Category: দেশজুড়ে

  • ধামরাইয়ে এসআই জিয়াউর রহমানের দক্ষতায় ব-লাৎকারী গ্রে-প্তার

    ধামরাইয়ে এসআই জিয়াউর রহমানের দক্ষতায় ব-লাৎকারী গ্রে-প্তার

    সুমন খান |

    ঢাকার ধামরাই উপজেলার ডেমরান এলাকায় এক মাদ্রাসা শিক্ষক কর্তৃক ১১ বছরের এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ডেমরান মারকায ওমর বিন খাত্তার (রাঃ) মাদ্রাসায়।ভুক্তভোগী ছাত্রের পিতা মোঃ মামুন (৪২), পিতা–মোঃ মুছা, সাং–গাওয়াইল, ইউপি–সোমবাগ, থানা–ধামরাই, জেলা–ঢাকা, গত ৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ আলিফ (১১) ওই মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের ৩য় শ্রেণির ছাত্র। গত ১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ রাতে ছাত্রটি রাতের খাবার শেষে অন্যান্য ছাত্রদের সঙ্গে নিচতলার শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ১১টার সময় মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ আবুল হাসানাত হানিফ (২০), পিতা–মোঃ আলম হোসেন, সাং চিড়াভিজাগোলনা, থানা–জলঢাকা, জেলা–নীলফামারী, শয়নকক্ষে প্রবেশ করে শিশুটিকে জোরপূর্বক বলাৎকার করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।ছেলেটির চিৎকারে পাশের ছাত্ররা জেগে উঠলে অভিযুক্ত শিক্ষক দ্রুত পালিয়ে যায়। পরদিন সকালে অভিযুক্ত শিক্ষক হানিফ শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দেয়।পরবর্তীতে ২ নভেম্বর বিকাল ৫টার দিকে, শিশুটি বাড়ি ফিরে ঘটনাটি তার মাকে জানায়। বিষয়টি জানাজানি হলে পরদিন পিতা মোঃ মামুন স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করলে, সে উত্তেজিত হয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে পালিয়ে যায়।এরপর স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরিবারটি থানায় অভিযোগ দায়ের করে।অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধামরাই থানার চৌকস কর্মকর্তা এসআই জিয়াউর রহমান অভিযান পরিচালনা করে ২ নভেম্বর রাতেই অভিযুক্ত শিক্ষক আবুল হাসানাত হানিফকে গ্রেফতার করেন।পরে গতকাল ৩ নভেম্বর সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
    ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন,ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর ও স্পর্শকাতর। আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর নিরাপত্তা ও চিকিৎসার বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
    এদিকে, এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলেন,
    মাদ্রাসার মতো পবিত্র শিক্ষালয়ে এ ধরনের জঘন্য কাজ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”

  • ৪ নভেম্বর সু-সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৪৪ তম জন্মদিন

    ৪ নভেম্বর সু-সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৪৪ তম জন্মদিন

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)

