Category: দেশজুড়ে

  • প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মা-রধরের শিকার কিশোরের মৃ-ত্যু, মা-মলা হলেও গ্রে-ফতার হয়নি কেউ

    প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মা-রধরের শিকার কিশোরের মৃ-ত্যু, মা-মলা হলেও গ্রে-ফতার হয়নি কেউ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ
    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মারধরের শিকার এক কিশোর ১২ দিন পর মারা গেছে। নিহত কিশোরের নাম মো. শিহাব (১৭)। সে উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের মিজানুর রহমান রিপনের ছেলে। চলতি বছর এসএসসি পাস করে সে।

    রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে ছিল শিহাব। শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে সে মারা যায়। এর আগে গত ২০ আগস্ট রাত আটটার দিকে তাকে নির্মম নির্যাতন করা হয়। রিপনের এক ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে শিহাব ছিল সবার বড়। প্রচণ্ড মারধরের পর থেকেই সে অচেতন অবস্থায় ছিল।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিহাব গত ২০ অক্টোবর পার্শ্ববর্তী বান্দুড়িয়া এলাকায় তার প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যায়। সে তেতুলতলা বাকের কাছে গেলে তার প্রেমিকার আত্মীয়-স্বজনেরা তাকে তাড়া দেয়। শিহাব নিজেকে রক্ষা করতে রাতের অন্ধকারে মাঠের মধ্যে দৌড় দেয়। একপর্যায়ে শিহাব দিক হারিয়ে অন্ধকারের মধ্যে পুকুরে ঝাঁপ দেয়। এ সময় কিছু ব্যক্তিও পুকুরে নেমে শিহাবকে মারধর শুরু করেন। এরপর তাকে পুকুর থেকে তুলে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটান।

    একপর্যায়ে শিহাব জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে ঢলে পড়ে। এরপর লাঠি দিয়ে শিহাবকে আরও পেটানো হয়। পরে তাকে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। তারপর স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন। মাথায় গুরুত্বর আঘাত থাকায় তার জ্ঞান ফেরেনি। তাই তাকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। সেখানেই সে মারা গেল।

    শিহাবকে নির্যাতনের ঘটনায় তার বাবা রিপন গত ২৪ অক্টোবর রাতে রতন আলী (৩২), মো. কানন (২২), সুজন আলী (৩২), ইয়ার উদ্দীন (৩২), মো. শরীফ (৩৫), মো. রাব্বি (২৫), মো. হালিম (৩০) এবং মো. কলিম (৩২) নামের নয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও আট থেকে নয়জনকে অজ্ঞাত আসামি করে গোদাগাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। তবে শনিবার দুপুর পর্যন্ত এদের কাউকেই গ্রেপ্তার করতে পারেনি থানা-পুলিশ।

    গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে শিহাব হামলার শিকার হয়েছিল। তিনি তার মৃত্যুর খবর শুনেছেন। ময়নাতদন্তের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আর হামলার ঘটনায় আগেই করা মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে। আসামিদের গ্রেপ্তারে সব ধরনের চেষ্টা চলছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।।

  • বর্তমান সরকার নারীর ক্ষম-তায়নে নিরলসভাবে কাজ করছে-ময়মনসিংহে ডিসি মুফিদুল আলম

    বর্তমান সরকার নারীর ক্ষম-তায়নে নিরলসভাবে কাজ করছে-ময়মনসিংহে ডিসি মুফিদুল আলম

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম বলেছেন, বর্তমান সরকার নারীর ক্ষমতায়নে নিরলসভাবে কাজ করছে। তৃণমূল পর্যায়ের এসব প্রশিক্ষণ নারীদের আত্মনির্ভরশীল হতে সহায়তা করছে। আপনারা যে দক্ষতা অর্জন করেছেন, তা কাজে লাগিয়ে নিজে স্বাবলম্বী হবেন এবং অন্যদেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেবেন।

