Category: দেশজুড়ে

  • রংপুরে হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ  সেন্টার,রংপুর  এর আয়োজনে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস পালিত

    রংপুরে হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার,রংপুর এর আয়োজনে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস পালিত

    রংপুর থেকে বিভাগীয় প্রধান আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন। –

    হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর আয়োজনে গতকাল ১৭ মে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস পালিত হয়েছে।
    আপনার রক্তচাপ সঠিকভাবে পরিমাপ করুন, নিয়ন্ত্রণে রাখুন, দীর্ঘ জীবি হউন এই স্লোগানকে সামনে নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
    দিবসটি উপলক্ষে ১৭ মে শুক্রবার বিকাল ৩ টায় রংপুর জেলা স্কুল চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো.খুরশীদ আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য, সুশীল সমাজের নেত্রিবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ, রংপুর সিটি ম্যাটস এন্ড আইএইচটি এর ছাত্র ছাত্রী, শিক্ষক বৃন্দ , হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর সকল ষ্টাফ, ও সাংবাদিক বৃন্দ ।
    পরে হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর সিইও মোঃ আনোয়ার হোসেন এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অধ্যাপক ডা,.মো. জাকির হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো.খুরশীদ আলম, সম্মানিত অতিথি ছিলেন রংপুর মেডিকেল কলেজ এর অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শাহ্ মো. সরওয়ার জাহান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর মেডিকেল কলেজ এর উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা.মো.মাহফুজার রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক আমজাদ হোসেন সরকার, বিশিষ্ট সমাজসেবক জয়িতা নাসরিন নাজ, সমাজসেবক বেলাল হোসেন, কৃষি বিভাগের সাবেক পরিচালক কৃষিবিদ শওকত আলী সরকার, প্রকৌশলী সেলিমুর রহমান প্রমুখ।
    উল্লেখ্য হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর দীর্ঘ দিন থেকে এরকমভাবে স্বাস্থ্য সচেতনতায় ক্যাম্পেইন উঠানবৈঠক কর্মশালা নিয়মিত করে আসছে এ পর্যন্ত উঠানবৈঠক ও জনসচেতনতামূলক সেমিনার, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করে আসছে । হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুরে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ এর রোগিরা ৫০ টাকার রেজিষ্ট্রেশন করে পরবর্তিতে আজীবন ৪০ টাকার বিনিময়ে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন এবং হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন বিগত
    ১৬ বছর ধরে নিবন্ধিত রোগিদেরকে ফ্রি চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন।

  • সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অনার্স ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত

    সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অনার্স ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত

    হেলাল শেখঃ ঢাকার ধামরাই সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অনার্স ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় ও সংবর্ধনা-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ঢাকার ধামরাই সরকারি কলেজের জয় বাংলা চত্বরে ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২৫০ জন শিক্ষার্থী এ বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

    উক্ত অনুষ্ঠানে ধামরাই সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো.সামসুল বারীর সভাপতিত্বে এসময় সভা প্রধান হিসেবে উপস্থিতb ছিলেন, ধামরাই সরকারি কলেজের বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, লেখক, গবেষক এবং অধ্যক্ষ ড. মো. সেলিম মিয়া।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ধামরাই সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. জিয়াউল হক, সরকারি বাঙলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর সাবিহা সুলতানা, ঢাকা কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মনিরা বেগম, জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) প্রশিক্ষন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর  নুরুলদীন আবুল কালাম।

    ধামরাই সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের কর্তৃক অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. সেলিম মিয়াকে সম্মাননা স্মারক প্রদান, অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট প্রদানসহ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দিনব্যাপী ছিলো নাটক, গান, কবিতা আবৃত্তি, নাচ ও রাজশাহী অঞ্চলের মনোমুগ্ধকর “গম্ভীরা” উপস্থাপন করা হয়।

    অনার্স চতুর্থ বর্ষের বিদায়ী শিক্ষার্থী মো. রাকিব শেখ  বলেন, প্রিয় ক্যাম্পাস থেকে আমাদের আজ বিদায় নিতে হচ্ছে। মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা জীবনের সমাপ্তি ঘটলো আজ। সেই সাথে সমাপ্তি ঘটলো প্রিয় শিক্ষা গুরুর সাথে যুগলবন্দী হয়ে অভিনয় করার সুযোগেরও। এটাই হয়তো আমার জীবের শেষ অভিনয় শ্রদ্ধেয় গুরুর সাথে। জীবনে আর এমন সুযোগ পাবো কিনা জানিনা। বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ধামরাই সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো.সামসুল বারী স্যারের প্রতি।