    ৪ নভেম্বর মঙ্গলবার সু-সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৪৪ তম জন্ম বার্ষিকী। এ উপলক্ষে সাহিত্যিক ইমদাদুল হকের জন্মস্থান পাইকগাছার গদাইপুরে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে মঙ্গলবার সকালে উপজেলার নতুন বাজার চত্ত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাহিত্যিকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন, আলোচনা সভা ও পুরুষ্কার বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
    বিশ শতকের সূচনালগ্নে যন্ত্রণাজর্জর এই যুগ-প্রতিবেশে বাংলা সাহিত্য-ক্ষেত্রে মুক্তচিত্ত-দ্রোহী এক আধুনিক শিল্পী রুপে আবির্ভূত হন কাজী ইমদাদুল হক। তিনি ছিলেন সংস্কারমুক্ত, উদার মানবতাবাদী, মননশীল এবং যুক্তিবাদী শিল্পদৃষ্টিসম্পন্ন ঔপন্যাসিক। কুসংস্কারাচ্ছন্ন প্রথালালিত সামন্ত-মূল্যবোধে স্নিগ্ধ মুসলিম সমাজ-অঙ্গনে বাসন্তি হাওয়ার প্রত্যাশায় ইমদাদুল হক সাহিত্যক্ষেত্রে দ্রোহীসত্তা নিয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তবু তিনি বিদ্রোহী নন, সমাজ ভাঙার ডাক নেই তার কর্মে-বরং মুসলিম সমাজের বিবিধ খণ্ডচিত্র আর গ্লানির অঙ্গন উপস্থাপন করেই তিনি তৃপ্ত থেকেছেন। মুসলমান সমাজের ক্ষয়িষ্ণু আর্দশ ও রীতিনীতির বিপরীতে স্বাধীনচেতা ও প্রগতিশীল শিক্ষিত মনের নব্যসমাজ প্রতিষ্ঠার বাসনাই তাঁর উপন্যাসে ঔপন্যাসিক প্রাঞ্জল ভাষায় ব্যক্ত করার প্রয়াস পেয়েছেন। চুয়াল্লিশ বছরের কর্মচঞ্চল জীবনে ইমদাদুল হকের প্রধান কীর্তি আবদুল্লাহ্ উপন্যাস। একটিমাত্র উপন্যাস লিখে ইমদাদুল হক বাংলা সাহিত্যে রেখে গেছেন তার স্বতন্ত্র প্রতিভার স্বাক্ষর।
    কাজী ইমদাদুল হক ১৮৮২ সালের ৪ নভেম্বর খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কাজী আতাউল হক আসামের জরিপ বিভাগে চাকরি করতে করতেন এবং পরবর্তীতে খুলনার ফৌজদারি আদালতের মোক্তার নিযুক্ত হন।
    ১৯০০ সালে কাজী ইমদাদুল হক কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএ সম্পন্ন করেন। ১৯১৪ সালে তিনি বিটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯০৪ সালে কাজী ইমদাদুল হক কলকাতা মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। এর দুই বছর পর ১৯০৬ সালে আসামের শিলং বিভাগে শিক্ষাবিভাগের উচ্চমান সহকারী হিসেবে যোগ দেন। ১৯০৭ সালে তিনি ঢাকা মাদ্রাসার শিক্ষক হন। ১৯১১ সালে তিনি ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে ভূগোলের অধ্যাপক হন। এরপর ১৯১৪ সালে ঢাকা বিভাগে মুসলিম শিক্ষা সহকারী স্কুল পরিদর্শক হিসেবে যোগ দেন। ১৯১৭ সালে তাকে কলকাতা ট্রেনিং স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। ১৯২১ সালে তিনি সদ্য প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বোর্ডের সুপারিন্টেনডেন্ট হন। আমৃত্যু তিনি এই পদে বহাল ছিলেন।
    ১৯০৪ সালে খুলনা শহরে মৌলভী আব্দুল মকসুদ সাহেবের জ্যেষ্ঠ কন্যা সামসন্নেসা খাতুনকে বিয়ে করেন। কাজী ইমদাদুল হকের চার পুত্র ও ২ কন্যা- কাজী আনারুল হক, কাজী সামছুল হক, কাজী আলাউল হক, কাজী নুরুল হক এবং কন্যা জেবুন্নেছা ও জিন্নাতুনন্নেছা।
    শিক্ষা বিভাগে বিভিন্ন কাজে অসামান্য দক্ষতা, গভীর দায়িত্ববোধ ও উদ্ভাবনী শক্তির স্বীকৃতিস্বরূপ তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার তাকে ১৯১৯ সালে খান সাহেব উপাধিতে ভূষিত করেন ও ১৯২৬ সালে তাকে খান বাহাদুর উপাধিতে ভূষিত করে। খ্যাতিমান সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হক ১৯২৬ সালের ২০ মার্চ কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • তানোরে প-শুহাটে ময়লার ভাগাড় জনমনে ক্ষো-ভ

