Category: দেশজুড়ে

  • নলছিটিতে আন্ত বিদ্যালয় কুইজ প্রতিযোগিতা অ-নুষ্ঠিত

    নলছিটিতে আন্ত বিদ্যালয় কুইজ প্রতিযোগিতা অ-নুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি সংবাদদাতা : মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে পশ্চিম প্রেমহার যুব সংগঠনের উদ্যোগে আন্ত বিদ্যালয় কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার( ৩ নভেম্বর) এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন, বিশেষ অতিথি ছিলেন নলছিটি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শামসুন্নাহার ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা আনিচুর রহমান হেলাল খান, ভলান্টিয়ার্স অব নলছিটির আহবায়ক শাহাদত আলম ফকির প্রমুখ।

    ভৈরবপাশা ইউনিয়নের প্রেমহার মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বের দায়িত্ব পালন করেন ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও নলছিটি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ সহকারী কর্মকর্তা মো. অহিদুল ইসলাম।

    কুইজ প্রতিযোগিতায় অত্র বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেনীর শিক্ষার্থী অংশ নেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ( ভারপ্রাপ্ত) মো. জয়নাল আবেদীন মিয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক মো. নুর ই আলম। কুইজ প্রতিযোগিতার পরিচালনায় ছিলেন পশ্চিম প্রেমহার যুব সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাব্বির আহমেদ।

  • কাশিয়ানীতে মহিলা দলের এক নেত্রীর অ-ত্যাচারে অতি-ষ্ঠ এলাকাবাসী

    কাশিয়ানীতে মহিলা দলের এক নেত্রীর অ-ত্যাচারে অতি-ষ্ঠ এলাকাবাসী

    কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জঃ

    গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা মহিলা দলের এক নেত্রীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। দলীয় পদ ব্যবহার করে একের পর এক লোকজনকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো, মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, মারধর ও হয়রানির অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

    অভিযুক্ত নেত্রী হলেন কাশিয়ানী উপজেলা মহিলা দলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক লাইজু বেগম। সে ফুকরা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য শওকত হোসেন সরদারের মেয়ে।

    লাইজু বেগমের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে খোদ বিএনপি নেতাসহ শতাধিক ভুক্তভোগী তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। এই দুশ্চরিত্র নারীর কবল থেকে বাঁচতে চান তারা সকলে।

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা গেছে, মহিলা দল নেত্রী লাইজু একাধিক বিয়ের তথ্য গোপন করে ‘সুন্দরী চেহারার আড়ালে’ বিভিন্ন লোকজনকে ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। দলের নাম ভাঙিয়ে লোকজনকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো এবং মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া তার পেশায় পরিণত হয়েছে। তার কর্মকান্ডে গোটা ফুকরা ইউনিয়নবাসী অতিষ্ঠ। এমনকি স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরাও তার হাত থেকে রক্ষা পাননি।

    স্থানীয় বিএনপি নেতা বদরুল আলম বলেন, ‘গত ১০ অক্টোবর লাইজু বেগমের আগের স্বামী লোহাগড়া উপজেলার চরদৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা আপেল মাহমুদ ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে ফুকরা বাসস্ট্যান্ডে আমার কাউন্টারে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় লাইজু অতর্কিকভাবে কাউন্টারে মধ্যে ঢুকে তার ওপর চড়াও হয়। এক পর্যায় মারধর করতে উদ্যত হলে আমি বাধা দেই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওইদিন থানায় গিয়ে আমার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ করে। ১২ দিন পর একই ঘটনাস্থল দেখিয়ে আদালতে আমিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। লাইজু এভাবে বিভিন্ন লোকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা-অভিযোগ করে টাকার বিনিময় আপোষ করে। আমরা গ্রামবাসী এই দুশ্চরিত্র নারীর কবল থেকে বাঁচতে চাই।

