Category: দেশজুড়ে

  • রোজা ও ঈদে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বরগুনায় ক্যাবের মতবিনিময় সভা

    রোজা ও ঈদে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বরগুনায় ক্যাবের মতবিনিময় সভা

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা)প্রতিনিধি।

    বরগুনায় বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণে অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পিতার বেলা ২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কনজ্যুমারস্ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর জেলা শাখার আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মতবিনিমিয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহা. রফিকুল ইসলাম। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শুভ্রা দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিমেষ বিশ্বাস এবং পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সেলিম।
    মতবিনিময় সভায় সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক, স্থানীয় গুণীজন এবং ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, ব্যবসায়ীদের শুধু ব্যবসা করলেই হবে না। তাদের বিবেককেও কাজে লাগাতে হবে। রমজানে যাতে খাদ্যে কোনো ধরণের ভেজাল মেশানো না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। আসন্ন ঈদে দ্রব্যমূল্য নিয়ে যাতে সাধারণ মানুষের ভোগন্তির স্বীকার হতে না হয়, সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, ব্যবসায়ীরা সততার সাথে ব্যবসা করলে আলাদাভাবে বাজার মনিটরিং করার প্রয়োজন হয় না। ব্যবসায়ীদের প্রতি তিনি অনুরোধ জানান, যাতে সবাই দেশপ্রেম নিয়ে ব্যবসা করে। সভার সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শুভ্রা দাস বিভিন্ন শ্রেণীর ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে মতামত গ্রহণ করেন এবং জনসাধারণের থেকে প্রাপ্ত অভিযোগগুলো তাদের সামনে তুলে ধরেন।
    বরগুনা জেলা ক্যাবের সভাপতি জাকির হোসেন মিরাজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বিপুল বিশ্বাস, বরগুনা জেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ, বিশিষ্ট সাংবাদিক চিত্ত রঞ্জন শীল, সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি মনির হোসেন কামাল এবং চ্যানেল টুয়েন্টিফোর এর জেলা প্রতিনিধি আবু জাফর সালেহ্। সিবিডিপি’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক আবু ইউসুফ সাঈদ মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ক্যাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন। উক্ত মতবিনিময় সভায় চাল, ভোজ্যতেল, গরু ও খাসির মাংস, মুদি, ভাসান ব্যবসায়ীসহ অন্যান্য শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • টেকনাফে ইয়াবার টাকা ভাগাভাগি  নিয়ে বন্ধুর গু*লিতে বন্ধু খু*ন

    টেকনাফে ইয়াবার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বন্ধুর গু*লিতে বন্ধু খু*ন

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফের নাজির পাড়ায় ইয়াবা লেনদেনের টাকার জন্য বন্ধুর গুলিতে আরেক বন্ধু গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
    নিহত যুবকের নাম মো. জোবায়ের (৩০)। তিনি সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়ার গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে।
    প্রথমে গুলিবিদ্ধ যুবককে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন। সেখান থেকে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রামু এলাকায় গেলে মৃত্যুরকুলে ঢলে পড়ে।
    বিষয়টি নিশ্চিত করে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এনামুল হক এনাম বলেন, জোবায়ের নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। তারা দুইজনই ফুটবল খেলোয়াড়। মূলত ইয়াবার লেনদেনের জের ধরে গোলাগুলিতে মারা গেছেন।
    স্থানীয়রা জানান, ২ দিন আগে সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়া গ্রামের জাগির হোছনের ছেলে নজুমুদ্দিনের সঙ্গে একই এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে জোবায়েরের মধ্যে টাকার লেনদেন নিয়ে মোবাইল ফোনে কথা কাটাকাটি হয়। এরআগে ইয়াবার লেনদেন নিয়ে ঘটনা হয় মৃত আলী আহমদের ছেলে কায়েস এর সাথে। তখন কায়েস ভাগিনা নজুমুদ্দিনকে বললে সে জোবায়েরকে গুলি করে।
    এ ঘটনার রেশধরে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নজুমুদ্দিনের নেতৃত্বে জোবায়েরের বাড়িতে হামলা চালায়। এক পর্যায়ে কিছু বুঝে উঠার আগেই জোবায়েরের মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায় নজুমুদ্দিন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। পরে স্থানীয় লোকজন আহত জোবায়েরকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
    টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যার পরে গুলিবিদ্ধ এক যুবককে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তার কপালের বাম পাশে গুলি লাগে। রিভলভার জাতীয় কিছু দিয়ে গুলি করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। গুলিবিদ্ধ যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়’।
    টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, টাকা লেনদেনের বিষয়ে গোলাগুলির ঘটনা শুনেছি। বর্তমানে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে। ইয়াবার লেনদেনের বিষয়টা খতিয়ে দেখা হচ্ছে সেখানে কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে । বর্তমানে নিহতের লাশ জেলা সদর হাসপাতালে রয়েছে।

  • সুজানগরে এস এস সি ১৯৮৮ ব্যাচের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

    সুজানগরে এস এস সি ১৯৮৮ ব্যাচের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

