Category: দেশজুড়ে

  • নোয়াখালীতে মাদ্রাসা ছাত্রকে জ-বাই করে হ-ত্যা,আ-টক ১

    নোয়াখালীতে মাদ্রাসা ছাত্রকে জ-বাই করে হ-ত্যা,আ-টক ১

    :
    রফিকুল ইসলাম সুমন
    (নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি)

    নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে ঘুমের মধ্যে এক মাদরাসা ছাত্রকে বিভৎসভাবে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত ছাত্রকে আটক করা হয়েছে।সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম। এর আগে, রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের বাটরা আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া মাখফুনুল উলুম মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত মো.নাজিম উদ্দিন (১৩) উপজেলার চাষীরহাট ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামের ওবায়েদ উল্ল্যার ছেলে। অপরদিকে, আটক আবু ছায়েদ (১৬) ময়মনসিংহ জেলার টেঙ্গাপাড়া গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাটরা আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া মাখফুনুল উলুম মাদরাসার আবাসিক বিভাগে থেকে নাজিম ২২ পারা ও ছায়েদ ২৩ পারা পবিত্র কোরআন হেফজ সম্পন্ন করে। গত ১০-১৫ দিন আগে টুপি পরা নিয়ে নাজিম ও আবু ছায়েদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে মাদরাসার এক শিক্ষক বিষয়টি জানতে পেরে তাদের মধ্যে মিটমাট করে দেয়। কিন্ত এ ঘটনার জের ধরে নাজিমের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে সোনাইমুড়ী বাজার থেকে( ৩) তিনশত টাকা দিয়ে একটি ধারালো ছুরি কিনে নিয়ে আসে ছায়েদ। প্রতিদিনের ন্যায় রোববার রাতে মাদরাসার আবাসিক কক্ষে ঘুমিয়ে যায় ১৪জন ছাত্র ও একজন শিক্ষক। রাত আড়াইটার দিকে অন্য ছাত্রদের অগোচরে ছায়েদ ঘুম থেকে উঠে ঘুমের মধ্যে নাজিমকে জবাই করে দেয়। ওই সময় নাজিমের গলার গোঙরানির আওয়াজ শুনে একই কক্ষে থাকা ছাত্র-শিক্ষক ঘুম থেকে জেগে উঠে এ ঘটনা দেখতে পায়।

    সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, খবর পেয়ে ভোররাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। অভিযুক্ত ছাত্রকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি জব্দ করা হয়। টুপি পরা নিয়ে দুই ছাত্রের মধ্যে বিরোধের সূত্র ধরে এ হত্যাকান্ড ঘটে। লাশের সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

  • ময়মনসিংহে বড় মসজিদ ও মাদরাসাকে কেন্দ্র করে ফের অ-স্থিরতা- ধৈর্য ধরার আহবান ডিসির

    ময়মনসিংহে বড় মসজিদ ও মাদরাসাকে কেন্দ্র করে ফের অ-স্থিরতা- ধৈর্য ধরার আহবান ডিসির

    আরিফ রব্বানী,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ নগরীর বড় মসজিদ ও মাদরাসায় ফের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সকলকে ধৈর্য ধরার আহবান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম। সুত্র জানিয়েছে- ভারপ্রাপ্ত প্রধান মাওলানা আবদুল হকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এর আগে পরিচালনা কমিটির সর্বসম্মত তদন্তের মাধ্যমে যার সত্যতা পাওয়ার ফলে কমিটি তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলো। কিন্তু আব্দুল হক নিজ স্বার্থে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ব্যবহার তার একটা অদৃশ্য শক্তির উৎস হয়ে দাড়িয়েছে। এতে শিক্ষক-
    শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভাজন ও তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। এরই জেরে নগরীতে টানা তিন ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে বড় মসজিদ মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি প্রশাসনের হস্তক্ষেপে একটা সুরাহা হলেও থেমে থাকেনি মাওলানা আব্দুল হকের
    স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতা দাপট ও ষড়যন্ত্রের প্রভাব।

    তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তিনি (১) ষড়যন্ত্র আর ক্ষমতায় তিনি তার নিজের মেয়ের জামাই মাওলানা সারোয়ারকে নায়েবে মুহতামিম ঘোষণা করে। এতে কমিটির কোন নিয়োগপত্র বা কোন রেজুলেশন দেখাতে পারেনি। নিয়োগ তো দূরের কথা এতে কমিটির কারোর কোন পরামর্শ পর্যন্ত সে নেয়নি,(২)নিজের আরেক মেয়ের জামাই মাওলানা মোফাজ্জল কে অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগ।
    যিনি ত্রিশাল বড় মসজিদের ইমাম, মাদরাসার মুহতামিম এবং আরেকটি মাদরাসার শিক্ষক হ‌ওয়া সত্যেও তাকে জামিয়ার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন।মুলত নিয়োগের নামে মোটা অংকের টাকা বেতন হিসেবে হাতিয়ে নেওয়াই একমাত্র লক্ষ্য। (৩)নিজের ছেলেকে শাইখুল হাদীস ঘোষণা। শাইখুল হাদীস যিনি হাদীসের সর্বোচ্চ কিতাব পড়ান। তা মুলত পড়ান যিনি হাদীসের কিতাবে অনেক পারদর্শী। বয়সের একটি পর্যায়ে তিনি শাইখুল হাদীস হোন। অথচ তিনি তার ছেলেকে একবেরেই অল্প বয়সে শাইখুল হাদীস ঘোষণা করেছেন তাও সকল নিয়ম উপেক্ষা করে।
    (৪)এক‌ই ব্যক্তি মাদরাসার মুহতামিম ও মসজিদের খতিব। নামাজ পড়ান অনিয়মিত। তিনি বিভিন্ন সভাসমিতিতে টাকার বিনিময়ে ওয়াজ করেন।যার ফলে মসজিদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। মসজিদের দায়িত্ব পালন না করেও মোটা অংকের বেতন উত্তোলন করেন। (৫)বড় মসজিদে বসে দাওয়াতুল হক নামক নিজের একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় বড় অনুদান কালেকশন করেন। বড় মসজিদের নাম ব্যবহার করে নিজের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের নামে টাকা কালেকশন করা কোন আইন বা ধর্মীয়ভাবেও তা অগ্রহণযোগ্য। (৬)নিজের কর্তৃত্ব ধরে রাখতে ফয়জুর রহমান রহঃ এর নাতিন জামাই মাওলানা ফেরদৌস সাহেবের মতো সহজ সরল একজন মানুষকে চট চুরির ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে বহিস্কার করেন। যা পরবর্তীতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।
    (৭) বড় মসজিদের (ইন্টারভিউ দিয়ে নিয়োগ প্রাপ্ত) ফয়জুর রহমান রহঃ এর নাতি মাওলানা সুহাইল সাহেবের সাথে অসদাচরণ ও তার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাকে মাদরাসায় নিয়োগ দেন না। যেখানে তার পরিবারের সদস্যদের অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে রেছেন।

    এতো সব অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও নিজে সংশোধন হ‌ওয়ার আশ্বাস দেওয়া তো দূরে থাক বরং ইতোপূর্বে
    উল্টো কমিটির ও বড় মসজিদের মুতাওয়াল্লি বর্তমান জেলা প্রশাসক,সৎ ও যোগ্য মফিদুল আলমের বিরুদ্ধে ছাত্রদের লেলিয়ে দিয়ে অস্থিরতা তৈরী করেছিলেন এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করিছিলেন। মাওলানা আব্দুল হক বড় মসজিদের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে শহরের অসংখ্য গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিজের স্বার্থে অপমানিত ও কমিটি থেকে বিতাড়িত করেছেন।যেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে তার বিষয়ে মসজিদের মিম্বারে বসে গীবতের আশ্রয় নেন,এমন অভিযোগও রয়েছে।

    মাওলানা আব্দুল হক এর স্বেচ্ছাচারীতা বিরোধিতা করায় মুফতি শহিদ নামে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেন তিনি। তাই সুযোগ বুঝে হঠাৎ ২৭শে অক্টোবর রাতে মুফতি শহীদের উপর ছাত্রদের ক্ষেপিয়ি তুলেন মাওলানা আব্দুল হক। তার ষড়যন্ত্রমোলক কর্মকান্ডের কারণে মাদ্রাসায় শুরু হয় অস্থিরতা।
    জামিয়া ফয়জুর রহমান (রহঃ) কে কেন্দ্র করে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে মুফতি শহীদ মারাত্মক আহত হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা। এই ঘটনায় ঐতিহ্যবাহী বড় মসজিদ এর মাদ্রাসা জেলা প্রশাসন থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন ঘটতে না পারে সে জন্য সেনাবাহিনী, RAB ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    এব্যাপারে জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম জানান-
    ২৭/১০/২০২৫ তারিখ বাদ মাগরিব জামিয়ার পরিচালনা কমিটির সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় মুফতি আব্দুল হক সহ সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মাদ্রাসার বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। আব্দুল হক সাহেব যেসব দাবী দাওয়া উপস্থাপন করেছিলেন তার চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়। সকল দাবী দাওয়া মেনে নেওয়া হয়।

