যায় ৩৮৯টি দরপত্র শিডিউলের মধ্যে ৬টি প্রতিষ্ঠানের নামে মাত্র ১৮ টি দরপত্র জমা হয়।
    টেন্ডার বাক্সে নিজেদের দরপত্র না পেয়ে বিক্ষুদ্ধ হয়ে দরপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এনে বিক্ষোভ করেন কয়েকজন ঠিকাদার। এ সময় তারা নিলাম বাতিলের দাবী জানান।
    সাবেক ইউপি সদস্য সবুর শেখ বলেন বিএনপির কয়েকজন নেতা আমাদের কাছ থেকে শিডিউল নিয়ে যায়। তারা বলেন বেশি ভিড় করা যাবে না। আমরা শিডিউল জমা দিয়ে দিবো। পরে তারা আর আমাদের শিডিউল জমা দেয় নাই। নিলাম হওয়ার পরে উপজেলা পরিষদ ভবনের পাশে একটি কালো ব্যাগে আমাদের সকলের শিডিউল ফেলে রেখে যায় তারা।
    কোটালীপাড়া উপজেলা নাগরিক পার্টির যুগ্ম সমন্বয়ক নাজমুল দাড়ীয়া বলেন, আমি দরপত্র জমা দিতে গেলে আমার হাত থেকে দরপত্র জমা দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যায় বিএনপির এক নেতা। পরে যখন বাক্স ওপেন করা হয় তখন বাক্সের ভিতর আমার দরপত্র না দেখে আমি অবাক হই। কিছু ব্যক্তি এই নিলামকে সিন্ডিকেট করেছে।
    বিক্ষুদ্ধরা অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি নামমাত্র মুল্য দেখিয়ে সিডিউল জমা দিয়েছেন। পরে কয়েকগুন বেশি দামে বিক্রি করে দেওয়ার পায়তারা চলছে। এভাবে সরকারি ভবন নামমাত্র টাকায় নিলামে বিক্রি করায় সিন্ডিকেটধারীরা হচ্ছে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। আর সরকার হারাচ্ছে কাঙ্খিত রাজস্ব। আমরা এই নিলাম বাতিলের জন্য বিক্ষোভ করেছি এবং ইউএনও স্যারের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি।

