পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
খুলনা জেলা দলিল লেখক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয় পাইকগাছা এর দলিল লেখক সমিতি মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও পাইকগাছার সভাপতি আলহাজ¦ গাজী বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে গুরুত্বপূর্ণ এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা সদরের দপ্তর সম্পাদক সালমান শেখ ও জেলা কমিটির কোষাধ্যক্ষ গাব্রিয়েল বিশ^াস এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা সদরের সভাপতি আলহাজ¦ বাহার উদ্দীন খন্দকার, বটিয়াঘাটার সভাপতি ও জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, তেরখাদার সভাপতি সেকেন্দার আলী, দাকোপ সভাপতি মহাসিন আলী, খুলনা সদরের সহ-সভাপতি ও জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, পাইকগাছার সাধারণ সম্পাদক সুবোধ চক্রবর্তী, মইনুর রহমান, ইভান আলম, কবিরুল ইসলাম, মাহবুর রহমান মাসুম, সুভাষ সরকার, তরুণ কান্তি বৈরাগী ও মিলন। সভায় সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নতুন জেলা কমিটি গঠন সহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
Category: দেশজুড়ে
-

খুলনা জেলা দলিল লেখক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
-

প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভুক্তভোগী উপকূলীয় জনপদের মানুষ…এমপি রশীদুজ্জামান
ইমদাদুল হক পাইকগাছা (খুলনা)।।
খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান বলেছেন, গণমানুষের রাজনৈতিক দল, দলটির রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে স্বাধীনতা পরবর্তী প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রয়েছে আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ন্যায় দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ দেশের প্রতিটি দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের কর্মীরা সাধারণ মানুষের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। স্থানীয় এ সংসদ সদস্য বলেন, মহামারী করোনাকালীন সময়ে সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। এ জন্য কোন মানুষের দুর্ভোগ হয়নি। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটি বৈশি^ক সমস্যা। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়েছে। যার ভুক্তভোগী দেশের উপক‚লীয় জনপদের মানুষ। তিনি বলেন, আমরা ইচ্ছে করলেই দুর্যোগ রোধ করতে পারি না। তবে সচেতন ও পূর্ব প্রস্তুতি থাকলে দুর্যোগে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব। তিনি অতিতের ন্যায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় আওয়ামী লীগের প্রতিটি কর্মীকে দুর্যোগ কবলিত মানুষের পাশে সেবকের ভ‚মিকায় থেকে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্য দলীয় সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রতি আহŸান জানান। তিনি শনিবার বিকালে ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী এবং ভাতৃপ্রতিম সংগঠন আয়োজিত সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জিয়াদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ শিমুল বিল্লাল বাপ্পি, নূরুল ইসলাম, মৃন্ময় মন্ডল, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম আমিনুর রহমান লিটু, জেলা ছাত্রলীগনেতা মৃণাল কান্তি বাছাড়, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পার্থ প্রতীম চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক ফাইমিন সরদার, পৌর সভাপতি আবির আক্তার আকাশ, সাধারণ সম্পাদক আরিফ আহম্মেদ জয়, ছাত্রলীগনেতা রিপন রায়, রাকিব ও ইমরান হোসেন। -

সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারির ফলে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন
মোংলা প্রতিনিধি
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ এ পরিনত হয়েছে। এর ফলে মোংলা সমুদ্র বন্দরে সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে মোংলা বন্দরে জারি করা হয়েছে নিজস্ব এলার্ট নম্বর ‘থ্রি’। বন্দরে অবস্থানরত সকল প্রকার বাণিজ্যিক জাহাজের পণ্য ওঠানামার কাজসহ অপারেশনাল কার্যক্রম সম্পর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এ্যাডমিরাল শাহীন রহমান শনিবার (২৫ মে) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মোংলা বন্দরের জেটিসহ পশুর চ্যানেলে নোঙর করা দেশি-বিদেশি ছয়টি বাণিজ্যিক জাহাজে পণ্য ওঠানামার কাজ বন্ধসহ ওই সকল জাহাজকে নিরাপদ নোঙ্গরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বন্দর কর্তৃপক্ষের অপারেশনাল সকল কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে।
বন্দরে একটি কন্ট্রোল রুম খোলাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক থেকে ঝড় মোকাবেলায় সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারির ফলে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশাত তামান্না বলেন, এরই মধ্যে ১০৩ টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। ১৬’শ স্বেচ্ছাসেবক তাদের কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছেন। প্রর্যাপ্ত শুকনো খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত কোন আশ্রয় কেন্দ্রে দূর্গতরা আশ্রয় নেয়নি। উপজেলা ও পৌরসভায় পৃথক দুটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে বলেও জানান ইউএনও নিশাত তামান্না।
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র ও পর্যটন স্পটের ওসি হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারির পর পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের প্রতিটি ষ্টেশনসহ ফাঁড়িতে দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও বনরক্ষকীদের নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে। করমজল বন্যপ্রাণী ও প্রজনন কেন্দ্রের বণ্যপ্রাণীদেরও নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
-

বেতাগীতে রেমাল মোকাবেলায় প্রস্তুুত ১২৯ টি আশ্রয় কেন্দ্র
বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় বেতাগীতে প্রস্তুুত ১২৯টি আশ্রয় কেন্দ্র। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত ও জলোচ্ছ¡াসের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এই প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (২৫ মে) স›দ্ব্যায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সহকারি কমিশনার (ভ’মি) বিপূল সিকদার জানান, ঘূর্ণিঝড়ের সময় আশ্রয়ের জন্য বেতাগী উপজেলায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ১১৯টি সাইক্লোন সেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে মেডিকেল টিম ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল।
এছাড়া মজুদ করা হয়েছে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ৭০ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত আছে। সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারির ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক যোগাযোগের জন্য ১টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।
বেতাগী উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ফারুক আহমেদ বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করে সেখানে আগাম সতর্কতার বিজ্ঞপ্তি প্রচার ও জনগণকে সচেতন করা, মানবিক কার্যাবলি গ্রহণ, প্রশাসনের সকলের সাথে সমন্বয়, নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা, আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত, আশ্রয়কেন্দ্রে শুকনা খাবার, শিশু খাদ্য এবং গো-খাদ্যের ব্যবস্থা করা, জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার বিষয়ে প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো.ওয়াহিদুর রহমান, বেতাগী থানার তদন্ত কর্মকর্তা সঞ্জয় মজুমদার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স‘র উপজেলা ষ্টেশন আব্দুল লতিফ, বেতাগী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টু, উপজেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি লায়ন শামীম সিকদার, উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্টের দলনেতা সোহেল মীর. প্রশাসনের প্রধান খাইরুল ইসলাম মুন্না সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। -

আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযানে ২২জন জামায়েত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ. এফ. এম সায়েদ এর নেতৃত্বে একদল চৌকস পুলিশ অফিসার অভিযান চালিয়ে আশুলিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকা থেকে ২২জন জামায়াত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছেন।
পুলিশ জানায়, গত বছর মহাসড়কে নাশকতার মামলায় আশুলিয়ায় ২২ জন জামায়েত ইসলামীর নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছেন।
শনিবার দুপুরে আশুলিয়া থানা থেকে গ্রেফতারকৃত আসামীদের ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে গোপন বৈঠকের সময় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদেরকে গত বছরের ১ আগষ্টের নাশকতার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
পুলিশ জানায়, পূর্বের মামলায় তারা অজ্ঞাত আসামী ছিল। আটকের পর তাদের যাছাই বাছাই করে সেই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩১ জুলাই রাতে আশুলিয়ার জিরাবোতে মহাসড়কে জামায়েত ইসলামীর বিভিন্ন নেতাকর্মীর মুক্তির দাবীতে মিছিল ও বাস ভাংচুরের অভিযোগে মামলা হয়েছিল। সেই সময় জামায়েত ইসলামী ২৩ জন আজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে ১আগষ্ট আশুলিয়া থানায় মামলা হয়েছিল বলে পুলিশ জানান।
-