    তানোরে প-শুহাটে ময়লার ভাগাড় জনমনে ক্ষো-ভ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সর্ববৃহৎ ও একমাত্র মুন্ডুমালা পৌরসভার মুন্ডুমালা পশুহাট। এ হাট থেকে প্রতি বছর রাজস্ব আসে প্রায় তিন কোটি টাকা। কিন্ত্ত নেই হাটের কোনো উন্নয়ন। হাটে ময়লা ফেলার কোনো নিদ্রিষ্ট জায়গা না থাকায়, পশুহাটে ময়লার ভাগাড় করা হয়েছে। সেখানে ব্যবসায়ীরা হাটের ময়লা-আবর্জনা ফেলছে। এতে এসব ময়লা থেকে প্রচন্ড দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। নাক-মুখে কাপড় দিয়েও প্রচন্ড দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না।
    এদিকে গত ২১ জুলাই সোমবার সরেজমিন মুন্ডুমালা পশুহাটে দেখা গেছে,পশুহাটের পশ্চিম অংশে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়। বাঁকি অংশে বসেছে গরু-ছাগলের হাট। এখানে সপ্তাহের প্রতি সোমবার সকালে ছাগল-ভেড়া ও দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে গরু-মহিষ কেনাবেচা। সপ্তাহে একদিন প্রতি সোমবার এই পশুহাটে দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতা-বিক্রেতা ও ব্যাপারীরা আসেন এই হাটে। কিন্ত্ত হাটের একাংশে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা-আবর্জনা ও জবাই করা গরু-মহিষ-ছাগল-ভেড়ার বর্জ্য এতে ছড়াচ্ছে প্রচন্ড দুর্গন্ধ। এদিকে অসহ্য দুর্গন্ধের মধ্যেই চলছে পশু বেচাকেনা। এতে অনেকের শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছে বলে জানান অনেক ব্যাপারী। মুন্ডুমালা পশুহাটে আশা ক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি গোদাগাড়ী থেকে এই হাটে একটি গরু কিনতে এসেছেন। তিনি বলেন, গরু হাটে ময়লা-আবর্জনা থাকায় যে অসহ্য দুর্গন্ধ তাতে হাটে থাকায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে গরু কিনবেন কিভাবে। হাটে আশা গরু বিক্রেতা যোগিশো গ্রামের বাসিন্দা রিপন আলী বলেন, ভাই দুপুরে আসছি গরু নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি তবে মনে হয় বেশিক্ষণ হাটে থাকতে পারবো না, কারণ যে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে খুবই সমস্যা হচ্ছে। ছাগল কিনতে আশা কৃষ্ণপুর গ্রামের হারুন বলেন, একটা ছাগল কিনেছি তবে এই পশুর হাটের বর্তমান অবস্থা খুবই খারাপ একেতো কাঁদা-পানি তার উপরে পাগল করা দুর্গন্ধ।
    স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ি বলেন, এবিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো নজরদারি নাই। হাটের যেখানে সেখানে পশু জবাই করা হয়। কিন্ত্ত কসাইয়েরা বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে গর্ত করে মাটিচাপা দেয় না। এসব বর্জ্য ফেলে পশু হাটের ভাগাড়ে, এ কারণে প্রতিনিয়ত পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। হাটের দিন ছাড়াও অন্যান্য দিনে দুর্গন্ধের মাঝে থাকতে হয়। অনেক সময় দুর্গন্ধের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়তে হচ্ছে আমাদের।
    জানা গেছে, প্রতি বছর এই পশু হাট থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা পৌরসভার রাজস্ব আয় হয়।কিন্ত্ত কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় হলেও দীর্ঘদিন থেকে এই ভাগাড় সমস্যার সমাধান না হওয়ায় হতাশ নাগরিকগণ।ভাগাড়ের কারণে শুধু হাটে আশা ক্রেতা-বিক্রেতা নয় হাট সংলগ্ন আশপাশের বাড়ি-ঘরের মানুষেরাও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এবিষয়ে মুন্ডুমালা হাটের ইজারাদার ফিরোজ কবির বলেন, মুন্ডুমালা পৌর প্রশাসককে বিষয়টি জানানো হয়েছে তিনি পৌরসভার কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন তবে পৌরসভার কর্মকর্তারা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে না।এবিষয়ে মুন্ডুমালা হাটের অপর ইজারাদার শরিফ মুন্সী বলেন, ইউএনও মহোদয় বলার পরেও মুন্ডুমালা পৌরসভার কিছু কর্মকর্তার গোড়িমশির কারণে এই ময়লা-আবর্জনাগুলো অপসারণ হচ্ছে না। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে পশু হাটের যে অবস্থা তা বলার ভাষা নেই। ক্রেতা-বিক্রেতা তো দূরের কথা দুর্গন্ধের কারণে আমরাই হাটে ঠিকমতো থাকতে পারি না।
    এ বিষয়ে মুন্ডুমালা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) (তৎকালীন) লিয়াকত সালমানের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, বাজারে ময়লা-আবর্জনা থাকার কথা না। আমি পৌরসভার কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছি ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করার জন্য, তবে তারা যদি পরিষ্কার না করে থাকে। তাহলে খুব দ্রুত অপসারণ করা হবে বলে জানান তিনি।#

  • পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপি’র চূড়ান্ত প্রার্থী আহম্মেদ সোহেল মঞ্জু সুমন

    পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপি’র চূড়ান্ত প্রার্থী আহম্মেদ সোহেল মঞ্জু সুমন

    আনোয়ার হোসেন।

    নেছারাবাদ, পিরোজপুর:

    পিরোজপুর-২ (নেছারাবাদ, কাউখালী ও ভাণ্ডারিয়া) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্তভাবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আহম্মেদ সোহেল মঞ্জু সুমনের।

    রবিবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করেন।

    আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন এ সময় নেছারাবাদে আটঘর কুড়িয়ানা গণসংযোগে ব্যাস্ত ছিলেন, তার নাম ঘোষণার সাথে সাথে নেতা কর্মিরা উল্লাসে ফেটে পড়েন।

    এ সময় আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন সৃষ্টি কর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ দলের এই সিদ্ধান্তের জন্য সকল নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। বিশেষ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ পিরোজপুর ২ আসনের সকল নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে পিরোজপুর ২ আসনে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করবো।

    উল্লেখ্য, আহম্মেদ সোহেল মঞ্জু সুমন বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা ও পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলাম মঞ্জুরের ছেলে।তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে একই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে আসনটি শরিক দল বাংলাদেশ লেবার পার্টির জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়। এর আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই আসনে বিএনপি’র প্রার্থী ছিলেন তার বাবা, মো. নুরুল ইসলাম মঞ্জু। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপি’র এই ঘোষণায় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও নতুন উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি।

  • পীরগঞ্জে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে টিউবওয়েল বি-তরণ

    পীরগঞ্জে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে টিউবওয়েল বি-তরণ

    পীরগঞ্জ ( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ৬০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে টিউবওয়েল বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার ( ৩ নভেম্বর) দুপুরে পীরগঞ্জ পৌর শহরের জিযাউল ইসলাম জিয়ার মিল চাতালে মাওলানা আনিসুর হকের সহযোগিতায় সৌদি আরবের অর্থায়নেখ এসব টিউবওয়েল বিতরণ করা হয়।

    এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সাবেক এমপি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জিয়াউল ইসলাম জিয়া, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, জেলা গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সোবাহান, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন, যুবদল নেতা হায়দার, সুমন, কাওসার, রাসেল ।
    পরে প্রধান অতিথি ৬০টি দুস্থ পরিবারের মাঝে পাইপ, ফিলটাসহ টিউবওয়েল বিতরণ করেন।

    উল্লেখ‍্য, এই টিউবওয়েল ও যাবতীয় মালামাল ফ্রি বিতরণের পাশাপাশি স্থাপনসহ নিরাপদ পানি উত্তলনের উপযোগী করে দেওয়া হবে।

  • গোদাগাড়ীতে দুদকের  বির্তক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়

    গোদাগাড়ীতে দুদকের বির্তক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়

    গোদাগাড়ী (রাজশাহী) উপজেলা সংবাদদাতাঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার অডিটারিয়ামে দুর্নীতি বিরোধী বির্তক প্রতিযোগিতা ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭ মে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টার সময় দুর্নীতি দমন কমিশন, রাজশাহীর আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দল অংশ গ্রহন করেন।

