Category: দেশজুড়ে

  • র‌্যাবের পৃথক যৌথ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত চার আসামী গ্রেফতার

    র‌্যাবের পৃথক যৌথ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত চার আসামী গ্রেফতার

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ওয়াব্রাং এলাকা, ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প ৮ ও ১৪ এপিবিএন কর্তৃক যৌথ অভিযান পরিচালনা করে সাজাপ্রাপ্ত এবং ওয়ারেন্টভুক্ত চারজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫ এর সদস্যরা।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন,উখিয়ার ৮নম্বর ক্যাম্পের/ডব্লিউ ব্লক-এ/২৯ এর বাসিন্দা জাফর উল্লাহর ছেলে রোহিঙ্গা রহিম উল্লাহ(৩৫), কুতুপালং ৪ নম্বর ক্যাম্পের ব্লক-এ/১১ এর বাসিন্দা মোঃ রশিদের ছেলে আতাউল্লাহ(২২),উখিয়া ৮নম্বর ক্যাম্পের মেইন ব্লক-ডি, -৮/ডব্লিউ এর বাসিন্দা মোহাম্মদ প্রকাশ ওলা মিয়ার ছেলে হাশিম উল্লাহ প্রকাশ মাষ্টর হাশিমুল্লাহ(২৯) ও টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড ওয়াব্রাং এলাকার মোঃ সৈয়দ নুরের ছেলে সেলিম মিয়া (২৯)।

    কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও
    সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া)
    মোঃ আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
    তিনি জানান,উখিয়া থানার মামলা নং-৩৪ তাং ৭/০২/২২, ধারা-১৪৩/১৮৬/৩৩২/৩৫৩ পেনাল কোড ১৮৬০ এবং জিআর নং-২৪৫/২২, ধারা-৩৬(১) এর ১০(গ) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ মোতাবেক পলাতক আসামী গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার তৎপরতা অব্যাহত রাখে। এরই প্রেক্ষিতে সোমবার (১১ মার্চ) রাতে
    র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এবং ৮ ও ১৪ এপিবিএন কর্তৃক ১৭নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে বর্ণিত মামলার পলাতক আসামী রহিম উল্লাহ(৩৫) (রোহিঙ্গা), আতাউল্লাহ(২২), (রোহিঙ্গা) এবং হাশিম উল্লাহ প্রকাশ মাষ্টর হাশিমুল্লাহ(২৯), (রোহিঙ্গা) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
    এছাড়া অপরদিকে, মঙ্গলবার (১২ মার্চ) ভোরে
    র‌্যাব-১৫, সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের পৃথক আরেকটি অভিযানে টেকনাফ থানার মামলা নং-৮৮, তারিখ ২৬/০২/২০২২, জিআর নং-১৮৮/২২, প্রসেস নং-১৭৮৩১/২১, ১০(গ)/৪১ এর ৩৬(০১) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৮ মোতাবেক মাদক মামলার পলাতক আসামী সেলিম মিয়াকে টেকনাফ থানাধীন ওয়াব্রাং এলাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীরা নিজেদেরকে সংশ্লিষ্ট মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী বলে স্বীকার করে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল।

    তিনি আরো জানান,গ্রেফতারকৃত আসামীদের সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী মদ ও বিয়ারসহ আটক-১

    টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী মদ ও বিয়ারসহ আটক-১

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার উত্তর জালিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৪ বোতল বিদেশী মদ ও ১১০ বিয়ার ক্যান বিয়ারসহ এক মহিলা মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাব-১৫ এর সদস্যরা।

    আটককৃত মাদক কারবারী হলেন, টেকনাফ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড উত্তর জালিয়া পাড়ার
    দীঘির পূর্ব পাশে (আলম শাহের বাড়ি) এর
    আলমগীর প্রকাশ আলম শাহের মেয়ে ও নুর কায়েসের স্ত্রী শাবনুর প্রকাশ মনি (২৬)।

    কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও
    সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া)
    মোঃ আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
    তিনি জানান, রবিবার (১১ মার্চ) রাতে র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, টেকনাফ পৌরসভার উত্তর জালিয়াপাড়া এলাকাস্থ জনৈক মৃত আবুল কালামের বসত ঘরের ভিতর কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্যসহ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের আভিযানিক দল উক্ত স্থানে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উক্ত ঘর থেকে কৌশলে পালানোর একপর্যায়ে র‌্যাবের আভিযানিক দল এক মহিলা মাদক কারবারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত শাবনুর প্রকাশ মনি উক্ত বসত বাড়ির রান্না ঘরের ভিতর বিক্রির উদ্দেশ্যে বিদেশী মদ ও বিয়ার মজুদ রয়েছে বলে স্বীকার করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক আটককৃত মহিলার দেহ ও রান্না ঘর তল্লাশী করে ১৪টি বিদেশী মদের বোতল (যার প্রতিটি বোতলের গায়ে ইংরেজীতে MANDALAY RUM লেখা আছে) এবং ১১০ ক্যান বিয়ার (যার প্রতিটি ক্যানের গায়ে ইংরেজীতে ANDAMAN GOLD LAGER SPECIAL BEER ALC 6.5% ABV লেখা আছে) উদ্ধার করা হয়।
    জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত শাবনুর প্রকাশ মনি জানায় যে, সে ও তার স্বামী দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক কারবারের সাথে জড়িত। তারা পরস্পর যোগসাজসে টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা হতে বিয়ার ও বিদেশী মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে থাকে। পরবর্তীতে নিজেদের হেফাজতে বসত বাড়ি ও রান্না ঘরের বিভিন্ন স্থানে মাদকদ্রব্য লুকিয়ে মজুদ রাখে এবং তাদের সুবিধামত সময়ে বেশি দামে মজুদকৃত মাদকদ্রব্য স্থানীয় এলাকাসহ জেলার অন্যান্য স্থানেও বিক্রয় করে আসছিল বলে জানায়।

