Category: দেশজুড়ে

  • চার শতাধিক লোক পেলো বিনামূল্যে চিকিৎসা সু-বিধা

    চার শতাধিক লোক পেলো বিনামূল্যে চিকিৎসা সু-বিধা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঝালকাঠির নলছিটিতে উপজেলা যুবদল ও পৌর যুবদলের আয়োজনে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নলছিটি পাবলিক লাইব্রেরি সম্মুখে দিনব্যাপী এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়।

    এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা জেলা যুবদলের আহবায়ক রবিউল ইসলাম তুহিন, বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা যুবদলের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আনিচুর রহমান খান, যুবদলের আহবায়ক সালাউদ্দিন শাহীন এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম লাভলু,যুগ আহ্বায়ক জিয়াউল কবির মিঠু, যুগ্ম আহবায়ক রেজোয়ান উল হক,নলছিটি পৌর যুবদলের আহবায়ক রুস্তুম শরিফ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বশির তালুকদার,যুগ্ন আহবায়ক সাইফুল ইসলাম রাজীব, সোহাগ মুন্সি, সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রাজন প্রমুখ।

    এসময় তারা বলেন, জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে আজকে এ আয়োজন করা হয়েছে। বিএনপি জনগণের দল তারা জনগণের সেবায় নিয়োজিত ছিল এখনো আছে ভবিষ্যতেও থাকবে। শুধু মেডিকেল ক্যাম্পেইন নয় যে কোন মানবিক কাজে যুবদলের অংশগ্রহণ থাকবে।

    চিকিৎসা সেবা পাওয়া ব্যক্তিরা তাদের এই আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন রাজনীতি মানুষের কল্যানের জন্য। তাদের এই ধরনের মহতি কাজ চলমান থাকুক সেই দোয়া রইলো।

    এসময় দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ শতাধিক ব্যক্তিকে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন ডা: সুব্রত দাস সাথে ছিলেন উপসহকারী কমিউনিটি ক্লিনিক অফিসার ডা: আশিষ মন্ডল।

  • সিরাজগঞ্জ কারাগারে আ.লীগ নেতার মৃ-ত্যু

    সিরাজগঞ্জ কারাগারে আ.লীগ নেতার মৃ-ত্যু

    অভিজিৎ কুমার দাস সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আহমদ মোস্তফা খান বাচ্চু (৮০) মৃত্যুবরণ করেছেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার এ.এস.এম. কামরুল হুদা

    জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    তিনি এনায়েতপুর দরবার শরীফ এলাকার বাসিন্দা এবং একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের (নিষিদ্ধ দল) বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন।

    সিরাজগঞ্জ কারাগারের জেল সুপার এস. এম. কামরুজ্জামান বলেন, তিনি গত ২৪ এপ্রিল থেকে কারাগারে ছিলেন। এনায়েতপুর থানায় হামলা ও ১৫ পুলিশ সদস্য হত্যা মামলাসহ চারটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসকের বিরু-দ্ধে পরিকল্পিত অ-পপ্রচার

    ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসকের বিরু-দ্ধে পরিকল্পিত অ-পপ্রচার

    স্টাফ রিপোর্টার ময়মনসিংহ।
    ময়মনসিংহে মসজিদ-মাদ্রাসার ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে বড় মসজিদ জামিয়া ফয়জুর রহমান (রহঃ) মাদরাসায় পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ক্ষমতার অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চরম আকার ধারণ করছে। দুপক্ষের প্রথম পক্ষের একাংশ ময়মনসিংহ বড় মসজিদের ঈমাম মাওলানা আব্দুল হক তার একনায়কতন্ত্র কায়েম করতে মসজিদ মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে তারা মেয়ের জামাতাদের শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দিয়েছেন অপর পক্ষ মুফতি শহীদ তার অবস্থান শক্ত করতে তার নিজস্ব আত্মীয় স্বজনদের নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এনিয়ে গত প্রায় ১বছর যাবৎ নিয়ে দুপক্ষের মাঝে তুমুল আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ায় ময়মনসিংহে অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ময়মনসিংহের মানবিক ও দক্ষ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম তাদের আন্দোলনকে থামিয়ে দেওয়ার আপ্রাণ চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে মাওলানা আব্দুল হক এর মেয়ের জামাতা
    মুফতি মোফাজ্জল হককে শিক্ষক পদ থেকে বহিষ্কার করেন এবং মুফতি সারোয়ার হোসেনকে মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ পদ থেকে অপসারণ ও পরিচালনা কমিটি থেকে সর্বসম্মতিক্রমে সরিয়ে দেয়া হয় একই সাথে
    অনৈতিক ভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মাদ্রাসা শিক্ষক আজিজুল হককে সর্ব সম্মতিতে আবারও পুনর্বহাল করেন। এনিয়েই জেলা প্রশাসকের সাথে শত্রুতা শুরু হয় মাওলানা আব্দুল হক গ্রুপের।