    ফুকরা গ্রামের ভ্যান চালক চঞ্চল মোল্যা বলেন, ‘দুই মাস আগে লাইজু ফুকরা বাজার থেকে একটি ওয়ারড্রব বাড়িতে পৌছে দিতে বলে। ভ্যান বাড়িতে না যাওয়ায় রাস্তা পর্যন্ত পৌছে দেই। আমাকে রাস্তা থেকে মাথায় করে নিয়ে পৌছে দিতে বলে। আমি অসুস্থতার কারণে ওয়ারড্রব বাড়ি পৌঁছে দিতে রাজি না হওয়ায় লাইজু নিজেই তা বহন করতে গিয়ে ভেঙে ফেলে। এরপর আমার কাছে ৪ হাজার টাকা দাবি করে এবং র‌্যাব-পুলিশের ভয় দেখা। একপর্যায়ে ‘গায়ে হাত দেওয়ার’ মিথ্যা অভিযোগ তুলে বলে, ‘টাকা দিবি না, তাহলে আমার গায়ে হাত দিলি কেন?’ অথচ সে আমার মেয়ের বয়সি। পরে মান-ইজ্জতের ভয়ে ২ হাজার টাকা দিয়ে রক্ষা পাই।’

    ধলগ্রামের বাসিন্দা সাজ্জাদুল ইসলাম রানা বলেন, গত এক সপ্তাহ আগে আমার মুঠোফোনে অজ্ঞাত নাম্বার থেকে কল করে লাইজু আমাকে বাজারে ডেকে নেয়। সেখানে আমার ওপর চড়াও হয় এবং আমার মোটর সাইলেলের চাবি কেড়ে নেয়। এক পর্যায় মামলার ভয় দেখায়। লাইজু একজন চরিত্রহীন নারী, লোকজনকে মামলা দিয়ে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেয়। এই দুশ্চরিত্র নারীর হাত থেকে বাঁচতে চায় এলাকাবাসী। তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হোক।’

    ফুকরা বাজারের কম্পিউটার ব্যবসায়ী শাহ আলম বলেন, ‘লোকজনকে বিপদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া তার নেশায় পরিণত হয়েছে। তবে আমার ধারণা সে মানসিকভাবে অসুস্থ। তার কর্মকান্ডে এলাকা ও দলের বদনাম হচ্ছে।’

    লিটন সরদার নামে এক যুবক বলেন, ‘লাইজু আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করেছে। সে এখন আপোষের কথা বলে লোক মারফতে মোটা অংকের টাকা দাবি করছে। টাকা দিলে সে মামলা প্রত্যাহার করবে। আমরা ফুকরা ইউনিয়নবাসী এই নারীর হাত থেকে বাঁচতে চাই।’

    এ সকল অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত লাইজু বেগমের মুঠোফোনে ০১৭…৫৮৪ নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    এ বিষয় কাশিয়ানী উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি শিলা বেগম বলেন, ‘আমি একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবো”।

  • রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মলে আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবে মিলাদ ও দো-য়া অনুষ্ঠিত

    রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মলে আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবে মিলাদ ও দো-য়া অনুষ্ঠিত

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মল (৩য় তালা), চলন্ত সিঁড়ির পাশে কক্ষ নং ৩১১, জামগড়া, আশুলিয়া, ঢাকায় আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের স্থান পরিবর্তন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৩ নভেম্বর ২০২৫ইং) বিকেলে বাদ আছর আশুলিয়ার জামগড়ায় রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মল এর (৩য় তালায়) ৩১১ নং কক্ষে আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবটির শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে নতুন ঠিকানায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের আশুলিয়া থানা কমিটির ১ নং সহ-সভাপতি জনাব মোঃ বকুল ভুঁইয়া, তিনি বলেন, সাংবাদিকরা হলেন দেশ ও জাতির বিবেক, সাংবাদিকরা সমাজের আয়না, প্রতিদিন চলমান ঘটনা সত্যটা জনগণের সামনে তুলে ধরা তাদের কাজ, তবে চোখ কান খোলা রেখে সাবধানতা অবলম্বন করে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হয়। আপনাদের সাংবাদিকদের অনুষ্ঠানে আমি সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে আনন্দিত, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন সবসময় এরকম সামাজিক কাজে সবার সাথে থেকে মানুষের সেবামূলক কাজ করতে পারি।

    আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) এর সভাপতিত্বে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সকল সদস্য আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি, আমাদের কারো সাথে কোনো বিবাদ নেই, আমরা সবার সাথে সমন্বয় করে চলি, তবে আমরা কারো সাথে লাগতে যাই না, তবে কেউ আমাদের সাথে লাগলে তাদেরকে ছাড় দিবো না। যারা আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও সাংবাদিকদের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে আমরা তাদের এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মল এর সিকিউরিটি ইনচার্জ জামাল সাহেব. এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কহিরুল ইসলাম খাইরুল, সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ চিশতী, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, এ ছাড়াও ঢাকার ডাক পত্রিকার আশুলিয়া প্রতিনিধি নাজমুল ইসলাম, দেশেরপত্র পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার দাউদুল ইসলাম নয়ন, মোকাম্মেল মোল্লা সাগর, সৌরভসহ বিভিন্ন মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ মিলাদ ও দোয়ায় অংশগ্রহণ করেন। সবশেষে জুলাই বিপ্লব জুলাই আগষ্টে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

