Category: দেশজুড়ে

  • আশুলিয়ার জামগড়া তিতাস গ্যাসের বাড়তি চুলার ছড়াছড়ি- প্রশাসন নিরব ভূমিকায়

    আশুলিয়ার জামগড়া তিতাস গ্যাসের বাড়তি চুলার ছড়াছড়ি- প্রশাসন নিরব ভূমিকায়

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ও বাড়তি চুলার ছড়াছড়ি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রহস্যজনক ভাবে নিরব ভূমিকায় থাকার কারণে সরকারের কোটি কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে।

    এদিকে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া দি রোজ গার্মেন্টস এর পশ্চিম পাশে নবাব আলীর বাড়িতে গত বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত চুলা ও বকেয়া বিল এর কারণে সাভার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে, শুক্রবার বিল পরিশোধ না করে অবৈধ ভাবে তিতাসের ঠিকাদার রাসেলের মাধ্যমে, সেনেটারী মিস্ত্রি মাসুম কে দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে লাইজার লাগানোর সময় ক্যামেরাবন্দি হয়।

    সরকারি গ্যাস চোরদের গলাবাজি, চোরের মায়ের বড় গলা, অনিয়ম দুর্নীতিতে সাভার আশুলিয়ায় কোটি কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে সরকারের।

    প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল। অন্যদিকে তিতাস গ্যাস কোম্পানির কর্মকর্তা সাভার ও আশুলিয়ার অফিসের একজন অন্যজনকে দায় দিয়ে এড়িয়ে যান। এ ব্যাপারে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। পর্ব-১।

  • মধুপুরে আকাশী গ্রন্থাগারের  উদ্যোগে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    মধুপুরে আকাশী গ্রন্থাগারের উদ্যোগে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে আকাশী গ্রন্হাগার ও বিজ্ঞান ক্লাব বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৩ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    মধুপুরে আকাশী গ্রন্হাগার ও বিজ্ঞান ক্লাবের আয়োজনে শনিবার ১৬ মার্চ সকাল সাড়ে এগারোটায় মধুপুর শহীদস্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কলেজ শাখার চতুর্থ তলায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মধুপুর শহীদস্মৃতি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ বজলুর রশিদ খান চুন্নুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মো জাকির হোসাইন,। প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাটেনারি টিচিং হাসপাতালের পরিচালক, প্রফেসর ড. মো. তৈমুর রহমান। এসময় বক্তব্য রাখেন মধুপুর আদর্শ ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ, উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নুরুন্নবী শিহাব , তারার মেলা কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক আঃ লতিফ, প্রিক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোজাফফর আলী আকন্দ প্রমুখ।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক বৃন্দ,সহ আকাশী গ্রন্হাাগার ও বিজ্ঞান ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মনিরুজ্জামান শহীদ, উক্ত সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা।
    অনুষ্ঠান শেষে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট,সার্টিফিকেট ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়।

  • তানোরে কৃষক লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্ধিত সভা

    তানোরে কৃষক লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্ধিত সভা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর উপজেলা আওয়ামী কৃষক লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা আয়োজন করা হয়েছে। জানা গেছে, গত ১৬ মার্চ শনিবার উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি রাম কমল সাহা সভাপতিত্বে ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শামসুল ইসলামের সঞ্চালনায় উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসভবনে আয়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, যুগ্ম-সম্পাদক জিল্লুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মুন্সেফ আলী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্পাদক রামিল হাসান সুইট, তানোর
    পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান শিবলন, কলমা ইউপি স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি তানভির রেজা, প্রকৌশলী মাহাবুর রহমান মাহাম, মোর্শেদুল মোমেনিন রিয়াদ, হাজী মিলন মৃধা ও তালন্দ ইউপি
    স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্পাদক রবিউল ইসলামপ্রমুখ।
    প্রধান অতিথি বলেন, আগামি উপজেলা নির্বাচন হব চ্যালেন্জিং আমাদের মধ্যকার সকল মতপার্থক্য পরিহার করে আমাদের মতৈক্য পৌঁছাতে হবে। তিনি বলেন, এবার দলীয় প্রতিক থাকবে না, অনেকে এসে আওয়ামী পরিবারের সন্তান দাবি ও মায়া কান্না করে সুবিধা নিতে চাইবে, তাই এবার আমাদের আরো বেশী সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, আগামি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তথা এমপির সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আপনাদের সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন ও অর্জনের চিত্র তুলে ধরে আওয়ামী লীগের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, কারো কোনো হুমকি-ধমকি মন ভোলানো কথায় কান দেয়া যাবে না। আপনাদের দোয়ায় আবারো আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় হবে ইনশাল্লাহ্।এদিকে একইদিন কলমা ইউপির দরগাডাঙ্গা ইউপি আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ইউপি আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যোগদেন উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। পরে কামারগাঁ ইউপির মালার মোড়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেন।