    এনিয়ে গত জুলাই মাসে বড় মসজিদের ঈমাম মাওলানা আব্দুল হক এর ইন্ধনে ২৬ জুলাই শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা নগরীর জামিয়া ফয়জুর রহমার রহ: বড় মসজিদ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা শহরের পাটগুদাম থেকে কাচারি সড়কে অবস্থান নিয়ে এই বিক্ষোভ করেন। পরিস্থিতি নাজুক আকার ধারণ করলে আইনশৃঙ্খলা বাহীনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ঘটনার জেড় ধরে কয়েকমাস ফের ২৭ অক্টোবর রাতে বড় মসজিদ-মাদ্রাসা পরিস্থিতি আবারও অস্থির হয়ে উঠে।যার নেপথ্যে রয়েছে মাওলানা আব্দুল হক। এবার ছাত্ররা তার ইন্ধনে জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলমের অপসারণসহ ৫ দফা দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে।তবে বিষয়টি ময়মনসিংহের অনেকে ভালোভাবে নিচ্ছেনা। আলোচনা-সমালোচনা চলছে বড় মসজিদের ঈমাম সাহেবের একনায়ক তন্ত্র রাজত্বের বলি হিসাবে ভালো একজন জেলা প্রশাসককের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহে অস্থিরতা সৃষ্টিতে কোন আওয়ামী ফ্যাসিবাদী চক্র জড়িত থাকতে পারে এমনটাই মনে করছেন ময়মনসিংহের সচেতন মহল।

    অন্যদিকে ঘটনাবলিকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসনকে বিতর্কিত করার লক্ষ্যে একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে—এমন অভিযোগও উঠেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নগরীর জামিয়া ফয়জুর রহমান (রহঃ) মাদরাসায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী দ্বন্দ্ব নিরসনে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম নিজ উদ্যোগে শান্তিপূর্ণ সমঝোতা সভা আয়োজন করেন। সভায় উভয় পক্ষের প্রতিনিধি, ইসলামি আলেম ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা গঠিত হলে সবাই সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং হাসিমুখে সভা শেষ হয়।

    তবে সভা শেষে একপক্ষের হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহল ও তাদের সহযোগী চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করতে শুরু করে। অভিযোগ উঠেছে—গোষ্ঠীগত স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে তারা বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণার মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।

    প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। অথচ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মহল এসব নিরপেক্ষ অবস্থানকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

    স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক কর্মকাণ্ড শুধু প্রশাসনকেই বিব্রত করছে না, বরং শান্তি ও শৃঙ্খলার পরিবেশ নষ্ট করে সমাজে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। তারা মন্তব্য করেন, “নিরপেক্ষ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার মানে রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল করার প্রচেষ্টা।”

    এদিকে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় জানিয়েছে, অপপ্রচারের বিষয়টি নজরে এসেছে এবং এ নিয়ে আইনগত পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে— বিভ্রান্ত না হয়ে যাচাইকৃত ও প্রামাণ্য তথ্যের ওপর আস্থা রাখার জন্য।

  • মোরেলগঞ্জে জামায়াতের  বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে শহী-দদের প্রতি শ্রদ্ধা ও র-ক্তপাতের প্রতি-বাদ

    মোরেলগঞ্জে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে শহী-দদের প্রতি শ্রদ্ধা ও র-ক্তপাতের প্রতি-বাদ