    নিলামসূত্রে জানাযায়, জামিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের জন্য ক্রয়কৃত ১০১টি শিডিউলের মধ্যে জমা পড়ে ৫টি। শিডিউল। এর মধ্যে ২ টি শিডিউলে কোন দর উল্লেখ করা হয়নি। সোনাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১শত ১টি বিক্রিত শিডিউলের মধ্যে জমা পড়ে ৬টি শিডিউল। এর মধ্যে ১টি শিডিউলে কোন দর উল্লেখ করা হয়নি। আশুতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়লয়ের ৯৬টি বিক্রিত শিডিউলের মধ্যে জমা পড়ে ৫টি শিডিউল। এর মধ্যে ১টি শিডিউলে কোন দর উল্লেখ করা হয়নি। তারাকান্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯১টি বিক্রিত শিডিউলের মধ্যে জমা পড়ে ২টি শিডিউল। এর মধ্যে ১টি শিডিউলে কোন দর উল্লেখ করা হয়নি। অন্য শিডিউলে সরাকরি মূল্যের চেয়ে দর কম থাকায় তারাকান্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিলাম বাতিল করা হয়। অন্য ৩টি বিদ্যালয়ে সর্ব্বোচ দরদাতাকে নিলাম প্রাপ্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপরই উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন দরপত্র নিলাম বাক্সে জমা না দিতে পারা ব্যক্তিরা।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিএনপির কয়েকজন ব্যক্তি সিন্ডিকেট করে ৩৮৯টি শিডিউলের মধ্যে ৬টি প্রতিষ্ঠানের নামে মাত্র ১৬টি শিডিউল জমা দেয়। এর মধ্যে ৪টি সিডিউলে কোন দর দেওয়া হয়নি। তারা ইচ্ছেমত দর দেন। সরকারি মূল্যের সঙ্গে নামমাত্র মূল্য যোগ করে তাদের নামে টেন্ডার বের করেন। পরে নিজেদের মধ্যে ও নেগোসিয়েশন করে উচ্চমূল্যে বিক্রি করেন।
    গোপনসূত্রে জানাযায়, নিলামের পরদিন ২০ অক্টোবর বিকালে জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে জেলা পরিষদের কোটালীপাড়ার সদস্যের কক্ষে বসে উচ্চমূল্যে ভবনগুলো বিক্রি হয়।
    নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, শিক্ষা অফিসার বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবন ও মালামাল বিক্রিতে ধোঁয়াশার মধ্যে রেখেছেন। এটা উন্মুক্ত নিলাম নাকি দরপত্র তা স্পষ্ট নয়। নিলামে সাধারণত মাইকিং করাসহ প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়। এখানে যেহেতু এসব করা হয়নি বরং প্রতিটি সিডিউল এক হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে, তাই এটাকে নিলাম বলা যাচ্ছে না। আবার, যেহেতু পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়নি, পিপিআর নিয়ম মানা হয়নি, কাজেই এটি দরপত্রও বলা যাবে না। এটি মূলত শিক্ষা অফিসার ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়ে নির্দিষ্ট কাউকে ব্যবসা করার সুযোগ করে দিয়েছেন। শুধুমাত্র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের দেয়ালে নামসর্বস্ব একটি নোটিস দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সুবিধা দিতে উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজে বিংবা উপজেলা শিক্ষা অফিসের ও উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ব্যাপারে কোন কিছু প্রকাশ করা হয়নি। ফলে অনেক ব্যবসায়ী ‍নিলামে অংশ নিতে পারেনি। অন্যদিকে আগে এসব দরপত্র মূল্য ২০০ থেকে ৩০০ টাকা অফেরতযোগ্য রাখা হলেও এবার দরপত্র মূল্য রাখা হয়েছে ১০০০ টাকা। হঠাৎ করে দরপত্র মূল্য বৃদ্ধি করায় ব্যবসায়ীরা হতবাক হয়েছেন।
    অন্যদিকে উপজেলা শিক্ষা দপ্তরের নিলামের সিডিউল উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের একজন অস্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত অফিস সহায়ক তাওহিদুল ইসলাম কিভাবে বিক্রি করেন এবং আর্থিক বিষয় দেখভাল করেন এ নিয়েও ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখর রঞ্জন ভক্ত ও উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের অফিস সহায়ক (অস্থায়ী) তাওহিদুল ইসলাম ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েই অতি গোপনে নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন বলে জানান তারা। অতি দ্রুত এ অবৈধ নিলাম বাতিলের দাবিও জানান তারা।

    উপজেল শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্ত বলেন, আমরা নিয়মমাফিকভাবেই নিলাম আহ্বান ও নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করি। তবে বাহির থেকে কেউ কোন অনিয়ম করছে কিনা তা আমাদের জানা নেই।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাগুফতা হক বলেন, নিলামের বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ এনে কয়েকজন আমার নিকট দরখাস্ত করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  • মহাসড়ক এখন মৃ-ত্যুফাঁদ! রায়গঞ্জে ৬ মাসে প্রাণ গেল ৯ জনের, আ-তঙ্কে এলাকাবাসী