  • কোমলমতি শিক্ষার্থী দিয়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত কমিটি গঠন

    কোমলমতি শিক্ষার্থী দিয়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত কমিটি গঠন

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ ‘তেঁতুলিয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দিয়ে প্রধান শিক্ষকের প্রচার-প্রচারণা’ শিরোনাম গত সোমবার (১১ মার্চ) জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি গোচর হওয়ায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১২ মার্চ) উপজেলার দুই কর্মকর্তা বিশিষ্ট এই তদন্ত কমিটি করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফজলে রাব্বি। এই তদন্ত কমিটিতে একজনকে আহ্বায়ক ও অপরজনকে সদস্য করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য যে, গত শনিবার (৯ মার্চ) প গড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মজিবর রহমান ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ফেস্টুন টাঙিয়ে বিদ্যালয়ের ব্যবহার্য ঢোল পিটিয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের দিয়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা করেন। সকাল থেকে শুরু করে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন সড়কে এই প্রচার-প্রচারণা চালাই ওই প্রধান শিক্ষক। পরে এ ঘটনায় জনমনে ক্ষোভ আর হতাশার সৃষ্টি হয়। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দিয়ে প্রায় ৫০ কিলোমিটার রাস্তা প্রচার-প্রচারণার কাজ চালান ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমান। পরে অনলাইন পত্রিকাসহ দৈনিক পত্রিকায় এ বিষয়ে শিরোনাম প্রকাশিত হয়।
    মূলত মজিবর রহমান প্রধান শিক্ষকের পাশাপাশি উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং তেঁতুলিয়া উপজেলা পাথর-বালি ব্যবসায়ী ও শ্রমিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি পদে থাকায় কাউকে কোনোভাবেই তোয়াক্কা করেন না।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে রাব্বি বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে সরেজমিন তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম ।

  • পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদে কুমির, জনমনে আতঙ্ক

    পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদে কুমির, জনমনে আতঙ্ক

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)।।
    পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদে কুমির দেখা গেছে। কুমিরের ভয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভয়ে কপোতাক্ষ নদে নামা বন্ধ করে দিয়েছে এলাকার লোকজন।উপকূলের এসব নদ- নদীতে কুমিরের বাস থাকাটাই স্বাভাবিক। সুন্দরবনের নদী বযে কুমির চলে আসে। ফলে কুমিরের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কে আছেন জেলেরা।
    শনিবার সকালে পাইকগাছার কপোতাক্ষ নদে কু‌মির দেখা গিয়েছে। কপোতাক্ষ নদের আলমতলায় নদীর চরে কুমির দেখা যায়।এসময় এলাকার লোকজনের ডাক চিৎকারে কুমির নদীর পানিতে নেমে যায়। ভয়ে নদের তীরে বসবাসকারী সাধারণ মানুষ নদীতে নেমে গোসল করা, পানি নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় সুন্দরবনের গোলপাতা মজুদ শেষে বিক্রি শুরু

