Category: দেশজুড়ে

  • দেশের  গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রক্ষায় নারীদের সক্রি-য় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে- সেলিম রেজা হাবিব

    দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রক্ষায় নারীদের সক্রি-য় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে- সেলিম রেজা হাবিব

    এম এ আলিম রিপন, সুজানগরঃ বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ,কে এম সেলিম রেজা হাবিব বলেছেন স্বৈরাচারিদের প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়া তার বসত বাড়ি ও পরিবারসহ সবকিছু হারিয়েও দেশ ছেড়ে যাননি। শেখ হাসিনা বিদেশে পলায়নের পর দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের চিন্তাভাবনা শুরু হলেও তা নস্যাৎ করতে বর্তমানে একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তারা পিআর পদ্ধতি নামে নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত করছে। তারা গণভোট ও পিআর ছাড়া নির্বাচন করবে না বলেই প্রচারণা চালাচ্ছে। এতে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। নারী নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে এবং দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রক্ষায় নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে সুজানগরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত ইসলামীকে উদ্দেশ্যে করে সেলিম রেজা হাবিব বলেন, ইসলামের কথা বলে মানুষকে ধেঁাকা দেওয়া যাবে না। মুসলমানরা এটা সহ্য করবে না। একটি দল গ্রামেগঞ্জে মা-বোনদের ভুল বুঝিয়ে ‘বেহেশতের টিকিট’ বিক্রি করে। তারা এটা কোথা থেকে পেল, ডিলারশিপ দিল কারা, তিনি বলেন, একটি দল পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়, অথচ গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে তাদের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট কুড়িয়ে বেড়ায় এবং পরিচয় করিয়ে দেয়- এটি স্ববিরোধী অবস্থান। নির্বাচন করতে হলে নির্বাচনের কথাই বলতে হবে। ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা উচিত নয়।তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দল বিএনপিকে ভালোবাসে। তারা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বারবার প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছে।আগামীতে তারেক রহমান দেশের হাল ধরবেন ইনশআল্লাহ। এ সময় তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবাইকে ধানের শীষে ভোট দেবার আহ্বান জানান।শনিবার পৌর মহিলা দলের উদ্যোগে স্থানীয় বালুর মাঠে উপজেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি লাভলী আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মী সমাবেশে অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট আরশেদ আলম, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি হাজারী লুৎফুন্নাহার, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল মোনায়েম, উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ নাদের হোসেন ও বিএনপির নেতা আহমেদ আলী প্রামানিক লাটু । অনুষ্ঠানে সুজানগর পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক সরদার বাবুল হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু, উপজেলা কৃষকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান খোকন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রিয়াজ মন্ডল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক শফিউল আলম বাবু, বিএনপি নেতা তোফাজ্জল হোসেনম যুব নেতা আরিফুল ইসলাম টুটুল, সাহেব আলী মন্ডল, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক শফিউল আযম, আবু জাকারিয়া তরঙ্গ, সাবেক পৌর কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ, মহিলাদল নেত্রী তাসলিমা খাতুন, ছাত্রদল নেতা গাজী মাজহারুল ইসলাম, আব্দুস সবুর জয়, আফতাব উদ্দিন ও সংগ্রাম সহ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের অসংখ্য নারী উপস্থিত ছিলেন। শেষে স্থানীয় নেতাকর্মীরা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের আন্দোলনে নারীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • সুজানগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় সমবায় দিবস পা-লিত

    সুজানগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় সমবায় দিবস পা-লিত

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি : যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পাবনার সুজানগরে ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়েছে।এ বছর দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ‘সাম্য ও সমতায়, দেশ গড়বে সমবায়’।এ উপলক্ষ্যে শনিবার সকালে সুজানগর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা ও সমবায় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ।পরে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের অংশগ্রহণে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা সমবায় অফিসার দেলোয়ার হোসেন বিদ্যুৎ এর সভাপতিত্বে ও ফজলুর রহমানের সঞ্চালনায় সমবায় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীল রাশেদুজ্জামান রাশেদ। অনুষ্ঠানে বিআরডিবির সভাপতি ইয়াকুব আলী প্রামানিক ও শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অপিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন,সমবায় আন্দোলন হল সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অর্থনৈতিক মুক্তির শক্তিশালী হাতিয়ার। দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে সমবায়ের সুফল পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।তিনি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সমবায়ীদের অবদানের প্রশংসা করে এবং জনগণের অংশগ্রহণ ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সমবায় আন্দোলনকে আরও বেগবান করার বিষয়ের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেনসমবায় সমিতিগুলো দেশের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি সমবায় সংশ্লিষ্ট সকলকে সমবায় নীতি ও আদর্শ মেনে চলার আহ্বান জানান।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • গোদাগাড়ীতে  সম-বায় দিবস পালিত হয়েছে