যশোরের বাগআঁড়ায় ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল
আজিজুল ইসলামঃ
মিটার রিডিং না দেখেই বিদ্যুৎ বিল করা ও সময় মত বিল না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যশোরের বাগআঁচড়া অঞ্চলের পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -১ এর আওতায় বাগআচড়া সাব জোনাল অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে সাধারণ গ্রাহকরা।
প্রতি মাসে বাড়ি বাড়ি যেয়ে মিটার রিডিং না নেওয়া ও সময়মত বিদ্যুৎ বিল বাড়িতে পৌঁছে না দেওয়া টা তাদের নিয়মে পরিনত হয়েছে।গ্রাহকরা বলছেন,কয়েক মাস ধরে চলছে এ অবস্থা।অভিযোগ করেও প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।
বাগআচড়ার জামতলা এলাকার আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের শেষ তারিখ প্রতিমাসের ২৬ তারিখ।অথচ ২৪মে শুক্রবার পর্যন্ত এলাকার কেউই মে মাসের বিলটি হাতে পায়নি বলে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা।
একজন বিদ্যুৎ গ্রাহক লেছি ইয়াসমিন বলেন,মিটার রিডাররা প্রতিমাসে না এসে মাঝে মাঝে আসে।সব সময় তারা অনুমান নির্ভর বিল করে থাকে।এতে প্রকৃত বিল আমরা দিতে পারি না।বিশেষ বিশেষ সময় মিটার দেখে রিডিং নিয়ে আমাদের উপর বাড়তি বিলের বোঝা চাপিয়ে দেয়।
অনুমান নির্ভর বিদ্যুৎ বিল হলেও, এত টাকার বিল তো হওয়ার কথা নয়। আর তারা অনুমান নির্ভর বিল দেবেই বা কেন?
বিদ্যুৎ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ও মিটার রিডারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণত বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর মিটার রিডাররা বাসায় বাসায় গিয়ে মিটারের বর্তমান রিডিং নিয়ে আসেন। সেই রিডিং থেকে আগের মাসের প্রাপ্ত রিডিং বাদ দিলেই এই মাসের ব্যবহৃত বিদ্যুতের হিসাব পাওয়া যায়। সেগুলো বিভিন্ন স্ল্যাব অনুযায়ী হিসাব করে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল করা হয়।
মিটার রিডিং না দেখেই বিদ্যুৎ বিল করার অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গ্রাহকরা।
সামটা গ্রামের সেলিম রেজা বলেন,এদের পলিসিটা হলো এরা দু-চার মাস প্রকৃত বিলের চাইতে ইউনিট কম লেখে।বিশেষ করে জুন ও ডিসেম্বর মাসে প্রকৃত ইউনিট দিয়ে বিল করে তাতে এদের লাভ হচ্ছে বেশি ইউনিটে রেট বেশি পাওয়া যায়। আমরা জনগন আমাদের কিছু করার থাকে না। এ যেন শরতবাবুর শুভঙ্করের ফাঁকি।
জামতলা জামে মসজিদের কোষাধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান বলেন, গত মাসের
(এপ্রিল) জামতলা জামে মসজিদের বিদ্যুৎ বিলের কাগজ ওরা দেয়নি।আজ ২৪মে।মে মাসের বিল দেওয়ার শেষ তারিখ ২৬মে অথচ মে মাসের বিলের কাগজও পায়নি।দায় তাদের,অথচ জরিমানা দিতে হবে আমাদের।
একই কথা বলেন সোহেল রানা।তিনি বলেন,আমিও গত মাসের বিলের কাগজ পায়নি।মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ দেখে বিল দিলাম। এখনও এমাসের বিলের কাগজ পায়নি।বাগআচড়ার গোলাম রব্বানী বলেন,ওরা আমার মিটারের রিডিং না দেখে বিল করেছে ১২হাজার ৭৩৮ টাকা।এব্যাপারে অফিসে যোগাযোগ করলে তারা বলছে, ‘তোমার বাড়ি এসি চলে তাই অতিরিক্ত বিল এসেছে।’ অথচ আমার বাড়ি কোন এসি নেই।বুঝিয়েও কোন লাভ হয়নি কারন ওদের রিডিং বই এ লেখা আছে আমার বাসায় এসি চলে।
টেংরা গ্রামের শামীম আহমেদ বলেন,
গত মাসে এক দিন আগে বিলের কাগজ পাইছি।বিদ্যুৎ অফিসের লোকেদের গ্রামে কিছু খাসচামচা (ইলেকট্রিশিয়ান)আছে যাদের কাছে বিদ্যুৎ বিলের কপি দিয়ে যায়।এরাই মুলত গ্রাহকদের কাছে পৌছে দেয়।একারনেই সময় মত গ্রাহকরা বিল হাতে পায় না।বাগআচড়া সাব জোনাল অফিসের এজিএম গাজী সোহরাব হোসেনের কাছে জানাতে চাইলে তিনি বলেন,বিদ্যুৎ বিল রিডিং যারা করেন তারা বাড়ি বাড়ি গিয়েই তো বিল রিডিং করে।তারা কেন অফিসে বসে বিল রিডিং করবে।এটা কোন সমস্যা না দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে।আমাদের নতুন বিল রিডার এসেছে অনেক সময় বাড়ি খুজে পাইনা এজন্য হয়তো দেরি হয়ে গেছে। তবে সব কিছু দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে।
-