    পাইকগাছায় সুন্দরবনের গোলপাতা মজুদ শেষে বিক্রি শুরু

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)।।
    সুন্দরবন থেকে আহরণকৃত গোলপাতা মজুদ শেষে বিক্রি শুরু হয়েআধুনিকতার ছোয়ায় গোলপাতার ব্যবহার কমতে শুরু হযেছে। সেসাথে টিনের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় গোলপাতার চাহিদা কমছে। গত বছরের অবিক্রিত গোলপাতা স্তুপ আকারে পড়ে আছে। বিক্রি না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।পাইকগাছা উপজেলার নদ নদী সংলগ্ন বিভিন্ন হাটবাজার ও মোকামে গোলপাতা মজুদ করে বিক্রি করা হচ্ছে। পাইকগাছা পৌর বাজারে ট্রলার ঘাট,শিববাটী, আলমতলা, চাঁদখালী, আগড়ঘাটা, কপিলমুনি বাজারে গোলপাতার মজুদ ও বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে গোলপাতা সরবরাহ কম থাকায় গোলপাতার দাম বেশী বলে ক্রেতারা জানিয়েছে।
    গোলপাতা ঘরের চালে ছাউনির জন্য উপকুল সহ বিভিন্ন জেলায় খুব জনপ্রিয়। এ পাতার ছাউনি ঘর গরমের সময় ঠান্ডা ভাব এবং শীতের সময় গরমভাব অনুভুত হয়।তাই গোলপাতার একটা আলাদা কদর রযেছে। গোলপাতা দিয়ে ভালভাবে ঘরের ছাউনি দিলে ৩-৪ বছর ভালোভাবে পার হয়ে যায়।
    উপকুলসহ যশোর, মাগুরা, রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কমবেশি গোলপাতার চাহিদা রয়েছে। গোলপাতা খুচরা ও পাইকারী বিক্রি হচ্ছে। আড়ৎ থেকে ব্যবসায়ীরা ট্রাক, ইঞ্জিন ভ্যান, ট্রলারযোগে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করছে। গোলপাতা ব্যবসায়ী সূত্রে জানাগেছে, গোলপাতার মজুদ করা শুরু হয়েছে। বিগত বছর গোলপাতার ব্যবসা ভাল ছিল না। এ বছর কিছুটা ব্যবসা হতে পারে বলে তারা ধারনা করছে। সবে মাত্র গোলপাতা বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রায় আষাঢ় মাস পর্যন্ত বিক্রি হবে। তাছাড়া বৃষ্টি শুরু হলে গোলপাতার বিক্রি বেড়ে যাবে। গোলপাতা ব্যবসায়ীরা সুন্দরবনে বাওয়ালী ও মহাজনের নিকট থেকে ট্রলার চুক্তি গোলপাতা ক্রয় করে।তারপর গোলপাতা খোলা জায়গায রেখে বিক্রয় করে।পাইকগাছা পৌর এলাকার জিনারুল ইসলাম, আতিয়ার রহমান, মোতলেব সরদার, শামছুর ও লেয়াকত হোসেন গোলপাতার ব্যবসা করছে। গোলপাতা ব্যবসায়ী আতিয়ার জানান, কমবেশি গোলপাতা বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের অবিক্রিত পুরাতন গোলপাতা কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে। গত বছর গোলপাতা বিক্রি না হওয়ায় তার আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে জানান।
    ব্যবসায়ী ও বাওয়ালী সূত্রে জানাগেছে, জানান, সুন্দরবন থেকে গোলপাতা পরিবহনের জন্য একটি নৌকা ২টি ট্রিপ দিতে পারে। বড় নৌকায় ব্যবসায়ীদের হিসাবে প্রায় ৯০-১০০ কাউন, ছোট নৌকায় ৭০-৮০ কাউন বহন করতে পারে। তারা জানায়, বনের গোলপাতা কাটা শেষ হয়েছে, কাটা গোলপাতা যা আছে তা বহন করা হচ্ছে। এ বছর বন বিভাগের তদারকি জোরদার থাকায় ওজনের অতিরিক্ত গোলবহন করতে পারছে না। এ জন্য গোলপাতার মূল্য বেড়ে গেছে বলে ব্যবসায়ীরা দাবী করছে। প্রতি নৌকায় ৯জন বাওয়ালী গোলপাতা কাটা, আহরন ও মজুদের কাজে নিয়োজিত থাকে। প্রতি বড় নৌকায় গোলপাতা বহনে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজির টাকা খরচ হয় এবং ছোট নৌকায় প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ হয়। নৌকা প্রতি গোল বিক্রি করে ২৫-৩০ হাজার টাকা লাভ হয়। গোলপাতা ছোট-বড় হিসাবে খুচরা কাউন ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২শ টাকা ও পাইকারী ২ হাজার ৮শ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে। ৮০টি গোলে ১ পোন ২/৩ শত টাকা খুচরা বিক্রি হচ্ছে। গোলপাতা ক্রেতা ভিলেজ পাইকগাছার আবুল হোসেন জানান,পাইকগাছা সহ উপকূল এলাকার মৎস্য লিজ ঘেরের বাসাগুলো গোলপাতার ছাউনি।তা নতুন গোলপাতা ক্রয় করে ঘরের ছাউনি মেরামত করা হবে।
    গোলপাতা ব্যবসায়ী মাহাবুব রহমান জানান, গোলপাতা কাটার পাশ পারমিট পেতে বিড়ম্বনা ও গোলপাতার মন প্রতি ধার্য্য কর বৃদ্ধি পেয়েছে। আর উপরিখরচ দিয়ে আগের মত লাভ হচ্ছে না। তাছাড়া বনে আগের মত ভালো মানের বড় গোলপাতা পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও ব্যবসায় টিকিয়ে রাখার জন্য জীবন বাজি রেখে গোলপাতা কাটতে হয়। তাছাড়া একটি বড় নৌকা তৈরী করতে ইঞ্জিন সহ আনুসাঙ্গিক খরচ দিয়ে প্রায় ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়। প্রতি বছর পুরোনা নৌকা মেরামত করতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়। এ সব খরচ মিটিয়ে গোলপাতা ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হিমসীম খাচ্ছে। তারপরও মৌসুম শুরু হলে ব্যবসায়ীরা সকল বাধা অতিক্রম করে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য সুরন্দরবন থেকে গোলপাতা আহরন করে।

