Category: দেশজুড়ে

  • আজ সোমবার আগরপুরে স্বপনের নির্বাচনি জনসভা

    আজ সোমবার আগরপুরে স্বপনের নির্বাচনি জনসভা

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী এস এম খালেদ হোসেন স্বপনের কাপপিরিচ প্রতীকের সমর্থনে ১নং জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন (আগরপুর) এর জনগনের উদ্যোগে আগামীকাল ০৩ জুন রোজ সোমবার সন্ধ্যা ৭ ঘটিকায় আগরপুর আলতাফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ‍্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। নির্বাচনি আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন,কাপপিরিচ মার্কার প্রার্থী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাবেক সফল উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম খালেদ হোসেন স্বপন।
    প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখবেন উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান কাজী এমদাদুল হক দুলাল এছাড়া ও বক্তব্য রাখবেন উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, জাতীয় পার্টি ও ওয়ার্কাস পার্টির উপজেলা ও স্থানীয় নেতৃবর্গ।

  • পঞ্চগড়ে ডায়ালাইসিস সেন্টারের উদ্বোধন

    পঞ্চগড়ে ডায়ালাইসিস সেন্টারের উদ্বোধন

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেনপঞ্চগড় প্রতিনিধি:

    পঞ্চগড়ে আধুনিক ও মানসম্মত কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে পঞ্চগড়ে সোনার বাংলা (এসবিএফ) সিলিকন ভ্যালি অ্যারিজোনা কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে। পঞ্চগড় জেলা শহরের কায়েতপাড়াস্থ ফিতা কেটে ওই কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টারের উদ্বোধন করেন পঞ্চগড় ১ আসনের এমপি নাইমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা।

    সোনার বাংলা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের চীফ অপারেটিং অফিসার হোসনে আরা বেগমের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় এমআর কলেজের অধ্য¶ দেলওয়ার হোসেন প্রধান, পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু সাইদ, রংপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ইউরোলজি সার্জারী বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা শহীদুল ইসলাম সুগম, নেফ্রোলজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. এবিএম মোবাশ্বের আলম সুজা, পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা মোস্তফা জামান চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।এ প্রতিষ্ঠানটিতে কিডনি জনিত অনেক রোগী স্বল্প মূল্যে ডায়ালোসিস সুবিধা পাবেন।

  • উজিরপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাচ্চুর মোটরসাইকেল মার্কার উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    উজিরপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাচ্চুর মোটরসাইকেল মার্কার উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ আগামী ৫ জুন উজিরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মজিদ সিকদার বাচ্চুর মোটরসাইকেল মার্কায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ২ জুন রবিবার বিকেল পাঁচ টায় উজিরপুর মহিলা কলেজ মাঠে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক তাপস কুমার রায় এর সভাপতিত্বে, সাবেক কাউন্সিলর মোঃ বাবুল সিকদারের সঞ্চালনায় ,প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি উজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ সিকদার বাচ্চু। আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক আওয়ামীলীগ নেতা ও জেলা পরিষদের সদস্য অশোক কুমার হাওলাদার, আওয়ামীলীগের সিনিয়র সদস্য ও উপজেলা নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব এডভোকেট সালাউদ্দিন আহমেদ সিপু, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোঃ হেমায়েত উদ্দিন,শিকারপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি, আব্দুর রহিম মাস্টার, ওটরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল খালেকের রাঢ়ী,বড়াকোঠা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃশহিদুল ইসলাম মৃধা, পনির খান, সাতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, খাইরুল বাসার লিটন,ওয়ার্কার্স পার্টি উজিরপুর উপজেলার সভাপতি ফাইজুল হক বালি ফারাহীন, ইদ্রিস হাওলাদার, উজিরপুর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর খবির হাওলাদার ,উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অসীম কুমার ঘরামী সহ অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার কর্মী সমর্থক মিছিল নিয়ে সভাস্থলটিকে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

