Category: দেশজুড়ে

  • পাইকগাছায় তিব্র গরমে তৃষ্ণা মেটাতে ফুটপথের  শরবতে ভরসা ; বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

    পাইকগাছায় তিব্র গরমে তৃষ্ণা মেটাতে ফুটপথের শরবতে ভরসা ; বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    বৈশাখ মাসে তিব্র টানা তাপদাহ চলছে।খুলনায় তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি উপরে উঠছে। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ নগরবাসী। ঘর থেকে বের হলেই গরমে ঘেমে নাজেহাল। হেঁটে বা গাড়িতে করে এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যেতে ঘাম ঝরছে শরীর থেকে। কাঠফাটা রোদে শুকিয়ে যাওয়া গলা ভেজাতে রাস্তার পাশের দোকান থেকে ঠান্ডা শরবত ও জুস কিনে পান করেন অনেক মানুষ। সাময়িক প্রশান্তি আর তৃষ্ণা মেটাতে তাই মানুষ ঝুঁকছে রাস্তার শরবত-ফলে। অস্বস্তিকর গরমে রাস্তার পাশের অস্থায় কিংবা ভ্রাম্যমাণ পানীয় ও কাটা ফলের দোকানগুলোতে ভিড় চোখে পড়ার মতো।
    পাইকগাছার পৌর বাজারে চোখে পড়বে ব্যস্ত সড়কের মোড়ে, মার্কেটের সামনে, রাস্তার পাশে দাঁড়ানো লেবু পানি, আখের রস, বেলের শরবত, আম-পেয়ারা , তরমুজ, শসা, ডাবসহ নানা প্রকারের লোভনীয় ফল-ফলাদি। গরম বেশি পড়লে বেড়ে যায় এসব খাবারের চাহিদা।
    উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে ভ্যানে করে শরবত বিক্রি করছেন হকাররা। ভ্যানের ওপর একটি ফিল্টারে পানি ও বরফ মিশিয়ে রাখা হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে লেবু , ড্রিংক পাউডার, বিট লবন, তোকমা ও বরফ কুচি। শুধু লেবুর শরবত বিক্রি হচ্ছে ৫ টাকায় আর ড্রিংক পাউডার দিয়ে তৈরি শরবত বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়। লেবুর শরবত বিক্রেতারা জানান, খবার পানি দিয়ে লেবুর শরবত তৈরি করা হয়। লেবুর শরবতের সাথে বিট লবন ও চিনি মিশিয়ে দেওয়া হয়। তবে যেসব বরফ দেওয়া হয়, সেগুলো সংগ্রহ করা হয় বিভিন্ন মাছের আড়ত থেকে। মাছ সংরক্ষণের জন্য আড়তদাররা এসব বরফ তৈরি করেন। আর লেবু বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকারি দামে কেনা হয়। অন্যদিকে আখের রসেও দেওয়া হচ্ছে মাছ সংরক্ষণের জন্য তৈরি করা বরফ। আর পানি দিয়ে ধোয়া হচ্ছে আখগুলো। দোকানিরা বলছেন, গরমের কারণে সব ধরনের শরবত-জুসের চাহিদা বেড়েছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ এ ধরনের শরবত বেশি পান করেন।
    লেবুর শরবত বিক্রেতা নুর ইসলাম বলেন, প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ গ্লাস শরবত বিক্রি হয়। বেশি বিক্রি হলে লাভও হয় বেশি। শরবতের ক্রেতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভ্যানচালক, বাসের হেলপার, ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাওয়া মানুষ তাদের ক্রেতা।বরফ কুচি ও বিট লবণ মেশানো লেবুর শরবতের দোকানেও গরমে অস্থির অনেকেই স্বস্তি খুঁজতে ভিড় করেছেন।
    লেবুর শরবত বিক্রেতা শহিদুল মোড়ল বলেন, এখন অনেক কাস্টমার। বেশী গরম পড়লে ভীড় বেড়ে যায়। আমার লেবুর পানি একশ ভাগ ভালো। ভালো কারখানা থেকে বরফ আনা। কোনো ক্ষতি হয় না। বিভিন্ন সূত্রমতে, রাস্তার এসব পানীয়তে যে বরফ ব্যবহার করা হয় তা মাছের আড়ৎএ ব্যবহার করা হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হয় এ বরফ। এসব বরফে মেশানো থাকে কেমিক্যাল ও ইউরিয়া। ফলে ঠাণ্ডার পরশ পেয়ে সাময়িক স্বস্তি মিললেও অজান্তেই শরীরে যাচ্ছে জন্ডিস, ডাইরিয়াসহ অন্য রোগের জীবাণু। যদিও বিক্রেতাদের দাবি, খাওয়ার বরফ যেসব কারখানায় বানানো হয়, সেখান থেকে বরফ কেনেন তারা। স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বানানোও হয়।
    পাইকগাছা উপজেলা সেনেটারি ইন্সপেক্টর উদয় মষ্ডল বলেন, গরমে পানি পান করা জরুরি। রাস্তার পাশের ঠান্ডা পানীয় দেখতে খুব আকর্ষণীয় হলেও স্বাস্থ্যের জন্য তা বড় রকমের ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এ কারণে শরবতে রং, কেমিক্যালসহ শরিরের ক্ষতিকর কোন দ্রব্য না মিশায় তার তদারকি ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে শরবত বানানোর জন্য উদ্বদ্ধ করা হচ্ছে বিক্রেতাদের।
    পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: নীতিশ চন্দ্র গোলদার বলেন, পথঘাটে খাবার না খাওয়াই ভালো। রাস্তার পাশে এসব খাবার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রস্তুত হয়। এগুলো খেলে ডায়রিয়া, আমাশয় ও জন্ডিসের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়াবে এ ধরনের শরবত বা পানীয়। তিনি বলেন, ক্লান্ত হয়ে ফুটপাতের দোকান থেকে এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় পান করলেন। কিছুদিন পর হঠাৎ খেয়াল করলেন, আপনার চোখ কিংবা প্রস্রাব হলুদ বর্ণের হয়ে গেল। সঙ্গে তীব্র বমি ও পেটে ব্যথা। এ খাবারগুলোতে বিশুদ্ধ পানিও ব্যবহার করা হয় না। আবার একই গ্লাস দিয়ে অনেকেই পান করেন। সাময়িক তৃপ্তি দিলেও এসব শরবত ও পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