    গোদাগাড়ীতে সম-বায় দিবস পালিত হয়েছে

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ সাম্য ও সমতায়, দেশ গড়বে সমবায়” – এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় রাজশাহীর গোদাগাড়ীতেও ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার (১ নভেম্বর) উপজেলা প্রশাসন, সমবায় দপ্তর ও স্থানীয় সমবায়ীবৃন্দের যৌথ উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    ​দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    ​গোদাগাড়ী উপজেলা সমবায় অফিসার মো: জিগার হাসরতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মো. শামসুল ইসলাম।

    ​আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সমবায় একটি শক্তিশালী মাধ্যম। সমবায়ের মূলনীতির মাধ্যমে সমাজে সাম্য ও সমতা প্রতিষ্ঠা করে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়া সম্ভব। তারা সমবায়ের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

    ​আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সমবায় সমিতির সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী,রাজশাহী।

  • পাইকগাছায় জাতীয় সমবায় দিবস পা-লিত

    পাইকগাছায় জাতীয় সমবায় দিবস পা-লিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি

    “সাম্য ও সমতায় ‘ দেশে গড়বে সমবায় ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে খুলনার পাইকগাছায় পালিত হয়েছে ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫। এ উপলক্ষে শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা প্রশাসন ও সমবায় অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির। প্রধান অতিথি ছিলেন পাইকগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বী।এসএফডিএফ কর্মকর্তা জিএম জাকারিয়ার সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন কৃষি কর্মকর্তা মো. একরামুল হোসেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর ঈমান উদ্দিন, ফুড অফিসার মোঃ হাসিবুর রহমান, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার ঘোষ ও সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাস।

    আলোচনা সভায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত সমবায় সমিতির কর্মকর্তা ও সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা সমবায়ের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালীকরণে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • পাইকগাছায় কাজের অ-ভাবে হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন জেলার ইটভাটায় যাচ্ছে

    পাইকগাছায় কাজের অ-ভাবে হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন জেলার ইটভাটায় যাচ্ছে