বরগুনা জেলা পর্যায়ে নাগরিক প্লাটফর্ম এর ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত
খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
২৫ মে শনিবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় বরগুনা প্রেসক্লাব মিলনায়তন কক্ষে বরগুনা জেলা নাগরিক প্লাটফর্ম এর ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নাগরিক প্লাটফর্ম এর আহবায়ক জনাব চিত্তরঞ্জন শীল। সভায় আগামী জুন মাসে জেলা পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তা ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধদের সাথে যে কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মূল আলোচনায় অংশগ্রহন করেন যুগ্ম আহবায়ক সঞ্জীব দাস, সদস্য শুকরঞ্জন শীল, অশোক মজুমদার, ফজলুল করিম,গৌরাঙ্গ শিকদার শিবু, জাকির হোসেন মিরাজ, হাসানুর রহমান ঝন্টু, সাইদুল ইসলাম মন্টু ও তানিয়া সুলতানা। বক্তারা উল্লেখ করেন যে ইতিমধ্যে আস্থা প্রকল্পের আয়োজনে শান্তি সম্প্রতি ও সহনশীলতা বজায় রাখার জন্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের সাথে যুব ফোরামের আয়োজনে মতবিনময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে নতুন ভোটারদের ভাবনা ও তাদের প্রত্যশা নিয়েও যুব ভোটার ও বয়স্কদের সাথে কলেজ পর্যায়ে ও এলাকায় বিভিন্ন কর্মসুচী বাস্তবাযন করা হয়েছে। সভায় বক্তারা শান্তি সম্প্রীতির এই আন্দোলন সব পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য উদাত্ব আহবান জানান। সভায় ্রবরগুনা জেলার ০৬ টি উপজেলা থেকে ৩০ জন সদস্য অংশগ্রহন করেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন জেলা সমন্বকারী মোঃ খলিলুর রহমান। সার্বিক সহায়তায ছিলেন ফিল্ড অফিসার কোহিনুর বেগম
-