    মিটিং শেষে জেলা প্রশাসক সকলকে আপ্যায়ন করিয়ে হাসি মুখে বিদায় দেন। আর কোন সমস্যা তৈরি হবেনা মর্মে মুফতি আব্দুল হক সাহেব ও শহিদ সাহেব উভয়ে অঙ্গীকার করেন। সকলে একে অপরের সাথে কোলাকুলি করেন। হক সাহেব ও শহিদ সাহেব দুজনকে এক সাথে মাদ্রাসায় গিয়ে সমঝোতা ও সম্মানের সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য নসিহত করা হয়।

    অতঃপর যে যার যার মত বাসায় চলে আসেন। কিছুক্ষণের মধ্যে জানা যায় যে, মুফতি শহিদ সাহেব মাদ্রাসায় গেলে তাকে প্রতিপক্ষের লোকজন মেরে রক্তাক্ত করে ফেলেন। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমরা এর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। এই পরিস্থিতিতে সকলকে ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

    অপরদিকে জামিয়া ফয়জুর রহমান (রহ.) মাদ্রাসার সমস্যা নিরসনে জেলা প্রশাসকের সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে দাবী করে মাদ্রাসাটিতে চলমান পরিবারতন্ত্র মুক্ত করা উচিত বলে মনে করছেন ময়মনসিংহবাসী।

  • অবশেষে সব জ-ল্পনা ক-ল্পনার  অবসান ঘটিয়ে  ডেমাজানীতেই  নির্মাণ হচ্ছে আমরুল ইউনিয়ন ভূমি অফিস

    অবশেষে সব জ-ল্পনা ক-ল্পনার অবসান ঘটিয়ে ডেমাজানীতেই নির্মাণ হচ্ছে আমরুল ইউনিয়ন ভূমি অফিস

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বগুড়ার শাজাহানপুরের ডেমাজানীস্থ বলিহার রাজার
    কাচারী বাড়িতেই নির্মাণ হচ্ছে আমরুল ইউনিয়ন ভূমি অফিস । সোমবার (২৭ অক্টোবর) বেজ ঢালাইয়ের মধ্য দিয়ে এই নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন সরকারি কমরউদ্দিন ইসলামিয়া কলেজের অধ্যক্ষ এ.এইচ.এম শফিকুত তারিক। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক অরুণ কুমার সরকার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু শাহীন সানি, আমরুল ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, কামরুজ্জামান রাজা, বিপুল রানা মোল্লা, আরিফ সরকার টিয়া,উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ চন্চল, আপেল মাহমুদ,জহুরুল ইসলাম বিএসসি সহ উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি উপস্হিত ছিলেন । উল্লেখ্য, আমরুল ইউনিয়ন ভূমি অফিস ভবন নির্মাণ নিয়ে কিছু কুচক্রী মহল সাধারণ মানুষের সুযোগ সুবিধার কথা চিন্তা না করে শুধু নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য নিজ এলাকায় নিয়ে যেতে চাচ্ছিলো। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন কর্মসূচিও পালিত হয় । অবশেষে জেলা প্রশাসনের গৃহীত সঠিক সিদ্ধান্তে দু’পক্ষের রশি টানাটানির অবসান হলো । জেলা প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে সাধারণ মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন ।

  • নাগেশ্বরীতে পশ্চিম সাপখাওয়া প্রাইমারি ভোট কেন্দ্র বিধি-বহির্ভূতভাবে স্থা-নান্তরের পা-য়তারা

    নাগেশ্বরীতে পশ্চিম সাপখাওয়া প্রাইমারি ভোট কেন্দ্র বিধি-বহির্ভূতভাবে স্থা-নান্তরের পা-য়তারা