    তিনি আরো জানান, উদ্ধারকৃত আলামতসহ আটককৃত মহিলা মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে চোরাইমালসহ চোর সিন্ডিকেটের ৮ জন গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে চোরাইমালসহ চোর সিন্ডিকেটের ৮ জন গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন হাটিকুমরুল এলাকা হতে চোরাইমালসহ চোর সিন্ডিকেটের ০৮ জন সক্রিয় সদস্যে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ১। র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ২। ইং ১১ মার্চ ২০২৪ খ্রি. রাত্রী ০২.০৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির একটি চৌকষ আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন ধোপাকান্দি গ্রামস্থ হাটিকুমরুল টু ঢাকাগামী মহাসড়কের এরিস্টোক্রেট হোটেলের বিপরীত পার্শে জনৈক মোঃ ফরিদুল ইসলামের ৫তলা বিল্ডিংয়ের নীচতলায় অভিযান পূর্বক উক্ত গোডাউনের মালিক ধৃত আসামী নুর ইসলামের নিকট ট্রাক ড্রাইভার জসিম ও খোরশেদদ্বয় ৩৯১ কেজি চোরাই রোড বিক্রয় করার সময় হাতেনাতে ধৃত করা হয়। একই এলাকায় আসামী আশরাফুলের দোকানে অভিযান পরিচালনা করে আসামী ইমরান এর নিকট হতে সরকারী খাদ্য গুদামের ছয় বস্তা চাল যার ওজন ১৮০ কেজি, আসামী আলমগীর এর নিকট হতে ৩৭ কেজি চোরাই গম, এবং ধৃত আসামী মোঃ হাফিজুল ইসলাম ও মোঃ মিরাজুল ইসলাম এর নিকট হতে সর্বমোট ৯০ কেজি কয়লা ও ৮৪,৪০০/- নগদ টাকা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় তাদেরকে হাতেনাতে ধৃত করা হয়। ধৃত আসামীগণ চোর সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারী ও ব্যক্তি মালিকানাধীন পণ্য (রড, গম, চাল, কয়লা) পরিবহণকালে মালিকের অগোচরে ট্রাক হতে অসাধূভাবে চুরি করে বিক্রয় করে আসছে। ধৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে তাদের সম্পৃক্ততার সত্যতা পাওয়া যায়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ আশরাফুল ইসলাম (৩৫), দোকানদার, পিতা-মোঃ আবুল হোসেন, সাং- সরাতুল, থানা-উল্লাপাড়া, জেলা-সিরাজগঞ্জ, ২। মোঃ হাফিজুল ইসলাম (২১), দোকানদার, পিতা-মোঃ আমিনুল ইসলাম, সাং- বাশুলিয়া, থানা-রায়গঞ্জ, জেলা-সিরাজগঞ্জ, ৩। মোঃ মিরাজুল ইসলাম (২১), দোকানদার, পিতা-মুকুল হোসেন, সাং- ধোপাকান্দি, থানা-সলঙ্গা, জেলা-সিরাজগঞ্জ, ৪। মোঃ নুর ইসলাম (২৬), দোকানদার, পিতা-মোঃ আব্দুর রশিদ, সাং- ধোপাকান্দি, থানা-সলঙ্গা, জেলা-সিরাজগঞ্জ, ৫। মোঃ ইমরান হোসেন (৩৫), ড্রাইভার, পিতা-মৃত আব্দুল মালেক, সাং- ইটাখোলা বাজার, থানা-ক্ষেতলাল, জেলা-জয়পুরহাট, ৬। মোঃ আলমগীর হোসেন (২৪), ড্রাইভার, পিতা-হাইকুল ইসলাম, সাং-রাজারামপুর ফকিরপাড়া, থানা-ফুলবাড়ি, জেলা-দিনাজপুর, ৭। খোরশেদ আলম (৩০), ড্রাইভার, পিতা-মোঃ জামাল উদ্দিন, সাং-ভুজারীপাড়া, ৮। মোঃ জসিম উদ্দিন (২৪), ড্রাইভার, পিতা-হাফেজ আলী, সাং-পশ্চিম মলানী, উভয়ের থানা- পঞ্চগড় সদর, জেলা-পঞ্চগড়।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিগণ পরস্পর যোগসাজসে দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারী ও ব্যক্তি মালিকানাধীণ পণ্য (রড, গম, চাল, কয়লা) দেশের বিভিন্ন স্থান হতে ট্রাকে লোড করে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন ধোপাকান্দি এলাকার মহাসড়কের উভয়পাশের্^ রাস্তা সংলগ্ন কিছু স্থায়ী/অস্থায়ী টিনশেড ও পাকা বিল্ডিংয়ের দোকানঘরে কালোকাপড় দিয়ে ঢেঁকে সেখানে ট্রাক প্রবেশ করতঃ পণ্য চোরাইভাবে ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিগণের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    তথ্য দিন :-
    মোহাম্মদ ইলিয়াস খান

    স্কোয়ড্রন লীডার

    কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ।

  • সৈয়দপুর, নীলফামারী তে বিএসটিআই’র ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা

    সৈয়দপুর, নীলফামারী তে বিএসটিআই’র ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    সৈয়দপুর, নীলফামারী তে বিএসটিআই’র ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ৭টি প্রতিষ্ঠানকে ২৮,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর ও উপজেলা প্রশাসন, সৈয়দপুর, নীলফামারী এর উদ্যোগে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতে নিম্নোক্ত প্রতিষ্ঠানে জরিমানা করা হয়:
    ১. মেসার্স হিরো স্টোর, করিম মোড়, সৈয়দপুর, নীলফামারীতে মোড়কজাত সনদ ব্যতিত পন্য বিক্রয়/পরিবেশন করায় ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮ এর ২৪(১)/৪১ ধারায় ৪০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
    ২. মেসার্স সুলতান ট্রেডার্স, শহিদ জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারীতে মোড়কজাত সনদ ব্যতিত পন্য বিক্রয়/পরিবেশন করায় ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮ এর ২৪(১)/৪১ ধারায় ৩০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
    ৩. মেসার্স আমান স্টোর, শহিদ জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী তে মোড়কজাত সনদ ব্যতিত পন্য বিক্রয়/পরিবেশন করায় ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮ এর ২৪(১)/৪১ ধারায় ২০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
    ৪. মেসার্স আবিদ স্টোর, শহিদ জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারীতে মোড়কজাত সনদ ব্যতিত পন্য বিক্রয়/পরিবেশন করায় ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮ এর ২৪(১)/৪১ ধারায় ৪০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
    ৫. মেসার্স হোমায়রা স্টোর, ইসলামবাগ সৈয়দপুর, নীলফামারী তে মেয়াদ উত্তীর্ন পন্য বিক্রয় করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইন-২০০৯ এর ৫১ ধারায় ৪০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
    ৬. মেসার্স লাকী ট্রেডার্স, শহিদ জহুরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারীতে মোড়কজাত সনদ ব্যতিত পন্য বিক্রয় /পরিবেশন করায় ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮ এর ২৪(১)/৪১ ধারায় ১০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
    ৭. মেসার্স সনু স্টোর, সৈয়দপুর, নীলফামারীতে অনুমোদন বিহীন মেহেদি বিক্রির অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৫২ ধারায় ১০,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।

    উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে মেয়াদ উত্তীর্ন ও অনুমোদন বিহীন পন্য জব্দ করা হয় এবং উপজেলা ভূমি কার্যালয়ে সকলের উপস্থিতিতে জব্দকৃত মালামাল ধ্বংস করা হয়।

    উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালনা করেন সৈয়দপুর উপজেলা এর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আমিনুল ইসলাম। উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটিং হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস রংপুর এর পরিদর্শক (মেট্রোলজি) প্রকৌ: মোঃ আহসান হাবীব এবং ফিল্ড অফিসার (সিএম) প্রকৌ: মোঃ তাওহিদ আল আমিন ও সৈয়দপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোঃ আলতাফ হোসেন সরকার।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সিংড়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় চাঁদাবাজির  সময়  র‍্যাবের হাতে ৬ জন গ্রেফতার

    সিংড়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় চাঁদাবাজির সময় র‍্যাবের হাতে ৬ জন গ্রেফতার

    সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ

    নাটোরের সিংড়ার বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় পণ্যবাহি ট্রাক, সবজির পিকআপ, ভটভটি ও পণ্যবাহি অটোরিক্সার গতিরোধ করে চাঁদাবাজি করাকালীন সময় চাঁদাবাজির টাকাসহ ৬ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিট
    অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

    মঙ্গলবার(১২ মার্চ) বেলা ১১ টায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন নাটোর র‍্যাব কোম্পানি কমান্ডার সঞ্জয় কুমার সরকার।
    এর আগে গতকাল সোমবার বিকেলে সিংড়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন—সিংড়া উপজেলার সরকারপাড়া গ্রামের মো.আরিফুল ইসলাম (৩০),নিংগুইন উত্তরপাড়া গ্রামের মো. হাফিজ (৪০),চাঁদপুরের মো. মনসুর রহমান (৩৫),মো. বকুল খান (৪৭), বাসুয়াপাড়া গ্রামের মো. নজরুল ইসলাম (৪৫),মাদারীপুর এলাকার মো. কুদরত (৩৫)।

    কোম্পানি কমান্ডার সঞ্জয় কুমার সরকার জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিংড়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কাঁচা সবজি ও পণ্য পরিবহনের ট্রাক, অটোরিক্সা এবং বাস থেকে স্থানীয় রাজনীতিবীদ ও প্রভাবশালীদের নাম ব্যবহার করে চাঁদা আদায় করার সময় চাঁদা আদায়ের নগদ অর্থ ও চাঁদা আদায়ের রশিদ বইসহ চাঁদাবাজ চক্রের মূলহোতা মো. আরিফুল ইসলাম সহ ৬জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সড়ক- মহাসড়কের চাঁদাবাজি বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সিংড়া থানায় মামালা রুজু করা হয়েছে বলে জানান এই র‍্যাব কর্মকর্তা।