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা) ।।
    পাইকগাছা থেকে হাজার হাজার শ্রমিক কাজের অভাবে এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশের বিভিন্ন ইটভাটায় কাজ করতে যাচ্ছেন। স্থানীয়ভাবে কাজের সুযোগ না থাকায় এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এই শ্রমিকরা ইটভাটায় অমানবিক পরিবেশে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে, অবৈধ ইটভাটা বন্ধের সরকারি নির্দেশনার কারণে পাইকগাছার কিছু ইটভাটার মালিক ও শ্রমিকরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
    প্রতিদিন বাস-ট্রাকযোগে দেশের বিভিন্ন জেলার ইট ভাটায় কাজ করতে পরিবার পরিজন নিয়ে রওনা দিচ্ছে। ইট ভাটার শ্রমিকরা জানান, নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ইট বানানোর কাজ করতে হয় তাদের। আর এই কাজটি চুক্তিতে হয়ে থাকে। ভাটায় কাজ করতে আসতে হয় সর্দারের মাধ্যমে। পুরো ৬ মাসের জন্য সর্দারই শ্রমিকের সঙ্গে চুক্তি করেন। কাজ শুরু হওয়ার আগে সর্দার কিছু টাকা অগ্রীম দিয়ে শ্রমিককে দাদন দিয়ে রাখেন। ইট বানানোর কারিগরদের দেওয়া হয় সবচেয়ে বেশি টাকা। ৬ মাসের জন্য কারিগর প্রতিদিন ১৬-১৭ ঘন্টা কাজ করে ১ লাখ, জোগালি ৪৫ হাজার, আগাটক ৮০ থেকে ৯০ হাজার, গোড়ারটক ৭০ থেকে ৮০ হাজার এবং মাটি বহনকারী ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন। আবার প্রতিদিন কাজ শেষে দেওয়া হয় খোরাকি। সাতদিনে এই খোরাকি জনপ্রতি শ্রমিক পান ৩শত থেকে ৫শত টাকা করে।
    এলাকায় কাজের অভাবে পাইকগাছা থেকে শ্রমিকরা কাজের জন্য দেশের বিভিন্ন জেলার ইট ভাটায় রওনা দিচ্ছে। বর্তমানে পণ্যের মূল্য ক্রমাগত বাড়ছে, ফলে নিম্ন আয়ের জনগণকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নিজ এলাকায় কাজের অভাব ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ফলে নিম্ন আয়ের মানুষ ছাড়াও মধ্যবিত্তরাও তাদের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। সংসারের খরচ বহন করতে ইটভাটায় অমানবিক শারীরিক-মানসিক নির্যাতন সয়ে কাজ করতে হয় শ্রমিকদের। অভাবের তাড়নায় তারা বাধ্য হয়ে ইটভাটায় ইট পোড়ানো ভাটা শ্রমিকের কাজ করেন।
    শ্রমিকরা জানান, দুই শিফটে কাজ করতে হয় তাদের। ফজরের আযানের পর পরই শুরু হয় তাদের কর্মজীবন। চলে দুপুর পর্যন্ত। সামান্য বিরতি দিয়ে সন্ধ্যা ৭-৮ টা পর্যন্ত তাদের কাজ চলে। তাদের মাঝে ভাগ করে কয়েকজন দিনে কয়েকঘন্টা বিশ্রামের সুযোগ পান। বিনিময়ে তাদের কাজ চলে সারা রাত। ভাটার পাশেই টিনের ঘর তুলে তাদের থাকার ব্যবস্থা করেন ভাটা মালিক। সেখানে নিজেরা তিনবেলা রান্না করে খাবারের ব্যবস্থা করেন।
    ইট ভাটাগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, কেউ মাটি কাটছেন। কেউ সেই মাটি এনে এক বিভিন্ন যায়গায় জড়ো করছেন। আবার কেউ সেই মাটি কাটের ছাঁচে ভরে ইটের আকারে সাজিয়ে যাচ্ছেন। রোদে পুড়ে সেই ইট শক্ত হলে কেউ কেউ তা ভ্যানে করে একস্থানে জড়ো করছেন। তারপর সেখান থেকে কয়েকজন কয়লার ভাটায় ছেড়ে ইট পুড়ছেন। এরপর সেই ইট জড়ো করা হচ্ছে বিক্রির জন্য। পুরুষদের পাশাপাশি নারী ও শিশুদেরও কাজ করতে দেখা যায় এই সকল ইট ভাটায়।
    ইটভাটার শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা জানান, অভাবের তাড়নায় নিজ এলাকা ছেড়ে কাজের সন্ধানে দূর-দূরান্তে যেতে হয়। এ কারণে তারা তাদের সন্তানদের স্কুলে দিতে পারেন না। সারাদিনই কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে সন্তানদের আর বিদ্যালয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে না। ভটায় ছয় মাস থাকে। তারপর চলে যায়। তারা যখন যেখানে যায় সংসারের সব জিনিসপত্র নিয়ে সবাই একসঙ্গে যায়। আবার যখন বাড়িতে ফিরে যায়, তখন সব নিয়েই যায়।
    বছরের ৬ মাস ভাটাগুলোতে পুরোদমে কাজে ব্যস্ত সময় পার করতে হয় তাদের। বাড়ি ফিরে আর বাকি ৬ মাস কেউ ক্ষেতে ও চিংড়ির ঘেরে কাজ করে আবার কেউবা রিক্সা, ভ্যান, ভাড়ায় অটোরিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। আবার অনেকে রাজমিস্ত্রির জোগালি কিংবা দিন মজুরির কাজ করেন। এভাবেই বছরের পর বছর তারা ইট ভাটায় ইট পোড়ানো কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

  • পাইকগাছায় কারেন্ট পো-কায় খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন

    পাইকগাছায় কারেন্ট পো-কায় খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন

    ইমদাদুল হক পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় আমন ধান ক্ষেতে কারেন্ট পোকা আক্রমণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকের ক্ষেতের ধান পোকায় কুরে কুরে খাচ্ছে। সোনালি স্বপ্ন এখন চোখের জলে ভাসছে। বারবার কিটনাশক ব্যাবহার করেও কোন কাজ না হওয়ায় কুষকরা হতাশ। অনেকের আবাদ করার খরচ উঠবে না। হঠাৎ কারেন্ট পোকা আক্রমণে ভালো ফসল ঝলসে ছারখার হয়ে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে কুষকরা।
    উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সবুজ ধানগাছের মধ্যে লালছে বা পোড়া বাদামি রঙের গাছ রয়েছে। পোকা দমনে কৃষকরা কীটনাশক স্প্রে করছে। তবে তেমন কোন কাজ হচ্ছে না। এই পোকাটির নাম বাদামি গাছ ফড়িং। তবে কৃষকরা ধানের কারেন্ট পোকা বলায় নামটির ব্যাপক পরিচিতি ঘটেছে। বিদ্যুতে স্পর্শ করলেই সর্বনাশ, এমন ধারণা থেকে পোকাটির নাম হয়েছে কারেন্ট পোকা। দেখতে প্রায় উকুনের মতো। ধানগাছের নিচের অংশে অবস্থান করে প্রথমে রস চুষে খায়। পরে ধানগাছ লাল বা পোড়া বাদামি রঙের হয়ে যায়। দেখলে মনে হবে আগুনে ঝলসে গেছে। অবশেষে আক্রান্ত ধানগাছ মারা যায়।
    উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, ছলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৩ হাজার ৩শ ৩০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে। যার মধ্যে পাঁচ হেক্টর জমির ধান গাছে কারেন্ট পোকা আক্রমণের শিকার হয়েছে।
    উপজেলার মটবাটি গ্রামের কৃষক মোসলেম গাজী বলেন, সাত বিঘা জমিতে আমন ধান লাগিয়েছিলাম। বর্তমানে কারেন্ট পোকার আক্রমণে ধানের সর্বনাশ হয়েছে। ফসল ভালো হলেও পোকার আক্রমণে ধান চিটা হচ্ছে ও গাছ শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। তিনি বলেন,ক্ষেতে চার বার ঔষধ ও কিট নাশক ব্যাবহার করেছি, তবে লাভ হয়নি। অনেক টাকা খরচ হচ্ছে কোন কাজ হলো না। আর্থিকভাবে খুব ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। হিতাপুর গ্রামের কৃষানী রিতা বিশ্বাস জানান, তার ক্ষেতের ধানের শীষ শুকিয়ে ধান চিটা হয়ে যাচ্ছে। ঔষধ ও কিট নাশক ব্যাবহার করেও কোন ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে না।
    পোকা আক্রমণের শিকার বিভিন্ন এলাকার কৃষক জানান, কারেন্ট পোকার আক্রমণ থেকে ধান বাঁচাতে কীটনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। তবে যে গাছে পোকা আক্রমণ করেছে, সেগুলো বাঁচানো যাচ্ছে না। যে কারণে এবার ধানের উৎপাদন কম হবে। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক লিফলেট ও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও কেনো কাজ হচ্ছে না। আবাদ করার খরচ উঠছে না। ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ একরামুল হোসেন বলেন, কৃষকরা না শুনে না বুঝে গাছের উপরের অংশে স্প্রে করছেন। অথচ এই পোকা গাছের নিচের অংশে অবস্থান করে। আক্রান্ত ধানগাছের নিচের অংশে বিলি করে কীটনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেয়া হলেও তারা তা করছেন না। পাশাপাশি ক্ষেতে এক জন কৃষক কীটনাশক স্প্রে করছে কিন্তু অন্য জন একই সময় স্প্রে না করায় পোকা ঠিকমত দমন হয়নি। কারেন্ট পোকা থেকে ধানগাছ বাঁচাতে ইতোমধ্যে কৃষকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উঠান বৈঠাক, ক্ষেতে আক্রান্ত পোকার ভিডিও প্রদর্শন করাসহ বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