    এম এ আলিম রিপনঃ “এসো মিলি প্রাণের টানে” স্লোগানকে সামনে রেখে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে সুজানগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি ১৯৮৮ ব্যাচের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সুজানগর পৌরসভার হলরুমে এ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসএসসি ১৯৮৮ ব্যাচের বন্ধু ও সুজানগর পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও এসএসসি ১৯৮৮ ব্যাচের বন্ধু আব্দুস সালামের স ালনায় এসএসসি ১৯৮৮ ব্যাচের বন্ধু মহলের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইয়াকুব প্রাং, আব্দুল আলিম, টুটুল,শওকত,রকিবরানা, রুবেল, পলাশ, মুন, মাসুদ,ওবায়দুল, স্বপন বিশ^াস, কাশেম, মোশারফ হোসেন বাদশা, সুলতান, ময়নুল, খোকন, মামুন ও রাজ্জাক প্রমুখ। এ সময় তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, জীবন চলার পথে প্রত্যেকের জীবনে বন্ধু নামটি বিশ^াসী ও মজবুত একটি সম্পর্কের সৃষ্টি করে। যে সম্পর্ক কখনো লাভ অথবা ক্ষতির ভাবনায় গড়ে উঠে না। কিছু কিছু সময় আমাদের সামনে হাজির হয়ে যায়, যে সময়টা যেখানে বন্ধুর গুরুত্ব অপরিসীম। যার কাছে মনের সব লুকানো কথা আস্থা ও বিশ^াসের সঙ্গে খুলে বলা যায়। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে টেনে তোলা হয় বিপৎসীমা থেকে নিরাপদ স্থানে। ভুল সিন্ধান্তের অন্ধকার থেকে ফিরিয়ে আলোকিত পথের সন্ধান দেখায়। আত্মার সঙ্গে আত্মার শক্তিশালী বন্ধন হলো বন্ধু। বন্ধুত্বের কোন বয়স নেই পারিপাশির্^ক অবস্থা, সততা, সহমর্মিতা সহযোগিতা,সমবেদনা,মনের অনুভূতি প্রকাশ,ভয়কে জয় করার নির্ভরশীল সঙ্গী হলো বন্ধু। বর্তমানের ন্যায় আগামীতেও যেন বন্ধুত্বের এই অটুট বন্ধন ধরে রেখে সামনের দিকে আরও এগিয়ে যেতে পারে সেই জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়। পরে এসএসসি ১৯৮৮ ব্যাচের যে সকল বন্ধু প্রয়াত হয়েছেন সেই সকল বন্ধুদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া দোয়া পরিচালানা করেন মোঃসুলতান। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন এস এসসি ১৯৮৮ ব্যাচের বন্ধু রেজাউল করিম রেজা,আব্দুস সালাম,ইয়াকুব প্রাং,আব্দুল আলিম ও মাসুদ প্রমুখ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • অটোরিক্সাসহ যানবাহন থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি-গোয়েন্দা সংস্থা’র হস্তক্ষেপ কামনা

    অটোরিক্সাসহ যানবাহন থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি-গোয়েন্দা সংস্থা’র হস্তক্ষেপ কামনা