  • বানারীপাড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী  সানার উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী সানার উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় গতকাল ১ইজুন শনিবার সন্ধ্যার পরে সলিয়া বাকপুর ইউনিয়নের মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আগামী ৫ই জুন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী এডঃ মোঃ মাওলাদ হোসেন সানার মোটর সাইকেল মার্কার সমর্থনে সলিয়াবাকপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ও আনাচে কানাচে উঠোন বৈঠকে নারী পুরুষের সমান জনতার ঢল। রফিকুল ইসলাম মানিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এন বি আর এর সাবেক সদস্য আলী আহমেদ কালেক্টর, সাবেক ৩ বারের সংসদ সদস্য বরিশাল -২ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মনিরুল ইসলাম মনি, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন, বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট মোঃ মাওলাদ হোসেন সানা,উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চাখার ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মুজিবুল ইসলাম টুকু,সলিয়া বাকপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুকুজ্জামান ফারুকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সৈয়দ কাঠী ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন মন্টু, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম, ৩নং পৌর কাউন্সিলর জাকির হোসেন মোল্লা,উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনিসুর রহমান মিলন, সদর ইউনিয়ন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, প্রবাসী সুইডেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান,প্রার্থীর সহধর্মিনী আনার কলি ঝুমুর,সলিয়া বাকপুর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম জগলুল ফারুকের ছেলে মোঃ খালিদ। উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গোলাম কিবরিয়া সৈকত, যুবলীগ নেতা জিয়াউদ্দিন আহমেদ সিরণ, মোঃ তপু খান,মোঃ মাসুম বিল্লাহ, মোঃ বাবুল হোসেন, মনির খান, আব্দুল আউয়াল, নজরুল ইসলাম, সনেট, মোঃ শহিদুল ইসলাম,কালু পাল ও উপজেলা ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, ফজলে রাব্বী,রেজাউদ্দৌলা রিফাত সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

  • সুজানগরে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    সুজানগরে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ঃ রুখবো দুর্নীতি,গড়বো দেশ হবে সোনার বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে নিয়ে পাবনার সুজানগরে শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিকতার উন্নয়ন ও উত্তম চর্চার বিকাশের প্রয়াসে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় পাবনা ও সুজানগর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও দুলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের বিতার্কিকগন অংশগ্রহণ করে। চূড়ান্ত পর্বে বিতর্কের বিষয়বস্তু ছিল ‘দুর্নীতি দমনে প্রতিকার নয়, প্রতিরোধই সর্বোত্তম পন্থা। বিষয়বস্তুর পক্ষে অংশগ্রহণ করে প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী শিরিন সুলতানা। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন ও সরকারি ডাঃ জহুরুল কামাল ডিগ্রি অনার্স কলেজের প্রভাষক শ্রী ছন্দা সরকার, অধ্যক্ষ তরিত কুমার কুন্ডু,জাফরুল ইসলাম ও আখতারুজ্জামান জর্জ। প্রতিযোগিতা শেষে সুজানগর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলিম রিপনের স ালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী, তাতীবন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল হক, প্রবীণ সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী, দুলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) আবুল কালাম,সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, যায়যায়দি প্রতিনিধি এম মনিরুজ্জামান সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। সবাই সচেতন হলেই কেবল দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব। দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে না পারলেও দুর্নীতিবাজকে ঘৃণা করে দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব। আর তাহলেই সুন্দরভাবে আমাদের এই বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে। এ সময় তিনি আরো বলেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন দুর্নীতির কালো ছাঁয়ার কড়াল গ্রাসে না পড়ে সেই লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই দুর্নীতি বিরোধী চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে গড়ে তুলতে হবে। প্রসঙ্গত, সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, আবুল কাশেম মাধ্যমিক বিদ্যালয়,সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়,সাতবাড়ীয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়,তাতীবন্দ উচ্চ বিদ্যালয়,দুলাই উচ্চ বিদ্যালয় ও বোনকোলা উচ্চ বিদ্যালয়সহ উপজেলার মোট ০৮টি বিদ্যালয়ের ৩ জন করে শিক্ষার্থী এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • সুজানগরে উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী

    সুজানগরে উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী

    এম এ আলিম রিপন ঃ সুজানগরে তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার হ্রাসের লক্ষ্যে উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে শনিবার অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো.আব্দুল ওহাব। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান,নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান, সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী,তাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা,সাতবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন,ভায়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন, রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম তৌফিকুল আলম পিযুষ,মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম শফি,আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান সবুজ,বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের, শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তরিত কুমার কুন্ডু,তাতীবন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল হক, প্রবীণ সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী, দুলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) আবুল কালাম,সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলিম রিপন, যায়যায়দিন প্রতিনিধি এম মনিরুজ্জামান সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে পরিবার থেকে কাজ শুরু করার গুরুত্বারোপ করে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো.আব্দুল ওহাব বলেন, নিজেকে দিয়ে কাজ শুরু করতে পারলে সেই কাজের ফলাফল সবসময়ই ভালো হয়। তাই আসুন আমরা সকলে মিলে তামাকমুক্ত বিশ^ গড়ে তুলি। শেষে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদেও মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • আশুলিয়ায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি, নগদ অর্থ ও স্বর্ণসহ ২১ লক্ষ টাকার মালামাল লুট,আহত-৩

    আশুলিয়ায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি, নগদ অর্থ ও স্বর্ণসহ ২১ লক্ষ টাকার মালামাল লুট,আহত-৩