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি:
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি, মোড়েলগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে ভয়াল ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠার তাণ্ডবে শহীদদের স্মরণে ও রক্তপাতের প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে মোড়েলগঞ্জ পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কাপুডিয়াপট্রি চত্বরে সমাবেশে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন বাগেরহাট -৩ আসনের গণমানুষের নেতা অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, উপজেলা আমির মাওলানা শাহাদাত হোসেন নায়েবে আমির মাস্টার মনিরুজ্জামান, পৌর সভাপতি মাস্টার রফিকুল ইসলাম পৌর সাধারণ সম্পাদক মাস্টার আলামিন হাওলাদার সহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, “২৮ অক্টোবরের ঘটনায় যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”

    বিক্ষোভ মিছিলে উপজেলা ও পৌর জামায়াতে ইসলামির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।

  • চারঘাট উপজেলা জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল ও স-মাবেশ

    চারঘাট উপজেলা জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল ও স-মাবেশ

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরে সংঘটিত পল্টন হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ ও খুনি সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর ২৫) বিকেল সাড়ে ৪ টায় চারঘাট মডেল মসজিদ থেকে চারঘাট বাজার হয়ে চারঘাট উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার জনতার স্বতঃফুর্ত অংশগ্রহণে এই ঐতিহাসিক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল সফল ভাবে শেষ হয়।

    চারঘাট উপজেলা জামায়াতের আমীর মাস্টার আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আইয়ুব আলীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মোঃ নাজমুল হক।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রাজশাহী জেলা শাখার সেক্রেটারি ও জামায়াত মনোনীত চারঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওঃ মোঃ শফিকুল, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ শোয়েব আলী, রাজশাহী জেলা পূর শিবিরের সভাপতি মোঃ রুবেল আলী, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও জামায়াত মনোনীত চারঘাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ তরিকুল ইসলাম, চারঘাট উপজেলা শিবিরের সভাপতি নাহিদ হাসান শুভ।

    আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জামায়াতের মজলিসে শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ আব্দুল্লাহ, মোঃ শেরে আলম সহ উপজেলা মজলিসে শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ এবং পৌরসভা ও ইউনিয়ন সমূহের আমীর, সভাপতি ও সেক্রেটারি গণ সহ উপজেলা জামায়াত ও শিবিরের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনতা।

    উক্ত বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি সহ সম্মানিত অতিথিবৃন্দ বলেন। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের লগি-বৈঠার তান্ডবে প্রিয় মাতৃভূমি রক্তাক্ত জনপদে পরিণত হয়েছিল। ইতিহাসের সেই বর্বরতম অধ্যায়কে বর্তমান প্রজন্ম মনে রেখেছে। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই অবিলম্বে পল্টন হত্যাকান্ডে জড়িত সকল খুনি ও সন্ত্রাসীদের বিচার করুন। তিনি বলেন, ইসলামের দুশমনরা মাসুম, শিপন, মুজাহিদদের হত্যা করে ইসলামী আন্দোলনের কাজকে বন্ধ করে রাখতে পারেনি। ওরা নেই, আরো মুজাহিদ এগিয়ে আসছে ওদের শূন্যস্থান দখল করার জন্য। আল্লাহর পথে বাধা দিতে গিয়ে তারাই ধ্বংসের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাবে ফেরাউন ও নমরুদের মতো। এর বাস্তব প্রমাণ হলো ৩৬ শে জুলাই বিপ্লব।

    যা ছাত্ররা প্রতিবাদ করে এবং তা গণবিপ্লবে রূপ নেই। আগামীতে আর যেনো কোন ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরচার না আসতে পারে এজন্য আগামীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, জুলাই সনদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃত, চৌদ্দ দল নিষিদ্ধ, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী, বিগত ফ্যাসিষ্টদের বিচার নিশ্চিত করা সহ ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।

    সম্মানিত প্রধান অতিথি ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের সকল শহীদ, পঙ্গুত্ব বরণকারীর জন্যে দোয়া করার পাশাপাশি জুলাই-আগষ্টের শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারীদের চেতনা বুকে লালন করে দেশের স্বাধীনতা ও সারভৌমত্ব রক্ষায় আগামী দিনে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে সকলের জন্য মহান রবের নিকট কল্যান কামনা করেন।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী ।

  • পুঠিয়ায় জামায়াতের বিক্ষো-ভ  মিছিল বিচার দাবি ও স্মরণ স-ভা অনুষ্ঠিত

    পুঠিয়ায় জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল বিচার দাবি ও স্মরণ স-ভা অনুষ্ঠিত