    ধামরাই সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো.সামসুল বারী বলেন, আমার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের আজ বিদায় বেদনার না আনন্দের।  বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের বিদায়। সেজন্য নাচ, গান, আবৃত্তি, নাটক, গম্ভীরা, আলোচনা অনুষ্ঠানে রেখেছিলাম। এখানকার শিক্ষা ও দক্ষতা কর্মজীবনে প্রয়োগে কর্মস্থল আপন করে নিবে। প্রিয় এই ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝেই আমরা বেচে থাকবো।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, ধামরাই সরকারি কলেজের
    ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো.আব্দুল জব্বার, সহকারী শিক্ষক মো.টিটন হোসাইন, মৃত্তিকা জবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মহিদুর রহমান, ছাত্রলীগের সভাপতি মো.সাইদুল ইসলাম পিয়াসসহ প্রমুখ।

  • তেঁতুলিয়ায় নিয়মিত অফিস না করেই বেতন  নিচ্ছেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী খাদিজা

    তেঁতুলিয়ায় নিয়মিত অফিস না করেই বেতন নিচ্ছেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী খাদিজা

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নিয়মিত অফিস না করেও প্রতিমাসের হাজিরা ষোল আনা দেখিয়ে বেতনসহ অফিসের আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করছেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী খাদিজা আক্তার।
    বুধবার (১৫ মে) দেবনগড় ইউনিয়নের ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সরেজমিনে গেলে হৃদয় চন্দ্র শীল নামে অফিস সহায়ক অফিসে বসে কাজ করার দৃশ্য চোখে পড়ে অন্যদিকে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল গণি তার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনে তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে রয়েছেন জানা যায়। এদিকে অফিস সহায়ক খাদিজা আক্তার কোনো ছুটি ছাড়াই অফিসে না আসার তথ্য পাওয়া যায়।

    উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা পদে আব্দুল গণি ও অফিস সহায়ক পদে হৃদয় চন্দ্র শীল এবং খাদিজা আক্তার দায়িত্বে রয়েছেন। তবে অফিসে নিয়মিত দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও খাদিজা আক্তার তাঁর খেয়াল খুশিমতো অফিসে আসেন এবং অফিস ত্যাগ করেন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানতে পারা যায়।
    জানা যায়, খাদিজা তাঁর খেয়াল খুশিমতো অফিস করার কারনে এর আগে জাতীয় দৈনিক ভোরের ডাকসহ বিভিন্ন পত্রিকায় গত সালের আগস্ট মাসে শিরোনাম প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত নিউজটি সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর দৃষ্টিগোচর হওয়ায় শোকজ করা হয় খাদিজাকে। সতর্ক করার পরেও খাদিজা তার খেয়াল খুশিমতো অফিস করার অভ্যাস ছাড়েনি।

    স্থানীয় ও ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা লোকজনদের কাছ থেকে জানা যায়, বেশির ভাগ খাদিজা আক্তারকে অফিসে দেখা যায়না। হৃদয় নামে অফিস সহায়ক ছেলেটিকেই তাঁরা সব সময় অফিসে দেখতে পায়। অনেকেই জানান, খাদিজা অল্প কথায় খিটখিটে মেজাজের হয়ে উঠে। ভয়ে তাকে কেউ কোন কিছু সহযোগিতার কথা বলতে সাহস পাচ্ছেনা। চাকরির বয়স দীর্ঘদিন হলেও খাদিজা আক্তার অফিসের কাজে ততটা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নয় বলেও জানা গেছে।

    অফিস সহায়ক খাদিজা আক্তার মুঠোফোনে বলেন, ‘তাঁর প্রেসার বেড়ে যাওয়ার কারণে অফিসে আসেনি। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে অবগত না করার করণ জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি এবং প্রায়শই অফিসে না আসার বিষয়ে জিজ্ঞাসাতেও কোনো সদুত্তর মিলেনি। এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসায় সাংবাদিককে তিনি দেখা করতে বলেন।

    ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল গণি বলেন, ‘খাদিজা অফিসে না আসার বিষয়ে আমাকে কোনো অবগত করেননি। খাদিজা আক্তার কোনো ছুটি নিয়েছেন কিনা জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন, কোনো ছুটি সে নেয়নি। তিনি আরও বলেন, শুধু আজকে নয় প্রায় তিনি এ ধরণের কাজ করে আসছে। ইতিপূর্বে এসিল্যান্ড স্যার নিজেই অফিসে এসে তাকে নিয়মিত অফিসে আসার কথা বলে গেছেন।

    এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মাহবুবুল হাসান বলেন, ‘এর আগে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজের মাধ্যমে এবং ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে জানতে পেরে খাদিজার এমন কার্যকলাপে শোকজ করা হয়। সতর্ক করার পরেও যেহেতু খাদিজা কোনো কিছুকে তোয়াক্কা করছেননা এবার তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।’

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • সুরভীর স্বামী কারণে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হলো না- পেতে হলো পরপারে

    সুরভীর স্বামী কারণে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হলো না- পেতে হলো পরপারে

    গোদাগাড়ী ( রাজশাহী) উপজেলা সংবাদদাতা : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে এক গৃহবধূকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে পালিয়েছে স্বামী। শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় স্বামী পাস করতে না পারা ও
    পারিবারিক কলহের জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন পুলিশ। বুধবার (১৫ মে) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী পৌর সদরের গোদাগাড়ী গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী তরিকুল ইসলামের মেয়ে সুরভী খাতুনের (২৮) মেডিকেল মোড়ের শামসুদ্দীন ইসলাম ধলু মাস্টারের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে ২০২১ সালের বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে (১৪ ফেব্রুয়ারী) রাতে বিয়ে হয়।

    বিয়ের পর থেকেই স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান এক রকম বেকার অবস্থায় জীবন-যাপন করতেন। এই নিয়ে পরিবারের মধ্যে হতাশা ও অসন্তোষ কাজ করতো।

    বুধবার (১৫মে) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) নিয়োগের ফলাফল প্রকাশিত হয়। এদিন স্ত্রী সুরভী খাতুন মায়ের বাড়িতে থাকায় রাতে সেখানে যান মোস্তাফিজুর রহমান। এনটিআরসিএর ফলাফলে সুরভী খাতুন উত্তীর্ণ হন। অপরদিকে স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান একই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

    এ নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। দীর্ঘদিন থেকে কর্মহীন থাকায় মোস্তাফিজুর রহমানের শ্বাশুরিও তাকে বকাঝকা করেন। এভাবেই রাতে তারা ঘুমিয়ে পড়েন।

    সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে সুরভির মা তাদের ডাকতে গেলে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরে ঢুকে দেখেন মেয়ের মরদেহ বিছানায় পড়ে আছে। জামাই মোস্তাফিজুর রহমান ঘরে নেই। তড়িঘড়ি করে সুরভীর মরদেহ গোদাগাড়ী ৩১ শষ্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু হয়েছে বলে ঘোষণা করেন।

    পরে গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশ জানতে পেরে ঘটনা স্থলে গিয়ে মৃত্যুর প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে ও মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।

    এ বিষয়ে গোদাগাড়ী সার্কেল সহকারি পুলিশ সুপার ( এএসপি) সোহেল রানা বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। মৃত সুরভীর গলায় হালকা দাগ বুঝা গেছে। মনে হচ্ছে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

    রাতে তারা স্বামী-স্ত্রী ঝগড়া করে ঘুমিয়েছে। তার স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান পালিয়েছেন। ভোর ৫ টার দিকে স্থানীয় একজন মোস্তাফিজকে রাস্তায় দেখেছে তাতে মনে হয়েছে সে অপরাধ করেছে।

    আমরা তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানান তিনি।

    মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী, রাজশাহী।

  • তানোরে মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    তানোরে মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    আলিফ হোসেন, তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে ‘শেখ হাসিনার দর্শন সকল মানুষের উন্নয়ন’ স্লোগানকে সামনে রেখে উপজেলার মাসিক সাধারণ ও আইনশৃংখলা কমিটির অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানা গেছে, ১৬মে বৃহস্পতিবার উপজেলা
    প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত মাসিক
    সাধারণ ও আইনশৃংখলা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না।
    অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), আব্দুর রহিম, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) বার্নাবাস হাসদাক, কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এটিএম কাউসার আলী, উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান, সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন, মৎস্য কর্মকর্তা বাবুল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফজলুর রহমান, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা, ওয়াজেদ আলী,পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা (ডিজিএম) জহুরুল ইসলাম,
    পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, কামারগাঁ ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আলী প্রামানিক, কলমা ইউপি চেয়ারম্যান খাদেমুন নবী বাবু চৌধুরী, তালন্দ ইউপি চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন বাবু ও সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খাঁন প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। এদিন কামারগাঁ ইউপির প্রয়াত চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী ফরহাদ মিঞার আত্তার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন সভায় উপজেলা সেচ কমিটিকে না জানিয়ে গোপণে ৩৮টি সেচ মটরসহ নির্বিচারে বানিজ্যিক মিটারে বৈদ্যুতিক সংযোগ দেয়ায় ডিজিএম জহুরুল ইসলাম তোপের মুখে পড়েন। তাকে ভৎসনার পাশাপাশি কঠোরভাবে সতর্ক করে দেয়া হয়।#