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার নির্বাচনী বিধিমালা অমান্য করে অতি-গোপনে নাগেশ্বরী পৌরসভারর ৩নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র (২৫শতাধিক ভোটার) স্থানান্তর করার অভিযোগ করেছে স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসী।
    নির্বাচনী পরিপত্র-মতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ (পরবর্তী সময়ে সংশোধিত) আইনে উল্লেখ জনগণকে অবগত না করে ভোট কেন্দ্র স্থানান্তর করা নির্বাচনী আইনের একটি গুরুতর লঙ্ঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    সরেজমিনে ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভারর ৩নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে “পশ্চিম সাপখাওয়া, মন্দিসেরখামার, সাপখাওয়া, সরকারটারী ও মধুরহাল্লা” মহল্লার ২৫শতাধিক ভোটার দেশ স্বাধীনতার পর থেকে অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে তাদের ভোট প্রদান করে আসছিলো। নাগেশ্বরী উপজেলার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ অতি-কৌশলে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসারের সাথে যোগসাজস করে কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসারের সহায়তায় পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে না গিয়ে এবং জনগণকে অবগত না করে নির্বাচনী আইনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে ভোটকেন্দ্র স্থানান্তর করার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি, ভোটারদের বিশৃঙ্খলা তৈরি করাসহ আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পশ্চিম সাপখাওয়া ভোট কেন্দ্র পরিবর্তন করে প্রায় ৩কিলোমিটার দূরে প্রধান শিক্ষক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আজিজের নবাগত এমপিওভুক্ত মধুরহাল্লা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তর করার পায়তারা চলছে। এ নিয়ে চলছে পশ্চিম সাপখাওয়াসহ ৫ মহল্লার নারী ও পুরুষ ভোটারদের মাঝে চরম উত্তেজনা। এলাকার ভোটারের দাবি পূর্বের ন্যায় পশ্চিম সাপখাওয়া ভোট কেন্দ্র বহাল রাখার।

    স্থানীয় ভোটার ও অভিযোগকারী প্রভাষক এস এম হাবিবুর রহমান, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, আঃ কাদের, রফিকুল ইসলাম, ইউনুছ আলী, হাবিবুর রহমান সরকার, খায়রুল ইসলাম সরকার বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে আমরা এই ৫ গ্রামের বাসিন্দারা পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়ে আসছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আজিজের মাস্টার প্লানে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার পশ্চিম সাপখাওয়া ভোটকেন্দ্রে না আসে এবং জনগণকে অবগত না করে নির্বাচনী বিধিবালা লঙ্ঘন করে ভোটকেন্দ্র স্থানান্তরের পায়তারা করছে। প্রায় ৩কিলোমিটার দূরে ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ঘাটি” মধুরহাল্লা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের ষড়যন্ত্র চলছে এবং ৩কিলোমিটার দূরত্বর কারণে বৃদ্ধ ও মহিলাদের ঐ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয়া একেবারে অসম্ভব। এছাড়াও এই এলাকা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সুপরিচিত। নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার নির্বাচনী বিধিবালা অমান্য করে নিজ স্বার্থ হাসিলে ভোট কেন্দ্রটি স্থানান্তরের পায়তারা করছেন। আমাদের দাবি ভোট কেন্দ্রটি পূর্ণবহাল রাখতে হবে। অন্যথায় আমরা ৫গ্রামের মানুষ বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবো এবং উপজেলা ও জেলা নির্বাচন অফিস ঘেরাও কর্মসূচি গ্রহণ করবো। তারা আরো বলেন, গত-২২অক্টোবর ২০২৫ তারিখে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার, নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক লিখিতভাবে কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বললেও এখনো পর্যন্ত সুস্থ সমাধান হয়নি।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পশ্চিম সাপখাওয়া ভোটকেন্দ্র স্থানান্তর প্রক্রিয়াধীন। ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি ও জনগণকে অবগত করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন ভোটকেন্দ্র পরিবর্তন করতে জনগণের মতামতের প্রয়োজন নেই।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিব্বির আহমেদ বলেন, ৬/৭জন রাজনৈতিক নেতাদের সাথে এ বিষয়ে বৈঠক হয়েছে। নির্বাচন অফিসার ভোটকেন্দ্রে না গিয়ে এবং ভোটারদের কোন অবগত না করে ভোট কেন্দ্র স্থানান্তরের অভিযোগ পেয়েছি। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