    পুঠিয়া,( রাজশাহী)  প্রতিনিধিঃ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল, বিচার দাবি, ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকাল ৪:৩০ মিনিটে পুঠিয়া পিএন স্কুল মাঠে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার পল্টনে জামায়াত নেতা-কর্মীদের নিহত হওয়ার ঘটনার বিচার দাবি এবং শহীদদের স্মরণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

    পুঠিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা মন্জুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী জেলার সহকারী সেক্রেটারি ও পুঠিয়া-দূর্গাপুর-৫ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী নুরুজ্জামান লিটন। বিশেষ অতিথি জেলা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আহমদূল্লাহ রাজশাহী জেলা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য হাফেজ হাফিজুর রহমান উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা শহীদুল ইসলাম এবং সেক্রেটারী জেনারেল মুনসুর রহমান মুন্টু এবং ইউনিয়ন আমীরগণসহ দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    সমাবেশে প্রধান রাজশাহী জেলার সহকারী সেক্রেটারি ও পুঠিয়া-দূর্গাপুর-৫ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মুহাম্মদ নুরুজ্জামান লিটন বলেন, “২০০৬ সালের এই দিনে পল্টনে যে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল, তার বিচার আজও হয়নি। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি এবং সেই শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।”

    পিএন স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পুঠিয়া বাসস্ট্যান্ড প্রদক্ষিণ করে ত্রিমোহনী মসজিদের সামনে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। বক্তারা শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।#

     
    মাজেদুর রহমান( মাজদার) 
    পুঠিয়া, রাজশাহী।

  • নাগেশ্বরীতে পশ্চিম সাপখাওয়া প্রাইমারি ভোট কেন্দ্র বিধি-বহির্ভূতভাবে স্থানান্তরের পা-য়তারা

    নাগেশ্বরীতে পশ্চিম সাপখাওয়া প্রাইমারি ভোট কেন্দ্র বিধি-বহির্ভূতভাবে স্থানান্তরের পা-য়তারা

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার নির্বাচনী বিধিমালা অমান্য করে অতি-গোপনে নাগেশ্বরী পৌরসভারর ৩নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র (২৫শতাধিক ভোটার) স্থানান্তর করার অভিযোগ করেছে স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসী।
    নির্বাচনী পরিপত্র-মতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ (পরবর্তী সময়ে সংশোধিত) আইনে উল্লেখ জনগণকে অবগত না করে ভোট কেন্দ্র স্থানান্তর করা নির্বাচনী আইনের একটি গুরুতর লঙ্ঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    সরেজমিনে ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভারর ৩নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে “পশ্চিম সাপখাওয়া, মন্দিসেরখামার, সাপখাওয়া, সরকারটারী ও মধুরহাল্লা” মহল্লার ২৫শতাধিক ভোটার দেশ স্বাধীনতার পর থেকে অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে তাদের ভোট প্রদান করে আসছিলো। নাগেশ্বরী উপজেলার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ অতি-কৌশলে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসারের সাথে যোগসাজস করে কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসারের সহায়তায় পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে না গিয়ে এবং জনগণকে অবগত না করে নির্বাচনী আইনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে ভোটকেন্দ্র স্থানান্তর করার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি, ভোটারদের বিশৃঙ্খলা তৈরি করাসহ আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পশ্চিম সাপখাওয়া ভোট কেন্দ্র পরিবর্তন করে প্রায় ৩কিলোমিটার দূরে প্রধান শিক্ষক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আজিজের নবাগত এমপিওভুক্ত মধুরহাল্লা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তর করার পায়তারা চলছে। এ নিয়ে চলছে পশ্চিম সাপখাওয়াসহ ৫ মহল্লার নারী ও পুরুষ ভোটারদের মাঝে চরম উত্তেজনা। এলাকার ভোটারের দাবি পূর্বের ন্যায় পশ্চিম সাপখাওয়া ভোট কেন্দ্র বহাল রাখার।