  • পাইকগাছায় গরমে তাল শাঁসের চাহিদা বেড়েছে;রপ্তানী হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে

    পাইকগাছায় গরমে তাল শাঁসের চাহিদা বেড়েছে;রপ্তানী হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
    প্রচণ্ড তাপদাহে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন।জ্যৈষ্ঠ মাসের তীব্র গরমে তাল শাঁসের চাহিদা বেড়েছে।তাল শাস দেহকে রাখে ক্লান্তিহীন।তবে বিগত বছরের তুলনায় তালের দাম বেশী ।
    প্রতিদিন পাইকগাছার গ্রামের হাট বাজারে প্রচুর পরিমাণে তাল বিক্রি হচ্ছে। গ্রাম অঞ্চল থেকে তাল জেলা শহর ও রাজধানী ঢাকা শহরে সরবরাহ হচ্ছে। পাইকগাছা থেকে প্রতি সপ্তাহে ২/৩ ট্রাক তাল ঢাকা শহরে সরবরাহ হচ্ছে। এলাকার ব্যবসায়ীরা ঢাকা কারওয়ান বাজারে পাইকারী বিক্রয় করছে।
    তালের শাঁস পানি শূন্যতা দূর করে। দেহকে রাখে ক্লান্তিহীন। খাবারে রুচি বাড়িয়ে দেয়। তাল শাঁসে থাকা উপকারী উপাদান লিভার সমস্যা ও রক্ত শূন্যতা দূরিকরণে দারুণ ভূমিকা রাখে। এতে থাকা ভিটামিন এ দৃষ্টি শক্তি উন্নতি করে। তাল শাঁস বমিভাব আর বিস্বাদ দূর করতে ভূমিকা রাখে। তাল শাঁস জেলীর মত হওয়ায় খেতে খুব মুখোরোচক এবং শিশুদের কাছে খুব প্রিয়। পাঁকা তালের মজা বের করে রান্না করে খাওয়া যায়। তালের বড়া , হালুয়া সহ নানা ধরনর খাবার তৈরী করা যায়। তাছাড়া তালের আটি কেঁটে আটির ভীতর থেকে সাদা রঙ্গের শাঁস বের করে খাওয়া যায়। যা খেতে খুব সুস্বাধু।
    এ বছর পাইকগাছা অঞ্চলে তালের ফলন ভালো হয়নি। বৈরি আবহাওয়া আর অনাবৃস্টির কারণে ফলন কম হয়েছে। ছোট-বড় কাঁদি হিসাবে ১০/৪০ টি পর্যন্ত তাল একটি কাঁদিতে ধরেছে। এ এলাকায় দুই রকম তালের জাত দেখা যায়। একটি কালছে রঙ্গের আর একটি ধুষর হলদে বর্ণের। স্থানীয় বাজারে এক একটি তাল তিন থেকে পাচ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একটি তালে দুই থেকে চারটে আটি হয়। প্রতিটি আটির ভিতরে শাঁস। তাল ছোট-বড় হিসাবে বিভিন্ন দামে বিক্রয় হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাল গাছের মালিকের কাছ থেকে গাছ চুক্তি ৪শত থেকে ১২শত টাকায় তাল ক্রয় করছে। উপজেলার সিলেমানপুর গ্রামের তাল ব্যাবসায়ী মুজিবুর রহমান জানান, প্রতিদিন তিনি ফেরি করে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার তাল বিক্রি করেন।একটি তাল ১০ টাকায় বিক্রি করছেন। ভ্যানে করে স্থানীয় বাজার সহ পাইকগাছা বাজারে তাল বিক্রি করেন। গরম বেশী থাকায় প্রচুর পরিমাণে তাল বিক্রি হচ্ছে বলে তিনি জানান।
    স্থানীয় ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন গাজী ও ইনছার আলী বলেন, হাট বাজারে খুচরা বিক্রয়সহ জেলা ও ঢাকা শহরে তাল সরবরাহ করছে। বড় সাইজের তাল গুলো অধিক দামে বিক্রয়ের জন্য ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। পাইকগাছার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতি সপ্তাহে ২ থেকে ৩ ট্রাক তাল ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। স্থানীয় ফল ব্যবসায়ী আব্দুর সাত্তার জানান, বড় গাছের পরিমাণ কমে গেছে। তাছাড়া এ বছর অনাবৃস্টির কারণে তালের ফলন কম হয়েছে।
    তাল গাছের সব কিছু মানুষের উপকারে আসে। তাল কাছের গুড়ি থেকে ঘরের কড়ে ও বর্গা তৈরী হয়। তালের পাতা ঘরের ছাউনী ও জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে। তা ছাড়া তাল গাছ প্রাকৃতিক ঝড় প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। তাল গাছ ক্ষেতের আইলে, বাগান ও অনাবাদী জায়গায় অবহেলা ও অনাদরে বেড়ে ওঠে। তাল গাছ মানুষের এতো উপকারে আসার পরও প্রতি বছর এলাকা থেকে শত শত তাল গাছ কেঁটে ফেলা হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ অসিম কুমরি দাশ জানান, প্রতি বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার তালের আটি রোপন করা হচ্ছে। তাল গাছ মানুষের উপকারী বন্ধু। তাল গাছ প্রাকৃতিক ঝড় ও ভূমি ক্ষয়ে রোধ করে। তাই কৃষক ও এলাকাবাসীকে তাল গাছ না কেঁটে আরো গাছ লাগানোর জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • নড়াইল জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা ও মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