  • টঙ্গীবাড়ীতে কাঠের নকশা ব্যবসায়ীকে খু*ন

    টঙ্গীবাড়ীতে কাঠের নকশা ব্যবসায়ীকে খু*ন

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:

    মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে কাঠের নকশা তৈরির এক ব্যবসায়ী আরেক ফার্নিচার ব্যবসায়ীর হাতে নিহত হয়েছে। শনিবার (১৬ মার্চ) সকাল ৯টায় উপজেলার বাঘিয়া বাজার এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোস্তফা (৪৫) উপজেলার হাটকান গ্রামের মৃত মফিজউদ্দিন খালাসির ছেলে। মোস্তফার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোস্তফা কাঠের নকশা তৈরির কাজ করেন। প্রতিদিনের মত মোস্তফা দোকান খুলে কাজ শুরু করেন। শনিবার সকালে স্থানীয় পাশের পুরা বাজারের ফার্নিচারের দোকানদার রাজন নামের এক ব্যক্তি কাঠে নকশার কাজ করাতে আসেন। তাৎক্ষণিক তাঁর কাঠে নকশার কাজ করে দিতে বলেন রাজন কিন্তু মোস্তফার হাতে কাজ থাকায় এখনই কাজ করে দিতে পারবেনা জানালে এক পর্যায় বাকবিতণ্ডা এবং হাতাহাতির সৃষ্টি হয়। পরে রাজন মোস্তফার অন্ডকোষে টিপ দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যায় মোস্তফা। রাজন সদর উপজেলার নোয়াদ্দা গ্রামের নাসির শিকদারের ছেলে।

    হাটকান গ্রামের বাসিন্দা তুহিন বলেন, অত্যান্ত ভদ্র স্বভাবের একজন মানুষ ছিলেন মোস্তফা। তাকে যে বা যাহারা হত্যা করেছে আমরা এলাকাবাসী হত্যাকারীকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি দাবি করছি।

    নিহত মোস্তফার শশুর হাজী সাত্তার শেখ বলেন, আমার মেয়ের জামাই শান্ত স্বভাবের একজন মানুষ। তাকে যে হত্যা করেছে আমরা তার ফাঁসি চাই।

    মোস্তফার মেয়ে জান্নাত বলেন, আমার বাবাকে যে হত্যা করেছে তার ফাঁসি চাই। রাজনের ফাঁসি চাই। স্ত্রী সুলতানা বেগম বলেন, আমার স্বামীর হত্যাকারী রাজনের ফাঁসি চাই।