    বির্তক অনুষ্ঠানে বির্তকের বিষয় ছিল, প্রথম পর্বে দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব সৃষ্টিতে পরিবারের ভূমিকাইন মুখ্য, দ্বিতীয় পর্বে, অভাব নয়, সীমাহীন লোভেই দুর্নীতির মূল কারন।

    তৃতীয় পর্ব বা চূড়ান্ত পর্বে বির্তকের বিষয় ছিল, প্রতিরোধ নয় দমনই দুর্নীতি নির্মূলের প্রধান উপায়। চূড়ান্ত পর্বে অংশ গ্রহন করেন উপজেলার মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা এবং পিরিজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তুমূল বির্তক করে, উপস্থিত দর্শকদের আনন্দ দিয়ে মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্ররা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। রানার আর্প হয়েছেন পিরিজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
    পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেয়া হয় মহামূল্যবান বই।

    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে রাজশাহী দুদকের উপপরিচালক মোঃ মাহাবুবুর রহমান। পিরিজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তিতুমিরের সঞ্চালনায় বির্তক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহাকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ( অতিঃ দায়িত্ব) মোঃ সিদ্দিকুর রহমানসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, সুধিজন উপস্থিত ছিলেন।
    বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, পা.রি. ও প্র. বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নুরুন্নবী সুমন। বাংলাদেশ ডিবেট ক্লাবের সভাপতি আব্দুলাহ আল বাকী, বাংলাদেশ ডিবেট ক্লাবের সাবেক সভাপতি মারুফ ইসলাম প্রিয়াস।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • গোদাগাড়ীতে উপজেলা প্রশাসনের আন্তঃস্কুল বি-র্তক প্র-তিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে উপজেলা প্রশাসনের আন্তঃস্কুল বি-র্তক প্র-তিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার আন্ত:স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা -২০২৫ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যােগে ৯০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কে নিয়ে আন্ত:স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বর্তমানে ৭ টি সাব জোন ভিত্তিক এ প্রতিযোগিতা শিক্ষকবৃন্দের নিবিড় তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    ভ্যানু গুলি হচ্ছে আফজি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, চব্বিশনগর স্কুল এন্ড কলেজ
    কাকনহাট উচ্চ বিদ্যালয় বিশ্বনাথপুর স্কুল এন্ড কলেজ, পিরিজপুর উচ্চ বিদ্যালয়
    রাজাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের যুক্তি, বিশ্লেষণ ও বক্তৃতা দক্ষতা বৃদ্ধি করা। তাদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশ করা।
    গঠনমূলক চিন্তা ও সহিষ্ণু মনোভাব গড়ে তোলার লক্ষ্যে আন্তঃস্কুল বির্তক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
    আফজি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সাব জোন ভিক্তিক বির্তক প্রতিযোগিতা ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৩ নভেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার এ জোন ভিক্তক অংশ গ্রহনকারী দল গুলি হচ্ছে মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, মহিশালবাড়ী আল ইসলা ইসলামিী একাডেমি, গোদাগাড়ী সরকারী স্কুল এন্ড কলেজ, সুলতানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, মাটিকাটা উচ্চ বিদ্যালয়, চম্পক নগর উচ্চ বিদ্যালয়, আফজি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দিয়ার মানিক চক নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ গ্রুপে প্রথম পর্বে আফজি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যলয়ের শিক্ষার্থীরা সুলতানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বির্তক করে এতে সুলতানগজ্ঞ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এতে জয়লাভ করে দ্বিতীয় পর্যায়ে অবস্থান করে নেন। বি গ্রুপে মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে মাটিকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে বির্তক করে মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা শিক্ষার্থীর জয় লাভ করে। সি গ্রুপে গোদাগাড়ী সরকারী স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা চম্পকনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরাজিত করে দ্বিতীয় পর্বে উঠার গৌরব আর্জন করে। ডি গ্রুপে মানিক চক নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনু উপস্থিত থাকায় আল ইসলা ইসলামী একাডেমির শিক্ষর্থীরা সরাসরি দ্বিতীয় পর্বে উঠে যায়।
    দ্বিতীয় পর্বে গোদাগাড়ী সরকারি স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের পরাজিত করে সুলতানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জয়লাভ করে তৃতীয় পর্বে স্থান করে নেয়।
    মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আল ইসলা ইসলামী একাডেমির শিক্ষাথীরাদের পরাজিত করে জোনে চূড়ান্ত পর্বে অংশ গ্রহনের যোগ্যতা অর্জন করেন।
    সাব জোনের চূড়ান্ত পর্বে সুলতানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের পরাজিত করে মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা জয়লাভ জোন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন করে। শ্রেষ্ট বক্তা নির্বাচিত হন মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী সানজিদা খাতুন। এদিকে গোগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ সাব জোনে গোগ্রাম স্কুল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
    এ সাব জোনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ মারুফ ইসলাম প্রিয়াস। বিচারক গোদাগাড়ী সরকারী কলেজের প্রভাষক মোঃ সুলতান উদ্দিন, একই কলেজের প্রভাষক শিমুল প্রতীম মজুমদার এবং গোদাগাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো তফিকুল ইসলাম মিলন, মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হায়দার আলী, ফলাফল প্রস্তুুত কারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাটিকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমোতারা খাতুন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • সু-দ ব্যবসায়ী আইনজীবির করা হয়রানি মুলক ১৫ মামলার গ্যা-রাকলে ঐশী পরিবার