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর গ্রামের মোঃ আব্দুর রহমান দেওয়ানের বাড়িতে ৭-৮ জনের একটি ডাতাত দল বাড়ির লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণ অলংকার লুটপাট করেছে।
    শনিবার (১ জুন ২০২৪ইং) ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর গ্রামের আব্দুর রহমান দেওয়ানের বাড়িতে ডাকাতির খবর পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ২য় তলা ভবনের নিচতলার সামনের গ্রিল কেটে বাড়ির ভিতরে ডুকে ৭-৮জনের ডাকাত দল অস্ত্রের মুখে বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে ২য় তলায় থাকা এক রুমে গিয়ে নারী পুরুষ সবাইকে সোনার গহনা ও টাকা বের করে দিতে বলে, এসব দিতে দেরি করায় ডাকাতরা আব্দুর রহমানসহ নারী পুরুষকে মারধর করতে থাকে, এসময় আহত হয়েছেন ৩জন।
    এ ব্যাপারে বাড়ির মালিক ভুক্তভোগী আব্দুর রহমান দেওয়ান গুরুতর আহত হওয়ায় কারো সাথে কথা বলতে পারছেন না। আব্দুর রহমানের স্ত্রী ও পুত্রবধু বলেন, শুক্রবার রাত ২টার দিকে ৭-৮ জনের ডাকাত দল পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র রড নিয়ে এসে আমাদেরকে মারধর করেছে এবং সবমিলে ১৮ ভরি স্বর্ণের অলংকার ও নগদ সাড়ে ৩ লাখ টাকা লুট করে নিয়েছে। ডাকাতরা প্রায় ভোর রাত ৪টা পর্যন্ত ডাকাতি করেছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান। এ ব্যাপারে আব্দুর রহমানের এক ভাই আলী দেওয়ান বলেন, আমার ভাই সাদা মনের মানুষ, তার বাড়িতে ডাকাতি এটা দুঃখজনক, আমার ভাইকে ডাকাতরা খুব মারধর করেছে, তিনি কথা বলতে পারছেন না, নগদ অর্থ ও স্বর্ণসহ প্রায় ২১ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাতরা।
    উক্ত এলাকার মহিলা মেম্বারসহ জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা সবার দাবী এই ডাকাতির ঘটনার সঠিকভাবে তদন্ত করে ডাকাতদের আটক করার পর আইনের আওতায় আনার দাবী জানান। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ, র‌্যাব, গোয়েন্দা (ডিবি), পুলিশ ও র‌্যাব জানায়, এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা গেছে, এর আগে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানাধীন নয়ারহাট বাজার এলাকায় ১৯টি স্বর্ণের দোকানে গণডাকাতির ঘটনার পর আশুলিয়া ইউনিয়নের কাঠগড়া এলাকায় ৫-৭টি বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়, স্বর্ণ ও নগদ টাকাসহ অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটেছে।
    কিছুদিন আগে ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) এর নেতৃত্বে চৌকস গোয়েন্দা টিম অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাতকে গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধার করেন এবং ৫জনকে ২ দিনের রিমান্ডে আনা হয়, রিমান্ডে আসামীরা চা ল্যকর তথ্য দিয়েছে বলে ডিবি পুলিশ জানায়। ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) বলেন, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন নয়ারহাট বাজার এলাকায় ১৯টি সোনার দোকানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট, কাঠগড়া এলাকায় আজিজুর রহমানের বাড়িতে অস্ত্রের মুখে বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা ও স্বর্ণ লুট, ডাকাতির ঘটনায় ডাকাতদের গুলিতে একজন নিহত, ইয়ারপুর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর এক বাড়িতে ডাকাতিসহ আশুলিয়ায় ৬-৭টি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসব ডাকাতির ঘটনার পর থেকে ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি গোয়েন্দা টিম ছায়া তদন্ত করে মোবাইল টেকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬জন ডাকাতকে গ্রেফতার করার পর তাদের মধ্যে ৫জনকে আদালত দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন, দুইদিনের রিমান্ডে ৫জন ডাকাত সদস্য চা ল্যকর তথ্য দিয়েছে বলে তিনি জানান, তবে অন্যান্য ডাকাতদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
    ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) বলেন, গত (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং) রাজধানী ডিএমপিসহ ঢাকা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬জন দুর্ধর্ষ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো- সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার সোনাখালী গাজীবাড়ি এলাকার মৃত আনছার আলী গাজীর ছেলে মোঃ সুমন গাজী ওরফে সজল ওরফে পটকা সুমন (৩৬), খুলনা জেলার রূপসা থানার পলাশবাড়ী আলাইপুর এলাকার মৃত আকবর আলী শেখের ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান বাপ্পি ওরফে কলম বাপ্পি (৩২), যশোর জেলার মনিরামপুর থানার খানপুর বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে মোঃ রাজু ওরফে মুরাদ (৩৮), খুলনা সদর থানাধীন খুলনা শিপইয়ার্ড এলাকার মৃত মোশারফ খানের ছেলে মনিরুল ইসলাম খান ওরফে মনির (৩৫), খুলনা জেলার বাটিয়াঘাটা থানার রামভদ্রপুর গ্রামের মৃত আলমগীর শেখের ছেলে মোঃ আইনুল হক (৩২), ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানার উত্তর শ্রীরামপুর এলাকার ইউনুছ আলীর ছেলে ইয়াছিন আলী (২৯)। তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল গুলি ও নগদ টাকা, একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ২৩-৫৮৩৬) ও সুজুকি মোটরসাইকেলসহ গাড়ির ভেতরে থাকা একটি অত্যাধুনিক হাইড্রলিক কাটার এবং বিভিন্ন ধরণের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। উক্ত ৬জন ডাকাত সদস্যের মধ্যে ইয়াছিন ছাড়া বাকী ৫জনকে ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি কার্যালয়ে ২দিনের ডিমান্ডে আনা হয়। (ডিবি) জানায়, রিমান্ডে তারা চা ল্যকর তথ্য দিয়েছে, এই ডাকাত দলের সাথে আরো যারা জড়িত আছে তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।
    জানা গেছে, এর আগে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন নয়ারহাট বাজার এলাকায় ডাকাতদল বাজারের নাইটগার্ড ও দোকানের কারিগর কর্মচারীদেরকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৯টি দোকানের প্রায় ২শ’ ভরি স্বর্ণ এবং নগদ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায় ৪০-৫০ জনের ডাকাত দল। গত ২৪/০৬/২০২৩ইং তারিখ রাত অনুমান ০২,৩০ ঘটিকার সময় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার কাঠগড়া নয়াপাড়ার হাজী মোঃ আব্দুল আজিজ এর বাড়ির দোতালার পশ্চিম পাশের জানালার গ্রীল কাটিয়া ৮-১০ জনের ডাকাত দল রুমে প্রবেশ করে বাড়ির লোকজনের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা ও স্বর্ণ লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায়। এর আগে একইভাবে কাঠগড়া এলাকায় আরো ৫-৬টি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
    উক্ত ডাকাতির ঘটনায় আশুলিয়া থানায় ডাকাতি মামলা নং ৭৩। তারিখ: ২৪/০৬/২০২৩ইং এ মামলার বাদী মোঃ আব্দুল আজিজ বলেন, ডাকাতির ঘটনার দিনগত রাত ৩টার দিকে আমার বাড়ির ২য় তালার একটি খালি রুমের ভিতরে প্রবেশ করে ৮-১০ জন ডাকাত দল এসময় আমার এবং আমার স্ত্রীসহ বাড়ির লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ২৫ লক্ষ টাকা ও ২টি মোবাইলসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, উক্ত মামলায় পুলিশ আসামীর সংখ্যা কমিয়ে দিয়ে ৩-৪জনকে আসামী করেছে। নগদ ১৯,৫০,০০০/ টাকাসহ মোট অনুমান ২০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট হয়েছে এমনটি উল্লেখ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন ডাকাতদের ২জন লোহার পাইপ দ্বারা আমার স্ত্রীর হাতে, পায়ে আঘাত করিয়া নীলাফুলা জখম করেছে, তিনি আরো বলেন, দুইজন ডাকাতের কাছে পিস্তল ছিলো, আরও দুইজনের কাছে লোহার পাইপ ছিলো এবং ৩-৪ জন লুটপাট করেছে। মামলার বাদী আজিজ হাজীর স্ত্রী মোছাঃ সুমি আক্তার বলেন, ডাকাতরা আমাকে এবং আমার বাড়ির লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অনেক মারধর করে প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণ ও ২৫ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে পারিয়েছে।
    এর আগে গত ০৫/০৯/২০২১ইং দিবাগত রাতে আশুলিয়ার বংশী নদী তীরবর্তী আশুলিয়া থানাধীন নয়ারহাট বাজার এলাকায় স্বর্ণের ১৯টি দোকানে গণডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতি হওয়া এক দোকানের মালিক রিদয় রায় ও আব্দুল্লাহ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শ্রী বিপ্লবসহ দোকান কর্মচারীরা গণমাধ্যমকে জানান, রাত দেড়টার দিকে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে ৪০-৫০ জনের দুর্ধর্ষ ডাকাত দল নয়ারহাট বাজারে প্রবেশ করে। এসময় তাদের হাতে বন্দুক, পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র ছিলো। ডাকাতরা বাজারের নিরাপত্তারক্ষী ও বিভিন্ন দোকানের কর্মচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ব্যাপক মারধর করে এবং একে একে ১৯টি দোকানে ডাকাতি করে প্রায় ২শ’ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে ইঞ্জিনের নৌকাযোগে নদীপথে পালিয়ে যায়। সর্বশেষে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর মোঃ মান্নান মোল্লার বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। বাড়ির লোকজনকে পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৭০ ভরি স্বর্ণ এবং নগদ ৩৮ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় ৭-৮ জনের ডাকাত দল। এই ঘটনার সাথে ওই এলাকার একাধিক ডাকাত জড়িত থাকতে পারে বলে অনেকেই জানায়।
    উক্ত স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির ঘটনার পর ঢাকা জেলার সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শাহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপর এসব ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িত কোনো ডাকাতকে আশুলিয়া থানা পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেননি। এরপর ধারাবাহিকভাবে একাধিক দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। অনেকদিন পর হলেও ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬জন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছেন।

  • পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে কাঁঠালের ফলন ভাল হয়নি

    পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে কাঁঠালের ফলন ভাল হয়নি

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।। বৈরী আবহাওয়ায় পাইকগাছায় কাঁঠালের আশানারূপ ফলন হয়নি। মৌসুম শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় কাঁঠাল বৃদ্ধি কম হওয়ায় আকার ছোট হয়েছে। কাঁঠালের আকার এবড়ো-খেবড়ো ও ছোট হওয়ায় কাঁঠালের কোষ বড় হয়নি। তারপর ঘুর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে কাঠাল ঝরে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।ঝড়ে কাঠালের বোটা দুমড়ে- মুছড়ে যাওয়ায় কাঠাল আর বড়ো হবে না। জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে কাঁঠাল পাঁকা শুরু হয়েছে। বর্তমানে কাঁঠালের ভরা মৌসুম চলছে।বাজারে চড়া দামে কাঠাল বিক্রি হচ্ছে।
    উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানাযায়, উপজেলায় ৬০ হেক্টর জমিতে কাঁঠাল গাছ রয়েছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুনি, রাড়ুলীতে কাঁঠালের বাগান আছে। তাছাড়া চাঁদখালী ও পৌরসভার আংশিক এলাকায় কিছু কিছু কাঁঠাল গাছ রয়েছে। এলাকায় পরিকল্পিত ভাবে কাঁঠাল বাগান গড়ে ওঠেনি। তবে মিশ্র বাগানে কাঁঠাল বাগান রয়েছে। কাঁঠাল কাঁঠের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এলাকার বড় বড় গাছ গুলো বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া সে ভাবে কোন কাঁঠাল বাগান গড়ে ওঠেনি এবং এলাকায় বড় কোন কাঁঠাল গাছ তেমন একটা চোখে পড়ে না।
    উপজেলায় প্রায় ৮শ মেট্রিকটন কাঁঠাল উৎপাদন হবে বলে কৃষি অফিস ধারণা করছে। কাঁঠাল সবজি হিসাবেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রচুর।একটি কাঁঠাল ৮০ টাকা থেকে ৩শ টাকার অধিক দামে বিক্রি হচ্ছে। আষাঢ়-শ্রাবণ মাস কাঁঠাল পাঁকার উৎকৃষ্ট সময়। তবে জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঁঠাল বাজার বেঁচা-কেনা হচ্ছে। কাঁঠাল রসালো ও সু-স্বাদু একটি ফল। কাঁঠাল প্রোটিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ ফল। শহর ও গ্রাম অঞ্চলের উভয় মানুষের কাছে খুবই পছন্দের। মানুষের সুস্থ্য সবল স্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিনের অভাব পূরণে কাঁঠাল খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। কাঁঠালের একটি বড়গুণ এর কোন কিছু বাদ যায় না। কাঁঠালের কোষ, খোসা ও বিচি সব কিছুই প্রয়োজনীয়। বিচি উৎকৃষ্টমানের সবজি হিসাবে তরকারি রান্না করে খাওয়া হয়। কাঁঠালের খোসা গরু-ছাগলের প্রিয় খাদ্য। তাছাড়া কাঁঠালের পাতা ছাগল-ভেড়া-গরুর প্রিয় খাবার হিসাবে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কাঁঠাল উৎপাদনে কোন খরচ না থাকায় চাষীরা লাভবান বেশি হয়।
    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অসিম কুমার দাশ জানান, আবহাওয়া অনুকুলে না থাকায় এ বছর উপজেলায় কাঁঠালের ফলন ভাল হয়নি। তবে কাঠাল ভালো দামে বিক্রি হয়। ব্যক্তি উদ্যগে কাঁঠাল গাছ লাগানোর জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। কাঁঠাল আবাদে তেমন কোন খরচ হয় না। শুধু বাগান পরিচর্যা করলে চলে। এতে করে কৃষকরা কাঁঠালগাছ থেকে বেশি লাভবান হবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাল্ডবে পাইকগাছায় সুপেয় পানির সংকট বাড়ছে

    ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাল্ডবে পাইকগাছায় সুপেয় পানির সংকট বাড়ছে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)।।
    ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে পাকইগাছায় জলোচ্ছ্বাসে লবন পানিতে প্লাবিত হয়ে বহু গ্রামের মানুষ তিব্র সুপেয় পানির সংকটে পড়েছে।ঘূর্ণিঝড়র প্রভাবে সৃষ্ট জলচ্ছাসে পাকইগাছায় বেশির ভাগ এলাকায় প্লাবিত হয়েছে। লবণ পানি প্রবেশ করেছে সুপেয় পানির আধার সরকারি-বেসরকারি পুকুরে। ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকার পিএসএফ ও টিউবওয়েল। যার ফলে উপজেলার দেলুটি,লতা,সোলাদানা,গড়ুখালী, লস্কর ও চাদখালী ইউনিযানে বেশির ভাগ এলাকায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। নদী তীরবর্তী এলাকার অনেকে বাধ্য হয়ে লবণ পানি পান করছেন। লবণ পানি পান ও ব্যবহার করায় অনেকের চর্মরোগ ও পেটের পীড়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ জীবন বাঁচাতে দূর-দূরান্ত থেকে পানি ক্রয় করে আনছেন। ঝড়ের তান্ডব শেষ হওয়ার পরে জেলা-উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার পাওয়া গেলেও, সুপেয় পানির কোন সরবরাহ ছিল না দুর্গত এলাকায়। সরকারি ভাবে নদী তীরবর্তী এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
    উপজেলা সদর পৌরসভা,গদাইপুর,কপিলমুনি ও রাড়ুলী ইউনিয়নের বাইরে সব জায়গায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। রেমালের আঘাতে জলোচ্ছ্বাসে লবন পানিতে প্লাবিত হয়ে এই উপজেলার দেলুটি,লতা, সোলাদানা ও গড়ুইখালী ইউনিয়নের সর্বত্রই এখন সুপেয় পানির সংকট। এসব ইউনিয়নের বহু গ্রামের মানুষ তিব্র সুপেয় পানির সংকটে পড়েছে। জলমগ্ন গ্রাম গুলোর মধ্যে ২২নং পোল্ডারের দেলুটি ইউপি’র তেলিখালী,হাটবাড়ী,কালিনগর,ফুলবাড়ী,গোপিপাগলা,গেউবুনিয়া চকরি-বকরিসহ ১২গ্রাম ও ২৩ নং পোল্ডারের সোলাদানা ইউপি’র ছালুবুনিয়া,খালিযারচক, আমুরকাটা,সোলাদানা, বয়ারঝাপা,দীঘাসহ ২১গ্রাম ও লস্কর ইউপি’র করুলিয়া ও লস্কর,১৯/২০ পোল্ডারের লতা, হানি-মুনকিয়া,পুটিমারী,১০/১২ পোল্ডারের গড়ইখালী।
    সরেজমিনে দেখা গেছে, এসব এলাকায় স্নান ও গৃহস্থলীর কাজ ব্যবহৃত পানি ও সুপেয় খাবার পানির তিব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জলোচ্ছ্বাসে লবন পানিতে প্লাবিত হয়ে মিষ্টি পানির উৎস্য পুকুর-খাল ও জলাশয় নষ্ট হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও মিষ্টি পানির মাছ ও শামুক,ঝিনুক জলজপ্রানী মরে দুর্ঘন্ধ ছড়াছে। দেলাটি ইউনিয়নের তেলিখালি গ্রামের সবিতা মণ্ডল বলেন, ঝড়ে গাছ পড়ছে, ঘর ভাঙছে রাস্তা ও বাড়ি-ঘরে পানি উঠছে। সেসব এখন স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি। কিন্তু যে পুকুরের পানি যে লবণ হয়ে গেছে, তা মিষ্টি করবো কি দিয়ে। পানির যে কি কষ্ট তা বলে বুঝানো যাবে না। একই গ্রামের ঝর্ণা আক্তার বলেন, ঝড় চলে গেছে, কিন্তু আমাদের সব জায়গায় লবণ পানি দিয়ে গেছে। মূলত বৃষ্টির পানি খাচ্ছি আমরা। কিন্তু গোসল রান্না এসব কাজের জন্য বাধ্য হয়ে লবণ পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। অনেকের চর্মরোগ দেখা দিয়েছে। পেটের পীড়াও হচ্ছে সাধারণ মানুষের। উপজেলার মানুষও সুপেয় পানির একই ধরনের সংকটে ভুগছেন। সোলাদানার আমুরকাটার বাসিন্দা বিকাশেন্দু সরকার জানান, ইউনিয়নের মানুষ এমনিতেই সুপেয় পানি সংকট আছে।এর পরেই ঘুর্নিঝড়ে বেঁড়িবাঁধ ভেঙ্গে একাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে খাবার জলের সংকট আরো তিব্র হয়েছে।
    লতা ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস জানান, এমনিতেই লতাসহ আশপাশ ইউনিয়নগুলো টিউবওয়ের সাকসেসফুল না। এ দুর্যোগে এলাকা প্লাবিত হয়ে পুটিমারী,লতাসহ কযেকটি গ্রামের মানুষের স্নান ও খাবার জলের সমস্যায় পড়েছে। গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান জি,এম আব্দুস সালাম কেরু বলেন,স্থানীয় আলমশাহী ইনস্টিটিউটের পুকুর থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে শিবসা নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ সুপেয় পানি চাহিদা পূরন করছেন। লস্করের দীপঙ্কর মন্ডল জানান,দুর্যোগে আমরা গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত পানি ও খাবার পানি কষ্টে আছি। আইলায় পোল্ডারে লবন জল ঢুকলেও গ্রাম বাসির একমাত্র ভরসা মিষ্টি পানির বড় দীঘি অক্ষত ছিল। কিন্তু রেমালে এ দীঘি প্লাবিত হয়ে তছনছ করে দিয়েছে। মাছ,শামুক-ঝিনুক মরে দুর্ঘন্ধ ছড়াছে।সোলাদানা গ্রামের মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে এত বেশি পানি হয়েছিল পুরো এলাকা তলিয়ে গেছে। এখনও বেশির ভাগ জায়গায় পানি জমে আছে। যে পুকুরের পানি সবাই পান করতো, সেই পুকুরের পানি এখন লবণাক্ত। বাধ্য হয়ে অনেকেই লবণ পানি পান করছেন। একই এলাকার কহিনুর বেগম বলেন, চারদিকে পানি কিন্তু খাবার ও গোসলের পানি নেই। বাধ্য হয়ে লবণ পানি খাচ্ছি। প্রথম দুই দিন কষ্ট হচ্ছিল, কিন্তু জীবনতো বাঁচাতে হবে।
    প্লাবিত এলাকায় তিব্র খাবার পানির সংকট নিরসনে মোবাইল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে সুপেয় পানি সরবরাহ শুরু হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘন্টা করে খাবার পানি সরবরাহ করছেন। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহাদাৎ হুসাইন জানান,দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ দেলুটি, সোলাদানা ও গড়ইখালী ইউনিয়নে মোবাইল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে প্রতি ঘন্টায় ৬৬০ লিটার করে বিনামূল্যে খাবার পানি বিতরণ কর্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি আরোও বলেন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে ইতোপুর্বে ১০ ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ৩ হাজার লিটারের ৫ হাজার পানির ট্যাংকি বিতরন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এটি চলবে। তবে ঘূর্ণিঝড় রিমালে দুর্গত স্থানীয়রা বলছেন, এই পানিতে আসলে সংকট মিটবে না। এটা উপজেলার একটি জায়গায় দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যন্ত এলাকায় যেতেও পারছে না। সুপেয় পানির সংকট মেটানোর জন্য ভ্রাম্যমাণ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের সংখ্যা বৃদ্ধি করা দরকার।