  • ঝিনাইদহের মহেশপুরে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    ঝিনাইদহের মহেশপুরে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-
    ২১ এপ্রিল দুপুরে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউপির শিশুতলা বাজারে যাত্রী ছাউনির পাশে গোল ঘরে এই লোকটি মরে পড়ে থাকায় স্থানীয়রা মহেশপুর থানা পুলিশকে খবর দেয়।
    থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরোত হাল রিপোর্ট করা সহ পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানালে ঝিনাইদহ থেকে পিবিআই পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশের ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় মিলাতে সক্ষম হয়। তার নাম আব্দুর রহিম শেখ (৭৪) পিতা ফয়হিম শেখ, গ্রাম ষাটঘর তেওটা, থানা শিবালয়, জেলা মানিকগঞ্জ ঢাকা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এসময় ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম হায়দার নান্টু ইউপি সদস্য, মহল্লার সহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মরহুরের লাশ মহেশপুর থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এবিষয়ে মহেশপুর থানার তদন্ত ওসি মোঃ ইসমাইল হোসেন জানান লাশের পরিচয় মিলেছে আমরা তার পরিবারের লোকজনকে অবগত করেছি। লাশের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ আসলে তাহাদের নিকট লাশ হস্তান্তর করা হবে।

  • র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির অভিযানে   ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির অভিযানে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানা এলাকা হতে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় অদ্য ২১ এপ্রিল ২০২৪ খ্রিঃ রাত্রি আনুমানিক ০৪.১০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন একডালা এলাকায়” একটি অভিযান পরিচালনা করে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ রাসেল (২৫), পিতা- মোঃ আঃ মান্নান@ বাশি, সাং-সাকমাল, থানা- তাড়াশ, জেলা- সিরাজগঞ্জকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আসামির বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানার মামলা নং-১২, তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২৪ খ্রি., ৯(১) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩; ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, গত ১৫ এপ্রিল ২০২৪ খ্রিঃ ধৃত আসামি মোঃ রাসেল (২৫) ভিকটিমের নিজ বাড়িতে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে গুরুতর জখম করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের পরিবার ভিকটিমকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতাল, সিরাজগঞ্জ এ চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। উক্ত বিষয়ে ভিকটিমের বড় ভাই মোঃ কামরুজ্জামান (২৪), পিতা- মোঃ আঃ মোমিন, সাং-সাকমাল, থানা- তাড়াশ, জেলা- সিরাজগঞ্জ বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

    পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ এর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • পটিয়ার বাথুয়ায় তরুণ সংঘের উদ্যোগে সার্বজনীন বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত

    পটিয়ার বাথুয়ায় তরুণ সংঘের উদ্যোগে সার্বজনীন বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার।।
    গত ১৮ই এপ্রিল,বৃহস্পতিবার পটিয়া উপজেলার বাথুয়া তরুণ সংঘের উদ্যোগে সার্বজনীন বাসন্তী পূজা ও বর্তমান কার্যকরী কমিটির ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ধর্মীয় সঙ্গীতানুষ্ঠান,নৃত্যানুষ্ঠান,বস্ত্র বিতরণ,আলোচনা সভা,পুরস্কার বিতরণ,সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান-২০২৪,বাথুয়া দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে তরুণ সংঘের সমন্বয়ক জিকু চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও কাঞ্চন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালন করেন বাথুয়া তরুণ সংঘের প্রধান উপদেষ্টা ও বাথুয়া সাবিত্রী বালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য অমিয় রঞ্জন চৌধুরী।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ হারুনুর রশিদ,উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য সত্যজিৎ দাশ রুপু,সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম.এ হাশেম,পটিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল উদ্দিন,চট্টগ্রাম সরকারি সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মুহাম্মদ দস্তগীরুল হক,প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সহ-সভাপতি পুলক চৌধুরী,সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি উত্তম সরকার পিপলু,স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাথুয়া তরুণ সংঘের সভাপতি সৈকত চৌধুরী,শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাথুয়া তরুণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক রিমন চৌধুরী,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউ.পি সদস্য নিকাশ বড়ুয়া,পটিয়া উপজেলা হিন্দু যুব মহাজোটের সভাপতি লিটন মজকুরি,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন,আশিয়া ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ সওদাগর,পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রিপন চৌধুরী,সাধারণ সম্পাদক শুভ চৌধুরী প্রমুখ।
    অনুষ্টানে বাথুয়া তরুণ সংঘের সভাপতি সৈকত চৌধুরী বর্তমান কমিটির সুদীর্ঘ ২০ বছরের ধারাবাহিক কর্মকান্ড ও ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা তুলে ধরেন।বাথুয়া গ্রামের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ধরে রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে সাত্ত্বিক পূজা অনুষ্ঠান সম্পন্ন করায় পূজা উদযাপন কমিটিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

  • কাল‌কি‌নি উপ‌জেলা প‌রিষদ নির্বাচ‌নে ‌চেয়ারম‌্যান প‌দে-৪, ভাইস চেয়ারম‌্যান প‌দে-৩,ম‌হিলা ভাইস চেয়ারম‌্যান প‌দে-৩ ম‌নোনয়ন পত্র দা‌খিল ক‌রে‌ছেন

    কাল‌কি‌নি উপ‌জেলা প‌রিষদ নির্বাচ‌নে ‌চেয়ারম‌্যান প‌দে-৪, ভাইস চেয়ারম‌্যান প‌দে-৩,ম‌হিলা ভাইস চেয়ারম‌্যান প‌দে-৩ ম‌নোনয়ন পত্র দা‌খিল ক‌রে‌ছেন

    ‌মোঃ মিজানুর রহমান, কাল‌কি‌নি থে‌কে/
    মাদারীপু‌রের কাল‌কি‌নি উপ‌জেলা নির্বাচ‌নে যারা ম‌নোনয়ন পত্র যারা জমা দি‌য়ে‌ছেন তারা হ‌লেন,কাল‌কি‌নি উপ‌জেলা আওয়ামীলী‌গের সা‌বেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান মীর গোলাম ফারুক,
    কাল‌কি‌নি উপ‌জেলা আওয়ামীলী‌গের সাধারণ ও সা‌বেক উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান তৌ‌ফিকুজ্জামান শা‌হিন,
    .যুক্তরাষ্ট্র সেচ্ছা‌সেবকলী‌গের সা‌বেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামান সরদার ও
    ওআ‌মিনুল ইসলাম,