  • সেনবাগে মইজদীপুর দারুল উলুম কামু মিয়া মাদ্রাসায় ইসলাহী মাহফিল অ-নুষ্ঠিত

    সেনবাগে মইজদীপুর দারুল উলুম কামু মিয়া মাদ্রাসায় ইসলাহী মাহফিল অ-নুষ্ঠিত

    রফিকুল ইসলাম সুমন
    (নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি)

    নোয়াখালী সেনবাগের ঐতিহ্য বাহী মইজদীপুর দারুল উলুম কামু মিয়া মাদ্রাসার উদ্দ্যোগে হিফজ ছাত্রদের সবক প্রদান উপলক্ষে ইসলাহী মাহফিল -২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। ২রা নভেম্বর রবিবার বিকেলে মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানবীর আলহাজ্ব সোহরাব হোসেন সুমনের সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি হারুনুর রশিদের সার্বিক তত্বাবধানে আয়োজিত, মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে তাশরীফ পেশ করেন,লক্ষীপুর কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান, পীর সাহেব আল্লামা খালেদ সাইফুল্লাহ।এসময় আরও গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন, ঢাকা কুরআনের ধ্বনি ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল,
    বিশ্বজয়ী হাফেজ নাজমুস সাকিব,সেনবাগ জামেয়া ইব্রাহীমিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা রহিমুল্লাহ বশিরী,
    লক্ষীপুর পোদ্দার বাজার
    মাদরাসাতুল আবরার প্রধান ক্বারী
    হাফেজ ক্বারী মাহফুজুর রহমানসহ দেশবরেণ্য অসংখ্য আলেম ওলামাগন।এসময় মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক জাফর উল্লাহ,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, ইন্জ্ঞিনিয়ার আজমত হোসেন সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠানে হিফজ ও নাজেরা বিভাগের ৮ জন ছাত্রকে সবক প্রদান করা হয়।

  • সলঙ্গায় শিক্ষার বা-তিঘর মোস্তফা প্রি-ক্যাডেট স্কুল 

    সলঙ্গায় শিক্ষার বা-তিঘর মোস্তফা প্রি-ক্যাডেট স্কুল 

    জি.এম স্বপ্না, সিরাজগঞ্জ : 
    “সুশিক্ষা সুবিবেক গঠন করে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়ে রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গায় গড়ে উঠেছে মোস্তফা প্রি- ক্যাডেট স্কুল।সলঙ্গায় স্বনামধন্য সরকারি,বেসরকারি ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে তাল মিলিয়ে যুগোপযোগী শিক্ষার মান যথাযথ অটুট রেখে সুদক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা দ্বারা সুশীতল ছায়াঘেরা মনোরম পরিবেশে শিক্ষাদান করে চলেছেন মোস্তফা প্রি- ক্যাডেট স্কুল।কচি কন্ঠের শিক্ষা- সংস্কৃতির অন্যতম বিদ্যাপিঠ স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ মোস্তফা জামান একজন সুশিক্ষিত আলোকিত মানুষ।এলাকার অসচ্ছল, শ্রমজীবী,ব্যবসায়ী,চাকরিজীবিসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সন্তানদের মান সম্মত শিক্ষার জন্য অভিভাবকেরা  এই স্কুলে ভর্তি করে থাকেন।সলঙ্গার সচেতন মহলের সহযোগীতায় অধ্যক্ষের দৃঢ় মনোবল ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল হিসেবে আজ স্কুলটি সলঙ্গায় সুশিক্ষার শ্রেষ্ঠ বাতিঘর হিসেবে সবার কাছে পরিচিতি লাভ করেছে।কিছুদিন ধরে স্থান পরিবর্তন করে ৪০০ গজ দক্ষিনে সলঙ্গা টু বড়গাছা মেইন রাস্তার সংলগ্ন পশ্চিম পার্শ্বে নতুন ক্যাম্পাস গড়ে উঠেছে।কোলাহলমুক্ত,নিরিবিলি ও শান্ত পরিবেশে বিশাল পরিসরে শিক্ষাবান্ধব নিজস্ব ভবনে পরিচালিত হচ্ছে স্কুলটির কার্যক্রম।সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত শতভাগ নিরাপত্তায় শত শত শিক্ষার্থী নিয়ে চলছে বর্তমান পাঠদান।স্কুলটিতে রয়েছে শিক্ষার্থীদের শতভাগ ইউনিফর্ম,সুইমিং পুলসহ বিনোদনের সকল অবস্থাই রয়েছে।  