    মোঃ এমরান আলী রানা
    সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি

  • ঝিনাইদহে ৩ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য বিতরণ করলো জোহান ড্রীম ভ্যালী

    ঝিনাইদহে ৩ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য বিতরণ করলো জোহান ড্রীম ভ্যালী

    ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ
    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ঝিনাইদহে ৩ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য বিতরণ শুরু করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শহরের আরাপপুরে জোহান ড্রীম ভ্যালী পার্কের পক্ষ থেকে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া আক্তার চৌধুরী। জোহান ড্রীম ভ্যালী পার্কের স্বত্তাধীকারী মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে জোহান ড্রীম ভ্যালী পার্কের পক্ষ থেকে ঝিনাইদহ সদর ও শৈলকুপা উপজেলা বিভিন্ন গ্রামের ৩ হাজার মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে। আগামী এক সপ্তাহ এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে। ১০ কেজি চাউল, ৩ কেজি আলু, ১ কেজি মসুরের ডাল ও আধা লিটার তেল পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন হতদরিদ্র মানুষেরা।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ

  • সৌদিতে নিহত গৃহবধুর লা*শ ৫ মাস পর বাড়িতে

    সৌদিতে নিহত গৃহবধুর লা*শ ৫ মাস পর বাড়িতে

    ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ
    সৌদি আরবে নিহত ছাবিনা খাতুন (২৪) নামে এক প্রবাসী গৃহবধুর লাশ পাঁচ মাস পর তার স্বজনদের কাছে পৌচেছে। সোমবার রাত ৮টার দিকে লাশবাহী গাড়িটি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাথপুকুরিয়া গ্রামে পৌছলে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। ছাবিনার নিথর দেহ দেখে কান্নার রোল পড়ে যায। তার স্বামী, শ্বশুর, শ্বাশুড়ি ও দুইটি শিশু কন্যা সন্তান লাশকে প্রলাপ করতে থাকে। নিহত ছাবিনা খাতুন সাগান্না ইউনিয়নের বাথপুকুরিয়া গ্রামের রুবেল মিয়ার স্ত্রী। ছাবিনার স্বজনরা জানান, ২০২৩ সালের ২২ সেপ্টম্বর ছাবিনা খাতুন কাজের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। নিজের পরিবারের সচ্ছলতা ও স্বামী-সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে গৃহকর্মীর কাজ নেন সৌদি আরবে। কিন্তু কাজে যোগদানের তিনদিনের মাথায় তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়। বলা হয় উচ্চ ভবন থেকে পড়ে ছাবিনা মারা গেছে। তবে পরিবারের অভিযোগ, তার মৃত্যু রহস্যজনক এবং নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি ভবন থেকে লাফ দিতে পারেন। ছাবিনার মা শিলা খাতুন জানান, বাথপুকুরিয়া গ্রামের আব্দুল খালেকের পালিত ছেলে দালাল রফিকুলের মাধ্যমে সৌদি আরবে যান ছাবিনা খাতুন। ঢাকার মগবাজার এলাকার তিশা ইন্টারন্যাশনালের মালিক ফারুক হোসেন ছাবিনাকে সৌদি যেতে সহায়তা করেন। সৌদি পৌছানোর পর মালিকের বাসায় গিয়ে ছাবিনা চুক্তি মোতাবেক কাজ না পাওংার কথা পরিবারকে জানান। পরিবারের ধারণা মালিকের কু-প্রস্তাব বা পাশবিক নির্যাতনে রাজি না হওয়ায় ছাবিনাকে ৮ তলা ভবন থেকে ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য আকবর হোসেন জানান, দালাল রফিকুল মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে ছাবিনাকে বিদেশ পাঠায়। সেখানে আসলেল কি কান্ড ঘটেছে তা আমাদের অজানা। তবে ছাবিনার মৃত্যুর পর দালাল ও আদম ব্যবসায়ীরা দুই লাখ টাকা দিয়েছে বলে শুনেছি। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শাহিন উদ্দিন জানান, বিষয়টা আমি শুনেছি। যদি কেউ অভিযোগ করেন, তবে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • নড়াইল জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    নড়াইল জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইল জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মার্চ) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফেব্রুয়ারি/২০২৪ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন মোহাঃ মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার, নড়াইল। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, অপরাধ পর্যালোচনা সভার শুরুতে পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপরাধ চিত্র তুলে ধরেন মোঃ নাজমুল হক, পুলিশ পরিদর্শক (ক্রাইম), নড়াইল। অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুলিশ সুপার মামলা তদন্ত, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, ওয়ারেন্ট তামিল, গুরুত্বপূর্ণ মামলা সমূহের অগ্রগতি, মামলার রহস্য উদঘাটন, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অপরাধীদের গ্রেফতার, সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়সহ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতা প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