    ভাইস‌ চেয়ারম‌্যান প‌দে ম‌নোনয়ন পত্র দা‌খিল ক‌রে‌ছেন
    কাল‌কি‌নি প্রেস‌ক্লা‌বের সভাপ‌তি মোঃ শ‌হিদুল ইসলাম সরদার,
    কাল‌কি‌নি উপ‌জেলা প্রেসক্লা‌বের সভাপ‌তি মোঃ ইকবাল হো‌সেন,
    মোঃ আসাদুজ্জামান জামাল,এবং
    ম‌হিলা ভাইস চেয়ারম‌্যান প‌দে ম‌নোনয়ন পত্র দা‌খিল ক‌রে‌ছেন ,আ‌রিফা আক্তারব বি‌থী
    সা‌বেক ভাইস চেয়ারম‌্যান কাজী নাস‌রিন ও ক চায়না খানম।

  • বাগআঁচড়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে কথিত সাংবাদিককে গণধোলাই

    বাগআঁচড়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে কথিত সাংবাদিককে গণধোলাই

    আজিজুল ইসলাম,

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ শার্শার বাগআঁচড়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে সোহাগ হোসেন নামে কতিথ এক সাংবাদিককে গণধোলাই দিয়েছেন স্থানীয় ক্লিনিক ব্যাবসায়ীরা। পরে তাকে বাগআঁচড়া পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সোহাগ হোসেন বাগুড়ী বেলতলা গ্রামের চা বিক্রেতা আব্দুস সামাদের ছেলে। সে তার বাবার দোকানে চা বিক্রী করতে করতে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি করতো বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

    রবিবার দুপুরে যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক যশোর বার্তায় ” চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা বাগআঁচড়ায় ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার” শিরোনামে প্রকাশিত একটি নিউজ দেখিয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে তিনি বাগআঁচড়া বাজারে ক্লিনিক মালিকদের দারা গণধোলাইয়ের শিকার হন। এ ঘটনায় শার্শা থানায় সাজু আহম্মেদ, গোলাম সারওয়ার ও কামরুজ্জামান নামে ৩ ব্যাক্তি পৃথক তিনটি চাঁদাবাজির অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    অভিযোগে জানাগেছে, সোহাগ হোসেন দীর্ঘদিন যাবৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সহ বাজারে অবস্থিত বিভিন্ন ক্লিনিকে গিয়ে মোবাইলে ছবি উঠিয়ে নিজেকে বড় মাপের সাংবাদিক পরিচয় দিতেন। এবং তিনি এভাবে চাঁদা দাবি করতেন। চাঁদা না দিলে তার ফেইসবুকে ঐ সমস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ক্লিনিকের নামে পোষ্ট করতেন। ঘটনার দিন দুপুরে সে বাগআঁড়ায় জনসেবা ক্লিনিক ও আল-মদিনা হাসপাতাল কতৃপক্ষের কাছে চাঁদা দাবি করে। বার বার চাঁদা দাবি করার কারনে ক্লিনিকের আসে পাশে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে গান ধোলাই দেন।

    সম্প্রতি সে বাগআঁচড়া আব্দুল্লাহ সুইটস এ চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ধরা খায়। স্থানীয়দের সহায়তায় সে যাত্রায় কোন রকম বেঁচে যায়।এর কয়েকদিন আগে বাগআঁচড়া বাজারের বেত্রাবতী সড়কে অবস্থিত হযরতের আইসক্রীম ফ্যাক্টরীতে ঢুকে কিছু ছবি তুলে চাঁদা দাবীর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়া বাগুড়ী বেলতলায় বেকারীর দোকানে ও মিলন ও তুহিনের ফার্মেসীর দোকানে এবং স্থানীয় আ.লীগ নেতা মনিরুলের কাছে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে গনধোলাইয়ের শিকার হয় সোহাগ হোসেন। পরবর্তিতে তাদের করা চাঁদাবাজি মামলায় দীর্ঘদিন জেল খেটে বের হয়ে আবারও চাঁদাবাজি শুরু করে। এ ছাড়াও একধিক প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবীর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে শার্শা থানায় অভিযোগ রয়েছে।

    শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মনিরুজ্জামান জানান,আমি এখন থানার বাইরে আছি। এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

  • মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ীতে নিরলস ভাবে হারবাল চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন মোঃ হাফিজুর রহমান

    মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ীতে নিরলস ভাবে হারবাল চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন মোঃ হাফিজুর রহমান

    লিটন মাহমুদ, মুন্সীগঞ্জঃ

    মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার কামারখারা ইউনিয়নের অন্তর্গত বেশনাল চৌরাস্তা হারবাল চিকিৎসালয় যার নাম হচ্ছে মদিনা হারবাল সেন্টার।

    মোঃহাফিজুর রহমান গোল্ডষ্টার GS চিকিৎসায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে সুনামের সাথে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছে ।

    তার এই চিকিৎসা সেবার সুনাম টঙ্গীবাড়ী উপজেলা সহ বিভিন্ন মু্ন্সীগঞ্জ জেলা ছড়িয়ে পড়েছে।

    মোঃ হাফিজুর রহমান গোল্ডষ্টার আমাদের কে বলেন, আমি নিঃস্ব ভাবে জনগণের মাঝে দীর্ঘ দিন ধরে স্বাস্থ সেবা দিয়ে আসছি। আমি গরীব মানুষ বিনা মূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছি ।

  • মহালছড়িতে মারমা উন্নয়ন সংসদ উদ্যোগে পানি খেলা ও নানা আয়োজনে সাংগ্রাইং অনুষ্ঠানে মঙ্গল কামনা

    মহালছড়িতে মারমা উন্নয়ন সংসদ উদ্যোগে পানি খেলা ও নানা আয়োজনে সাংগ্রাইং অনুষ্ঠানে মঙ্গল কামনা

    রিপন ওঝা, মহালছড়ি

    খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি সদর ইউনিয়নের ২৫২নং মৌজার আওতাধীন এলাকায় আজ ২০এপ্রিল-২৪ শনিবার
    জলকেলি বা জল উৎসব পালনসহ বর্ণাঢ্য আয়োজনে শেষ হয়েছে মারমা সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ সামাজিক উৎসব সাংগ্রাই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে মঙ্গল কামনা করেন।

    উক্ত জলকেলি বা জল উৎসব ও সাংস্কৃতিক প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মারমা উন্নয়ন সংসদ মহালছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি হ্লাশিং মং চৌধুরী সভাপতিত্ব এবং সাধারণ সম্পাদক কংজরী মারমা সঞ্চালনা করেন এবং থলিপাড়ার অংম্রাং ক্লাবের উদ্যোগে ও মারমা উন্নয়ন সংসদের সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়েছে।

    মারমা গানের তালে তালে নৃত্য করতে করতে পাইনুচিং চৌধুরী বলেন, আজকের সাংগ্রাইং উপলক্ষ্যে পানিখেলায় খুব ভালো লাগছে। সবাই একই কালারের পোশাক পরেছি। বান্দবীসহ সকল বয়সের তরুন ও তরুনী একসাথে এখন নাচ করছি।
    এছাড়াও পানি খেলা উৎসবে নানা বয়সের মানুষজন পানি খেলায় অংশ নিয়ে আনন্দে মেতে উঠে। মাঠে দুই সারিতে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে একদল তরুণ- তরুণী পরস্পরের দিকে নৌকা হতে পানি ছিটান। পরে বাকি সবাইও তাতে যোগ দেন। স্প্রে, পানির বোতল কিংবা ওয়াটার গান ভেজান একে অপরকে। গ্রাম্য বিভিন্ন খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বান্দরবন, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি হতে আগত জনপ্রিয় শিল্পীসহ স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এবারের সাংগ্রাই উৎসবে নদীতে বুদ্ধ স্নান, সমবেত প্রার্থনা, পানি খেলা, পিঠা তৈরি, হাজার প্রদীপ প্রজ্বালন, বয়স্কদের পূজা এবং সম্প্রদায়গুলোর নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী নৃত্য-গানসহ বৈসাবি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২৪ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    উক্ত জলকেলি বা জল উৎসব ও সাংস্কৃতিক প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মেজর মোঃ মেজবাহ উদ্দিন পিএসসি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে লেফটেন্যান্ট শেখ আব্দুল্লাহ মারজুক, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিমল কান্তি চাকমা, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জসিম উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুইনুচিং চৌধুরী, সিন্দুকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুইনুমং চৌধুরী, ২৫২নং মৌজার হেডম্যান কালাচান চৌধুরী, মহালছড়ি বাজার চৌধুরী মংসুইপ্রু চৌধুরী, ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী সমর চাকমা, জেএসএস (এমএন লারমা) থানা কমিটির সভাপতি নীল রঞ্জন চাকমা, খ্যাংসাপাড়া নিবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ঠিকাদার কংজরী মারমা, স্থানীয় জনতা ও গণমাধ্যম উপস্থিত ছিলেন।