  • পাইকগাছায় প্রতি-বন্ধীদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান

    পাইকগাছায় প্রতি-বন্ধীদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান

    ইমদাদুল হক,,পাইকগাছা ( খুলনা) ।।

    খুলনার পাইকগাছায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ১ নভেম্বর শনিবার সকালে উপজেলার কপিলমুনির কাজীমুছায় আল কোরআন ফাউন্ডেশন এ খাদ্য সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৫০ জন প্রতিবন্ধী কে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সহ সভাপতি খুলনা -৬ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এসএম রফিকুল ইসলাম রফিক। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা শরিফুল ইসলাম সানা, নজরুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান, শফিকুল ইসলাম, জিএম ফারুক হোসেন, পিরআলী, এসএম শাহাবুদ্দিন, শফিকুর রহমান শান্ত, শেখ ইদ্রিস, আব্দুস সালাম গাজী, মফিজুল ইসলাম মোড়ল ও হাবিবুর রহমান হাবিব।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রফিকুল ইসলাম বলেন প্রতিবন্ধীরা বোঝা নয়, এরাও সমাজের অংশ। তাদের নিয়ে কোন রাজনীতি নয়, তাদের কে সমাজের মূল স্রোত ধারায় নিয়ে আসতে হবে। রফিকুল ইসলাম আরো বলেন আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পাইকগাছা কয়রার সকল প্রতিবন্ধীদের স্থায়ী পুনর্বাসন করার। তাদের জন্য একটি বহুতল ভবন করার। যেখানে তাদের জন্য খাওয়া দাওয়া ও লেখাপড়া সহ সকল সুযোগ সুবিধা থাকবে। সমাজের অবহেলিত এই জনগোষ্ঠীর পাশে থেকে তাদের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

    প্রেরক,

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা

  • বর্ণাঢ্য আয়োজনে আ-ত্মপ্রকাশ করলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ভার্চুয়াল সাংবাদিক ফোরাম

    বর্ণাঢ্য আয়োজনে আ-ত্মপ্রকাশ করলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ভার্চুয়াল সাংবাদিক ফোরাম

    সুমন খান:

    রাজধানীর উত্তরা এলাকার একটি অভিজাত পার্টি সেন্টারে গতকাল (শনিবার) দুপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ করলো “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ভার্চুয়াল সাংবাদিক ফোরাম” নামে নতুন সাংবাদিক সংগঠনটি।
    অনুষ্ঠানে কামরুল হাসান বাবলু-কে আহ্বায়ক এবং এ বি এম মনিরুজ্জামান-কে সদস্য সচিব করে ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক কামরুল হাসান বাবলু।
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক।
    বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক (দপ্তর) এ বি এম এ রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক এম কফিলউদ্দিন ও মোঃ আফাজউদ্দিন।এছাড়া বক্তব্য রাখেন মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী রেজোয়ানুল হাসান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুস সালাম সরকার ও এল রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এ খোকন, তুরাগ থানা বিএনপির আহ্বায়ক হারুনর রশীদ খোকা, উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির আহ্বায়ক শাহ আলম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
    সংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম কবির, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ ইদ্রিস আলী, তালহা ইবনে হাসান, সদস্য (দপ্তর) যোবায়ের আহমেদ ও সদস্য মহসিন দিনু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিনুল হক বলেন:বর্তমান সময়ে বিএনপির বিরুদ্ধে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ব্যাপক অপপ্রচার চলছে। এই প্রেক্ষাপটে জাতীয়তাবাদী ভার্চুয়াল সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ সময়োপযোগী উদ্যোগ। সাংবাদিকদের উচিত নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশ করা। বিএনপির ভুলত্রুটি তুলে ধরলে সেটি সংশোধনের সুযোগ তৈরি হবে, হামলা-মামলার ভয় নেই।সদস্য সচিব এ বি এম মনিরুজ্জামান বলেন,চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এসব মোকাবিলায় জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সাংবাদিকদের একত্রিত করতেই এই ফোরামের জন্ম। ডিসেম্বরের মধ্যে সহস্রাধিক ভার্চুয়াল যোদ্ধা তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।”
    আহ্বায়ক কামরুল হাসান বাবলু বলেন,আমরা জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সাংবাদিকগণ— বিএনপির বিরুদ্ধে সকল ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার রুখে দিতে প্রস্তুত।২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি কামরুল হাসান বাবলু (আহ্বায়ক), এ বি এম মনিরুজ্জামান (সদস্য সচিব), মোকসেদুল হাসান খান (যুগ্ম আহ্বায়ক), মহসিন দিনু, মেহেদী হাসান রাসেল, মোহাম্মদ রুহুল আমিন, ইদ্রিস আলম, স্বপন রানা সোহেল, সাইফুর নুর শুভ, আলমগীর হোসেন, সাদাফ আলী খান, আরিফ হোসেন চৌধুরী, সাকিবুল হাসান, রেজোয়ানুল হক, মোঃ ইব্রাহিমসহ মোট ২১ সদস্য এই কমিটিতে রয়েছেন।
    অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, সাংবাদিক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ভার্চুয়াল সাংবাদিক ফোরামের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নেছারাবাদে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সমবায় দিবস পা-লিত