    নাগেশ্বরী পৌর বিএনপির সদস্য আজিজুল হক বলেন, ইউএনও অফিসে ভোট কেন্দ্র বিষয়ে কোন আলোচনার বিষয়ে আমি জানিনা। বাংলাদেশ জামাত ইসলামী নাগেশ্বরী উপজেলা আমির আব্দুল মান্নান বলেন, ভোটকেন্দ্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিন্তু স্থানান্তরের বিষয়ে কোন আলোচনা হয়নি। ইসলামী আন্দোলনের কুড়িগ্রাম ১ আসনের প্রার্থী আলহাজ্ব আরিছুল বারী রনি বলেন, ভোট কেন্দ্র বিষয়ে আমার সঙ্গে কোন আলোচনা হয়নি।

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ বলেন, অভিযোগ হওয়ার পরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে লিখিতভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জনগণকে অবগত না করে ভোট সেন্টার স্থানান্তরের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ শুনলাম। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান ২৪-এর শ-হীদদের কবর জিয়ারত করলেন

    সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান ২৪-এর শ-হীদদের কবর জিয়ারত করলেন

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারের নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবুর রহমান ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের কবর জিয়ারত করেছেন।

    সোমবার (২৭শে অক্টোবর ২০২৫ইং) দুপুরে তিনি তালবাগ কবরস্থানে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ তানজীর খান মুন্না ও শহীদ শফিকুল ইসলামের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাভার থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম হোসাইন ডালিম, সাভার পৌর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্বাস উদ্দিন পাপ্পু,সাভার উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রধান সমন্বয়কারী জুলকারনাইন আন্নু।

    দিনের শুরুতেই নবনিযুক্ত সাভার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহাবুবুর রহমানের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, এসময় ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তমিজ উদ্দীন,আমিন বাজার ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মোঃ রিয়াজ উদ্দিন ফালান, সাভার সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সাভার থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফ হোসেন,পাথালিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম,বনগাঁ ইউনিয়নের প্রশাসক মোঃ সেলিম রেজা, বিরুলিয়া ইউনিয়নের প্রশাসক মনোয়ারা আক্তার এবং ভাকুত্তা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেন ও আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের প্রশাসক মোঃ আল মামুন, সাভার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ রাকিব, সাভার থানা ছাত্রদল নেতা রাসেল শাহ, এ ছাড়াও প্রিন্ট মিডিয়া, সেটেলাইট, অনলাইন নিউজের গণমাধ্যম কর্মীসহ অনেকেই এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • উল্লাপাড়ায় চাকুরির আ-শ্বাসে ৫ লাখ টাকা ও স্বাক্ষরিত ব্লাঙ্ক চেক নেয়ার অভিযোগ

    উল্লাপাড়ায় চাকুরির আ-শ্বাসে ৫ লাখ টাকা ও স্বাক্ষরিত ব্লাঙ্ক চেক নেয়ার অভিযোগ

    এম এ সালাম,
    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে নগদ ৫ লাখ টাকা ও বাদীর স্বাক্ষরিত ব্লাঙ্ক চেক নেয়ার অভিযোগে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া আমলি আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। ভুক্তভোগী উল্লাপাড়া উপজেলার চয়ড়া খোর্দ্দ গজাইল গ্রামের জাহিদ হাসান বাদী হয়ে অভিযুক্ত আসামী পাবনার সাথিয়া উপজেলার মহিষাখোলা  গ্রামের লুৎফর আলী খাঁর ছেলে হাসমত আলী ও উল্লাপাড়া উপজেলার ফাজিলনগর গ্রামের মৃত রোকনুজ্জামানের ছেলে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে গত ২৪ অক্টোবর আদালতে প্রতারণামুলক দু’টি মামলা দায়ের করেন। সিরাজগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কে এ মামলা তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন আদালত। 

    আজ সোমবার অভিযুক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে বাদী অভিযোগ করে গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, আসামীদ্বয় যোগ সাজশে সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে চাকুরির নাম করে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে  আমার সর্বস্ব কেড়ে নিয়েছে। আমি আইন, আদালত ও সরকারের কাছে এর ন্যায়সঙ্গত সুষ্ঠু বিচার চাই। 
    অভিযুক্ত হাসমত আলী ও মিজানুর রহমানের মন্তব্য জানতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাদের উভয়ের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