    স্কুলের স্মাট,মেধাবী ও পরিশ্রমী ২০ জন শিক্ষক/কর্মচারী তাদের দক্ষতা ও নিষ্ঠা দিয়ে স্কুলটির পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন।এ কারণে স্কুলটিতে রয়েছে অভাবনীয় সাফল্য,সুনাম ছড়েছে শ্রেষ্ঠ  আলোকবর্তিকা হিসেবে।সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালন,শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে সৃজনশীলতা,বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা, বিতর্ক,নৃত্য,আবৃত্তি,চিত্রাঙ্কন,সাধারন জ্ঞান প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয় এ স্কুলে।শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর,মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণের যাবতীয় ব্যবস্থা রয়েছে এই স্কুলটিতে।শিক্ষার পরিবেশ বজায় রেখে শিক্ষাবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্কুলটিকে এগিয়ে নিতে কর্মরত সকল শিক্ষক/কর্মচারীদের সাথে নিয়ে হাস্যোজ্জ্বল,নিবেদিত প্রাণ আন্তরিক অধ্যক্ষ মোস্তফা জামান সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি আরও সকলের সহযোগীতা ও পরামর্শ কামনা করেন।

  • তানোরে গো-খাদ্যর সং-কট বি-পাকে গৃহস্থ-খামারি

    তানোরে গো-খাদ্যর সং-কট বি-পাকে গৃহস্থ-খামারি

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে গবাদিপশু খাদ্যর (খড়) তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। খড়ের দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষকেরা নির্ভর করছে কচুরিপানা ও ঘাষের ওপর। তবে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে অকাল বন্য। গত ২৯ অক্টোবর বুধবার থেকে ৩১ শুক্রবার রাতে স্মরণকালের ভয়াবহ ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে, অকাল বন্য ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টির ফলে,গোচারণভূমি ও ফসলের মাঠ ডুবে যাওয়ায় জমির আইল থেকে ঘাস কাটতে পারছে না।এতে গোখাদ্যর সংকট আরো প্রকট হয়ে উঠেছে।
    স্থানীয় কৃষকেরা জানান, বর্তমান সময় খড়ের কেজি ও আঁটির দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ কৃষকের পক্ষে তা কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। মেশিনে কাটা এক কেজি খড় বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। ফলে গরুর জন্য সহজলভ্য খাবার হিসেবে কচুরিপানা (দল) কেটে ঘরে নিয়ে যাচ্ছেন তারা। তবে অকাল বন্যার কারণে সেটাও বন্ধের পথে।
    তানোরের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা মাঠ ও পুকুর-ডোবা থেকে কচুরিপানা (দল) সংগ্রহ করছেন। কেউ বাঁশ বা লাঠির সাহায্যে পানির ভেতর থেকে টেনে তুলছেন, আবার কেউ নৌকা ব্যবহার করছেন। কৃষকদের মতে, কচুরিপানা (দল) গরুর জন্য খুব একটা পুষ্টিকর খাবার নয়, তবে খড়ের চড়া দামের কারণে বিকল্প হিসেবে এটি একমাত্র ভরসা।
    স্থানীয় কৃষক আব্দুল ও আয়ুব বলেন, “আগে খড়ই ছিল গরুর প্রধান খাবার।কিন্ত্ত এখন ১৪ হাজার টাকা কাউন ও মেশিনে কাটা খড় ৩০ টাকা কেজি। এত দামে আমাদের পক্ষে কেনা সম্ভব নয়। তাই কচুরিপানাই (দল) ভরসা।”