    নেছারাবাদে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সমবায় দিবস পা-লিত

    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)প্রতিনিধি:

    “সাম্য ও সমতায়, দেশ গড়বে সমবায়” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেছারাবাদে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস। শনিবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও সমবায় বিভাগের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

    কর্মসূচীতে সকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি স্বরূপকাঠি পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদে এসে শেষ হয়।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. হাসান রকি। উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান শিবলী এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রায়হান মাহমুদ।

    আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ‘দি স্বরূপকাঠি সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ মাল্টিপারপাস সোসাইটি লিমিটেড’ এর সভাপতি কাজী আনিসুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর বারিক, এবং বিভিন্ন সমবায় সমিতির পরিচালকবৃন্দ।

    সভায় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, “পূর্বের সমবায় কর্মকর্তার অসহযোগিতার কারণে উপজেলায় সমবায় কার্যক্রমে ধস নেমেছিল। তবে বর্তমান কর্মকর্তার আন্তরিকতা ও সহায়তায় আমরা আবারও সমবায় নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি।”

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি ।।

  • র‌্যাব-১২ এর অভিযানে কষ্টি পাথরের তৈরি শিবলিঙ্গসহ ৩ জন পা-চারকারী গ্রে-ফতার

    র‌্যাব-১২ এর অভিযানে কষ্টি পাথরের তৈরি শিবলিঙ্গসহ ৩ জন পা-চারকারী গ্রে-ফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়াড়ি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব সফলতার সাথে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় গত ৩১ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিঃ, বিকাল ১৬.২৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন দবিরগঞ্জ গ্রামস্থ পলাতক আসামী হামিদুর রহমান ওরফে লাবু এর বসতবাড়ীর পশ্চিম ভিটার পূর্ব দুয়ারী টিনসেড বাড়ীর ছোট ঘরের ভিতর” একটি অভিযান পরিচালনা করে মূল্যবান কষ্টি পাথরের তৈরি শিবলিঙ্গ যাহার ওজন ৯৪.২৬০ (চুরানব্বই দশমিক দুইশত ষাট) কেজি, যাহার বেসসহ শিবলিঙ্গের দৈর্ঘ্য ১২ (বার) ইঞ্চি লম্বা (শুধু শিবলিঙ্গের দৈর্ঘ্য ১১ (এগার) ইঞ্চি) এবং বেসসহ শিবলিঙ্গের প্রস্থ ৩৪ (চৌত্রিশ) ইঞ্চি (শুধু শিবলিঙ্গের প্রস্থ ২১ (একুশ) ইঞ্চি) উদ্ধার সহ ০৩ জন পাচারকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা ০১টি মোটরসাইকেল ও ০৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয় ১। মোঃ জাহাঙ্গীর আলম @ বাবলু (৫২), পিতা- মৃত সাইদুর রহমান, সাং- ভেংরী, ২। মোঃ শহিদুল ইসলাম (৫২), পিতা-মৃত হারুন অর রশিদ, সাং-দবিরগঞ্জ, ৩। মোঃ কফিল উদ্দিন (৪৮), পিতা-মোঃ আবুল কাশেম, সাং- দবিরগঞ্জ, উভয় থানা-সলংগা, জেলা-সিরাজগঞ্জ।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, আসামিদ্বয় মূল্যবান কষ্টি পাথরের তৈরি শিবলিঙ্গ নিজ হেফাজতে রেখে বাংলাদেশ হইতে বিদেশে পাচারের কথা স্বীকার করে।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সলংগা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।