    স্টাফ রিপোর্টারঃ ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল-টঙ্গী সড়কের জামগড়া (নরসিংহপুর) নামে বে-নামে অটোরিক্সা থেকে ব্যাপক চাঁদাবাজি করছে, কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না চাঁদাবাজি-এ ব্যাপারে ডিবি পুলিশ ও র‌্যাবসহ গোয়েন্দা সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।
    সরেজমিনে গিয়ে গত দুই মাস বিভিন্ন ভাবে জানা যায়, আশলিয়া থানাধীন বাইপাইল-টঙ্গী সড়কের নরসিংহপুর-কাশেমপুর সড়কে সুমন ওরফে মাহিন্দ্রা সুমনের নেতৃত্বে ২জন লাইনম্যান প্রতিটি অটোরি´া থেকে ২০ টাকা করে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা চাঁদাবাজি করে। এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে সুমন এর সাথে আলাপ করে জানা যায়, এই চাঁদাবাজির সাথে এলাকার প্রভাবশালী অনেকেই জড়িত। অনেকেই সড়কের দুইপাশে মার্কেটের সামনে ফুটপাতের দোকান থেকে মোটা অংকের চাঁদাবাজি করছে। রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করে গাড়ি থামিয়ে চাঁদা আদায় করা হয় এবং ফুটপাতসহ বিভিন্ন সরকারি জমি ও রাস্তা দখল করে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন রোডে অবাধে চলছে অবৈধ গাড়ি-সিএনজি, মাহিন্দ্রা, তিন চাকা অটোরিক্সা, লাইসেন্সবিহীন ও ফিটনেসবিহীন অবৈধ যানবাহন, এসব যানবাহন থেকেও লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করা হয়। সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতায় যানবাহন থেকে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
    জানা গেছে, পুরাতন আশুলিয়া থেকে জিরাবো, নরসিংহপুর, সরকার মার্কেট, জামগড়ার ছয়তলা, ইউনিক, নবীনগর থেকে জিরানী পর্যন্ত সড়কে এবং নবীনগর থেকে পাটুরিয়া, আরিচা মহাসড়কে বাসগুলো থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। দেখা যায়, কার আগে কে যাবে আর স্টাফদের সাথে মারামারি লেগেই থাকে, নবীনগরের ফুটপাত হকারদের থেকে দখলমুক্ত করা হলেও বেশিরভাগ এলাকায় এখনও ফুটপাতে জমজমাটভাবে চলছে ব্যবসা বাণিজ্য এবং লাইসেন্সবিহীন যানবাহন থেকে কিছু দালাল ও হাইওয়ে কিছু পুলিশ সদস্য মোটা অংকের চাঁদাবাজি করে থাকে। মহাসড়ক ও হাইওয়ে সড়কের পাশে ফুটপাত দখল করে গাড়ি পার্কিং দোকানপাট বসিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করা সরকার নিষিদ্ধ করলেও কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না কেন জাতি জানতে চায়। পুলিশ ও গাড়ির মালিক সমিতি কর্তৃক চাঁদাবাজদেরকে প্রতিটি গাড়ি থেকে ১০০০-২৫০০/ টাকা দিতে হয় বলে চালকরা জানায়।
    বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের একজন (টিআই) অভিমত প্রকাশ করে বলেন, বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ সঠিক ভাবে করতে দায়িত্ব কর্তব্য পালন করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কিন্তু প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ না করে অবৈধভাবে বিশৃঙ্খলার মধ্যে অবৈধ যানবাহন চলছে সড়কও মহাসড়কের সর্বত্র। ফলশ্রুতিতে জনগণ নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন আর সরকার সারাদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বি ত হচ্ছে বিষটি অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচনায় আনতে বিশেষভাবে সবিনয় বিনীত অনুরোধ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে। ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে ট্রাফিক ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল করতে সক্ষম হলে বাংলাদেশের জনগণ তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লোকের মধ্যে বাংলাদেশ সম্পর্কে পজিটিভ ধারণা আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ অনেক বেশি আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আসলে অর্থনৈতিক উন্নতি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং বেকার সমস্যা দূর করতে সক্ষম হবে সরকার। মানুষের চলাচলে নিরাপত্তা খুঁজে পাবে এবং নিরাপদ সড়ক বিনির্মাণে এক ধাপ এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে। সেই সাথে সড়কের ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি।
    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আশুলিয়ার নবীনগর পল্লী বিদ্যুৎ ও বাইপাইল, ইউনিক, জামগড়ার ছয়তলা ও সরকার মার্কেটসহ বিভিন্ন সড়কের পাশে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কথা থানা পুলিশের, শুধু নবীনগরসহ কিছু এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করলেও বেশিরভাগই ধরাছোঁয়ার বাইরে, কোনো ভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে ট্রাফিক পুলিশ সদস্য, হাইওয়ে পুলিশ ও আশুলিয়ার নরসিংহপুরে মোঃ সুমন ওরফে মাহিন্দ্রা সুমন, শ্রীপুরের বাবুলসহ কয়েকজন দালাল চাঁদাবাজ কর্তৃক তিন চাকা গাড়ি- প্রতি একটি গাড়ি থেকে ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা মাসিক চুক্তিতে চাঁদা আদায় করছে, পুরাতন