গায়ে হলুদ শেষে নদীতে গোসলে যাওয়া নববিবাহিত বরের লাশ উদ্ধার
মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম,উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুরে গায়ে হলুদ শেষে সন্ধ্যা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ বরের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
২৫ মে শনিবার বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে সন্ধা নদীতে ভাসমান অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরের চাচা শ্বশুর মোঃ সেলিম সিকদার ও উজিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার এস আই ওয়াহিদুজ্জামান মিলন।
প্রত্যক্ষদর্শী আমানউল্লাহ আমান জানান দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে বড়াকোঠা ইউনিয়নের চতলবাড়ি নামক স্থানে সন্ধ্যা নদীতে ঘটনাস্থলের কয়েকশো গজ দূরে মরদেহ ভেসে ওঠে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ মে শুক্রবার বেলা পৌনে একটার দিকে নব বিবাহিত বর নদীতে গোসলে নেমে তলিয়ে যায়। নিখোঁজ মিরাজুল ইসলাম আরিফ (২৪) গাজীপুরের কাশিমপুর থানার সুলতান মার্কেট এলাকার বাসিন্দা মো. মিন্টু খানের ছেলে। আরিফ স্কয়ার টেক্সটাইলের গাড়ি চালক। মৃত আরিফ দু.সম্পর্কের মামাতো বোনকে বিয়ের জন্য পরিবারসহ বৃহস্পতিবার রাতে উজিরপুরের গাববাড়ী এলাকায় আসেন। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে গাববাড়ী এলাকার মৃত নাসিরউদ্দিনের কন্যা নিপা আক্তারের(২০) সাথে বিয়ে হয়। পারিবারিক রীতি অনুযায়ী বিয়ের পর গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হয়। বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে অপর দুইভাই সহ আরিফ সন্ধ্যা নদীর চতলবাড়ি এলাকায় গোসল করতে নামে। এ সময় স্রোতের টানে দুই ভাইসহ ভেসে যেতে থাকে। তখন স্থানীয়রা দুই ভাইকে উদ্ধার করে। তবে নিখোঁজ হয় বর আরিফ। স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী নিখোঁজের সন্ধানে তল্লাশী চালিয়ে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। পরে পরিবার উদ্ধারের জন্য চেষ্টা অব্যাহত রাখে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহমেদ জানান, সন্ধা নদীতে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
-

শার্শার জামতলা বাজারে আগুন, ৪ লাখ টাকার ক্ষতি
আজিজুল ইসলাম : যশোরের শার্শার জামতলা বাজারে আগুন লেগে তিনটি দোকান ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আনুমানিক সাড়ে চার লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ব্যাবসায়ীরা জানিয়েছেন ।ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বলছেন বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে।
শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। জামতলা বাজারে সোহাগের দোকান থেকে আগুনের উৎপত্তি হয়। মুহুর্তে তা ছড়িয়ে পড়ে। এতে ৩ টি দোকান পুড়ে একেবারে ছাই হয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান,আগুন লাগার সাথে সাথেই ফায়ার সার্ভিসে ফোন করা হয়। তখন তাদের ফোন বন্ধ দেখায়। এরপর তারা ৯৯৯ তে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই মসজিদের মুসল্লীরা আগুন নেভাতে চেষ্টা করেন। পরে বেনাপোল ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসতে অনেক দেরি করায় দোকানে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়। এবং দোকানগুলো সম্পুর্ণ পুড়ে যায়। তারা জানান আগুনের তীব্রতা এতো বেশী ছিলো যে সাধারণ মানুষের পক্ষে তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন ছিলো।ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা জানিয়েছেন বিদ্যুৎের সটসার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে।
-

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর ৫৬ ধারার প্রয়োগ’ শীর্ষক সেমিনারে.প্রধান অতিথি সিএমপি কমিশনার
মোঃ শহিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টারঃমাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের আয়োজনে গতকাল ২০মে সোমবার চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ভবনের সম্মেলন কক্ষে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৬ ধারার প্রয়োগ’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএমপি কমিশনার (অ্যাডিশনাল আইজিপি) কৃষ্ণ পদ রায়,বিপিএম(বার),পিপিএম (বার) ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মামলা তদন্তের বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন। তদন্তের ভুলত্রুটি কমিয়ে কীভাবে সাজার হার বাড়ানো যায় এসময় তিনি এসব বিষয়েও বিশদ আলাপ করেন। এছাড়াও তিনি ডিজিটাল সাক্ষ্যের সাথে বস্তুগত সাক্ষ্যের সমন্বয় করে তদন্ত প্রতিবেদনকে আরও বেশি তথ্যপ্রমাণনির্ভর করতে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের জোর দিতে বলেন।
এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ জাহিদ হোসেন মোল্লা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিচালকমোঃ সাইফুল্লাহ্ রাসেল, বিএএম, পিএএমএস।চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা সেমিনারটিতে অংশগ্রহণ করেন।