    রোববার (২ নভেম্বর) দুপুরে শহরের বাঘমারা এলাকায় অবস্থিত তৃণমূল প্রশিক্ষণ অফিসে জাতীয় মহিলা সংস্থা কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী উদ্যোক্তাদের বিকাশ সাধন প্রকল্প’–এর আওতায় এই চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ময়মনসিংহে তৃণমূল পর্যায়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৫০ জন নারী উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ ভাতার চেক প্রদান করা হয়েছে।

    জেলা প্রশাসক ও যুগ্ম-সচিব মুফিদুল আলমের সভাপতিত্বে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন প্রকল্পের মেট্রোপলিটন এলাকা ময়মনসিংহের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মিলি রেজা।

    তৃণমূল প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের হাউস কিপিং ট্রেইনার মোঃ রাসেল মিয়া এবং বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ই-কমার্স ট্রেইনার মোঃ নূরুল হুদার সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অনুষ্ঠানে তিনটি ট্রেডে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রত্যেক ট্রেড থেকে ৫০ জন করে মোট ১৫০ জন নারীকে ৫ হাজার টাকা করে প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হয়। এতে মোট ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

    প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মিলি রেজা বলেন, নারীর অর্থনৈতিক উন্নয়নই সমাজের টেকসই উন্নয়নের চাবিকাঠি। আমরা চাই, এই প্রশিক্ষণ শেষে প্রতিটি নারী নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করুন।

    আলোচনা সভা শেষে জেলা প্রশাসক উপস্থিত ১৫০ জন নারী প্রশিক্ষণার্থীর প্রত্যেকের হাতে প্রশিক্ষণ ভাতার ৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেন।

  • গোবিন্দগঞ্জে ৩ গরু চো-রকে পিটিয়ে হ-ত্যায় ২০০ জনের বি-রুদ্ধে মা-মলা

    গোবিন্দগঞ্জে ৩ গরু চো-রকে পিটিয়ে হ-ত্যায় ২০০ জনের বি-রুদ্ধে মা-মলা

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গরু চুরির ঘটনায় গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫০ থেকে ২০০ জন এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

    রবিবার শেষ রাতে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের নাসিরাবাদ গ্রামে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের নিকট থেকে জানা গেছে, গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী জেলা দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী মাজার এলাকার হেলালীপাড়ায় জনৈক আব্দুস সালামের বসতবাড়ির পার্শ্বে পাকা গোয়াল ঘরের দেয়াল ভেঙ্গে ৩টি গরু চুরি করে পিকআপ যোগে নিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির লোকজন টের পেয়ে চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। তারপর সবাই লাঠিসোঁটা নিয়ে পিকআপটিকে ধাওয়া করলে তারা পার্শ্ববর্তী নাসিরাবাদ গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়। সেখানেও স্থানীয়দের বাঁধার সম্মুখীন হলে পিকআপ থেকে ৩জন রাস্তার পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয়। চালক গরুসহ পিকআপটি নিয়ে পালিয়ে যায়। এদিকে জনতা ইট পাটকেল ছুড়ে তাদের পুকুর থেকে টেনে তুলে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই ২ চোর মারা যায়। অপরজন গুরুতর আহত হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত ২জনের লাশসহ আহত ১জনকে উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেও মারা যায়।

     নিহত ৩জনের মধ্যে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দামপাড়া গ্রামের মালিব্বর মিয়ার ছেলে কাউসার আলী (৩৩) এর পরিচয় পাওয়া যায়। বাকি ২জনের পরিচয় সনাক্ত করার চেষ্টা করছে রংপুর রেঞ্জের সিআইডির ক্রাইম সিনের একটি দল।

    এ ব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) বুলবুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • তৃণমূল বিএনপি থেকে সংসদে যাওয়ার ল-ড়াই—কুমিল্লা-৫ আসনে আলোচনায় চেয়ারম্যান মোঃ সামসুল আলম

    তৃণমূল বিএনপি থেকে সংসদে যাওয়ার ল-ড়াই—কুমিল্লা-৫ আসনে আলোচনায় চেয়ারম্যান মোঃ সামসুল আলম