আশুলিয়ায় ট্রাফিক পুলিশের একজন সদস্য সিএনজিসহ বিভিন্ন গাড়ি থেকে মাসিক চাঁদা উঠায়, তা মোটা অংকের বলে অনেকেই জানায়। সেই সাথে রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা বিভিন্ন ফুটপাতে চাঁদা আদায় করে। কিছু ফুটপাতের দোকানদার ব্যবসার আড়ালে চাঁদা উঠায় এমন অভিযোগও রয়েছে। সূত্র জানায়, দেশের অন্যদিকে সিলেট সদরের আম্বরখানাসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক থেকে প্রতি বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার চাঁদা আদায় করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা। এদিকে ভৈররের বিভিন্ন এলাকায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার সিএনজি চালকদের কাছ থেকে প্রতি বছর ১কোটি টাকার বেশি চাঁদা আদায় করে চাঁদাবাজরা। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা একদিকে যানবাহন থেকে চাঁদা নিয়ে থাকে, অন্যদিকে ফুটপাত থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে বলে অভিযোগ উঠেছে। মিরপুর বিভিন্ন সড়ক ও বেঁড়িবাঁধ থেকেও ব্যাপক চাঁদাবাজি করা হয়। শুধু বেড়িবাঁধ থেকেই চাঁদা নিয়ে ক্ষ্যন্ত হয়নি তারা, কার্গো জাহাজ ভেড়ানোর জন্য তৈরি করেছে ল্যান্ড ষ্টেশনও। সেখানে মালবাহী ট্রাক লোড-আনলোডের ক্ষেত্রেও ইচ্ছেমতো চাঁদা নেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ল্যান্ড ষ্টেশন থাকলেও অদৃশ্য কারণে তৈরি ল্যান্ড ষ্টেশনই ব্যবহার করা হচ্ছে।
    এদিকে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন পল্লীবিদ্যুৎ, বাইপাইল থেকে জিরানী বাজার পর্যন্ত এবং ভাদাইল, ইউনিক বাজার, শিমুলতলা, ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া চৌরাস্তা-ছয়তলা, নরসিংহপুর, জিরাবো, পুরাতন আশুলিয়া পর্যন্ত সড়কের রাস্তার দুইপাশে ফুটপাত দখল করে স্থাপনা তৈরি করে দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে প্রভাবশালী মহল। সেই সাথে উক্ত এলাকায় গাড়ি থেকে চাঁদাবাজি করে এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্য। জানা যায়, বিভিন্ন ক্রাইম স্পট থেকে পুলিশকে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা চাঁদা উঠিয়ে দেয় এড়িয়াভিত্তিক মার্কেটের মালিক পক্ষের লোকজন। সচেতন মহল ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সাভার, আশুলিয়ার সড়ক ও মহাসড়কে এবং তুরাগপাড়ের বেড়িবাঁধের রাস্তার উপরের দুপাশে বিভিন্ন দোকান, লেগুনা ষ্ট্যান্ড বসিয়েও চাঁদাবাজি করে আসছে প্রভাবশালী এই চক্রগুলো। বছরের পর বছর উল্লেখ্য এলাকার মানুষজনকে একপ্রকার জিম্মি করেই অবৈধ কর্মকান্ড করে আসছে প্রভাবশালীরা। চাঁদাবাজ চক্রের সাথে কিছু জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক নেতা জড়িত রয়েছে বলেও অনেকেই জানান। জানা গেছে, রাজধানীর গাবতলী মাজার রোড হয়ে দারুসসালাম থানা রোড ও থানার সামনে দিয়ে ছোট সরু রাস্তা থেকে কিছু দূর গেলেই তুরাগ নদীর পাড় এলাকাটির নাম ছোটদিয়াবাড়ী । তুরাগ নদীর এ পাড়ের অংশ ছোট দিয়াবাড়ী, উপরের অংশ কাউন্দিয়া। এই পারের অংশের বাম দিকে গাবতলী আর ডান দিকে বেড়িবাঁধ রাস্তা। যা আশুলিয়া ও উত্তরার দিকে চলে গেছে। তুরাগের বাঁধঘেষা ছোট দিয়াবাড়ী মোড়টিকে পুঁজি করেই চক্রটি মূলত বিশাল চাঁদাবাজির ক্ষেত্র গড়ে তুলেছে। দেখা যায়, বাঁধ সংলগ্ন রাস্তাটি বেশ চওড়াই কিন্তু দুপাশে দখলের কারণে এটি ছোট হয়ে এসেছে। দুপাশের অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ছোট বড় শত শত দোকান। দারুসসালাম রোড থেকে বাঁধে উঠার সংযোগ সড়কের দুপাশের রাস্তা দখল করে বাঁশের আড়ৎ দেওয়া হয়েছে। এককালীন লাখ টাকা, পরে ১৫-২০ হাজার টাকার বিনিময়ে এটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দোকানিরা বলেন, তারা জায়গাটি ভাড়া নিয়েছেন হাজি জহিরের কাছ থেকে। তারা বলেন, এককালীন হিসেবে প্রায় লাখ খানেকের মতো টাকা দিয়েছেন আর প্রতি মাসে ১০হাজারের মতো টাকা ভাড়া দেন। হাজী জহির এর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। নৌপরিবহন মন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।
    মানিকগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ আসাদ মিয়া বলেন, এর আগে সড়কে গাড়িতে চাঁদাবাজির সময় কয়েকজনকে আটক করা হলেও আদালত থেকে তারা জামিনে এসে আবারও চাঁদাবাজি করছে। ঢাকা জেলার সাভার ট্রাফিক জোন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (টিআই) সোহেল এর কাছে সড়কে চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাভারে ফুটপাত দখলমুক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, অবৈধ গাড়ি রোডে বেশি চলাচল করায় যানজটের সৃষ্টি হয়, তবে মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে অটো রিক্সা, মাহিন্দ্রাসহ অবৈধ তিন চাকা গাড়ি আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। উক্ত ব্যাপারে বিভিন্ন সূত্র জানায়, চোরে চোরে খালাতো ভাই, এরজন্য কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না চাঁদাবাজি।পর্ব-১।