    মহাসড়ক এখন মৃ-ত্যুফাঁদ! রায়গঞ্জে ৬ মাসে প্রাণ গেল ৯ জনের, আ-তঙ্কে এলাকাবাসী

    অভিজিৎ কুমার দাস
    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : উত্তরবঙ্গ ফোরলেনের রায়গঞ্জের ভূঁইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ড এলাকা এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। গত ছয় মাসে এখানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন ১৫ জনেরও বেশি।
    স্থানীয়রা বলছেন, মহাসড়কে এই রাস্তায় কোনো ডিভাইডার না থাকায় দুই দিকের গাড়ি মুখোমুখি চলে আসে। তার ওপর পার্শ্বরাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় দক্ষিণ দিক থেকে আসা গাড়িগুলোকে হঠাৎ মাঝরাস্তায় ঘুরতে হয়। ফলে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
    প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টসূত্র মতে গত মে মাস থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই এলাকায় সংঘটিত সাতটি বড় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন নয়জন। এদের মধ্যে রয়েছেন কলেজছাত্র, মোটরসাইকেল আরোহী, ইজিবাইক চালক, ভ্যানচালক ও পথচারী। এছাড়াও আহত অন্তত ১৫ জনের মধ্যে পঙ্গু হয়ে গেছন ৬ জন। ভূঁইয়াগাঁতী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে থাকা পার্শ্বরাস্তা বন্ধ হওয়ার পর থেকেই দুর্ঘটনার হার বেড়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।
    ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন বলেন, “এই এলাকায় এখন গাড়ি চালাতে ভয় লাগে। কখন কে ধাক্কা খাবে বলা যায় না। রোড ডিভাইডার না থাকা মানে প্রতিনিয়ত মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করা।”
    প্রফেসর শংকর কুমার দাস বলেন, “আমরা রোড ডিভাইডার স্থাপন ও পার্শ্বরাস্তা খুলে দেওয়ার বহুবার দাবি জানিয়েছি।
    রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে.এম মাসুদ রানা, সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ন কবির হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, “ভূঁইয়াগাঁতী এলাকা এখন দুর্ঘটনাপ্রবণ জায়গা হিসেবে চিহ্নিত। আমরা সড়ক ও জনপথ বিভাগকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রাফিক টহলও বাড়ানো হয়েছে।”
    সাসেক প্রকল্প-২ এর উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো: সরফরাজ হোসাইন বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ওই স্থানে স্থায়ী রোড ডিভাইডার স্থাপন ও বন্ধ পার্শ্বরাস্তা চালুর কাজ প্রক্রিয়াধীন।
    সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য একাধিকবার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
    কলেজে ছাত্র ইকরামুল হক বলেন, “আমরা প্রতিদিন এই রাস্তায় চলি। রাস্তা পার হতে গেলেই মনে হয় প্রাণটা হাতের মুঠোয়।
    রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: হুমায়ুন কবির জানান, ভূঁইয়াগাঁতী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে পার্শ্ব রাস্তার সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গাটুকু অধিগ্রহণ করতে হবে। এব্যাপারে ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আশাকরি অতিদ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।#

  • সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আশুলিয়ায় বি-নামূল্যে চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প ২৯ অক্টোবর

    সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আশুলিয়ায় বি-নামূল্যে চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প ২৯ অক্টোবর

    হেলাল শেখঃ ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার এর আওতায় মোতায়েনকৃত জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আগামী ২৯ অক্টোবর, বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আশুলিয়ার সামাজিক কনভেনশন হলে একটি বিনামূল্যের চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে।

    এই কর্মসূচিটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। ক্যাম্পে আশুলিয়া এলাকার বাইপাইল, ভাদাইল, নরসিংহপুর, জিরাবো, ইয়ারপুর, বাগবাড়ি, তৈয়বপুর, ইউসুফ মার্কেট ও কাশিমপুর এলাকার দুস্থ ও অসহায় জনগণকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ প্রদান করা হবে।

    চিকিৎসা সেবায় থাকবেন মেডিসিন, শিশু, চক্ষু, চর্ম ও যৌন, স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা, নাক, কান ও গলার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ। প্রতি ঘণ্টায় ৭০জন করে সর্বোচ্চ ৫০০ জন রোগীকে সেবা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী।

    যাদের চিকিৎসা সেবার প্রয়োজন, তাদেরকে জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের মোবাইল নম্বর ০১৭৬৯-০৯৫৩৪৯-এ ফোন করে বা এসএমএসের মাধ্যমে (রোগীর নাম, বয়স, পেশা, মাসিক আয় ও রোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ) পাঠিয়ে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    চিকিৎসা সেবায় অংশ নিতে আগ্রহী এলাকাবাসীকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন জামগড়া আর্মি ক্যাম্প কর্তৃপক্ষ।
    যোগাযোগ: জামগড়া আর্মি ক্যাম্প
    মোবাইল: ০১৭৬৯-০৯৫৩৪৯।