    কৃষকরা জানান, খড়ের সংকট অব্যাহত থাকলে গরু মোটাতাজাকরণ ও কৃষি কাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তারা সরকারের কাছে খড়ের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং বিকল্প পশুখাদ্য সহজলভ্য করার দাবি জানিয়েছেন।
    উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, হঠাৎ বন্যায় আধাপাকা
    আমণখেত পানির নিচে।আবার গো-খাদ্যর অন্যতম উৎস্য ঘাস নষ্ট।অন্যদিকে টি-আমণ ধান কিছুটা আধা পাকা অবস্থায় হারভেষ্টার মেশিন দিয়ে কাটা মাড়াই করায় গো-খাদ্যের চরম সংকট দেখা দেয়। কিছু কিছু এলাকায় খড় পাওয়া গেলেও প্রান্তিক গবাদিপশু পালনকারীদের হাতের নাগালে নেই দাম। বাজারে বিক্রি করা গো-খাদ্যের দামও আকাশচুম্বী। যার ফলে প্রান্তিক গবাদিপশু পালনকারী গৃহস্থরা পড়েছেন চরম বিপাকে। গবাদিপশু (গরু) বাঁচিয়ে রাখতে তারা বাড়ির পাশের খাল, বিল ডোবায় জন্মানো কচুরিপানা দল তুলছেন। গো-খাদ্য হিসেবে কচুরিপানাই এখন তাদের শেষ ভরসা। কেউ কেউ নিজেদের বাড়ির কাছাকাছি কচুরিপানা না পেয়ে রিকশাভ্যান ভাড়া করে কেউবা পায়ে হেঁটেই দূর-দূরান্ত থেকে সংগ্রহ করছেন কচুরিপানা। অনেক খামারিও গো-খাদ্য সংকটের কারণে শ্রমিক দিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে কচুরিপানা(দল)সংগ্রহ করছেন।
    গ্রামীণ জনপদে কচুরিপানার এ ব্যবহার নতুন কিছু নয়, তবে এবার খড়ের অস্বাভাবিক দামের কারণে তা গরুর প্রধান খাবারে পরিণত হয়েছে।
    উপজেলা কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কর্মকর্তা(এএও) আকবর হোসেন বলেন, কচুরিপানা (দল) একধরনের বহুবর্ষজীবী ভাসমান উদ্ভিদ। উদ্ভিদটি গো-খাদ্যের চাহিদা মেটানোসহ নানাবিধ কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে কৃষিতাত্ত্বিকভাবে বিবেচনা করলে এটি একটি আগাছা। কচুরিপানা খুব দ্রুত বংশবিস্তার করে। এজন্য নিচু ফসলি জমিতে বিশেষ করে ধানের জমিতে এই উদ্ভিদকে আগাছা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গো-খাদ্য হিসেবে কচুরিপানা ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ফলে এক দিকে যেমন নিচু ফসলি জমিতে কচুরিপানা নিয়ন্ত্রণে থাকবে অন্যদিকে গো-খাদ্যের চাহিদাও মিটবে।এবিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ ওয়াজেদ আলী বলেন, শুধু কচুরিপানার ওপর নির্ভর করে গবাদিপশু লালন পালন করা অত্যন্ত কষ্টের। তবে এ মৌসুমে খাল-বিলে প্রচুর কচুরিপানা পাওয়া যাচ্ছে। এতে গবাদিপশু পালনকারীদের জন্য উপকার হয়েছে। তবে কচুরিপানা গরু বা মহিষকে খাওয়ানোর পূর্বে রোদে শুকিয়ে খড়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ানো ভালো।#

  • সুজানগরের পদ্মায় অ-বৈধভাবে বালু  উত্তোলনের দায়ে ১৬ জনের কা-রাদন্ড, ড্রেজার ও বাল্ক হেড জ-ব্দ

    সুজানগরের পদ্মায় অ-বৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ১৬ জনের কা-রাদন্ড, ড্রেজার ও বাল্ক হেড জ-ব্দ