    নড়াইল জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা ও মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইল জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা ও মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত।
    নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার (১৫ মে) সকালে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এপ্রিল/২০২৪ খ্রিঃ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন মোহাঃ মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার, নড়াইল। অপরাধ পর্যালোচনা সভার শুরুতে পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপরাধ চিত্র তুলে ধরেন জনাব তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), নড়াইল। অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুলিশ সুপার মহোদয় মামলা তদন্ত, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, ওয়ারেন্ট তামিল, গুরুত্বপূর্ণ মামলা সমূহের অগ্রগতি, মামলার রহস্য উদঘাটন, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অপরাধীদের গ্রেফতার, সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়সহ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতা প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
    পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, আসন্ন উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।ব্যাংক বীমা সহ সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চুরি, ডাকাতি না হয় সেজন্য রাতে টহল জোরদার করতে পুলিশ সুপার নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়া নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের আয়ের একমাত্র অবলম্বন গরু, ছাগল যাতে চুরি না হয় সেজন্য রাতে টহল এবং চেকপোস্ট জোরদার করতে বলেন। সাধারণ জনগণ যাতে হয়রানি ছাড়াই তাৎক্ষণিক প্রত্যাশিত আইনী সেবা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা, উঠান বৈঠক এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুধীজনসহ সর্বস্তরের মানুষের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা করে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রেখে জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সকলকে দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সাথে নিজ নিজ কর্তব্য পালনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জনের বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন।
    অপরাধ পর্যালোচনা সভায় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন ও অর্থ); তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্); মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল); প্রণব কুমার সরকার, সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, জেলা বিশেষ শাখার পুলিশ পরিদর্শক, অপরাধ শাখার পুলিশ পরিদর্শক, গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক,
    জেলার সকল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, পুলিশ ফাঁড়ি ও ক্যাম্প ইনচার্জগণ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
    অপরদিকে উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, নড়াইল জেলা
    পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত পুলিশ লাইনস্ ড্রিলশেডে মে/(২০২৪) মাসের কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কল্যাণ সভায় বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি, তদন্ত কেন্দ্র, ক্যাম্প থেকে আগত বিভিন্ন র‌্যাঙ্ক এর অফিসার ও ফোর্স এবং পুলিশ লাইনস্ এর অফিসার ও ফোর্স তাদের সামগ্রিক সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোহাঃ মেহেদী হাসান পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পরবর্তীতে তিনি তাদের উল্লেখিত সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারদের নির্দেশ প্রদান করেন। সকল পুলিশ সদস্যকে এক হয়ে জনগণ ও দেশের কল্যাণের জন্য কাজ করে স্মার্ট পুলিশ গঠনে যথাযথ দায়িত্ব পালত করতে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে নিয়মমাফিক ছুটি, আবাসন ব্যবস্থা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা, মানসম্মত খাবারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন। থানা, তদন্তকেন্দ্র এবং পুলিশ ক্যাম্প সমূহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতি সপ্তাহে একদিন শনিবার “ক্লিনিং ডে” পালন করায় সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি পুলিশ সদস্যদের নিয়মানুবর্তিতা, দায়িত্ববোধ, পিতা-মাতার প্রতি উত্তম আচরণ, নৈতিকতা, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন, অশোভন আচরণ পরিহার করা ইত্যাদি বিষয়ে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
    বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রের চাহিদা মোতাবেক টিভি, ফ্রিজ, চেয়ার, খাটিয়া ও আইপিএস এর ব্যবস্থা করায় স্ব স্ব থানা, ফাঁড়ি, তদন্ত কেন্দ্র ও ক্যাম্প ইনচার্জগণ পুলিশ সুপারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
    দীর্ঘ চাকরি জীবন শেষে পিআরএল গমনকৃত এসআই (নিঃ) মোঃ হাফিজুর রহমান, কনস্টেবল/১৯৭ মোঃ মেহেদী হাসান, কনস্টেবল/১৭২ শেখ আজিজুর রহমান ও অফিস সহকারী মুন্সি ফরিদুজ্জামানদের মাননীয় পুলিশ সুপার তাদের হাতে সম্মাননা স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট এবং উপহার সামগ্রী তুলে দেন। পুলিশ সুপার (এপ্রিল’২৪) মাসের ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ নড়াইল জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে লোহাগড়া থানার এসআই (নিঃ) সুজিত সরকার, নড়াইল জেলার শ্রেষ্ঠ এএসআই(নিঃ) মোঃ মাগফুর রহমান, শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার হিসেবে পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ সেলিম উদ্দিন, ট্রাফিক শাখার শ্রেষ্ঠ চৌকস অফিসার হিসেবে টিএসআই/ মোঃ জসিম রানা, নড়াইল জেলার সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের পক্ষে পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শাহ্ দারা খান পিপিএম, শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেনদেরকে অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন। ০২ বছরের ঊর্ধ্বে সাজা পরোয়ানা তামিলকারী শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে এসআই (নিঃ) শোভন কুমার নাগ, এসআই (নিঃ) জয়দেব কুমার বসু, এএসআই (নিঃ) জিয়াউল হক ও এএসআই (নিঃ) সাকের আলীগনদের পুরস্কৃত করা হয়।
    পুলিশ লাইনস্ এ পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আলপনা আঁকার জন্য বিশেষ পুরস্কার হিসেবে নায়েক/২৫৮ মোঃ ফারুক হোসেন ও কনস্টেবল/৮২৯ মোহন বর্মনকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়। জেলা বিশেষ শাখার শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে এসআই (নিঃ) মোঃ সবুর আলী ও উচ্চমান সহকারী মোঃ মোকাম্মেল হোসেনকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুলিশ লাইন্স পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য আর আই জনাব মোঃ আবুল হোসেন শেখকে অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়া পুলিশ লাইনসের চেয়ার-টেবিল তৈরি করার জন্য এএসআই (নিঃ) মোঃ গোলাম কিবরিয়াকে অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন।
    গত (৮ মে/২০২৪) তারিখ ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে কালিয়া থানায় ব্রিফিং প্যারেডে ড্রেস রুলস অনুযায়ী উত্তম পোশাক পরিধান করায় পুলিশ সুপার এসআই (নিঃ) খাইরুল ইসলাম, এসআই (নিঃ) মোঃ আজিজুর রহমান, এসআই (নিঃ) নরোত্তম বিশ্বাস, এসআই (নিঃ) ফিরোজ আহম্মেদ, সার্জেন্ট রজব আলী ও এএসআই (নিঃ) কাজী মাহফুজুর রহমানদেরকে পুরস্কৃত করেন।
    মাদক উদ্ধার, ওয়ারেন্ট তামিল এবং নিয়মিত মামলার আসামিদের গ্রেফতার করতে নড়াইল সদর থানা পুলিশকে সহযোগিতা করায় এপ্রিল/২০২৪ মাসে শ্রেষ্ঠ গ্রাম পুলিশ হিসেবে মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনকে পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান মহোদয় ক্রেস্ট ও অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন। কল্যাণ সভায় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত; তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্); জনাব মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল); প্রণব কুমার সরকার, সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত; সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, জেলা বিশেষ শাখার পুলিশ পরিদর্শক, ইন্সপেক্টর ক্রাইম, জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক, কোর্ট ইন্সপেক্টর, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, জেলার সকল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, পুলিশ ফাঁড়ি ও ক্যাম্প ইনচার্জগণসহ পুলিশ লাইন্স এর অফিসার ও ফোর্স এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • স্বরূপকাঠিতে ২ দিন ব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষন

    স্বরূপকাঠিতে ২ দিন ব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষন

    স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি,

    স্বরূপকাঠিতে কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করন প্রকল্পের আওতায় ২ দিন ব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধ ও বৃহস্পতিবার উপজেলা বিআরডিপি মিলনায়তনে ওই প্রশিক্ষনে কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতর পিরোজপুরের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, ওই প্রকল্পের আঞ্চলিক সমন্বয়ক মেহের মালিকা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা চপল কৃষ্ণ নাথ প্রশিক্ষন দেন।

    উক্ত প্রশিক্ষণে কৃষকদের কে কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে কিভাবে পুষ্টি ও খাদ্যের গুনগত মান ও খাদ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
    ##

  • কুড়িয়ানায় শেখর সিকদার হত্যান্ডের আসামীদের জামিন তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া ঃ জনতার মানবন্ধন

    কুড়িয়ানায় শেখর সিকদার হত্যান্ডের আসামীদের জামিন তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া ঃ জনতার মানবন্ধন

    আনোয়ার হোসেন,
    স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি,

    স্বরূপকাঠির আটঘর কুড়িয়ানার সাবেক চেয়ারম্যান পিরোজপুর জেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শেখর কুমার সিকদারের হত্যা কান্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবীতে সর্বস্তরের মানুষের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই হত্যাকান্ডের শীর্ষ আসামী চেয়ারম্যান মিঠুন হালদারের জামিন হওয়ায় তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় ওই মানববন্ধন করে এলাকবাসী। বুধবার বিকেলে হাজার নারী পুরুষ কুড়িয়ানা বাজারে ওই মানববন্ধনে অংশ নেয়।

    এসময় বক্তৃতা করেন বলরাম সিকদার,দিলীপ সিকদার,সঞ্জিব রায়, অরুপ সিকদার,শেখর সিকদারের স্ত্রী মালা রানী সিকদার, স্বপন দেউরি, নারায়ন সিকদার, রতন কুমার সিকদার, মন্মথ শীল প্রমুখ।

    প্রধান আসামী চেয়ারম্যান মিঠুন হালদারের জামিন হওয়ায়র প্রতিক্রিয়ায় ওই মানববন্ধন করে কুড়িয়ানাবাসী। বক্তারা বলেন আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা শীল। কুড়িয়ানার মুনুষের মানসিকতার কথা চিন্তা করে চিহ্নিত আসামীরা যাতে কুড়িয়ানায় না আসে সেজন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানানো হয়। তারা কুড়িয়ানায় প্রবেশ করলে অনাকাংখিত ঘটনার উদ্ভব হতে পারে বলে কুড়িয়ানাবাসী মনে করে।

    উল্লেখ্য চলতি বছর ৩০ জানুয়ারী কুড়িয়ানা বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে আটঘর কুড়িযানা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মিঠুন হালদারের নেতৃত্বে তার দলবল সাবেক চেয়ারম্যান শেখর কুমার সিকদারকে বেদম মারপিট করে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যুহয়।

    এঘটনায় বর্তমান চেয়ারম্যান মিঠুন হালদারসহ বেশিরভাগ আসামীকে র‌্যাব ও পুলিশ বাহিনী স্বল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করে। মহামান্য হাইর্কেটের জামিনে মিঠুন হালদারসহ কয়েক জন বুধবার জেল থেকে ছাড়া পান। এ খবর কুড়িয়ানায় পৌছিলে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় হাজার হাজার জনতা বাজারে মানববন্ধন করে।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ওসি মো. গোলাম সরওয়ার বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ও র‌্যাব আসামীদের বেশির ভাগ গ্রেফতার করে। মহামান্য আদালত জামিন দিয়েছে। এ খবর পেয়ে শান্তিপুর্ন মানববন্ধন করেছে জনতা। তবে আইন শৃঙ্খলার যাতে অবনতি না ঘটে সেজন্য পুলিশ শতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
    ###

  • দত্তনগর কৃষি বীজ উৎপাদন খামারের যুগ্ম পরিচালক কামরুজ্জামান শাহিনের বিরুদ্ধে মাটি চুরির অভিযোগ

    দত্তনগর কৃষি বীজ উৎপাদন খামারের যুগ্ম পরিচালক কামরুজ্জামান শাহিনের বিরুদ্ধে মাটি চুরির অভিযোগ

    শহিদুল ইসলাম,
    মহেশপুর সংবাদদাতাঃ-ঝিনাইদহের সীমান্তবর্তী উপজেলার মহেশপুরে অবস্থিত এশিয়ার বৃহত্তম কৃষি শস্য বীজ উৎপাদন খামার দত্তনগর কৃষি ফার্ম। এই বৃহত্তম কৃষি বীজ উৎপাদন খামারে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জর্জরিত। যেমন ভূয়া বিল ভাউচার, হাইব্রিড বীজ প্রেরণে অনিয়ম, শ্রমিকের টাকা আত্মাসাৎ, নারী নির্যাতন সহ নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ থাকলেও এবার অভিযোগ উঠেছে দত্তনগর কৃষি বীজ উৎপাদন খামারের অতিরিক্ত দায়িত্ব্যরত যুগ্ম পরিচালক মোঃ কামরুজ্জামান শাহিনের বিরুদ্ধে। তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়েই খামারের মাটি অসৎ উদ্দেশ্যে ভেকু দিয়ে কেটে ট্রাক্টরে করে মাটি বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে গত ১৬ই মে বুধবার সকালে গোকুলনগর খামারের অভ্যন্তরে ভেকু দিয়ে ট্রাক্টরে মাটি ভর্তিকরে বিক্রি করার সময় জনতার বাঁধার মুখে তা বন্ধ করে দেন। যুগ্ম পরিচালক কামরুজ্জামান শাহিনের বাড়ি উপজেলার দত্তনগরের পাশে কুশাডাংগা গ্রামে।