    তরিকুল ইসলাম তরুণ, কুমিল্লা:
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির তৃণমূলের নেতা মো. সামসুল আলম এখন নির্বাচনী মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তিনি ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তারেক রহমানের রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের বার্তা পৌছে দিচ্ছেন এবং ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আশা প্রকাশ করেছেন।
    দুইবারের নির্বাচিত হয়েছেন সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সামসুল আলম। দীর্ঘদিন বিএনপির তৃণমূল রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের সময় পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন। গত ১৭ বছরে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। স্বৈরাচার হাসিনা কে নামাতে ২০১৩,থেকে ২০২৪ সালের ৫ ই অগাষ্ট পর্যন্ত আন্দোলন করেছেন।এসব আন্দোলনে সিলেট টু কুমিল্লা সড়কের মিরপুর, মাধবপুর এলাকায় ছাত্র জনতা নিয়ে রাস্তা বেরি কেট দেন।এছাড়া
    রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি তিনি এলাকায় উন্নয়ন ও শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার উদ্যোগে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় রাস্তাঘাট, সেতু, স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তিনি মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়সহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
    ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ছাত্র সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক ছিলেন এবং পরে ঢাকার তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন; সে সময় পাক সেনারা তার বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়।
    উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি আধুনিক উপজেলা বিনির্মানের জন্য সরকারি ভাবে বিদেশ সফরেও অংশ নেন। ১৯৮৮ সালে সরকারি পর্যবেক্ষণ সফরে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে প্রতিনিধি হিসেবে ১ মাশের জন্য ইন্দোনেশিয়া গমন করেন,পরে থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর সফর করেন।
    রাজনৈতিক জীবনের সূচনায় তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহ্বানে ১৯৭৮ সালে জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন। পরবর্তীতে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা বিএনপির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে আছেন।
    মোঃসামসুল আলম বলেন, “জনগণের ভালোবাসাই আমার শক্তি। বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিএনপির নীতি-আদর্শ প্রতিষ্ঠা ও বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়াকে আধুনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা আমার অঙ্গীকার।”

  • পঞ্চগড় হাসপাতালের নতুন ভবন চালু করতে জামায়াতের ১০ লাখ টাকা অ-নুদান

    পঞ্চগড় হাসপাতালের নতুন ভবন চালু করতে জামায়াতের ১০ লাখ টাকা অ-নুদান

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের লক্ষ্যে নির্মিত বহুতল ভবন বরাদ্দের অভাবে দীর্ঘদিনেও চালু না হওয়ায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তহবিল গঠণ করে স্বাস্থ্য বিভাগ। এবার সেই তহবিলে ১০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
    রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা প্রশাসক সাবেত আলীর হাতে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন জামায়াতের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।
    এ সময় বক্তব্যে তিনি বলেন, খাদ্য সমস্যা সমাধানে, শিক্ষা এবং দেশের স্বার্থে দলমত দেখা ঠিক নয়। হাসপাতাল চালু করতে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা প্রশংসার দাবিদার। আমাদের এই অনুদান শুধু দলের পরিচিতির জন্য না, এটা মানবিক কাজ।
    তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আমাদের গর্বের প্রিয় দেশ। এই দেশ গড়ার জন্য আমরা দল-ধর্ম নির্বিশেষে আমরা সবাই মিলে কাজ করবো। আর চিকিৎসা, শিক্ষা, দেশের সার্বভৌমত্ব- এসব ক্ষেত্রে আমরা দল এবং ধর্মের পরিচয়ে কাজ করবো না। আমরা দেশের নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবো। আমরা শ্রেষ্ঠ জাতি, আমরা সবাই বনি আদম- ভালো কাজ করার জন্যই আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন। সে হিসেবে সকল মানুষের কল্যাণে কাজ করা আমাদের অন্যতম দায়িত্ব।
    পরে মাওলানা আব্দুল হালিম দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে হাসপাতাল পরিদর্শনে যান। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি না হলে এর কোন মূল্য নেই। জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তির জন্যই আমরা জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের কথা বলছি। গণভোট এবং নির্বাচন দুটোই হতে হবে। একটি হবে একটি হবেনা এটা আমরা মানবোনা।
    মাওলানা আব্দুল হলিম আরো বলেন, কোন রাজনৈতিক দলের সাথে আমাদের বিরোধ নেই। যে যার মত রাজনৈতিক মতামত পেশ করবে এটাই স্বাভাবিক। আমরা ৮টি দল মিলে গণভোট সহ বিভিন্ন দাবি আদায়ে এক হয়ে আন্দোলন করে যাচ্ছি।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইকবাল হোসাইন, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন, গণ অধিকার পরিষদের জেলা শাখার আহ্বায়ক মাহফুজার রহমান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি- জাগপার পঞ্চগড় জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার আলম বিপ্লব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল হাই, খেলাফত মজলিসের সভাপতি হাফেজ মীর মোর্শেদ তুহিন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকালীন সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী প্রমুখ।