    এম এ আলিম রিপন ,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগরের পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ঘটনায় ১৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডসহ একটি ড্রেজার ও একটি বাল্ক হেড জব্দ করা হয়েছে। জেলা এন এস আই এর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং জেলা প্রশাসনের নির্দেশক্রমে শনিবার বিকেলে সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ এলাকার পদ্মা নদীর অভিযান চালিয়ে তঁাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তঁাদের সাজা দেওয়া হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মোঃ রাকিবুল কাজী, পিতা- রফিক কাজী, ঠিকানা- কশবা, কুমারখালী, কুষ্টিয়া, জেল- ১৫ দিন। মোঃ রিপন আলী, পিতা- আমিরুল ইসলাম, ঠিকানা- কেশবপুর, বাঘা, রাজশাহী, জেল- ১৫ দিন। মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পিতা- মৃত জয়নাল আবেদীন কাজী, ঠিকানা- গলাচিপা, পটুয়াখালী, জেল- ২০ দিন। মোঃ উজ্বল খঁান, পিতা- মোঃ আমজাদ খঁান, ঠিকানা- বোরখাপুর, নাজিরগঞ্জ, সুজানগর, পাবনা, জেল- ২০ দিন।মোঃ সুমন, পিতা- মোঃ নিজাম উদ্দিন, ঠিকানা- পাংশা, রাজবাড়ি, জেল- ২০ দিন। মোঃ বাবুল মাঝি, পিতা- অবুজ সর্দার, ঠিকানা- কসবা, কুমারখালি, কুষ্টিয়া, জেল- ১৫ দিন।মোঃ আব্দুল মান্নান খঁান, পিতা- মৃত আজিম উদ্দিন, ঠিকানা- চরপাড়া, পাংশা, রাজবাড়ী, জেল- ২০ দিন। মোঃ রাসেল, পিতা- মৃত আশেক আব্দুর রব, ঠিকানা- কসবা কুমারখালী, কুষ্টিয়া, জেল- ১৫ দিন। মোঃ মমিন মন্ডল, পিতা- মোঃ ইসরাঈল মন্ডল, ঠিকানা- আরামবাড়িয়া, খোকসা, কুষ্টিয়া, জেল- ৩০ দিন। মোঃ রাসেল মন্ডল, পিতা- মোঃ আতাই মন্ডল, ঠিকানা- চরপাড়া, পাংশা, রাজবাড়ী, জেল- ১৫ দিন। মোঃ বদিউর রহমান, পিতা- মৃত সহিদুর রহমান, ঠিকানা- পাংশা, রাজবাড়ী, জেল- ২০ দিন,মোঃ আব্দুল খালেক, পিতা- মৃত জয়নাল মৃধা, ঠিকানা- দুমকি, পটুয়াখালী, জেল- ২০ দিন। মোঃ ইয়াছিন, পিতা- মৃত সুজা মিয়া, ঠিকানা- সুধারামপুর, নোয়াখালী, জেল- ১৫ দিন,মোঃ শাহিন রহমান, পিতা- মৃত আজিবুর রহমান, ভবানীপুর, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী, জেল- ২০ দিন। মোঃ রাকিব হাওলাদার, পিতা- মোঃ হাবিবুর রহমান, ঠিকানা- মোড়লগঞ্জ, বাগেরহাট, জেল- ১৫ দিন ও মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, পিতা- মৃত ইসমাইল, ঠিকানা- সুধারাম, নোয়াখালী।ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদানের পাশাপাশি জব্দকৃত একটি ড্রেজার ও একটি বাল্ক হেড নৌ পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীল রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলার কোথাও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেওয়া হবে না। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে । স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, নদীর পাড় কেটে বালু তোলার কারণে আশপাশের গ্রাম ও স্থাপনাগুলো ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • গোদাগাড়ীর প্রেমতলীতে মিথেন গ্যাসের উপস্থিতি শ-নাক্ত

    গোদাগাড়ীর প্রেমতলীতে মিথেন গ্যাসের উপস্থিতি শ-নাক্ত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলী এলাকায় পদ্মা নদীর পাড়ে মিথেন গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। কয়েকদিন ধরে স্থানীয়রা নদীর পানিতে ও তীরবর্তী বালুতে বুদবুদের মাধ্যমে গ্যাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করছেন।

    মঙ্গলবার পানি কমার পর স্থানীয়রা বুদবুদের স্থানে দিয়াশলাই জ্বালিয়ে দেখেন, বালুর ওপর আগুন জ্বলছে। এ ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং পরদিন অনেক মানুষ গ্যাসের উৎস দেখতে ভিড় করেছেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ এ খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল পাঠান। তারা নদীর তীরে বুদবুদের সত্যতা নিশ্চিত করেন। পরে বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে জানানো হয়।

    শনিবার বাপেক্সের ব্যবস্থাপক (জিওলজি) এসএম নাফিফুন আরহাম, উপ-ব্যবস্থাপক ইমামুল ইসলাম ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক রাসেল কবীর প্রেমতলীতে যান। তাদের সঙ্গে ছিলেন, ইউএনও ফয়সাল আহমেদ ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুল ইসলাম।