    স্থানীয় ভোটার ও অভিযোগকারী প্রভাষক এস এম হাবিবুর রহমান, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, আঃ কাদের, রফিকুল ইসলাম, ইউনুছ আলী, হাবিবুর রহমান সরকার, খায়রুল ইসলাম সরকার বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে আমরা এই ৫ গ্রামের বাসিন্দারা পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়ে আসছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আজিজের মাস্টার প্লানে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার পশ্চিম সাপখাওয়া ভোটকেন্দ্রে না আসে এবং জনগণকে অবগত না করে নির্বাচনী বিধিবালা লঙ্ঘন করে ভোটকেন্দ্র স্থানান্তরের পায়তারা করছে। প্রায় ৩কিলোমিটার দূরে ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ঘাটি” মধুরহাল্লা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের ষড়যন্ত্র চলছে এবং ৩কিলোমিটার দূরত্বর কারণে বৃদ্ধ ও মহিলাদের ঐ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয়া একেবারে অসম্ভব। এছাড়াও এই এলাকা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সুপরিচিত। নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার নির্বাচনী বিধিবালা অমান্য করে নিজ স্বার্থ হাসিলে ভোট কেন্দ্রটি স্থানান্তরের পায়তারা করছেন। আমাদের দাবি ভোট কেন্দ্রটি পূর্ণবহাল রাখতে হবে। অন্যথায় আমরা ৫গ্রামের মানুষ বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবো এবং উপজেলা ও জেলা নির্বাচন অফিস ঘেরাও কর্মসূচি গ্রহণ করবো। তারা আরো বলেন, গত-২২অক্টোবর ২০২৫ তারিখে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার, নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক লিখিতভাবে কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বললেও এখনো পর্যন্ত সুস্থ সমাধান হয়নি।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পশ্চিম সাপখাওয়া ভোটকেন্দ্র স্থানান্তর প্রক্রিয়াধীন। ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি ও জনগণকে অবগত করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন ভোটকেন্দ্র পরিবর্তন করতে জনগণের মতামতের প্রয়োজন নেই।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিব্বির আহমেদ বলেন, ৬/৭জন রাজনৈতিক নেতাদের সাথে এ বিষয়ে বৈঠক হয়েছে। নির্বাচন অফিসার ভোটকেন্দ্রে না গিয়ে এবং ভোটারদের কোন অবগত না করে ভোট কেন্দ্র স্থানান্তরের অভিযোগ পেয়েছি। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

    নাগেশ্বরী পৌর বিএনপির সদস্য আজিজুল হক বলেন, ইউএনও অফিসে ভোট কেন্দ্র বিষয়ে কোন আলোচনার বিষয়ে আমি জানিনা। বাংলাদেশ জামাত ইসলামী নাগেশ্বরী উপজেলা আমির আব্দুল মান্নান বলেন, ভোটকেন্দ্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিন্তু স্থানান্তরের বিষয়ে কোন আলোচনা হয়নি। ইসলামী আন্দোলনের কুড়িগ্রাম ১ আসনের প্রার্থী আলহাজ্ব আরিছুল বারী রনি বলেন, ভোট কেন্দ্র বিষয়ে আমার সঙ্গে কোন আলোচনা হয়নি।

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ বলেন, অভিযোগ হওয়ার পরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে লিখিতভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জনগণকে অবগত না করে ভোট সেন্টার স্থানান্তরের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ শুনলাম। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • পঞ্চগড়ে পি-স্তল, গু-লি ও ফে-নসিডিল উদ্ধার

    পঞ্চগড়ে পি-স্তল, গু-লি ও ফে-নসিডিল উদ্ধার

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি: 

    পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের সোনাপাতিলা এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ১টি দেশিয় তৈরি পিস্তল,২ রাউন্ড গুলি ও ৬ বোতল ফেনসিডিল।সোমবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পঞ্চগড়ের পরিদর্শক এ এস এম মঈন উদ্দিন কবির জানান,নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিব আলীর নেতৃত্বে এনএসআই ও বিজিবির সমন্বয়ে যৌথ দলটি অভিযান চালায়। লক্ষ্যস্থল ছিল সোনাপাতিলা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত দবির উদ্দীনের ছেলে আব্দুল কুদ্দুসে (৪০) এর বাড়ি।

    তল্লাশির সময় বাড়ির পূর্ব পাশের একটি ঘড়ির ঘরে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় দেশি পিস্তল, ২টি গুলি ও ৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুস পলাতক ছিলেন।