  • পটিয়ায় ইজারা বিহীন বালু উ-ত্তোলন যুবদল নেতার

    পটিয়ায় ইজারা বিহীন বালু উ-ত্তোলন যুবদল নেতার

    মহিউদ্দিন চৌধুরী।।
    পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসদরের শ্রীমাই খালে স্থানীয় এক যুবদল নেতার নেতৃত্বে ইজারা বিহীন অবৈধ বালু উত্তোলন চলছে। এতে একদিকে সরকার হারাচ্ছে বিপুল রাজস্ব, অন্যদিকে খালের তীর ভাঙ্গন ও কৃষিজমি চরম ক্ষতির মুখে পড়ছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পৌরসদরের ৭নং ওয়ার্ডের বাহুলী এলাকায় প্রতিদিন গভীর দিনরাত সমান রাতে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। প্রশাসনের নিরব ভূমিকার সুযোগে তারা দিন-রাত ডজনখানেক ট্রাকে বালি পরিবহন করছে। এতে দৈনিক প্রায় এক থেকে দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বালু সিন্ডিকেট। তাছাড়া বালুর পিকআপ চলাচলের কারণে সড়কের বেহাল দশা তৈরি হয়েছে, আর স্থানীয়দের নিরাপত্তাও মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, যুবদল নেতা এস. এম. রেজা রিপন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এনামুল হক এনামের প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ বালু ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রশাসনের তৎপরতা না থাকায় প্রতিদিন খালের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
    খালে বর্তমানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির হাইড্রোলিক অ্যালিভেটর ড্যাম। পাশাপাশি খালের দুই তীরের ভাঙ্গন রোধে ৪.৪ কিলোমিটার এলাকায় ব্লক বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় প্রায় ১৩৩ কোটি টাকা এবং ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
    প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পটিয়া পৌরসভা ও হাইদগাঁও, কেলিশহর ও কচুয়াই ইউনিয়নের প্রায় ১,১০৮ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা পাওয়া যাবে। ২০২৩ সালের ১৭ জানুয়ারি একনেক সভায় অনুমোদন পাওয়া এই প্রকল্পটি ২০২৬ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। সম্পন্ন হলে শুষ্ক মৌসুমে এটি ৩৭ কোটি লিটার পানি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন হবে, যা এলাকার কৃষি উৎপাদনে বিপ্লব ঘটাতে পারে।
    কিন্তু অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে খালের দুই তীর ভেঙ্গে পড়ছে, পানি ধারণ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে এবং পুরো প্রকল্পের কাঠামো হুমকির মুখে পড়েছে।
    উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন সম্পাদক নাসির উদ্দিন বলেন, ‘ইজারাবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের ফলে হাইদগাঁও এলাকার কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন। সরকার যেখানে শত কোটি টাকা ব্যয়ে উন্নয়ন কাজ করছে, সেখানে অসাধু সিন্ডিকেট খাল ভেঙে কৃষিজমি ধ্বংস করছে।’
    পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আবসার উদ্দিন সোহেল বলেন, ‘এস. এম. রেজা রিপন বর্তমান যুবদলের কমিটির কেউ নন। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে যুবদলের নাম ব্যবহার করতে পারেন।’
    রফিক নামের এক কৃষক জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে এই অসাধু চক্র আমাদের জমি নষ্ট করছে। প্রশাসন জানলেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমরা দ্রুত প্রতিকার চাই।’
    বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশী এনামুল হক এনাম অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ‘কোনো চোর-ডাকাত বা সন্ত্রাসীর স্থান আমার দলে নেই। রিপন অপরাধে জড়িত থাকলে প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নিক। আমার নাম বা দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপরাধ করলে তার দায় আমি বা দল নেবে না।’