    সু-দ ব্যবসায়ী আইনজীবির করা হয়রানি মুলক ১৫ মামলার গ্যা-রাকলে ঐশী পরিবার

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    সুদ ব্যবসায়ী আইনজীবী মোহাম্মদ আলীর মিথ্যা ও হয়রানী মূলক ১৫টি মামলার গ্যারাকলে নিঃস্ব প্রায় অসহায় ব্যবসায়ী নাফিছা আঞ্জুমান ঐশী, কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিকার প্রার্থণা জানিয়েছেন। দেশে মহাজনি সুদ ব্যবসায়ীদের একসময়ের সেই দৌড়াত্ব্য আগের মতো আর দেখা না গেলেও এখনও নির্ভৃতে অনেকেই উচ্চসুদের ব্যবসা গোপনে করে যাচ্ছেন। যার শিকার হয় অভাবগ্রস্ত কিংবা অসহায় মানুষ। সমাজে এরা নানা ডিগ্রীধারী সজ্জন বলে পরিচিত হলেও এসব সুদ ব্যবসায়ীদের চক্রে পড়ে নি:স্ব হাজারো মানুষ। সুদ সহ আসল টাকা নেয়ার পরেও কাগজপত্রের গ্যারাকলে ফেলে সর্বসান্ত করে দেয় গ্রহীতাদের ।

    এমনই একজন সুদ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী। তিনি আবার একজন আইনজীবিও বটে। নাম মোহাম্মদ আলী, রাজধানীর মুগদা থানাধীন পূর্ব মানিকনগর এলাকায় বসবাস করলেও তার বাড়ি রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন কাজলা তালাইমারী এলাকায় । তার পিতা মৃত রেফাউর রহমান।

    অভিযোগকারী ও ডকুমেন্টস সুত্রে জানা যায়, একটি মাধ্যমে পরিচিত হয়ে রাজধানীর বাড্ডার মধ্যবাড্ডা লিংক রোড এলাকার বাসিন্দা মৃত ওয়াজেদ আলীর মেয়ে নাফিছা আঞ্জুমান ঐশী বিভিন্ন সময় চেক ও ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পের বিনিময়ে সুদের উপর ২৪,৫০,০০০/- চব্বিশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা গ্রহন করেন। পরবর্তীতে চুক্তিপত্র অনুযায়ী তার সমুদয় পাওনা সুদসহ পরিশোধ করেন। আসল সহ সুদের টাকা পরিশোধ করা হলে নাফিছার দেয়া চেক ও ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তিপত্র গুলি ফেরত চাইলে মোহাম্মদ আলী ডকুমেন্টসগুলি ফেরত না দিয়ে অভিযোগকারী নাফিছা আঞ্জুমান ঐশী ও তার স্বামী আসিফ আলমগীরের নিকট হতে আরও ত্রিশ লক্ষ টাকা দাবী করে। এ সময় নাফিছা আঞ্জুমান ঐশী ও তার স্বামী আসিফ আলমগীর তার দাবী মতো টাকা দিতে রাজী না হলে এবং চুক্তিপত্র ও চেক ফেরত চাইলে সে ভিন্ন ভিন্ন জেলা হতে কাল্পনিক ঠিকানা ব্যবহার করে ও নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পগুলি জাল করে ভুক্তভোগী আসিফ আলমগীর তার স্ত্রী, মা, ভাড়াটিয়া, শ্বাশুরী এমনকি তার নিযুক্ত আইনজীবির নামেও মিথ্যা ও হয়রানীমূলক ১৪টি মামলা দায়ের করে।