  • পাইকগাছায় পাখির জন্য নিরাপদ প্রজনন ও অভয়ারণ্য গড়ে তুলতে গাছে গাছে বাঁধা হয়েছে মাটির পাত্র

    পাইকগাছায় পাখির জন্য নিরাপদ প্রজনন ও অভয়ারণ্য গড়ে তুলতে গাছে গাছে বাঁধা হয়েছে মাটির পাত্র

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)।।

    বাংলাদেশের দেশিয় বা আবাসিক পাখিদের এখন প্রজনন মৌসুম চলছে। মার্চ থেকে সেপ্টম্বর মাস পর্যন্ত বিভিন্ন গোত্রীয় ও পরিবারভুক্ত পাখিদের প্রজননকাল। পাখিদের বাসা বাঁধতে এবং ডিম পাড়ার দৃশ্য বসন্ত ঐতিহ্যকে জাগিয়ে তোলে। অনেক পাখি বসন্তে প্রজনন করে এবং ডিম দেয়।তবে বেশ কয়েকটি প্রজাতি গ্রীষ্মে প্রজনন করে না। কিছু শীতের প্রথম দিকে শুরু হয়, কিছু গ্রীষ্মের শেষের দিকে এবং অন্যরা প্রজনন করে সারা বছর ধরে।

    আমাদের দেশে বড় গাছপালা নির্বিচারে নিধনের ফলে এদেশের আবাসিক পাখিদের প্রজননের জন্য যে আবাস প্রয়োজন তা বিলুপ্ত হচ্ছে। প্রকৃতি ও পরিবেশের বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে বিচিত্র প্রজাতির পাখি। কিন্তু পাখিদের আবাসস্থল নিরাপদ থাকছে না।পাখির প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র দিন দিন শিকারিদের দখলে চলে যাচ্ছে। এ ছাড়া কৃষক ও জেলেদের অসচেতনতার কারণে পাখির অভয়ারণ্য হুমকির মুখে পড়েছে।

    বৈশাখ মাস থেকে এসব পাখিরা বিশেষ করে ঝুঁটি শালিক, টুনটুনি, ভাত শালিক, দোয়েল, কুটুরে প্যাঁচা, কাঠ শালিক, চড়ুঁই পাখিরা প্রজনন ঘটায়। এই সময় এসব পাখিদের বাসা বাঁধবার জন্য নির্দিষ্ট জায়গার প্রয়োজন হয়। যেমন বড়সড় গাছের কোটর, নারকেল গাছের ফোঁকর সহ পুরনো দালানের ভাঙ্গা ভেন্টিলেটার। এই জায়গাগুলোই এ সব পাখিদের বাসা বাঁধবার প্রকৃত স্থান। এ সকল জায়গা পাখিদের জন্য নেই বললেই চলে।

    পাখির জন্য নিরাপদ প্রজনন ও অভয়ারণ্য গড়ে তুলতে পাইকগাছায় গাছে গাছে বাঁধা হয়েছে মাটির পাত্র। সেসব পাত্রে পাখি বাচ্চাও দিচ্ছে। পরিবেশবাদী স্থানীয় সংগঠন বনবিবি এলাকার গাছে গাছে পাখির বাসার জন্য মাটির পাত্র বেঁধে দিচ্ছে। দেখা গেছে, বিভিন্ন গাছে বাঁধা মাটির পাত্রে পাখি বাসা তৈরি করেছে, ডিম পেড়েছে ও বাচ্চা ফুটিয়েছে।

    বনবিবির সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান জানান, গাছে বাঁধা মাটির পাত্রে পাখি বাসা তৈরি করায় আমাদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সাড়া পড়েছে। গাছে গাছে বাঁধা হচ্ছে মাটির পাত্র, ছোট ঝুড়ি,টিন- কাঠের বাসা ও বাঁশের তৈরি বাসা। উপজেলার সরল মেইন সড়কের পাশে বট গাছে বাঁধা মাটির পাত্রে শালিক বাসা বেঁধেছে। নতুন বাজারের পাশে বকুল ও মেহগনি গাছে বাঁধা মাটির পাত্রে দোয়েল ও চড়ুই পাখি বাসা বেঁধেছে। গোপালপুর স্কুলের পাশের মেহগনি গাছে ও বোয়ালিয়া কপোতাক্ষ নদের তীরে বটগাছে দোয়েল পাখি বাসা বেঁধেছে। উপজেলায় বিভিন্ন গাছে বাধা প্রায় দুল শতাধিক কৃত্রিম পাখির বাসায় পাখি বাসা তৈরি করেছে।

    এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত পাখিদের প্রজননের সময়। এপ্রিল থেকে বাসা বানাতে শুরু করে পাখি। এক সময় জলাশয় ও ধানখেতে ফাঁদ, জাল, বিষটোপ দিয়ে পাখি শিকার করা হতো। পাখি রক্ষায় সচেতনতামূলক লিফলেট ও উদ্বুদ্ধকরণ সভা করা হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন গাছে প্রায় ১ হাজার ৭০০ মাটির পাত্র স্থাপন করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন সময় ঘূর্ণিঝড়ে গাছের ডালপালা ভেঙে প্রায় চার শতাধিক মাটির পাত্র ভেঙ্গে গেছে। যেসব গাছে মাটির পাত্র ভেঙে গেছে, সেখানে পুনরায় বাসা স্থাপন করা হচ্ছে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন বলেন, বনবিবির কৃত্রিম বাসা তৈরির এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এর ফলে আমাদের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা হবে। পাখিরা ফিরে পাবে নিরাপদ আবাসস্থল। পাখি শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, মানুষের উপকারী বন্ধু। তাই পাখির সুরক্ষায় সবার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

    বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭২২টি প্রজাতির পাখির উপস্থিতি নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে কমবেশি ৩৪০টি প্রজাতি আবাসিক। এরা সারা বছর দেশের ভৌগোলিক সীমানায় থাকে এবং বংশবৃদ্ধি করে। বাকি প্রায় ৩৭০ প্রজাতি পরিযায়ী।অল্প কিছু প্রজাতি বাদে বেশির ভাগ পরিযায়ী পাখি আসে শীতকালে। তার মানে বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় ওরা এ দেশে আসে, বাস করে এবং সময়মতো আগের আবাসে।

  • নড়াইলে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের লাহুড়িয়া পুলিশের অভিযানে একবছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার।
    এনআই এ্যাক্টের মামলায় একবছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সৈয়দ সাহিদুল ইসলাম মারুফকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার লাহুড়িয়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
    বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) গ্রেফতারকৃত আসামি সৈয়দ সাহিদুল ইসলাম মারুফ নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানাধীন লাহুড়িয়া সৈয়দপাড়া সাকিনের মৃত সৈয়দ আবুল কাশেমের ছেলে। বিশ্বস্ত তথ্যের ভিত্তিতে লাহুড়িয়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ সেলিম উদ্দীন এর তত্ত্বাবধানে এএসআই (নিঃ) দ্বীন ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি হতে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত সৈয়দ সাহিদুল ইসলাম মারুফ এর নামে লোহাগড়া থানায় দুটি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইলের লাহুড়িয়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ সেলিম উদ্দীন বলেন, নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র সার্বিক দিকনির্দেশনায় ওয়ারেন্ট তামিলে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।

  • নড়াইলে ইয়াবা পকেটে ঢুকিয়ে ফাসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসেছেন জিয়া চৌধুরী

    নড়াইলে ইয়াবা পকেটে ঢুকিয়ে ফাসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসেছেন জিয়া চৌধুরী

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে ৫০০ ইয়াবা পিস পকেটে ঢুকিয়ে ফাসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসেছেন জিয়া।
    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় সামাজিক দ্বন্দ্বের জেরে আওয়ামী লীগ নেতাকে ৫০০ পিচ ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে জিয়া চৌধুরী নামের এক যুবক পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন।
    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
    বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের চরদৌলতপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
    ভুক্তভোগী মো. আরজ আলী কাজী ওরফ লিচু কাজী ইতনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক।

    সন্ধ্যায় থানা হেফাজত থেকে বেরিয়ে ভুক্তভোগী ওই আওয়ামী লীগ নেতা লিচু কাজী জানান, চরদৌলতপুর বাজার থেকে পাংখারচর বাড়িতে ফেরার পথে দিনু মোল্যার দোকানের সামনে পৌঁছালে অভিযুক্ত জিয়া ডেকে বসান তাকে। পাশে বসে কৌশলে পাঞ্জাবির পকেটে জিয়া একটি প্যাকেট ঢুকাতে গেলে তার সাথে ধস্তাধস্তি হয়। পকেটে নীল রংয়ের জিপার যুক্ত পাঁচটি পলিব্যাগ ঢুকিয়ে জিয়া সটকে পড়েন। এ সময় পুলিশ আমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। পরে সন্ধায় আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
    তিনি আরও বলেন, সামাজিকভাবে হেয় করতে সুপরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষরা জিয়ার মাধ্যমে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল। সত্য উদঘাটিত হওয়ায় আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত জিয়াসহ অন্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ নেতার ইয়াবার সাথে সম্পৃক্ততা নিয়ে সন্দেহ হলে, এর সত্যতা জানতে মাঠে নামে লোহাগড়া থানা পুলিশের একটি দল। পরে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত মূলপরিকল্পনাকারী অভিযুক্ত জিয়া নামে ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে জিয়া চৌধুরী নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মাদক মামলা হয়েছে। পরে গ্রেফতার জিয়াকে আদালতে তোলা হলে, আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠায়।

  • বুড়িচংয়ে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র উদ্যোগে প্রয়াত সাংবাদিকদের স্বরণে কুরআন খতম,দোয়া ও এতিমদের সাথে ইফতার অনুষ্ঠিত

    বুড়িচংয়ে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র উদ্যোগে প্রয়াত সাংবাদিকদের স্বরণে কুরআন খতম,দোয়া ও এতিমদের সাথে ইফতার অনুষ্ঠিত