  • নড়াইলে পুলিশ প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ-এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

    নড়াইলে পুলিশ প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ-এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইল জেলা পুলিশ লাইনস্ মাঠে জেলা পুলিশের আয়োজনে “পুলিশ প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ-২০২৪” এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান। তিনি প্রথমে ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণকারী দুই দলের খেলোয়াড়দের সাথে পরিচিত হন। পরে তিনি নিজে ব্যাটার হিসেবে খেলে খেলার উদ্বোধন করেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার (৩১ মে) খেলা শেষে পুলিশ সুপার তার বক্তব্যে বলেন, নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলার বিকল্প নেই। শরীর ও মনকে সুস্থ ও সবল রাখতে খেলাধুলা করতে হবে। পুলিশ লাইনস এ সুন্দর মাঠ রয়েছে। ডিউটির পাশাপাশি ফুটবল, ভলিবল, ক্রিকেটসহ সব ধরনের খেলায় এধরনের প্রতিযোগিতা খেলার আয়োজন করা হবে। অতঃপর তিনি চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন। এছাড়া ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ও ম্যান অফ দ্য সিরিজ খেলোয়াড়দের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন। আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব সুন্দরভাবে করার জন্য বিশেষ পুরস্কার প্রদান করেন। পরিশেষে সম্মাননা স্মারক হিসেবে পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত।
    এ সময় তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্); মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল); নড়াইল সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।