  • রাজশাহী-১ আসনে সৌভাগ্য দূত শরিফ উদ্দিন

    রাজশাহী-১ আসনে সৌভাগ্য দূত শরিফ উদ্দিন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে সৌভাগ্য দূত হয়ে এসেছেন মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন।এই জনপদের মানুষের ভাগ্যে উন্নয়নে তার কোনো বিকল্প নাই। অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁছাতে চাই,সেখান থেকে শরিফ উদ্দিনের রাজনীতি শুরু। নির্বাচনী এই এলাকা ভৌগোলিক বৈচিত্র্যেঘেরা। গোদাগাড়ীতে পদ্মার ধু-ধু বালুচর, তানোরে ঠা-ঠা বরেন্দ্রভূমি। এই আসনের মানুষের প্রত্যাশাও একটু ভিন্নমাত্রার। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব যার কাঁধে পড়ে, ভোটের আগে তাকে ঘিরেই হিসাব-নিকাশের পালা চলে। গেল তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে সে হিসাব মেলেনি। এবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার (সাবেক) সামরিক সচিব ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনকে নিয়ে সেই প্রত্যাশা পুরুণের স্বপ্ন দেখছেন এই জনপদের মানুষ। ইতমধ্যে আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেতে এরই মধ্যে অনেকে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। তবে প্রায় ৬ আগে থেকেই শরিফ উদ্দিনকে মাঠ গোছানোর পরামর্শ দিয়ে তাকে সহযোগিতা করার জন্য বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহল থেকে তৃণমুল নেতাকর্মীদের বার্তা দেয়া হয়েছে বলে মাঠ পর্যায়ে প্রায় প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে এমন আলোচনা হচ্ছে।
    খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, দলের ভিতর এবং বাইরের নানা ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, প্রতিহিংসা ও গুজবের বহু অন্ধকার গলিতেও তিনি পথ হারাননি এবং গতানুগতিক রাজনীতির স্রোতে গা ভাসিয়ে দেননি।নিজস্ব, স্বকীয়তা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন অমায়িক ব্যবহার ও প্রচণ্ড সাহসী নেতৃত্বের লৌহমানব তিনি রাজনীতির সীমানা অতিক্রম করে ধীরে ধীরে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার পুরুষে হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার প্রতি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ তাতে তিনি না চাইলেও তানোর-গোদাগাড়ীর মানুষ তাকেই তাদের নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে, এখানে তার কোনো বিকল্প নাই। কারণ সাধারণ মানুষের নিখাদ ভালবাসার চেয়ে বড় কোন শক্তি নাই। অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁছাতে চাই,সেখান থেকেই শরিফ উদ্দিনের রাজনীতি শুরু। তার যে পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক মর্যাদা,ব্যক্তি অর্জন তাতে রাজনীতি থেকে তার নেয়ার কিছু নেই, তবে দেবার অনেক কিছুই রয়েছে। তিনি যদি এমপি-মন্ত্রী হতে পারেন তাহলে তানোর-গোদাগাড়ীর উন্নয়নে বিপ্লব ঘটবে।কারণ বিএনপি সরকার গঠন করলে তার যোগাযোগ হবে সরাসরি (শেঁকড়) দল ও সরকার প্রধানের সঙ্গে।আওয়ামী লীগের ১৫ বছর অন্যরা যখন আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপণ আঁতাত করে নিজেদের ভাগ্যবদল করেছেন,তখন বিএনপি করার অপরাধে শরিফ উদ্দিনকে সময়ের আগেই চাকরি থেকে অবসরে পাঠানো হয়েছে। এই একটি ঘটনায় প্রমাণ করে আদর্শিক বিএনপি কে বা কারা ?
    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তরাজশাহী-১ আসনে বিএনপির অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব প্রয়াত প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের পরবর্তী নেতৃত্ব হিসেবে তৃণমূলে শরিফ উদ্দিন আলোচনা ও পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন। প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুলের অবর্তমানে যদি কেউ নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করে এগিয়ে নিতে ও ব্যারিষ্টারের অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে পারেন সেটা শরিফ উদ্দিন ব্যতিত আর কারো পক্ষে সম্ভব নয়। প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুলের রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজগুলো তার পক্ষেই সমাপ্ত করা সম্ভব বলে মনে করেন ভোটারগণ।
    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি প্রথম ব্যক্তি যিনি দলের ও দুজন সরকার প্রধানের সামরিক সচিব এবং সাবেক মেজর জেনারেল পদমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে সরাসরি নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। এটা নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য পরম সৌভাগ্যর যে এতো বড় মর্যাদা সম্পন্ন নেতৃত্ব তাদের মাঝে এসেছেন। এটা তাদের গৌরবও বটে।তিনি এই জনপদের মানুষের
    সৌভাগ্য দূত হয়ে এসেছেন।এই জনপদের মানুষের উচিৎ দলমত নির্বিশেষে সকলের উর্ধ্বে উঠে সকল মতপার্থক্যে বা ভেদাভেদ ভুলে
    সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাকে বিজয়ী করা। কারণ তার মতো এত বড় মাপের পদমর্যাদা সম্পন্ন নেতৃত্ব এই জনপদের মানুষ আগামি একশ’ বছরেও পাবেন কি না তা ভাগ্যের বিষয়। এদিকে বিএনপির তৃণমূলের দাবি এই জনপদের মানুষ প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক পরিবারের বিকল্প কোনো নেতৃত্ব কখানো কোনো অবস্থাতেই কল্পনাও করে না।
    জানা গেছে, রাজশাহী-১ আসনে ২টি উপজেলা, ৪টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬২ হাজার ২৪২। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩০ হাজার ৫১০ ও নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ৭২৯। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে তিনজন। এই আসনের নতুন ভোটারের সংখ্যা ৭ হাজার ৫৪২। এছাড়াও এই দুই উপজেলার বিএনপির দায়িত্বশীল
    সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দগণ সরাসরি ও প্রকশ্যে শরিফ উদ্দিনের পক্ষে মাঠে রয়েছেন। এ আসনে সবচেয়ে বেশি ভোটার চরের বাসিন্দা,সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর। মূলত তাদের ভোটেই জয়-পরাজয় নিশ্চিত হয় বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। এবিষয়ে মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন জানান, দলের কিছু নেতা তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। কেন্দ্র বিষয়টি জানে। তিনি বলেন, দলের আদর্শিক ও মুলধারার নেতা এবং কর্মী-সমর্থকগণ তাকেই প্রার্থী হিসেবে চায়।#