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ

    কুমিল্লা ও বুড়িচং সহ দেশের সকল প্রয়াত সাংবাদিকদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও কর্মরত অসুস্থ সংবাদ কর্মীদের সুস্বাস্থ্য ও সফলতা কামনায় এতিম শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র বুড়িচং উপজেলার শাখার আয়োজনে কুরআন খতম,দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    (২৯ মার্চ ২০২৪) শুক্রবার সাংবাদিক মরহুম নওশাদ কবির,গোলাম মোস্তফা, জয়নাল আবেদীন,হাবিব জালাল,মোস্তফা মজুমদার,জেহাদ হোসেন খোকন,অধ্যাপক মফিজুল ইসলাম,অধ্যাপক জালাল উদ্দিন,অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম,মহিউদ্দিন সরকার নাঈম,মামুন সরকার ও আসাদ সহ দেশের সকল মরহুম সাংবাদিকদের স্বরণে কুরআন খতম,দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় কুমিল্লার বুড়িচং সদর ইউনিয়নের যদুপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায়। কুরআন খতম,দোয়া ও ইফতার মাহফিলে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বুড়িচং উপজেলা কমিটির উপদেষ্টা শরিফ মাহমুদ অপু।উপজেলা কমিটির সভাপতি সৌরভ মাহমুদ হারুনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গীতিকবি আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়,যুগ্ম সম্পাদক নুরুন্নবীর যৌথ পরিচালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুড়িচং থানার ওসি আবুল হাসানাত খন্দকার,সুবর্ণচর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ কবির হোসেন,দৈনিক কুমিল্লা কাগজের উপ-সম্পাদক জহির শান্ত,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা কমিটির সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরুণ,সহ-সভাপতি জুয়েল রানা মজুমদার,সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার মোঃ শাহীন মিয়া,চট্রগ্রাম জজকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও সমাজ সেবক
    এড.আলিমুল এহসান রাসেল, প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বুড়িচং উপজেলা কমিটির সাবেক সভাপতি গাজী জাহাঙ্গীর আলম জাবির,ইসলাম কমপ্লেক্সের স্বত্বাধিকারী হাজী মোঃ মফিজুল ইসলাম,যদুপুর সার্বিকগ্রাম উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রফিকুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক আলেক হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কুমিল্লা জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক ইকবাল হোসেন,প্রচার সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সুমন,সাংবাদিক এন সি জুয়েল,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বুড়িচং উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি মাহফুজ বাবু,আলমগীর হোসেন বাচ্চু,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাফি,
    বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির বুড়িচং উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান,যুগ্ম সম্পাদক এম এ হাসান,সাংবাদিক আব্দুল্লাহ। উক্ত অনুষ্ঠানে কুরআন তেলাওয়াত করেন মুহতামিম হাফেজ মোঃ রহুল আমিন,মোনাজাত পরিচালনা করেন
    আব্দুস সালাম আজাদী।উপস্থিত ছিলে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বুড়িচং উপজেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোবারক হোসেন,যুগ্ম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রবিউল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মারুফ হোসেন, অর্থ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম গোল্ডেন,প্রচার সম্পাদক আবু জাফর মোঃ সাদেক,দপ্তর সম্পাদক জাকারিয়া সুমন,সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক কবি নাজমুল হাসান রানা,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আলাউদ্দিন আহমেদ আলাল, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক বাপ্পী চন্দ্র দে, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শিরিন আক্তার, নির্বাহী সদস্য মোঃ আবুল হোসেন,সদস্য পারুল আক্তার,সদস্য আকলিমা আক্তার,সদস্য শওকত উদ্দিন,রোকসানা আক্তার মিম,রিনা আক্তার।উক্ত অনুষ্ঠানে ইফতার মাহফিলে সার্বিক সহযোগীতা করেন যদুপুর গ্রামের হুমায়ুন কবির,মোস্তাফিজুর রহমান,শাহিনুর রহমান,আমির হোসেন সহ অন্যান্যরা।

  • ময়মনসিংহে উপজেলা  চেয়ারম্যান হিসেবে আবারো আশরাফকেই চান সদরবাসী

    ময়মনসিংহে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে আবারো আশরাফকেই চান সদরবাসী

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ সদরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে বর্তমান চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইনকেই ফের দেখতে চায় এলাকাবাসী। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবারের নির্বাচনে যদিও দলীয় মনোনয়ন দেবেনা তার পরও উপজেলার চলমান উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইনকেই জনগণ আগামী উপজেলা নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে আবারো এই পদে দেখতে চায়। তাই তিনিই হচ্ছেন এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রিয় ও হেভিওয়েট প্রার্থী এমন গুঞ্জনই এখন উপজেলার সাধারণ জণগনের মুখে মুখে।

    বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ ও মতবিনিময়ে তার অতীত রাজনৈতিক জীবন এবং ভবিষ্যতে এলাকার রাজনীতিতে নিজের অর্জন-পরিকল্পনার কথা জানান দিচ্ছেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশরাফ হোসাইন। অন্যদিকে,উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার মত তাকে ব্যাতিত যোগ্য প্রার্থী নেই বলে দাবি এলাকাবাসী ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের।

    এ বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহকালে জানা যায়, আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একজন জনবান্ধব কর্মী হিসাবে জননেতা আশরাফ হোসাইনকেই ফের উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এখানকার উঠতি ভোটাররা। স্থানীয় তরুণ প্রজন্মের নেতা-কর্মীদের সাথে আলাপের মাধ্যমে এমন তথ্য জানা গেছে। তাদের মতে তরুণ এই আওয়ামী লীগ নেতা এরই মধ্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগের আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিপুল ভোটের ব্যবধানে গতবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে নিজেকে টেনে নিয়ে এসেছেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। বর্তমানে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাইতো নিজ দলীয় কর্মী-সমর্থকসহ এলাকাবাসীর অধিক আগ্রহের কারণেই মনস্থির করেছেন আগামী উপজেলা নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হয়ে হেট্রিক জয়ের।