    টঙ্গিবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা সোহেব আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে এটা একটি হত্যাকান্ড। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সত্যতা জানা যাবে। নিহতের স্বজনরা মামলা করতে আসলে হত্যা মামলা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে হত্যাকারী রাজনকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • গোদাগাড়ীতে সিজারের সময় গৃহবধূ মারা যাওয়া সেই ক্লিনিক সিলগালা

    গোদাগাড়ীতে সিজারের সময় গৃহবধূ মারা যাওয়া সেই ক্লিনিক সিলগালা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ীর কাকনহাটে অভিযান চালিয়ে একটি ক্লিনিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৬ মার্চ) দুপুরের দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম অভিযান পরিচালনা করে সিলগালা করে দেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানান, গত ১৪ মার্চ দিবাগত রাতে কাকনহাটের সেবা ক্লিনিকে কাকনহাট দরগাপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী আফরোজা খাতুন (৩৫) সিজারিয়ানেরে একগৃহবধূ মারা যায় এবং সেখানে চিকিৎসার ত্রুটির অভিযোগও ছিলো।

    শনিবার দুপুরে সেবা ক্লিনিকে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হলে ক্লিনিক পরিচালনার জন্য কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেন নি। এছাড়াও ক্লিনিকের জেনারেল এনেসথেসিয়া, আবাসিক চিকিৎসক না থাকাসহ নানান অবস্থাপনা পাওয়া যায়। এছাড়াও ক্লিনিকের একটি ফ্রিজে মাছ, মাংস, ভাত, ডাল ও বিভিন্ন ওষুধ পাওয়া গেছে।

    এসব অনিয়ম পাওয়ায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৯ (৫৩) ধারায় সেবা ক্লিনিককে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা ও সিলগালা করে দেওয়া হয়। এসময় ক্লিনিকের মালিক মামুনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন না। তার বাড়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার হরিপুর এলকায়। হাসপাতালে কর্মরত ম্যানেজার মনিরুল ইসলামের উপস্থিতিতে জরিমানা ও সিলগালা করা হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জন স্বার্থে এসব অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকার কথা জানান। এসময় গোদাগাড়ী উপজেলা পরিবার পরিকল্পণা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা, রাশেদুল হাসান শাওন উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলা পরিবার পরিকল্পণা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা, রাশেদুল হাসান শাওন বলেন, ওই ক্লিনিকের বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য তথ্য ছিলো যে সেখানে অনিয়ম ভাবে হাসপাতাল পরিচালনা ও চিকিৎসা দেওয়া হয়। তারই প্রেক্ষিতে আজ এই অভিযান চালিয়ে হাসপাতালটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ এই হাসাপালে কোন কিছুই নিয়ম মাফিক চলে না, নেই কোন নিয়মিত ডাক্তার থাকার নিয়ম। যখন যাকে পাই তাকে ডেকেই চিকিৎসা করানো হতো। এখানে মূলত সিজারিয়ান, এ্যপেনডিসাইডসহ ছোটখাটো রোগীদের অপারেশন করানো হতো।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪’তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন-আইয়ুব আলী ফাহিম

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪’তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন-আইয়ুব আলী ফাহিম

    পূবাইল গাজীপুর প্রতিনিধি:

    সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি
    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪’তম জন্মবার্ষিকী ও শিশু দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি লতা গ্রুপ অফ কোম্পানির চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী ফাহিম।

    বঙ্গবন্ধুর ১০৪’তম জন্মবার্ষিকী ও শিশু দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে আইয়ুব আলী ফাহিম বলেন।১৯২০ সালের ১৭ মার্চ তদানীন্তন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম। তাঁর বাবা শেখ লুত্ফর রহমান এবং মাতা সায়েরা খাতুন। চার বোন, দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি তৃতীয়। বাঙালির বহু বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর সুদূরপ্রসারী বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বিশ্বের বুকে জন্ম নিয়েছিল বাংলাদেশ নামের নতুন একটি জাতিরাষ্ট্র।আগামীকাল ১৭/০৩/২০২৪ইং০৩’ই চৈত্র ১৪২৮ বাংলা ১৩’ই শা’বান ১৪৩৩ হিজরি বৃহস্পতিবার, সেই মহানায়কের ১০৪’তম জন্ম বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস।