    ঐতিহ্যবাহী পানি খেলার মধ্য দিয়ে শেষ হয় মারমাদের পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর এ উৎসব।

  • সেনবাগের আলজাহিদ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় প্যারেন্টিং ও ছবক প্রদান  অনুষ্ঠিত

    সেনবাগের আলজাহিদ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় প্যারেন্টিং ও ছবক প্রদান অনুষ্ঠিত

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)

    নোয়াখালী সেনবাগের ঐতিহ্যবাহী স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলজাহিদ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায়
    শিশু শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগ্রহনে উদ্বুদ্ধকরণ, সার্বিক পরিচর্যা , শিক্ষাগ্রহনে মনোযোগী হওয়ার নানাবিধ কলাকৌশল প্রয়োগে অভিভাবকদের ভুমিকা শীর্ষক এক প্যারেন্টিং ও ২০ জন ছাত্রকে ছবক প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। ২১ এপ্রিল রবিবার সকালে মাদ্রাসা অডিটোরিয়ামে মাদ্রাসার কো-অর্ডিনেটর মোয়াজ্জেম হোসেনের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে মোটিভেশনাল বক্তব্য পেশ করেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল মাওলানা জাহিদুল ইসলাম। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী কোরআান তেলওয়াত ও ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,সেনবাগ সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক মো: মাহমুদুল হক ফজলু, শুভপুর জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম,সেনবাগ সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক মো: এয়াকুব ভুঞাঁ,সাংবাদিক ও সমাজসেবক আরিফুল ইসলাম, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম সুমনসহ অনেকেই। আলোচনা শেষে ২০ জন শিক্ষার্থীকে পবিত্র কুরআন শরীফের ছবক প্রদান করেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান
    প্রিন্সিপাল মাওলানা জাহিদুল ইসলাম।পরবর্তীতে বিশেষ
    দোয়া,মুনাজাত ও তবারক বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।এসময় মাদ্রাসার শিক্ষক -শিক্ষার্থীসহ প্রায় শতাধিক অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রাইমারি স্কুলের নতুন ভবন নির্মান নিয়ে চরম বিরোধ মানববন্ধন

    প্রাইমারি স্কুলের নতুন ভবন নির্মান নিয়ে চরম বিরোধ মানববন্ধন

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ৮১ বছর পূর্বে স্থাপিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মানের কাজ শুরুর পর রহস্যজনক কারণে স্থান পরিবর্তন করার ষড়যন্ত্রকে ঘিরে স্থানীয় দুইগ্রæপের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে। এনিয়ে যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    এ নিয়ে উত্তেজিত এলাকার শত শত নারী-পুরুষ, স্কুল ম্যানেজিং কমিটি ও অভিভাবক সদস্যরা রবিবার সকালে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। ঘটনাটি জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রমজানকাঠী এলাকার। সকাল দশটা থেকে সাড়ে এগারোটার পর্যন্ত স্কুল প্রাঙ্গণে মানববন্ধন চলাকালীন সময় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জিয়াউদ্দিন মনিরের সভাপতিত্বে বক্তারা বলেন, ১৯৪৩ সালে ১নং রমজানকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপিত হয়। ৩০ বছর পূর্বে ১৯৯৪ সালে স্কুলর ভবন পূনঃনির্মান করা হয়েছে। শুরু থেকে অদ্যবর্ধি স্কুলটি সুনামের সাথে পরিচালিত হচ্ছে।