    পটিয়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রয়া ত্রিপুরা বলেন, ‘ওই খালে কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি। কেউ যদি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে থাকে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান জানান, ‘কয়েকদিন আগেও আমরা অভিযান চালিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করেছিলাম। যদি পুনরায় এমন কাজ হয়, তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  • ময়মনসিংহে পরিবারতন্ত্রে জিম্মি ময়মনসিংহ বড় মসজিদ-মাদ্রাসা

    ময়মনসিংহে পরিবারতন্ত্রে জিম্মি ময়মনসিংহ বড় মসজিদ-মাদ্রাসা

    আরিফ রব্বানী।।

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা মাওলানা আব্দুল হকের আধিপত্যবাদ এবং পরিবারতন্ত্রে জিম্মি হয়ে পড়েছে ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ফয়জুর রহমান বড় মসজিদ ও মাদরাসা। এনিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদ করায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের দিয়ে হামলা, অবরুদ্ধ করে শিক্ষককের উপর আঘাত, জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা, প্রশাসন নিয়ে কটুক্তিসহ নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এসব ঘটনায় বিব্রত জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দলের রাজনীতিকরা। ঘটনার নিন্দা জানিয়ে কঠোর আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন সকলেই।জামিয়া ফয়জুর রহমান বড় মসজিদ ও মাদরাসার প্রধান মাওলানা আব্দুল হক এর এসব আধিপত্যবাদ এবং পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মাদ্রাসা শিক্ষকরা জেলা প্রশাসক ও চক বাজার জামে মসজিদ ওয়াকফ এস্টেট কমিটির সভাপতির বরাবরে অভিযোগ করলে কমিটির সদস্যরা তদন্ত পুর্বক ব্যবস্থা হিসাবে স্বেচ্ছাচারীতার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিলে এসব সিদ্ধান্ত আব্দুল হক এর স্বেচ্ছাচারীতা অনিয়মের বিরুদ্ধে হওয়ায় মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রাস্তায় আন্দোলনে নামিয়ে দেন।

    ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা যায়-গত ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর-২৪ সালে চক বাজার জামে মসজিদ ওয়াকফ এস্টেট কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব নেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম। দায়িত্ব পালন কালে কমিটির যেকোন সিদ্ধান্ত প্রায়শই অমান্য করে প্রধান শিক্ষক মাওলানা আব্দুল হক। কমিটির সিদ্ধান্তকে অমান্য করে তার পক্ষে মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রাস্তায় আন্দোলনে নামিয়ে নাজুক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালিয়েছে। গত ২৪ সালের ১৯শে নভেম্বর মাদ্রাসার লাঞ্ছিত শিক্ষক আজিজুল হক এর একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওয়াকফ্ কমিটি সিদ্ধান্ত মোতাবেক আজিজুল হকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে ইসলামিক ফাউণ্ডেশনকে নিয়োগ করা হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা আজিজুল হকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের কোন প্রমাণ না পেয়ে তাকে দায়িত্ব পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নিলে মাওলানা আবদুল হক এর পক্ষ থেকে পরে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বরং মাওলানা আজিজুল হককে বহিষ্কার করতে ষড়যন্ত্র করে ছাত্রদের আন্দোলনে নামানো হয়। এসব ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত মাওলানা আব্দুল হক এর জামাতা মুফতি সারোয়ার হুসাইন,আরো দুই মেয়ের জামাতা, এক ছেলে ও এক নাতি। তৎপ্রেক্ষিতে ওয়াকফ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক আজিজুল হককে পুনর্বহাল ও মেয়ের জামাতা সারোয়ার হুসাইনকে প্রধান শিক্ষক পদসহ কমিটির সকল পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় কমিটি। একই সাথে মাদ্রাসার প্রধান আব্দুল হক সাহেবের আরেক মেয়ের জামাতা মাওলানা তফাজ্জল হোসেন একই সাথে ত্রিশাল ও নিজস্ব মসজিদ পরিচালনা করেন বিদায় বড় মসজিদ মাদ্রাসার খন্ডকালীন শিক্ষকতার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নিয়ে মাদ্রাসার দ্বিতীয় সিনিয়র আলেম মাওলানা রইসুল ইসলামকে নায়েবে মুহতামিম এর দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিটি। এসব সিদ্ধান্ত মিটিং চলাকালে মাওলানা আব্দুল হক সাহেব মেনে নিলেও পরবর্তীতে মিটিং থেকে বেরিয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষার্থীদের প্ররোচনা করে সিদ্ধান্ত মানা হয়নি জানিয়ে আন্দোলনে নামার উৎসাহিত করে ধ্বংসাত্মক আন্দোলন কার্যক্রম চালায় শিক্ষার্থীরা । এসব বিষয়ে আরো একাধিক বার ওয়াকফ্ কমিটি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও কমিটির মিটিং চলাকালে আব্দুল হক সাহেব সব মেনে নিলেও মিটিং থেকে মাদ্রাসা গিয়েই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্ররোচনায় ফেলে আন্দোলনে নামিয়ে নগরীর শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করে তুলেন। কমিটির সিদ্ধান্ত মাদ্রাসা বড় হুজুর আব্দুল হক সাহেবের স্বার্থের বাইরে গেলেই কমিটির সভাপতি ডিসির প্রত্যাহারে ছাত্রদের উস্কানি দিয়ে আন্দোলন করতে উৎসাহিত করা হয় এমন দাবি উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।

    গত ২৭ অক্টোবর রাতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে মাদরাসায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিবাদমান দুইটি পক্ষের বৈঠকের পর হঠাৎ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় মাওলানা আব্দুল হকের অনুসারিদের হামলায় শিক্ষক হাফেজ মো. শহীদুল্লাহ (৫৫) আহত হন। এ ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাকর হয়ে উঠলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসনের হস্থক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

    জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম বিগত প্রায় এক বছর ধরে চলা জামিয়া ফয়জুর রহমান বড় মসজিদ ও মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা আব্দুল হকের আধিপত্যবাদসহ চলমান সকল ঘটনার বিষয়ে ওয়াকফ্ কমিটির সভায় পর্যায়ক্রমে বিস্তারিত তুলে ধরেন। সেই সাথে শান্তি বজায়ে রেখে উদ্ভুত পরিস্থিতি নিরসনে সকলের সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করেন।

    কিন্তু বিষয়টি র্স্পশকাতর ধর্মীয় স্থান হওয়ায় এবং ঘটনার সঙ্গে মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জড়িত থাকায় বিষয়টি নিয়ে বিব্রতবোধ করছেন অনেকেই।
    বড় মসজিদের এই আলোচিত ঘটনাটি নিয়ে নগরীর বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা বিব্রত। বারবার চেষ্টা করেও ঘটনার সামাধান করা যাচ্ছে না, এটা তারা মেনে নিতে পারছেন না। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করছেন স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ আলেমগনের পরামর্শে বড় মসজিদ ও মাদরাসার এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির স্থায়ী সামাধান হবে।

  • ‎সুনামগঞ্জ জাদুকা-টা নদীতে পাড়কেটে বালু উত্তোলন করে কৃত্রিম নদী বানাচ্ছে জামাই শশুর ‎