    আইয়ুব আলী ফাহিম আরও বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান টুঙ্গিপাড়ার চিরায়ত গ্রামীণসমাজের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আবেগ-অনুভূতি শিশুকাল থেকে গভীরভাবে প্রত্যক্ষ করেছেন। গ্রামের মাঁটি আর মানুষ তাঁকে প্রবলভাবে আকর্ষণ করত। শৈশব থেকে তৎকালীন সমাজ জীবনে তিনি জমিদার, তালুকদার ও মহাজনদের অত্যাচার, শোষণ ও প্রজাপীড়ন দেখে চরমভাবে ব্যথিত হতেন। গ্রামের হিন্দু, মুসলমানদের সম্মিলিত সম্প্রীতির সামাজিক আবহে তিনি দীক্ষা পান অসাম্প্রদায়িক চেতনার। কিশোর বয়সেই তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন। গোপালগঞ্জের মিশন স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগদানের কারণে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমবারের মতো গ্রেপ্তার হয়ে কারাবরণ করেন। এরপর থেকে শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর আজীবন সংগ্রামী জীবনের অভিযাত্রা। তিনি সারাজীবন এ দেশের মাঁটি ও মানুষের অধিকার আদায় এবং কল্যাণের জন্য সংগ্রাম করেছেন। বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য জীবনের ১৪টি বছর পাকিস্তানি কারাগারের অন্ধপ্রকোষ্ঠে বন্দি থেকেছেন, দুইবার ফাঁসির মঞ্চে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন। কিন্তু আত্মমর্যাদা ও বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের প্রশ্নে কখনো মাথানত করেননি, পরাজয় মানেননি। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬-এর ছয়দফা আন্দোলন, ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান পেরিয়ে ৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। বঙ্গবন্ধুর সাহসী, দৃঢ়চেতা, আপসহীন নেতৃত্ব ও বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামে অনুপ্রাণিত হয়ে জেগে ওঠে শত বছরের নির্যাতিত-নিপীড়িত পরাধীন বাঙালি জাতি। মুক্তির অদম্য স্পৃহায় উদ্বুদ্ধ করে তিনি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার চূড়ান্ত সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ করে তোলেন।

    আইয়ুব আলী ফাহিম আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের পর দেশজুড়ে শুরু হয় সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
    মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিসংবাদিত নেতৃত্বে ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ৩০ লাখ শহীদের আত্মদান ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদ্বয় ঘটে, বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের।
    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাত্রিতে বিশ্বাসঘাতকদের নির্মম বুলেটে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব শিশু শেখ রাসেল সহ, সেদিন সপরিবারে নিহত হন।

  • পাকদি নবিন যুব সংঘের উদ্যো প্রবাসীদের সহায়তায় ইফতার সামগ্রী বিতরন

    পাকদি নবিন যুব সংঘের উদ্যো প্রবাসীদের সহায়তায় ইফতার সামগ্রী বিতরন

    আরিফুর রহমান মাদারীপুর:
    মাদারীপুর জেলার বৃহত্তম সেচ্চাসেবী সংগঠন পাকদি নবীন যুব সংঘের উদ্যোগে ১২০ জন হত দরিদ্র মানুষের মাঝে প্রবাসীদের আর্থিক সহযোগিতায় ইফতার সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১১ টায় মাদারীপুর পৌর শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের পাকদি এলাকায় এ অনুষ্ঠানের আযয়োজন করা হয়।
    পাকদি নবীন যুব সংঘের সাধারন সম্পাদক ইকবাল মাহমুদের সঞ্চালনায় সাব্বির হক ফরাজীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাদারীপুর জেলা নিরপাদ চিকিৎসা চাই সভাপতি এ্যাডভোকেট মশিউর রহমান পারভেজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ভারচুয়াল বক্তব্য রাখেন সংঘঠনের উপদেষ্টা সাইদুল হক ফরাজী, ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান ,সাংবাদিক আরিফুর রহমান, উপদেষ্টা সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম নয়ন, জাহিদ ফরাজী,সমাজ সেবক সাইফুল ইসলাম,আয়ুব আলী ফরাজি,জসিম সহ অত্র সংঘঠনের সদস্য।

    আরিফুর রহমান,মাদারীপুরঃ