    বক্তারা আরও বলেন, সম্প্রতি সময়ে স্কুলের নতুন ভবন বরাদ্দ করা হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মের্সাস মালাসি এন্টারপ্রাইজের সত্ত¡াধীকারী আশিকুর রহমান শাওন ভবন নির্মান কাজের দায়িপ্ত পান। পরবর্তীতে উপজেলা প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে ঠিকাদার ভবন নির্মানের কাজ শুরু করেন।

    ঠিকাদার আশিকুর রহমান শাওন অভিযোগ করে বলেন, ভবন নির্মানের কাজ শুরুর ১৫দিন পর উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম তার (ঠিকাদার) কাছে তিন লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। তার দাবিকৃত টাকা না দিলে স্কুলের ভবন নির্মান করতে দিবেন না বলেও হুমকি প্রদর্শন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ঘুষের টাকা না পেয়ে উপজেলা প্রাথমিক সহকারি কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম নানা অজুহাতে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে উপজেলা প্রকৌশলীকে দিয়ে ভবন নির্মানের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার জন্য পত্র প্রেরণ করান।

    স্থানীয় শিক্ষানুরাগী সৈয়দ আবুল কালাম বলেন, সু-চতুর উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ঘুষের টাকা না পেয়ে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ গ্রহণ করে তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। যেকারণে ৮১ বছরের স্কুল ভবনটি প্রায় এক কিলোমিটার দূরত্বের উজিরপুর সীমান্তে নির্মানের জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেন। বিষয়টি জানতে পেরে বরিশাল জজ কোর্টের সরনাপন্ন হওয়ার পর বর্তমান স্থানেই স্কুল ভবন নির্মানের রায় ঘোষণা করা হয়। এ রায়ের পর ক্ষিপ্ত হয়ে উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম নতুন করে ৮১ বছরের স্কুলটি অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন। পরবর্তীতে এলাকাবাসি হাইকোর্টের মাধ্যমে স্কুল অন্যত্র সরিয়ে না নেওয়ার জন্য স্থগিতাদেশ জারি করেন।

    শিক্ষানুরাগী সৈয়দ আবুল কালাম অভিযোগ করে বলেন, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে অতিসম্প্রতি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ভবনটি অন্যত্র নির্মানের জন্য চিঠি প্রেরণ করেন। এ ঘটনার পর এলাকাবাসির মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। ফলশ্রæতিতে বর্তমান স্থানেই নতুন ভবন নির্মানের দাবিসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শত শত গ্রামবাসি একত্রিত হয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।

    এরপূর্বে ঠিকাদারের কাছে ঘুষ দাবির অভিযোগে ঠিকাদার উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন। ওই অভিযোগের তদন্ত করে অভিযুক্ত সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ ভবন নির্মানের কাজ শুরু করার জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। যার অনুলিপি জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া হয়েছে।

    রমজাকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জিয়াউদ্দিন মনির বলেন, ঠিকাদারের লিখিত অভিযোগ ও উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকার পরেও স্কুলটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চিঠি প্রেরণ করেছেন। এ অবস্থায় প্রাথমিকভাবে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে। প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    অভিযুক্ত উপজেলা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম ঘুষ দাবির অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেন, সরকারি নিয়মের বাহিরে গিয়ে ভবন নির্মান না করতে ঠিকাদারকে নিষেধ করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে কি হয়েছে তা উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।

    সরেজমিনে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজসে রমজানকাঠী গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানের ৮১ বছরের পুরনো এ স্কুল ভবনটি গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় সরিয়ে নেওয়ার পক্ষে ও বিপক্ষে দুইগ্রæপ অবস্থান করায় ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে। এনিয়ে যেকোন সময় দুই গ্রæপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন সচেতন এলাকাবাসী।