    মামলাগুলি হলো রাজধানীর বাড্ডা থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ৩৩৭/২০২৫, সাভার থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ১৩৯৪/২০২৫, আশুলিয়া থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ১২১৩/২০২৫, সাভার থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ১০৪২/২০২৫, মতিঝিল থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ১২৬৩/২০২৫, কদমতলী থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ৬৪০/২০২৫, বাড্ডা থানার পিটিশন মামলা নং ১৫০পি/২০২৫, রাজশাহী জেলার শাহ মখদুম থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সিআর মামলা নং ১৪৯/২০২৫, মতিহার থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ১২৬/২০২৫, বোয়ালিয়া থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ৯৩৯/২০২৫, বোয়ালিয়া থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ৯৯০/২০২৫, মতিহার থানার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট (১) আদালতের পিটিশন মামলা নং ৭০৬পি/ ২০২৫। এছাড়াও খুলনা জেলার খুলনা থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সিআর মামলা নং ৮৭৯/২০২৫, একই আদালতের সি আর মামলা নং ৮৮০/২০২৫।

    এ বিষয় সুদ ব্যবসায়ী আইনজীবীর গ্যারাকলে পড়া ভুক্তোভোগী নাফিছা আঞ্জুমান ঐশী ও তার স্বামী আসিফ সাংবাদিকদের বলেন, আমি এক সময় মোবাইলের খুচরা যন্ত্রাংশের ব্যবসা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। আমি সুদের উপর টাকা নিয়েছি সত্য এবং তাকে সুদ সহ নিয়মিত সিংহভাগ টাকা পরিশোধও করেছি। তিনি জানান, তিনি ফ্ল্যাট বন্ধক , গরু বিক্রয়সহ বিভিন্ন বাবদ মাসিক ৫০ হাজার পাঁচশত টাকা সুদের বিনিময়ে ২৪ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়েছেন । এর বিপরীতেই তিনি টাকাসুদ সহ পরিশোধ করেছেন। এরই প্রেক্ষিতে তার নিকট পরিশোধকৃত টাকার বিনিময়ে তার নিকট প্রদানকৃত চেক ও ষ্ট্যাম্প ফেরত চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে যান এবং চক্রবৃদ্ধিহারে আরও অধিক টাকা দাবী করেন। সেটার প্রতিবাদ করলে তিনি বিভিন্ন বিজ্ঞ আদালতে আমার ও পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানী মূলক মামলাগুলি দায়ের করেন।

    তিনি যেহেতু একজন আইনজীবি তাই বিজ্ঞ আদালতে মামলাগুলি দায়ের করলে এক্সটা সুবিধা পেয়েছেন এবং আদালত মামলাগুলি গ্রহন করেছেন। প্রতিটি মামলায় সমন পেয়ে বিজ্ঞ আদালতে হাজিরা দিলে আদালত উভয় পক্ষের কাগজপত্র ও বক্তব্য শুনে জামিনও দিয়েছেন। তবুও যেন থামছেনা মোহাম্মদ আলীর আক্রোশ। শুনছি তিনি আমাকে ও আমার পরিবার, আইনজীবি ও যেই আমাকে সহযোগীতা করবে তার বিরুদ্ধেও কাল্পনিক ঘটনা সৃষ্টি করে মামলা দায়ের করবেন বলে হুমকি দিচ্ছেন। সরাসরি দাবী না করলেও তিনি বিভিন্ন জায়গায় বলেছেন যে, তিনি মূলত: শ্বশুরবাড়ি সুত্রে প্রাপ্ত আমার ফ্ল্যাট ও গাড়ি দখলের বাসনা করছেন। যে কারন মামলা করেছেন ও আরও করবেন।