  • বানারীপাড়ায় ৩১ দফা বাস্ত-বায়নে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা টিপু

    বানারীপাড়ায় ৩১ দফা বাস্ত-বায়নে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা টিপু

    বানারীপাড়া প্রতিনিধি//
    বরিশালের বানারীপাড়ায় বিএনপির তারেক রহমান প্রদত্ত ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ- বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম। রবিবার ২৬ অক্টোবর বানারীপাড়া উপজেলার বন্দর বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় লিফলেট বিতরণ শেষে নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাজেদ তালুকদার মান্নান মাস্টার, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজীব মৃধা, বরিশাল জেলা যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মিলন,সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল শিকদারসহ বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপিসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এসময়ে বিএনপি নেতা কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু বলেন,আমরা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিএনপির প্রদত্ত ৩১ দফা বাস্তবায়ন কর্মসূচি সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে অবহিত করছি। বাংলাদেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে ৩১ দফা কর্মসূচি অতুলনীয় ভূমিকা রাখবে। আগামীর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, বিএনপির কেন্দ্র ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দলের স্বার্থে যাকে মনোনয়ন দিবে আমি তার সাথে দলের পক্ষে কাজ করবো।তবে আমাকে যদি বরিশাল-২ আসন থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় তবে জনগণের আশা আকাঙ্খা পূরণ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