    জানা গেছে, এবারে দলীয় প্রতীক না থাকায় জনতার প্রার্থী হিসেবে আশরাফ হোসাইন উপযুক্ত তাই আওয়ামী লীগের, সাধারণ কর্মীরা তার পক্ষেই একাট্টা হয়ে উঠেছে।

    এ বিষয়ে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতারা বলেন, এর আগে কোন উপজেলা চেয়ারম্যানের তেমন উন্নয়ন আমরা দেখতে পারি নাই, কিন্তু আশরাফ হোসাইন চেয়ারম্যান হবার পর আমাদের উপজেলায় নতুন নতুন রাস্তা তিনি করে দিয়েছেন । তিনি যে উপজেলার উন্নয়ন করেছেন তা দেখার মতো। আশরাফ হোসাইন আবারো চেয়ারম্যান হবার যোগ্য বলে আমরা মনে করি।

    ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তার সোহেল বলেন, উপজেলার সামাজিক উন্নয়ন ও রাষ্ট্রীয় নানা উন্নয়নে কাজ করেছেন তিনি। তিনি চেয়ারম্যানের দ্বায়িত্ব গ্রহনের পর এলাকার হতদরিদ্র পরিবার ও অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন সব সময়। নানা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করেছেন এছাড়া এলাকাবাসির যেকোনো বিপদ আপদে সব সময় সহোযোগিতা হাত বাড়িয়ে দিয়ে আসছেন । তিনি গরীব ও অসহায় মানুষের সুখে দুঃখে বিপদে আপদে সব সময় পাশে থাকার চেষ্টা করেন। এজন্য তিনি এলাকার মানুষের কাছে একজন প্রিয় মানুষ হয়ে উঠেছেন। মানুষের জন্য ভাল কাজ আর বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতার জন্য তিনি দিনে দিনে স্থানীয় গণমানুষের মাঝে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। আমরা ওনাকেই আবারও উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।

    এ বিষয়ে মুঠোফোনে আশরাফ হোসাইন বলেন, আমার পিতা বঙ্গবন্ধুর অনুসারী ছিলেন বলে স্কুলজীবন থেকেই রাজনীতিতে জড়ানোর ক্ষেত্রে পরিবারের পক্ষ থেকে তেমন বাধা পাইনি। কলেজ পর্যায়ে থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সক্রিয় কর্মী ছিলাম। ছাত্র সংসদের নেতাও ছিলাম। এলাকার মানুষ অন্য প্রার্থীদের চেয়ে আপনাকে কেন এগিয়ে রাখবে? এমন প্রশ্নের জবাবে আশরাফ হোসাইন বলেন, এক একজন নেতার এক এক ধরনের চারিত্রিক গুণ থাকে, সেটা নিতান্তই আলাদা। এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলো তাদের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয়। বিশদ ব্যাখ্যায় না গিয়ে আমি বলবো, এলাকার মানুষ চায় আমি যেন তাদের প্রতিনিধিত্ব করতে আবারো উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। আমি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করেছি। মানুষের সুখে দু:খে পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছি। তাই তারা আমাকে দ্বিতীয় মেয়াদে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।তিনি বলেন-আমি সদর উপজেলার গণমানুষের নেতা ও বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাজনীতি করি। তাই এই উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদেরকে নিয়ে কাজ করি। নেতাকর্মীদের সবসময় কাছে থাকার চেষ্টা করি, তাদের নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখি। তারা আমাকে ভালোবাসে বিধায় পুনরায় আমাকে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায়।

  • টেকনাফে পুলিশের অভিযানে অপহরণকারী  চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

    টেকনাফে পুলিশের অভিযানে অপহরণকারী চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

    কে এম নুর মোহাম্মদ,
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০ জন অপহরণের ঘটনায় অপহরণকারী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    শুক্রবার ভোরে পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন-টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের রইক্ষ্যং দক্ষিণ পাড়া এলাকার মৃত রুহুল আমিনের ছেলে নবী সুলতান প্রকাশ নবীন এবং বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শিলখালী এলাকার মৃত হোছেনের ছেলে মো. ছলিম।

    টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ওসমান গনির নেতৃত্বে একটি টিম
    ভোররাতে অপহরণকারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেন।

    এর আগে বুধবার সকালে ১০ জনকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দিয়ে রাতে ছাড়া পান। তাদেরকে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২২নং উনচিপ্রাং ক্যাম্পের দক্ষিণ পাশের পাহাড় থেকে পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে আসে বলে জানা যায়।

    মুক্ত হওয়া অপহৃতরা হলেন-মোঃ আকতার হোসেন (২২), মোঃ কামাল হোসেন (১২), মোঃ আমির হোসেন (১৫), মোঃ সৈয়দ হোছন (৩০), মোঃ ফজল কাদের (৪৫), মোঃ নূর (১৩), মোঃ জুনায়েদ (১০), মোঃ সাকিল আহমেদ (১২), ফরিদ হোসেন (৩০), মোঃ ইসমাইল (২৭)।

    গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।