    ‎সুনামগঞ্জ জাদুকা-টা নদীতে পাড়কেটে বালু উত্তোলন করে কৃত্রিম নদী বানাচ্ছে জামাই শশুর ‎

    ‎কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    ‎সুনামগঞ্জ তাহিরপুর উপজেলার জাদুকাটা নদীতে  রাতের আধারে অবৈধ  ভাবে পাড়কেটে বালু উত্তোলন করে কৃত্রিম নদী বানাচ্ছে  জামাই শশুর। ঘটনাটি ঘটছে প্রায় মাস খানেক ধরে? জানা যায় তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর পার্শ্ববর্তী ডালারপাড় গ্রামের বাসিন্দা  বিল্লাল মিয়ার বাড়ির পিছনে যাদুকাটা নদীর তীরে প্রতিনিয়ত রাতের আধাঁরে অবৈধ ভাবে ইজারা বিহীন  বনও খনিজ মন্ত্রণালয়ের জায়গা থেকে কোটি কোটি  টাকার  বালু উত্তোলন করে নিয়ে  যাচ্ছে একটি চক্র। আর এই চক্রের মুলহুতা জামাই এবং শশুর। তারা হলেন ডালার পাড় গ্রামের বাসিন্দা মৃত ইশু মিয়ার ছেলে জামাল উদ্দিন এবং তার মেয়ের জামাই নয়ন মিয়ার নেতৃত্বে পাড়কেটে ডালারপাড়  গ্রামের ভিতর দিয়ে কৃত্রিম নদী বানানে হচ্ছে ?  যা এলাকার গ্রামবাসীর বাড়িঘর, রাস্তাঘাট নদীর গর্ভে বিলিনের পথে।  শতশত বাড়ি ঘর রয়েছে নদীর স্রুতের মুখে?  অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে জামাই শশুর মিলে ডালার পাড় গ্রামকে বানাচ্ছে কৃত্রিম নদী । আর এসব কিছু চলছে তাহিরপুর থানা পুলিশের চোখের সামনে?   এতে করে হুমকির মুখে পড়েছে প্রায় চার হাজার মানুষের বাড়িঘর। রাত ৩টা থেকে ভোর সকাল ৮ টা পর্যন্ত চলে অবৈধ সেভ মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। স্থানীয় সাধারণ মানুষেরা এদের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায়না। প্রশাসন কেন এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না সেটাই এখন সাধারণ মানুষের মনে এক রহস্যময় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে? নাকি প্রশাসনের লোকেদের যোগসাজশে চলছে এমন কর্মকান্ড? কিছু দিন আগে বন ও পরিবেশ অধিদপ্তর ঐ সমস্ত বালু খেকোদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ  দায়ের করেন। তার পরেও থামেনি জামাই শশুর সিন্ডিকেটের বালু লুঠপাটের তরঙ্গ নীলা।
    ‎এব্যপারে তাহিরপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল হাসেমের  কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ডালার পাড়ের বিষয়টি শুনেছি  খুঁজনিয়ে  জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।
    ‎এব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
    ‎উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন এমনটাই প্রত্যাশা অসহায় নদীর পাড়ে বসবাসরত সাধারণ মানুষের।  ##

  • বিএনপি ক্ষ-মতায় গেলে প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান- মোশাররফ

    বিএনপি ক্ষ-মতায় গেলে প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান- মোশাররফ

    রফিকুল ইসলাম,
    দীর্ঘ স্বৈরশাসনের অবসানের পর আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা বিএনপির আয়োজিত জনসভায় মানুষের ঢল নেমেছে। শনিবার বিকেল ৩টায় উপজেলা পরিষদ মাঠে আয়োজিত এ জনসভায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে দলে দলে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ সমবেত হন।

    জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন,

    গত ১৫ বছর একটি দল মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, রাষ্ট্রের সম্পদ লুট করেছে। কিন্তু বিএনপি সবসময় মানুষের পাশে থেকেছে, বিপদের সময় মন্দির, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় আমাদের নেতাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করেছেন।