    বাপেক্সের দল নদীপাড়ের গ্যাস ডিটেক্টর ব্যবহার করে মিথেন গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্ত করেন এবং বুদবুদের স্থানগুলো থেকে তিন বোতল গ্যাস সংগ্রহ করেন। তারা অন্তত অর্ধশত স্থান থেকে বুদবুদের উৎপত্তি লক্ষ্য করেন। নদীর অপার তীরে নৌকায় গিয়ে আরও কয়েকটি স্থান থেকে গ্যাসের বুদবুদের উপস্থিতি দেখেন।

    ইউএনও ফয়সাল আহমেদ জানান, গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর জায়গাটি সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়েছে এবং সেখানে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বাপেক্স পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করবে।

    বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক জরিপের দলপ্রধান এসএম নাফিফুন আরহাম বলেন, ‘আমরা ডিটেক্টরের মাধ্যমে মিথেন গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্ত করেছি। সংগ্রহ করা গ্যাস ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে, যেটি নিশ্চিত করবে এটি খনিজ গ্যাস নাকি উদ্ভিদ ও মাটির পচন থেকে উৎপন্ন অল্প পরিমাণ গ্যাস।’

    তিনি আরও বলেন, ‘অতীতে এই এলাকায় সার্ভে হয়েছে কি না তা যাচাই করা হবে। পর্যাপ্ত গ্যাস মজুদ থাকলে তা ভবিষ্যতে উত্তোলন করা সম্ভব।’

    স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে উচ্ছ্বাস থাকলেও প্রশাসন ও বাপেক্স সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। গ্যাস শনাক্ত হওয়া এলাকার নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ গবেষণা ও সম্ভাব্য উত্তোলন কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবদক,
    রাজশাহী।।

  • পাইকগাছায় নদীর চর থেকে হাত-পা বাঁ-ধা অবস্থায় যুবককে উ-দ্ধার

    পাইকগাছায় নদীর চর থেকে হাত-পা বাঁ-ধা অবস্থায় যুবককে উ-দ্ধার

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।

    পাইকগাছায় হাত-পা বাঁধা এক যুবককে শিবসা নদীর চর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নদীর চরে লাশের মত পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে রিপনকে উদ্ধার করে পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

    ২ নভেম্বর রোববার সকালে পাইকগাছা থানার পাশে পানি উন্নয় বোর্ডের অফিসের গোলবাগানের সামনের চর থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। সে পৌর সদরের খৃষ্টান পাড়ার মিখায়েল মাখালের ছেলে রিপোন মাখাল (৩৫)। যুবকের পিতা মিখায়েল মাখাল জানান, আমাদের ভাইদের মধ্যো জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। গত ১৮ অক্টোবর ভাইদের মধ্যো জমি সংক্রান্ত বিরোধ হয়। তখন আমার ছেলেকে আমার ভাই ও ভাইপোরা বসত ঘরে আটকে রাখে। তখন আমার ছেল রিপন ৯৯৯ কল করলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাকে থানা থেকে নিয়ে আসি। তার পিতা মিখায়েল মাখাল আরও জানায়, ছেলেকে মারপিট করতে পারে বিধায় তাকে অন্য জায়গায় যেতে বলি। সে থেকে আমার ছেলে বাড়ি আসেনা। রোববার সকালে পাইকগাছা থানার পাশে পানি উন্নয় বোর্ডের অফিসের গোলবাগানের সামনে শিবসার চর থেকে হাত পা বাঁধা অবস্তায় রিপোনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রিয়াদ মাহমুদ জানান, হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবকে উদ্ধার করে পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা খুলনা।