    মোঃ সাব্বির হোসেন।।

  • নলডাঙ্গায় বিএনপির মত বিনিময় সভা অ-নুষ্ঠিত

    নলডাঙ্গায় বিএনপির মত বিনিময় সভা অ-নুষ্ঠিত

    এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধিঃ

    নাটোরের নলডাঙ্গা পৌর বিএনপি আয়োজনে মত বিনিময় শোভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    আজ নলডাঙ্গা পৌরসভার ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে বুড়ির ভাগ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিকেল ৫টায় এই মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত মতবিনিময় সভায় আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফজলার রহমান সাবেক সভাপতি ৭ নং ওয়ার্ড এর সভাপতিত্বে উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুন্জুরুল হক সবুজের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর সদর ও নলডাঙ্গা আসনের সাবেক এমপি ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এমপির সহধর্মিনী সাবিনা ইয়াসমিন ছবি প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জনাব রহিম নেওয়াজ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম আফতাব নলডাঙ্গা উপজেলার বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বুলবুল সাবেক পৌর প্রশাসক এমএ হাফিজ সাবেক মেয়র মোহাম্মদ আব্বাস আলী নান্নু পৌরসভার সাবেক সহ-সভাপতি জাফর মাস্টার সাবেক পৌর সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন পাঠান উপজেলা বিএনপির যুবদলের সভাপতি মামুনুর রশিদ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফরহাদ হোসেন উজ্জল পৌর যুবদলের সভাপতি রূপচাঁদ নলডাঙ্গা শহীদ নজমুল হক সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ সহ আরো অনেকেই।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণমানুষের নেতা এমপি সাবেক মন্ত্রী এম কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন আগামীতে ধানের শীষে প্রতীকে বিজয় অর্জন করে নলডাঙ্গা প্রাণ কোম্পানির চেয়ে বড় একটি শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে যেখানে এই এলাকার লোকজন চাকরি করবে কাউকে আর চাকরির জন্য ঘুরতে হবে না,এছাড়া নাটোর থেকে গ্যাস লাইন নলডাঙ্গা নিয়ে আসা হবে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করা হবে সবাইকে ধানের শীর্ষে প্রতীকে ভোট দেওয়া আহ্বান জানান।

  • সুন্দরবনের উপকূলে মোরেলগঞ্জে সাড়ে ৩ কোটি টাকায় নির্মিত অত্যাধুনিক সাইক্লোন শে-ল্টারের উদ্বোধন

    সুন্দরবনের উপকূলে মোরেলগঞ্জে সাড়ে ৩ কোটি টাকায় নির্মিত অত্যাধুনিক সাইক্লোন শে-ল্টারের উদ্বোধন

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি :দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল মৎস্যভান্ডার নামে খ্যাতবিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের উপকূলে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে দুর্যোগকে করব জয়, এ দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় গ্রামীণ জনপদের মানুষের আশ্রয়ের জন্য সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত অত্যাধুনিক সাইক্লোন শেল্টারের উদ্ধোধন করা হয়েছে।

    সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা খাউলিয়া ইউনিয়নের ফাঁসিয়াতলা এলাকায় এ সাইক্লোনটি প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান। আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন সিসিডিবির নির্বাহী পরিচালক জুলিয়েট কেয়া মালাকার।

    অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল্লাহ, খাউলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও জমিদাতা মো. সেলিম মিয়া, থমার্স মনিটর মনিটরিং অফিসার (ডাইকোনিয়া), প্রকৌশলী রাহাতুল আরেফিন, কনস্যালটেন্ট রেবেকা ট্রেগারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে এ সময় প্রধান অতিথিসহ অতিথিবৃন্দকে ফুলের শুভেচ্ছা ও ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

    জানাগেছে, জার্মান সরকারের অর্থায়নে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি’র উদ্যোগে জলবায়ু পরিবর্তনতার প্রকল্পের মাধ্যমে খাউলিয়া ইউনিয়নের বলেশ^র ও পানগুছি নদীর মোহনায় ফাসিয়াতলা গ্রামে ২৩ শতক জমির ওপরে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে অত্যাধুনিক এ সাইক্লোন শেল্টারটি নির্মাণ করা হয়েছে। দুর্যোগকালিন এ গ্রামীণ জনপদের ৪ শতাধিক মানুষ এ সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিতে পারবেন। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের জন্য আশ্রয়নে ব্যবস্থা রয়েছে। গবাদি পশুর জন্য রয়েছে আলাদা ব্যবস্থা, আপতকালিন সময়ে আশ্রয়ণ শেল্টারের অবস্থান নেওয়া মানুষের জন্য রয়েছে সুপেয় পানির ব্যবস্থা, বীজ সংরক্ষণ, দুর্যোগকালিন স্বাস্থ্য সেবা, অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা, বায়োগ্যাস পদ্ধতি, সৌর চালিত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।

    প্রধান অতিথি বাগেরহাট জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান বলেন, উপকূলীয় মোরেলগঞ্জ উপজেলায় অত্যাধুনিক এ সাইক্লোন শেল্টারটি নির্মিত হওয়ার ফলে বিশেষ করে নদী তীরবর্তী মানুষের আশ্রয়ে একটি বড় মাধ্যম হয়ে দাড়িয়েছে। সাধারণ জনগনের কথা চিন্তা করে জমিটি যিনি দান করেছেন তিনি নিশ্চিত একজন বড় মনের মানুষ। আমাদের কাজ হবে প্রতিটি মানুষের নিজের মনে করে সংরক্ষনে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা রাখা।