    তিনি আরও বলেন,
    আগামীতে যদি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ বিএনপি সরকার গঠন করবে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রধানমন্ত্রী হবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
    তারেক রহমানের ঘোষণার উল্লেখ করে মোশাররফ হোসেন বলেন,

    দেশের প্রতিটি পরিবারের সবচেয়ে বয়স্ক নারীর নামে একটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে তিনি সরকারের মাসিক অনুদান পাবেন। পাশাপাশি যারা লেখাপড়া শেষ করে চাকরি না পাবে, তাদের জন্য এক বছর পর্যন্ত বেকার ভাতা চালু করা হবে।

    রাঙ্গাবালীর উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,

    বাংলাদেশে একমাত্র যে উপজেলায় এখনো হাসপাতাল নেই, সেটি রাঙ্গাবালী। অথচ ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকেও আওয়ামী লীগ এ উপজেলার উন্নয়ন করেনি। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাঙ্গাবালীর উন্নয়ন হবে জনগণের দাবি অনুযায়ী।
    হিন্দু, বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন,

    বিএনপি বিশ্বাস করে বাংলাদেশে বসবাসকারী সবাই সমান, সবাই বাংলাদেশি। ধর্ম, বর্ণ বা মত নির্বিশেষে সবার অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুর রহমান ফরাজি, সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ হাওলাদার।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন শিকদার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. হাফিজুর রহমান চুন্নু তালুকদার, সাবেক আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মনির, রাঙ্গাবালী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আজাদুল ইসলাম বাবুল, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রাকিববুল হাসান মুরাদ, সাবেক সভাপতি কবির হোসেন তালুকদার, সদস্য আমিনুল ইসলাম মঞ্জু, যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান নান্নু, বিএনপি নেতা হাজী আল-মামুন, যুবদল আহ্বায়ক অরুণ মীর ও সদস্য সচিব নিয়াজ আকন প্রমুখ।

    জনসভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই উপজেলা পরিষদ মাঠ ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। বিএনপির নেতাকর্মীদের মিছিল, স্লোগান ও ব্যানারে মুখর হয়ে ওঠে পুরো উপজেলা।

    ###

  • পটিয়ায় বিএনপির ৩১ দফার লিফলেট বিত-রণ ও জনসংযোগ

    পটিয়ায় বিএনপির ৩১ দফার লিফলেট বিত-রণ ও জনসংযোগ

    মহিউদ্দীন চৌধুরী।। শনিবার বিকালে চট্টগ্রামের পটিয়া নাহার পার্কে অনুষ্ঠিত বিজনেস প্ল্যাটফর্মের উদ্যোক্তা তিন দিনব্যাপী মেলায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক জাতির সামনে উপস্থাপিত “রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা” লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
    ছিলেন চট্টগ্রাম (১২ পটিয়া) আসনের
    বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপি সদস্য জাহাঙ্গীর কবির, পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন চৌধুরী, জিল্লুর রহমান, আবু জাফর চৌধুরী, আঙ্গুর মেম্বার, আব্দুল মাবুদ, নাজমুল হোসেন, মোঃ জাবেদ, ইমতিয়াজ, রুবেল আশরাফ উদ্দিন নয়ন প্রমুখ।এছাড়াও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন জাফরুল ইসলাম, ফরিদুল আহমদ, জয়নাল আবেদীন আঙ্গুর, আবু তৈয়ব,
    আমির হোসেন সওদাগর, নাজিম উদ্দিন, আব্দুর রহিম, আব্দুল হক ঝুনু, মোঃ জিয়া, মোঃ ইব্রাহীম মির্জা, মোঃ কামাল ও মোঃ শহিদসহ পটিয়া উপজেলা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা লিফলেট বিতরণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের উপস্থাপিত ৩১ দফা রাষ্ট্র মেরামত কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দেশ ও গণতন্ত্র নতুন দিগন্তে পৌঁছাবে।