    পরিদর্শক মঈন উদ্দিন কবির বলেন,দীর্ঘদিন ধরে কুদ্দুস ওই এলাকায় অবৈধ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায় জড়িত এমন তথ্য আমাদের কাছে ছিল।সেই সূত্র ধরেই অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার করা অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য জব্দ করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও অস্ত্র আইনে ২টি পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কুদ্দুস দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রবিরোধী অভিযান চলমান থাকবে, যাতে জেলার অপরাধচক্র পুরোপুরি নির্মূল করা যায়।

  • চলন্ত বিআরটিসি বাসে অ-গ্নিকাণ্ড অল্পের জন্য র-ক্ষা পেল যাত্রীরা

    চলন্ত বিআরটিসি বাসে অ-গ্নিকাণ্ড অল্পের জন্য র-ক্ষা পেল যাত্রীরা

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধি:
    ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার ইচলাদী টোল প্লাজা এলাকায় চলন্ত একটি বিআরটিসি বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    জানা গেছে, বরিশাল থেকে খুলনাগামী বিআরটিসি বাসটি (রেজি. নং: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ব-১১-০০০৪) ইচলাদী টোল প্লাজা এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ পিছনের দিক থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। যাত্রীরা চিৎকার শুরু করলে চালক দ্রুত গাড়ি থামান। মুহূর্তের মধ্যেই বাসের পেছনের অংশে আগুন ধরে যায় এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

    চালক মোঃ শাহজালাল জানান, “যাত্রীরা ধোঁয়া দেখে চিৎকার দিলে আমি গাড়ি থামাই। তখন দেখি আগুনের কুণ্ডলী উঠছে। আল্লাহর রহমতে সবাই নিরাপদে নামতে পেরেছেন।”

    খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ৪৫ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও বাসটির উপরের অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

    গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ আমিনুর রহমান এবং উজিরপুর মডেল থানার ওসি আব্দুস সালাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা জানান, “আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে, বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক।”

    অগ্নিকাণ্ডের কারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দুই পাশে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়, যা প্রায় এক ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়।

  • পাঁচবিবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অ-ব্যবস্থাপনা ও দূ-র্নীতির অ-ভিযোগ

    পাঁচবিবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অ-ব্যবস্থাপনা ও দূ-র্নীতির অ-ভিযোগ

    দেলোয়ার হোসেন বাবু স্টাফ রিপোর্ট জয়পুরহাট

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা শহরের সমিরন নেছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তা বানুর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অস্বচ্ছতা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    এমন অভিযোগ করে এর প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান এবং এই লিখিত অভিযোগের অনুলিপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পাঁচবিবি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে প্রেরণ করেন অভিযোগ কারীরা।

    অভিযোগকারীরা হলেন- একই এলাকার খালেকুজ্জামান, আব্দুর রহমান, শামীমুর রহমান, শফিকুর রহমান৷ আলমগীর কুম কুম, প্রণব বসাক, মনজুর মোরশেদ, ফাতেমা বেগমসহ ১০ জন।

    প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি হলো স্লিপের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ, বিদ্যালয় চলাকালে প্রতিদিন বিকেল ৩ টার পরে পাঠদান না হওয়ায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই বাড়ি চলে যায়, প্রতি বছর বরাদ্দ থাকলেও টয়লেট পরিস্কার না করা, দপ্তরি কাম প্রহরী থাকলেও শ্রেণিকক্ষ, খেলার মাঠ ও টয়লেট পরিস্কার না করা, চারু ও কারু পরীক্ষায় হাতের কাজের নামে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নগদ টাকা দিতে বাধ্য করা, কিছু শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা প্রধান শিক্ষকের নিজ বিকাশ একাউন্টে নেওয়া, পাঠদান চলাকালে ক’জন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষেই ঘুমান বা মোবাইল নিয়ে ব্যস্থ থাকেন, অধিকাংশ শিক্ষক শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ান , শিক্ষকরা বিশুদ্ধ খাবার পানি পান করলেও শিক্ষার্থীরা পৌরসভার সরবরাহ করা পানি পান করে।

    সমিরন নেসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তা বানু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অভিযোগগুলো করা হয়েছে।

    পাঁচবিবি উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান, ” গতকাল নির্বাহী কর্মকর্তার বদলি হয়েছে, আমি আজ থেকে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছি, সবকিছু জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ”

    এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জেছের আলী জানান, ” গত ৭ অক্টোবর তারিখের লেখা একটি অভিযোগ সম্প্রতি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসেছে, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।