    পুলিশ সুপার বলেন, আসন্ন রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করতে হবে। প্রত্যেক দোকানে পণ্যমূল্য টাঙ্গিয়ে রাখা নিশ্চিত করতে হবে। তারাবিহ নামাজের সময় যেন দোকানপাট এবং ব্যাংকসহ সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চুরি, ডাকাতি না হয় সেজন্য রাতে টহল জোরদার করতে পুলিশ সুপার মহোদয় নির্দেশ প্রদান করেন। সাধারণ জনগণ যাতে হয়রানি ছাড়াই তাৎক্ষণিক প্রত্যাশিত আইনী সেবা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা, উঠান বৈঠক এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুধীজনসহ সর্বস্তরের মানুষের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা করে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রেখে জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সকলকে দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সাথে নিজ নিজ কর্তব্য পালনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জনের বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন।
    অপরাধ পর্যালোচনা সভায় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত; তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, জেলা বিশেষ শাখার পুলিশ পরিদর্শক, অপরাধ শাখার পুলিশ পরিদর্শক, গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাব ইন্সপেক্টর, জেলার সকল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, পুলিশ ফাঁড়ি ও ক্যাম্প ইনচার্জগণ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • নড়াইলে শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ

    নড়াইলে শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে প্রধানমন্ত্রীর ল্যাপটপ পেলেন ২৪০ জন শিক্ষার্থী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে স্মার্ট উপহার নড়াইলে শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ অনুষ্টিত হয়েছে। সোমবার (১১মার্চ) দুপুরে নড়াইল জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন, নড়াইল ও তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের আয়োজনে হার পাওয়ার প্রকল্পের আওতায় ২শত ৪০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে এ ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।
    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
    প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী। হার পাওয়ার প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক নিলুফা ইয়াসমিন এর সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য রাখেন,জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডঃ সুবাস চন্দ্র বোস, পুলিশ সুপার মোঃ মেহেদী হাসান, পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা ,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষাওআইসিটি) মোঃ আরাফাত হোসেন,সরকারি কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ উপকার ভোগী শিক্ষার্থীরা।

  • নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

    নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার। মঙ্গলবার (১২ মার্চ’) সকালে সময় চুরি মামলায় ২ (দুই) বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২,০০০/- টাকা জরিমানাপ্রাপ্ত আসামি মোঃ আকিবর শেখ (৪২)কে গ্রেফতার করেছে নড়াইল সদর থানা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
    গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ আকিবর শেখ (৪২) নড়াইল জেলার সদর থানার রামসিদ্ধি সাকিনের মৃত ওয়াজেদ শেখের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) সাইফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান সার্বিক দিকনির্দেশনায় ওয়ারেন্ট তামিলে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।