    টাকা পয়সা সুদের উপর গ্রহনের যেহেতু সকল ডকুমেন্টস বিদ্যমান এবং লেনদেনেরও যথোপযুক্ত ডকুমেন্টস রয়েছে সেহেতু ডকুমেন্টস অনুযায়ী ভুক্তভোগী আসিফ তার প্রদানকৃত চেক ও ষ্ট্যাম্প ফেরত প্রদান সাপেক্ষে বাকী টাকা প্রদানের প্রস্তাবে বারবার রাজী হলেও মোহাম্মদ আলী তার ডাকে সারা না দিয়ে তিনি মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সময় মেসেজ দিয়েছেন যে, তাকে মতিঝিলে একা আসতে হবে, আরও ব্ল্যাংক চেক দিতে হবে এবং বিভিন্ন ভাবে তিনি হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছেন।

    মোহাম্মদআলীর গ্রামের বাড়ি ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদ আলী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য এবং তার গ্রামের বাড়ি চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার জাতীয় শ্রমিক লীগের আইন ও দরকষাকষি বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন এবং এ সংক্রান্ত একটি পোষ্টারও দেখা গেছে।

    আইনজীবি হিসেবে মোহাম্মদআলীর এহেন আচরনের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী নাফিছা আঞ্জুমান ঐশী ও তার স্বামী আসিফ আলমগীর বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে একটি অভিযোগপত্রও দাখিল করেছেন বলে জানান এবং সমুদয় কপি সাংবাদিকদের প্রদান করেন। তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে প্রশাসনের নিকট মোহাম্মদ আলীর বিচার দাবী করেন

  • আটোয়ারীতে লাউ ক্ষেত থেকে নারীর ম-রদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    আটোয়ারীতে লাউ ক্ষেত থেকে নারীর ম-রদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ধামোর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন লাউ ক্ষেত থেকে মোছাঃ তানজিনা আক্তার (৩৫) নামে এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
    সোমবার ৩ নভেম্বর সকালে আটোয়ারী ধামোর মধ্যপাড়া এ ঘটনাটি ঘটেছে।
    তিনি ধামোর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মিনালের স্ত্রী বলে জানাযায।

    স্থানীয়ভাবে জানা যায়, তনজিনা আক্তারের ১ম স্বামী মারা যাওয়ার পর প্রায় ১ মাস পূর্বে মিনালের সাথে তার বিয়ে হয়। পরবর্তীতে গত ৪ দিন পূর্বে তাদের ডিভোর্স হয়। তার মারা যাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে আটোয়ারী থানা পুলিশ ময়না তদন্ত জন্যে মর্গে প্রেরন করেছে।

    এ বিষয়ে সোমবার ৩ নভেম্বর দুপরে
    আটোয়ারী থানায় ওসি রফিকুল ইসলাম সরকার জানান, আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

  • তেতুলিয়ায় মা-থাফাটা পুকুরের জলে ডুবে শিশুর মৃ-ত্যু

    তেতুলিয়ায় মা-থাফাটা পুকুরের জলে ডুবে শিশুর মৃ-ত্যু

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে মোঃ সিংহা নামে এক ২ বছরের ২ মাস শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের মাথাফাটা
    গ্রামে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, শিশু সিংহা মাথাফাটা গ্রামের সাইদুল হকের
    ছেলে। স্থানীয় জানান শিশুটির খেলা করার সময়ে বাড়ি থেকে কিছুদূরে থাকা একটি পুকুরে পড়ে যায় । এদিকে পরিবার লোকজন খুঁজতে থাকেন।
    বেশ কিছুক্ষণ পর পানিতে শিশুটিকে ভাসতে দেখে। সেখান থেকে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ করিম সিদ্দিকি হাসপাতালে ছুটে যান। এদিকে তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত

    এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত শিশুটির
    মরদেহ তেতুলিয়া হাসপাতালে জরুরি বিভাগের আউটডোর মধ্যে পুলিশ হেফাজতে পড়ে রয়েছে।