    পাঁচটি বীজ উৎপাদন খামারের মধ্যে একটি খামার কুশাডাংগা বীজ উৎপাদন খামার্, খামারের ভিতরে বাড়ী হওয়ায় তিনি কাউকে তোয়াক্কা না করে নিজের খেয়াল খুশি মতো খামার পরিচালনা করে থাকেন। গোকুলনগর গ্রামের হামিদ এ প্রতিবেদকে বলেন কামরুজ্জামান শাহিন এখানে যোগদানের পর থেকে তিনি বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়েছেন। তিনি গোকুল নগর ফার্ম থেকে প্রায় ১২০ গাড়ি মাটি বিক্রি করেছেন। যার প্রতি গাড়ি মাটির মুল্য ১৮০০ টাকা।

    তিনি আরও বলেন এলাকার মানুষ বাঁধা দিলে তিনি হুমকি ধামকি দেন, পরে জনতার বাঁধার মুখে তিনি মাটি কাটা বন্ধ করেন। স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধি বলেন উনি খামারের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে খামার গুলিতে রামরাজত্ব কায়েম করেছেন। উনার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে থাকেন, স্থানীয় হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন উপ পরিচালক বলেন উনার কাছে সকল অনিয়মই নিয়ম। উনার গাড়ীতে প্রতি সপ্তাহে ৫০ লিটার তেল দিতে হবে , এছাড়া ইচ্ছা মতো শ্রমিক ছাটাই, শ্রমিকদের হাজিরা কর্তন, এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই তাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে থাকেন। শুধু হয়রানি নয় চরম ভাবে অপমান অপদস্তও করে থাকেন। তিনি শ্রমিকদের হাজিরা নিজের ইচ্ছা মতো ভূয়া মাস্টার রোল তৈরি করতে উপ পরিচালকদের বাধ্য করেন এবং নিজে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও খামার পাড়ায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। শতভাগ শ্রমিকের হাজিরা ব্যাংক একাউন্টে দেওয়ার নির্দেশনা থাকলেও তিনি বিভিন্ন অজুহাতে তা এখনো পর্যন্ত বাস্তবায়ন হতে দেননি বলে জনশ্রুতি আছে। একটি পরিপত্রে যুগ্ম পরিচালক কামরুজ্জামান শাহিন কে বদলী করা হয় এবং দত্তনগর খামারের যুগ্ম পরিচালক হিসেবে যোগদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। যশোর সারে দায়িত্ব প্রাপ্ত রোকনুজ্জামান কে অদৃশ্য শক্তির বলে তিনি রোকনুজ্জামান কে দায়িত্ব বুঝে না দিয়ে এখনো দায়িত্ব পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
    যুগ্ম পরিচালক রোকনুজ্জামান এ প্রতিবেদনকে জানান তিনি দায়িত্ব নিতে গিয়েছিলেন উনাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এমনকি এখনো পর্যন্ত দত্তনগর খামারের যুগ্ম পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব আছেন উনাকে নতুন করে কোন চিঠি দেওয়া হয়নি। এসব বিষয়ে অভিযুক্ত যুগ্ম পরিচালক কামরুজ্জামান শাহিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি মাটি বিক্রি করেনি আমার বাগানে মাটি ভরাট করছিলাম পারলে নিউজ করেন। সরকারি মাটি নিজের বাগানে ভরাট করতে পারবেন কিনা এমন প্রশ্ন করা হলে উত্তরে তিনি বলেন নিউজ করে আমাকে কিছুই করতে পারবেন না।
    তিনি খামারে দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত হওয়ার পর থেকেই দীর্ঘদিন অদৃশ্য ক্ষমতার দাপটে নিজস্ব বলাই তৈরী করে নিজের খেয়াল খুশি মতো কাজ চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে জিএম সীড দেবদাস শাহার সাথে কথা বললে তিনি বলেন বিষয়টি শুনলাম অভিযোগ পেলেই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্হা নেওয়া হবে।