  • আজ থেকে সুন্দরবনের দুব-লার চরে রাস উৎসব শুরু

    আজ থেকে সুন্দরবনের দুব-লার চরে রাস উৎসব শুরু

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    সুন্দরবনের দুবলার চরে ৩দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব ৩ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৫ নভেম্বর শেষ হবে। পূণ্যার্থী ও দর্শনার্থীরা উৎসবে অংশ নিতে রওনা দিয়েছে। শত বছরের ঐতিহ্যবাহী পূণ্যস্নান ও পূজা সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিগত বছরের মতো এবারও বনবিভাগসহ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়েছেন নানা পদক্ষেপ।
    বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রাচীন সমুদ্র রাস উৎসব সুন্দরবনের সাগরদুহিতা দুবলারচরে অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষ্যে রাস উৎসবে পুর্ণিমা তিথিতে চরে নির্মিত মন্দিরে নামযজ্ঞ, রাধাকৃষ্ণ, কমল কামিনি ও বনবিবির পূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি বছর কার্তিক বা অগ্রহায়ন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে জোয়ারের লোনা পানিতে স্নানে পাপ মোচন হয়ে মনের বাসনা পূর্ণ হবে এমন আশা নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা এ মেলায় যোগ দেয়। এ ছাড়া কেউ আসে সস্তান কামনায়, কেউ আসেন রোগ মুক্তির কামনায়। আগামী ৫ নভেম্বর পূর্ণিমার জোয়ারের লোনা পানিতে পূণ্য স্নানের মধ্য দিয়ে এ পূজার সমাপ্তি হবে।

    পূজা সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন ও দর্শনার্থীদের চলাচলে নিরাপত্তার জন্য বনবিভাগ পূর্বের ৫টি রুট বহাল রেখেছেন। রুটগুলো হলো ঢাংমারী ও চাঁদপাই স্টেশন তিনকোনা আইল্যান্ড হয়ে দুবলারচর আলোরকোল, বগী-বলেশ্বর সুপতি স্টেশন নকচিখালী শেলারচর হয়ে দুবলারচর আলোরকোল, বুড়ি গোয়ালিনী ও কোবাদক বাটুলা নদী বল নদী-পাটকোস্টা খাল হয়ে হংসরাজ নদী হয়ে দুবলার চর আলোরকোল, কয়রা কাশিয়াবাদ খাসিটানা বজবজা হয়ে আড়ুয়া শিবসা-শিবসা নদী মরজাত নদী হয়ে দুবলারচর আলোরকোল, নলিয়ান স্টেশন হয়ে শিবসা মরজাত হয়ে দুবলারচর আলোরকোল।

    সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও তীর্থ যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য আমাদের নির্ধারিত রুটগুলোতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর র‌্যাব, কোষ্টগার্ড, পুলিশ, বনকর্মীরা ও নৌবাহিনীর বেশ কয়েকটি টিমের টহল জোরদার থাকবে। অনুষ্ঠানে শুধু মাত্র সনাতন ধর্মাবলম্বীরাই যেতে পারবে। অন্য কোন ধর্মের লোক যেতে পারবে না। পূণ্যার্থীদের অবশ্যই নিজ নিজ জাতীয় পরিচয় পত্রের মূল ও ফটোকপি সাথে রাখতে হবে এবং বনে প্রবেশের সময়ে বন বিভাগের অফিসে ফটোকপি জমা দিতে হবে। পূণ্যস্নান উপলক্ষে পূণ্যার্থীদের আগামী ৩ নভেম্বর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত ৩দিনের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে ৩ নভেম্বর সকাল ৮টার থেকে বর্নিত রুটসমূহ হতে পূণ্যার্থীদের ট্রলার ছেড়ে যাবে। এর আগে কেউ যেতে পারবে না। দুবলায় অবস্থিত বন বিভাগের কন্ট্রোল রুমে অবশ্যই রিপোর্ট করতে হবে। আর পূণ্যার্থীদের প্রবেশের সময়ে প্রতিটি এন্ট্রি পয়েন্ট যথা ঢাংমারি, চাঁদপাই ও শরণখোলা স্টেশন। এসব স্থান থেকে লঞ্চ, ট্রলার ও নৌকার প্রবেশের মূল্য, অবস্থান ফি, ক্যামেরা এবং লোকের সংখ্যানুযায়ী বিধি মোতাবেক রাজস্ব দাখিল করে পারমিট ও প্রবেশ কুপন নিতে হবে। তবে কোন জলযানে ৫০ জনের বেশি যাত্রী নিতে পারবে না। পারমিট ছাড়া কেউ বনে প্রবেশ করতে পারবে না। পূণ্যার্থীদের স্নান শেষে একই রুট দিয়ে ফিরতে হবে এবং পূর্বের স্টেশনে পাশ সমার্পন করে বের হয়ে যাওয়ার সনদপত্র নিতে হবে। অসাধু দর্শনার্থীরা কেউ যাতে বনে প্রবেশ করে হরিণ শিকার করতে না পারে তার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।